বিভাগ: বই পত্র

কোয়ান্টাম সাফল্যের অনন্য ভুবনে ।। সীতাব আলী

ধ্যানের সাহায্যে হার্টের অসুখ, উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন, ডায়াবেটিস, হাইপোথাইরয়েডসহ বিভিন্ন এন্ডোক্রাইন গ্লান্ডের অসুখ, ডিসমোনোরিয়া, আমেনোরিয়াসহ মহিলাদের পিরিয়ডের নানা সমস্যা, হাঁপানি, ডিপ্রেশন, পেটের নানা রকম সমস্যা, মাইগ্রেনসহ অন্যান্য মাথাব্যথা ও মাথাঘোরা ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এরকম অজস্র ভুক্তভোগিদের অনেকেই দীর্ঘদিন রোগে ভোগে শেষ পর্যন্ত ধ্যানের মাধ্যমে নিজের রোগ নিরাময় করতে পেরেছেন।
-দৈনিক যুগান্তর
আলোকিত মানুষ গড়ার কারিগর অধ্যাপক আবদুল­াহ আবু সায়ীদ কোর্স করে বলেন, ‘আমার অসুখ হয়ে ছিল, বেশ কড়া অসুখ। আমি ভেঙে যাই, আমি দুর্বল হয়ে যাই, আমি নিস্ক্রিয়তার মধ্যে পড়ে যাই। প্রথমে বুঝতে পারিনি যে কেন এমনটা হচ্ছে। আমার মনে হয়েছে, এটা আমার নিয়তি, এটাই হওয়ার কথা। আমি এর কাছে কিছুটা আÍসর্মপণ করে ছিলাম। কিন্তু আমি যখন কোয়ান্টাম মেথড কোর্সে অংশগ্রহণ করলাম, তখন দেখলাম যে এটা বাধ্যর্কের জন্য হয় নি। আমি বুঝতে পারলাম, এটা হয়েছে আমার আÍশক্তির অভাবের জন্যে, আমার মধ্যে নেতিবাচকতা চলে এসেছে। এই যে ক্লান্তি, অবসন্নতা, অসহায়তা, সব কিছু আমাকে ভেঙে ফেলেছে। তো যখন আমি এই কোর্সটা করলাম, তারমধ্যেই দেখলাম আমার সেই শক্তি ফিরে এলো।’
-আবদুল­াহ আবু সায়িদ
দীর্ঘ তিন বছর যাবত আমি হৃদরোগজনিত সমস্যায় ভুগছিলাম। ২০০০ সালের নভেম্বরে কলকাতার একটি হাসপাতালে আমার এঞ্জিওপ্লাস্টি উইথ স্ট্রান্ট করা হয়। কোয়ান্টাম মেথড কোর্স করে জীবন সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গিটাই পাল্টে গেল। হৃদরোগ নিয়ে এখন আমার অহেতুক ভয়ভীতি দূর হয়েছে। আমি আগের চেয়ে প্রশান্তি অনুভব করছি।
-মোহাম্মদ ফয়জুল হক, ডেপুটি রেজিস্টার (অব.)
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
আমার এমন অবস্থা হয়েছিল যে, আমি উঠে দাঁড়াতে পারতাম না। অনেক প্রাণপণে চেষ্টা করে দশ মিনিট পথ অতিক্রম করতে আমার সময় লেগে যেত পঁয়তালি­শ মিনিট, কখনো বা এক ঘণ্টা। অনেক চিকিৎসা হল সার্জারির স্বনাম ধন্য ডাক্তার বললেন, এ রোগ আর ভালো হবে না। আমি কোয়ান্টাম মেথড কোর্স করলাম। নিয়মিত মেডিটেশনের ফলে আল­াহর রহমতে আমি সুস্থ হয়ে উঠলাম।
-মোসলেহ উদ্দিন বাবুল, কথাশিল্প
কোর্স করার পর আমি নিয়মিত মেডিটেশন করেছি। মেডিটেশন মনছবির একটি বিশেষ টেকনিক আছে অটোসাজেশন একটি বিশেষ কথা আছে, আমি এগুলো নিয়মিত এপ্লাই করেছি। তাতে পড়াশোনা মনোযোগ বেড়ে গেছে। সর্বোপরি, মহান আল­াহর রহমতে আমি পরীক্ষায় সিলেট বোর্ডে ১৬তম স্থান লাভ করতে পেরেছি।
-আলী হায়দার চৌধুরী, কৃতি ছাত্র

গবেষক মোহাম্মদ নওয়াব আলীর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত

02মাজেদুর রহমান শিপন : সিলেট জেলার দক্ষিণ সুরমা উপজেলার নির্বাহী অফিসার জনাব শাহেদ মোস্তফার আমন্ত্রণে ৩১ জুলাই সকালে তাঁর অফিসে দক্ষিণ সুরমার ইতিহাস ও ঐতিহ্য গ্রন্থের প্রণেতা, মাসিক বাসিয়া পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক গীতিকার মোহাম্মদ নওয়াব আলী এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন।
মোহাম্মদ নওয়াব আলী প্রণীত দক্ষিণ সুরমার ইতিহাস ও ঐতিহ্য গ্রন্থটি পড়ে তিনি বইটির প্রশংসা করেন। জনাব শাহেদ মোস্তফা দক্ষিণ সুরমার ইতিহাস-ঐতিহ্য সংরক্ষণ, শিক্ষার প্রসার, সাহিত্য সংস্কৃতির বিকাশ ও উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণের পরিকল্পনার কথা জানান এবং দক্ষিণ সুরমার সচেতন নাগরিকদের সহযোগিতা কামনা করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি)।
জনাব শাহেদ মোস্তফা দক্ষিণ সুরমার ইতিহাস ও ঐতিহ্য গ্রন্থের প্রণেতা মোহাম্মদ নওয়াব আলীকে স্মারক উপহার প্রদান করেন। মোহাম্মদ নওয়াব আলীও তার রচিত গ্রন্থগুলো উপজেলার নির্বাহী অফিসারকে প্রদান করেন। বিজ্ঞপ্তি

জনপ্রতিনিধিরা দেশের জন্য দেশের মানুষের জন্য কাজ করেন মুহাম্মদ ইশফাকুল হোসেন

01শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রার মুহাম্মদ
ইশফাকুল হোসেন বলেন জনপ্রতিনিধিরা দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য কাজ
করেন। তাদের কাজ হবে নান্দনিক। দেশ ও সমাজের কল্যাণে তাদের পদচারণা
প্রতিনিয়ত থাকবে। তাদেরকে অনুসরণ করবে মানুষ। অনুপ্রাণিত হবে জনসাধারণ।
আজকের জনপ্রতিনিধিরা সে রকম কাজ করবেন নিঃসন্দেহে। তারা ইতিহাসে স্বার
রেখে যাবেন সমাজের উন্নয়ন সাধন করে। সাথে সাথে প্রবাসীদের অর্জিত অর্থে
এদেশের উন্নয়ন কর্মকান্ড গতিশীল হয়। প্রবাসীরা দেশের কল্যাণে সব সময় কাজ
করেন। তারা প্রবাসে থাকলেও তাদের মন দেশে থাকে তারা সর্বদা দেশের কথা
ভাবেন।
গত ১৪ মার্চ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সিলেট জেলা পরিষদে মাসিক বাসিয়া
পত্রিকা কর্তৃক জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত সদস্য রোটারিয়ান মতিউর রহমান,
সংরতি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান আমাতুজ জাহুরা রওশন জেবীন ও বাসিয়া
পত্রিকার উপদেষ্ঠা আবদুল বারীকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো
বলেন।
পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক গীতিকার মোহাম্মদ নওয়াব আলীর সভাপতিত্বে
অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শাহজালাল
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ ইশফাকুল
হোসেন। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন দণি সুরমা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ
মো. শামছুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এটিএন বাংলা ইউকের
হেড অব প্রোগ্রাম নাট্যকার আশরাফ মাহমুদ নেসওয়ার, আমেরিকা প্রবাসী ডা.
নাজরা চৌধুরী, বিশিষ্ট ব্যাংকার শামীমা নার্গিস।
মাসিক গোপলা সম্পাদক কবি মিজান মোহাম্মদ ও চন্দবিন্দু সম্পাদক কবি
মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের যৌথ উপস্থাপনায় আলোচনায় অংশ নেন প্রভাষক জ্যোতিষ
মজুমদার, সাবেক সিটি কাউন্সিলর কবি নাজনীন আকতার কণা, কবি ও সাংবাদিক
সাইদুর রহমান সাঈদ, বড়তলা মজরিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা নাজমুল
ইসলাম, এডভোকেট মিজানুল হক, কবি সুব্রত দাশ, কবি কামাল আহমদ, কলামিষ্ট এ
এইচ এম ফিরোজ আলী, উপন্যাসিক শাহ ফারজানা আহমেদ, কবি আবদুস সামাদ, কবি এম
আলী হোসাইন, গীতিকার মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন।
অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শিক মিজানুর রহমান, কবি লুৎফা আহমদ লিলি,
গল্পকার শহিদুল ইসলাম লিটন, কবি ফখরুল আল হাদী, শিক্ক্ষকিা শাখেলী বেগম,
ব্যবসায়ী দুলাল আহমদ, আবদুল কাদির জীবন, বদরুল ইসলাম সোহাগ, ব্যবসায়ী
জমিরুল হক, রাজনীতিবিদ আনোয়ার আলী, কবি আবু জাফর মো. তারেক, প্রবাসী
মদব্বির হোসেন, সাংবাদিক রিয়াজ উদ্দিন, মাজেদুর রহমান শিপন, ফাতেমা আহমদ
তুলি, সজিব আহমদ বিজয়, সুহেল আহমদ, মারুফ আহমদ, আকরাম হোসেন, সুমন দাস
বিজয়, দিলোয়ার হোসেন ও রুনু বৈদ্য প্রমুখ।

অমর একুশে গ্রন্থমেলায় ‘মুক্তিযুদ্ধের ছড়া’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

0101দেশের নবীন প্রবীণ প্রায় দেড় শত ছড়াকারের ছড়া নিয়ে বাসিয়া প্রকাশনী থেকে
প্রকাশিত ‘মুক্তিযুদ্ধের ছড়া’ গ্রন্থটি এবারের বই মেলায় প্রকাশিত হয়েছে।
ছড়াকার এম আর মনজু ও ছড়াকার মোহাম্মদ নওয়াব আলী সম্পাদিক গ্রন্থটি গত ১৯
ফেব্র“য়ারি বাংলা একাডেমির সোহরাওয়াদী উদ্যানে মোড়ক উন্মোচন করেন বিশিষ্ট
কবি কাজী রোজী এমপি। অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গ্রন্থের সম্পাদকদ্বয়
ছড়াকার এম আর মনজু ও ছড়াকার মোহাম্মদ নওয়াব আলী, ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির
ভিসি অধ্যাপক আব্দুল মান্নান, লেখক ড. শহিদুল ইসলাম শহিদ অ্যাডভোকেট,
ছড়াকার ও গীতিকার এস এ শামীম, ছড়াকার হাবিব আল হাসিব, ছড়াকার এস এম শাহাব
উদ্দিন, কবি ও ছড়াকার গোলাম নবী পান্না, কবি নিপা চৌধুরী, কবি সাইদুর
রহমান সাঈদ, গল্পকার কাজী মোতাহার হোসেন শাহীন, কবি শাহানাজ ইয়াসমিন,
ছড়াকার নিরঞ্জন মনি, কবি রওনক আহমদ এনাম প্রমুখ।

অমর একুশে গ্রন্থমেলায় দপ্রবাসী কবিদের নির্বাচিত প্রেমের কবিতা’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

00000000000অর্ধশতাধিক প্রবাসী কবিদের কবিতা নিয়ে সিলেটের বাসিয়া প্রকাশনী থেকে
‘‘প্রবাসী কবিদের নির্বাচিত প্রেমের কবিতা’ গ্রন্থটি অমর একুশে
গ্রন্থমেলায় বেরিয়েছে। গত ২৭ ফেব্র“য়ারি বাংলা একাডেমির সোহরাওয়াদী
উদ্যানের গ্রন্থটির মোড়ক উন্মোচন করেন অনুপ্রাস জাতীয় কবি সংগঠনের সভাপতি
কবি খোশনূর। অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গ্রন্থের সম্পাদক ও প্রকাশক
গীতিকার মোহাম্মদ নওয়াব আলী, ছড়াকার ও গীতিকার এম আর মনজু, অনুপ্রাস
জাতীয় কবি সংগঠনের নির্বাহী সভাপতি কবি শেখ সামসুল হক, কবি শহিদুল্লাহ
ফরায়েজী, কবি হাসিনা মতিন, কবি বাতেন বাহার, কবি নিপা চৌধুরী, কবি শাপলা
ও আবদুল মুকিত অপি।
প্রবাসী লেখকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইংল্যান্ড প্রবাসী কবি আসমা মতিন,
আমেরিকা প্রবাসী কবি শাহীন ইবনে দিলওয়ার ও কবি আলমগীর বাবুল, কানাডা
প্রবাসী কবি রাশিদা আউয়াল।
এম মোসাইদ খান ও মোহাম্মদ নওয়াব আলী সম্পাদিত বইটিতে ৫৩জন প্রবাসী কবির
প্রেমের কবিতা রয়েছে। বইটির প্রচ্ছদ এঁকেছেন ধ্র“ব এষ, ভূমিকা লেখেছেন
কবি নির্মলেন্দু গুণ। ২২৪ পৃষ্ঠার বইটির মূল্য রাখা হয়েছে ৪০০ টাকা
মাত্র।

শাহরুখের সঙ্গে ট্রেনে সারারাত সানি লিওন

79230মুম্বাই থেকে দিল্লি। বোরকা পরে ট্রেনে গিয়ে উঠলেন সানি লিওন। সেই ট্রেনেই আছেন বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খান। রাতভর এক ট্রেনেই কাটিয়ে দিলেন তারা। দিল্লি পৌঁছার আঁধাঘন্টা আগে সানি ট্যুইটারে ছবি পোস্ট করে বিষয়টা জানান দিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

মূলত শাহরুখ দলবল নিয়ে নেমেছেন তার রইস ছবির প্রচারণায়। এ ছবিতে সানি লিওনের ‘লায়লা ম্যায় লায়লা’ গানটি বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। যদিও ‘রইস’ ছবিতে অভিনেত্রী সানি লিওনের উপস্থিতি মাত্র ওই একটি আইটেম গানেই সীমাবদ্ধ। তবে এটাই তার কাছে অনেক বড় পাওয়া বলে মন্তব্য সানিরই। ছবির মূল নায়িকা মাহিরা খান পাকিস্তানি হওয়ায় প্রচারণায় থাকতে পারছেন না। আর এ সুযোগেই ৫১ বছর বয়সী বলিউড বাদশার সঙ্গে ট্রেনে চড়ে বসলেন ৩৪ বছরের সানি। ‘রইস’ মুক্তি পায় বুধবার (২৫ জানুয়ারি)।

সোমবার (২৩ জানুয়ারি) মুম্বাই স্টেশনে এসে ট্রেনে ওঠেন সানি লিওন। কেউ যেন চিনতে না পারে সেজন্য বোরকা পরেন তিনি। সেখান থেকে স্থানীয় সময় বিকেল পাঁচটা ৪০ মিনিটে অগাস্ট ক্রান্তি এক্সপ্রেসে শাহরুখের সঙ্গে ট্রেনে রওনা দেন সানি লিওন। যাত্রীদের মধ্যে ছিলেন সানি লিওনের স্বামী ড্যানিয়েল ওয়েবারও। মঙ্গলবার পৌনে ১১টায় দিল্লির নিজামুদ্দিন স্টেশনে পৌঁছান তারা।

মাঝপথেই জানাজানি হয়— ট্রেনটিতে শাহরুখ, ‘রইস’-এর পরিচালক রাহুল ধোলাকিয়া এবং প্রযোজক রিতেশ সিধওয়ানির পাশাপাশি সানি লিওনও আছেন। হুমড়ি খেয়ে পড়ে ভক্তরা। কিন্তু দেখা মেলেনি। বড়োদরা স্টেশনে ট্রেন থামার পর জানালার পর্দা সরিয়ে উঁকি দিয়ে ভক্তদের উন্মাদনা দেখে চোখ কপালে উঠে যায় সানি লিওনের! অনেকে বগির উপরে উঠে শাহরুখ ও সানি বলে চিৎকার করছেন। তাদেরকে নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে।

ইঞ্জিন বদলানোর জন্য বড়োদরায় দশ মিনিটের জন্য থামতে হয়েছে ট্রেনটিকে। এই সুযোগে ভক্তরা বাঁধভাঙা হয়ে ওঠে। শাহরুখ তাদেরকে হাত নেড়ে জবাব দিয়েছেন। পরে স্থানীয় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

দিল্লি পৌঁছার আধ ঘণ্টা আগে টুইটারে ছবি পোস্ট করে সানি লিওন লিখেছেন, ‘ট্রেন যাত্রা! গন্তব্যের কাছাকাছি চলে এসেছি। সবচেয়ে চমৎকার ভ্রমণ!’

১৯৮০ সালের হিট ছবি ‘কুরবানি’র জনপ্রিয় গান ‘লায়লা ও লায়লা’ নতুন আঙ্গিকে সাজানো হয়েছে ‘রইস’-এর জন্য। ‘লায়লা ম্যায় লায়লা’ শিরোনামের গানটিতে নেচেছেন সানি লিওন। গত সপ্তাহে সালমান খানের সঞ্চালনায় ‘বিগ বস টেন’-এ শাহরুখের সঙ্গে ছবিটির প্রচারণায় অংশ নেন তিনি।

যে মেলায় কুমারী মেয়েদের বিক্রি করা হয়!

79232এক অদ্ভুত মেলা। সদ্য যৌবনপ্রাপ্ত মেয়ে থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সের মহিলারা এই মেলায় অংশ নেন স্রেফ জীবনসঙ্গীকে খুঁজে বের করতে। তবে শর্ত একটাই, বিবাহেচ্ছু মহিলাদের কুমারী হওয়াটা বাধ্যতামূলক।

আসলে বুলগেরিয়ার স্তারা জাগোরা নামে এই অঞ্চলের রোমা জনগোষ্ঠীর মহিলারা এভাবেই বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। রোমা জনজাতি মূলত তামার বিভিন্ন জিনিসপত্র তৈরি করে থাকে। এটাই এদের রুজি-রুটি। বুলগেরিয়াতে এদেরকে অনেকে কালাইদঝি বলেও ডাকে।

দারিদ্র্য আর অনটন এদের নিত্যসঙ্গী। ফলে, বিবাহের মতো ব্যয়বহুল আনুষ্ঠানের আড়ম্বর এদের পক্ষে সম্ভব হয় না। তাই, এই মেলাই রোমা জনজাতির কাছে জীবনসঙ্গিনী খুঁজে পাওয়ার একমাত্র জায়গা। পাত্রীর সাজে মেলায় আসা মহিলাদের শুধু পছন্দ করলেই হবে না, পুরুষদের এর জন্য খসাতে হয় টাকাও। কারণ, যে পুরুষের যে মহিলাকে জীবনসঙ্গিনী হিসাবে পছন্দ হবে, তার জন্য তাকে যথার্থ দাম দিতে হয়। কয়েক লক্ষ টাকা পর্যন্ত দর ওঠে মেলায় পাত্রী হিসাবে যোগ দেওয়া নারীদের।

কোন পাত্রী কেমন দর পাবেন, তা নির্ভর করে তাঁর সৌন্দর্য থেকে শুরু করে সাজপোশাক, আচার ব্যবহারের উপরে। মেলার নিয়ম অনুসারে, মেয়েরা যেখানে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকতে পারেন অথবা মেলার জন্য প্রস্তুত মঞ্চেও নিজেদের পাত্রী হিসাবে তুলে ধরতে পারেন। মঞ্চে ওঠা মেয়েদের জন্য নিলামের মতো দরও হাঁকাহাঁকি হয়। আবার পুরুষরা মঞ্চে থাকা নারীদের সঙ্গে সেখানে নাচা-গানাতেও অংশ নিতে পারেন। এরপরই পছন্দের নারীর জন্য দর হাঁকতে পারেন তিনি।

এই মেলায় অংশ নিতে মেয়েদের সাজপোশাকও হতে হয় চটকদার। এখানে নাবালক দম্পতি দণ্ডণীয় অপরাধ হিসাবে গণ্য হয় না। ফলে, ১৩ বছরের মেয়ের সমবয়সি পুরুষসঙ্গী এখানে একেবারেই বিরল নয়। এমনও দেখা গিয়েছে, বাবা-মায়েরা ছেলে-মেয়েকে অল্প বয়সেই এই মেলার অংশগ্রহণের জন্য নিয়ে এসেছে। কারণ, বাবা-মায়েদের ধারণা, বেশি দেরি করলে হয়তো ছেলে-মেয়েকে সারা জীবন চিরকুমার বা চিরকুমারী হয়েই কাটাতে হবে। বছরে চার বার এই মেলা বসে। সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় বসন্তের মেলা।

সূত্র: এবেলা

মেসির জন্য নগ্ন হলেন নারী ভক্ত

79215দুই সন্তানের বাবা ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি। দীর্ঘদিন ধরেই বান্ধবী অ্যান্তোনেলার সঙ্গে তার সম্পর্ক। তারপরেও এই ফুটবল তারকার নারী ভক্তের সংখ্যা কিন্তু কম নয়। হাজার হোক তিনি ফুটবলের রাজপুত্র। এবার এক নারী ভক্ত এবার নতুন ঢঙে ভালবাসা জানালেন আর্জেন্টাইন এই ফুটবল তারকাকে।

এই নারী ভক্তের নাম মিস বামবাম সুজি কোর্তেজ। বহুদিন ধরেই তিনি দাবি করে আসছেন, তিনিই নাকি মেসির বান্ধবী। মেসি যদিও এই ভক্তের কীর্তিকলাপের জন্য তাকে গত বছরই ব্লক করে দিয়েছেন। কিন্তু বার্সেলোনা সুপারস্টারের প্রতি সুজির ভালবাসায় এতটুকু ঘাটতি পড়েনি। বরং মেসির সন্তানের মা অ্যান্তোনেলা রকুজোকে টক্কর দেওয়ার যথাসাধ্য চেষ্টা চালিয়ে যান তিনি।

২০১৫ সালে সুজির নিতম্বে শ্যাম্পেন ঢালার ছবি চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল নেটদুনিয়ায়। যে কোন উপায়ে মেসিকে মুগ্ধ করতে মুখিয়ে থাকেন ব্রাজিলীয় সুজি। এবার ফের এমনই একটা কারণ খুঁজে বের করলেন তিনি।

কোপা দেল রে’র শেষ আটে রিয়াল সোসাইদাদকে ১-০ হারায় বার্সা। যদিও সে ম্যাচে একমাত্র গোল নেইমারের। তবে মেসির এই ভক্ত কোনও বাহানাই হাতছাড়া করতে চান না। তাই একদম অন্যরকমভাবে এই জয় সেলিব্রেট করলেন সুজি। বাথরুমের ভিতর উত্তেজক ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে দিলেন। যেখানে প্রায় নগ্ন অবস্থাতেই দেখা গেল তাকে।

ছবি ক্যাপশনে লেখা, এই ছবি মেসির জন্যই তোলা৷ ইতিমধ্যেই সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে ভাইরাল হয়ে গিয়েছে ছবিটি। মেসির চোখে কি সুজির এই নয়া পোজ ধরা পড়েছে কিনা সেই উত্তর এখনও অজানা। তবে সুজিকে যে তিনি একেবারেই পছন্দ করেন না, তাকে ব্লক করেই তা বুঝিয়ে দিয়েছেন এই ফুটবল তারকা।

মিশা সওদাগরের নায়িকা শাবনূর, ছবির প্রযোজক গায়ক আসিফ!

77950রূপালি পর্দায় জনপ্রিয় অভিনেতা মিশা সওদাগরকে সাত শতাধিক চলচ্চিত্রে দাপুটে খল-অভিনেতা হিসেবে দেখা গেছে। মজার ব্যাপার হচ্ছে, ক্যারিয়ারের দীর্ঘ দুই যুগ পর এবার তাকে দেখা যাবে নায়ক হিসেবে। আর নায়িকা হিসেবে রূপালি পর্দায় অভিনয় করবেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী শাবনূর।

মিশা-শাবনূর জুটি বেঁধে ‘বাপের দোয়া কি কম দামি’ শিরোনামের একটি ছবিতে অভিনয় করতে যাচ্ছেন। ছবিটি পরিচালনা করবেন সুমন দে। আর প্রযোজনা করবেন কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর।

নির্মাতা সুমন দে বলেন, ‘এ ছবিতে মিশা সওদাগর অভিনয় করবেন এটি চূড়ান্ত। তার নায়িকা হিসেবে শাবনূরের কথা ভাবা হয়েছে। শাবনূর এখন অস্ট্রেলিয়ায় আছেন। তার সঙ্গে মুঠোফোনে প্রাথমিক কথা হয়েছে। তিনি ছবিতে কাজ করার আগ্রহ দেখিয়েছেন। দেশে ফেরার কথা জানিয়েছেন ফেব্রুয়ারিতে। তখনই তার সঙ্গে চুক্তির আনুষ্ঠানিকতা হবে।’

সুমন দে আরো বলেন, ‘যদি কোনো কারণে শাবনূরকে আমরা এই ছবিতে না পাই, তবে দ্বিতীয় চয়েজ রেখেছি কলকাতার ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকে।’

মিশা বলেন, ‘ছবির গল্পটি আমি শুনেছি। দুর্দান্ত লেগেছে আমার কাছে। আর প্রযোজনায় থাকছে আমাদের সবার প্রিয় আসিফ। তাই আমি কাজটি করতে রাজি হয়েছি। শনিবার রাতে এ বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছি। সামনে শিল্পী সমিতির নির্বাচন শেষে এ ছবির কাজ শুরু করো।’

আসিফ বলেন, ‘ছবির চিত্রনাট্য তৈরি এবং চরিত্র বিন্যাস নিয়ে ভাবছি। পরিবারের প্রধান কর্তা বাবাকে কেন্দ্র করে তৈরি হবে আমার প্রযোজিত প্রথম ছবি। আপাতত কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করবেন মিশা ভাই। তাকে চূড়ান্ত করা হয়েছে। বাকিগুলো কিছুদিনের মধ্যে ঠিক করে ফেলব।’

নির্মাতা সুমন দে আশা প্রকাশ করেছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী মার্চেই ‘বাপের দোয়া কি কম দামি’ ছবির নির্মাণ কাজ শুরু হবে।

শাহরুখ খানের মেয়ের সঙ্গে ডেটিং করতে যে নিয়ম মানতে হবে

78049সুপার স্টার শাহরুখ খানের মেয়ে সুহানা এখন বলিউডের সবচেয়ে জনপ্রিয় সেলিব্রিটি কিডসের মধ্যে একজন। অনেক যুবকই সুহানার সঙ্গে ডেটিং-এর স্বপ্ন দেখেন। কিন্তু সুহানার সঙ্গে ডেটিং-এ যাওয়া মোটেই সহজ নয়। সুহানার সঙ্গে ডেট-এ যেতে গেলে মেনে চলতে হবে সাতটা নিয়ম। এই সাতটা নিয়ম অবশ্য সুহানার তৈরি নয়। বরং খোদ শাহরুখই তৈরি করে দিয়েছেন এই নিয়মগুলি। সম্প্রতি দেশটির একটি পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, সুহানার সঙ্গে প্রেম করা অত সহজ নয়। তার বক্তব্য, তার মেয়ের বয়ফ্রেন্ডকে মানতে হবে এই সাতটি নিয়ম-

১. ছেলেটির চাকরি থাকতে হবে।
২. তাকে এটা বুঝতে হবে যে, আমি অর্থাৎ শাহরুখ খান, তাকে একেবারেই পছন্দ করি না।
৩. জানতে হবে যে, আমি সর্বক্ষণ তার উপর নজর রাখছি।
৪. সে যেন এক জন উকিলের সঙ্গে সব সময়ে যোগাযোগ রাখে। কারণ যে কোন মুহূর্তে তাকে আইনি ঝামেলায় পড়তে হতে পারে।
৫. তাকে মনে রাখতে হবে যে, সুহানা আমার রাজকন্যা, সে তাকে আমার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিতে পারেনি।
৬. যদি সুহানাকে সে বিরক্ত করে, তা হলে আমি জেলে যেতেও প্রস্তুত।
৭. ছেলেটি সুহানার সঙ্গে যেমন আচরণ করবে, আমার কাছ থেকেও সে তেমন আচরণই পাবে। সূত্র: এবেলা।

Developed by: