এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য-”অার্কাইভস, নাগরিকত্ব, আন্তসংস্কৃতি”
দিবসটি উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর।
উদ্বোধন শেষে দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্যের উপর একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারে মুক্তিযুদ্ধের উপর একটি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শিত হয়। প্রধান অতিথির বক্তৃতায় আসাদুজ্জামান নূর জাতীয় আরকাইভসের ইতিহাস উল্লেখ করে বলেন, ১৯৭২ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় আরকাইভস প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি আরও বলেন, কত দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক হলে যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি দেশে জাতীয় আরকাইভস, শিল্পকলা একাডেমি, লোক ও কারুশিল্পের মতো প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করার চিন্তা করেন।
মন্ত্রী বলেন, জাতীয় আরকাইভসে জাতির ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষিত হয়। এখানেই রয়েছে মাস্টার দা সূর্যসেনের ফাঁসির রায়ের কপিসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দলিল। নতুন প্রজন্ম জাতীয় আরকাইভস থেকে উপাদান সংগ্রহ করে সম্বৃদ্ধ হোক। জাতীয় স্বার্থেই ইলেকট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ায় আরকাইভসের গুরুত্ব প্রচার ও প্রসারের ব্যবস্থা করা হোক।
সেমিনারে বিশেশ অতিথির বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ ইব্রাহীম হোসেন খান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধিদপ্তরের পরিচালক জনাব মোঃ মজিবর রহমান আল মামুন (যুগ্মসচিব)। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ আলতাফ হোসেন (অতিরিক্ত সচিব) , কপিরাইট অফিসের রেজিস্ট্রার জাফর আর. চৌধুরী ও বারমস এর সভাপতি প্রফেসর ড. শরীফ উদ্দিন আহমেদ প্রমূখ।


