সিলেটে জেলা স্টেডিয়ামের মোহাম্মদ আলী জিমনেসিয়ামে ৯ দিন ব্যাপী আয়কর মেলা সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত এ আয়কর মেলা থেকে সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে ১১ কোটি ৫৭ লাখ ১৯ হাজার ১শ’ ৭৬ টাকা আদায় করা হয়।
এ মেলায় প্রতিনিয়ত সেবাগ্রহীতাদের ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে। আয়কর সম্পর্কে বুঝা, টিআইএন খোলা, রিটার্ন দাখিল, আয়কর প্রদানে আশানুরূপ সাড়া পাওয়া গেছে। আর এ কারণে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অবিচল রয়েছে সিলেট কর অঞ্চল।
গত মঙ্গলবার থেকে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামের মোহাম্মদ আলী জিমনেসিয়ামে আয়কর মেলার আয়োজন করে সিলেট কর অঞ্চল। ৮দিনের মাথায় সোমবার পর্যন্ত মেলায় সেবাগ্রহীতাদের ব্যাপক সাড়া মিলেছে বলে দাবী ছিল সংশ্লিষ্টদের।
সিলেট কর অঞ্চলের উপ কর-কমিশনার শান্ত কুমার সিংহ জানান, সন্ধ্যা পর্যন্ত ৬ হাজার ২শ’ ৮১ জন সেবাগ্রহীতা সেবা দেয়া হয়েছে। নতুন টিআইএন গ্রহণ করেছেন ৩শ’ ২২ জন। পুনরায় রেজিস্ট্রেশন ২শ’ ১৬ জন, রিটার্ন দাখিল করে ২ হাজার ৫শ’ ১৭ জন। এ ছাড়া এ মেলায় মোট আয়কর আদায় হয়েছে ১১ কোটি ৫৭ লাখ ১৯ হাজার ১শ’ ৭৬ টাকা।
সিলেট কর অঞ্চলের কর কমিশনার মাধব চন্দ্র দাস বলেন, মেলার মুল উদ্দেশ্য ছিল জনগণকে কর আদায়ে আগ্রহী করে তোলা। কর দেওয়াতে কোনো ধরণের বিপত্তি নেই এ বিষয়টি জনগণকে বুঝানো। সেদিক থেকে কাজ করে যাচ্ছে সিলেট কর অঞ্চল। আর লোকজন এখন সতস্ফর্তভাবে মেলায় এসে রিটার্ন দাখিল ও টিআইএন করছেন। হরতাল উপেক্ষা করেও মানুষ মেলায় এসেছেন। যে পরিমাণে কর আদায় হয়েছে, তাতে হরতাল-অবরোধ না থাকলে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হতো বলে মন্তব্য করেন তিনি।
২০১৩-১৪ অর্থ বছরে ৪৫০ কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৩৯২ কোটি টাকা কর আদায় করে সিলেট কর অঞ্চল। ২০০১ সালে সিলেট কর অঞ্চলের যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে ২২টি কর সার্কেল ও ৪টি রেঞ্জ অফিস নিয়ে পরিচালিত সিলেট কর অঞ্চলের টিআইএনধারীর সংখ্যা ১ লাখ ২৮ হাজার ৭১ জন। উল্লেখ্য, গত ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে ২২ সেপ্টেম্বর ৯ দিন ব্যাপী এ কর মেলার আয়োজন করে সিলেট বিভাগীয় কর অঞ্চল।

