বিভাগ: প্রবাস

দয়ামীর ইউনিয়ন ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকে এর উদ্যোগে কুরুয়ায় ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প সম্পন্ন

01দয়ামীর ইউনিয়ন ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকে এর উদ্যোগে ও ট্রাস্টি হেনা মান্নানের আর্থিক সহায়তায় গত ১২ এপ্রিল শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত কুরুয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসায় চক্ষু ক্যাম্পের আয়োজন করা। সকালে মাদ্রাসা মাঠে এ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন দয়ামীর ইউনিয়ন ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকে এর সভাপতি মোহাম্মদ আবুল কালাম। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওসমানী নগর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. ময়নুল হক চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজনীতিবিদ জগলু চৌধুরী, দয়ামীর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস টি এম ফখর উদ্দিন, দয়ামীর ইউনিয়ন ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক বদরুল হোসাইন জুনা চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ মো. তহুর আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবুল ফয়েজ, ট্রাস্টি সাজনা আক্তার।
আলোচনা শেষে ক্যাম্প থেকে বাছাইকৃত গরিব রোগীদের চোখের ছানি, ভার্ড চক্ষু হাসপাতালের তত্ত¡াবধানে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া, বিকেলে ছানি অপারেশন, দুপুর ও রাতের খাবার, কালো চশমাসহ ২ মাসের ঔষধ প্রদান করা হয়।

দয়ামীর ইউনিয়ন ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকে এর নেতৃবৃন্দ বাসিয়া পত্রিকা অফিসে

aaaaaপ্রবাসে সমাজসেবা নিয়ে কাজ করছেন এমন মানুষের সংখ্যা কম। আর শুধু প্রবাসে নয় যারা মা, মাটি ও মানুষের ভালোবাসায় দেশেও সমানভাবে সমাজসেবা করছেন এমন একদল প্রবাসী সমাজসেবী আজ ৪ এপ্রিল বৃহস্পতিবার দুপুরে বাসিয়া পত্রিকা অফিসে আসেন।
তারা হলেন দয়ামীর ইউনিয়ন ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকে এর নেতৃবৃন্দ। তাদেরকে বাসিয়া পত্রিকার পক্ষ থেকে পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক, বাসিয়া প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী, বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের গীতিকার মোহাম্মদ নওয়াব আলী ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
প্রতিনিধি দলে ছিলেন দয়ামীর ইউনিয়ন ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকে এর সভাপতি মোহাম্মদ আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক বদরুল হোসাইন জুনা, কোষাধ্যক্ষ মো. তহুর আলী ও সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল ফয়েজ।
পরে তাদেরকে বাসিয়া প্রকাশনীর সদ্য প্রকাশিত বই উপহার দেওয়া হয়।
এসময় অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মো. ইসলাম উদ্দিন, মারুফ আহমদ, নাহিদ চৌধুরী প্রমুখ।

গ্রেটার কামালবাজার ডেভেলাপমেন্ট ট্রাস্ট ইউকের অভিষেক সম্পন্ন

greater-kamal-bazarঝাকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে গ্রেটার কামালবাজার ডেভেলাপমেন্ট ট্রাস্ট ইউকের অভিষেক। গত ২ এপ্রিল মঙ্গলবার পূর্ব লন্ডনের ইম্প্রেশন ইভেন্ট ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত অভিষেক অনুষ্টানে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন শহর থেকে সংগঠনের ট্রাস্টিবৃন্দ ও কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ অংশনেন।
সভায় নব গঠিত এই সংগঠনের সাম্প্রতিক কার্যক্রমের ভূয়শী প্রশংসার পাশাপাশি আগামীতে এলাকার দারিদ্র বিমোচনসহ যুক্তরাজ্যে এলাকাবাসীর মধ্যে সেতুবন্ধন সৃস্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ট্রাস্টের চেয়ারম্যান এমদাদুর রহমান এমদাদ এর সভাপতিত্বে সেক্রেটারী বখতিয়ার খান ও প্রেস সেক্রেটারী এস এম আনসার আলীর যৌথ পরিচালনায় সভায় সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন কোরআন তেলাওয়াত করেন মোহাম্মদ দিলোয়ার হোসেন।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের স্পিকার কাউন্সিলার আয়াছ মিয়া, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের নির্বাহী মেয়র জন বিগস, বাংলাদেশ হাই কমিশনের কর্মাশিয়াল কাউন্সিলার এস এম জাকারিয়া হক, পাকিস্থানস্থ ব্রিটিশ হাইকমিমনের ফাস্ট সেক্রেটারী মোহাম্মদ আব্দুল গফ্ফার, টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের সাবেক সিভিক মেয়র সেলিম উল্লাহ, লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এমদাদুল হক চৌধুরী, যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, কাউন্সিলার পারভেজ আহমদ, কাউন্সিলার আহবাব হোসেন, কাউন্সিলার জসিম উদ্দিন, বিশিস্ট ব্যবসায়ী মনির আহমদ, জালালাবাদ প্রবাসী কল্যান পরিষদ ইউকের সভাপতি আশিকুর রহমান, লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জুবায়ের, সাবেক সভাপতি বেলাল আহমদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাসন, সাপ্তাহিক দেশ সম্পাদক তাইসির মাহমুদ, দক্ষিণ সুরমা সমাজকল্যান পরিষদের চেয়ারম্যান সেলিম আহমদ, বিশ্বনাথ এইড ইউকের সভাপতি আব্দুর রহিম রঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন কয়েছ, দৌলতপুর এডুকেশন ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক মোহাব্বত শেখ, বিশ্বনাথ এডুকেশন ট্রাস্টের আজম খান, আখলাকুর রহমান, কদর উদ্দিন, খাজাঞ্চী জনকল্যান ট্রাস্টের সভাপতি আব্দুল বাছিত রফি, কমিউনিটি নেতা নাসির আহমদ, ব্যবসায়ী হাসিনুজ্জামান নুরু, একাউন্টটেন্ট আব্দুল হাই নুরুজ্জামান, খাজাঞ্চী ইউনিয়ন ওয়েলফেয়াল এসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমদুর রহমান মান্না, অর্থ সম্পাদক আশরাফ আহমদ, কমিউনিটি নেতা লোকমান হোসেন, আছাব আলী, আব্দুল আওয়াল, বাংলা মিরর সম্পাদক আব্দুল করিম গনি, সাংবাদিক পলি রহমান, রেজাউল করিম মৃদা, আব্দুল হামিদ খান সুমেদ।

বক্তব্য রাখেন গ্রেটার কামালবাজার ডেভেলাপমেন্ট ট্রাস্ট ইউকের সহ সভাপতি আব্দুল বাছিত চৌধুরী, মো: আব্দুল আহাদ, যুগ্ম সম্পাদক মো: কতুব উদ্দীন খান, ট্রেজারার আব্দুল মুকিত নানু, সহ ট্রেজারার শাহেদ আহমদ, ইসি মেম্বার শহীদ মিয়া, হাজী আব্দুল শহীদ, নজরুল ইসলাম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ট্রাস্টিদের মধ্যে সার্টিফিকেট বিতরন করেন অতিথিরা। সভায় জানানো হয় ইতোমধ্যেই ট্রাস্টের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে একটি অগ্নিদগ্ধ পরিবারকে আর্থিক অনুদান এবং এলাকার ২৮টি গ্রামের দরিদ্র পরিবারকে শীতের কম্বল বিতরণ, এলাকর খেলাধুরার উন্নয়নে ট্রাস্টের পৃস্টপোশকতায় গ্রেটার কামাল বাজার স্পোর্টস ডেভেলাপমেন্ট এসোসিয়েশন নামে বাংলাদেশের আরেকটি সংগঠন গঠন করা হয়েছে।
এছাড়া যুক্তরাজ্যে নতুন প্রজন্ম যেভাবে শিক্ষা, চাকুরী ও সমাজসেবায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে তাদের এ অগ্রযাত্রাকে শিকড়ের সাথে দৃঢ় করা, তাদের আধুনিক চিন্তা চেতনাকে দেশের উন্নয়নে কাজে লাগাতে কাজ করে এই সংগঠন।

সম্মিলিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

New Imageস্বাধীনতা হোক প্রদীপ্ত আগামীর চেতনা- এ প্রত্যাশা নিয়ে গত ২৭ মার্চ পূর্ব-লণ্ডনের ওসমানি সেন্টার-এ সম্মিলিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদ ইউকে উদযাপন করে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। কবিতা আবৃত্তি, গান, নৃত্য, স্বাধীনতাকে  নিবেদিত কবিদের স্বরচিত কবিতা পাঠ এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক আলোচনায় অনবদ্য এ অনু্ষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাংবাদিক আব্দুল গাফফার চৌধুরী। সংগঠনের সভাপতি লেখক ও গবেষক ফারুক আহমেদ’র সভাপতিত্বে  উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন লেখক ইসহাক কাজল ও কবি শামীম আজাদ।বক্তব্য রাখেন কবি হামিদ মোহাম্মদ ও সৈয়দ মনসুর উদ্দিন -পলিটিক্যল এডভাইজার লন্ডন মেয়র, জন বিগ্ স।
চারটি পর্বে সাজানো অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কবি ইকবাল হোসেন বুলবুল,কবি এ কে এম আব্দুল্লাহ, মোস্তফা জামান চৌধুরী নিপুণ ও হেনা বেগম।মহান মুক্তি যুদ্ধে  ত্রিশ লক্ষ শহীদের আত্মার শান্তি কামনা করে একমিনিট নীরবতা পালন করে  শুরু হয় অনুষ্ঠান ।তারপর পরিবেশন করা হয় সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত ।
অনুষ্ঠানে বৃন্দ আবৃত্তি উপস্থাপন করেন যথাক্রমে কণ্ঠ প্রবাস, ছান্দসিক, ডকল্যাণ্ডস থিয়েটার এণ্ড পারফর্মিং আর্টস, কথন ও ধ্বনি আবৃত্তি সংগঠনের শিল্পীবৃন্দ। সংগীত পরিবেশন করে সত্যেন সেন স্কুল অব পারফরমিং আর্টস-এর এক ঝাঁক শিশু-কিশোর।
আব্দুল গাফফার চৌধুরী বলেন, বিলেতে বাংলা সাহিত্য সংস্কৃতির একটা বড় ঘাঁটি গড়ে উঠেছিল। এটাকে কেউ কেউ ব্যক্তি স্বার্থে ভাঙ্গার চেষ্টা করেছেন। আর এ ভাঙ্গার ফলে এখানে জামাতীরা অর্থাৎ স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি অত্যন্ত শক্তিশালী হচ্ছে ।আমাদের ঐক্যের যে ভাঙ্গন তার সুযোগ নিচ্ছে। এ সম্বন্ধে আপনারা দয়া করে সজাগ থাকবেন।
তিনি আরো বলেন, যারা সত্যি সত্যি বঙ্গবন্ধুকে ভালবাসেন, স্বাধীনতাকে ভালবাসেন, যারা দেশপ্রেমী তারা একটা মন্চে থাকা উচিত। তাদের রাজনৈতিক পরিচয় আলাদা থাকতে পারে, আমি আওয়ামীলীগ করতে পারি, আপনি ন্যাপ করতে পারেন, আরেকজন জাসদ করতে পারে কিন্তু এরা সকলেই স্বাধীনতার মন্ত্রে দিক্ষীত। তারা ঐক্যবদ্ধ থাকলে এ লণ্ডনে কারো পক্ষেই বিভেদ সৃষ্টি করা সম্ভব হবেনা।
সম্মিলিত সাংস্কৃতিক পরিষদের বার বার ভাঙ্গনের কথা উল্লেখ করে আব্দুল গাফফার চৌধুরী আরো বলেন, এ পর্যন্ত দুইটা সাংস্কৃতিক পরিষদ হয়েছে। যিনি এগুলো করেন তিনি ইতিপূর্বে উদীচী ভেঙ্গেছেন। তারপর সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট ভেঙ্গেছেন। এবং সর্বত্রই তিনি নিজে সভাপতি হন এবং নানারকম কাজ করেন যাতে প্রগতিশীল সংস্কৃতিসেবিদের ঐক্য না হয়ে আরো ভাঙ্গে। যারা সম্মিলিত নাম দিয়ে ভেজাল সংগঠন তৈরি করে তিনি তাদের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
শামীম আজাদ জাতির আত্ম-নির্ণয়ে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে বলেন, আমার নিজের ভিতরে একেবারে নিজস্ব একজন বঙ্গবন্ধু আছেন যিনি দুর্যোগে আমাকে সাহস দেন, প্রতিকূলতা মোকাবেলায় আমাকে অনুপ্রাণিত করেন দৃঢ়  পদক্ষেপে জীবনের পথে হাঁটতে।আমার বঙ্গবন্ধু আমাকে ছায়া হয়ে আগলে রাখেন সবসময়; বিরুদ্ধ সময়ে আমাকে পথ দেখান সত্য ও সুন্দরের।
হামিদ মোহাম্মদ তার বক্তব্যে বাঙালীর ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক ইতিহাসকে পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার দাবী জানান।
বৃন্দ আবৃত্তিতে ধ্বনির পক্ষ থেকে আবৃত্তি পরিবেশন করেন মোস্তফা জামান চৌধুরী নিপুণ, তৌহিদ শাকীল ও শহিদুল ইসলাম সাগর, ডকল্যান্ডস থিয়েটার এন্ড পারফর্মিং আর্টস-এর পক্ষ থেকে আফরোজা বেগম,রাশেদুল কবির , শরিফুল ইসলাম ও স্মৃতি আজাদ , কথন’র পক্ষ থেকে একক আবৃত্তি পরিবেশন করেন ফয়জুল ইসলাম ফয়েজনূর ও হাসিনা আক্তার। ছান্দসিক এর পক্ষ থেকে আবৃত্তি করেন জিয়াউর রহমান সাকলেন ও শতরূপা চৌধুরী অন্যা ।এছাড়াও একক আবৃত্তি পরিবেশন করেন ইয়াসমিন সুলতানা পলিন, নাজমুল হোসেন, সায়মা আহমেদ,সৈয়দ রুম্মান ও উর্মী মাজহার। স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন খয়রুজ্জামান খসরু,রুকন আহমেদ, মুহাম্মদ শরীফুজ্জামান, সারওয়ার-ই আলম, এম মোসাইদ খান ,হাফসা ইসলাম, শাহ সোহেল আমিন,তানিয়া জাহান ঝর্ণা ও মোহাম্মদ মুহিদ । স্বরচিত ছড়া পাঠ করেন শাহাদত করিম, জুসেফ খান ও হিলাল সাইফ। বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র লন্ডনের পক্ষে স্বঅনুবাদিত গ্রন্থ থেকে পাঠ করেন ফারাহ নাজ।
দেশাত্ববোধক সংগীত পরিবেশন করেন   শর্মীলা দাশ,শম্পা দেওয়ান,স্বরলিপি দত্ত, শতরুপা চৌধুরী অন্যা ,সৈয়দ আরভিন জামান আরাভ এবং সত্যেন সেন পারফর্মিং আর্টস স্কুল-এর শিশু শিল্পীবৃন্দ। নৃত্য পরিবেশন করেন তাল তরঙ্গের সাকিবা চৌধুরী।
এছারা যে সকল সংগঠনের প্রতিনিধিরা এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তারা হচ্ছেন সংহতি সাহিত্য পরিষদ,বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র ডকল্যান্ডস থিয়েটার এন্ড পারফর্মিং আর্টস, ধ্বনি, রবীন্দ্র পর্ষদ, মিনা বাজার, রেডব্রীজ মেলা, মহুয়া আর্টস, কবিতা পরিষদ, তাল তরঙ্গ, তানপুরা, শব্দপাঠ, তৃতীয় ধারা, মূলধারা,সাপ্তাহিক সুরমা, ইউরো বিডি,  ইমোহার্ক, কবিতা পরিষদ, তানপুরা, শব্দপাঠ, তৃতীয় ধারা,প্রবাস প্রকাশনী, আশা প্রকাশনী, কবিতা স্বজন, স্বাধীনতা ট্রাস্ট, গ্রন্থী, পাক্ষিক ব্রিক লেন, ব্রিটিশ-বাংলাদেশী পয়েট্রি কালেকশন, হৃদি, কবিকণ্ঠ, প্রগতি লেখক সংঘ, বঙ্গবন্ধু রাইটার্স অ্যান্ড জার্নলিস্ট ফোরাম, অধ্যায়, পলল, বঙ্গবন্ধু বইমেলা, পুনশ্চ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক ফোরাম, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট সেন্ট্রল লন্ডন শাখা, লাইট সাউন্ড অ্যান্ড ক্যামেরা, সুরালয়, বার্মিংহাম সাহিত্য পরিষদ, বার্মিংহাম উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী, কারি লাইফ ম্যাগাজিন, দর্পণ ম্যাগাজিন, বেতার বাংলা, বেতার বাংলা শ্রোতা ফোরাম, শিল্পকলা একাডেমি লন্ডন, মাসিক অভিমত।  এছারাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ড. মুকিদ চৌধুরী,কবি আতাউর রহমান মিলাদ, কবি মিলটন রহমান,কবি ফারুক আহমেদ রনি, নুরুল ইসলাম,আবুল কালাম আজাদ ছোটন, বিশিষ্ট নৃত্য শিল্পী চায়না চৌধুরী, বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী গোপাল দাস , ছড়াকার আবু তাহের, লেখক আনোয়ার শাহজাহান, কবি শামীম আহমেদ,  কবি ও গীতিকার শামসুল জ্বাকী স্বপন, রুহুল আহমেদ, জামাল খান, বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক সাগর রহমান সহ বিভিন্ন শহর থেকে আসা বিশিষ্ট সংস্কৃতি ব্যক্তিত্ব, কবি সাহিত্যিক, সাংবাদিক বৃন্দ । হল ভর্তি শ্রোতার উপস্হিতিতে  মনোজ্ঞ অনুষ্ঠান টি বিকেল ৬:৩০ মিনিটে শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে রাত ১১ টা পর্যন্ত চলে।

গ্রেটার কামালবাজার ডেভলাপমেন্ট ট্রাস্ট ইউকে এর অভিষেক অনুষ্ঠান ২ এপ্রিল

01গ্রেটার কামালবাজার ডেভলাপমেন্ট ট্রাস্ট ইউকে এর অভিষেক অনুষ্ঠান আগামী ২ এপ্রিল মঙ্গলবার বিকাল ৫.৩০ মিনিটের সময় যুক্তরাজ্যের ইনপ্রেশন ইভেন্ট ভ্যানুতে অনুষ্ঠিত হবে। অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন লন্ডনস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন টাওয়ার হেমলসের মেয়র জন বিগস ও টাওয়ার হেমলসের স্পিকার ও কাউন্সিলর আয়াস মিয়া।
উক্ত অভিষেক অনুষ্ঠানে যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত কামালবাজার, খাজাঞ্চী, পনাউল্লা বাজার, মুন্সিবাজার এলাকার সর্বস্তরের সম্মানিত ব্যক্তিবর্গকে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন গ্রেটার কামালবাজার ডেভলাপমেন্ট ট্রাস্ট ইউকে এর চেয়ারম্যান এমদাদুর রহমান এমদাদ, সেক্রেটারী বখতিয়ার খান ও ট্রেজারার আব্দুল মুকিত নানু।

সংহতি সাহিত্য পরিষদের কমিটি গঠন

mosaid৫ই মার্চ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় বিলেতর সাহিত্যানুরাগীদের ৩০ বছরের পুরানো সংগঠন সংহতি সাহিত্য পরিষদ এর দায়িত্ব পালনে ২০১৯-২০২১ নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে । গত ৫ই মার্চ সংগঠনের এক আলোচনা সভা সংগঠনের সভাপতি ফারুক আহমেদ রনির সভাপত্বিতে এবং সাধারণ সম্পাদক আবু তাহেরের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয় । দুই পর্বের এ অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় । এতে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সংহতির সদস্য আব্দুল মুনিম জাহেদী ক্যারল, নাজমিন হক, সেলিম উদ্দিন ও শাহেদ চৌধুরী । নব নির্বাচিত কমিটিতে বিভিন্ন দায়িত্ব পেয়েছেন যথাক্রমে সভাপতি আবু তাহের, সহ সভাপতি শামসুল হক এহিয়া , সহ সভাপতি শামীম শাহান , সহ সভাপতি রেজুয়ান মারুফ, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দা তুহিন চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম মোসাইদ খান, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইকবাল, সহ কোষাধ্যক্ষ ইকবালুল হক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক এ কে এম আব্দুল্লাহ, প্রচার সম্পাদক আরাফাত তানিম, কার্যকরী সদস্য ফারুক আহমেদ রনি, মোহাম্মদ আব্দুল মুনিম জাহেদী ক্যারল, সেলিম উদ্দিন, ইকবাল হোসেইন বুলবুল, নাজমিন হক, হেলাল উদ্দিন, শাহেদ চৌধুরী, আনোয়ারুল ইসলাম অভি, নোমান চৌধুরী, ময়নুর রহমান বাবুল, ইকবাল হোসেইন ভাল্মিকি, মুনিরা পারভিন, শামসুল হক শাহ আলম, সেবুল আহমেদ, নজরুল আলম আনাই ও সাইফ উদ্দিন আহমেদ বাবর ।

মালয়েশিয়ায় এক বছরে ৭৮৪ বাংলাদেশির মৃত্যু

lash nm nahid

মালয়েশিয়ায় গত এক বছরে ৭৮৪ বাংলাদেশি মৃত্যুবরণ করেছেন। দূতাবাস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, গত ২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সে দেশে মৃত্যুবরণ করেছেন ৭৮৪ বাংলাদেশি।

হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে, সড়ক দুর্ঘটনা ও নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করতে গিয়ে এসব শ্রমিক মৃত্যুবরণ করেছেন বলে দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে। তন্মধ্যে স্ট্রোক করে বেশিরভাগ প্রবাসী মারা গেছেন বলে এক হিসাবে প্রকাশিত হয়েছে।

প্রবাসে বাংলাদেশিদের মৃতের পরিসংখ্যানের তালিকায় প্রথমে আছে সৌদি আরব। দ্বিতীয় অবস্থানেই মালয়েশিয়ার অবস্থান বলে জানিয়েছে দূতাবাস সূত্র।

এর পরে রয়েছে যথাক্রমে আরব আমিরাত, ওমান ও কুয়েতের অবস্থান।

প্রবাসী শ্রমিকদের নিয়ে কাজ করে এমন বেশ কয়েকটি সংগঠন জানায়, গত চার বছরে যত প্রবাসীর লাশ এসেছে, তাদের মৃত্যুর কারণ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, অন্তত ৮০ শতাংশ ক্ষেত্রেই মৃত্যু হয়েছে আকস্মিকভাবে।

তাই মানসিক চাপ কমাতে অভিবাসন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং প্রবাসী শ্রমিকদের মানসিক বিকাশের জন্য পর্যাপ্ত বিনোদনের ব্যবস্থা তৈরি করার ওপর জোর দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা।

এ বিষয়ে মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম শাখার প্রথম সচিব মো. হেদায়েতুল ইসলাম মণ্ডল বলেন, ‘শুধু যে স্ট্রোকের কারণে প্রবাসীরা মারা যায় তা নয়। মৃত্যুর কারণ হিসেবে কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনা ও সড়ক দুর্ঘটনাও রয়েছে।

মৃতদের লাশ বাংলাদেশে পাঠানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড প্রবাসীদের লাশ দেশে ফেরত পাঠানো হয়।

মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটি ও জনহিতৈশীদের সহযোগিতায়ও লাশ দেশে পাঠানো হয় বলে জানান তিনি।

লাশ দাফনের জন্য মৃত ব্যক্তিদের পরিবার বিমানবন্দরে ৩৫ হাজার টাকা এবং পরে যারা বৈধভাবে কোম্পানিতে কাজ করেছেন তারা তিন লাখ টাকা আর্থিক অনুদান পায় বলে তথ্য দেন এ কর্মকর্তা।

যে অবৈধ প্রবাসী কর্মক্ষেত্রে মৃত্যুবরণ করেন তাদের বেলায় কোম্পানির মালিকের সঙ্গে আলোচনাসাপেক্ষে মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ আদায়ে দূতাবাস সর্বাত্মক চেষ্টা করে থাকে বলে জানান তিনি।

হযরত শাহ্জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবাসীকল্যাণ ডেস্কসূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালে দুই হাজার ৩১৫ জন, ২০১০ সালে দুই হাজার ২৯৯ জন, ২০১১ সালে দুই হাজার ২৩৫ জন, ২০১২ সালে দুই হাজার ৩৮৩ জন, ২০১৩ সালে দুই হাজার ৫৪২ জন, ২০১৪ সালে দুই হাজার ৮৭২ জন, ২০১৫ সালে দুই হাজার ৮৩১ জন, ২০১৬ সালে দুই হাজার ৯৮৫ জন, ২০১৭ সালে দুই হাজার ৯১৯ জন এবং ২০১৮ সালে তিন হাজার ৫৭ জনের মরদেহ দেশে ফিরেছে।

২০১৮ সালের নভেম্বর পর্যন্ত সৌদি আরব থেকে এসেছে ১০০৮, কুয়েত থেকে ২০১, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ২২৮, বাহরাইন থেকে ৮৭, ওমান থেকে ২৭৬, জর্ডান থেকে ২৬, কাতার থেকে ১১০, লেবানন থেকে ৪০ সহ মোট তিন হাজার ৫৭ জনের লাশ দেশে ফিরেছে।

এ ছাড়া মালয়েশিয়া থেকে এক বছরে এসেছে ৭৮৪ জনের লাশ।

মিছবাহ ফাউন্ডেশন ও স্পেকট্রাম বাংলা রেডিও লন্ডনের উদ্যোগে বিশেষ দোয়া মাহফিল

0111111111গোলাপগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ বাঘার বায়দুল আকমল জামে মসজিদে গত ২১ ডিসেম্বর শুক্রবার বাদ জুম্মা মিছবাহ ফাউন্ডেশন ও স্পেকট্রাম বাংলা রেডিও লন্ডনের উদ্যোগে এক বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন গোলাপগঞ্জ উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ হুমায়ন ইসলাম কামাল।
তরুণ সমাজকর্মী জিয়া উদ্দিন আহমেদ দিলারের পরিচালনায় শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মিছবাহ ফাউন্ডেশন ইউকের প্রতিষ্ঠাতা বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মিছবাহ জামাল।
অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক রাষ্ট্রপতির প্রেসসচিব সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম, দৈনিক সংলাপ সম্পাদক মুহাম্মদ ফয়জুর রহমান, কাউন্সিল অব মস্ক ইউকের চেয়ারম্যান হাফিজ মাওলানা শামসুল হক, বাংলাদেশ সেন্টার লন্ডনের চিফ ট্রেজারার আলহাজ সিরাজুল ইসলাম, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন ইউকের প্রেসিডেন্ট আলহাজ এম এ আহাদ, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন সিলেটের পাবলিসিটি সেক্রেটারী আবু তালেব মুরাদ, সমাজসেবী মনসুর আহমদ খান, মাসিক বাসিয়া সম্পাদক মোহাম্মদ নওয়াব আলী, কয়েস আহমদ সাগর, ইউনুছ আলী প্রমুখ।
দোয়া পরিচালনা করেন কাউন্সিল অব মস্ক ইউকের চেয়ারম্যান হাফিজ মাওলানা শামসুল হক। পরে ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে হার্ট ক্যাম্পের আয়োজন করা হয় এবং গরিব ও দুস্থ রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়।

লালাবাজার ইউনিয়ন উন্নয়ন টাস্ট ইউকে’র বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত

1

গত ৫ই নম্ভেম্বর ২০১৮ সোমবার লালাবাজার ইউনিয়ন উন্নয়ন টাস্ট ইউকে এর প্রথম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্টিত হয় ইস্ট লন্ডনের একটি স্থানীয় হলে । সংগঠনের সভাপতি আব্দুল মুক্তার সাইস্তার সভাপতিত্বে অনুষ্টানের শুরুতে কোরান তেলাওত করেন ফয়ছল আলী আহমেদ ।সংগঠনের কোষাধ্যক্ষ রফিক উদ্দিন এর পিতা সদ্য প্রয়াত আলহাজ্ব রইছ মিয়া সাহেবের আত্নার শান্তি ও মাগফিরাত কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন হাবিবুর রহমান ।
ট্রাস্টে বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ ও অনুষ্টান পরিচালনার পাশাপশি বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মকসুদ রহমান এবং ট্রাস্টের বার্ষিক হিসাব পেশ করেন কোষাধ্যক্ষ রফিক উদ্দিন ।
উক্ত অনুষ্ঠানে লন্ডন এবং লন্ডনের বাইরে থেকে আগত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে
স্বাগত বক্তব্যে রাখেন ট্রাস্টের সভাপতি আব্দুল মুক্তার সাইস্তা এবং ট্রাস্ট পরিচলনা ও ট্রাস্টের আগামী কর্ম পরিকল্পনা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যে রাখেন আব্দুল হক আবু, আব্দুল আহাদ,  ফখর উদ্দিন ফারুক, আরশ আলী, সাইস্তা মিয়া, মিয়া মোহাম্মদ চন্দন, ও মোহাম্মদ সামসুল হুদা

টাওয়ার হেমলেট এর সাবেক স্পীকার খালেছ উদ্দিন তিনি তার বক্তব্যে বলেন
আমি খুবই আনন্দিত ও অবিভুত এত দ্রুত সময়ে বিপুল সংখ্যক ট্রাস্টি সদস্য হয়েছেন এবং সে জন্য তিনি সংগঠনের সকল কর্তকর্তা সাধুবাদ জনান ।

তাকবীর হোসেন দুলাল বলেন গত অভিষেক ও ঈদ পুর্নমিলনী অনুষ্টানে আসা তার মেয়ে অন্যান্য ছেলে মেয়ে সাথে পরিচিত হয়ে এবং এলার সবাইকে এক সাথে দেখ খুবই আনন্দিত হয়েছে তাকবীর হোসেন দুলালের কথার সূত্র ধরে ফয়ছল আলী আহমেদ বলেন এদেশে বেড়ে উঠা আমাদের প্রজন্মকে
ট্রাস্টের সাথে যুক্ত করতে পারলে এলার সবার সাথে তাদের সুসম্পর্ক গড়ে উঠবে এবং ট্রাস্টও আরও গতিশীল হবে ।

বিলেতে বেড়ে উঠা প্রজন্মের সাদেক আহমেদ বলেন লালাবাজার ইউনিয়ন উন্নয়ন টাস্ট ইউকে এর সাথ যুক্ত হতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ট্রাস্টের সাথে যুক্ত হওয়ায় আমাদের এলার সবার সাথে পরিচিত হতে পেরেছি । উক্ত অনুষ্ঠানে ট্রাস্টে গঠনতন্ত্র বাংলা ও ইংরেজী চুড়ান্ত অনুমোদন করা হয় ।
এছাড়াও আরও বক্তব্যে রাখেন লাল মিয়া, নাছির উদ্দিন,  রফিক উদ্দিন, বদরুল হক শাহীন, শহিদুল ইসলাম, মিরাজ নানু, আব্দুল কাইয়ুম সুনেল, মামুন রহমান, এম মোসাইদ খান, দারা হোসেন পলাশ, মুহিবুর রহমান, উম্মর আলী রিপন, সুভাস কান্তি নাথ, আব্দুল কালাম, জসিম উদ্দিন জুনায়েল, একমান আলী প্রমুখ ।

উল্লেখ্য লালাবাজার ইউনিয়নে ফ্রী চক্ষু শিবির পরিচালনার সিদ্বান্ত গৃহিত হয় এবং এর জন্য
জন্য প্রায় ৭লাখ টাকার আর্থিক প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন উপস্থিত সদস্যরা ।
নৈশভোজ শেষে অনুষ্টানের সামাপ্তি ঘোষণা করা হয় ।

2

খয়রুন নেছা স্মৃতি প্রাথমিক মেধাবৃত্তি ২০১৮ এর ফল প্রকাশ

44904063_2079356408754141_4930203743741280256_nদক্ষিণ সুরমা উপজেলার লালাবাজার ইউনিয়নের লালারগাঁও গ্রামের আব্দুল গফুর কিন্ডারগার্টেন অ্যান্ড জুনিয়র হাই স্কুল কর্তৃক পরিচালিত খয়রুন নেছা স্মৃতি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশ করা হয়। এতে তিনটি গ্রেডে মোট ১২ শিক্ষার্থী মেধা তালিকায় বৃত্তি লাভ করেছে।
প্রথম গ্রেডে মেধা তালিকায় বৃত্তিপ্রাপ্তরা হলেন আব্দুল গফুর কিন্ডারগার্টেন ্জুনিয়র হাইস্কুলের সানজিদা আক্তার, ছামিহা খানম, আল মুছিম স্কুল অ্যান্ড কলেজের সোনালি আক্তার, আব্দুল আহাদ কিন্ডারগার্টেনের ফাহিম আহমদ আরমান। দ্বিতীয় গ্রেডে মেধা তালিকায় বৃত্তি প্রাপ্তরা হলেন লালাবাজার কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শেখ শিপু, বর্ষা চন্দ চুমকি, মাহফুজ আহমেদ অভি, মোঃ ফারদিন আহমেদ। তৃতীয় গ্রেডে মেধা তালিকায় বৃত্তিপ্রাপ্তরা হলেন লালাবাজার কিন্ডারগার্টেন স্কুলের অধরা দাস তুষি, হযরত আলী(রাঃ) একাডেমী ্কমপ্লেক্স এর মুশফিকুর রহমান অভি, আল-মুছিম স্কুল এন্ড কলেজের শরীফ উদ্দিন মুন্না এবং আলহাজ্ব রইছ মিয়া স্কুলের মুছলিমা আক্তার বৃত্তি লাভ করেন। আগামী ৩ নভেম্বর সকাল ১১টায় আব্দুল গফুর কিন্ডার গার্টেন অ্যান্ড জুনিয়র হাইস্কুলে আনুষ্ঠানিক ভাবে বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে সনদ প্রদান করা হবে। সংশ্লিষ্ঠ সকলকে উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য খয়রুন নেছা বৃত্তির প্রবর্তক মো. আশিক মিয়া অনুরোধ জানিয়েছেন।

Developed by: