Homeশীর্ষ সংবাদকবি ও প্রভাষক খালেদ উদ-দীনকে মাকুন্দা পদক প্রদান

কবি ও প্রভাষক খালেদ উদ-দীনকে মাকুন্দা পদক প্রদান

12472650_1021665777899608_6147649564655136916_nলেখকের প্রত্যেকটি লেখাই পাঠকের জন্য। কবিরা কল্পলোক থেকে নির্যাস নিলেও প্রকৃত অর্থে কবিতা কখনই দেশ ও মানুষের উর্ধ্বে নয়। কালোত্তীর্ণ সব কবিতাই কোন না কোন ভাবে মানুষের কথা বলেছে। দেশের কথা বলেছে। এভাবে কবি অথবা লেখকরা হয়ে ওঠেন দীর্ঘজীবি। তারা এর জন্য সব সময়ই দেশ ও তাদের পাঠকের কাছে দায়বদ্ধ থাকেন।
মাসিক মাকুন্দা আয়োজিত প্রথমবারের মতো সাহিত্যে ‘মাকুন্দা পদক’ বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তারা কথাগুলো বলেন। এবার সাহিত্যে বিশেষ অবদান রাখার জন্য বাংলা সাহিত্যের অধ্যাপক, কবি খালেদ উদ-দীনকে এ পদক দেয়া হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে বিশ্বনাথে স্থানীয় বজলুর রশিদ স্মৃতি পাঠাগারে এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাকুন্দা সম্পাদক খালেদ মিয়া। আনহার আলীর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন বিশ্বনাথ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ছয়ফুল হক, প্রেসকাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কবি সাইদুর রহমান সাঈদ, কবি-অধ্যাপক শিউল মনজুর, মাসিক বাসিয়া সম্পাদক গীতিকার মোহাম্মদ নওয়াব আলী, গীতিকার এমরুল কয়েস, কবি আবদুল হান্নান ইউজেটিক্স, কবির আহমদ, সোহের তালুকদার, ছড়াকার শেখ ফজর রহমান, সোহেল বাদশা, রওনক আহমদ এনাম ও রায়হান।
পদকপ্রাপ্ত লেখক খালেদ উদ-দীন বিশ্বনাথের সরোয়ালা গ্রামের সন্তান। তিনি রাগিব রাবেয়া ডিগ্রি কলেজের বাংলা বিভাগের শিক। ৯০ দশক থেকে কবিতার সাথে জড়িত। গল্প-প্রবন্ধ ছাড়াও লেখালেখি করছেন সাহিত্যের বিভিন্ন দিকে। শিশুতোষ সাহিত্যেও তার বিচরণ। এ পর্যন্ত বই বেরিয়েছে ৬টি। এসব দিক বিবেচনা করে এবার তাকে মাকুন্দা পদকের জন্য মনোনিত করা হয়।
পদক প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তারা আরও বলেন, খালেদ উদ-দীন প্রথাগত কবি বা লেখক নন। তিনি শেকড়বাদি। তার কবিতা যেমন সহজবোধে উত্তীর্ণ তেমনি তিনি কাল ও স্থানকে ধারণ করতে পেরেছেন খুব যতেœর সাথে। আর এ জন্যই তিনি জীবনবোধের কবি হয়ে উঠতে পেরেছেন। তার গল্পেও মানুষের চলমান কষ্ট-হাহাকার আছে। আছে রাজনৈতিক দর্পণ। তারা বলেন, প্রত্যেক সংগঠনেরই উচিত গুণিকে সম্মান দেয়া। বিশেষ করে যারা পদক ও সম্মাননা দেন। তারা অন্তত নিজেদের কাছের মানুষের মনন ও মেধাকে আগে মূল্যায়ন করেন। মাকুন্দা খালেদ উদ-দীনকে এই সম্মান দিয়ে তারা সে বিষয়টিকেই গুরুত্ব দিয়েছে।
পদকপ্রাপ্ত লেখক খালেদ উদ-দীন বলেন, আমরা যারা লেখক তারা কখনই পদকের জন্য লিখি না। নিজের জন্য, নিজের দেশের জন্য আর মানুষের জন্য লিখি। লেখকরা বেচে থাকবেন না। কিন্তু তার লেখা বাণী হয়ে বেঁচে থাকবে। আলো দেখাবে পরবর্তি প্রজন্মকে। তাদের জানিয়ে দেবে আগের সময়কে। এভাবে তারা বেচে থাকবেন নিজেদের লেখায়। কিন্তু যে কোন সম্মাননা-পদক তাদের আরও বেশি সম্মানিত করে। সম্মানিত বোধ করেন তারা। এজন্য আরও বেশি লেখায় অনুপ্রাণিত হন।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments