সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার মো. রেজাউল করিম বলেছেন, জঙ্গীবাদ ও সন্ত্রাস দমনে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলতে হবে। বিশেষ করে দেশের প্রতিটি শিক্ষাঙ্গনে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। কেননা জঙ্গী-সন্ত্রাসীদের টার্গেটের মূলে রয়েছে মেধাবী শিক্ষার্থীরা। তিনি আরো বলেন, ইসলাম প্রতিষ্ঠিত করার নামে পবিত্র কোরআন-হাদীসের অপব্যাখ্যা দিয়ে একটি মহল সহজ-সরল ছেলে মেয়েদের মগজ ধোলাই করে জঙ্গী-সন্ত্রাসী কাজে লিপ্ত করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আমাদের মনে রাখতে হবে সমাজে ফিৎনা সৃষ্টি করে জন্নাতে যাওয়া যায়না এবং মানুষ হত্যাকারীদের স্থান অবশ্যই জাহান্নামে। তাই সকল ভয়-ভীতিকে মোকাবেলা করে একটি সুখী-সুন্দর ও জঙ্গী-সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ এবং দেশ গড়তে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।
সিলেট সেন্ট্রাল কলেজের উদ্যোগে সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ প্রতিরোধে করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা গুলো বলেন। দেশব্যাপী সকল শিক্ষ প্রতিষ্ঠানে জঙ্গী ও সন্ত্রাস বিরোধী কর্মসূচির গ্রহণের অংশ হিসেবে নগরীর পুরানলেনস্থ কলেজ প্রাঙ্গনে আজ বুধবার সকালে এই সভার আয়োজন করা হয়।
সিলেট সেন্ট্রাল কলেজের অধ্যক্ষ লে: কর্ণেল (অব:) এম আতাউর রহমান পীরের সভাপতিত্বে সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন কলেজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজানুর রহমান মিজান। কলেজের বাংলা প্রভাষক ফাতিমা বেগমের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সালেহ আহমদ, রোটারী ক্লাব অব জালালাবাদের প্রেসিডেন্ট এডভোকেট মোজাক্কির হোসেন কামালী , কলেজের ফিনান্স ডিরেক্টর আক্কাস আলী, প্রভাষক জাহিদ হোসাইন, প্রভাষক মোর্শেদ আলম, কলেজের পরিচালক শাহ রুম্মানুল হক, গভর্নিং বডির সদস্য শাহ নেওয়াজ খান শাকিল, শিক্ষকদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন ইংরেজী প্রভাষক ওয়ারিছ উদ্দিন, ব্যবসায় ব্যবস্থাপনার প্রভাষক নাদিয়া আক্তার চৌধুরী। সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন কলেজের একাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী এনামুল হক। সভার শেষে এইচএসসি ফল প্রার্থীদের জন্য বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন কলেজের অর্থনীতির প্রভাষক আব্দুলøাহ আল মাবরুর।

