গণমানুষের কবি দিলওয়ার বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করে বিশ্বের দরবারে আমাদেরকে পরিচিত করেছেন। দৃশ্যমান দিলওয়ার আমাদের কাছে না থাকলেও তাঁর লেখনি আমাদেরকে আজীবন প্রেরণা দিয়ে যাবে। তিনি লেখনীর মাধ্যমে দেশ ও জাতিকে বিশ্ব দরবারে পরিচিত করেছেন। তিনি আমাদের আলোকবর্তিকা। তাই দেশ ও জাতির স্বার্থে গণমানুষের কবি দিলওয়ারের লেখা বেশি করে পাঠ করতে হবে।
গত ০৭ অক্টোবর শুক্রবার বিকালে স্টেশন রোডস্থ মাসিক বাসিয়া পত্রিকা কার্যালয়ে কবি দিলওয়ারের ৩য় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আড্ডায় বক্তারা উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
পরিষদের সভাপতি গীতিকার মোহাম্মদ নওয়াব আলীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কবি দেওয়ান মতিউর রহমান খানের সঞ্চালনায় আড্ডায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রভাষক ও ছড়াকার মো. বদরুল আলম খান, কবি ও সাংবাদিক সাইদুর রহমান সাঈদ ও শিশু সংগঠক তাজুল ইসলাম বাঙালি ও সাবেক কমিশনার কবি নাজনীন আক্তার কনা।
আলোচনা ও লেখাপাঠে অংশ নেন গীতিকার হরিপদ চন্দ, প্রবাসী ছড়াকার আহমদ সোহেল, কবি মিজান মোহাম্মদ, উপন্যাসিক শাহ ফারজানা আহমেদ, ছড়াকার তারেশ কান্তি তালুকদার, কবি কামাল আহমদ, ছড়াকার আবদুস সামাদ, নাট্যকমী মো. আবদুস শহীদ দুলাল, কবি মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, গল্পকার শহিদুল ইসলাম লিটন, ভাস্কর্ষ জালাল উদ্দিন সরকার, কবি সৈয়দ মুক্তদা হামিদ, কবি অনন্ত পাল, কবি এম আলী হোসাইন, কবি ফখরুল আল হাদী, কবি মো. আমির হামজা আকন্দ ও সজিব আহমদ বিজয় প্রমুখ।
গান পরিবেশন করেন শিল্পী এন এম নূরুল, মো. ওবায়দুল হক মুন্সী, মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন ও আবুল হাসান।
শিশু আবৃত্তিকার মোহাম্মদ ইয়াসিন আরাফাত কবি দিলওয়ারের ক্রীন ব্রীজের সূর্যোদয় কবিতাটি আবৃত্তি করে।
কবি দিলওয়ারের মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে দক্ষিণ সুরমা সাহিত্য পরিষদের সাহিত্য আড্ডা দৃশ্যমান দিলওয়ার আমাদের কাছে না থাকলেও তাঁর লেখনি আমাদেরকে আজীবন প্রেরণা দিয়ে যাবে
Leave a Comment
