বিভাগ: বিনোদন

গীতিকবি সুরকার ও কণ্ঠশিল্পীদের নিয়ে গঠিত হলো সংগীত ঐক্য বাংলাদেশ

গত ৫০ বছর ধরে গীতিকবি, সুরস্রষ্টা ও কণ্ঠশিল্পীরা নানা অনিয়ম, অবহেলা আর প্রাপ্য সম্মান ও সম্মানী থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছেন। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে গীতিকবি, সুরকার ও কণ্ঠশিল্পীরা এবার এক ছাতার নিচে এলেন। গঠন করেছেন, ‘সংগীত ঐক্য বাংলাদেশ’। গত শনিবার সংগঠনটির আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ ঘটে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে। ওয়েবনিয়রের মাধ্যমে আয়োজিত এই সম্মেলনে ঘোষণা করা হয় সংগঠনটির প্রথম কার্যনির্বাহী কমিটি। সিঙ্গার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-এর সাধারণ সম্পাদক কুমার বিশ্বজিৎ এই কমিটি ঘোষণা করেন। সংগীত ঐক্য বাংলাদেশ-এর প্রথম কমিটির সভাপতি রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, মহাসচিব (৩ জন) শহীদ মাহমুদ জঙ্গী, নকীব খান ও কুমার বিশ্বজিৎ, অর্থ ও দফতর সচিব আসিফ ইকবাল, তথ্যপ্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক সচিব হাসান আবিদুর রেজা জুয়েল, সাংস্কৃতিক সচিব বাপ্পা মজুমদার, প্রচার ও প্রকাশনা সচিব জুলফিকার রাসেল এবং নির্বাহী সদস্য মানাম আহমেদ, কবির বকুল, শওকত আলী ইমন ও জয় শাহরিয়ার। গীতিকবি সংঘের সাংগঠনিক সম্পাদক জুলফিকার রাসেলের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিঙ্গার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-এর সভাপতি রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা। তিনি বলেন, এই মুহূর্তটি আমাদের সকলের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান। কিছুদিন আগে সিঙ্গার্স অ্যাসোসিয়েশন করেছি। বিগত দিনের অভিজ্ঞতায় শিখেছি এখন আমাদের এক হয়ে কাজ করার বিকল্প নেই। যেকোনও বিপদে ও সংকটে পরস্পরের পাশে দাঁড়ানোর বিকল্প নেই। আমাদের আরও দুটি সংগঠন হয়েছে। তিনটি আলাদা সংগঠন হলেও এক হয়ে এরমধ্যে অনেক কাজ করেছি আমরা। আজকে এই সংবাদ সম্মেলনের কারণ সেই এক হয়ে কাজ করার বিষয়টি সাংগঠনিকভাবে তুলে ধরা হয়েছে। সংগীত ঐক্য বাংলাদেশ গঠনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে মিউজিক কমপোজার্স সোসাইটির সভাপতি নকীব খান বলেন, সার্বিক সংগীতের মান উন্নয়ন, সম্মান ও সম্মানীর জন্য আমরা একসঙ্গে লড়াই করার প্রত্যয় নিয়েই এই প্ল্যাটফর্ম গঠন। এটা অরাজনৈতিক ও অলাভজনক সংগঠন। সংগীতের সকল পক্ষকে আস্থায় নিয়ে কাজ করে যাওয়ার জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ নিশ্চিত করার চেষ্টা করবো আমরা। আমাদের স্বপ্ন সংগীতের পাশাপাশি দেশের প্রয়োজনে জনগণের জন্যেও কাজ করার। সংগীত ঐক্য বাংলাদেশ-এর গঠন প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে গীতিকবি সংঘের সভাপতি শহীদ মাহমুদ জঙ্গী বলেন, গত বছর এই সময়টাতেই আমাদের তিনটি সংগঠন সৃষ্টি হয়েছে। আমরা লক্ষ্য করেছি, নিজ নিজ দাবির মধ্যে কিছু অভিন্ন দাবি আছে। আমরা ১৭ দফা তৈরি করি। এরপর সবাই মিলে মন্ত্রণালয়ে বৈঠক করি। চিন্তা করলাম, কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে এক জায়গায় আসতে হবে আমাদের। সম্পর্ক উন্নয়ন করতে হবে গীতিকবি, সুরকার ও কণ্ঠশিল্পীদের মধ্যে। তাই তিনটি সংগঠন রেখেই একটি ফেডারেল সংগঠন করার পরিকল্পনা করি সবাই। যেটার নাম হলো সংগীত ঐক্য, বাংলাদেশ। তিনটি সমিতি থেকে ৪ জন করে প্রতিনিধি নিয়েছি। একটা নির্বাহী কমিটি করেছি। আমাদের ইচ্ছা বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় সংগীতের প্রতিটি মানুষের মাঝে একটা যোগসূত্র তৈরি হোক। উল্লেখ্য, গত বছর ৩ জুলাই দেশে প্রথমবারের মতো গঠিত হয় গীতিকবি সংঘ বাংলাদেশ। এই সংগঠনের সূত্র ধরেই সৃষ্টি হয় রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার নেতৃত্বে সিঙ্গার্স অ্যাসোসিয়েশন এবং নকীব খানের নেতৃত্বে মিউজিক কমপোজার্স সোসাইটি। গত এক বছর এই তিনটি সংগঠন নিজস্ব সাংগঠনিক কাজের বাইরে যৌথভাবে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও কপিরাইট বোর্ডের সঙ্গে বসে। মূলত তারই সাংগঠনিক রূপ সংগীত ঐক্য বাংলাদেশ।

‘সব কিছু সাদা-কালোর মতো সহজ নয়’, নতুন পোস্টে কীসের ইঙ্গিত শ্রাবন্তীর

রোশন সিংয়ের সঙ্গে সম্পর্ক ফিকে হওয়ার পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা সময়ে নানারকম পোস্ট করে থাকেন শ্রাবন্তী। সম্পর্ক নিয়ে স্পষ্ট কিছু না বলে বরং আকারে ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দেন তার সম্পর্ক নিয়ে অবস্থান। বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক স্ট্যাটাসে হয়তো এরকম ইঙ্গিতই দিলেন এই অভিনেত্রী।

শ্রাবন্তী সোশ্যাল মিডিয়ায় সাদা-কালো একটি ছবি পোস্ট করেছেন । সেই ছবি পোস্ট করে শ্রাবন্তী লিখলেন, ‘সব কিছু সাদা কালোর মতো সহজ হয় না!’
তার এই নতুন পোস্ট দেখে অনেকেই মনে করছেন, ভালবাসা, সম্পর্ক নিয়েই এই জটিল পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী। হয়তো বারবার প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়াকে সাদা-কালো রঙে রাঙাতে চান তিনি। জীবনের বাদ বাকি রংকে আপাতত তিনি নিজের কাছে গোপন রেখেছেন।

টলিপাড়ায় গুঞ্জন ব্যবসায়ী অভিরূপ নাগ চৌধুরীর সঙ্গেই নাকি প্রেমে মত্ত শ্রাবন্তী। কয়েকদিন আগে অভিরূপের জন্মদিনে শ্রাবন্তীর ছবিও ভাইরাল হয়েছিল নেটপাড়ায়। তারপর থেকেই যেন রোশনের সঙ্গে সম্পর্কটা আরও তিক্ত হয়ে পড়ে। রোশন-শ্রাবন্তী দুই তরফেই সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে শুরু হয় পোস্ট যুদ্ধ । তবে আপাতত সম্পর্ক নিয়ে ইঙ্গিতবাহী পোস্ট দিলেও, মুখে কিন্তু একেবারেই কুলুপ এঁটেছেন শ্রাবন্তী ও রোশন দুজনেই।

 

বাবার বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে যা বললেন মেয়ে ইরা

দীর্ঘ ১৫ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টেনেছেন বলিউড অভিনেতা আমির খান ও তার স্ত্রী কিরণ রাও। গত শনিবার তারা বিবাহবিচ্ছেদের ঘোষণা দেন

আমির-কিরণের বিচ্ছেদ নিয়ে চুপ অভিনেতার প্রথম স্ত্রী রিনা দত্ত। তবে রবিবার ইনস্টাগ্রামের দেওয়ালে ইরা খানের পোস্ট ঘিরে হইচই পড়ে যায়। আমির খানের প্রথম সন্তান এদিন বেশ তির্যক মন্তব্য করেছিলেন ইনস্টা স্টোরিতে। সেই পোস্ট দেখে অনেকেই মনে করেছিলেন বাবার বিচ্ছেদ নিয়েই এমন মন্তব্য করেছেন ইরা খান।

একটিতে লিখেছিলেন, ‘আগামীকালের পর্যালোচনা কী?’, সঙ্গে লেখেন-‘এটা কি হতে যাচ্ছে?’ সঙ্গে জুড়ে দেন একটি পেস্ট্রির ছবি। যা দেখেও নানা মুনির নানা মত! বাবার বিচ্ছেদ উপভোগ করতেই এমন কাণ্ড ঘটালেন ইরা? এমনও মন্তব্য ভেসে এসেছে। যদিও একথা কারুরই অজানা নয়, ইরা খান একজন ফুড ব্লগার। আর সেই মতোই সোমবার ইরার পোস্ট প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানে তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করে চিজ কেক খেতে দেখা গেল আমির কন্যাকে। আর ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজল বিটেলসের সুপারহিট গান ‘হেলপ’।

রবিবার নিজেদের ডিভোর্স প্রসঙ্গে এক ভিডিও বার্তায় মুখ খোলেন আমির-কিরণ। ফ্যানেদের উদ্দেশে আমিরের বার্তা, আমি জানি আপনারা যখন এই খবরটা শুনেছেন আপনাদের খারাপ লেগেছে, দুঃখ পেয়েছেন। চমকে গেছেন। আমরা শুধু এইটুকুই বলতে চাই আমরা খুব খুশি। আমাদের সম্পর্কটা বদলে গেছে, কিন্তু আমরা একই পরিবারের অংশ। সম্পর্কে পরিবর্তন এলেও আমরা একসঙ্গেই আছি। আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করুন, প্রার্থনা করুন। এইটুকুই বলবো।

ঐশ্বরিয়া আমার চেয়ে বেশি টাকা পায় : অভিষেক

বলিউডে নারী-পুরুষের পারিশ্রমিক-বৈষম্য নিয়ে কম আলোচনা-সমালোচনা হয় না। বছরের পর বছর অনেক অভিনয়শিল্পীই এ ইস্যুতে মুখ খুলেছেন। অনেক নারীর মত, একই কাজ করেও পুরুষের চেয়ে তাঁরা কম পারিশ্রমিক পান।

আবার কিছু অভিনয়শিল্পী তাঁদের এই অভিযোগ উড়িয়ে দেন। এবার একটু পেছনে ফেরা যাক। ২০১৮ সালে অভিষেক বচ্চন বলেছিলেন, স্ত্রী ঐশ্বরিয়া রাইয়ের সঙ্গে করা নয়টি সিনেমার আটটিতেই তাঁর চেয়ে কম পারিশ্রমিক পেয়েছেন অভিষেক।

২০১৮ সালে এক অনুষ্ঠানে চলচ্চিত্র নির্মাতা সুজিত সিরকারের সঙ্গে আলাপচারিতায় ওই কথা প্রকাশ করেছিলেন অভিষেক বচ্চন।

অভিষেকের ভাষ্য, ‘চলচ্চিত্র ব্যবসায়ে লিঙ্গবৈষম্য নিয়ে প্রচুর তর্ক হয় এবং অন্য অঙ্গনেও হয়। আমি আমার স্ত্রীর সঙ্গে নয়টি সিনেমায় কাজ করেছি এবং এর মধ্যে আটটিতেই সে আমার চেয়ে বেশি অর্থ পেয়েছে। পিকু সিনেমায় সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পেয়েছে দীপিকা (পাড়ুকোন)। এটা ব্যবসা এবং আপনি যদি বিক্রয়যোগ্য অভিনেতা হন, তবে অবশ্যই ভালো পারিশ্রমিক পাবেন। আপনি যদি নবাগত অভিনেত্রী হন এবং শাহরুখ খানের মতো পারিশ্রমিক চান, তাহলে তো হবে না।’

‘কুছ না কাহো’, ‘গুরু’, ‘রাবণ’, ‘ধুম টু’, ‘ধাই অক্ষর প্রেম কে’, ‘সরকার রাজ’, ‘উমরাও জান’ ও ‘বান্টি অউর বাবলি’ সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করেছেন অভিষেক ও ঐশ্বরিয়া। ১৯৯৭ সালে তামিল সিনেমা ‘ইরুভার’ দিয়ে সিনে-অঙ্গনে অভিষেক হয় ঐশ্বরিয়ার। আর এর তিন বছর পর ২০০০ সালে জে পি দত্তের ‘রিফুজি’ দিয়ে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে প্রবেশ করেন অভিষেক।

২০০৭ সালে রাজকীয় আয়োজনে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন অভিষেক ও ঐশ্বরিয়া। ২০১১ সালে তাঁদের কন্যা আরাধ্যার জন্ম হয়।

এন এইচ, ২৭ জুন

বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি নায়ক আলমগীর

 

 

বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি দায়িত্ব আজ গ্রহণ করেছেন চিত্রনায়ক আলমগীর।  সভাপতির নির্দেশক্রমে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠশিল্পী রফিকুল আলমকে কার্যকরী সভাপতির দায়িত্ব দেয়া। গঠনতন্ত্রে ২৪ ও ২৬ ধারা মোতাবেক এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।উল্লেখ্য, সংগঠনের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা অভিনেত্রী সারাহ বেগম কবরী’র মৃত্যুতে সভাপতির পদ শূন্য থাকায় সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি চিত্রনায়ক আলমগীরকে সভাপতি এবং কণ্ঠশিল্পী রফিকুল আলমকে কার্যকরী সভাপতি মনোনীত করা হয়।

১৯৭৬ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট গঠিত হলে পূর্ণাঙ্গ কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি ছিলেন চিত্রনায়ক আলমগীর। তিনি দীর্ঘদিন বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন।

অপুকে ভুলতে পারছেন না মাহিয়া মাহি

 

ঢাকা, ২০ জুন – ঢালিউডের এ সময়ের আলোচিত চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি। সম্প্রতি অপু-মাহির বিবাহবিচ্ছেদ ঘটেছে। বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমে তারা ভিন্ন ভিন্ন তথ্য দেন। এ নিয়ে কথার জাল ছড়াতে শুরু করলে প্রশ্ন ওঠে—বিচ্ছেদের পেছনে দায় কার?

মাহির প্রাক্তন স্বামী অপু সংসার টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করেছেন—এমন বক্তব্য সংবাদমাধ্যমে উঠে এলে অভিযোগের তীর মাহির দিকে ঘুরে যায়। তবে মাহিয়া মাহিও একাধিকবার দাবি করেন, তিনি নিজেও সংসার টিকিয়ে রাখার কম চেষ্টা করেননি।

এদিকে আবারো মাহি জানালেন, প্রাক্তন স্বামী অপুকে ভুলতে পারছেন না তিনি। রোববার (২০ জুন) বেলা ৩টার দিকে মাহি তার ফেসবুকে অপুর সঙ্গে তোলা একটি ছবি পোস্ট করেন। আর ক‌্যাপশনে লিখেন, ‘তুমি না থাকার শোক অন্য কাউকে নিয়ে ভাবতে দেয় না। আমিতো তোমার দিকেই চেয়ে থাকি, চোখ তো অন্যদিকে যায় না।’

দাবাড়ুর ভূমিকায় আমির খান

করোনা ভাইরাস মহামারীরর মধ্যে ত্রাণ তহবিল গঠনের জন্য আয়োজিত দাবা খেলায় গ্র্যান্ডমাস্টার বিশ্বনাথন আনন্দের মুখোমুখি বসেছিলেন আমির খান। দাবার চাল দিতে দিতেই আগামী ছবির কথা ফাঁস করেছেন মিস্টার পারফেকশনিস্ট। সব ঠিক থাকলে আগামী দিনে বিশ্বনাথন আনন্দের জীবনীমূলক ছবিতে তিনিই মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করতে চলেছেন।

মহারাষ্ট্রে লকডাউন উঠতেই আমির ফের ব্যস্ত ‘লাল সিং চাড্ডা’ ছবির শেষ অংশের শ্যুটিংয়ে। বলিউড সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, বিশ্বনাথন আনন্দের জীবনীমূলক ছবির যৌথ প্রযোজক আনন্দ এল রাইয়ের কালার ইয়েলো প্রোডাকশন এবং মহাবীর জৈনের সানডায়ল এন্টারটেনমেন্ট।
অভিনয়ের মাধ্যমে প্রতিটি চরিত্র হুবহু ফুটিয়ে তোলা আমির খানের নেশা। সেই জন্যেই ত্রাণ তহবিলের জন্য আয়োজিত দাবা খেলায় অংশ নিয়েও তার পাখির চোখ ছিলেন গ্র্যান্ড মাস্টার। পরে একান্ত সাক্ষাৎকারে বলিউড সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, এই ধরনের চরিত্র করার জন্য মুখিয়ে থাকেন তিনি। কারণ, বিশ্বনাথন আনন্দ হওয়া মানে শুধুই দাবা খেলা নয়। তার চিন্তা-ভাবনার শরিক হওয়া। দাবার চাল নিয়ে তিনি কী ভাবেন? প্রতিপক্ষকে কিস্তিমাত করতে কী ধরনের ছক কষেন? সবটাই তিনি জানতে পারবেন।

আমিরের দাবি, ‘‘এক ঢিলে ২ পাখি মারতে চলেছি। দেশের এক সম্মানীয় ব্যক্তিত্বের জুতোয় পা গলাতে চলেছি। পাশাপাশি, তার ভাবনার সাক্ষী হতে চলেছি। এক জন অভিনেতার কাছে এটাই বিরাট পাওনা।’’

বিডি প্রতিদিন/

করোনাকালের দুর্নীতি নিয়ে হানিফ সংকেতের ঈদের নাটক

বছরের দুই ঈদে দুটি নাটক নির্মাণ করেন হানিফ সংকেত। করোনাকালে ‘ইত্যাদি’র নতুন পর্ব নির্মাণ না করলেও যথারীতি নির্মাণ করেছেন নাটক। তাঁর রচিত এবারের নাটকের নামও ছন্দোময়—‘মনের মতি-মনের গতি’। বরাবরই এই নির্মাতার নাটকে থাকে সামাজিক বক্তব্য। করোনাকালে এক শ্রেণির সুযোগসন্ধানী মানুষের দুর্নীতি এবং তাদের কারণে সাধারণ মানুষের দুর্দশার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে এ নাটকে।

হানিফ সংকেত বলেন, ‘আমাদের সমাজে এক শ্রেণির মানুষ রয়েছে, যারা অন্যের দুঃসময়কে পুঁজি করে নিজের লাভ খোঁজে। তাদের মতিগতি বোঝা কঠিন। তবে বিবেকের তাড়নায় কিংবা সৎসঙ্গে এসে অনেকে ভালোও হয়ে যায়। করোনার এই দুর্যোগের সময়ে দুই পরিবারের মাধ্যমে মানুষের মনের বিচিত্র মতিগতি তুলে ধরা হয়েছে।’ দৃশ্য ধারণ করা হয় সাভারে ফাগুন অডিও ভিশনের শুটিং স্পটে। অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী, তারিন, মীর সাব্বির, নাদিয়া, সাঈদ বাবু প্রমুখ। নাটকের সূচনা সংগীতের সুর করেছেন হানিফ সংকেত। কথা লিখেছেন মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান, নিজের সংগীতায়োজনে কণ্ঠ দিয়েছেন কিশোর দাশ। আবহ সংগীত করেছেন ফরিদ আহমেদ। ঈদের দিন রাত ৮টা ২০ মিনিটে এটিএন বাংলায় প্রচারিত হবে ‘মনের মতি-মনের গতি’।

জনসেবার জন্য সম্মানজনক ‘ডক্টরেট’ উপাধি পাচ্ছেন শাহরুখ

বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান তার অভিনয় জীবনে অসংখ্য পুরষ্কার অর্জন করেছেন। দক্ষ অভিনেতার পাশাপাশি মানবদরদী বলেও শাহরুখের আলাদা পরিচিতি আছে।

সমাজসেবা মূলক কাজের জন্য অস্ট্রেলিয়ার লা ট্রোব বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সম্মানজনক ডক্টরেট উপাধি পে যাচ্ছেন তিনি।

মূলত অ্যাসিড আক্রান্ত নারীদের সাহায্যের জন্যই শাহরুখ ‘মীর ফাউন্ডেশন’ শীর্ষক একটি প্রতিষ্ঠান শুরু করেছিলেন শাহরুখ। সামাজিকভাবে বঞ্চিত এবং অ্যাসিড আক্রান্ত নারীদের চিকিৎসা, তাদের আইনি লড়াইয়ের ব্যবস্থা, থাকার বন্দোবস্ত সব ক্ষেত্রেই সাহায্য করে শাহরুখের এই সংগঠন। শুধু তাই নয়, সারা দেশে বিভিন্ন হাসপাতালে দরিদ্র নারী ও শিশুদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করতেও এই প্রতিষ্ঠান কাজ করে। এই ফাউণ্ডেশনের কার্যক্রমের কারণেই শাহরুখকে সম্মানজনক ‘ডক্টর অফ লেটারস’ উপাধি দিতে যাচ্ছে লা ট্রোব বিশ্ববিদ্যালয়।

উচ্ছ্বসিত শাহরুখ বলেন, ‘লা ট্রোব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমন সম্মানজনক উপাধি পেয়ে আমি সত্যিই অভিভূত’।

আগামী ৯ আগষ্ট লা ট্রোব বিশ্ববিদ্যালয়ের মেলবোর্ন ক্যাম্পাসে শাহরুখকে সম্মানজনক ডক্টরেট সম্মানমা প্রদান করা হবে।

উল্লেখ্য, গত ৫ এপ্রিল লন্ডন ইউনিভার্সিটি অফ ল-এর পক্ষ থেকে জনসেবার জন্য ডক্টরেট উপাধি দেওয়া হয় শাহরুখ খানকে । তার আগে লন্ডনের এডিনবার্গ ও বেডফোর্ডশায়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকেও সম্মানজনক ডক্টরেট উপাধি পেয়েছেন তিনি।

রেকর্ড গড়ে এগিয়ে চলেছে মাহি-শুভ’র ‘ঢাকা অ্যাটাক’

a3বিনোদন ডেস্ক: মুক্তির প্রথম দিনেই ৪ কোটি টাকা গ্রস এবং ১ কোটি ৫ লাখ টাকা নেট সেল! ঢাকাই ছবির জন্য নিঃসন্দেহে এক অনন্য উদাহরণ এটা। বলছি ‘ঢাকা অ্যাটাক’ ছবির দুর্দান্ত সাফল্যের কথা। গত শুক্রবার (০৬ অক্টোবর) মুক্তির দিনেই ছবিটি রেকর্ড গড়েছে।

বিষয়টি জানিয়েছেন ছবির নির্মাতা দীপংকর দীপন। তিনি বলেন, “এটা ভীষণ ভালো খবর।” ‘ঢাকা অ্যাটাক’-এর ডিসট্রিবিউটর অভি কথাচিত্রের অভি জানান, “কাল সারা দেশে প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকার উপর টিকিট সেল হয়েছে। এটা গ্রস সেল। নেট সেল ১ কোটি ৫ লাখ। এটাও রেকর্ড।”

অভির দাবি, “বলাকা সিনেমা হলের ম্যানেজার জানিয়েছেন, সাধারণত মুক্তির দ্বিতীয় দিনে টিকিট বিক্রি পড়ে যায়। কিন্তু শনিবার তা আরও বেড়েছে। সকালে হাউজফুল যাচ্ছে বলাকা। এই কৃতিত্ব ঢাকা অ্যাটাক টিমের সবার। আর সবচেয়ে বেশি আপনাদের যারা কাল সিনেমা হলে থেকে বেরিয়ে আজ অন্যদের হলে এনেছেন।”

দীপন আরও জানান, মধুমিতা সিনেমা হলের মালিক নওশাদ ফোন করে তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। এবং এটাও জানান যে, প্রথম দিনই তিনটি শো হাউসফুল গিয়েছে।

গোটা দেশে আলোড়ন তৈরি করেছে ‘ঢাকা অ্যাটাক’। চারদিকেই ছবিটি নিয়ে উচ্ছ্বাস আর উন্মাদনা দেখা যাচ্ছে। ছবিটিতে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ, মাহি, এবিএম সুমন, নওশাবা, শতাব্দী ওয়াদুদ, তাসকিন রহমান, আফজল হোসেন প্রমুখ। ‘ঢাকা অ্যাটাক’-এর কাহিনী লিখেছেন পুলিশ কর্তা সানি সানোয়ার। এটি প্রযোজনা করেছে পুলিশ পরিবার কল্যাণ সমিতি ও স্প্ল্যাশ মাল্টিমিডিয়া।

Developed by: