বিভাগ: সংগঠন সংবাদ

মো. খালেদ মিয়ার ৫০তম জন্মজয়ন্তি উপলে সংবর্ধনা কবি-সাহিত্যিকরা জাতিকে আলোর পথ দেখান …………….মুহাম্মদ আসাদুল হক

11011598_386198871567103_1900557629041005144_nবিশ্বনাথ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আসাদুল হক বলেছেন, কবি-সাহিত্যিকরা মানবতাবাদী সমাজ গঠনের জন্য নিরন্তর কাজ করে যান। তাদের সাহিত্য সাধনার ফলেই সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গড়ে ওঠে। তারা জাতিকে আলোর পথ দেখান। জাতির বিবেক হিসেবে তারা সব সময়ই প্রশংসিত। তিনি বলেন , মো. খালে মিয়ার লেখার মৌলিকত্ব ও গভীরতা তাকে সাহিত্যাঙ্গনে আলাদা মর্যাদার অভিসিক্ত করেছে। তার গবেষণাধর্মী সাহিত্যকর্ম নিঃসন্দেহে সাহিত্যভান্ডারকে আলো সমৃদ্ধ করবে।
তিনি গত ১৩মে বুধবার বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে মাসিক মাকুন্দা সম্পাদক গীতিকার মো. খালেদ মিয়ার ৫০তম জন্মজয়ন্তি উপল্েয আয়োজিত সংবর্ধনা ও আলোর ঝলক’ সংকলন প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। অনুষ্টানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বনাথ ডিগ্রি কলেজের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান তাপসী চক্রবর্তী। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মিছবাহ উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সুনামকণ্ঠ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক, সুনামগঞ্জ প্রেসকাবের সহসভাপতি বিজন সেন রায়। সভায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্বনাথ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. ছয়ফুল হক, সুনামগঞ্জ জেলার জামাল গঞ্জ এমরুল কয়েস লোকউৎসবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি গীতিকার এমরুল কয়েস, বাংলাদেশ পোয়েটস কাবের মহাপরিচালক তাজুল ইসলাম বাঙালি, বাগিচা বাজার প্রগতি পাঠাগার সম্পাদক কবি আবদুল মুমিন মামুন, মাসিক বাসিয়া সম্পাদক ও প্রকাশক গীতিকার মোহাম্মদ নওয়াব আলী, রাগীব-রাবেয়া ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক খালেদ উদ-দীন, জাতীয় কবিতা পরিষদ বিশ্বনাথ উপজেলা শাখার সভাপতি আবদুল হান্নান ইউজেটিক্স, গীতিকার কামরুন নাহার চৌধুরী শেফালী, কবি রাশিদা বেগম।
মো. খালেদ মিয়ার ৫০তম জন্ম জয়ন্তি উদযাপন পরিষদের আহবায়ক সাইদুর রহমান সাঈদের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব অধ্যাপক মো. ফজলুল হক দোলনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্বনাথ সাংস্কৃতিক ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আনহার আলী। এ অনুষ্ঠানে আবদুল মুমিন মামুনকে মাকুন্দা পদক’ প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন তরুণ ছাত্রনেতা ও সাহিত্যানুরাগী সিতার মিয়া, সৃজনশীল পত্রিকা মাসিক ‘মুকুল’ সম্পাদক লুৎফুর রহমান, পাকি বিশ্বনাথ বার্তা সম্পাদক মোসাদিক হোসেন সাজুল, তরুণ সাহিত্যকর্মী কয়েছ আহমদ জেমি প্রমুখ।
অনুষ্ঠনে সঙ্গীত পরিবেশন করেন শাহ জহুর আলী, মনির উদ্দিন নূরী, শাহ সিদ্দিকুর রহমান, আজির উদ্দিন প্রমুখ এবং গীতিকার ও শিল্পীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আলতাব আলী, শাহ খোয়াজ মিয়া, আমিনুল রহমান মামুন, প্রমুখ। সাহিত্য কর্মীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিভাংশু গুণ বিভু, কাওছার আলী, নবীন সোহেল, নিরঞ্জন মনি বিশ্বাস, মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, আহমদ শরীফ, শফিক আহমদ পিয়ার, আনছার আলী, ইকবাল আহমদ, রাজা মিয়া, শানুর হোসেন, বিজন চন্দ্র দাস বিজয়, লায়েছ মিয়া, আহমেদ জুয়েল, সৌমিত্র ধর, এ.এইচ এমরান প্রমুখ।
এছাড়া বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবন্দ সংবাদকর্মীসহ বিভিন্ন স্তরের নবীন- প্রবীণ সাহিত্যানুরাগীরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

জয়বাংলা পরিষদের সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত

জয়বাংলা পরিষদের নিয়মিত সাহিত্য আসরে বক্তরা বলেছেন, নিজস্ব সাহিত্য সংস্কৃতি চর্চা ছাড়া কোন জাতি এগিয়ে যেতে পারে না। তাই নতুন প্রজন্মকে নিজস্ব সংস্কৃতি চর্চায় উৎসাহিত করতে হবে। এজন্য অভিভাবকদের সচেতন ভূমিকা পালন করতে হবে। যাতে বিজাতিয় সংস্কৃতির আড়ালে আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি হারিয়ে না যায়।
গত ৫ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিকেলে নগরীর সন্ধ্যাবাজারস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে জয় বাংলা পরিষদ সিলেট জেলা শাখার নিয়মিত সাহিত্য আসরে বক্তারা উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। জয়বাংলা পরিষদ সিলেট জেলা শাখার সভাপতি গীতিকবি হরিপদ চন্দের সভাপতিত্বে ও সাধালণ সম্পাদক কবি মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের পরিচালনায় আসরে লেখাপাঠ ও আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন। কবি মুহাম্মদ আবদুল হান্নান, কবি সাইদুর রহমান সাঈদ, বাউল মুনিবুর রহমান সরকার, ছড়াকার তারেক কান্তি তালুকদার, কবি সৈয়দ মুক্তদা হামিদ, ভাস্বক জালাল উদ্দিন সরকার, বাউল কানাই লাল সরকার, সৈয়দ সানি, সুহেল আহমদ লিটন. আরব আলী, সেজু প্রমুখ।
আসরে কবি পুলিন রায়ের মায়ের আশুরোগ মুক্তি কামনা করা হয়।

বিমান সন্ধানে ৩০ লাখ মানুষ

5-4মালয়েশিয়ার নিখোঁজ যাত্রীবাহী বিমান অনুসন্ধানে স্যাটেলাইট পরিচালনাকারী একটি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে প্রায় ৩০ লাখ মানুষ যোগ দিয়েছে।

মঙ্গলবার বার্তা সংস্থা এএফপির প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, ডিজিটাল গ্লোব নামের স্যাটেলাইট পরিচালনাকারী একটি প্রতিষ্ঠান এ উদ্যোগ নিয়েছে। এ ধরনের অনুসন্ধান ‘ক্রাউড সোর্সিং’ নামে পরিচিত। এ ধরনের অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে এটাই সবচেয়ে বড় বলে দাবি করা হচ্ছে।প্রতিষ্ঠানটি সোমবার দাবি করেছে, তাদের অনুসন্ধান এলাকার পরিসর এখন ২৪ হাজার বর্গকিলোমিটার। অনুসন্ধান প্রচেষ্টায় প্রতিদিনই নতুন নতুন ছবি যুক্ত হচ্ছে। এর মধ্যে ভারত মহাসাগরও রয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির দাবি, ১১ মার্চ থেকে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে বিমান অনুসন্ধানের কাজ শুরু করেছে তারা। উচ্চ প্রযুক্তির পাঁচটি স্যাটেলাইট থেকে পাওয়া ছবি পরীক্ষার জন্য তারা জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানায়। এতে ব্যাপক সাড়া পাওয়া যায়। ৩০ লাখেরও বেশি স্বেচ্ছাসেবক এই প্রকল্পে অংশ নিয়েছেন।
এদিকে মার্কিন নৌবাহিনীর একটি জাহাজ অনুসন্ধান কার্যক্রম থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হচ্ছে। পেন্টাগনের কর্মকর্তারা গতকাল এ তথ্য জানিয়েছেন।১০ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে মালয়েশিয়া এয়ারলাইনসের যাত্রীবাহী একটি বিমান। এমএইচ৩৭০ ফ্লাইটটি ২৩৯ জন আরোহী নিয়ে ৭ মার্চ রাতে নিখোঁজ হয়। কুয়ালালামপুর থেকে যাত্রার এক ঘণ্টা পর এটি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
বিমানটিকে খুঁজে বের করতে চিরুনি অভিযান চলছে। এতে সর্বশেষ ২৬টি দেশ অংশ নিচ্ছে বলে মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষ বলেছে। স্থল, নৌ ও আকাশপথে চালানো হচ্ছে এ অভিযান।

