বিভাগ: সংগঠন সংবাদ

দক্ষিণ সুরমা সাহিত্য পরিষদের সাহিত আসরে বক্তারা নতুন প্রজন্মকে বেশি করে শেড়ক সন্ধ্যানী করতে হবে

south-02আমাদেরকে শিকড় সন্ধানী লেখক হতে হবে। কারণ আমাদের শিকড় অনেক গভীরে। আমাদের আছে রক্তক্ষয়ী দুটি সংগ্রামের সমুজ্জল ঐতিহাসিক বিজয়। তাই এ বিজয়ের গৌরবগাথা ইতিহাস নিয়ে আমাদেরকে লেখতে হবে। নতুন প্রজন্মকে বেশি করে শিকড় সন্ধানী করতে হবে।
গত কাল ৪ নভেম্বর শুক্রবার বিকালে স্টেশন রোডস্থ বাসিয়া প্রকাশনী  কার্যালয়ে দক্ষিণ সুরমা সাহিত্য পরিষদের নিয়মিত সাহিত্য আসরে বক্তারা উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
পরিষদের সভাপতি ও মাসিক বাসিয়া পত্রিকার সম্পাদক গীতিকার মোহাম্মদ নওয়াব আলীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কবি দেওয়ান মতিউর রহমান খানের সঞ্চালনায় আড্ডায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিশু সাহিত্যিক ও সংগঠক জামান মাহবুব, নছিবা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এএইচএম ইসলাইল আহমদ, প্রবাসী কবি শামীম আহমেদ, কবি আবদুল বাসিত মোহাম্মদ, কবি শিউল মনজুর, কবি লায়েক আহমদ নোমান, সাবেক কাউন্সিলর ও কবি নাজনীন আক্তার কনা।
লেখা পাঠ ও আলোচনায় অংশ নেন বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী ও ছড়াকার বাইস কাদির, শিশু সংগঠক ও ছড়াকার তাজুল ইসলাম বাঙালি, কবি তোবারক আলী, ছড়াকার মতিউল ইসলাম মতিন, ছড়াকার বদরুল আলম খান, গীতিকার হরিপদ চন্দ, গল্পকার রেনুফা রাখী, গল্পকার হাবিব আহমদ এহসান, কবি লুৎফা বেগম লিলি, উপন্যাসিক ও শিক্ষক কাজী মোতাহার হোসেন শাহীন, কবি কামাল আহমদ, নিলুফা ইসলাম নিলু, কবি আনোয়ার হোসেন মিছবাহ, ছড়াকার সুব্রত দাশ, কবি ওবায়দুল হক মুন্সী, উপন্যাসিক গনেন্দ্র চন্দ্র দাস, নাট্যকমী মো. আবদুস শহীদ দুলাল, কবি আবু জাফর মো. তারেক, কবি ফখরুল আল হাদী, কণ্ঠশিল্পী এন এম নূরুল, কবি নূর আলম বেগ, সজিব আহমদ বিজয়, কয়েস আহমদ মাহদী, কবি মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, গল্পকার শহিদুল ইসলাম লিটন ও লাহিন নাহিয়ান প্রমুখ।

সাহিত্য নীড়ের ২য় লেখাপাঠের আসর আগামী ৪ নভেম্বর

sahittho-nirঅনলাইন সাহিত্য গ্রুপ “সাহিত্য নীড়’এর ২য় লেখা পাঠের আসর ও অভিনন্দন সভা আগামী ৪ নভেম্বর শুক্রবার বিকেল ৪ টায় সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অনুষ্টিত হবে।
এতে সাহিত্য নীড়ের সকল এডমিন, মেম্বার সহ লেখকদের উপস্হিতি কামনা করে বিবৃতি প্রদান করেছেন অনলাইন সাহিত্য গ্রুপ “সাহিত্য নীড়’এর এডমিন মিজান মোহাম্মাদ ও তানভীর আল রানা।

বাংলা একাডেমী সংস্কারসহ ৪দফা দাবী জানিয়েছে অনলাইন সাহিত্য গ্রুপ”বৃষ্টি ভেজা গোধুলির রঙ সাহিত্যাঙ্গণ”

মিজান মোহাম্মদঃ দেশের জনপ্রিয় অনলাইন সাহিত্য গ্রুপ”বৃষ্টি ভেজা গোধুলির রঙ সাহিত্যাঙ্গণ” দেশের সমস্ত লেখক ও পাঠকদের পক্ষে, বাংলাদেশ সরকারের কাছে বাংলা একাডেমি সংস্করণসহ চার দফা দাবি জানিয়ে এক (বিবৃতি) দিয়েছেনঃ
গ্রুপের পক্ষে সভাপতি তনুলতা মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে,যে উদ্যোগ হাতে নিয়েছেন তার সাথে আমাদের “বৃষ্টি ভেজা গোধূলির রঙ-সাহিত্যাঙ্গন” একাত্মতা পোষণ করে বাংলা সাহিত্যের ধারাকে আধুনিক থেকে আধুনিকতর করার দাবীতে,বাংলাদেশ সরকারের কাছে কিছু যুক্তিসঙ্গত দাবী উপস্থাপন করছিঃ
দেশের সীমিত সম্পদের প্রতি বিশেষ বিবেচনা করে আমাদের এই প্রস্তাবনা,যা সহজেই বাস্তবায়ন সম্ভব।কারণ এই প্রস্তাব বাস্তবায়নে সরকারের নতুন করে অর্থ বরাদ্ধের প্রয়োজন নেই।কোন স্থাপনা তৈরীর প্রয়োজন হবেনা।শুধু সরকারের সদিচ্ছাই যথেষ্ট।
ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা সরকারের আমরা শুধু ডিজিটাল ক্ষেত্রকে নির্দেশ করেছি।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় আগামী বছর (২০১৬) থেকে ষষ্ঠ শ্রেণির সব শিক্ষার্থীকে(৩০ লক্ষ) ট্যাবলেট দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে, যা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে সরকার। মাধ্যমিকে ‘এক শিক্ষার্থী এক ট্যাব’ নীতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ওই শ্রেণিতে প্রতিবছরই ট্যাব দেওয়া হবে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১২ সালের ২০ মে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম উদ্বোধন করেন। শিক্ষকদের অনেকেই এখন ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করছেন। যা দিয়ে ট্যাব পাওয়া শিক্ষার্থীরা বিশেষভাবে উপকৃত হবে।
রূপকল্প-২০২১ অনুযায়ী ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ার কর্মসূচির অংশ হিসাবে ‘ইনফো সরকার-২’ নামের একটি প্রকল্প চালু করা হয়েছে,যা সর্বক্ষেত্রে ডিজিটাল পদ্ধতি বাস্তবায়ন সম্পন্ন করবে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ডিজিটাল পদ্ধতির সুফল আমাদের দেখাতে শুরু করেছেন। আর তাই আমরা নতুন প্রজন্ম ডিজিটাল পরিকল্পনা হাতে নেওয়ার উদ্যোগ নিতে চাই।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় অঙ্গিকার আমাদের নতুন প্রজন্মকে বাস্তব সম্মত চিন্তা করার খোরাক যুগিয়েছে।
আমরা ভাবতে শিখছি সেই দিন আর বেশী দূরে নয় যে, কবি ও সাহিত্যিক গণ তাদের সাহিত্যকর্ম প্রকাশের জন্য সংবাদপত্র ও প্রকাশনী সংস্থা গুলোর পিছনে ছুটাছুটি করা বন্ধ করবেন।
আমরা বিশ্বাস করি খুব অচিরেই সাহিত্য কর্ম আর বই হিসাবে থাকবেনা। সেগুলো ডিজিটাল রূপ সিডি ও মেমোরী কার্ডের মাধ্যমে প্রকাশ পাবে।
উল্লেখ্য সংবাদ পত্র গুলো ইতিমধ্যেই ডিজিটাল কার্যক্রম চালু করেছে। দেশের উন্মুক্ত চিন্তা চেতনার ধারক বাহক দেশের কবি সাহিত্যিক। আর তাই তাদের লেখার স্বাধীনতা ও তা প্রকাশের স্বাধীনতা সবার আগে জরুরী। যদি তা দিতে পারে একমাত্র ডিজিটাল মাধ্যম। সে কথা মাথায় রেখে আমরা কিছু দাবীর কথা তুলে ধরেছি।যা বাস্তবায়িত হলে কবি সাহিত্যিকদের কারো দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হবেনা।
ডিজিটাল পদ্ধতিতে বাংলা সাহিত্যের অগ্রযাত্রা প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে,নিম্নে আমরা আমাদের দাবী সমূহ তুলে ধরলামঃ
আমাদের দাবী সমূহঃ
১// বাংলা একাডেমির আমূল সংস্কার করে স্বায়ত্তশাসন, ডিজিটাল পদ্ধতি চালু, সারা দেশে শাখা খুলে সম্প্রসারণ (নতুন কোন ভবন নয়, সারাদেশের পাবলিক লাইব্রেরি গুলোতে শাখা হিসাবে ঘোষণা)
এবং দেশের বরেণ্য কবি সাহিত্যিক দ্বারা সেন্ডিকেট এর মাধ্যমে পরিচালনা করা।
২// অনলাইন সাহিত্য গ্রুপ গুলোকে নীতিমালার মাধ্যমে সংস্কারিত বাংলা একাডেমীর নিয়ন্ত্রণে এনে সমস্ত কবি সাহিত্যিক যেনো একই প্লাটফর্মে লিখতে পারে তার ব্যবস্থা নেওয়া।
৩// ইন্টারনেট সেলের মাধ্যমে সকল সাহিত্যকর্ম পর্যবেক্ষণ ও সাহিত্য চোরদেরকে আইনের আওতায় এনে শাস্তির বিধান করা।
৪// প্রতি মাসে তৃনমূল থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায়ে কবি সাহিত্যিকদের স্বীকৃতির ব্যবস্থা করা।

সাহিত্য নীড়ের বিশেষ লেখাপাঠের আসর ও অভিনন্দন সভা

14642202_579843738869281_5802361404738024381_n14716329_579843675535954_6457958141581252267_n14671122_579843782202610_4718308713097422680_nপাঠকপ্রিয় অনলাইন সাহিত্য গ্রুপ “সাহিত্য নীড়’-এর উদ্যোগে বিশেষ লেখা পাঠের আসর ও গ্রুপের সক্রিয় এডমিন কবি ফারজানা হক বৃস্টি এর জন্মদিনে অভিনন্দন সভা আজ ২১ অক্টোবর শুক্রবার বিকেল ৪ টায় সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অনুস্টিত হয়।
গীতিকবি হরিপদ চন্দের সভাপতিত্বে ও কবি মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের পরিচালনায় আসরে প্রথমেই “সাহিত্য নীড়” গ্রুপের লক্ষ উদ্দেশ্য বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন গ্রুপের এডমিন কবি মিজান মোহাম্মদ।
আলোচনা ও লেখাপাঠ করেন কবি আকতার হোসেন তাহির, সেলিনা আক্তার, কবি সৈয়দ মুক্তদা হামিদ, তানভীর হাসান রানা প্রমুখ। আসরে ফারজানা হক বৃস্টিকে জন্মদিন উপলক্ষে অভিনন্দন শুভেচ্ছা জানানো হয়। অনুভূতি ব্যক্ত করে বক্তব্য ও স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন কবি ফারজানা হক বৃস্টি।

দক্ষিণ সুরমা সাহিত্য পরিষদের সাহিত আসর অনুষ্ঠিত

k1দক্ষিণ সুরমা সাহিত্য পরিষদের নিয়মিত সাহিত্য আসর গত ২১ অক্টোবর শুক্রবার বিকালে স্টেশন রোডস্থ মাসিক বাসিয়া পত্রিকা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
পরিষদের সভাপতি গীতিকার মোহাম্মদ নওয়াব আলীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কবি দেওয়ান মতিউর রহমান খানের সঞ্চালনায় আড্ডায় লেখা পাঠ ও আলোচনায় অংশ নেন কবি তোবারক আলী, কবি ও সংগঠক লায়েক আহমদ নোমান, ছড়াকার ইমতিয়াজ সুলতান ইমরান, গীতিকার হরিপদ চন্দ, কবি সুফিয়া জমির ডেইজী, মেঠোসুর সম্পাদক বিমান তালুকদার, উপন্যাসিক গনেন্দ্র চন্দ্র দাস, কবি রাশিদা বেগম, এডভোকেট মো. মিজানুল হক মিজান, নাট্যকমী মো. আবদুস শহীদ দুলাল, কবি আবু জাফর মো. তারেক, কবি সৈয়দ মুক্তদা হামিদ, কবি মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, কবি ফখরুল আল হাদী, সমাজকর্মী মো. সাদিকুর রহমান, ছড়াকার রওনক আহমদ এনাম, সাবেরী আল মামুন, মো. মকসুদ খান, লিমা ও সজিব আহমদ বিজয় প্রমুখ।
আসরে গান পরিবেশন করেন কণ্ঠশিল্পী এন এম নূরুল, ওবায়দুল হক মুন্সী, মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন ও শিশু শিল্পি হিরামণি।

জয়বাংলা পরিষদের নিয়মিত সাহিত্য আসর অনুস্টিত

14516507_573561672830821_9175640879704993622_nজয়বাংলা পরিষদ সিলেট জেলা শাখার নিয়মিত সাহিত্য আসর ৭ অক্টোবর বিকেলে সিলেট কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে অনুস্টিত হয়।
শাখা সভাপতি গীতিকবি হরিপদ চন্দের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কবি মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের পরিচালনায় সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হককে নিবেদিত আসরে আলোচনা ও লেখাপাঠ করেন কবি সসাইদুর রহমান সাঈদ, ছড়াশিল্পী তারেশ কান্তি তালুকদার, , কবি মিজান মোহাম্মদ ,ছড়াশিল্পী আহমদ সোহেল , গল্পকার শহিদুল ইসলাম লিটন, কবি অনন্ত পাল, ভাস্করশিল্পী জালাল উদ্দিন সরকার, কবি আব্দুল বাছিত প্রমুখ।
আসরে বক্তারা সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের সৃস্টিশীল বর্ণাঢ্য জীবনের স্বৃতি চারন করেন এবং তাঁর বিদ্বেহী আত্বার প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
বক্তারা আরো সম্প্রতি সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রী খাদিজা আক্তার নার্গিসের উপর বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা জানান ও অবিলম্বে দ্রুত বিচার আইনে মামলা নিয়ে কুলাংঙ্গার বদরুলের দৃস্টান্তমুলক সাজা নিশ্চত করার জোর দাবী জানান।

কবি দিলওয়ারের মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে দক্ষিণ সুরমা সাহিত্য পরিষদের সাহিত্য আড্ডা দৃশ্যমান দিলওয়ার আমাদের কাছে না থাকলেও তাঁর লেখনি আমাদেরকে আজীবন প্রেরণা দিয়ে যাবে

a05গণমানুষের কবি দিলওয়ার বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করে বিশ্বের দরবারে আমাদেরকে পরিচিত করেছেন। দৃশ্যমান দিলওয়ার আমাদের কাছে না থাকলেও তাঁর লেখনি আমাদেরকে আজীবন প্রেরণা দিয়ে যাবে। তিনি লেখনীর মাধ্যমে দেশ ও জাতিকে বিশ্ব দরবারে পরিচিত করেছেন। তিনি আমাদের আলোকবর্তিকা। তাই দেশ ও জাতির স্বার্থে গণমানুষের কবি দিলওয়ারের লেখা বেশি করে পাঠ করতে হবে।
গত ০৭ অক্টোবর শুক্রবার বিকালে স্টেশন রোডস্থ মাসিক বাসিয়া পত্রিকা কার্যালয়ে কবি দিলওয়ারের ৩য় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আড্ডায় বক্তারা উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
পরিষদের সভাপতি গীতিকার মোহাম্মদ নওয়াব আলীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কবি দেওয়ান মতিউর রহমান খানের সঞ্চালনায় আড্ডায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রভাষক ও ছড়াকার মো. বদরুল আলম খান, কবি ও সাংবাদিক সাইদুর রহমান সাঈদ ও শিশু সংগঠক তাজুল ইসলাম বাঙালি ও সাবেক কমিশনার কবি নাজনীন আক্তার কনা।
আলোচনা ও লেখাপাঠে অংশ নেন গীতিকার হরিপদ চন্দ, প্রবাসী ছড়াকার আহমদ সোহেল, কবি মিজান মোহাম্মদ, উপন্যাসিক শাহ ফারজানা আহমেদ, ছড়াকার তারেশ কান্তি তালুকদার, কবি কামাল আহমদ, ছড়াকার আবদুস সামাদ, নাট্যকমী মো. আবদুস শহীদ দুলাল, কবি মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, গল্পকার শহিদুল ইসলাম লিটন, ভাস্কর্ষ জালাল উদ্দিন সরকার, কবি সৈয়দ মুক্তদা হামিদ, কবি অনন্ত পাল, কবি এম আলী হোসাইন, কবি ফখরুল আল হাদী, কবি মো. আমির হামজা আকন্দ ও সজিব আহমদ বিজয় প্রমুখ।
গান পরিবেশন করেন শিল্পী এন এম নূরুল, মো. ওবায়দুল হক মুন্সী, মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন ও আবুল হাসান।
শিশু আবৃত্তিকার মোহাম্মদ ইয়াসিন আরাফাত কবি দিলওয়ারের ক্রীন ব্রীজের সূর্যোদয় কবিতাটি আবৃত্তি করে।

কবিরা জাতির বিবেক,সময়ের আয়না।দেশ ও জাতি বিনির্মাণে এরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করে থাকে। —-কবি এম. এ জলিল

14364913_1432450926784406_6997681047657758934_n 14368791_1432451003451065_3383779797830210156_n 14445960_1432450863451079_8813063204912167585_nকবিরা জাতির বিবেক,সময়ের আয়না।দেশ ও জাতি বিনির্মাণে এরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করে থাকে।নবীগঞ্জ এর ঐতিহ্যবাহী সাহিত্য সংগঠন “দিগন্ত সাহিত্য পরিষদ” (দিসাপন)এর ঈদ পূন্রমিলনী ও কবিতা পাঠের আসরে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন কবি এম. এ জলিল।প্রধান অতিথির বক্তব্যে “মাসিক গোপলা” সম্পাদক মিজান মোহাম্মদ বলেন- যে লেখা মানুষ ও জাতীর বিবেককে নাড়া দিতে না পারে সে লেখা সার্থক নয়, মনোরঞ্জন মাত্র।লেখা বা লেখক তখনি সফল হয় যখন লেখা সমাজ সংস্কার এ ভূমিকা রাখে।

২৩ সেপ্টেম্বর দিসাপন এর আয়োজনের ঈদ পূন্রমিলনী ও সাহিত্য আড্ডায় সভাপতিত্ব করেন দিসাপন সভাপতি কবি কাজী শাহেদ বিন জাফর। কয়েস আহমদ মাহদীর পরিচালনায় বক্তব্য ও কবিতা পাঠ করেন আহমেদ হোসেন চৌধূরি,মোহাম্মদ আব্দুর রহীম,মোহাম্মদ আলী বাহার,হোসাইন আহমেদ,জামিনুর রহমান জামিল প্রমুখ।

দণি সুরমা সাহিত্য পরিষদের সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত

a4দণি সুরমা সাহিত্য পরিষদের পাকি সাহিত্য আড্ডা গত ২৩ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিকালে স্টেশন রোডস্থ মাসিক বাসিয়া পত্রিকা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। পরিষদের সভাপতি গীতিকার মোহাম্মদ নওয়াব আলীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কবি দেওয়ান মতিউর রহমান খানের সঞ্চালনায় আসরে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বনাথ প্রেসকাবের সাবেক সভাপতি কবি সাইদুর রহমান সাঈদ, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর নাজনিন আক্তার কনা, প্রবাসী ছড়াকার আহমদ সোহেল।
আসরে লেখাপাঠ ও আলোচনায় অংশ নেন গীতিকার হরিপদ চন্দ, কবি মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, কবি মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন. গীতিকার এন এম ইসলাম ও আবুল হাসান প্রমুখ।

চন্দ্রবিন্দু’র ৬ বছরে পদার্পণ অনুষ্ঠান সংবাদপত্র সমাজের আয়না —-সৈয়দা জেবুন্নেছা হক

মিজান মোহাম্মাদঃ 14238357_560804167439905_5551117920105670942_nদক্ষিণ সুরমা উপজেলার সিলাম থেকে প্রকাশিত প্রথম ও একমাত্র পত্রিকা মাসিক চন্দ্রবিন্দু’র ৬ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে আয়োজিত পাঠক ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে সাবেক সংসদ সদস্য ও জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের সদস্য সৈয়দা জেবুন্নেছা হক বলেছেন, সংবাদপত্র সমাজের আয়না। একটি পত্রিকার মাধ্যমে সমাজের উন্নয়ন, অগ্রগতি ও আলোকিত সময়ের প্রতিচ্ছবি ফুঁটে ওঠে। তিনি আরো বলেন, মাসিক চন্দ্রবিন্দু পত্রিকা দীর্ঘদিন থেকে সিলাম তথা দক্ষিণ সুরমার মুখ্যপত্র হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি এই কষ্টসাধ্য কাজ নিরলসভাবে চালিয়ে যাওয়ার জন্য পত্রিকার সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলামকে ধন্যবাদ জানান।
গত ৭ সেপ্টেম্বর বিকেলে চকেরবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত পাঠক সমাবেশ ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দক্ষিণ সুরমা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও মাসিক চন্দ্রবিন্দু পত্রিকার উপদেষ্ঠা এম. আহমদ আলী।
মাসিক চন্দ্রবিন্দু’র পত্রিকার সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের স্বাগত বক্তব্য ও চন্দ্রবিন্দু পাঠক ফোরামের আহ্বায়ক এস. এম ফাহাদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবু জাহিদ, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মোঃ ইমাদ উদ্দিন নাসিরী, সিলেট সাহিত্য পরিষদের সভাপতি ও ভাষ্কর সম্পাদক কবি পুলিন রায়, সিলাম পি এল বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি সভাপতি হাজী তাজরুল ইসলাম তাজুল, বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কবি সাইদুর রহমান সাঈদ, খেলাঘর সিলেট জেলা সভাপতি ছড়াশিল্পী তাজুল ইসলাম বাঙালী, কবি লুৎফুন্নেছা লিলি, কবি নিলুফা ইসলাম নিলু, সিলাম পি এল বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিলীপ লাল রায়, নবারুন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু ইউসুফ, চকের বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা বিল্পবী পাল।
শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, গীতিকবি হরিপদ চন্দ, কবি দেওয়ান মতিউর রহমান খান, কবি কামাল আহমদ, কবি মিজান মোহাম্মদ, ছড়াশিল্পী পলাশ আফজাল, মাস্টার আবুল হোসেন প্রমুখ।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সমাজসেবী ফজির আলী, কবি অনন্ত পাল, কবি সৈয়দ মুক্তদা হামিদ, সাবেক মেম্মার শফিকুল হক শফিক, কবি জুবায়দা বেগম আখি, ফয়ছল আহমদ দিপু প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে কবি লুৎফুন্নেছা লিলি, গল্পকার শহিদুল ইসলাম লিটন, সাহিত্যসেবী এস. এ ফয়ছল ও মোঃ রিয়াজ উদ্দিন তালুকদারকে চন্দ্রবিন্দু সম্মাননা ২০১৬ প্রদান করা হয়।

Developed by: