By using this site, you agree to the Privacy Policy and Terms of Use.
Accept
বাসিয়াবাসিয়াবাসিয়া
  • সর্বশেষ
  • স্থানীয় সংবাদ
    • সিলেট
    • সুনামগঞ্জ
    • মৌলভীবাজার
    • হবিগঞ্জ
  • সারাদেশ
  • খেলাধুলা
  • প্রযুক্তি
  • ভিডিও
  • অনান্য
    • শিল্প ও সাহিত্য
    • বিনোদন
    • ছবি গ্যালারি
    • স্বাস্থ্যবিধি
    • জীবন যাপন
    • বই পত্র
    • ব্যক্তিত্ব
    • লেখালেখি
    • শিক্ষা
    • সফল ব্যক্তিত্ব
    • সংগঠন সংবাদ
  • বাসিয়া পরিবার
  • বিশ্ব
    • আমেরিকা
    • ইউরোপ
    • এশিয়া
    • মধ্যপাচ্য
Reading: বিশ্ব ক্রিকেটের নতুন চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড
Share
Notification Show More
Font ResizerAa
বাসিয়াবাসিয়া
Font ResizerAa
  • সর্বশেষ
  • স্থানীয় সংবাদ
    • সিলেট
    • সুনামগঞ্জ
    • মৌলভীবাজার
    • হবিগঞ্জ
  • সারাদেশ
  • খেলাধুলা
  • প্রযুক্তি
  • ভিডিও
  • অনান্য
    • শিল্প ও সাহিত্য
    • বিনোদন
    • ছবি গ্যালারি
    • স্বাস্থ্যবিধি
    • জীবন যাপন
    • বই পত্র
    • ব্যক্তিত্ব
    • লেখালেখি
    • শিক্ষা
    • সফল ব্যক্তিত্ব
    • সংগঠন সংবাদ
  • বাসিয়া পরিবার
  • বিশ্ব
    • আমেরিকা
    • ইউরোপ
    • এশিয়া
    • মধ্যপাচ্য
Have an existing account? Sign In
Follow US
  • Advertise
© 2022 Foxiz News Network. Ruby Design Company. All Rights Reserved.
- Advertisement -
খেলাধুলা

বিশ্ব ক্রিকেটের নতুন চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড

Last updated: July 15, 2019 5:16 pm
7 years ago
14 Min Read
SHARE

ক্রিকেট বিশে^র নতুন চ্যাম্পিয়ন এখন ইংল্যান্ড! বিশ^কাপ ইতিহাসে সুপার ওভারে গড়ানো প্রথম ফাইনাল ম্যাচটি জিতে স্বাগতিক ইংলিশরা মেতে ওঠে স্বপ্নের শিরোপা জয়ে। ২৭ বছর পর ফাইনালে ওঠা দলটি গতকাল রোববার নিউজিল্যান্ডকে পরাজিত করে নিজেদের প্রথম শিরোপার স্বাদ নেয়।
২০১৬ সালের টি-টোয়েন্টি ফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হেরে যাওয়া ম্যাচের শেষ ওভারে বল করছিলেন বেন স্টোকস। জয়ের জন্য ৬ বলে ১৯ রান প্রয়োজন ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের। বেন স্টোকসের ওভারে কার্লেস ব্রাথওয়েট টানা চার বলে চারটি ছক্কা মেরে ম্যাচটি জিতে নেয়। ফলে ফাইনালে গিয়েও শিরোপা অধরা রয়ে যায় ইংল্যান্ডের। সে ম্যাচের পর বেন স্টোকসকে শুনতে হয়েছে দুয়ো বাণী। গতকাল রোববার এই বেন স্টোকসের কল্যাণেই ইংল্যান্ড টিকে থাকে ম্যাচে, শেষ পর্যন্ত শিরোপা হাতে নিয়েই মাঠ ছাড়ে তার দল। ফাইনালে ম্যাচ সেরা হয়েছেন বেন স্টোকস এবং টুর্নামেন্ট সেরা হয়েছেন কেইন উইলিয়ামসন।
উত্তেজনার শেষ পারদও ছুঁয়ে গেছে দ্বাদশ বিশ^কাপ ফাইনাল! গোটা ক্রিকেট বিশ^কে শেষ বল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে ম্যাচের ফলাফল জানতে। বিশ^কাপ মঞ্চে এমন ফাইনালেরই অপেক্ষা করেন ক্রিকেটপ্রেমীরা।
ফাইনালে ‘কিছুটা ভাগ্যের সহায়তা পাওয়া’ ইংল্যান্ডের জয়ে লর্ডস গ্রাউন্ডের ‘মিথ’ও সত্যি হয়ে রইলো। গতকালের আগে লর্ডসে অনুষ্ঠিত ৪টি ফাইনালেই টসে জেতা দলটি পরাজয় বরণ করেছিল। গতকাল রোববার টস জিতে নেয় নিউজিল্যান্ড। কিন্তু দিন শেষে জয়ের হাসি হাসে ইংল্যান্ড।
ঐতিহাসিক লর্ডস গ্রাউন্ডে গতকাল টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে ৮ উইকেটে ২৪১ রান সংগ্রহ করে নিউজিল্যান্ড। জবাবে ৫০ ওভারে সবক’টি উইকেট হারিয়ে ২৪১ রান করে ইংল্যান্ডও। ফলে ম্যাচটি টাই হয়। তাই শিরোপা নির্ধারনের জন্য ম্যাচটি সুপার ওভারে গড়ায়। সেখানেও টাই হয়। তবে নিয়মানুযায়ী সুপার ওভার টাই হওয়াতে, সবচেয়ে বেশি বাউন্ডারি-ওভার বাউন্ডারি করা দল শিরোপা জিতে নিবে। সেক্ষেত্রে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের হাতেই উঠে শিরোপা।
ফাইনালের টস ভাগ্য বরাবরই নিউজিল্যান্ডের পক্ষে থাকে। ২০১৫ বিশ্বকাপের ফাইনালেও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টস জিতেছিলো কিউইরা। টস জিতে ব্যাটিং নিয়ে ৭ উইকেটে ম্যাচ হেরেছিলো নিউজিল্যান্ড। গতকালেরও ফাইনালেও টস লড়াইয়ে জয় পায় কিউইরা। এবারও প্রথমে ব্যাটিং বেছে নেয় নিউজিল্যান্ড। বৃষ্টির কারণে প্রায় ১৫ মিনিট পর শুরু হওয়া ম্যাচে ব্যাট হাতে নেমে ভালো শুরুর পথেই হাটচ্ছিলেন নিউজিল্যান্ডের দুই ওপেনার মার্টিন গাপটিল ও হেনরি নিকোলস। ৬ ওভারে ২৮ রান সংগ্রহ করেন তারা। তবে সপ্তম ওভারে নিউজিল্যান্ড শিবিরে প্রথম আঘাত হানেন ইংল্যান্ড পেসার ক্রিস ওকস। নিজের চতুর্থ ওভারের দ্বিতীয় বলে ১৯ রান করা গাপটিলকে লেগ বিফোর ফাঁদে ফেলেন ওকস। ২টি চার ও ১টি ছক্কায় ১৮ বলে ১৯ রান করে বিদায় নেন গত আসরে এক ইনিংসে বিশ্ব রেকর্ড ২৩৭ অপরাজিত থাকা গাপটিল।
অফÑফর্ম ওপেনারকে হারানোর পর ইনিংস মেরামতের চেষ্টা করেন আরেক ওপেনার নিকোলস ও অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। শুরুতে সতর্কতা অবলম্বন করেন তারা। তবে দ্রুতই উইকেটে সাথে মানিয়ে নিয়ে দলের স্কোর বড় করতে থাকেন এ জুটি।। ২২তম ওভারেই শতরানে পৌঁছে যায় নিউজিল্যান্ড। তখন রান রেট সাড়ে ৪ এর সামান্য বেশি।
দলকে শতরানে পৌঁছে দিয়েই প্যাভিলিয়নে ফিরতে হয় বিশ্বকাপ এক আসরে অধিনায়ক হিসেবে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়া উইলিয়ামসনকে। তবে ইংল্যান্ড অধিনায়ক ইয়ন মরগানের রিভিউতে আউট হন তিনি। ইংল্যান্ড পেসার লিয়াম প্লাংকেটের বলে উইকেটের পেছনে জশ বাটলারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হওয়ার আগে ২টি চারে ৫৩ বলে ৩০ রান করেন তিনি। ৯৮ বল মোকাবেলা করে এই জুটি যোগ করেন ৭৪ রান।
উইলিয়ামসন আউট হওয়ার সময় অন্যপ্রান্তে হাফ-সেঞ্চুরির অপেক্ষায় ছিলেন নিকোলস। পরবর্তীতে হাফ-সেঞ্চুরি তুলেও নেন তিনি। কিন্তু অর্ধশতকের পর নিজের ইনিংসটি বড় করতে পারেননি নিকোলস। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের নবম ও এবারের আসরের প্রথম হাফ-সেঞ্চুরি তুলে শেষ পর্যন্ত ৫৫ রানে থেমে যান তিনি। প্লাংকেটের বলে বোল্ড হবার আগে ৪টি চারে নিজের ৭৭ বলের ইনিংসটি সাজান নিকোলস।
১০৩ ও ১১৮ রানে দুই সেট ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে চাপে পড়ে যায় নিউজিল্যান্ড। এ অবস্থায় দলের হাল ধরার দায়িত্ব বর্তায় দুই মিডল-অর্ডার ব্যাটসম্যান অভিজ্ঞ রস টেইলর ও উইকেটরক্ষক টম লাথামের। দায়িত্ব পালনের জন্য সর্তকর্তা অবলম্বন করেন তারা। দেখেশুনে জুটি বড় করার চেষ্টা করেন টেইলর ও লাথাম। কিন্তু তাদের পথে এবার বাঁধা হয়ে দাঁড়ান ইংল্যান্ডের পেসার মার্ক উড। কোন বাউন্ডারি-ওভার বাউন্ডারি ছাড়া ৩১ বলে ১৫ রান করা টেইলরকে এলবিডব্লু করেন উড। দলীয় ১৪১ রানে চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে প্যাভিলিয়নে ফিরতে হয় টেইলরকে।
এ অবস্থায় জেমস নিশামকে নিয়ে প্রতি আক্রমণের চেষ্টা করেন লাথাম। ইংল্যান্ড বোলারদের উপর চড়াও হবার চেষ্টা করেন এ জুটি। যাতে উল্টো চাপে পড়ে যায় ইংল্যান্ডের বোলাররা। চাপে পড়েও গিয়েছিলো স্বাগতিক বোলাররা। বলের সাথে পাল্লা দিয়েই রান তুলছিলেন লাথাম-নিশাম। তবে ৩৯তম ওভারের শেষ বলে নিজের ভুল শটে আউট হয়ে যান নিশাম। প্লাংকেটের ডেলিভারিটি মিড-অনের উপর দিয়ে মারতে গিয়ে ৩০ গজের ভেতর দাঁড়িয়ে থাকা জো রুটকে ক্যাচ দেন নিশাম। ৩টি চারে ২৫ বলে ১৯ রান করে প্লাংকেটের তৃতীয় শিকার হন নিশাম।
৩৯তম ওভারের শেষ বলে দলীয় ১৭৩ রানে পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন নিশাম। বড় স্কোরের আশা শেষ হয়ে যাওয়ায় দলকে লড়াই করার পুঁিজ এনে দেয়ার পরিকল্পনা কষেন লাথাম ও সাত নম্বরে নামা কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম। এজন্য ওভার প্রতি ছয় করে রান তুলতে থাকেন তারা। এমন অবস্থায় ২শ পেরিয়ে আড়াইশ’র স্বপ্ন দেখছিলো নিউজিল্যান্ড। কিন্তু গ্র্যান্ডহোমকে থামিয়ে দিয়ে এই জুটির স্বপ্নকে ধুলিসাৎ করে দেন ওকস। ২৮ বলে ১৬ রান করেন গ্র্যান্ডহোম। লাথামের সাথে ষষ্ঠ উইকেটে ৪৭ বলে ৪৬ রান যোগ করেন গ্র্যান্ডহোম।
একই ওভারে ফিরে যান লাথামও। ফলে আড়াইশ রান স্পর্শ করার শেষ আশাটুকুও শেষ হয়ে যায় নিউজিল্যান্ডের। ২টি চার ও ১টি ছক্কায় ৫৬ বলে ৪৭ রান করেন লাথাম। তাকে ফিরিয়েছেন ইংল্যান্ডের পেসার ওকস। এরপর ইনিংসের বাকী ৯ বলে ৯ রানের বেশি করতে পারেনি নিউজিল্যান্ড। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৪১ রানের সংগ্রহ পায় নিউজিল্যান্ড। ইংল্যান্ডের ওকস ৩৭ রানে ও প্লাংকেট ৪২ রানে ৩ উইকেট নেন।
সেমিফাইনালে ভারতকে জয়ের জন্য ২৪০ রানের টার্গেট দিয়েছিলো নিউজিল্যান্ড। পরবর্তীতে সেই ম্যাচ ১৮ রানে জিতেছিলো কিউইরা। ফাইনালে ইংল্যান্ডকে জয়ের জন্য ২৪২ রানের লক্ষ্যমাত্রা ছুঁড়ে দেয় নিউজিল্যান্ড। এমন পুঁিজতেও লড়াই করার সাহস করেছে নিউজিল্যান্ড। কারণ ভারতকে হারানোর আত্মবিশ্বাস ভরপুর ছিলো কিউই বোলারদের। তবে ইংল্যান্ড ইনিংসের প্রথম বলেই উইকেট প্রায় তুলেই নিয়েছিলেন বোল্ট। ইংল্যান্ড ওপেনার জেসন রয়কে লেগ বিফোর ফাঁেদ ফেলেন নিউজিল্যান্ডের বাঁ-হাতি পেসার ট্রেন্ট বোল্ট। কিন্তু রয়ের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের বোলার-ফিল্ডারদের আউটের আবেদনে সাড়া দেননি নন-স্ট্রাইকে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকার আম্পায়ার মারাইস এরাসমাস। এতে রিভিউ নেন কিউই দলপতি। পরে রিভিউতে দেখা যায় আম্পায়ারস কল-এ বেঁচে যান রয়। এরপর ইংল্যান্ড শিবিরে প্রথম আঘাত হানতে ষষ্ঠ ওভার পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয় নিউজিল্যান্ডকে।
শুরুটা ভালো করার চেষ্টায় প্রথম ৫ ওভারে ২৪ রান তোলেন ইংল্যান্ডের দুই ওপেনার জেসন রয় ও জনি বেয়ারস্টো। ষষ্ঠ ওভারের দ্বিতীয় ওভারে বাউন্ডারি হাকান রয়। তবে ঐ ওভারের চতুর্থ বলে আউট হয়ে যেতে হয় তাকে। হেনরির বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে থামা রয় ২০ বলে ৩টি বাউন্ডারিতে ১৭ রান করেন।
দলীয় ২৮ রানে রয়ের পতনের পর ক্রিজে যান ইংল্যান্ডের ইনফর্ম ব্যাটসম্যান জো রুট। এ ম্যাচের আগে ব্যাট হাতে এবারের আসরে ৫৪৯ রান করেছিলেন তিনি। গতকালও তার দিকে চেয়েছিলো ইংল্যান্ড শিবির। কিন্তু রুটকে ব্যর্থতার স্বাদ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরান নিউজিল্যান্ডের গ্র্যান্ডহোম। উইকেটে সেট হবার জন্য অনেক বল নষ্ট করেছেন রুট। ৩০ বলে মাত্র ৭ রান করেন এই ডান-হাতি ব্যাটসম্যান।
রুট ধীরস্থির থাকলেও ইংল্যান্ডের রানের চাকা সচল রেখেছিলেন অন্যপ্রান্তে থাকা বেয়ারস্টো। তবে বড় ইনিংস খেলতে পারেননি তিনি। দারুন এক ডেলিভারিতে বেয়ারস্টোর উইকেট উপড়ে ফেলেন ফার্গুসন। ৭টি চারে ৫৫ বলে ৩৬ রান করেন তিনি। দলীয় ৭১ রানে বেয়ারস্টোর ফেরাতে চাপ অনুভব করতে শুরু করে ইংল্যান্ড। কিছুঁক্ষণ বাদেই ইংল্যান্ডের উপর চাপ আরো বেড়ে যায়।
১৫ ওভার শেষে ১ উইকেটে ৫৬ রান তোলে ইংল্যান্ড। এ অবস্থায় ১৬ ওভার থেকে ২৩ ওভার পর্যন্ত দু’প্রান্ত দিয়ে বোলিং করেন গ্র্যান্ডহোম-ফার্গুসন। দু’জনে ৭ ওভার একত্রে বল করে ৩০ রান দিয়ে ২ উইকেট তুলে নেন। তারপরও ২৪তম ওভারে ফার্গুসনকে সরিয়ে আচমকা বল হাতে নিশামকে আক্রমণে আনেন নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক উইলিয়ামসন।
আক্রমণে এসেই নিজের প্রথম বলেই উইকেট তুলে নেন নিশাম। উইকেটটি ছিলো ইংল্যান্ড অধিনায়ক ইয়ন মরগানের। উইকেটে গিয়ে সময় নিয়ে সেট হবার চেষ্টা করেছিলেন মরগানও। তাই ২২ বল মোকাবেলা করে ৯ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। ফার্গুসনের দুর্দান্ত ক্যাচে শেষ হয় মরগানের ইনিংস। এতে ৮৬ রানেই চতুর্থ উইকেট হারিয়ে বসে ইংল্যান্ড। এ অবস্থায় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরিভাবে নিয়ে নেয় নিউজিল্যান্ড।
নিউজিল্যান্ডের নিয়ন্ত্রন ও ইংল্যান্ডের চাপের মাঝে ২২ গজে ব্যাট হাতে জুটি বাঁেধন স্বাগতিক ব্যাটসম্যান বেন স্টোকস ও উইকেটরক্ষক জশ বাটলার। ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝে খেলতে থাকেন স্টোকস-বাটলার। তবে সর্তকর্তার সাথেই। সেটির প্রমান মিলে ২৫ থেকে ৪০ ওভার পর্যন্ত। এসময় মাত্র ৬টি বাউন্ডারি মারেন তারা। ফলে ৪০ ওভার শেষে ইংল্যান্ডের রান গিয়ে দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ১৭০। শেষ দশ ওভারে ৭২ রান প্রয়োজন পড়ে ইংলিশদের। এ সময় বাটলার ৪২ ও স্টোকস ৪৩ রানে অপরাজিত ছিলেন।
কিছুঁক্ষণ পর নিজেদের ওয়ানডে ক্যারিয়ারের হাফ-সেঞ্চুরির স্বাদ নেন স্টোকস-বাটলার। দু’জনেরই ২০তম হাফ-সেঞ্চুরি পান। হাফ-সেঞ্চুরির মাঝেই ১২৬ বলে জুটিতে শতরান পূর্ণ করেন স্টোকস-বাটলার। দু’ব্যাটসম্যানের হাফ-সেঞ্চুরি ও জুটিতে শতরানের কল্যানে ৪৪ ওভার শেষে ৪ উইকেটে ১৮৯ রান করে ইংল্যান্ড। ফলে শেষ ৬ ওভারে ৫৩ রান দরকার পড়ে ইংলিশদের। এমন সময় ৪৫তম ওভারে নিউজিল্যান্ডকে দারুন এক ব্রেক-থ্রু এনে দেন ফার্গুসন। ঐ ওভারের দ্বিতীয় বলে বাউন্ডারি মারেন বাটলার। পঞ্চম বলে আবারো বাউন্ডারির জন্য সজোরে ব্যাট চালিয়েছিলেন বাটলার। কিন্তু তার নেয়া শটে বল আকাশে উঠে যায়। ডিপ কভারে দক্ষতার সাথে ছুঁটে গিয়ে ক্যাচ লুফে নেন দ্বাদশ খেলোয়াড় টিম সাউদি। ফলে ৬টি চারে ৬০ বলে ৫৯ রানে থামে বাটলারের দায়িত্বপূর্ণ ইনিংস। পঞ্চম উইকেটে ১২৯ বলে ১১০ রান যোগ করেন বাটলার-স্টোকস।
বাটলার যখন ফিরেন তখন জয় থেকে ৪৬ রান দূরে ইংল্যান্ড। বল বাকী ছিলো ৩১টি। এ সময় ক্রিজে স্টোকসের সঙ্গী হন টেল-এন্ডার ব্যাটসম্যান ওকস। ওকসকে বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকতে দেননি ফার্গুসন। ইনিংসের ৪৭ ও নিজের শেষ ওভারের প্রথম বলে ওকসকে ২ রানে আউট করেন ম্যাচে তৃতীয় উইকেট শিকার করেন ফার্গুসন। এরপর ঐ ওভার থেকে ৫ রান পায় ইংল্যান্ড। এরমধ্যে নতুন ব্যাটসম্যান লিয়াম প্লাংকেটের একটি বাউন্ডারি ছিলো। ফলে শেষ ১৮ বলে জয়ের সমীকরন ৩৪ রানে নেমে আসে ইংলিশদের।
বোল্টের করা ৪৮তম ওভার থেকে ১টি বাউন্ডারিতে ১০ রান তুলে নেন স্টোকস-প্লাংকেট। জয়ের সমীকরন তখন দাড়ায় ১২ বলে ২৪ রান। ৪৯তম ওভারে নিশামের প্রথম দু’বল থেকে ২ রান পায় ইংল্যান্ড। তৃতীয় ডেলিভারিতে প্লাংকেটকে বিদায় দেন নিশাম। বোল্টকে ক্যাচ দিয়ে ১০ রানে থামেন প্লাংকেট। চতুর্থ ডেলিভারিতে ছক্কা মেরে উত্তেজনা তৈরি করেন স্টোকস। পঞ্চম বলে ১ রান নিয়ে নবম ব্যাটসম্যান জোফরা আর্চারকে স্ট্রাইক দেন স্টোকস। কিন্তু ঐ ওভারের শেষ বলে আর্চারকে শুন্য রানে বোল্ড করেন নিশাম। এমন অবস্থায় শেষ ৬ বলে ১৫ রান দরকার পড়ে ইংল্যান্ডের।
বিশ্বকাপের ও ম্যাচের শেষ ওভার বোলিং করতে আসেন বোল্ট। প্রথম দুই বলে কোন রানই নিতে পারেনি স্বাগতিকরা। তৃতীয় বলে মিড-উইকেট দিয়ে ছক্কা মারেন স্টোকস। চতুর্থ বলে ঐ একই জায়গা দিয়ে মেরেছিলেন তিনি। কিন্তু বল মাটি কামড়ে গাপটিলের হাতে পৌছায়। গাপটিল বল ছুঁড়ে মারেন উইকেটরক্ষকের দিকে, কারন দু’রানের জন্য স্ট্রাইকে ছুঁটছিলেন স্টোকস। কিন্তু গাপটিলের থ্রো করা বল স্টোকসের গায়ে লেগে বাউন্ডারি স্পর্শ করে। ফলে এই বল থেকে দৌড়ে ২ ও ওভার-থ্রোতে ৪ রান নিয়ে মোট ৬ রান পায় ইংল্যান্ড। তাই শেষ ২ বলে ৩ রান দরকার পড়ে ইংল্যান্ডের। পঞ্চম বলে ২ রান নিতে গিয়ে রান আউট হন আদিল রশিদ। ফলে ১ রান পায় ইংল্যান্ড। তাই শেষ বলে ২ রান প্রয়োজন পড়ে ইংল্যান্ডের। শেষ বলে ২ রানের জন্য ছুঁটে রান আউট হন মার্ক উড। ফলে ১ রান পায় ইংল্যান্ড। ম্যাচটি হয় টাই। এতে নিয়মনুযায়ী শিরোপা নির্ধারনের জন্য ম্যাচটি সুপার ওভারে গড়ায়। ওয়ানডে বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই প্রথম কোন ম্যাচ সুপার ওভারে গড়ালো। স্টোকস ৫টি চার ও ২টি ছক্কায় ৯৮ বলে অপরাজিত ৮৪ রান করেন। নিউজিল্যান্ডের ফার্গুসন ও নিশাম ৩টি করে উইকেট নেন।
সুপার ওভারে প্রথমে ব্যাট করতে নামে ইংল্যান্ড। ব্যাট হাতে নামেন ইংল্যান্ডের বাটলার ও স্টোকস। দু’জনই ঐ ইনিংসে হাফ-সেঞ্চুরি করেছিলেন। বাটলার ৫৯ ও স্টোকস ৮৪ রানে অপরাজিত ছিলেন। সুপার ওভারের প্রথম বলে ৩ রান নেন স্টোকস, পরের বলে ১ রান নেন বাটলার, তৃতীয় বলে বাউন্ডারি মারেন স্টোকস, চতুর্থ বলে ১ রান নিয়ে বাটলারকে স্ট্রাইক দেন স্টোকস। ফলে ৪ বলে ৯ রান পায় ইংল্যান্ড। পঞ্চম বলে ২ রান ও শেষ বলে বাউন্ডারি মারেন বাটলার। ফলে ১ ওভারে ১৫ রান সংগ্রহ পায় ইংল্যান্ড। ম্যাচ জিততে ১৬ রানের টার্গেট পায় নিউজিল্যান্ড।
জবাবে ইংল্যান্ডের পেসার আর্চারের প্রথম ৫ বল থেকে ১৪ রান তুলে ফেলেন নিউজিল্যান্ডের ওপেনার নিশাম। শেষ বলে জয়ের জন্য ২ রান দরকার পড়ে কিউইদের। শেষ বলে ২ রান নিতে গিয়ে রান আউট হন গাপটিল। সুপার ওভারও টাই হয়। ফলে ম্যাচে সবচেয়ে বেশি বাউন্ডারি- ওভার বাউন্ডারি মারার কারনে শিরোপা জিতে নেয় ইংল্যান্ড।

You Might Also Like

জন্মদিনে মেসিকে নিয়ে গান, সতীর্থদের উদযাপন
আমলার আপত্তি! ‘খাটো’ পোশাক বদলাতে হল মহিলা সঞ্চালককে
শৃঙ্খলাভঙ্গের জন্য বিশ্বকাপ ‘শেষ’ আল-আমিনের
সেঞ্চুরি যাদের উৎসর্গ করলেন মাহমুদউল্লাহ
গৌরবের ড্র খুলনায়
Previous Article আমস্টার্ডামে বাংলাদেশিদের ঈদপূনর্মিলনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্টান অনুষ্ঠিত
Next Article জনসেবার জন্য সম্মানজনক ‘ডক্টরেট’ উপাধি পাচ্ছেন শাহরুখ
Leave a Comment

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You Might Also Like

আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন শ্রীশান্ত!

11 years ago

এবারো শিরোপার লক্ষ্য মাশরাফির

12 years ago

৭০ বছর আগে ফুটবল খেলতেন অর্থমন্ত্রী

11 years ago

শ্রীলংকা-পাকিস্তান ওয়ানডে সিরিজ পাকিস্তানকে ৭৭ রানে হারিয়ে ১-১ এ সমতা আনলো শ্রীলংকা

12 years ago
about us

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোহাম্মদ নওয়াব আলী
প্রধান উপদেষ্টা: আব্দুল বারী
প্রধান সম্পাদক : মতিয়ার চৌধুরী
শিল্প নির্দেশক: সুভাস চন্দ্র নাথ
সামসুদ্দীন হাউস, স্টেশন রোড, সিলেট। ফোন: ০১৭১১৪৮৪৬৬৮ ইমেইল : bashia71@gmail.com

Find Us on Socials

© Bashia24.com. All Rights Reserved.
Welcome Back!

Sign in to your account

Username or Email Address
Password

Lost your password?