নগরীতে স্বেচ্ছাসেবকদল ও ছাত্রদলের শান্তিপূর্ণ মিছিলে বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে পুলিশ। এ সময় ১৫ জন নেতাকর্মী গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন। আশংকাজনক অবস্থায় নগরীর বিভিন্ন বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন আহত নেতার্মীরা। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে ২ জন কে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃত হলেন শাহপরান থানা স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা দীপক রায়, দক্ষিন সুরমা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা এ ইউ তায়েফ।
প্রতক্ষ্যদর্শী সূত্র জানায় বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে স্বেচ্ছাসেবকদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বারুতখানা পয়েন্ট থেকে মিছিল বের করে। মিছিলটি জিন্দাবাজার পয়েন্টের যাওয়ার সময় বারুতখানা পয়েন্টে দায়িত্বপালনকারী পুলিশ সদস্য দেলোওয়ার তার রিভলদার দিয়ে মিছিলের পেছনে গুলি করতে থাকে। তার পাশাপাশি এ এস আই আজিম ও আরেকজন কনেষ্টেবল তাদের শর্টগান থেকে গুলি করে। পুলিশের এমন বর্বরোচিত হামলায় শান্তিপূর্ণ মিছিলটি পন্ড হয়ে যায়। নেতাকর্মীরা জীবন বাঁচাতে দৌড় দেয়। এ সময় পুলিশের গুলিতে আহত হন , জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের যুগ্ম আহবায়ক, অধ্যাপক আজমল হোসেন রায়হান, ইলিয়াস মুক্তি ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ নেতা, আব্দুল কাইয়ুম, ছাত্রদল নেতা বদরুল আজাদ রান, সালাম , মুহিব, জাকারিয়া, বাশার সহ ১৭ জন । এ সময় ঘটনাস্থল থেকে আহত অবস্থায় আটক করা হয় শাহপরান থানা স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা দীপক রায়, দক্ষিন সুরমা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা এ ইউ তায়েফ কে।
ঘটনার বিবরণ দিয়ে গুলিবিদ্ধ স্বেচ্ছাসেবকদলনেতা অধ্যাপক আজমল হোসেন রায়হান বলেন, শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশ কাপুরুষের মত গুলি চালিয়ে নিরিহ নেতাকর্মীদে আহত করেছে। আমি সহ প্রায় ১৭ জন নেতাকর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছি।
এদিকে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবকদলের সহ-সভাপতি ও সিলেট জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এডভোকেট সামসুজ্জামান জামান এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘ শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশ নগ্নভাবে গুলি করে স্বেচ্ছাসেবকদল ও ছাত্রদলের ১৭ জন নেতাকর্মীকে আহত করেছে। সিলেটবাসী এই ঘটনার দাতঁভাঙ্গা জবাব দিবে।

