বিভাগ: প্রবাস

শিশিরকন্যা জয়িতার প্রথম বই : ‘দূর পরবাসে’-এর পাঠ প্রতিক্রিয়া

শুনেছি এক কোটির বেশি বাংলাদেশি দেশের বাইরে থাকে। বিশাল একটা সংখ্যা। পৃথিবীর অনেক দেশের জনসংখ্যাই এক কোটি না, আর আমরা সেই পরিমাণ আদম সন্তান রপ্তানি করে দিয়েছি! প্রবাসে তাই বাংলাদেশি কমিউনিটি বিরল না। বড় শহরে তো বটেই, মাঝারি, এমন কী ছোট শহরেও বাংলাদেশি পাবেন আপনারা, আমরা প্রবাসী বাংলাদেশিরা একে দেশি কমিউনিটি বলে থাকি। কেমন আছেন তারা? কী ভাবছেন? কী খাচ্ছেন, কতখানি অভিযোজিত হয়েছেন ভিন্ন দেশে, ভিন্ন প্রতিবেশে? জীবন বৈরী হয়ে উঠলে কী করেন তারা? এই প্রশ্নগুলো উত্তর আপনারা পত্রিকাতে পাবেন না। অন্তর্জালে বাংলা লেখার সহজলভ্যতার কারণে প্রবাসীরাও লিখছেন, দেশি কমিউনিটির মধ্যে দেশি লেখক সমাজও গড়ে উঠছে আস্তে আস্তে। আমি জিনিসটাকে ইতিবাচক দৃষ্টিতেই দেখি। নোয়াখালির গ্রাম থেকেও মিনিটের মধ্যে নেব্রাস্কার ছোট শহরের বাংলাদেশির জীবনটা এখন দেখা সম্ভব।
আমি নিজেকে বøগার মনে করি। বøগ অনেকটা ডায়েরির মতোন, ব্যক্তিগত ভাবনা আর পারিপার্শ্বিক এবং তার আড়ালে যা আছে সেগুলো সব উঠে আসে এতে। আমি মনে করি বøগ একটা সমাজের চিত্র, এতে খুঁটিনাটি ব্যাপার যেগুলো ধরা পড়ে আর কোনো কিছুতে একটা সময়কে অতটা ধরা সম্ভব না। প্রবাসী বাংলাদেশীদের জানতে হলে সবচেয়ে উত্তম তাদের লেখা বøগ পড়া। পড়ে শেষ করলাম শিশিরকন্যা জয়িতার প্রথম বই- ‘দূর পরবাসে’। বইটার নামই বলে দিচ্ছে দুই মলাটের ভেতরে কী আছে। শিশিরকন্যা জয়িতা আমেরিকাতে আছেন ৩০ বছর ধরে। তিনি আমেরিকার ঢাকা শহর নিউইয়র্কে থেকেছেন, থেকেছেন অপেক্ষাকৃত ছোট শহর অস্টিনেও। কাজ করেছেন কর্পোরেশনে, সন্তান বড় করেছেন, সংসারধর্ম পালন করেছেন। অর্থাৎ একটা জীবনে যা যা অনুষঙ্গ থাকে সবই তাঁর আছে, তাই দূর প্রবাসের জীবনের ৩৬০ ডিগ্রি একটি ছবি তিনি দিতে পারবেন সেই বিশ্বাস আমার বইটা হাতে নেওয়ার আগেই ছিল।
দেশ ছেড়ে চলে যাওয়া সহজ কাজ না, বহু কষ্ট আর শূন্যতা বয়ে বেড়াতে হয় প্রথম জেনারেশনের বাংলাদেশিদের। আত্মপরিচয়ের সংকট আছে, সেই সাথে আছে পরবর্তী প্রজন্মকে নিজের সমাজ ও জীবন দর্শন চেনানোর সুকঠিন দায়িত্ব। মাছেভাতে বাঙালি জাতি আমরা কিন্তু অবধারিত প্রশ্ন ধেয়ে আসে সন্তানের কাছ থেকে- What is so special about fish? সেই সঙ্গে বাংলাদেশি নারীকে কর্মক্ষেত্রে কী কী প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয় সেটাও এই বইতে উঠে এসেছে। টানাপোড়েন আরও প্রখর হয়ে উঠে যখন সন্তান কুকুর পালার আবদার করে, অধিকাংশ দেশি মানুষ যখন কুকুর দেখলে ভয়ে কাঠ হয়ে যান, তখন এই আব্দার কীভাবে মেটানো সম্ভব?
জয়িতা আরও দুই একটা অভিজ্ঞতার কথা লিখেছে যেটার সাথে বাকি প্রবাসীরাও সংযোগ করতে পারবেন। প্যারিসের রাস্তাতে বাংলাতে কথা বলতে শুনে এক প্রবাসী বাংলাদেশীর স্ট্রিট ভেন্ডরের সহমর্মিতার কথা এসেছে জয়িতার বইয়ে একটি অধ্যায়ে। এই অভিজ্ঞতা আমাদের প্রায় সবারই হয়েছে। এক কোটি রেমিটেন্স যোদ্ধা ছড়িয়ে আছে জাপান থেক পেরু পর্যন্ত, এদের প্রায় সবাই পায়ের ঘাম মাথায় ফেলছেন জীবন ও জীবিকার জন্য, ঋদ্ধ করছেন বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার। কিন্তু রাস্তায় হঠাৎ বাংলা শুনলে আমরা ভুলে যাই দেশ থেকে বহুদূরে আছি, আমি একবার প্রচÐ তৃষ্ণার্ত হয়ে এক বোতল পানি কিনেছিলাম নিউইয়র্কের রাস্তাতে, সেই পানির দাম দিতে আমাকে অনুনয় বিনুনয় করতে হয়েছিল। জয়িতার মতো আমিও জানি না স্বজাতির প্রতি এত টান আর কোন জাতির মানুষ অনুভব করে কি না।
বইতে বিভিন্ন কিছু চিত্তাকার্ষক টপিকও উঠে এসেছে, যেমন মৃত্যুর কাছাকাছি থেকে ফেরৎ আসার অভিজ্ঞতা নিয়ে একটি লেখা আছে (ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা নয়), কলম্বাস ডে আর ভ্যালেন্টাইন্স ডে নিয়ে দুটো অধ্যায় আছে। ৯/১১ এর সময় জয়িতা নিউইয়র্কে কর্মরত ছিলেন, সেই সময়ের অভিজ্ঞতার কথা আছে, আছে ছেলেবেলার ইদ উৎসবের কথাও।
আত্মপ্রকাশের তাগিদ মানুষের মজ্জাগত। আমার মনে হয় এই তাগিদেই গল্প, উপন্যাস, কবিতাসহ যাবতীয় শিল্পমাধ্যমের সৃষ্টি হয়েছে। দূর পরবাসে জয়িতার আত্মপ্রকাশের সূচনা। জয়িতা ভাষা সাবলীল, বাহুল্যবর্জিত। ৩০ বছর পরবাস জীবন একটি বইতে ধরা পড়বে না, জয়িতার কলম (কী বোর্ড বলা উচিত) চালু থাকবে এই বিশ্বাস আমার আছে। আরও অনেক অনেক বিষয় নিয়ে সে লিখবে, প্রবাস জীবনের আনাচে কানাচে ও গভীরে সে প্রবেশ করবে, আরও অনেক অনেক ঋদ্ধ হবে ওর লেখনি এই প্রত্যাশা আমার আছে। আমি সেই অপেক্ষাতে আছি।
দূর পরবাসে প্রকাশ করেছে বাসিয়া প্রকাশনী। প্রচ্ছদ করেছেন দেলোয়ার রিপন। মূল্য রাখা হয়েছে ২০০ টাকা। বাংলাদেশে রকমারি ডট কম থেকে কিনতে পারবেন।

তাসনীম হোসেন । বøগার/ লেখক।
টেক্সাস, ইউএসএ

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী সম্মাননা পেয়েছেন কবি সৈয়দ মাসুম

বঙ্গবন্ধু জন্মশতবর্ষ আন্তর্জাতিক পর্ষদ ও বঙ্গবন্ধু লেখক পরিষদ কর্তৃক সৈয়দ মাসুমকে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী সম্মাননা পদকে ভূষিত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ঢাকার সেগুনবাগিচাস্থ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সঙ্গীত ও নৃত্যকলা মিলনায়তনে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু জন্মশতবর্ষ আন্তর্জাতিক পর্ষদ ও বঙ্গবন্ধু লেখক পরিষদের নেতৃবৃন্দ এই সম্মাননা পুরুস্কার কবির সহোদর সৈয়দ মাহবুবের হাতে তোলে দেন।

বঙ্গবন্ধু জন্মশতবর্ষ আন্তর্জাতিক পর্ষদ ও বঙ্গবন্ধু লেখক পরিষদের আয়োজনে বীরমুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. শাহজাহান মৃধা বেনুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুল মান্নান চৌধুরী ও বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক জাতিসত্তার কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা। প্রধান অতিথি ছিলেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন কবি অসীম সাহা, মারুফুল ইসলাম, তারিক সুজাত ও অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন। মনোজ্ঞ সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠান ছাড়াও এই আয়োজনে কবিতা আবৃত্তি করেন জালাল উদ্দিন নলুয়া, ড. তপন বাগচী, শফিকুর রাহী, রিফাত নিগার শাপলা, আনতানুর হক, হানিফ খান, ইউসুফ রেজা, রোকশানা সাথী, জমশেদ ওয়াজেদ, মাসুদ আলম বাবুল, মাদবর রফিক, লুৎফর চৌধুরী, হাসনাইন সাজ্জাদী, গিয়াসউদ্দিন চাষা, হেনা খান, কৌমুদী নার্গিস, বোরহান মাসুদ, সৈয়দ একতেদার আলী, আলী নিয়ামত, মিহির কান্তি ভৌমিক, লুৎফা জালাল, তানিয়া মাহমুদ, শ্রাবণ রেজা, ইমরান পরশ, সৈয়দ তপু, মেরীনা সাঈদ, শাফিন প্রমুখ।

বঙ্গবন্ধু জন্মশতবর্ষ আন্তর্জাতিক পর্ষদ ও বঙ্গবন্ধু লেখক পরিষদ কর্তৃক সৈয়দ মাসুমকে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী সম্মাননা পদকে ভূষিত করায় অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কানাডা থেকে প্রকাশিত বিশ্ব বাংলা সংবাদ মাধ্যম সিবিএনএ-এর প্রধান নির্বাহী সদেরা সুজন এবং প্রধান উপদেষ্টা বিদ্যুৎ ভৌমিক।  সৈয়দ মাসুম বলতে গেলে শৈশব থেকেই লেখালেখি করে যাচ্ছেন প্রবাসের কষ্টকঠিন জীবনেও থেমে থাকেননি। দেশ-মাটি-মানুষ, স্বাধীনতা-মুক্তিযুদ্ধ আর অসাম্প্রদায়িক চেতনায় তাঁর পথচলা।

সম্মিলিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদ যুক্তরাজ্য’র ২০২১ সালের নতুন কার্যকরি কমিটি গঠিত

সম্মিলিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদ যুক্তরাজ্য-এর বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন গত ২৫ জুলাই ২০২১, রবিবার, পূর্ব লন্ডনের ১৩৫ নম্বর কর্মাশিয়াল স্ট্রিটস্থ গ্রেইটার সিলেট ওয়েলফয়ার এন্ড ডেভেলাপমেন্ট কাউন্সিলের অফিসে অনুষ্ঠিত হয়। এতে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন শহর থেকে সংগঠন সংশ্লিষ্ট সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা অংশ নেন। নির্বাচনে ২৬ সদস্যবিশিষ্ট নির্বাহী কমিটি কমিটির প্রেসিডেণ্ট নির্বাচিত হন ময়নূর রহমান বাবুল, জেনারেল সেক্রেটারি এ কে এম আব্দুল্লাহ এবং ট্রেজারার আনোয়ার শাহজাহান।

নির্বাচন পরিচালনা করেন লেখক ড. মুকিদ চৌধুরী, নাট্যকার ও সাংস্কৃতিক কর্মী নুরুল ইসলাম এবং লেখক আবুল কালাম আজাদ ছোটন।

প্রথম পর্বে অনুষ্ঠিত বার্ষিক সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন সম্মিলিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদ যুক্তরাজ্য-এর সভাপতি গবেষক ফারুক আহমদ। কোষাধ্যক্ষ এ কে এম আব্দুল্লাহ এর উপস্থাপনায় সভার শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সভাপতি ফারুক আহমদ। সাধারণ সম্পাদকের অনুপস্থিতে সাধারণ সম্পাদকের রিপোর্ট পড়ে শোনান ড. মুকিদ চৌধুরী এবং কোষাধ্যক্ষের আয় ব্যয়ের রিপোর্ট উপস্থাপন করেন এ কে এম আব্দুল্লাহ।

দ্বিতীয় পর্বে সর্বসম্মতিভাবে সম্মিলিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদ যুক্তরাজ্য-এর কার্যকরি কমিটি গঠিত হয়। নবগঠিত কমিটির নির্বাচিত কর্মকর্তাগণ হলেন:

সভাপতি: ময়নূর রহমান বাবুল, সহ-সভাপতি:নুরুল ইসলাম, কাজল রশিদ এবং আবুল কালাম আজাদ ছোটন; জেনারেল সেক্রেটারি এ কে এম আব্দুল্লাহ, এসিস্ট্যান্ট জেনারেল সেক্রেটারি এম মোসাহিদ খান ও স্মৃতি আজাদ; ট্রেজারার আনোয়ার শাহজাহান, এসিস্ট্যান্ট ট্রেজারার মোহাম্মদ মুহিত, অর্গানাইজিং সেক্রেটারি মোস্তফা জামান চৌধুরী, এসিস্ট্যান্ট অর্গানাইজিং সেক্রেটারি মোহাম্মদ ইকবাল, মিডিয়া এন্ড পাবলিকেশন সেক্রেটারি জুয়েল রাজ, ফান্ডরেইজিং সেক্রেটারি: মোহাম্মদ শরিফুজ্জামান, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সেক্রেটারি: হেনা বেগম এবং ইসি মেম্বার: ফারুক আহমদ, ইকবাল হোসেন বুলবুল, আতাউর রহমান মিলাদ, আবু মকসুদ, আবু তাহের, শাহাদাত করিম, সৈয়দ হিলাল সাঈফ, শামীম আহমদ, ফারহা নাজ, সাগর রহমান, সায়েম উদ্দিন খন্দকার ও রহমত আলী।

সৌদি বাদশার ভাতিজা ফাহাদ বিন তুর্কির ফাঁসির আদেশ

সৌদি আরবের শীর্ষস্থানীয় সেনা কমান্ডার জেনারেল ফাহাদ বিন তুর্কি আব্দুল আজিজের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ জারি করা হয়েছে। তিনি বাদশা সালমান বিন আবদুল আজিজের ভাতিজা।

ইয়েমেনে চলমান আগ্রাসনে নেতৃত্বদানকারী জেনারেলদের অন্যতম।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এই জেনারেলের স্বজনদের বরাত দিয়ে রবিবার পার্সিয়ান গালফ স্টাডিজ সেন্টার জানিয়েছে, সৌদি আরবের বাদশা সালমান, যুবরাজ মুহাম্মাদ বিন সালমান ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রের দায়ে তার বিচার করা হয়েছে এবং এই সিনিয়র যুবরাজের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

গত সেপ্টেম্বরে জেনারেল ফাহাদ বিন তুর্কি আব্দুল আজিজকে তার ছেলেসহ গ্রেফতার করা হয়। তিনি ১৯৮৩ সালে সৌদি সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। এরপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনে বিশেষ সামরিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন এবং বহিষ্কার ও গ্রেফতারের আগে গত বছর জেনারেল পদে উন্নীত হন।

তার ছেলেদের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ ছিল। রাজধানী রিয়াদের অন্তত ১০০টি আবাসন প্রকল্প পরিচালনা করছিল তারা। ব্যাপক দুর্নীতির কারণে ২০১৪ সালে তার ছেলেদের গ্রেফতারের খবর প্রকাশিত হয়েছিল।

সূত্র: পার্সটুডে ও মিডল ইস্ট মনিটর

ভূমধ্যসাগর থেকে আরও ১১৪ বাংলাদেশি উদ্ধার

ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপ যাওয়ার সময় আরও ১১৪ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী বাংলাদেশিকে উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে তিউনিশিয়ার জলসীমা থেকে ৮৩ জন এবং লিবিয়ার জলসীমা থেকে ৩১ জনকে উদ্ধার করা হয়। লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস এ তথ্য জানিয়েছে। রোববার তিউনিশিয়ান নৌবাহিনীর সদস্যরা ১৭৮ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করে। এর মধ্যে ৮৩ জন বাংলাদেশি। এসময় নৌবাহিনী দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে। তবে নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত হতে পারেনি উদ্ধারকারীরা। নৌবাহিনীর মুখপাত্র মোহামেদ যেকরি বার্তা সংস্থা এপিকে জানান, অভিবাসনপ্রত্যাশীদের নৌকাটি ভেঙে গেলে সেটি ডুবে যেতে থাকে।

তেল অনুসন্ধানকারী রিগ থেকে সংকেত পেয়ে নৌবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের উদ্ধার করেন। একই দিন লিবিয়ার কোস্টগার্ড ভূমধ্যসাগরে অভিযান চালিয়ে ২৭১ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে আটক করে। এর মধ্যে ৩১ জন বাংলাদেশি। উদ্ধারকৃতদের ত্রিপলির ডিটেনশন সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে, গত শুক্রবার তিউনিশিয়ার নৌবাহিনী ভূমধ্যসাগরে ভাসমান অবস্থায় ২৬৪ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী বাংলাদেশিসহ ২৬৭ জনকে উদ্ধার করে।

সুইজারল্যান্ডে এমপি হলেন প্রথম বাংলাদেশি নারী সুলতানা

সুইজারল্যান্ডে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন প্রবাসী বাংলাদেশি সুলতানা খান। জুরিখ জোন থেকে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে তিনি নির্বাচিত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২২ জুন) নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশিত হয়।  সর্বোচ্চ ভোটে নির্বাচিতদের মধ্যে সুলতানা খান তৃতীয় স্থান অর্জন করেন। সুইজারল্যান্ডে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এমপি নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস গড়লেন সুলতানা। সুলতানা খানের গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ী জেলায়। তার বাবার নাম এসএম রুস্তম আলী, মাতা রাজিয়া সুলতানা। ৫ ভাই ও ২ বোনের মধ্যে তিনি সর্বকনিষ্ঠ। সুলতানার জন্ম ঢাকার মিরপুরে।

তিনি ঢাকা সিটি কলেজ থেকে স্নাতক এবং মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০০৪ সাল থেকে স্বামী প্রবাসী সাংবাদিক, সংগঠক এবং ব্যবসায়ী বাকি উল্লাহ খান এবং দুই ছেলেসহ সুইজারল্যান্ডের জুরিখ শহরে বসবাস করছেন তিনি। সুলতানা খান সুইজারল্যান্ডের মূল ধারার বিভিন্ন সংগঠনের সাথে যুক্ত। বিভিন্ন সামাজিক ও পরিবেশকর্মী হিসেবেও কাজ করে যাচ্ছেন। সুইজারল্যান্ডে এবং ইউরোপে বাংলাদেশের শিল্প ও সাহিত্য চর্চার জন্য ‘বাংলায় স্কুলের’ তিনি অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। পরিচালনা পর্ষদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও পালন করছেন সুলতানা।

সুলতানা বলেন, আমি প্রথমেই ধন্যবাদ দিতে চাই এখানে বসবাসকারী সকল প্রবাসী বাংলাদেশিদের, যারা আমার ওপর আস্থা রেখেছেন। এছাড়া সুইজারল্যান্ডের জনগণ যারা আমাকে নির্বাচনে জয়ী হওয়ার জন্য ভোট দিয়েছেন। আমার এই অর্জন তাদের সকলের জন্য। সংসদের বিশেষ অধিবেশনে নারী সাংসদ হিসেবে নারী অধিকার রক্ষায় তিনি বিশেষ ভূমিকা রাখবেন। সুলতানা বলেন, নারী অধিকারের বিষয়ে কথা বলার পাশাপাশি আমার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা থাকবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্বার্থ রক্ষা এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষা করা। আমি সুইজারল্যান্ডে একটি স্থায়ী শহীদ মিনার ও স্মৃতি স্থাপনা স্থাপনের প্রস্তাব রাখব, যাতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষ এখানে এলে বাংলাদেশের গৌরবের ইতিহাস জানতে পারে। তিনি আরও বলেন, আমি বাংলাদেশের পিছিয়ে পড়া নারীদের ভাগ্য উন্নয়নেও কাজ করতে চাই। দেশের জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী। তারা পিছিয়ে থাকলে দেশের উন্নয়ন কোনোভাবেই সম্ভব নয়। সুলতানা খানের এই অর্জনে সুইজারল্যান্ডে বসবাসকারী প্রবাসী বাংলাদেশিসহ স্থানীয় নাগরিকগণ অভিবাদন জানিয়েছেন। এছাড়া ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে শুভানুধ্যায়ী এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা শুভকামনা জানিয়েছেন ।

বিশ্বনাথ আমার অহংকার :: আফিয়া বেগম শিরি ::

সিলেট শহর থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দক্ষিন-পশ্চিমে বিশ্বনাথ উপজেলার অবস্হান। ৮টি ইউনিয়নের সমন্নয়ে গঠিত এ জেলার ইতিহাস ঐতিহ্য ব্যাপক পরিচিতি আছে। ইউনিয়ন সমূহের নাম হচ্ছে – রামপাশা ইউনিয়ন, লামাকাজী ইউনিয়ন, খাজাঞ্চী ইউনিয়ন, অলংকারী ইউনিয়ন, দেওকলস ইউনিয়ন, দৌলতপুর ইউনিয়ন, দশঘর ইউনিয়ন, বিশ্বনাথ ইউনিয়ন।

জমিদার বিশ্বনাথ চৌধুরীর ভূমির উপর প্রথমে বাজার স্হাপিত হওয়ায় বাজারের নামকরন করা হয় বিশ্বনাথ বাজার। সেই বাজারে একটি পুলিশ ফাঁড়ি হয় এবং সেই পুলিশ ফাঁড়ি সিলেটের অন্যান্য পুলিশ ফাঁড়ির মতো বিশ্বনাথ পুলিশ ফাঁড়ি থানায় রুপান্তিত হয়, তাই বিশ্বনাথ চৌধুরীর নামানুসারে থানারও নামকরন হয় বিশ্বনাথ থানা। বিশ্বনাথ বাজার এখন একটি সমৃদ্ধশীল বাজারে পরিনত হয়েছে। সড়কপথের ব্যাপক সুযোগ সুবিধা থাকায় বিশ্বনাথ যাতায়াতের ব্যবস্হা অনেকটা সহজতর হয়েছে।

বিভিন্ন গ্রন্হ থেকে পর্যালোচনা করলে দেখা যায় তৎকালীন সময়ে এ উপজেলায় হিন্দু, মুসলমান জমিদার দের বসতি ছিলো। পর্যায়ক্রমে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে লোকজন প্রবাসে পাড়ি জমায় এবং অর্থনৈতিক দিক থেকে উপজেলাকে সমৃদ্ধশালী করে তোলে। বর্তমানে বিশ্বনাথ থানা সিলেট জেলার এক অন্যতম উপজেলা হিসেবে প্রসিদ্ধ। বিশ্বনাথ উপজেলা সবার কাছে প্রবাসী অধ্যুষিত থানা হিসেবে জনপ্রিয়তা লাভ করে। দার্শনিক স্হান সমুহের মধ্যে রামপাশার বিখ্যাত দেওয়ান হাছন রাজার জমিদার বাড়ি, ৩৬০ আউলিয়ার সফর সঙ্গী হযরত শাহ কালু ও হযরত শাহ চান্দ-র মাজার, গৌরগবিন্দ দীঘি, উপজেলা পরিষদ শহীদ মিনার।

আলোকিত ব্যক্তিত্ব :— এডভোকেট নুরুল ইসলাম খান এমপি, আ ন ম সফিকুল হক রাজনীতিবিদ, মন্ত্রী পরিষদের অতিরিক্ত সচিব মইন উদ্দিন, ইলিয়াছ আলী এমপি, শফিকুর রহমান চৌধরী এমপি, ইয়াহিয়া চৌধরী এমপি, রোশনারা আলী বাংলাদেশী বংশোদভূত বৃটিশ রাজনীতিবিদ, দেওয়ান হাছন রাজা চৌধুরী- মরমী কবি ও সঙ্গীত শিল্পী, দেওয়ান একলিমুর রাজা চৌধুরী -রাজনীতিবিদ ও সাহিত্যি, দেওয়ান তৈমুর রাজা চৌধুরী -রাজনীতিবিদ ও মরমী গীতিকার, রাগিব আলী-সমাজ সেবক ও শিল্পপতি, ডক্টর শাহদীন মালিক -আইনজীবি ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ, ডক্টর তুহিন মালিক -আইনজীবি ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ। এ ছাড়া দেশে বিদেশে আরো অনেক গুনীজন আছেন যারা বিভিন্ন সেক্টরে সামাজিক অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রেখে যাচ্ছেন।

প্রবাসে বিশ্বনাথ সংগঠনগুলো নিজের থানা উন্নয়নে নিরলস কাজ অব্যাহত রাখছেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে উপজেলাটি যেমনই অনেক এগিয়ে আছে তেমনই চিকিৎসা সেবার ভূমিকা অপরিসীম।
এ উপজেলায় মোট ৪৩৬ টি গ্রাম আছে। তন্মধ্যে বিশ্বনাথ উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের একটি ঐতিহ্যবাহী এলাকার নাম সিঙ্গের কাছ। পাশ্ববর্তী অনেক গুলো গ্রাম যেমন শেখের গাউ,মাঝ গাউ,পশ্চিম গাউ, খান পাড়া,করপাড়া,কাজির গাউ গোয়াহরি ভাটিপাড়া খাগহাটা,বুরাইয়া,সিংরাওলী,নোয়াগাউ,সাতপাড়া,পলির গাউর প্রানকেন্দ্র হিসেবে সিংগের কাছ অতি সুপরিচিত। এলাকাটিকে একই বাক্যে সবাই চেনে। এখানে স্কুল কলেজ মাদ্রাসা মসজিদ চিকিৎসা কেন্দ্র সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সমন্নয়ে সমৃদ্ধশীল একটি এলাকা বলে খ্যাত।

সিংগের কাছের নামানুসারে বাজারের নামকরন হয়েছে সিংগের কাছ বাজার। অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি বর্গ জ্ঞানী গুনী জনের জন্ম স্হান সিংগের কাছ প্রবাসী অধ্যুষিত এলাকা বলে প্রসিদ্ধ। এই এলাকার অনেক লোক বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। প্রবাসীদের অর্থায়নে গড়ে ওঠেছে বিলাসবহুল অট্টালিকা। ব্যবসা বানিজ্য আয় রোজগারের দিক দিয়ে এলাকাটি পিছিয়ে নেই। স্হানীয় ব্যবসায়ীদের নিষ্টা এবং পরিশ্রমের মাধ্যমে সিংগের কাছ বাজার বর্তমানে এলাকার উন্নতম বাজার হিসেবে গন্য করা হয়। বাজার সংলগ্ন মাকুন্দা নদীর ব্রিজ বাজারের অন্যতম আকর্ষন যা বাজারের পশ্চিম, উত্তর দক্ষিণ প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চালের যাতায়াতের আমুল পরিবর্তন এনে দিয়েছে। চলাচল ব্যবস্হা যেমনি উন্নতি হয়েছে তেমনি নদীর দু’পাড় ঘেষে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এলাকার মানুষের আর্থিক অবস্হা সচ্ছল হওয়ায় চাহিদাও বেড়ে গেছে। কল কারখানা, শপিং কমপ্লেক্স বিশাল আকারে দোকান-পাট ও চিকিৎসা ব্যবস্হা সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর দোকান গড়ে উঠায় সর্বসাধারণ সব ধরনের সুযোগ সুবিধা ভোগ করছে।অত্যাধুনিক জিনিস পত্র কেনাকাটার জন্য এখন আর শহরে যেতে হয় না। সিংগের কাছ বাজার এবং এলাকায় সরকারী বেসরকারী অনেকগুলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্হাপিত হওয়ায় শিক্ষার মান দিন দিন এগিয়ে যাচ্ছে।

কিছুদিন পূর্বে প্রবাসীদের উদ্যোগে এলাকায় নতুন একটি হেলথ সেন্টার উদ্বোধন করা হয়েছে। যার নামকরন হয়েছে সিংগের কাছ “হেলথ সেন্টার”। মনোরম পরিবেশে আধুনিক প্রযুক্তির সব ব্যবস্হা সমপন্ন সেন্টার টি ইতিমধ্যে সবার নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছে। এখানে বিনা মুল্যে গরীব দুস্হদের চিকিৎসার ব্যবস্হা করা হবে। রাস্তাঘাট যাতায়াত ব্যবস্হা অতীতের তুলনায় অনেক উন্নীত করা হয়েছে। সিংগের কাছ থেকে সিলেট যাতায়াত ব্যবস্হা বর্তমানে আগের চেয়ে অনেক সহজতর হয়েছে।

সিংগের কাছের অন্তরভুক্ত মাকুন্দা নদীর উত্তর পারের অদুরে সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা প্রাকৃতিক মনোরম পরিবেশ বিজড়িত গ্রামের নাম হচ্ছে সিংরাওলী। আমার জন্মস্হান। যার সাথে আমার নাড়ীর সম্পর্ক। যেখানে আমার শৈশব কৈশোরের রঙ্গিন কিছু সময় কেটেছে। যে গ্রামের লন্ডন প্রবাসী আরেক কৃতিমান পুরুষ ছিলেন আমার বাবা মরহুম আলহাজ্ব মৌলভী সিকন্দর আলী। যার অবদান এই ক্ষুদ্র পরিসরে লিখে শেষ করতে পারবো না। যিনি একাধারে একজন প্রখ্যাত আলেম, সিংরাওলী স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা, শিক্ষানুরাগী, বিশিষ্ট সমাজ সেবক সর্বজন পরিচিত এক উজ্জ্বল ব্যাক্তিত্বের অধিকারী। বিশ্বনাথ উপজেলার সিংগের কাছ এর সিংরাওলী গ্রামের মৌলভী সাব নামে এক বাক্যে দেশে বিদেশে সবার পরিচিত।

সিংরাওলী গ্রামের মাটির গন্ধ প্রতিনিয়ত আমাকে মোহিত করে। এই গ্রামের অলি গলি পথ দিয়ে কতো যে হেটেছি খেলেছি তা আজও স্মৃতির পাতায় ভেসে ওঠে। প্রাইমারী স্কুল শেষ করে সিংগের কাছ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সময়টা বেশ রোমাঞ্চকর। সেই থেকে সিংগের কাছ এর বাজার এবং পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষের সাথে আত্মার বন্ধন সব সময়ের। স্কুলের শিক্ষক ক্লাস মেট থেকে শুরু করে সবার সাথে সখ্যতা গড়ে ওঠে। হাই স্কুলে অধ্যায়নরত অবস্হায় ৮ম শ্রেনীতে পড়াকালীন সময়ে প্রবাসী হয়ে যাওয়ায় পিছনে ফেলে আসতে হয় স্বর্ণালী দিনগুলো। আজ শুধু সেই সব স্মৃতিময় দিনগুলো পিছু টানে। মনের আঙিনায় বার বার দোলা দেয়। প্রবাসের রঙীন চাকচিক্যময় জীবনে সুখ সাচ্ছন্দে ভরপূর হলেও জন্মভূমি তথা শেকড়ের টান প্রতিনিয়ত অনুভব করি। কবির ভাষায় বলতে ইচ্ছে হয়,
“এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি, সকল দেশের রানী সে যে আমার জন্ম ভূমি”

লেখক : কবি, ইংল্যান্ড প্রবাসী।

যুক্তরাজ্যের ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বরের বইমেলায় বাসিয়া প্রকাশনী স্টলে থাকছে রোমান্টিক কবি মোহাম্মদ ইকবালের ৫টি কাব্যগ্রন্থ

সম্মিলিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদ যুক্তরাজ্য আয়োজিত বাংলাদেশী বইমেলা আজ দুপুর ১২ থেকে থেকে শুরু হচ্ছে পূর্ব লণ্ডনের ব্রাডি আর্ট সেন্টারে। মেলা চলবে ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২ থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত। মেলায় বাসিয়া প্রকাশনী স্টলে প্রবাসী রোমান্টিক কবি মোহাম্মদ ইকবালের ৫টি কাব্যগ্রন্থ পাওয়া যাবে। কাব্যগ্রন্থগুলো হলো সংবিধিবন্ধ নসিহত, স্রষ্টার শৈল্পিক হাত, নিরংশু ক্ষপায়, জাফরানি মৌচাক, ইস্কাপনের বউ। বইগুলো আপনি সংগ্রহ করতে পারেন।

যুক্তরাজ্যের ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বরের বইমেলায় বাসিয়া প্রকাশনী স্টলে থাকছে কবি এম মোসাইদ খানের ৮টি গ্রন্থ

সম্মিলিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদ যুক্তরাজ্য আয়োজিত বাংলাদেশী বইমেলা আজ দুপুর ১২ থেকে থেকে শুরু হচ্ছে পূর্ব লণ্ডনের ব্রাডি আর্ট সেন্টারে। মেলা চলবে ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২ থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত। মেলায় বাসিয়া প্রকাশনী স্টলে প্রবাসী কবি এম মোসাইদ খানের ৮টি গ্রন্থ পাওয়া যাবে। গ্রন্থগুলো হলো রোদের জখম (কাব্যগ্রন্থ), ভুলের ঘণ্টা (ছড়া), তালপাতার ঘোড়া (ছড়া), মিনতি (গান), জলের পেরেক (কাব্য), আয়না বিভ্রম (কাব্য), পংক্তিস্বজন (কবিতা-সম্পাদিত), প্রবাসী কবিদের নির্বাচিত প্রেমের কবিতা (সম্পাদিত)। বইগুলো আপনি সংগ্রহ করতে পারেন।

যুক্তরাজ্যের ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বরের বইমেলায় বাসিয়া প্রকাশনী স্টলে থাকছে কবি আসমা মতিনের ৪টি কাব্যগ্রন্থ

সম্মিলিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদ যুক্তরাজ্য আয়োজিত বাংলাদেশী বইমেলা আজ দুপুর ১২ থেকে থেকে শুরু হচ্ছে পূর্ব লণ্ডনের ব্রাডি আর্ট সেন্টারে। মেলা চলবে ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২ থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত। মেলায় বাসিয়া প্রকাশনী স্টলে প্রবাসী কবি আসমা মতিনের ৪টি কাব্যগ্রন্থ পাওয়া যাবে। গ্রন্থগুলো হলো হরিৎ প্রান্তরের মেয়ে, মনোরতœ, হরতানি ঘাট, আমরাবতী। বইগুলো আপনি সংগ্রহ করতে পারেন।

Developed by: