By using this site, you agree to the Privacy Policy and Terms of Use.
Accept
বাসিয়াবাসিয়াবাসিয়া
  • সর্বশেষ
  • স্থানীয় সংবাদ
    • সিলেট
    • সুনামগঞ্জ
    • মৌলভীবাজার
    • হবিগঞ্জ
  • সারাদেশ
  • খেলাধুলা
  • প্রযুক্তি
  • ভিডিও
  • অনান্য
    • শিল্প ও সাহিত্য
    • বিনোদন
    • ছবি গ্যালারি
    • স্বাস্থ্যবিধি
    • জীবন যাপন
    • বই পত্র
    • ব্যক্তিত্ব
    • লেখালেখি
    • শিক্ষা
    • সফল ব্যক্তিত্ব
    • সংগঠন সংবাদ
  • বাসিয়া পরিবার
  • বিশ্ব
    • আমেরিকা
    • ইউরোপ
    • এশিয়া
    • মধ্যপাচ্য
Reading: আমার বাবার সততার রাজনীতি ও কষ্ট
Share
Notification Show More
Font ResizerAa
বাসিয়াবাসিয়া
Font ResizerAa
  • সর্বশেষ
  • স্থানীয় সংবাদ
    • সিলেট
    • সুনামগঞ্জ
    • মৌলভীবাজার
    • হবিগঞ্জ
  • সারাদেশ
  • খেলাধুলা
  • প্রযুক্তি
  • ভিডিও
  • অনান্য
    • শিল্প ও সাহিত্য
    • বিনোদন
    • ছবি গ্যালারি
    • স্বাস্থ্যবিধি
    • জীবন যাপন
    • বই পত্র
    • ব্যক্তিত্ব
    • লেখালেখি
    • শিক্ষা
    • সফল ব্যক্তিত্ব
    • সংগঠন সংবাদ
  • বাসিয়া পরিবার
  • বিশ্ব
    • আমেরিকা
    • ইউরোপ
    • এশিয়া
    • মধ্যপাচ্য
Have an existing account? Sign In
Follow US
  • Advertise
© 2022 Foxiz News Network. Ruby Design Company. All Rights Reserved.
Ad image
সর্বশেষ

আমার বাবার সততার রাজনীতি ও কষ্ট

Last updated: August 10, 2017 3:47 pm
9 years ago
7 Min Read
SHARE

85510তানজিদা হোসেন রুবা :: গণতন্ত্র, রাজনীতি এবং আন্দোলন- এই শব্দগুচ্ছের সঙ্গে জন্মের পর থেকেই আমার পরিচয়। আমার রন্ধ্রে রন্ধ্রে রাজনীতির বসবাস। রাজনীতি যেন আমার রক্তের প্রতিটি কনার সঙ্গে মিশে আছে। বাবার রাজনীতি দেখে স্বতঃস্ফুর্তভাবে অনুধাবন করেছি যে উনার পথচলার মূলমন্ত্রই হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ। ভোগের রাজনীতিতে তিনি কখনোই বিশ্বাসী ছিলেন না। পবিত্র ভূমি সিলেটের পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ হিসেবে যাদের সুনাম রয়েছে, তিনি তাদের অন্যতম একজন। আমার বাবা আ ন ম শফিকুল হক, এককালে সাংবাদিকতাও করেছেন। ষাটের দশকে সাপ্তাহিক বাংলার বাণী ১৯৭৫ পরবর্তী সময়ে সাপ্তাহিক খবর ও সাপ্তহিক সমাচারসহ বিভিন্ন সংবাদপত্রের সিলেট বিভাগীয় প্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করেছেন।
১৯৭৫ সালে ১৫ই আগস্টের কালো রাতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর তিনি প্রতিবাদ-প্রতিরোধ আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েন। খন্দকার মোশতাক, মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান, জেনারেল এরশাদ এবং খালেদা জিয়ার অপশাসন বিরোধী আন্দোলনে ১৫ দল ৮ দল ও ১৪ দলে সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিত্ব করেন এবং সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। তিনি বিভিন্ন সময়ে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য, সমাজকল্যাণ সম্পাদক, সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৭৫ সালের কালরাতের পরবর্তী সময়ে পুলিশ তাকে আটক করে নির্যাতন করে। বিশেষ করে ১৯৮৭ সালে এরশাদবিরোধী আন্দোলনের কারণে দীর্ঘদিন কারাবরণ করেন তখন অসুস্থ হয়ে পড়েন। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যাকে অত্যন্ত স্নেহ করেন।
বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী বর্তমানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য আ ন ম শফিকুল হক। ২০০৬ সালে ১/১১ এর সময় সেনাসমর্থিত সরকারের বিরুদ্ধে জনমত গড়ার পাশাপাশি আন্দোলন চালিয়ে যান। প্রায় ১০ বছর সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং ১৬ বছর সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৬৫ সালে সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সদস্য হিসেবে রাজনীতিতে পা রাখেন। ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। ১৯৭০ সালে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে জনমত গঠনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসেবে কাজ করেছেন।
আমার বাবা আমার দেখা শ্রেষ্ঠ মানুষদের মধ্য একজন, তিনি প্রায় সারাটা জীবন অত্যন্ত স্বচ্ছতার ও পরিশ্রমের সাথে জীবন অতিবাহিত করছেন। খুব কষ্ট করে আমাদের মানুষ করছেন। নীতি নিয়ে চলা, মানুষকে মানুষ হিসাবে মুল্যায়ন করা যেমন বাবা ভালবাসতেন তেমনি কর্মীবান্ধব বন্ধুসুলভ আচরণের কারণে নেতা-কর্মী সবার কাছেই তিনি খুব সমাদৃত ব্যক্তি। তিনি সমস্ত জীবনে একটি বাড়ির মালিকও হতে পারেননি। আপ্যায়ন তার বেশ পছন্দের, মিটিং শেষে কখনোই একা বাসায় ফিরতেন না, তার সাথে ১০/১২ জন কর্মী থাকা ছিলো আমাদের কাছে স্বাভাবিক ব্যাপার। নিজে কি খেলেন না খেলেন তা নিয়ে কোনো মাথাব্যথা তার ছিলো না, কিন্তু পাশে বসা লোকদের বাসায় রান্না হওয়া সেরাটা দিয়ে আপ্যায়ন করতে অনেক ভালবাসতেন। আমার মাও যেন নিজের হাতে করা রান্না করা খাবারে অতিথি আপ্যায়নে তৃপ্তি পেতেন। মা সংসার ধর্ম পালনের পাশাপাশি বেশ কিছুদিন রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। এছাড়া সিলেটে জাতীয় মহিলা সংস্থায় বেশ কিছুদিন কাজও করেছেন। বাবা যেহেতু রাজনীতি করেন মেহমানদের আসা যাওয়া প্রতিদিনই থাকতো বাসায়।
জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত একজন ত্যাগী কর্মী হিসেবে বাংলাদশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাবাকে অত্যন্ত স্নেহ করেন। দেশের বরেণ্য রাজনীতিবিদ সাবেক পররাষ্ট্র মন্ত্রী জনাব আব্দুস সামাদ আজাদ ছিলেন বাবার রাজনীতির মূল প্রেরণা ও উৎসাহদাতা। জাতীয় রাজনীতিবিদদের মধ্যে সবার সাথেই কাজের মাধ্যমে অত্যন্ত সুসম্পর্ক ছিল। বরেণ্য রাজনীতিবিদ দেওয়ান ফরিদ গাজী, আব্দুর রাজ্জাক, সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত, আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমদ, মরহুম হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী, মরহুম শাহ এম এস কিবরিয়া, আবুল মাল আব্দুল মুহিত, ওবায়দুল কাদের, ড. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, সুলতান মনসুর, আব্দর রহমান প্রমুখ বড় জাতীয় ও কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে উনার ছিলো গভীর সম্পর্ক। ঢাকা থেকে নেতৃবৃন্দ যখন সিলেট আসতেন তখন তাদের অনেকেই আমাদের বাসায় রাত্রি যাপন করতেন। বাবা নিজে বাজারে গিয়ে শাক সবজি মাছ মাংস কিনে আনতেন। কে কি পছন্দ করতেন বাবার তা একপ্রকার মুখস্তই ছিলো। মরহুম সামাদ আজাদ চাচা আমাদের নিজের ক্ষেতের বিরুন চাল পছন্দ করতেন, আমাদের বাসায় আসলে বিরুন চালের সাথে মাছ ভাজা ছিল চাচার পছন্দ তালিকার শীর্ষে। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি আমাদের অবিভাবকও ছিলেন। বাবা যেহেতু রাজনীতি করেন তাঁর সাথে মেহমানদের আসা যওয়া প্রায়ই থাকতো বাসায়।
আগের রাজনীতি আর এখনকার রাজনীতিতে যেন রাত-দিন ফারাক। আওয়ামী লীগের নিবেদিতপ্রাণ নেতা-কর্মীরা আজ নিজ দলে কোণঠাসা আর ভুঁইফোড় সুবিধাভোগীরা বিপুল দাপটে; অর্থ-বিত্ত-ক্ষমতায় পরিপুষ্ট। ত্যাগীরা বঞ্চিত-নিপীড়িত; তাদের মুখে শুধুই হতাশার সুর। বিভিন্ন কমিটিতে ভুঁইফোড় সুবিধাভোগীরা দুর্নীতি-অনিয়মে আকণ্ঠ নিমজ্জিত; তাই দেখে নিবেদিতপ্রাণ নেতারা প্রতিবাদ করতে গিয়ে হচ্ছেন নির্যাতিত। তাদের অনেকে ক্ষোভে-দুঃখে দলীয় কর্মকাণ্ড থেকে হাত গুটিয়ে নিয়েছেন; কেউ কেউ আবার অন্য দলেও যোগ দিয়েছেন। এই অবস্থা আওয়ামী লীগের ও অঙ্গ সংগঠনেও। দুর্বলতা ও ইমেজ সংকটকে আড়াল করার জন্য নিয়োজিত হয়ে ১৯৮৪ সালে বাবা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। সাধারণ সম্পাদক থাকাকালীন সময়ে ১৯৮৬ সাল, ১৯৯১ সাল, ১৯৯৬ সাল এবং ২০০১ সালের সাধারন নির্বাচনে জাতীয় সংসদের দলের মনোনয়ন চেয়েছিলেন। কিন্তু যথাক্রমে সর্বজনাব ইনামুল হক চৌধুরী, বাকশালের লুৎফুর রহমান, বাকশাল থেকে যোগদানকারী শাহ আজিজুর রহমানকে নমিনেশন দেওয়া হয়। ২০০২ সালে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর ২০০৬ সালের নির্বাচনে মনোনয়ন চেয়েছিলেন এখানেও বিলেত ফেরত শফিক চৌধুরীকে নমিনেশন দেওয়া হয় যদিও ১/১১র সেনা শাসনের কারণে নির্বাচন হয় নাই। ২০০৮ সালে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বাবা আবার নমিনেশন চান, আবারো শফিক চৌধুরীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। ২০১১ এবং ২০১৫তে আরো দুটি নির্বাচন নির্বাচন হয়। সবকটিতেই বাবা নমিনেশন চেয়েছেন।
২০০২ সালে আমার বাবা আ ন ম শফিককে সভাপতি ও ইফতেখার হোসেন চাচাকে সাধারণ সম্পাদক করে সিলেট জেলা আওয়ামী লীগ গঠন করা হয়েছিলো। অতি স্বল্পসময়ের মধ্যে পরবর্তী সম্মেলন সম্পন্ন করে কমিটি অনুমোদনের জন্য কেন্দ্রীয় কমিটিতে পাঠানো হয়। কিন্তু পরিতাপের বিষয় সেই কমিটি আর আলোর মুখ দেখেনি। দীর্ঘদিন কমিটিকে ঝুলিয়ে রেখে ২০০৯ সালে সেই কমিটি ভেঙে দিয়ে জনাব জহির চৌধুরীকে সভাপতি ও শফিকুর রহমান চৌধুকে সাধারণ সম্পাদক করে ঢাকা থেকে ১৫০ সদস্যের সিলেট জেলা কমিটি করে দোয়া হয়।
দেখা যায় কমিটি গঠনকালেও অনেক স্বজনপ্রীতি ও অনিয়ম হয়েছে। এ নিয়ে তখন কথাও উঠেছিল। তখন অভিযোগ কেউ আমলে নেননি। আর এই কমিটির দীর্ঘ ৭/৮ বছরে সিলেটে জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম মোটেই বৃদ্ধি পায়নি বরং সংকুচিত হয়েছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে দলের অভিজ্ঞ সৎ ত্যাগী নবীন-প্রবীণ কর্মীদেরকে নাকচ করে অনুপ্রবেশকারী সুবিধাভোগীদেরকে সুকৌশলে স্থান করে দেওয়া হচ্ছে। এমনকি এখন পর্যন্ত কোন উপজেলা কমিটি গঠন করাও সম্ভব হয়নি।

You Might Also Like

ইংলিশ কাউন্টি ক্রিকেটে খেলবেন মুস্তাফিজ
১০১ বছর বয়সে সাঁতার কেটে বিশ্বরেকর্ড
সম্পদ হারানোর সম্ভবনা আছে মেধা ও জ্ঞান হারানোর সম্ভবনা নেই নাসরিন জাহান ফাতেমা
ছয় কারণে খাবার থেকেই হতে পারে মাথাব্যথা
আমলার আপত্তি! ‘খাটো’ পোশাক বদলাতে হল মহিলা সঞ্চালককে
Previous Article ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকীতে সিলেট আ.লীগের দোয়া মাহফিল
Next Article বাল্য বিয়ের বলি স্কুলছাত্রী সুরাইয়া! সিসিকের সচেতনতামূলক নাটক ‘ভুলের মাশুলে’র শুটিং সম্পন্ন
Leave a Comment

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You Might Also Like

আলীম ইন্ডাস্ট্রিজ বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার ১৪২৪” এ ভূষিত

5 years ago

জাফলংয়ে খেয়া নৌকা ডুবে পরিবহন শ্রমিক নিখোঁজ

11 years ago

কাদের সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ

12 years ago

বিপর্যস্থ লতিফ সিদ্দিকী অন্তরাল থেকে আত্মগোপনে!

12 years ago
about us

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোহাম্মদ নওয়াব আলী
প্রধান উপদেষ্টা: আব্দুল বারী
প্রধান সম্পাদক : মতিয়ার চৌধুরী
শিল্প নির্দেশক: সুভাস চন্দ্র নাথ
সামসুদ্দীন হাউস, স্টেশন রোড, সিলেট। ফোন: ০১৭১১৪৮৪৬৬৮ ইমেইল : bashia71@gmail.com

Find Us on Socials

© Bashia24.com. All Rights Reserved.
Welcome Back!

Sign in to your account

Username or Email Address
Password

Lost your password?