লোমহর্ষক, নির্মম!

ধাক্কা খেয়ে বাম্পারে একজন মানুষ আটকে যাওয়ার পরও থামল না মাইক্রোবাসটি। তীব্র বেগে প্রায় এক কিলোমিটার চালিয়ে গেলেন চালক, যতক্ষণ না শরীরটি গাড়ি থেকে খসে পড়ে। আর ততক্ষণে রাস্তার সঙ্গে ঘর্ষণে লোকটির শরীরের বিভিন্ন জায়গা থেকে মাংস উঠে যায়, মাথা ফেটে বেরিয়ে যায় মগজ। সেখানেই মারা যান তিনি।

শ্যামলীর আশা টাওয়ারের সামনে গতকাল রোববার দুপুরে ওই যুবককে ধাক্কা দেয় সাদা রঙের একটি মাইক্রোবাস। এরপর বাম্পারে আটকে যাওয়া লোকটিকে কল্যাণপুর পর্যন্ত টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যায় গাড়িটি। ঘটনার ধরন দেখে এটি দুর্ঘটনা না পরিকল্পিত হত্যা সেই সংশয়ে পড়েছে পুলিশ। গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত নিহত ব্যক্তির পরিচয় মেলেনি। শনাক্ত করা যায়নি গাড়িটিও। নিহত ব্যক্তির আনুমানিক বয়স ৩২ বছর। পরনে ছিল হাফ হাতা শার্ট ও কালো প্যান্ট।
মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক মামুন শাহের ভাষ্য, নিহত ব্যক্তি গতকাল দুপুরে আশা টাওয়ারের সামনে রাস্তা পার হচ্ছিলেন। রাস্তা অনেকটা ফাঁকাই ছিল। এ সময় দ্রুতগতির সাদা রঙের একটি মাইক্রোবাস তাঁকে ধাক্কা দেয়। লোকটি পড়ে গিয়ে মাইক্রোবাসের সামনের বাম্পারে আটকে যান। সেই অবস্থায় গাড়ি না থামিয়ে চালক দ্রুতগতিতে গাড়ি চালিয়ে যান। কল্যাণপুরে ইবনে সিনা হাসপাতালের সামনে গাড়ির বাম্পার থেকে ছিটকে পড়ে যুবকের রক্তাক্ত, থেঁতলানো শরীরটি। সেখান থেকে দারুসসালাম থানার পুলিশ তাঁর লাশ উদ্ধার করে।

যুক্তরাজ্যের রাস্তায় চালকবিহীন গাড়ি

08যুক্তরাজ্য আগামী জানুয়ারি থেকে রাস্তায় চালকবিহীন গাড়ি চলাচলের অনুমতি দিয়েছে। এ জন্য পরীক্ষামূলকভাবে চালকবিহীন গাড়ি চালানোর জন্য তিনটি শহর নির্বাচন করবে দেশটির সরকার। ইতোমধ্যে এ জন্য আগ্রহী শহরগুলোকে একটি নির্বাচনী প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া, নেভাদা ও ফ্লোরিডা রাজ্যে ইতোমধ্যে চালকবিহীন গাড়ির পরীক্ষা চালানো হয়েছে। এর মধ্যে ক্যালিফোর্নিয়ায় গুগলের চালকবিহীন গাড়ি ৩ লাখ মাইল চলাচল করেছে।

চালকবিহীন গাড়ি চালানোর জন্য দেশটির সড়কের নীতিমালাও পর্যালোচনা করার আদেশ দেওয়া হয়েছে।

দেশটির বাণিজ্য সচিব ভিন্স কেবল জানান, আজকের ঘোষণার ফলে আগামী ৬ মাসের কম সময়ের মধ্যেই রাস্তায় চালকবিহীন গাড়ি দেখা যাবে। –

গুপ্তরগাঁও হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসা শাখার ক্বেরাত প্রশিণের সমাপনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন

2-28দারুল ক্বেরাত মজিদিয়া ফুলতলী ট্রাষ্ট গুপ্তরগাঁও হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসা শাখার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত মাসব্যাপী ক্বেরাত প্রশিণের সমাপনী অনুষ্ঠান ও পুরষ্কার বিতরণ গত ২৫ জুলাই শুক্রবার বাদ জুম্মা মাদ্রাসার দারুল ক্বেরাত ভবনে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, কুরআনের মূলবাণীকে বুকে ধারণ করে এবং কোরআন ও হাদিসের পথ অনুসরণ করে চলতে পারলে আমরা যথার্থ মানুষ, সফল মানুষ, আলোকিত মানুষ হিসেবে ইহকালে যেমনি মর্যাদা পাবো তেমনি পরকালিন সুখ শান্তি আমাদের জন্য অপো করছে। দারুল ক্বেরাত মজিদিয়া ফুলতলী ট্রাষ্ট দীর্ঘদিন যাবত সহি শুদ্ধ কোরআন তেলাওয়াতের সেই সুযোগ করে দিচ্ছে। যার দরুন আমাদের নতুন প্রজন্মের শিশু কিশোররা উপকৃত হচ্ছেন মৌলিক শিা অর্জনে।
দারুল ক্বেরাত গুপ্তরগাঁও হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসা শাখার সভাপতি আব্দুল ওয়াহিদের সভাপতিত্বে ও শাখার নাজিম ক্বারী এম. এ রহিমের পরিচালনায় সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাসিক বাসিয়া পত্রিকা ও বাসিয়া টুয়ান্টিফোর ডক কমের সম্পাদক ও প্রকাশক মোহাম্মদ নওয়াব আলী। প্রধান বক্তা হিেেসবে উপস্থিত ছিলেন হাফিজ আব্দুল বারী।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুপ্তরগাঁও হাফিজিয়া মাদ্রাসার প্রধান শিক হাফিজ ক্বারী মাওলানা হুসাইন মোহাম্মদ লোকমান, প্রধান ক্বারী আনছার আলী, মাহমদ আলী, সাবেক মেম্বার ফারুক আহমদ, ব্যবসায়ী ছোয়াব আলী ও সেলিম আহমদ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মো. আব্দুস ছবুর। ইসলামী সঙ্গীত পরিবেশন করেন মো. দিলওয়ার হোসাইন।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আজাদ মিয়া, গিয়াস মিয়া, কারী রজব আলী, ক্বারী আব্দুল হান্নান, ক্বারী জামিল আহমদ, ক্বারী সৈয়দ ফখরুল ইসলাম, ক্বারী আব্দুল গনি, ক্বারী জিকরুল ইসলাম, ক্বারী মিছবাহ উদ্দিন, হাফিজ ক্বারী রাকিব আলী, ক্বারী ছালেহ আহমদ, হাফিজ ফখরুল ইসলাম। পরে অতিথিবৃন্দ ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে পুরষ্কার বিতরণ করেন।

জেলা বই মেলায় প্রবন্ধ গ্রন্থ ‘স্বপ্ন’ এর মোড়ক উন্মোচন

31-11বাসিয়া প্রকাশিত কর্তৃক প্রকাশিত প্রভাষক জ্যোতিষ মজুমদারের প্রবন্ধ গ্রন্থ স্বপ্ন এর মোড়ক উন্মোচন করা হয় গত ২৯ মার্চ সন্ধ্যা ৭টায় অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের জেলা বইমেলা মঞ্চে।
বাসিয়া প্রকাশনী কর্তৃক আয়োজিত উক্ত প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইটি) মো. মনিরুল ইসলাম।
কবি মাধব রায়ের সঞ্চালনায় এবং বাসিয়া প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী ও মাসিক বাসিয়া পত্রিকার সম্পাদক মোহাম্মদ নওয়াব আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রগতি লেখক সংঘ সিলেটের সভাপতি বিশিষ্ট কবি এ.কে শেরাম, মঈন উদ্দিন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. গিয়াস উদ্দিন, প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক ধীরেন্দ্র চন্দ্র নায়।
শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন কবি সুব্রত দাশ। অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কবি মুহম্মদ আব্দুল হান্নান, কবি তোবারক আলী, শিশু সংগঠক তাজুল ইসলাম বাঙালি, কবি ধ্র“ব গৌতম, কবি নাজনিন আক্তার কনা, সাংবাদিক শাহ সোহেল আহমদ, কবি মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম ও কবি এম তারেক-উজ-জামান।

শাহানারা বেগম ইমার উপন্যাস ‘অবহেলিত পায়রার প্রকাশনা সম্পন্ন আমাদের কথা সাহিত্যে শূন্যতা বিরাজ করছে …..সোনামনি চাকমা

31-10আমাদের কথা সাহিত্যে শূন্যতা বিরাজ করছে। স্বাধীনতার পরবর্তীতে সাহিত্যের অন্যান্য শাখা যতটুকু বেগবান হয়েছে কথা সাহিত্য ততটুকু বেগবান হয়নি। এই শূন্য সময়ে কথা সাহিত্যে শাহানারা বেগম ইমার পদচারণা আমাদেরকে আশান্বিত করে। তবে একজন লেখক হতে হলে বেশি করে লেখাপড়া করতে হবে। গভীরভাবে ও নিখুঁতভাবে দেখতে হবে এবং কল্পনার জগতে ডুব দিতে হবে। সাথে সাথে নিজের লেখার নিজেই শ্রেষ্ঠ সমালোচক হতে হবে। তাহলে একজন ভাল লেখক হওয়া যাবে। গত ৩০ সেপ্টেম্বর সোমবার বেলা ২.০০ টায় বিশ্বনাথের লালটেকস্থ আলহাজ তাহির আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে রাগীব-রাবেয়া ডিগ্রি কলেজের ছাত্রী শাহানারা বেগম ইমার প্রথম উপন্যাস ‘অবহেলিত পায়রা’র প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্বনাথ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোনামনি চাক্মা উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
বাসিয়া প্রকাশনী ও মাসিক বাসিয়া পত্রিকার উদ্যোগে আয়োজিত প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট সদর ও দক্ষিণ সুরমা উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কবি পুলিন রায়, কবি ও সাংবাদিক সাইদুর রহমান সাইদ, রাগীব-রাবেয়া ডিগ্রি কলেজ সহযোগী অধ্যাপক কবি ও গল্পকার শিউল মনজুর, রাগীব-রাবেয়া ডিগ্রি কলেজের বাংলাবিভাগের প্রভাষক কবি খালেদ উদ-দীন, আলহাজ তাহির আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রদীপ কুমার চৌধুরী, ছোটখুরমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাসুক আহমদ, শিক্ষিকা লাভলী খানম ও সাবেক শিক্ষক আজিজুর রহমান।
মাসিক বাসিয়া পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক গীতিকার মোহাম্মদ নওয়াব আলীর সভাপতিত্বে ও আলহাজ তাহির আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক লেখক মো. আজম আলীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত প্রকাশনা অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন মো. নুরুল ইসলাম। মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কবি সাইদুর রহমান সাঈদ।
আলোচনায় অংশ নেন দক্ষিণ সুরমা সাহিত্য পরিষদের সহসভাপতি গীতিকবি হরিপদ চন্দ। গান পরিবেশন করেন শিক্ষিকা মনিকা রানী পুরকায়স্থ। কৌতুক পরিবেশন গোফরান হোসেন। অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক অজিত কুমার শীল, শিক্ষিকা বনানী দে, সাংবাদিক রিয়াজ উদ্দিন, নাট্যকমী নবীন সোহেল, শিক্ষক মো. খলিলুর রহমান, আব্দুল হাই, আব্দুল কুদ্দুছ, রাজিয়া বেগ, শাম্মী আক্তার বেদানা খানম, শামীম আহমদ, আমির আলী প্রমুখ।

দক্ষিণ সুরমার ইতিহাস ও ঐতিহ্য গ্রন্থ প্রকাশনা অনুষ্ঠান ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে মূল্যায়ন করে প্রতিটি প্রজন্মকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ এমপি

31-09শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে মূল্যায়ন করে প্রতিটি প্রজন্মকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি গত ১ নভেম্বর শুক্রবার রাতে সিলেট জেলা পরিষদ মিলনায়তনে গীতিকার ও ছড়াকার মোহাম্মদ নওয়াব আলী রচিত দক্ষিণ সুরমার ইতিহাস ও ঐতিহ্য গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
দক্ষিণ সুরমার ইতিহাস ও ঐতিহ্য গ্রন্থ প্রকাশনা কমিটির আহ্বায়ক, দক্ষিণ সুরমা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ শামছুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব সাংবাদিক শাহ সুহেল আহমদ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত প্রকশনা উৎসবে শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, ইতিহাস ঐতিহ্যের গৌরব উজ্জ্বল এলাকার নাম দক্ষিণ সুরমা। শিক্ষা-সংস্কৃতি সহ নানা দিক থেকে এলাকাটি এগিয়ে রয়েছে। গ্রন্থের লেখক বইটি রচনা করে অনেক কাজের সূচনা করেছেন। বইটি দক্ষিণ সুরমার শিক্ষা, ইতিহাস-ঐতিহ্য, জীবন ধারার একটি প্রমাণ্য দলিল। এখান থেকে আগামীতে যারাই বই লিখবেন তারা উপাদান এবং উৎস তথ্য নিতে পারবেন। তিনি বলেন, দক্ষিণ সুরমা সিলেটের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই এলাকার সার্বিক দিক এই বইয়ে ফুটে উঠেছে। এটি একটি সুন্দর ও চমৎকার প্রকাশনা। তিনি বলেন, দক্ষিণ সুরমার শিক্ষার উন্নয়ন, প্রসার ও বিকাশে এই বইটি অবদান রাখবে। তিনি দক্ষিণ সুরমায় অচিরেই একটি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় স্থাপন হবে বলে ঘোষণা দেন এবং আগামীতে সরকারের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে একটি সরকারী কলেজ হবে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে ৩০ লক্ষ মানুষ শহীদ হয়েছে উল্লেখ করে বলেন, ৪২ বছর পরও আমরা একটি মর্যাদশীল জাতি হিসেবে গড়ে উঠতে পারিনি। এখনো দেশের অর্ধেক লোক দরিদ্র ও নিরক্ষর। আমাদের চিন্তা চেতনার পরিবর্তন ছাড়া দেশকে এগিয়ে নেয়া সম্ভব নয়। আধুনিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে নতুন প্রজন্মকে বিশ্বমানের শিক্ষায় শিক্ষিত ও জ্ঞান অর্জন করতে হবে। শিক্ষার গুণগত পরিবর্তনের জন্য নতুন শিক্ষানীতির উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে সেই মানের শিক্ষা নতুন প্রজন্মকে দিতে হবে। বিশ্বসমাজে স্থান করে নিতে হবে। তিনি বলেন, ’৬২ এর আইয়ূব বিরোধী আন্দোলন থেকে এখন পর্যন্ত শিক্ষার জন্য আন্দোলনেই রয়েছি। দলীয় শিক্ষানীতি নয়, জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। এক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা উদারতার পরিচয় দিয়েছেন। জাতীয় শিক্ষানীতিতে সর্বদলীয় মতের প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। শিক্ষা ক্ষেত্রে চরম দুর্নীতি ও অনিয়ম দূর করতে হলে এটা হচ্ছে বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জে আমাদের জিতে হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী। তিনি বলেন, দেশপ্রেম না থাকার কারণে আমাদের দেশটি দুর্নীতির কারণে পিছিয়ে রয়েছে। সকলে মিলে বাংলাদেশের জন্য একযোগে আসুন কাজ করি। তিনি দক্ষিণ সুরমার গৌরব উজ্জল ইতিহাস ঐতিহ্য সংরক্ষণে নওয়াব আলীর প্রচেষ্টার প্রশংসা করে বলেন, এ ধরনের উদ্যোগকে আমাদের পৃষ্ঠপোষকতা দেয়া দরকার। ইতিহাস ঐতিহ্য সংরক্ষণে এ ভাবে কাজ করলে আমাদের আগামী প্রজন্ম উপকৃত হবে। তিনি বর্তমান সরকারের আমলে সিলেট-৩ নির্বাচনী এলাকায় ৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও ভুক্তি সহ প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ হয়েছে বলে অনুষ্ঠানে উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য্য প্রফেসর ড. মোঃ আমিনুল হক ভুইয়া, সিলেট মেট্টোপলিটন ইউনিভার্সিটির সাবেক উপাচার্য্য প্রফেসর ড. কবির চৌধুরী, বইয়ের লেখক গীতিকার-ছড়াকার মোহাম্মদ নওয়াব আলী। শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ সুরমা ইতিহাস ও ঐতিহ্য গ্রন্থ প্রকাশনা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও দৈনিক সিলেটের ডাক এর সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার এম. আহমদ আলী। গ্রন্থের উপর আলোচনা করেন প্রকাশনা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও রাগিব-রাবেয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যাপক কবি শিউল মঞ্জুর। অন্যান্যের মধ্যে আলোচনা অংশ গ্রহণ করেন মদন মোহন ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ড. আবুল ফতেহ ফাত্তাহ, কবি এ.কে শেরাম, প্রকাশনা কমিটির উপদেষ্টা ডা. মোঃ আব্দুল হাই, সমাজসেবী আলী আহমদ, অর্থ উপ-কমিটির আহ্বায়ক আবু জাহিদ, জালালপুর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আওলাদ হোসেন, লতিফা শফি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আমিরুল আলম খান, দক্ষিণ সুরমা প্রেসক্লাব সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম মুসিক, প্রকাশনা কমিটির আপ্যায়ন উপ-কমিটির আহ্বায়ক আলহাজ্ব ইসমাইল হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা উপ-কমিটির সদস্য, দৈনিক সিলেটের ডাক এর ডেপুটী চীফ রিপোর্টার মুহাম্মদ তাজ উদ্দিন, মেট্টোপলিটন ইউনিভার্সিটির গণসংযোগ কর্মকর্তা আব্বাস উদ্দিন, প্রকাশনা কমিটির সদস্য মতিউর রহমান মতি প্রমুখ। শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন প্রকাশনা কমিটির সদস্য শিক্ষক শাহ ইমাদ উদ্দিন আল নাসিরী। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা সিলেট এর উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর কবির, সিলেট বেতার এর উপ-আঞ্চলিক পরিচালক আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তারিক, সাবেক চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বাছিত, রাজনীতিবিদ মুক্তিযোদ্ধ সাইফুল আলম, সাবেক চেয়ারম্যান হাজী রইছ আলী, কবি অধ্যাপক মামুনুর রশীদ, কবি আব্দুল হান্নান, শিশু একাডেমী সিলেট জেলা সংগঠক মাহবুবুজ্জামান চৌধুরী, ব্যাংকার গজনফর আলী, কবি মাহবুবা শামসুদ, কবি পুলিন চন্দ্র রায়, প্রধান শিক্ষক আব্দুল করিম, প্রধান শিক্ষক দিলীপ লাল রায়, ছড়া শিল্পী তাজুল ইসলাম বাঙালী, ছড়াকার অধ্যাপক বদরুল আলম খান, কবি ধ্রুব গৌতম, অধ্যাপক আব্দুল খালিক, কবি নাজমুল আনছারী, কবি বাছিত ইবনে হাবিব, আব্দুর রাজ্জাক, ফজলুল করিম হেলাল, মিছবাহ উদ্দিন, কবি কামরুন নাহার চৌধুরী শেফালী, স্বপন দাস, কবি মিজান মোহাম্মদ, কবি নুরুল ইসলাম, কবি মাছুমা আক্তার চৌধুরী রেহানা, রিয়াজ উদ্দিন, এম. কামাল আহমদ, শাহেদ আহমদ শান্ত, গীতিকার ইমরুল কয়েছ, শেখর আচার্য্য, এডভোকেট আব্দুল মালিক, শাহনারা বেগম ইমা, অধ্যাপক মুর্শেদ আলম, মাছুদা সিদ্দিকা রুহী

বাংলা একাডেমির একুশে গ্রন্থমেলায় বাসিয়া প্রকাশনীর চারটি গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

12345ঢাকার বাংলা একাডেমির একুশে গ্রন্থমেলায় সিলেটের বাসিয়া প্রকাশনীর চারটি গ্রন্থের মোড়ক উন্মেচন করা হয়েছে। গত ২৩ ফেব্র“য়ারি বিকেলে নজরুল মঞ্চে গ্রন্থগুলোর মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
গীতিকার খালেদ মিয়া রচিত একশটি নদী নিয়ে একশ ছড়ার সুপাঠ্য গ্রন্থ ‘নদীকাব্যে’র মোড়ক উন্মোচন করেছেন এবারে শিশু সাহিত্যে বাংলা একাডেমির পদক প্রাপ্ত শিশু সাহিত্যিক বিশিষ্ট ছড়াকার আসলাম সানী। তিনি বলেন, মফসল থেকে এ রকম দূর্লভ প্রকাশনা আমাদের বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করবে এবং কর্তৃপক্ষের উচিত মফস্বলের এ জাতীয় প্রকাশনীকে মেলায় স্টল দেয়ার সুযোগ দিয়ে তাদের প্রকাশনাকে বিশ্বময় ছড়িয়ে দেয়ার। নদীকাব্য বাংলাদেশের একশটি নদী সম্পর্কে আমাদেরকে সমক্ষ ধারণা দিবে।
প্রবাসী কবি ও ছড়া এম মোসাইদ খানের ছড়াগ্রন্থ ‘ভুলের ঘণ্টা’র মোড়ক উন্মোচন করেন বিশিষ্ট আবৃত্তিকার ও নাট্যঅভিনেতা ড. শাহাদত হোসেন নিপু। তিনি বলেন, খুব কম কথায় আমাদের দৈনন্দিন জীবনের ভুলগুলো এ গ্রন্থে ফুটে উঠেছে এবং আমাদেরকে সচেতনতার তাগিদ দিচ্ছে।
সুফী শাহ সৈয়দ ইছহাকুর রহমান চিশতীর গানের বই ‘হেদাওয়ে গীতিকা’র মোড়ক উন্মোচন করেন স্বাধীন বাংলাবেতার কেন্দ্রর শিল্পী মনোরঞ্জন ঘোষাল ও খালেদ মিয়ার গবেষণাধর্মী গ্রন্থে ‘মরমী সাধক পীর মোহাম্মদ শাহ ইছকন্দর মিয়া’ এর মোড়ক উন্মোচন করেন জাতীয় গীতিকবি পরিষদের সভাপতি গীতিকার এম আর মনজু।
ছড়াকার টিমুনী খান রুনুর উপস্থাপনায় মোড়ক উন্মোচনে বক্তব্য রাখেন বাসিয়া প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী গীতিকার মোহাম্মদ নওয়াব আলী, কবি আয়াত আলী পাটোয়ারী, ছড়াকার আরিফ নজরুল, কবি রাশিদা আক্তার প্রমুখ।

Developed by: