সর্বশেষ

মুসলিমদের দানের জমিতে হবে বিশ্বের বৃহত্তম হিন্দু মন্দির

বিহার, ২০ মে- সাম্প্রদায়িকতার গুমোট আবহে সম্প্রীতির খোলা হাওয়া। গেরুয়া শিবিরের নানা সাম্প্রদায়িক উস্কানিকে যখন দেশজুড়ে একের পর এক বিতর্ক, তখনই ভারতের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য নজির গড়ল বিহারের মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা। বিশ্বের বৃহত্তম মন্দির তৈরির জন্য জমি দান করলেন প্রায় ৪০টি মুসলিম পরিবার। পূর্ব চম্পারনে মূল রাস্তার ধারে তাঁদের দান করা জমিতেই তৈরি হবে সুবিশাল হিন্দু মন্দির।

বিশ্বের বৃহত্তম মন্দিরটি নির্মাণের কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে। মন্দির প্রাঙ্গন এতটাই বড় করা হবে যে, ২০ হাজার মানুষ একসঙ্গে বসতে পারবেন। এহেন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে স্বাভাবিক ভাবেই খুশির হাওয়া বিহার প্রশাসনে। পাটনার মহাবীর মন্দির ট্রাস্টের সচিব আচার্য কিশোর কুণালের কথায়, ‘মুসলিমরা শুধু জমি দানই করছেন না, বিশ্বের বৃহত্তম মন্দির তৈরির জন্য আরও প্রয়োজনীয় জমিও তাঁরা খুব সামান্য অর্থেই দিচ্ছেন। মুসলিম সম্প্রদায়ের সাহায্য ছাড়া এই স্বপ্নের প্রকল্প বাস্তব হওয়া সম্ভব ছিল না।’

হিন্দু মন্দির তৈরিতে মুসলিম সমাজের অভূতপূর্ব সাড়ায় অবাক মন্দিরের অছি পর্ষদ। পর্ষদের সদস্যদের বক্তব্য, মুসলিমরা পাশে না দাঁড়ালে কোনও দিনই মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু করা যেত না।

প্রায় ২০০ একর জমির উপর ওই মন্দিরটি তৈরি করতে খরচ পড়ছে ৫০০ কোটি টাকা। মন্দিরের উচ্চতা হবে আড়াই হাজার ফুট। চওড়ায় ১ হাজার ৩০০ ফুট। কুণালের কথায়, ‘যেহেতু প্রায় নেপাল সীমান্তের কাছে এই মন্দির তৈরি হচ্ছে, তাই মন্দিরটি আর্থকোয়েক প্রুফ করা হচ্ছে।’ মোট প্রয়োজনীয় জমির ৫০ একর দান করেছে হিন্দু ও মুসলিমরা। বাকি জমি কেনা হচ্ছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button