আড্ডা থেকে একটি ভালো লেখার নির্যাস আহরণ করা যায়। একজন লেখকের লেখালেখিকে বেগবান করতে হলে আড্ডার কোন বিকল্প নেই। আড্ডা কিংবা আড্ডাবাজদের সংখ্যা প্রযুক্তির কারণে দিন দিন কমে যাচ্ছে। কিন্তু আজকের আড্ডায় আড্ডাবাজদের উপস্থিতি প্রমাণ করে এখনও সৃজনশীল মানুষ আড্ডা দিতে চায়।
গত ৬ এপ্রিল শুক্রবার বিকেলে বাসিয়া প্রকাশনীর উদ্যোগে কবি ও নাট্যকার জালাল উদ্দিন নলুয়া, কবি ও গীতিকার লুৎফা জালাল ও প্রবাসী কবি ইকবাল বাহার সুহেলকে নিয়ে সিলেটের স্টেশন রোডস্থ বাসিয়া প্রকাশনী কার্যালয়ে এক অন্তরঙ্গ আড্ডায় বক্তারা উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
বাসিয়া প্রকাশনীর কর্ণধার মাসিক বাসিয়া পত্রিকার সম্পাদক গীতিকার মোহাম্মদ নওয়াব আলীর সভাপতিত্বে ও ইসামতি কলেজের প্রভাষক কলামিস্ট জ্যোতিষ মজুমদারের সঞ্চালনায় প্রাণবন্ত আড্ডা ছিলেন সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের সদস্য, কবি ও গল্পকার সাবিনা আনোয়ার, কবি ও সাংবাদিক সাইদুর রহমান সাঈদ, খেলাঘর সিলেট জেলা কমিটির সভাপতি ছড়াকার তাজুল ইসলাম বাঙালি, কবি ও সংগঠক লায়েক আহমেদ নোমান, দক্ষিণ সুরমা সাহিত্য পরিষদের সহসভাপতি গীতিকবি হরিপদ চন্দ, মুক্তিযোদ্ধা ও গীতিকার হেলাল উদ্দিন দাদন, বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি কবি মিজানুর রহমান মিজান, নোলক কালচারাল একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা, কবি ও সংগঠক নিলুফা সুলতানা লিপি, গাংচিল সম্পাদক ঔপন্যাসিক শাহ ফারজানা আহমেদ, বাউল শিল্পী মো. বদরুল, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ইন্সটাক্টর ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুর রহিম, গীতিকার রহমত আলী ও শাহ মাশরুকা জাহান এশা।
বাসিয়া প্রকাশনীর আড্ডায় বক্তারা আড্ডা থেকে একটি ভালো লেখার নির্যাস আহরণ করা যায়
RELATED ARTICLES




