বিভাগ: বই পত্র

কেন ফেসবুকে আসক্তি ?

 কখ27514_fbbনও খেয়াল করে দেখেছেন দিনের কতটা সময় আপনি ফেসবুকে কাটান? ফেসবুক কি আপনার মধ্যে এক ধরনের আসক্তি তৈরি করেছে? মনোবিজ্ঞানী ও সমাজবিজ্ঞানীরা বলছেন, অন্যান্য আসক্তির মতো ফেসবুকে আসক্তিও ভালো নয়।
এ প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন বলেন, আসক্তি শব্দটাই তো খারাপ। শুধু লেখাপড়া ছাড়া আর কোনো আসক্তিই ভালো না। পৃথিবীতে সব ভালো জিনিসকে চাইলেই খারাপভাবে ব্যবহার করা যায়। আমরা জানি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের উৎপত্তি কীভাবে আর কেন হয়েছে। বিশেষ করে হারানো বন্ধুদের খুঁজে পাওয়া কিংবা চারপাশের বন্ধুদের সঙ্গে সংযোগে থাকা যায় সে জন্য। কিন্তু এখন যেটা হচ্ছে অপরিচিত মানুষদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে পরিবার কিংবা কাছের মানুষ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। এর থেকে খারাপ দিক আর কী হতে পারে। ফেসবুকে আসক্তির কারণে দেখা যায় চাকরিতে গেলে সময় দিতে চায় না, আচার-আচরণের পরিবর্তন আসে, ঘুমের অভ্যাস পরিবর্তন হয়। এছাড়া আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে পরিবারকে কার্যকর সময় দিতে পারে না। কামাল উদ্দীন বলেন, বর্তমানে ছেলেমেয়েদের ক্ষেত্রে যেটা হয়, ফেসবুকের মাধ্যমে বিপরীত লিঙ্গের অপরিচিত কারো সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। যে কারণে ছেলেমেয়েরা সবসময় ওই ঘোরের মধ্যে থাকে। আর এটা এমন একটা মাধ্যম যেখানে বোঝার উপায় থাকে না যে আপনি কার সঙ্গে কথা বলছেন। যদিও অন্যান্য মাধ্যম আছে যেমন ভিডিওয়ের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায় তবুও ভার্চুয়াল ওয়ার্ল্ড যেহেতু ঝুঁকি তো থেকেই যায়। এসব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসক্তির কিছু কারণও আছে। আপনি সারা দিন খাওয়া-দাওয়া করার পর সেই এনার্জিটা ব্যয় করতে হবে তো। কিন্তু ছেলেমেয়েরা সেটা ব্যয় করতে পারছে না। হাটেমাঠে খেলাধুলা করতে পারছে না, বন্ধুদের সঙ্গে বাইরের খোলা পরিবেশে আড্ডায় মেতে উঠতে পারছে না। বন্ধু, আড্ডা, খেলাধুলা এমনকি পড়ালেখা থেকে শুরু করে সবকিছুই ঘরোয়াভাবে করতে হচ্ছে।  অনেকাংশে রাষ্ট্র তাদের সেই পরিবেশ দিতে পারছে না। সেই সঙ্গে পরিবার এবং সমাজ থেকে যতটুকু পাওয়ার কথা সেটা পাচ্ছে না। আবার অনেকের ক্ষেত্রে যেটা হয় ছেলেমেয়েরাও নিতে পারে না। এটা একটা দ্বিপক্ষীয় বিষয়। তবে এক্ষেত্রে বৃহত্তর অর্থে সমাজ এবং পরিবারের সমস্যা এবং ব্যক্তিগত সমস্যাও আছে। আসক্তির আর একটা পারিবারিক কারণ যেটা বর্তমান সময়ে খুবই লক্ষণীয় সেটা হলো, পরিবারের সদস্যদের সময় না দেয়া। স্বামী অথবা স্ত্রী একে অপরকে সঠিকভাবে সময় না দিলে তখন তারা অন্য দিকে ঝুঁকে পড়ে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই যেটা দেখা যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা পরিচিত-অপরিচিত অনেক নতুন বন্ধু খুঁজে নেয়। তখন তারা স্বাভাবিক বিচার করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে যে কারণে নেগেটিভ জিনিসিটা বেশি হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. নেহাল করিম বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বিশেষ করে ফেইসবুক ব্যবহারের সবচেয়ে খারাপ দিক হচ্ছে এটা সময়ের অপচয়। আমার মতে, এটা রিটায়ার্ড যারা তাদের জন্য ঠিক আছে। যদিও প্রতিটি মানুষের নিজ নিজ অভিরুচি কে কোন দিকে যাবে, কোন কাজটা করবে। তবুও আমার মনে হচ্ছে ছেলেমেয়েদের ফেসবুকে সময় নষ্ট করা উচিত নয়। আসক্তি কোনো কিছুতেই ভালো না এটা সবসময়ই খারাপ। বর্তমান সময়ে ফেসবুকে অতিরিক্ত সময় কাটানোর কারণে সংসার ভাঙছে, দাম্পত্য জীবনে কলহ বাড়ছে। অপরিচিত মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে পরিবারের কাছ থেকে দূরে সরে যায়। নতুন মানুষের সঙ্গে কথা বলার পর ভালো লাগা কাজ করে। যে কারণে পরিবারে ভাঙনের শুরু হয়। এছাড়া ফেইক আইডির মাধ্যমে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে ছেলেমেয়েদের জীবনের স্বাভাবিক গতি ব্যাহত করে। প্রচুর ছেলেমেয়ে আছে যারা রাতে, দিনে এমনকি ক্লাসে বসেও ফেইসবুক ব্যবহার করে। আর ভালো দিক যেটা সেটা হচ্ছে, হারিয়ে যাওয়া বন্ধুদের খুঁজে পাওয়া যায়। বিভিন্ন ধরনের অনুভূতি প্রকাশ করতে পারে। আর সবচেয়ে বড় যে দিকটা সেটা হলো, বিশ্বের সব খবর জানতে পারে, জ্ঞানের পরিধি বাড়ে এবং যোগাযোগ বাড়ছে। নেহাল করিম বলেন, এসব আসক্তির একটা বড় কারণ হচ্ছে বর্তমানে ছেলেমেয়েরা খেলাধুলার সুযোগ পায় না। স্কুল-কলেজগুলোতে খেলার মাঠ নেই, এমনকি শহরের মধ্যেও খেলার জায়গা নেই। সব দখলে নিয়ে ছেলেমেয়েদের ঘরোয়া হতে বাধ্য করছে। জীবনের নিরাপত্তা না থাকায় মা-বাবাও চায় তার সন্তানরা যেন ঘরের মধ্যেই থাকেন। আর লেখাপড়া, কোচিং এসবের মধ্যে খেলার জন্য সুযোগ পায় না তারা। তিনি বলেন, আমাদের সময় যেটা ছিল ভাই-বোন বেশি হওয়ায় আলাদা রুমের ব্যবস্থা ছিল না। অন্য ভাইবোনরা কী করছে সব টের পেতাম। এখন রুম পদ্ধতি হওয়ার কারণে ছেলেমেয়েরা দরজা বন্ধ রেখে কী করে সেটা কেউ টের পায় না। টেলিভিশন, ইন্টারনেট, ইউটিউভ এ সবের চাহিদা তাই প্রতিনিয়ত বাড়ছে। চাহিদাগুলো পূরণ করার কারণেই আসক্তি বাড়ছে। নেহাল করিম বলেন, প্রতিটি উদ্ভাবনই মানুষের কল্যাণের জন্য। তাই শিক্ষার্থী, তরুণ-তরণীদের বঞ্চিত করা ঠিক হবে না। প্রত্যেকটা বয়সেরই একটা ধর্ম আছে। তাই তাদেরকে ভালো মন্দ বুঝিয়ে দিতে হবে। মোবাইলে সন্তানরা কার সঙ্গে বন্ধুত্ব করছে এটা সব বাবা-মায়ের জানার কথা না। তবুও যেন মা-বাবা সচেতন থাকেন সন্তানরা যেন কোনোভাবে প্রতারিত না হয়। যদি ছেলেমেয়েদের জীবনের লক্ষ্য, আদর্শ এবং উদ্দেশ্য ঠিক করে দেয়া যায় তখন ঝুঁকিটা একটু কম থাকে। এটা তাদের বুঝাতে হবে জীবনের লক্ষ্যটাকে ঠিক রেখে সবকিছু করতে হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক, ড. আফরোজা হোসেন বলেন, কোনো কিছুর প্রতি মানুষের আসক্তিটা কখন হয় সেটা আগে বুঝতে হবে। যখন আমাদের কাছে কোনো কিছু করার থাকে না কিংবা উপায় খুঁজে পায় না তখন আমরা আশপাশের অন্য বিষয়ের দিকে নির্ভরশীল হই। আর এই নির্ভরতা বেড়ে গিয়েই আসক্তি হয়। বর্তমানে ফেসবুকে যে নেটওয়ার্কিং হচ্ছে সেটা তো অলস সময় পার করা। সব মায়েরা চায় তাদের সন্তানরা সবসময় পড়ালেখা করুক। কিন্তু তারা নিজেও জানে না কখন সন্তানরা অন্যদিকে আসক্ত হয়ে পড়ছে। আর এটাতো এমন নয় যে, সময় বেঁধে দিলে বাচ্চারা শুনবে। তরুণ-তরুণীদের কতক্ষণ চোখের সামনে রাখা যায় কিংবা ব্যক্তিগত বিষয়ে নজর রাখা যায়। তবে যেটা করতে পারে সেটা হচ্ছে পরিবার থেকে নীতি-নৈতিকতার বিষয়গুলো বুঝিয়ে দিতে হবে। আফরোজা হোসেন বলেন, আরেকটা বড় সমস্যা হচ্ছে অবসর সময়ে  ছেলেমেয়েরা কী করবে। তাদের তো আমরা কোনো অপশন দিতে পারছি না। বাইরে কোথায় পাঠাবো নিজের সন্তানদের মানসিক বিকাশ এবং খেলাধুলার জন্য। সেই জায়গাটা থাকতে হবে। বর্তমানে আমরা এমন একটা সিস্টেমের মধ্যে বাস করছি, যেটা স্বাভাবিক নয়। নিরাপত্তাহীনতার কারণে আমরা বাধ্য হচ্ছি নিজেদের সন্তানদের তালাবদ্ধ করে বড় করতে। ফেসবুক কিংবা অন্য মাধ্যমগুলোতে আসক্তি বাড়ার আরেকটা কারণ এটাই। সমাজে কিংবা রাষ্ট্রে যদি পরিবর্তন আনতে হয় তাহলে এমনভাবে আনতে হবে যেন আমাদের নিজেদের কাজে লাগে সেই সঙ্গে অন্য দশজনের ও উপকারে আসে। শুধু ব্যক্তিস্বার্থ কিংবা কিছু মানুষের কথা চিন্তা করে পরিবর্তন আনলে সেটা অবশ্যই ফলপ্রসূ হবে না।

