স্লোগান দিলে চলবে না, বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগকে জানতে হবে – বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির অবিসংবাদিত নেতা ও স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৬ তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগ কর্তৃক আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ বলেন, আজ জাতির পিতার শাহাদাত বার্ষিকী। এই দিনটিকে সামনে রেখে প্রতি বছরই আমরা বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণ করি। এবার ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করার চেষ্টা করেছি । জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে আমরা আলোচনা সভায় মিলিত হয়েছি। আলোচনা শেষে আপনারা ওয়ার্ড নেতৃবৃন্দ নিজ নিজ ওয়ার্ডে গিয়ে কর্মসূচী বাস্তবায়ন করুন। আপনাদেরকে মনে রাখতে হবে, শুধু স্লোগান দিলে চলবে না, বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগ-কে জানতে হবে। আমি শুনেছি অনেকেই শোক দিবসকে স্বাধীনতা দিবস বলে বক্তব্য প্রদান করেন। এগুলো থেকে আমাদেরকে বেরিয়ে আসতে হবে। জাতির জনকের ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও আওয়ামী লীগের ইতিহাস ভালো করে জানতে হবে। তাহলেই আমাদের জাতির পিতা, তাঁর পরিবার সহ সকল শহীদদের আত্মত্যাগ স্বার্থক হবে। তিনি মহানগর আওয়ামী লীগ, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন এর নেতৃবৃন্দ এসেছেন সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মোঃ জাকির হোসেন এর পরিচালনায় আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক জাকির হোসেনও তাঁর বক্তব্যে বলেন, আগস্ট বাঙালি জাতির নিকট বেদনাদায়ক একটি মাস। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ইতিহাসে নির্মমতার এক কালো অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত। ১৯৭৫ সালের এই দিনে মানবসভ্যতার ইতিহাসে সবেচেয়ে নিকৃষ্ট ও ঘৃণ্যতম হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। বুলেটের আঘাতে স্তব্ধ করে দেওয়া হয় বাঙালির অধিকার প্রতিষ্ঠার মহানায়ককে। তারপরও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং যাবেই। আলোচনা সভা শেষে মহানগরের বিভিন্ন স্থানে খাবার বিতরণ করা হবে। আপনারা যারা ওয়ার্ড নেতৃবৃন্দ আছেন। আপনারা আপনাদের ওয়ার্ডে জাতির পিতার শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচী সফল করুন।

রবিবার (১৫ আগস্ট) জাতির পিতার শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসে সকাল ১১ টায় গুলশান সেন্টারে স্বাস্থ্য বিধি মেনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
দোয়া মাহফিল শেষে শিরনী বিতরণ করা হয়। তাছাড়া মহানগরের বিভিন্ন স্থানে অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে খাদ্য ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়। মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন ক্বিন ব্রিজ সংলগ্ন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মুর‌্যাল সম্মুখে খাদ্য ও সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণের উদ্বোধন করেন।

দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন শেখঘাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম মওলানা সাদিকুর রহমান। দোয়া মাহফিলে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাঁর পরিবার সহ সকল শহীদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক আ ন.ম শফিকুল হক, ইফতেখার হোসেন শামীম, সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দের রুহের মাগফেরাত কামনা করা হয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র দীর্ঘায়ু এবং বিভিন্ন হাসপাতালে করোনায় আক্রান্ত সকলের সুস্থতা কামনা সহ দেশ ও জাতি এবং বিশ্বের শান্তি কামনা করা হয়।

এসময়ে উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আসাদ উদ্দিন আহমদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালিক, ফয়জুর আনোয়ার আলাওর, বিজিত চৌধুরী, নুরুল ইসলাম পুতুল, এডভোকেট প্রদীপ কুমার ভট্টাচার্য্য, মোঃ সানাওয়র, আলহাজ্ব হেলাল বক্স, জগদীশ চন্দ্র দাস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এটি.এম হাসান জেবুল, আজাদুর রহমান আজাদ,বিধান কুমার সাহা, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট বেলাল উদ্দিন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এডভোকেট গোলাম সোবহান চৌধুরী, এাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মখলিছুর রহমান কামরান, দপ্তর সম্পাদক খন্দকার মহসিন কামরান, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক নজমুল ইসলাম এহিয়া, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুর রহমান জামিল, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আজাহার উদ্দিন জাহাঙ্গীর, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মহিউদ্দিন লোকমান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ জুবের খান , যুব ও ক্রিয়া বিষয়ক সম্পাদক সেলিম আহমদ সেলিম, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক ইলিয়াছুর রহমান ইলিয়াছ, শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক প্রদীপ পুরকায়স্থ, শ্রম সম্পাদক আজিজুল হক মঞ্জু, সাংস্কৃতিক সম্পাদক রজত কান্তি গুপ্ত,
সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট সৈয়দ শামীম আহমদ , ডাঃ আরমান আহমদ শিপলু, উপ-দপ্তর সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্ত্তী রনি , সহ-প্রচার সম্পাদক সোয়েব আহমদ, কোষাধ্যক্ষ লায়েক আহমেদ চৌধুরী।

মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্যবৃন্দ আজম খান, মোঃ আব্দুল আজিম জুনেল, নুরুন নেছা হেনা, মুক্তার খান, এডভোকেট মোহাম্মদ জাহিদ সারোয়ার সবুজ, রাহাত তরফদার, এমরুল হাসান, সুদীপ দেব, সাব্বির খান, সাইফুল আলম স্বপন, তাহমিন আহমেদ , রোকসানা পারভীন, ওয়াহিদুর রহমান ওয়াহিদ, তৌফিক বক্স লিপন, জামাল আহমদ চৌধুরী, খলিল আহমদ, আবুল মহসিন চৌধুরী মাসুদ, ইঞ্জিঃ আতিকুর রহমান সুহেদ, এডভোকেট তারাননুম চৌধুরী, জুমাদিন আহমেদ, রকিবুল ইসলাম ঝলক, মাহফুজ চৌধুরী জয়, ইলিয়াছ আহমেদ জুয়েল । উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য আব্দুল মালিক সুজন ও কানাই দত্ত।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন এর নেতৃবৃন্দ মহানগর শ্রমিক লীগের সভাপতি শাহরিয়ার কবির সেলিম, মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহানারা বেগম, যুব লীগের সভাপতি আলম খান মুক্তি, সাধারণ সম্পাদক মুসফিক জায়গিরদার, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আফতাব হোসেন খান, সাধারণ সম্পাদক দেবাংশু দাস মিঠু, মহানগর কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আব্দুর রকিব বাবলু, মহানগর তাঁতী লীগের সভাপতি নোমান আহমদ, সাধারণ সম্পাদক শেখ আবুল হাসনাত বুলবুল।

ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ মোঃ হাজী ছিদ্দেক আলী ,সালউদ্দিন বক্স সালাই, এডভোকেট সরওয়ার চৌধুরী আবদাল, দেলোওয়ার হোসেন রাজা, জায়েদ আহমেদ খাঁন সায়েক ,নজরুল ইসলাম নজু , এডভোকেট মোস্তফা দিলওয়ার আজহার, মোঃ বদরুল ইসলাম বদরু, এডভোকেট বিজয় কুমার দেব বুলু , মাহবুব খান মাসুম , মকসুদ হোসেন মেহবুব , শেখ সোহেল আহমদ কবির, জাবেদ আহমদ, মোঃ ছয়েফ খান সহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন এর নেতৃবৃন্দ।

Developed by: