১৫ বছর ধরেই ঈদে আমার ছবি

ঢাকাই ছবির খল চরিত্রের অন্যতম অভিনেতা মিশা সওদাগর। এখন পর্যন্ত তিনি কাজ করেছেন প্রায় ৮০০ ছবিতে। এক যুগের বেশি সময় ধরে প্রতি ঈদে তাঁর কোনো না কোনো ছবি মুক্তি পাচ্ছেই। এবার ঈদেও মুক্তি পাচ্ছে তাঁর ছবি লাভ ম্যারেজ। কথা হলো তাঁর সঙ্গে
এমন কোনো ঈদ কি ছিল যেবার একটি ছবিও মুক্তি পায়নি?
খলনায়ক হিসেবে আমার চলচ্চিত্র ক্যারিয়ার ২৩ বছরের। এর মধ্যে সাতটি ঈদে কোনো ছবি মুক্তি পায়নি আমার। তবে এ বছর নিয়ে টানা ১৫ বছর ধরে ঈদে আমার ছবি মুক্তি পাচ্ছেই। কোনো বছর এমনও হয়েছে, ঈদে মুক্তি পাওয়া সব ছবিতেই আমি অভিনয় করেছি।
নায়ক হতে এসে হয়ে গেলেন খলনায়ক। এখনো কি আপনার নায়ক হওয়ার সেই ইচ্ছা আছে?
আমি তো নায়কেরও নায়ক। আমি কাজ করেছি জসীম, ইলিয়াস কাঞ্চন, মান্না, রুবেল, সালমান শাহ্, ওমর সানী, রিয়াজ, ফেরদৌস, মারুফ, শাকিব খান, আরিফিন শুভ, বাপ্পি, ইমন, অনন্ত জলিলদের সঙ্গে। এটা কিন্তু চাট্টিখানি কথা নয়। ১৯৮৬ সালে এফডিসির নতুন মুখের সন্ধানে কার্যক্রমে নায়ক নির্বাচিত হই। ১৯৮৯ সালে নায়ক হিসেবে ছটকু আহমেদ পরিচালিত চেতনা ছবিতে অভিনয় করি। এরপর অমর সঙ্গী ছবিতেও আমি নায়ক ছিলাম। খলনায়ক হিসেবে ১৯৯২ সালে মুক্তি পায় আশা ভালোবাসা, কিন্তু প্রথম শুটিং করি প্রিয় তুমি ছবির। ইদানীং কিন্তু অনেক ছবিতে আমি নায়িকার বাবা, ভাই, দুলাভাইয়ের চরিত্রেও অভিনয় করছি। প্রতিনিয়ত নিজেকে ভাঙছি। প্রধান চরিত্রেও আমি কাজ করেছি।
আপনার স্ত্রী শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত, দুজনের পেশা নিয়ে কোনো আলোচনা হয় কি?
আমার স্ত্রী আমার অভিনয়ের সবচেয়ে বড় সমালোচক। কোনো ছবির প্রস্তাব পেলে তার সঙ্গে প্রথম আলোচনা করি। আমার স্ত্রী যে শিক্ষক, তা নিয়ে আমি সত্যিই অনেক বেশি গর্বিত।
মিশা সওদাগরের বাস্তবে জীবনের কথা জানতে চাই।
আমার ছেলেদের কাছে আমি সেরা বাবা। আমার স্ত্রী আমাকে নিয়ে কোনো দুশ্চিন্তা করে না। তার কাছে আমি আদর্শবান স্বামী। আরেকটা কথা, আমি মনে হয় মিডিয়ার সবচেয়ে বড় হিরো। কারণ, ২৩ বছরের ক্যারিয়ারে কোনো গসিপ নেই।

Developed by: