আলাপ-আলোচনা ছাড়া বিশেষ দূতের পদ ছাড়লে প্রধানমন্ত্রীকে অসম্মান করা হবে বলে মনে করেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। পদ ছাড়ার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করবেন বলেও জানান এই বিশেষ দূত।
আজ শনিবার দুপুরে বনানী কার্যালয়ের মিলনায়তনে নেতাকর্মীদের সঙ্গে এক অনির্ধারিত সভায় এসব কথা বলেন। সভায় আরও বক্তব্য দেন নতুন দায়িত্ব পাওয়া কো-চেয়ারম্যান জি এম কাদের ও মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার।
সভা শেষে দলের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সভায় এরশাদ বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তাঁর বিশেষ দূত করে আমাকে সম্মানিত করেছেন। তাঁর সাথে আলাপ-আলোচনা না করে এই পদ ছেড়ে দিয়ে তাঁকে অসম্মানিত করতে পারি না। অবশ্যই এ বিষয়ে আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করব।’
এরশাদ বলেন, জাতীয় পার্টিকে শক্তিশালী করা হলে সংসদ আরও কার্যকর হবে এবং সরকারও লাভবান হবে। জাতীয় পার্টির রাজনীতিকে জনগণের কাছে স্পষ্ট করতে হবে।
এরশাদ বলেন, ‘দলের প্রয়োজনেই আমি কো-চেয়ারম্যান নিয়োগ এবং মহাসচিব পদে পরিবর্তন এনেছি। এই পরিবর্তনে সারা দেশে জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীদের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। দল আবার জেগে উঠেছে। আমরা পার্টিকে এবার আরও সুসংগঠিত করতে পারব। আমরা অবশ্যই এই সংসদের বিরোধী দল। আশা করি, আমাদের সংসদ সদস্যরা সংসদে এমন কোনো বক্তব্য রাখবেন না যাতে করে জনমনে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়।’

