সহজ জয়ে সেমিতে অস্ট্রেলিয়া

1426839547পাকিস্তানের ২১৩ রানের জবাবে ৩৪ ওভারে ৪ উইকেটে ২১৬ রান করে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া। সাবলীল খেলে অস্ট্রেলিয়া ৬ উইকেটে জয় ছিনিয়ে নিয়ে সেমি-ফাইনাল নিশ্চিত করে। এই জয়ে বিশেষ ভূমিকা রাখে স্টিভেন স্মিথের ৬৫ ও সেন ওয়াটসনের অপরাজিত ৬৪ রান। জস হ্যাজেলউড ৩৫ রানে ৪ উইকেট শিকার করে ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন।
২১৪ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে প্রথমে ৫৯ রানেই ৩ উইকেটের পতন ঘটে অস্ট্রেলিয়ার। ২.৩ ওভারে উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান অ্যারন ফিঞ্চ ২ রান করে সোহেল খানের বলে এলবিডব্লিউ’র ফাঁদে পড়েন। ৮.৩ ওভারে আরেক উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ডেভিড ওয়ার্নার ২৪ রান করে ওহাবের বলে রাহাত আলির হাতে ক্যাচ দেন। ১০.৪ ওভারে মাইকেল ক্লার্ক ৮ রান করে ওহাবের বলে মাকসুদের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন। ২৬.৪ ওভারে এহসান আদিলের বলে স্টিভেন স্মিথ ৬৫ রান করে এলবিডব্লিউ হন। এদিকে, ১৬.১ ওভারে ওহাবের দুর্দান্ত একটি বলে ক্যাচ তুলে দেন ওয়াটসন। কিন্তু সহজ ক্যাচ ধরতে ব্যর্থ হন রাহাত আলি। তখন দলীয় সংগ্রহ ছিল ৮৫ আর শেন ওয়াটসন ছিলেন ৫ রানের মাথায়। স্মিথ ও ওয়াটসনের ৪র্থ জুটিতে ৮৯ রান আসে। গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ৫ম জুটিতে ওয়াটসনকে ভালো সাপোর্ট দেন। তিনি অপরাজিত ৪৪ রান করেন।
শুক্রবার বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৯টায় টস জিতে অ্যাডিলেইডে ৪৯.৫ বলে ২১৩ রানে পাকিস্তান ‍গুটিয়ে যায়। খেলার শুরুতেই তেমন সুবিধা করতে পারেনি পাকিস্তানি খেলোয়াররা। একের পর এক উইকেট পতন তাদের কোনঠাসা করে ফেলে। পাকিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৪ রান করেন মিসবাহ।
ব্যাটিংয়ের শুরুতেই দুই উইকেটের পতন ঘটে পাকিস্তানের। উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান আহমেদ শেহজাদ ও সরফরাজ আহমেদ খেলতে নেমে অনেকটা ধীর গতিতে শুরু করে। ৪.৪ ওভারে স্টার্কের বলে স্লিপে ওয়াটসনের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরেন সরফরাজ। তিনি ১৬ বলে ১০ রান সংগ্রহ করেন। অপরদিকে, শেহজাদ ৫.১ ওভারে ১৩ বলে ৫ রান করে ক্লার্কের হাতে ক্যাচ দেন। বোলার ছিলেন হ্যাজেলউড। দলীয় ২৪ রানে উদ্বোধনী জুটি ফিরে যায়। ৪ রান যোগ হতেই দ্বিতীয় উইকেটের পতন ঘটে। এরপর মিসবাহ উল হক ও হারিস সোহেল এসে দলের হাল ধরেন। তৃতীয় উইকেট জুটিতে ৭৩ রান আসে। মিসবাহ ৫৯ বলে ৩৪ রান করে ফিরে যান। তিনি গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের বলে ডিপ ল্যাগে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে ফিঞ্চের হাতে ধরা পড়েন। তখন দলের সংগ্রহ ২৩.২ ওভারে ৯৭ রান।

Developed by: