খেলাধুলা

এবার পাকিস্তানকে বাংলাওয়াশ

ঢাকা, ২২ এপ্রিল- কেনিয়া, আয়ারল্যান্ড, জিম্বাবুয়ে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নিউজিল্যান্ড। এবার এই তালিকায় যোগ হলো পাকিস্তানের নামও। বাংলাওয়াশের শুরুটা হয়েছিল কেনিয়াকে দিয়ে। সর্বশেষ চুনকাম হয়ে গেলো পাকিস্তান। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের সব ক’টিতেই গো-হারা হেরে ৩-০ ব্যবধানে ধবল ধোলাই হলো পাকিস্তান।

মিরপুরে আজ তৃতীয় ওয়ানডেতে পাকিস্তানকে ২৫০ রানে বেধে দিয়ে মাত্র ৩৯.৩ ওভারে ২ উইকেট হারিয়েই ঐতিহাসিক জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। অসাধারণ সেঞ্চুরি করেন ওপেনার সৌম্য সরকার এবং ১২৭ রান করে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন তিনি।
২৫০ রানের লক্ষ্য। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের সামনে এটা খুব বড় হওয়ার কথা নয়। বড় হিসেবে দেখাতে চানও না সৌম্য আর তামিম ইকবালরা। সে কারণেই হয়তো মোহাম্মদ হাফিজকে এক রান নিয়ে পূনরায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বোলিংয়ে অভ্যর্থনা জানালেও, উমর গুলকে স্বাগত জানানো হলো বাউন্ডারি দিয়ে। দুই ওপেনারের ব্যাটে ভর করে বলা যায় দারুন সূচনাই হলো বাংলাদেশের।
স্পিনারদের কাছেই নাকাল হতে হয়েছে পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানদের। এ কারণেই হয়তো স্পিন দিয়ে শুরু করতে চাইলেন পাকিস্তান অধিনায়ক আজহার আলি। অবৈধ অ্যাকশনের কারণে নিষিদ্ধ হওয়া্ মোহাম্মদ হাফিজ আগেরদিনই আইসিসি থেকে ক্লিয়ারেন্স পেলেন এবং আজ তাকে দিয়েই বোলিং ওপেন করানো হলো। তার প্রথম ওভার থেকে ৬ রান নিলেন তামিম-সৌম্য। দ্বিতীয় ওভার থেকেও নিলেন ৬ রান। চতুর্থ ওভারে গিয়ে উমর গুলকে পর পর দু’বার বাউন্ডারিছাড়া করলেন সৌম্য সরকার।
সেই যে শুরু, এরপর একে একে পাকিস্তানি বোলারদের শুধু বাউন্ডারিছাড়া করছিলেন তামিম আর সৌম্য সরকার। হাফ সেঞ্চুরি করে ফেললেন দু’জনই। প্রথমে হাফ সেঞ্চুরি করেন সৌম্য। ৬৩ বলে ৬ বাউন্ডারি আর ১ ছক্কায় ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় হাফ সেঞ্চুরি করেন তিনি। এরপর হাফ সেঞ্চুরির মাইলফলকে পৌঁছান তামিম।
ওপেনিং উইকেটে ১৪০ রান করার পর অবশেষে বিচ্ছিন্ন হয় তামিম-সৌম্য জুটি। ৭৬ বলে ৬৪ রান করে জুনায়েদ খানের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরে যান তামিম ইকবাল। ৮টি বাউন্ডারি আর ১টি ছক্কায় সাজান তার ইনিংস। তামিম অবশ্য রিভিউ নিয়েছিলেন। কিন্তু সে রিভিউ আর সফল হয়নি।
বিশ্বকাপে অসাধারণ পারফরমার ছিলেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। কিন্তু পাকিস্তানের বিপক্ষে এই সিরিজে এসে নিজের নামের প্রতি সুবিচারই করতে পারেননি তিনি। প্রথম দুই ম্যাচের মত আজও তৃতীয় ম্যাচে আউট হয়ে গেলেন মাত্র ৪ রানে। ১০ বলে জুনায়েদ খানের বলে বোল্ড হন তিনি। প্রথম ম্যাচে করেছিলেন ৫, দ্বিতীয় ম্যাচে ১৭ রান এবং সর্বশেষ তৃতীয় ম্যাচে আউট হলেন ৪ রান করে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button