সালমানের মামলা এবার সুপ্রিম কোর্টে

বাসিয়া ডেস্ক : ২০০২ সালে মুম্বাইয়ে গাড়ি চাপা মামলায় উচ্চ আদালতের রায়ে বেকসুর খালাস পান সালমান খান। সালমানের লাখো ভক্ত এবং প্রযোজকরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেও তাতে আরো অনেকের পাশাপাশি সন্তুষ্ট হয়নি মহারাষ্ট্র সরকার। এবার সর্বোচ্চ আদালতের দারস্থ হচ্ছেন তারা।

গত বুধবার বোম্বে হাইকোর্টকে মহারাষ্ট্র সরকার জানিয়েছে যে তাদের পক্ষ থেকে সালমানের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে। সরকার পক্ষের আইনজীবী জানান, রাষ্ট্রের আইন ও বিচার বিভাগ উচ্চ আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে একটি বিশেষ লিভ পিটিশন দায়ের করবে। মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফাদনাভিশ এই ব্যাপারে বলেন, রাষ্ট্র সরকার রায় আবারো বিবেচনা করে দেখবে এবং তারপরই একে চ্যালেঞ্জ করার সিদ্ধান্ত নেবে।

১০ ডিসেম্বর উচ্চ আদালতের রায়ে বলা হয়, “বাদী পক্ষের দেয়া তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তাকে (সালমান খান) দোষী সাব্যস্ত করা সম্ভব নয়, সাধারণ মানুষ যাই ভাবুন না কেন।”

আদালতে আরো বলা হয়, দূর্ঘটনার সময় অভিনেতা মাতাল ছিলেন কি না এবং গাড়ি চালাচ্ছিলেন কি না তা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে বাদী পক্ষ।

চলতি বছরের ৫ জুন ১৩ বছর ধরে চলতে থাকা মুম্বাইয়ে গাড়ি চাপা মামলার চূড়ান্ত রায়ে সালমানকে দোষী সাব্যস্ত করে মুম্বাইয়ের এক নিম্ন আদালত। ২০০২ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে সালমানের সাদা রঙের টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উঠে পড়ে বান্দ্রার একটি বেকারির সামনের ফুটপাতে। এই দুর্ঘটনায় ফুটপাতে শুয়ে থাকা এক ব্যাক্তি নিহত হন এবং দুজন আহত হন। সালমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়, তিনি সে সময় মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছিলেন।

প্রথমে অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগে সালমানের বিরুদ্ধে মামলা চললেও ২০১৪ সালের এপ্রিলে এই মামলায় নতুন করে বিচার শুরু হয়। এবার সালমানের বিরূদ্ধে আনা হয় দণ্ডনীয় নরহত্যার (কাল্পেবল হোমিসাইড) অভিযোগ। এই মামলায় গত ১০ ডিসেম্বর বেকসুর খালাস দেওয়া হয় ৪৯ বছর বয়সী এই তারকাকে।

Developed by: