লোমহর্ষক, নির্মম!

ধাক্কা খেয়ে বাম্পারে একজন মানুষ আটকে যাওয়ার পরও থামল না মাইক্রোবাসটি। তীব্র বেগে প্রায় এক কিলোমিটার চালিয়ে গেলেন চালক, যতক্ষণ না শরীরটি গাড়ি থেকে খসে পড়ে। আর ততক্ষণে রাস্তার সঙ্গে ঘর্ষণে লোকটির শরীরের বিভিন্ন জায়গা থেকে মাংস উঠে যায়, মাথা ফেটে বেরিয়ে যায় মগজ। সেখানেই মারা যান তিনি।

শ্যামলীর আশা টাওয়ারের সামনে গতকাল রোববার দুপুরে ওই যুবককে ধাক্কা দেয় সাদা রঙের একটি মাইক্রোবাস। এরপর বাম্পারে আটকে যাওয়া লোকটিকে কল্যাণপুর পর্যন্ত টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যায় গাড়িটি। ঘটনার ধরন দেখে এটি দুর্ঘটনা না পরিকল্পিত হত্যা সেই সংশয়ে পড়েছে পুলিশ। গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত নিহত ব্যক্তির পরিচয় মেলেনি। শনাক্ত করা যায়নি গাড়িটিও। নিহত ব্যক্তির আনুমানিক বয়স ৩২ বছর। পরনে ছিল হাফ হাতা শার্ট ও কালো প্যান্ট।
মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক মামুন শাহের ভাষ্য, নিহত ব্যক্তি গতকাল দুপুরে আশা টাওয়ারের সামনে রাস্তা পার হচ্ছিলেন। রাস্তা অনেকটা ফাঁকাই ছিল। এ সময় দ্রুতগতির সাদা রঙের একটি মাইক্রোবাস তাঁকে ধাক্কা দেয়। লোকটি পড়ে গিয়ে মাইক্রোবাসের সামনের বাম্পারে আটকে যান। সেই অবস্থায় গাড়ি না থামিয়ে চালক দ্রুতগতিতে গাড়ি চালিয়ে যান। কল্যাণপুরে ইবনে সিনা হাসপাতালের সামনে গাড়ির বাম্পার থেকে ছিটকে পড়ে যুবকের রক্তাক্ত, থেঁতলানো শরীরটি। সেখান থেকে দারুসসালাম থানার পুলিশ তাঁর লাশ উদ্ধার করে।

Developed by: