Homeবই পত্রসিলেটের অভিজাত এলাকা সন্ধ্যার পরই ‘ভূতুড়ে’

সিলেটের অভিজাত এলাকা সন্ধ্যার পরই ‘ভূতুড়ে’

পরিচিতিটা অভিজাত হিসেবে। সুযোগ-সুবিধায়ও অন্য যেকোনো এলাকার চেয়ে এগিয়ে। তবে একটি সমস্যাই যেন সব ‘প্রাপ্তি’কে ম্লান করে দিয়েছে।

সিলেট নগরীর অভিজাত এলাকা শাহজালাল উপশহর এখন সন্ধ্যার পরই ভূতুড়ে রূপ নেয়। ১০টি ব্লকে নিয়ে গঠিত ওই এলাকায় ১ হাজার ৫০০ লাইট পোস্ট থাকলেও রাতের বাতি জ্বলে হাতে গোনা ক’টি। মসজিদ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে থাকা বাতিগুলোর কল্যাণে সংশ্লিষ্ট এলাকার লোকজন ও পথচারীরা কিছুটা স্বাচ্ছন্দ্বে চলাচল করলেও উপশহরের সিংহভাগ লোককে-ই আঁধারের যন্ত্রণায় ভুগতে হচ্ছে।

স্থানীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাসা বাড়িতে ব্যবহৃত বাতিগুলোই এখন পথচলার সম্বল হয়ে ওঠেছে।

স্ট্রীট লাইট না জ্বলায় এলাকার বিভিন্ন সড়কে সন্ধ্যার পর ছিনতাইকারীদের দৌরাত্ম্য দেখা দেয়। অন্ধকার সড়কগুলোতে ছিনতাইকারীদের অবাধ বিচরণের সাথে প্রায়সময়ই ঘটছে ছিনতাইর ঘটনাও।

আঁধারে ঢাকা উপশহর এখন সবার জন্য দুশ্চিন্তার ‘কারণ’ হয়ে ওঠেছে। বিশেষ করে মহিলাদের চলাচলের জন্য এলাকাটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, অনেক লাইটপোস্ট যেমন ধ্বংসপ্রায় অবস্থায় কোনোভাবে ঠিকে আছে; তেমনি বেশিরভাগ লাইটপোস্টে নেই বাল্বও।

উপশহর ‘এ’ ব্লকের অধিবাসী আব্দুর রহমান জানান, সিলেটের অভিজাত এলাকা হওয়া সত্তেও সড়কবাতিগুলো জ্বলছে না ঠিকমতো। সন্ধ্যার পরই পুরো এলাকায় ভূতুড়ে অবস্থার সৃষ্টি হয়। রাতে চলাচল করতে ভয় হয়।

‘বি’ ব্লকের বসবাসকারী কামাল আহমদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অভিজাত উপশহর এখন অন্ধকারের রাজ্যে পরিণত হয়েছে। সড়কবাতি না জ্বলায় প্রায় সময় এলাকায় ছিনতাইর শিক্ষার হন সাধারণ মানুষ।

এ ব্যাপারে সিলেট সিটি করপোরেশনের ২২নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সৈয়দ মিসবাহ উদ্দিন বলেন, প্রতিদিন উপশহরের সব সড়কবাতি জ্বলে। তবে কোনো কোনো ব্লকে হয়তো দেরিতে লাইটের সুইচ দেওয়া হয়। তাই কিছু সময় অন্ধকারে থাকে।

সিলেটভিউ২৪ডটকম/ইআ/এএস

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments