রাজশাহী কারাগারে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে গতকাল রবিবার মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়া ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও বিএনপি নেতা নাসির উদ্দিন পিন্টুর মরদেহে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
আজ সকালে জানাজা শুরু হওয়ার আগে খালেদা জিয়া পিন্টুর মরদেহে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।পরে পিন্টুর কফিনের পাশে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন বিএনপি চেয়ারপারসন।এ সময় সেখানে একটি শোকাবহ পরিবেশ তৈরি হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, আ স ম হান্নান শাহ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ শাহজাহান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন, ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, ধর্ম বিষয় সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার, সহ দপ্তর সম্পাদক আব্দুল লতিফ জনি, শামীমুর রহমান শামীম, সহ-শিল্প বিষয়ক সম্পাদক শাহাজাদা মিয়া, নির্বাহী সদস্য রফিক শিকদারসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।
শ্রদ্ধা জানানোর আগে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, মরহুম নাসির উদ্দিন আহমেদ পিন্টু একজন উদীয়মান ও প্রতিশ্রুতিশীল নেতা ছিলেন। তার সাংগঠিক দক্ষতা ছিলো, তিনি আলোচিত ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তার হঠাৎ মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। আমরা নাসির উদ্দিন আহমেদের শোক-সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।
আজ সাকাল রাজশাহী থেকে তার লাশ ঢাকায় আনা হয়।গতরাতেই পিন্টুর মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করে কারাকর্তৃপক্ষ। রবিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাজশাহীর হেতেম খাঁ মসজিদ প্রাঙ্গণে পিন্টুর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রথম দফা জানাজা শেষে মরদেহ নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন পরিবারের সদস্যরা।ভোরে ঢাকায় এসে পৌঁছে তাঁর মরদেহ।
আজ সকাল সাড়ে ১০টার পর পল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের তার মরদেহ আনা হয়। এর পর চলে শ্রদ্ধা নিবেদনের পালা। সেখানে দ্বিতীয় ও বাদ আসর লেদার টেকনোলজি ইনস্টিটিউটে তৃতীয় জানাযা শেষে নাসির উদ্দীন পিন্টুকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হবে।সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুমতি না পাওয়ায় ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও সেখানে পিন্টুর জানাজা হবে না।

