যারা সিলেট সিটির বাসিন্দা বা ভোটার নন অর্থাৎ বহিরাগতদের নির্বাচনী এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির পরিপত্রের আলোকে শুক্রবার এক গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে এ নির্দেশ দিয়েছে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ। নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী, শুক্রবার রাত ১২টার মধ্যে বহিরাগতদের নির্বাচনী এলাকা ছাড়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এরপরও কাউকে পাওয়া গেলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
নির্বাচন সামনে রেখে রবিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মাঠে থাকবে। পুলিশ, বিজিবি, র্যাব, নির্বাহী-বিচারিক হাকিমসহ মোবাইল-স্ট্রাইকিং ফোর্স নির্বাচনকালীন দায়িত্বে থাকবেন। সিলেট সিটিতে মোট ভোটার ৩ লাখ ২১ হাজার ৭৩২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৭১ হাজার ৪৪৪ জন ও নারী ১ লাখ ৫০ হাজার ২৮৮ জন। ভোট কেন্দ্র ১৩৪টি ও ভোট কক্ষ ৯২৬টি।
যানবাহন চলাচলে নিষেধাঞ্জা
এদিকে সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে নগরীতে যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি। নির্বাচনের আগের দিন ২৯ তারিখ রাত ১২টা থেকে নির্বাচনের দিন রাত ১২টা পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বলবত থাকবে।
নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে- টক্সিক্যাব, বেবী ট্যাক্সি, অটোরিক্সা (সিএনজি), মাইক্রোবাস, জীপ, পিকআপ, কার, বাস, ট্রাক, টেম্পো, নসিমন, করিমন, ভটভটি, ইজিবাইকসহ যন্ত্রচালিত যানবাহন। নির্বাচনে প্রার্থী, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন ও অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক এবং নির্বাচনী এজেন্টদের জন্য এই নির্দেশ প্রযোজ্য হবে না।
জরুরি কাজ যেমন-এ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস, ডাক, টেলিযোগাযোগ ইত্যাদি কার্যক্রমে ব্যবহারের জন্য উল্লেখিত যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। তবে পর্যবেক্ষক ও পোলিং এজেন্টদের যানবাহনে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রদত্ত স্টিকার ব্যবহার করতে হবে। জাতীয় হাইওয়ে সমূহের ক্ষেত্রেও এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। শুক্রবার এসএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

