বিভাগ: বই পত্র

লালাবাজার ইউনিয়ন এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের দ্বি-বার্ষিক সভা ও নির্বাচন সম্পন্ন

সিলেটের দক্ষিন সুরমা উপজেলার লালাবাজার ইউনিয়নের প্রবাসীদের নিয়ে গঠিত ‘লালাবাজার ইউনিয়ন এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকে’র দ্বি-বার্ষিক সভা ও নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে গত ২৬ নভেম্বর রবিবার পূর্ব লন্ডনের রয়েল রিজেন্সি হলে। এতে ট্রাস্টের সদস্যরা যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন শহর থেকে অংশনেন।
সভায় ট্রাস্টের মাধ্যমে এলাকার শিক্ষার উন্নয়নে ভূমিকা রাখার উপর গুরুত্ব দেয়া হয় এবং ইতিমধ্যে গৃহিত বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে উপস্থিত সদস্যরা বক্তব্য রাখেন। সভায় শিক্ষার উন্নয়নে আরো বেশি ভূমিকা রাখতে অধিকসংখ্যক ট্রাস্টির হওয়ার জন্য ইউনিয়নের প্রবাসীদের প্রতি আহবান জানান বক্তারা।
1

সংগঠনের বিদায়ী সভাপতি আব্দুল বাতিন এর সভাপতিত্বে ও আব্দুল হাফিজ, আব্দুল কুদ্দুস খান এবং ওবায়দুর রহমান জুহেদ এর যৌথ পরিচালনায় সাধারণ সভায় আজীবন সম্মাননা পদক ও কৃতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে পদক বিতরন করা হয়। পদক প্রাপ্তরা হচ্ছেন আজীবন সম্মাননায় প্রবীন কমিউনিটি নেতা আব্দুল হান্নান, রফিকুল হক ও শিক্ষায় আয়েশা খান এবং ইশতিয়াক আল জামিল।
সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন কমিউনিটি নেতা রফিকুল হক, আব্দুল হান্নান, এম এ সালমান জেপি, আব্দুল বারী, গৌস উদ্দিন চৌধুরী, খালেদ উদ্দিন আহমদ, আলহাজ্ব বাহাদুর তজম্মুল হক, নেছাওর মিয়া, আলাউর মিয়া, আশিক মিয়া, মকসুদ রহমান, আব্দুল আজিজ, ইকবাল আহমদ, সৈয়দ শামসুল হুদা, আনোয়ার আলী, ড: এমডি সাবের শাহ, শামসুল খান বাদশা, মনসুর আহমেদ, হাফেজ আব্দুর রহিম দলসু, কামরান আহমদ সিকন্দরী, শেখ নজরুল ইসলাম, সুরমান আহমদ, শাহেদুর রহমান, শাহ ইমরান হোসেন লিমন, মামুনুল হক সাজু প্রমুখ।

3

পরে সংগঠনের নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যদের পরিচয় করিয়েদেন নির্বাচন কমিশনার এম এ সুলতান, আব্দুল বারী, ইকবাল আহমদ।
২৫সদস্য বিশিষ্ট কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন নুরুস সুফিয়ান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল হক খান রুমান, ট্রেজারার আব্দুল কুদ্দুস খান, কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হচ্ছেন সহ সভাপতি মনসুর আহমদ, শাহ ইমরান হোসেন লিমন, মোহাম্মদ শাহিদুর রহমান, আব্দুল তাহির, সহ সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম মুকিত, সহ ট্রেজারার এনামুল হক (ফুলদি), সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কাদির লয়লু, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আলী হোসেন লয়লু, প্রচার সম্পাদক নজরুল ইসলাম, সহ প্রচার সম্পাদক মো: সেলিম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান রাসেল, সহ সাংস্কৃতিক সম্পাদক সুরমান মিয়া, সদস্য কামরান আহমদ সিকন্দরী, মামুনুল হক, মো: আব্দুল বাতিন, আব্দুল হাফিজ ফজলু, আব্দুল কাদির, লাল মিয়া, সিরাজুল গুফরান চৌধুরী, আব্দুল বারী আজাদ, সৈয়দ জাকির আহমদ, মুহিবুর রহমান মুরশেদ।
পরে সংগঠনের প্রকাশিত বই ও বিশেষ কলমের মোড়ক উন্মোচন করেন অতিথিরা।
2

যুক্তরাষ্ট্রে কানাডার কনসাল জেনারেল পদে বাঙালি!

8e3031d371185bf68e7f0c717cb91db6টরন্টো, ৫ আগষ্ট- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কানাডার কনসাল জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে এক বঙ্গ সন্তানকে। শুধু তাই নয়, দুই দেশের বাণিজ্যের যাবতীয় গুরু দায়িত্বও সমর্পিত হয়েছে তাঁরই কাঁধে। তিনি কানাডায় বসবাসকারী বাঙালি বংশদ্ভুত রানা সরকার।

এর আগে ২০০৯-১৩ সাল পর্যন্ত কানাডা-ভারত বাণিজ্য কাউন্সিলের সিইও ছিলেন তিনি। তাছাড়াও টরন্টোতে কেপিএমজি নামে একটি বহুজাতিক সংস্থার শীর্ষ পদে তিনি আসীন ছিলেন।

বর্তমানে রানা সরকারকে সান ফ্রান্সিসকোয় কানাডার কনসাল জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে আমেরিকা ও মেক্সিকোর সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্যের জন্য তৈরি ‘নর্থ আমেরিকান ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট’-নিয়ে তৈরি কার্যনির্বাহী দলের প্রধান পদটিও তাঁকেই সামলাতে হবে।

গবেষক মোহাম্মদ নওয়াব আলীর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত

02মাজেদুর রহমান শিপন : সিলেট জেলার দক্ষিণ সুরমা উপজেলার নির্বাহী অফিসার জনাব শাহেদ মোস্তফার আমন্ত্রণে ৩১ জুলাই সকালে তাঁর অফিসে দক্ষিণ সুরমার ইতিহাস ও ঐতিহ্য গ্রন্থের প্রণেতা, মাসিক বাসিয়া পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক গীতিকার মোহাম্মদ নওয়াব আলী এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন।
মোহাম্মদ নওয়াব আলী প্রণীত দক্ষিণ সুরমার ইতিহাস ও ঐতিহ্য গ্রন্থটি পড়ে তিনি বইটির প্রশংসা করেন। জনাব শাহেদ মোস্তফা দক্ষিণ সুরমার ইতিহাস-ঐতিহ্য সংরক্ষণ, শিক্ষার প্রসার, সাহিত্য সংস্কৃতির বিকাশ ও উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণের পরিকল্পনার কথা জানান এবং দক্ষিণ সুরমার সচেতন নাগরিকদের সহযোগিতা কামনা করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি)।
জনাব শাহেদ মোস্তফা দক্ষিণ সুরমার ইতিহাস ও ঐতিহ্য গ্রন্থের প্রণেতা মোহাম্মদ নওয়াব আলীকে স্মারক উপহার প্রদান করেন। মোহাম্মদ নওয়াব আলীও তার রচিত গ্রন্থগুলো উপজেলার নির্বাহী অফিসারকে প্রদান করেন। বিজ্ঞপ্তি

দক্ষিণ সুরমা সাহিত্য পরিষদের নিয়মিত সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত

20430056_10211407227909978_6787661753188172760_nদক্ষিণ সুরমা সাহিত্য পরিষদের নিয়মিত সাহিত্য আড্ডা গত ২৮ জুলাই শুক্রবার বিকালে বাসিয়া প্রকাশনী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। পরিষদের সভাপতি মাসিক বাসিয়া পত্রিকার সম্পাদক গীতিকার মোহাম্মদ নওয়াব আলীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কবি দেওয়ান মতিউর রহমান খানের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত আড্ডায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামালগঞ্জ উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মো. মিছবাহ উদ্দিন।
লেখাপাঠ ও আলোচনায় অংশ নেন কবি সুব্রত দাশ, কণ্ঠশিল্পী সাজ্জাদ আহমদ, কবি মো. আবদুস সামাদ, কণ্ঠশিল্পী মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, কণ্ঠশিল্পী ও গীতিকার নুরুল গণি ও সাহিত্য কর্মি জাকারিয়া শিকদার।

সিলামে সিউর সাকসেসের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

unnamed-

মিজান মোহাম্মদঃ পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে় গরিব দুঃস্থ মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী তুলে দিয়েছে দক্ষিণ সুরমার ঐতিহ্যবাহী সামাজিক সংগঠন সিউর সাকসেস এডুকেশন এন্ড সোস্যাল ওয়েলফেয়ার অর্গানেইজেশন। ২৪ জুন শনিবার দুপুরে সংগঠনের কার্যালয়ে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ উপলক্ষে আলোচনা সভায় সংগঠনের সভাপতি মোঃ রমজান আলীর সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক এস এম ফাহাদের পরিচালনায় অনুষ্টানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ সুরমা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শাহ ইমাদ উদ্দিন নাসিরী প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন সিলাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ইকরাম হুসেন বক্ত।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন গোল্ডেন ফিউচার একাডেমীর পরিচালক মনিরুল ইসলাম তুরন, সিলাম পি এল বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ আক্তার হুসেন, মাসিক গোপলা সম্পাদক কবি মিজান মোহাম্মদ, মাসিক চন্দ্রবিন্দু সম্পাদক কবি মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, চকেরবাজার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ শাহজাহান, সিলাম গ্রাম বাংলা শিল্পী গোষ্ঠির সাধারণ সম্পাদক আহমদ আলী, সমাজকর্মী কিবরিয়া আহমদ অপু, সিউর সাকসেস এর সাবেক সভাপতি আব্দুল গফফার সুমন প্রমুখ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন খাইরুল আমিন, সংগঠনের সদস্য সুহেল আহমদ, ইমন আহমদ, তুফায়েল ইসলাম রাব্বী প্রমুখ।

কামালবাজার-মাসুকগঞ্জ বাজার রাস্তায় বাসিয়া নদীর ভাঙ্গন অব্যাহত

New Image1স্টাফ রিপোর্টার : কামালবাজার বাসস্টেন্ড থেকে মাসুকগঞ্জ বাজার পর্যন্ত রাস্তাটি অত্র এলাকার যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম। উক্ত রাস্তার হাসিমী উদ্যানের পাশেই বাসিয়া নদীর ভাঙ্গনে রাস্তার অস্তিত হুমকির সম্মুখিন হচ্ছে। এভাবে ভাঙ্গন অব্যাহত থাকলে যে কোন সময় যানবাহন চলাচলের অযোগ্য হয়ে পারে। জনজনকে চলাচলে সচেতন থাকা এবং ভারি যানবাহন না চলার জন্য লাল প্লেগ ও সাইনবোর্ড লাগিয়ে সর্তক করে দিয়েছেন কামালবাজার ইউনিয়নের প্রকাশক।
হাসিমী উদ্যানের নদীর ভাঙ্গন ছাড়াও মত্রাশপুরের পাশে রাস্তাটির সলিল ওঠে গিয়ে নদীর দিকে ধাবিত হচ্ছে যা চলাচলে খুবই ঝুকিপুর্ণ।
এ ব্যাপারে কামাল বাজার ইউনিয়নের প্রশাসকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান সতর্কতার জন্য লাল প্লেগ ও সাইনবোর্ড লাগানো হয়েছে। পাশাপাশি উপজেলা এলজিইডি অফিসার ও জেলা এলজিইডি কর্মকর্তারা রাস্তাটি ভিজিট করেছেন।
দক্ষিণ সুরমা উপজেলা এলজিইডি অফিসার আফছার উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান রাস্তার ভাঙ্গন ও মেরামতের জন্য ৮/৯ লক্ষ টাকার একটি প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন আছে শুকনো মৌসুমে কাজ শুরু হতে পারে তবে বর্ষা মৌসুমে ভাঙ্গন টেকাতে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।
তবে এলাকাবাসীর দাবি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভাঙ্গন রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এগিয়ে আসবেন। তা না হলে যে কোন সময় উক্ত স্পটগুলোতে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। জনসাধারনের যাতাযাতের যেমন বেগাত ঘটবে পারে তেমনি দুর্ঘটনায় যান ও প্রাণহানী ঘটতে পারে। তাই রাস্তাটি সংস্কার করা অতিব জরুরী।

ইনসুলিন নেওয়ার দিন শেষ, মাসে ২টি ইঞ্জেকশনেই নিয়ন্ত্রণে থাকবে সুগার

Untitled-1 copyডায়াবেটিস রোগীদের রোজ ইনসুলিন নেওয়ার দিন হয়তো শেষ হতে চলেছে। রক্তে বিপজ্জনক হারে চিনি থাকলেই রোজ খাবার খান আর না থান ইনসুলিন নিতেই হবে। আর তা হবে না।

ভারতীয় বংশোদ্ভুত এক মার্কিন বিজ্ঞানী নতুন এক ধরনের চিকিৎসার কথা জানিয়েছেন। ওই চিকিৎসায় রোজ ইনসুলিন নয়, একটি ইঞ্জেকশন নিতে হবে মাসে মাত্র ২ বার। তাতেই নিয়ন্ত্রণে থাকবে সুগার।

নতুন এই ইঞ্জেকশনটি ইতিমধ্যেই বাঁদর, ইঁদুরের ওপরে পরীক্ষা করে সাফল্য পাওয়া গেছে। এবার তা মানুষের ওপরে প্রয়োগ করা হবে।

মার্কিন ‌যুক্তরাষ্ট্রের ডিউক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী আশুতোষ চিলকোটির নেতৃত্বে একদল গবেষক ওই নতুন ওষুধটি তৈরি করে ফেলেছেন।

চিলকোটির গবেষক দলের এক বিজ্ঞানী সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছেন, একটি ইঁদুরের দেহে এই ওষুধটি ১০ দিন কাজ করে আর বাঁদরের দেহে এটি ১৭ দিন কা‌র্যকর থাকে।

মানুষের দেহে রক্ত সঞ্চালন হয় ইঁদুর ও বাঁদরের থেকে অনেক ধীরে ফলে ওষুধটির একটি ডোজ ২ সপ্তাহ কা‌র্যকর থাকতে পারে।

মনুষত্ববোধ সম্পন্ন তরুণরাই পারে সুন্দর আগামী গড়ে তুলতে’- আওয়ামীলীগ নেতা ও বিশিষ্ট সমাজসেবী মো: মইনুল ইসলাম

19206321_1757304870965675_109572527_nমিজান মোহাম্মদ : তরুণ প্রজন্মই দিবে আগামীর নেতৃত্ব। আর তাদের মাঝে যদি মানুষের প্রতি মমত্ববোধ থাকে তাহলে দেশের কোন মানুষ অনাহারে থাকবেনা, বিপদে থাকবেনা, দেশ এগিয়ে যাবে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে। মনুষত্ববোধ সম্পন্ন তরুণরাই পারে সুন্দর আগামী গড়ে তুলতে। গতকাল ১৪ জুন বুধবার শহরতলীর নালিয়াস্থ জামিয়া ইমদাদিয়া তাহফিজুল ক্বোরআন সিলেটে এতিম অসহায় শিশুদের নিয়ে ইফতার মাহফিল শেষে আলোচনায় উপরোক্ত কথাগুলো বলেন বিশিষ্ট আওয়ামীলীগ নেতা ও সমাজসেবী মো: মইনুল ইসলাম।

আয়োজিত ইফতার মাহফিল অত্র মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল আলহাজ্ব মাওলানা মুহিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবক সাদুল্লাহ, সমাজ সেবক গুলজার আহমদ, মাসিক গোপলা সম্পাদক মিজান মোহাম্মদ, সাপ্তাহিক অনিয়ম’র বার্তা সম্পাদক সবুজ আহমদ প্রমুখ। এছাড়া ইফতার মাহফিলে এতিম গরিব শিক্ষার্থীসহ শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

ইফতার শেষে বক্তব্যে মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল বলেন, নানান সমস্যায় জর্জরিত এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। মাদ্রাসার সাহায্যে সর্ব মহলের সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন- বিত্তবানদের সহযোগিতাই পারে এসব অসহায় শিশুদের আলোর পথে যাত্রি হিসেবে গড়ে তুলতে ।

যে গাছ থেকে আপেল পড়েছিল নিউটনের মাথায়

05বিশ্ববিখ্যাত পদার্থবিদ আইজ্যাক নিউটন মাধ্যাকর্ষ সূত্র আবিষ্কার করেন। তিনি তার বাড়ির আঙিনার একটি আপেল গাছের নিচে বসে ছিলেন। এ সময় সেই গাছ থেকে একটি আপেল পড়ে তার মাথায়। আপেল কেন উপরে কিংবা আশেপাশের দিকে না গিয়ে সোজা নিচের দিকে এল, এই চিন্তা করতে করতে তিনি মাধ্যাকর্ষের ধারণা পেয়ে যান।

ছোটবেলায় বিজ্ঞানের বইয়ে মাধ্যাকর্ষ আবিষ্কারের এই গল্প পড়ার সময় নিশ্চয় অনেকের মনে সেই গাছটি নিয়ে কৌতুহল জাগে। সেই আপেল গাছটি এখনো দাঁড়িয়ে আছে যুক্তরাজ্যে নিউটনের লিংকনশায়ারের বাড়িতে।

নিউটনের মাথায় আপেল পড়ার ঘটনা লিপিবদ্ধ আছে অষ্টাদশ শতাব্দির একটি পান্ডুলিপিতে, যেটির লেখক উইলিয়াম স্টুকিল। তিনি নিউটনের বন্ধু। ওই পান্ডুলিপিতে তিনি লিখেছেন, নিউটন আমাকে বলেছিলেন আপেল গাছটির নিচে তিনি গভীর চিন্তামগ্ন ছিলেন। এ সময় আপেলটি মাথার উপর পড়ার কারণেই তিনি বিষয়টি নিয়ে ভাবতে বসেছিলেন। এই ভাবনা থেকে বের হয়ে আসে আজকের মাধ্যাকর্ষ সূত্র। নিউটন এই গল্প তার ছাত্রদেরও বলতেন।

স্টুকিল ওই পান্ডুলিপিতে লিখেছেন, নিউটন এবং তিনি এই আপেল গাছটার নিচে বসে একদিন চা খাচ্ছিলেন। এমন সময় নিউটন তাকে বলেন- তুমি কি জানো আমি যুবক বয়সে এই গাছের নিচে বসা অবস্থায় মাধ্যাকর্ষের ধারণা পেয়েছিলাম? আমি তখন কথাটি রসিকতা মনে করে বলেছিলাম, ওহ্ তাই? কিন্তু পরে কথাটি নিউটন যখন তার ছাত্রদেরও একাধিকবার বলেছেন তখন বুঝতে পারি সেটি রসিকতা ছিল না।

তবে নিউটনের মাথায় আপেল পড়ার গল্পটি নিয়ে অনেক বিতর্কও রয়েছে। কিন্তু যত বিতর্কই হোক না কেন, নিউটনের বাড়ির আপেল গাছটি অনেকের কাছে দর্শনীয় বস্তু।

আজ প্রকাশক, গবেষক, সম্পাদক ও লেখক মোস্তফা সেলিমের জন্মদিন এই শুভক্ষণে তাঁকে জানাই সশ্রদ্ধ প্রণতি।

04মোস্তফা সেলিম স্বনামেই খ্যাত, সমাদৃত এবং পরিচিত। জাতীয় গ্রন্থ প্রকাশনা সংস্থার নেতৃত্বে আছেন তিনি। এককালে ছিলেন ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং ছাত্রসংসদের নির্বাচিত সদস্য হিশেবে কলেজবার্ষিকীর সম্পাদক। এরপর কিছুদিন সাংবাদিকতা ও শিক্ষকতা পেশার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সেসময় গ্রামে গ্রামে ঘুরে মুক্তিযোদ্ধাদের তথ্যের ভিত্তিতে একখানা মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষণাধর্মী গ্রন্থও লিখেন।
মোস্তফা সেলিম শুরু থেকেই উৎস সন্ধানী, অক্লান্ত উদ্যমী। নিছক অর্থের পেছনে না-ছুটে, কিংবা চূড়ান্ত ভোগবিলাসে না-ডুবে, সমীপকালীন বন্ধুদের মতো নিরাপদ জীবনযাপনের আশায় বিদেশে পাড়ি না-দিয়ে সময়, বিরাট অঙ্কের অর্থ, উদ্যম ও শিল্পীসত্তার একাগ্রতা দিয়ে গড়ে তুলেছেন উৎসগ্রন্থি প্রকাশনাসংস্থা। আর এর নামও দিয়েছেন উৎস প্রকাশন। তিনি উৎসের মধ্যে উৎস খুঁজেছেন।
আমরা তখন অনেকে জানতাম না—বাংলা ভাষার রয়েছে দুটি বর্ণমালা। একটি প্রমিত বাংলা, অন্যটি সিলেটি নাগরী। পৃথিবীর ইতিহাসে অনেক ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই, অথচ আমাদের রয়েছে একই ভাষার দু-দুটি বর্ণমালা। চতুর্দশ শতকে আরবি, কাইথি, বাংলা ও দেবনাগরীর অনুসরণে উদ্ভব হয় সিলেটি নাগরী। এ লিপিতে লিখিত হয় বহু দলিলদস্তাবেজ এবং রচিত হয় শত শত গ্রন্থ। যার একটা বিরাট অংশ কালের অতল গহ্বরে হারিয়ে গেছে। মোস্তফা সেলিম সেই হারিয়ে যাওয়া মণিমুক্তা পুনরুদ্ধারে আত্মনিয়োগ করেন। বের করেন নাগরী বর্ণমালা শিক্ষার বই। সহযোগীর মাধ্যমে বাংলা লিপ্যন্তর করে নাগরী লিপিতে রচিত সাহিত্যের রসোদ্গার করতে প্রকাশ করেন বিরল জাতের লেখকদের কেতাবসম্ভার। নির্মাণ করেন নাগরীবিষয়ে প্রামাণ্যচিত্র।
এ-নিয়ে প্রথম প্রথম তাঁকে নানান তীর্যক কথাবার্তা শুনতে হতো। বন্ধু-পরিজন থেকে শুরু করে সারস্বতমহলের কেউ কেউ তাঁকে প্রশ্নবাণে আক্রান্ত করতো। কিন্তু তাঁর যোগী মন অভিমানাহত হয়নি। বরং বীরবলের সাহস নিয়ে প্রত্যয়িত হতে থাকে। এখন অবশ্য সেই প্রশ্নকর্তারাই তাঁর তারিফ করেন। বলেন, নাগরী কোনও অঞ্চলের সম্পদ নয়, বাংলারই। আর পুরো জাতির তরফে মোস্তফা সেলিম এর পৃষ্ঠপোষকতা করছেন। ভাষাসৈনিকের সাহস আর প্রেম নিয়ে এর বিকাশে কাজ করছেন। শুধু তাঁরাই নন, অবশ্য প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতিও তিনি পেয়েছেন। তাঁর প্রতিষ্ঠান অর্জন করেছে বাংলা একাডেমি পদক ‘ সেরা মানের গ্রন্থ সম্মাননা (২০০৮)। আরও সম্মাননা ও পদক স্বীকৃতি পেয়েছে। তাঁর এই কৃতী ও কীর্তি নিয়ে পঞ্চাশ বছরপূর্তিকে সামনে রেখে আমাদের কর্তব্যবোধের তাড়না থেকে সম্পাদিত হতে পারে তথ্যে সজীব, রসে স্বাদু ও বৈঠকী মেজাজে পূর্ণ একটি স্মারকগ্রন্থ।

আজ প্রকাশক, গবেষক, সম্পাদক ও লেখক মোস্তফা সেলিমের জন্মদিন
এই শুভক্ষণে তাঁকে জানাই সশ্রদ্ধ প্রণতি।

Developed by: