
বেঞ্চের অন্য সদস্যরা হলেন- বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা, বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী। এটি হচ্ছে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিলের দ্বিতীয় রায়।
রায়ের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সাঈদীর ছেলে মাসুদ সাঈদী বলেছেন, রায়ে আমরা ন্যায় বিচার পাইনি। রায়ের কপি হাতে পাওয়া পর রিভিউ পিটিশন করা হবে।
আইনজীবী তাজুল ইসলাম বলেছেন, রায় হয়েছে। এই রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ পিটিশন করা হবে। তার একদিনও শাস্তি হওয়া উচিত নয়। আশা করছি, রিভিউ পিটিশনে আমরা ন্যায্য বিচার পাব।
পাঁচ মাস অপেক্ষমাণ থাকার পর আপিল বিভাগের আজকের কার্যতালিকায় রায়ের বিষয়টি এক নম্বরে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
গত বছর ২৮ ফেব্রুয়ারি তার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেয় যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে ২০টি অভিযোগের মধ্যে ইব্রাহিম কুট্টি ও বিসাবালীকে হত্যা এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়ি-ঘরে আগুন দেয়ার দুইটি অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দেয় ট্রাইব্যুনাল। আরো ছয়টি অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হলেও দুইটি অভিযোগে ফাঁসির আদেশ হওয়ায় সেগুলোতে কোন দণ্ড দেয়নি ট্রাইব্যুনাল।
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে গত বছর ২৮ মার্চ আপিল করেন দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী। অন্যদিকে, প্রমাণিত হলেও সাজা না হওয়া ছয় অভিযোগে তার শাস্তি চেয়ে আপিল করে সরকারপক্ষ। গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর আপিলের ওপর শুনানি শুরু হয়। ৪৯ কার্যদিবস শুনানিতে আসামিপক্ষে মূল শুনানি করেন আইনজীবী এসএম শাহজাহান। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
গত ১৬ এপ্রিল চূড়ান্ত শুনানিশেষে সাঈদীর মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখে আপিল বিভাগ।