By using this site, you agree to the Privacy Policy and Terms of Use.
Accept
বাসিয়াবাসিয়াবাসিয়া
  • সর্বশেষ
  • স্থানীয় সংবাদ
    • সিলেট
    • সুনামগঞ্জ
    • মৌলভীবাজার
    • হবিগঞ্জ
  • সারাদেশ
  • খেলাধুলা
  • প্রযুক্তি
  • ভিডিও
  • অনান্য
    • শিল্প ও সাহিত্য
    • বিনোদন
    • ছবি গ্যালারি
    • স্বাস্থ্যবিধি
    • জীবন যাপন
    • বই পত্র
    • ব্যক্তিত্ব
    • লেখালেখি
    • শিক্ষা
    • সফল ব্যক্তিত্ব
    • সংগঠন সংবাদ
  • বাসিয়া পরিবার
  • বিশ্ব
    • আমেরিকা
    • ইউরোপ
    • এশিয়া
    • মধ্যপাচ্য
Reading: ইতিহাস ও ঐতিহ্যের আয়নায় দক্ষিণ সুরমা ফকির ইলিয়াস
Share
Notification Show More
Font ResizerAa
বাসিয়াবাসিয়া
Font ResizerAa
  • সর্বশেষ
  • স্থানীয় সংবাদ
    • সিলেট
    • সুনামগঞ্জ
    • মৌলভীবাজার
    • হবিগঞ্জ
  • সারাদেশ
  • খেলাধুলা
  • প্রযুক্তি
  • ভিডিও
  • অনান্য
    • শিল্প ও সাহিত্য
    • বিনোদন
    • ছবি গ্যালারি
    • স্বাস্থ্যবিধি
    • জীবন যাপন
    • বই পত্র
    • ব্যক্তিত্ব
    • লেখালেখি
    • শিক্ষা
    • সফল ব্যক্তিত্ব
    • সংগঠন সংবাদ
  • বাসিয়া পরিবার
  • বিশ্ব
    • আমেরিকা
    • ইউরোপ
    • এশিয়া
    • মধ্যপাচ্য
Have an existing account? Sign In
Follow US
  • Advertise
© 2022 Foxiz News Network. Ruby Design Company. All Rights Reserved.
- Advertisement -
শিল্প ও সাহিত্য

ইতিহাস ও ঐতিহ্যের আয়নায় দক্ষিণ সুরমা ফকির ইলিয়াস

Last updated: July 27, 2014 6:42 pm
12 years ago
10 Min Read
SHARE

27-7-3আমার একটা অহংকার আছে। তা হলো আমি সিলেটে জন্মেছি। জন্মেছি হজরত
শাহলালাল (র.) এঁর মাটিতে। দক্ষিণ সুরমা এলাকা একসময় সিলেট সদরের অধীন ছিল। সময়ের বিবর্তনে নতুন উপজেলা হয়েছে। সুরমা নদী বিভক্ত করেছে উত্তর সিলেট-দক্ষিণ সিলেট। আর সুরমার দক্ষিণ জনপদেই গড়ে উঠেছে এই উপজেলা।
বলে রাখি, মোহাম্মদ নওয়াব আলী আমার অনুজপ্রতিম। আমরা বেড়ে উঠেছি একই এলাকায়। তাই তার সাহিত্য-সংস্কৃতি ভাবনা ও কর্মযজ্ঞ আমার খুব পরিচিত।
‘দক্ষিণ সুরমার ইতিহাস ও ঐতিহ্য’ বিষয়ে একটি বই করতে আগ্রহী- তা আমি জেনেছিলাম মোহাম্মদ নওয়াব আলীর কাছ থেকে কয়েকবছর আগেই।
মোহাম্মদ নওয়াব আলী ‘মাসিক বাসিয়া’ সম্পাদক। বাসিয়া নদী বয়ে গেছে আমার বাড়ীর পূর্ব দিয়েই। আমি যেটুকু লেখালেখি করি তার ঋণ ঐ বাসিয়া নদীর কাছেই।
ঐ বাসিয়া নদীই আমাকে কবি হতে শিখিয়েছে। শত শত বাউল গান লিখতে সাথী হয়েছে।
মোহাম্মদ নওয়াব আলী যে কাজটি করেছেন- তা শিকড়ের সন্ধান। ‘দ্যা রুটস’ এর লেখক এ্যলেক্স হ্যালি’র কথা আমরা জানি। না- শিকড়ের সন্ধান ছাড়া কোনো মানুষই তার আত্মানুসন্ধান করতে পারে না।
৪৮০ পৃষ্টার ‘দক্ষিণ সুরমার ইতিহাস ও ঐতিহ্য’ বইটি সম্পাদনা করে এই তরুণ সম্পাদক সেই গুরু দায়িত্বটি পালন করেছেন।27-7-4
মোট ১৫ টি অধ্যায় রয়েছে এই দলিলগ্রন্থটিতে। গ্রন্থটির প্রথম অধ্যায়ে রয়েছে সংশ্লিষ্ট উপজেলা গঠনের ইতিবৃত্ত, ঐতিহাসিক ও পরিসংখ্যানসহ ভৌগলিক বিবরণ। উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮ এর ৩ (২) ধারা বলে ২১ মার্চ, ২০০৫ সালে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা গঠিত হয়। সিলেট সদর উপজেলার সতেরোটি ইউনিয়ন থেকে নয়টি ইউনিয়ন নিয়ে উক্ত উপজেলা গঠিত হয়। পরে নতুন ইউনিয়ন গঠনের প্রজ্ঞাপন অনুসারে কামালবাজার ইউনিয়ন উক্ত উপজেলার অন্তর্ভূক্ত হয়। ফলে মোল্লারগাঁও, বরইকান্দি, তেতলী, কুচাই, সিলাম, লালাবাজার, জালালপুর, মোগলাবাজার, দাউদপুর ও কামালবাজার এই দশটি ইউনিয়ন নিয়ে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা গঠিত। মোগলাবাজার ইউনিয়নের নৈখাই নামক স্থানে উপজেলার সদরদপ্তর স্থাপন করা হয়েছে। উক্ত উপজেলায় দক্ষিণ সুরমা ও মোগলাবাজার নামে দুটি থানা (পুলিশ স্টেশন) এবং দক্ষিণ সুরমা থানার  অধীনে সিটি কর্পোরেশনের তিনটি ওয়ার্ড রয়েছে। এই অধ্যায়ে উপজেলার মানচিত্র, প্রশাসনিক ভবনের ছবি, বিভিন্ন পরিসংখ্যান, বিভিন্ন ইউনিয়নের মানচিত্রসহ বিভিন্ন পরিসংখ্যান এবং তিনটি ওয়ার্ডের বিশদ বিবরণ ও তথ্যাদি সন্নিবেশিত করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদেরও নামের তালিকা ও সময়কাল প্রদত্ত হয়েছে। এক কথায়, ইউনিয়নসমূহ ও ওয়ার্ডসহ উপজেলার সম্যক পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে।
দ্বিতীয় অধ্যায়ে দশটি ইউনিয়ন ও তিনটি সিটি ওয়ার্ডের মানচিত্রসহ পূর্ণ পরিচিতি দেওয়া হয়েছে। ইউনিয়নওয়ারী প্রদত্ত পরিসংখ্যান ও ২৫, ২৬ ও ২৭নং ওয়ার্ডের পরিসংখ্যানসহ পূর্ণ পরিচিতি পাঠককে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করবে।
তৃতীয় অধ্যায়ে উপজেলার ইউনিয়ন ভিত্তিক গ্রাম ও মৌজার তালিকা, নদী, খালবিল, জলমহাল, টিলা, হাটবাজার সমূহ, সিটি ওয়ার্ড সমূহের গ্রামের তালিকা প্রদত্ত হয়েছে। সুরমা, বাসিয়া ও বড়ভাগা- উপজেলার এই তিনটি নদীর উৎপত্তি ও অবস্থান সম্পর্কে এই অধ্যায়ে সুন্দর তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে। এই উপজেলার ত্রিশটি বিল ও দশটি জলমহালের তালিকাও উল্লেখিত আছে।
চতুর্থ অধ্যায়ে রয়েছে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডভিত্তিক মসজিদ, মন্দির, গির্জার তালিকা, মুক্তিযুদ্ধে দক্ষিণ সুরমার বিভিন্ন এলাকার ভূমিকা ও গণকবর সম্পর্কিত তথ্য।
পঞ্চম অধ্যায়ে দক্ষিণ সুরমার ঐতিহাসিক নিদর্শন ও স্থানের বর্ণনা রয়েছে। দক্ষিণ সুরমা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
গ্রন্থের ষষ্ঠ অধ্যায়ে দক্ষিণ সুরমা উপজেলার বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্বনামধন্য ব্যক্তিবর্গের বিস্তৃত বিবরণ রয়েছে। প্রথমে শহিদ বুদ্ধিজীবী ও শহিদ মুক্তিযোদ্ধা একুশজনের তালিকা ও তাদের সংক্ষিপ্ত জীবনালেখ্য তথা মূল্যবান তথ্য সরবরাহ করা হয়েছে, যা মর্মান্তিক ও স্বাধীনতাযুদ্ধে গৌরবজনক শাহাদতের স্বাক্ষর বহন করে। এই একুশজনের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক শহিদ বুদ্ধিজীবী ড. আবদুল মুক্তাদিরের নামও রয়েছে।
২৫ মার্চ, ১৯৭১ রাত্রে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী তাঁকে ধরে নিয়ে রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে হত্যা করে। তিনি দক্ষিণ সুরমার সিলাম ইউনিয়নের পশ্চিমপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। অন্যান্য বিশজন শহিদ বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে গৌরবজনক ভূমিকা পালন করে শাহাদত বরণ করেন। গ্রন্থের লেখক তাঁদের সম্পর্কে তথ্যাদি সংগ্রহ করে গ্রন্থিত করার কারণে গ্রন্থের গুরুত্ব অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই অধ্যায়ে ইউনিয়নওয়ারী ও তিন ওয়ার্ডের ২০৭ জন মুক্তিযোদ্ধার তালিকা প্রদত্ত হয়েছে। মোল্লারগাঁও ইউনিয়ন ১৫ জন, বরইকান্দি ইউনিয়ন ১৭ জন, তেতলী ইউনিয়নে ১৮ জন, কুচাই ইউনিয়নে ২৭ জন, সিলাম ইউনিয়নে ৫২ জন, মোগলাবাজার ইউনিয়নে ৪১ জন, দাউদপুর ইউনিয়নে ১৬ জন, কামালবাজার ইউনিয়নে ১০ জন ও তিনটি ওয়ার্ডে ১১ জন। এখানে ২০৭জন মুক্তিযোদ্ধার তালিকা গেজেট ও মুক্তিবার্তা নম্বরসহ গ্রন্থিত হয়েছে।
তাছাড়া গ্রন্থিত হয়েছে শিক্ষক, কবি লেখক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্বের তালিকা ও সংক্ষিপ্ত জীবনালেখ্য। এ বৃত্তান্তে প্রবীণ থেকে বর্তমান প্রজন্মের পরিচিত সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সাহিত্যিকদের নাম রয়েছে। তাছাড়া এই ষষ্ঠ অধ্যায়ে দক্ষিণ সুরমার সাংবাদিকতা, রাজনীতি ও সমাজসেবা, ক্রীড়া, আইন বিচার প্রশাসন, কৃষি শিল্প বাণিজ্য, তথ্যপ্রযুক্তি, উচ্চ পদে কর্মরত, চিকিৎসা ও প্রবাস ইত্যাদি ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্বের সংক্ষিপ্ত পরিচয় গ্রন্থিত হয়েছে।
সপ্তম অধ্যায়ে বর্তমান জনপ্রতিনিধিদের পরিচয় ও কৃতির বিবরণ রয়েছে। তাদের মধ্যে আছেন সংসদ সদস্য, উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ ও ওয়ার্ড কাউন্সিলরবৃন্দ।
গ্রন্থের অষ্টম অধ্যায়ে রয়েছে দক্ষিণ সুরমার একুশটি সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত পরিচয়। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে সিলেট বিভাগীয় সদর দপ্তর, ডিআইজি অফিস, সিলেট শিক্ষাবোর্ড, সিলেট বিসিক শিল্পনগরী, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, দক্ষিণ সুরমা মেট্রোপলিটন থানা, মোগলাবাজার মেট্রোপলিটন থানা, সিলেট পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-১ ইত্যাদি।
নবম অধ্যায়ে রয়েছে দশটি শীর্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও দশম অধ্যায়ে পনেরোটি মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এসবের সংক্ষিপ্ত ইতিহাসসহ অবস্থান ও কার্যক্রমের সংক্ষিপ্ত বয়ান রয়েছে গ্রন্থটিতে।
গ্রন্থের একাদশ অধ্যায়ে রয়েছে ৩৩টি মাদ্রাসার সংক্ষিপ্ত পরিচিতি ও ভৌগলিক অবস্থান। ফাজিল মাদ্রাসা, আলিম মাদ্রাসা, দাখিল মাদ্রাসা, হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও কওমি মাদ্রাসার অসংখ্য ছাত্র ছাত্রী ধর্মীয় ও কার্যকরী শিক্ষা গ্রহণ করছেন।
দ্বাদশ অধ্যায়ে রয়েছে বিভিন্ন রকমের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ইউনিয়নওয়ারী সংখ্যা, অবস্থান ও পরিচিতি। দক্ষিণ সুরমায় ৮৩ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৯টি রেজিস্টার্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১২টি রেজিস্টার্ড (কমিউনিটি) প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৮টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ১৫টি কিন্ডারগার্ডেন শিক্ষা কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট রয়েছে। এসব বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ইতিবৃত্তসহ পরিচালনা কমিটির নামধামসহ বিদ্যালয় সমূহের পরিচিতি পাঠক সমীপে তুলে ধরা হয়েছে।
ত্রয়োদশ অধ্যায়ে ৪টি সংসদ নির্বাচন, একটি উপজেলা নির্বাচন ও ২টি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন এর বিশদ পরিসংখ্যান ও বিবরণ রয়েছে। সংসদ নির্বাচনগুলো ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত, উপজেলা নির্বাচন ২০০৯ সালে ও সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ২০০৩ ও ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত হয়। মার্কাসহ সকল প্রতিযোগির প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যাসহ তালিকা প্রদত্ত হয়েছে।
চতুর্দশ অধ্যায়ে দক্ষিণ সুরমার ওলি, আউলিয়া, ফকির দরবেশ, হযরত শাহজালালের সফর সঙ্গীদের সচিত্র মাজার পরিচিতি ও অন্যান্য দরবেশদের সচিত্র  মাজার পরিচিতি গ্রন্থিত হয়েছে। এই অধ্যায়ে হযরত শাহজালালের ৩২২জন সঙ্গীর তালিকা রয়েছে এবং দক্ষিণ সুরমায় এরূপ ২২ জন আউলিয়ার মাজার রয়েছে। এই মাজারগুলির প্রতিবেদন ও চিত্র রয়েছে গ্রন্থটিতে। তাছাড়া ওলি আউলিয়া বুজর্গদের তালিকায় আরো ৬৮ জনের নাম ও সচিত্র মাজার রয়েছে।
পঞ্চদশ অধ্যায়ে বিবিধ বিষয়ের উল্লেখ রয়েছে বেসরকারি বৃত্তি পরীক্ষা সমূহ রেজি. সমাজকল্যাণ সমিতি, বিভিন্ন সমবায় সমিতি, ব্যাংক ও কমিউনিটি সেন্টারের বিবরণ ও তথ্য সংগ্রহে সহায়তাকারী ও সহায়ক গ্রন্থের বিবরণ।
এই গ্রন্থটি লিখতে কিংবা সম্পাদনা করতে সম্পাদককে যারা বিভিন্নভাবে সহায়তা করেছেন, তাদের নাম এবং সহায়ক গ্রন্থগুলোর তালিকা যুক্ত হয়েছে বইয়ের শেষে।
সুদূর নিউইয়র্কে অনেক মমতায় বইটি আমার কাছে পাঠিয়েছেন সম্পাদক মোহাম্মদ নওয়াব আলী। আমি যখন বইটিতে মনোনিবেশ করেছি, তখনই আমার সামনে ভেসে উঠেছে দক্ষিণ সুরমার পথ-ঘাট, নদী-নালা, ওলী-আউলিয়ার মাজার। আমার কানে বেজে গেছে ফকির শাহ আব্দুল লতিফ কিংবা ফকির আরকুম শাহ এঁর গান।
বলতে পারি, একটি কঠিন কাজ সম্পন্ন করেছেন এই নিষ্ঠাবান সম্পাদক।
বলা দরকার, এই বইটি কারো কারো মতে একটি সম্পূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচিত না-ও হতে পারে। ভুলবশতঃ কিছু তথ্য বাদ পড়তেই পারে। তবে এই বিশাল গ্রন্থটি আগামী দিনের গবেষকদের জন্য একটি মাইলস্টোন হিসেবে বিবেচিত হবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
চাররঙা কালারে চমৎকার প্রচ্ছদ করেছেন কৃতি চিত্রশিল্পী ধ্রুব এষ। প্রকাশক- বাসিয়া প্রকাশনীর পক্ষে মকসুদ আহমদ বাসিত। অঙ্গসজ্জা- মুহাম্মদ লুৎফুর রহমান ও এম ইসলাম। অলোকচিত্র- মো. রিয়াজউদ্দিন ও আজাদুর রহমান সুমন।
মূল্য রাখা হয়েছে- পাঁচশত টাকা। বিলাতে দশ পাউন্ড।
গ্রন্থটি উৎসর্গ করা হয়েছে- সম্পাদকের দাদা মোহাম্মদ কাজিম, পিতা মো. পীর বকস, মাতা আফলাতুন নেসা, চাচা নূর বকস গেদু মিয়া কে। যারা সম্পাদককে দিয়েছেন শিকড়ের সন্ধান।
অফসেট পেপারে ছাপা গ্রন্থটি যে কোনো পাঠকের মন ও সংগ্রাহকের গ্রন্থালয়কে আলোকিত করবে। এটা দুঃখের কথা, সরকারি পর্যায়েও ইতিহাস-ঐতিহ্য ভিত্তিক গ্রন্থগুলো কিনে নিয়ে সরকারি লাইব্রেরীগুলোকে সমৃদ্ধ করতে অনেক কার্পণ্য করা হয়।
এ বিষয়ে সরকারের নীতিনির্ধারকদের সুদৃষ্টি কামনা করছি। বই মানুষকে ঝলমলে জীবনের সন্ধান দেয়। আমি চাইবো, দক্ষিণ সুরমা এলাকা সহ গোটা বাংলাদেশের চিত্তবান-বিত্তবান মানুষেরা এই বইটি কিনে তাদের প্রিয়জনকে উপহার দেবেন। নিজ সংগ্রহে রাখবেন।
লেখক : যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী কবি ও প্রাবন্ধিক

You Might Also Like

ঈদুল আদ্বহা আত্মত্যাগের এক বিরল উপমা || মুফতি সাদিকুর রহমান খাদিমানী
শুরু হয়েছে হজের আনুষ্ঠানিকতা
বৈমানিক মো. আবদুল বাসিত মাহতাব
হিজরি নববর্ষ ও আশুরার তাৎপর্য ।। মুফতি সাদিকুর রহমান খাদিমানী
জাতীয় কবি নজরুলের জন্মদিন আজ
Previous Article দক্ষিণ সুরমার সুরটা কেমন? আলম তালুকদার
Next Article শহিদ বুদ্ধিজীবী ড. আব্দুল মুক্তাদির
Leave a Comment

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You Might Also Like

জালালপুর

12 years ago

আবার বাজবে সিলেটের ঐতিহ্যের সেই ঘন্টা

11 years ago

কিনব্রিজ

12 years ago

বিশ্বনাথ আমার অহংকার :: আফিয়া বেগম শিরি ::

6 years ago
about us

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোহাম্মদ নওয়াব আলী
প্রধান উপদেষ্টা: আব্দুল বারী
প্রধান সম্পাদক : মতিয়ার চৌধুরী
শিল্প নির্দেশক: সুভাস চন্দ্র নাথ
সামসুদ্দীন হাউস, স্টেশন রোড, সিলেট। ফোন: ০১৭১১৪৮৪৬৬৮ ইমেইল : bashia71@gmail.com

Find Us on Socials

© Bashia24.com. All Rights Reserved.
Welcome Back!

Sign in to your account

Username or Email Address
Password

Lost your password?