
এই বিশাল আকৃতির পাগড়ি তিনি বহন করেন ধর্মীয় কারণে আর মূলত শখের বশে। শিখ পুরুষদের কাছে চুল আর পাগড়ির যত্ন নেওয়া একটা আবশ্যক ধর্মীয় আচারের মধ্যেই পড়ে। দিনের প্রায় ?ছয় ঘণ্টা সময় ব্যয় করতে হয় এই বিশাল পাগড়ি মাথায় পরতে। পেল্লাই এ পাগড়ির জন্য অবতার সিং বাসে বা গাড়িতেও চড়তে পারেন না। কেবল মোটরসাইকেলে চড়েই তিনি পতিয়ালার শিখদের মন্দিরে যেতে পারেন।
পাগড়িসহ শিখদের ঐতিহ্যবাহী পোশাকের সঙ্গে তিনি আরও ৮৭ পাউন্ড ওজনের ধর্মীয় অস্ত্রপাতি বহন করেন। নিজের পাগড়ি সম্পর্কে অবতার সিং মৌনী বলেন, ‘আমি এটাকে কোনো বোঝা মনে করি না। এটা মাথায় রাখতেই আমার ভালো লাগে। খুব অল্প সময় যখন আমার মাথায় পাগড়িটা থাকে না, তখন নিজেকে কেমন যেন অসম্পূর্ণ মনে হয়। মনে হয়, আমার কিছু একটা যেন নেই।’ অবতার সিং মৌনী তার পাগড়ির জন্য স্বীকৃতি পেতে চান।
কিন্তু তার পাগড়ি যাতে কেবল ছবি তোলার বস্তুতে পরিণত না হয়, সে ব্যাপারেও তিনি সচেতন। তিনি বলেন, ‘আমি কয়েক ঘণ্টা সময় ব্যয় করে পাগড়িটা পরি, কিন্তু লোকেরা মাত্র দুই সেকেন্ডে এর ছবি তুলে নিয়ে চলে যেতে চায়। এটা তো ঠিক নয়।’ সূত্র: হাফিংটন পোস্ট।