ব্যস্ত সূচি ভারতের সামনে। ফাইল ছবিভারতীয় ক্রিকেটারদের বউ আর প্রেমিকারা না ভেগে যায়! যুক্তরাজ্যের পরিসংখ্যান বিষয়ক জাতীয় সংস্থা ওএনএসের একটি হিসাবে দেখা গেছে, কর্মক্ষেত্রে বাড়তি চাপ সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার অন্যতম কারণ। আর ভারতীয় ক্রিকেটাররা তাদের ‘কর্মক্ষেত্রে’ যে চাপের মুখে পড়তে চলেছেন, এর চেয়ে প্রেশারকুকারে ঢুকে ঘাপটি মেরে বসে থাকা ভালো!
ব্যবসায়িক দিক দিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে লাভজনক দল বলে এমনিতেই ভারত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলে বেশি। সর্বশেষ তিন বছরে কেবল মাত্র ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর আর ২০১৪ সালের মে মাসে কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ ছিল না। এ ছাড়া গত ৩৪ মাসের কোনো না কোনো দিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছে তারা। বিশ্বকাপের সময়টায় যেমন টানা প্রায় চার মাস অস্ট্রেলিয়াতেই ছিল দল।
২৬ মার্চ সেই লম্বা সফর শেষ হয়েছে সেমিফাইনালে বিদায় নিয়ে। দেশে ফিরতে না ফিরতেই ৮ এপ্রিল শুরু আইপিএল, যেটা শেষ হবে ২৪ মে। এর পর কিছুদিনের বিরতি দিয়ে ৭ জুন ভারত আসছে বাংলাদেশে। যে সফরে একটি টেস্ট ও তিনটি ওয়ানডে খেলবে তারা।
ভারতের ভয়াবহ ব্যস্ত সূচি চলতেই থাকবে এর পর। জুনের পর জুলাইতে তারা যাবে জিম্বাবুয়েতে। সেখানে তিনটি ওয়ানডে ও দুটি টি-টোয়েন্টি খেলবে। আগস্টে ‘বেস্ট অব থ্রি’ টেস্ট সিরিজ খেলতে শ্রীলঙ্কায় যাবে ভারত। চারটি টেস্ট, পাঁচটি ওয়ানডে আর তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলতে সেপ্টেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকা যাবে ভারতে। নভেম্বর পর্যন্ত চলবে এই সিরিজ। এর পর ডিসেম্বরে হওয়ার কথা বহুল আকাঙ্ক্ষিত ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ, যেটি অবশ্য এখনো আলোচনার পর্যায়ে আছে।
২০১৬ সালের জানুয়ারিতে আবার অস্ট্রেলিয়া সফর। এবার অবশ্য টেস্ট ম্যাচ নেই। পাঁচটি ওয়ানডে আর তিনটি টি-টোয়েন্টি। ফেব্রুয়ারিতে তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলতে শ্রীলঙ্কা আসবে ভারতে। এর পর ভারতে ‘এশিয়া কাপ’, যেটি এবার হবে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে। টি-টোয়েন্টি নিয়ে এত মনোযোগ দেওয়ার কারণ, মার্চের ১১ থেকে ভারতে বসবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর। সেই বিশ্বকাপ শেষ হবে ৩ এপ্রিল। এবং এর পর আবারও আইপিএল