বাংলাদেশিদের ৫ বছরের ভ্রমণ ভিসা দেওয়ার পরিকল্পনা ভারতের

a1নয়াদিল্লি, ১৭ আগষ্ট- বাংলাদেশি নাগরিকদের দীর্ঘমেয়াদি ‘মাল্টিপল-এন্ট্রি’ ভ্রমণ ভিসা দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে ভারত। বিষয়টি অনুমোদনে কাজ করছে ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ভারতের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কিরেন রিজু সম্প্রতি পার্লামেন্টে বলেন, ‘৬৫ বছরের বেশি বয়সি বাংলাদেশি নাগরিকদের পাঁচ বছরের দীর্ঘমেয়াদি মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসা অনুমোদনের প্রস্তাব বিবেচনাধীন রয়েছে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে যথাসময়ে রাজ্য সরকারগুলো এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলোসহ অন্যান্য কর্তৃপক্ষের অভিমত বিবেচনায় নেওয়া হবে।’

তবে বাংলাদেশ সীমান্তসংলগ্ন আসাম ও পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতের অন্য রাজ্যগুলো আগেই এ উদ্যোগের বিরোধিতা করেছে। তাদের ভাষ্য, এ ধরনের উদ্যোগ নিলে সীমান্তে লোকের ঢল নামবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যে ধরনেরই সিদ্ধান্ত হোক না কেন, রাজ্য সরকারগুলোর সঙ্গে যথাযথ আলোচনা সাপেক্ষেই তা চূড়ান্ত হবে। তবে ভিসা ছাড়া (ফ্রি-এন্ট্রি) বাংলাদেশিদের ভারতে প্রবেশের অনুমিত দেওয়ার কোনো সম্ভাবনাই নেই।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ১৮ বছরের নিচে এবং ৬৫ বছরের বেশি বয়সি বাংলাদেশিদের বিনা ভিসায় ভারতে প্রবেশ করতে দেওয়া নিয়ে কোনো প্রস্তাব নেই।

ভারতের ১৬টি বিমানবন্দরে ১৫০টি দেশের নাগরিকদের জন্য ই-টুরিস্ট ভিসা ব্যবস্থা চালু আছে। এ ব্যবস্থায় আরো দেশ অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে ভারতে আশ্রয় নেওয়া অবৈধ হিন্দু-অভিবাসীদের ‘শরণার্থী মর্যাদা’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হওয়ায় নতুন করে ভিসাসংক্রান্ত বিষয় চূড়ান্ত করার আগে সব দিক গুরুত্ব সহকারে ভেবে দেখবে ভারত।

এর আগে বেশ কয়েকবার ভারতের কাছে দীর্ঘমেয়াদি ভিসা দেওয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ভারতের কর্মকর্তাদের সামনে বিষয়টি কয়েকবার উত্থাপনও করেছেন। তবে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

এফ/০৮:১৫/১৭আগষ্ট

শাবি ক্যাম্পাসে বঙ্গবন্ধুর মুর‌্যাল উদ্বোধন

sb

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মুর‌্যাল উদ্বোধন করা হয়েছে। ১৩ আগস্ট, সকালে মুর‌্যাল উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর আব্দুল মান্নান। প্রতিকৃতি উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু একজন রাজনৈতিক কর্মী থেকে নেতায় পরিণত হন এবং পরে বাঙালী জাতির প্রতি তাঁর অসামান্য অবদানের কারণেই তিন রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হন, যা খুব কম নেতার ভাগ্যেই জুটে থাকে। দূরদর্শী নেতৃত্ব ও প্রজ্ঞার কারণেই বঙ্গবন্ধু সাধারণ মানুষের কাছে পোঁছতে পেরেছিলেন। ছয় দফা উপস্থাপনের মধ্যো দিয়ে তাঁর রাজনৈতিক দূরদর্শিতার প্রকাশিত হয়। এর ফলেই তিনি অবিসংবাদিত নেতায় পরিণত হন।

অনুষ্ঠানে শুরুতেই এ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনসিসির সদস্যরা মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর আব্দুল মান্নানকে ফুল দিয়ে বরণ করে এবং গার্ড অব অনার প্রদান করে।

ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. আমিনুল হক ভ‚ইয়া বলেন, শাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি স্থাপনের দাবি দীর্ঘদিনের। আজ দীর্ঘ দিনের এ দাবি ও লালিত স্বপ্নের বাস্তবায়ন হলো। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার গর্বিত ও আনন্দিত। ক্যাম্পাসে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতির মর্যাদা ও পবিত্রতার রক্ষার ব্যাপারে সচেষ্ট থাকতে সকলের প্রতি তিনি আহবান জানান।

অনুষ্ঠানে কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. ইলিয়াস উদ্দীন বিশ্বাস এবং প্রতিকৃত স্থাপন কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. মো. রাশেদ তালুকদার বক্তব্য রাখেন। এসময় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক-কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ ইশফাকুল হোসেন।

রেস্তোরাঁয় কাজ করছেন ওবামাকন্যা সাশা

a-1বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ‘বাড়ি’ হোয়াইট হাউসের কনিষ্ঠ মেয়ে হিসেবে ‘রাজকন্যা’র মতো আদর-আপ্যায়ন হয় তার। তাকে নিয়েই ৭ দিন ২৪ ঘণ্টা ব্যস্ত থাকে পুরো হোয়াইট হাউসের কর্মীরা। অথচ সেই তিনিই কিনা আয়েশের এই জীবন পাশে রেখে কাজ করছেন রেস্তোরাঁয়। করছেন ক্যাশ কাউন্টারে অর্থগ্রহণের কাজ, এমনকি টেবিল পরিচ্ছন্নতার কাজও।

এই ‘তিনি’ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার ১৫ বছর বয়সী কনিষ্ঠ কন্যা সাশা। তার অবকাশকালীন চাকরির খবর ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বসংবাদমাধ্যমে। খবরে বলা হচ্ছে, এবারের গ্রীষ্মকালীন অবকাশ পেয়েই সাশা ওবামা পরিবারের পরিচিত ম্যাসাচুসেটসের মার্থা’স ভিনিয়ার্ড আইল্যান্ডে ন্যান্সি’স রেস্টুরেন্টে কাজ করছেন। তিনি এ কাজ করবেন আগামী শনিবার (৬ আগস্ট) পর্যন্ত।

সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, ওবামাকন্যা রেস্টুরেন্টের নীল টি-শার্ট ও ক্যাপ পরে ক্যাশ কাউন্টারে কাজ করছেন। তবে তার আশপাশে আছেন গোয়েন্দা সংস্থার ৬ কর্মকর্তা।

সাশার একজন সহকর্মী সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘ও রেস্তোরাঁর নিচতলায় কাজ করছিলো। আমরা খেয়াল করছিলাম ওকে ছয়জন লোক সহযোগিতা করছিলো। পরে চিনতে পারলাম মেয়েটা আসলে কে!’

এ বিষয়ে হোয়াইট হাউস কোনো মন্তব্য করেনি। তবে ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামা বরাবরই বলে আসছেন, তিনি তার সন্তানদের যথাসম্ভব সাধারণ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন।

সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, সাশা প্রতিদিন সকালে ৪ ঘণ্টা করে দায়িত্ব পালন করছেন। কাজ শেষে তাকে আবাসস্থলে পৌঁছে দেন গোয়েন্দা সংস্থার কর্মীরা।

শনিবার প্রেসিডেন্ট ওবামা গ্রীষ্মকালীন অবকাশে পরিবারসহ মার্থা’স ভিনিয়ার্ডে বেড়াতে এলে চাকরি থেকে আপাতত ছুটি নেবেন সাশা।

ব্রিটেনের ভিসার আবেদন করতে পারবেন বাংলাদেশিরা সহজে

66743বাংলাদেশি ভিসা প্রার্থীদের জন্য নতুন অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম চালু করতে যাচ্ছে ব্রিটেন। এর মাধ্যমে আরও সহজভাবে ব্রিটেনের ভিসার আবেদন করতে পারবেন বাংলাদেশিরা।

বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নতুন এই ব্রিটিশ ভিসা অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম সম্পর্কে জানিয়েছে বাংলাদেশের ব্রিটিশ হাইকমিশন।

অ্যাক্সেস ইউকে নামে অভিহিত এই নতুন অ্যাপ্লিকেশন ফর্মটি তুলনামূলকভাবে সংক্ষিপ্ত হওয়ার পাশাপাশি মোবাইল ফরম্যাটের মাধ্যমেও এটি ডাউনলোড করা সম্ভব।

নতুন এই ভিসা ফর্মের ব্যাপারে ব্রিটেনের ভিসা অ্যান্ড ইমিগ্রেশন বিভাগের দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক নিক ক্রাউচ বলেন, ব্রিটেন ভ্রমণে আগ্রহীদের ভিসা প্রদান সেবা উন্নত করতে বদ্ধপরিকর ব্রিটিশ সরকার। ভিসা আবেদনের প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত ও সহজ করাই এই নতুন ভিসা অ্যাপ্লিকেশন ফর্মের লক্ষ্য।

২০১৪ সালে প্রথম চীনে এই ভিসা অ্যাপ্লিকেশন ফর্মটি চালু হয়েছিলো উল্লেখ করে নিক ক্রাউচ বলেন, তিনি আশা করেন এর মাধ্যমে আরও বেশি সংখ্যক বাংলাদেশি যুক্তরাজ্য ভ্রমণ করবেন।

www.gov.uk/apply-uk-visa. পাওয়া যাবে যাবে নতুন এই ভিসা অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য।

একই সঙ্গে বাংলা ভাষায় এই ফর্ম প্রণয়নের কাজ চলছে বলে জানানো হয়েছে ব্রিটিশ হাইকমিশনের ওই বিজ্ঞপ্তিতে।

কেউ দিচ্ছে না বাসা ভাড়া, তাহলে যাবে কোথায় ব্যাচেলররা?

ব্যাচেলর ভাড়াটিয়াদের নিয়ে আশঙ্কায় রয়েছেন অনেক বাড়ির মালিক। কেউ কেউ ব্যাচেলর ভাড়াটিয়াদের বাসা ছেড়ে দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাচেলরদের বাড়ি ভাড়া দিতে বাড়িওয়ালারা যেমন ভয় পাচ্ছেন তেমনি যারা ব্যাচেলর তারাও ভয়ে আছেন। কখন কোন সময় কার উপর কিভাবে বিপদ আসে তা বলা মুশকিল। রাজধানীতে বড় ধরনের দুটি জঙ্গি হামলার পর ব্যাচেলদের মধ্যে এ ভয় ঢুকেছে। মেসে যারা থাকেন সবার বাড়ি একই এলাকায় নয়। অপরিচিতদের সঙ্গে থেকে একে অপরের মুখ পরিচয়। সুযোগ হয়ে উঠে না মেসে কে ভালো, কে খারাপ।

রাজধানীতে বাড়িওয়ালারা আগে ব্যাচেলদের নাম-ঠিকানা কিংবা ভোটার আইর্ডি কাড না রাখলেও জঙ্গি হামলার ঘটনার পর তারা (বাড়িওয়ালারা) সতর্ক হয়েছেন। এখন প্রত্যেক বাড়িওয়ালা ব্যাচেলরদের সব তথ্য রাখছেন। পুলিশের পক্ষ থেকে দেয়া নির্দিষ্ট ফরম ভাড়াটিয়াদের ছবি সহ পূরণ করে রাখছেন। থানায় তা জমা দিচ্ছেন। তারপরও অনেকে ব্যাচেলদের বাড়ি ভাড়া দেয়াটা ঝুঁকিপূর্ণ মনে করছেন। ইতোমধ্যেই কিছু বাড়ির মালিক ব্যাচেলদের ভাড়া দেওয়া বন্ধ করেছেন। অনেক ব্যাচেলদের বাড়ি ছাড়ারও নোটিশ দিয়েছেন।

মেস ম্যানেজরা আগে অপরিচিত ব্যাচেলদের মেস নিলেও এখন তা বন্ধ। পরিচিত ছাড়া মেস ম্যানেজার কাউকে নিচ্ছে না। তেমনি একজন মেস ম্যানেজার রকিব উদ্দিন তালুকদার বলেন, আমাদের মেসে এখন প্রায় ১৫ জন ব্যাচেলর রয়েছে। প্রত্যেকের ভোটার আইডি কার্ড, কোথায় কাজ করে, পরিবারের কেউ ঢাকায় থাকে কিনা সব তথ্য রেখেছি। দেশের পরিস্থিতি ভাল নয় আমরাও চিন্তিত। পরিচিত ছাড়া কাউকে মেসে নিচ্ছি না। মেসে যারা আছে তাদের সঙ্গে কোনো পরিচিত মানুষ মেসে আসছে কিনা সে সম্পর্কেও সতর্ক আছি।

তেমনি একজন ব্যাচেলর জয়ন্ত রায় ৩ বছর ধরে একটি বাড়িটিতে ভাড়া থাকেন। কখনো বাড়ির মালিকের সঙ্গে কোন সমস্যা হয়নি। কিন্তু আজ সকালে বাড়ির মালিক তাকে বলে গেছেন সম্ভব হলে আগামী ১ তারিখ থেকেই বাসা ছেড়ে দিতে। তা না হলে আগস্ট মাস শেষে অবশ্যই বাসা ছেড়ে দিতে হবে। কারণ জানতে চাইলে মালিক তাদের জানিয়েছেন পুলিশ ও মালিক সমিতির নির্দেশ আছে। আমি (মালিক) কোন ঝামেলায় পড়তে চাই না।

জয়ন্ত রায় বলেন, বাড়িওয়ালারা ব্যাচেলর কথা শুনলেই আতঙ্কের মধ্যে থাকে। জঙ্গি হামলার পর থেকে তারা ব্যাচেলদের বাসা ভাড়া দিতে চায় না। আমাদেরও অনেক সমস্যা রয়েছে তা অস্বীকার করার কিছু নেই। কিছুদিন আগে রাজনীতিতে যে ঘটনা ঘটেছে এর সঙ্গে ব্যাচেলর জড়িত তা ঠিক নয়। কিছু খারাপ ছেলে রয়েছে যারা বাড়ি ভাড়া নিয়ে জঙ্গি কার্যক্রম চালায়। তবে এসব ঘটনা সব ব্যাচেলর করে তা নয়। একজন খারাপ ছেলের কারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মেসে অপারেশন চালালে খারাপের সঙ্গে সঙ্গে সঙ্গে ভাল মানুষও মারা যাবে। কিছু বাড়িওয়ালা অনেক সচেতন ব্যাচেলরদের বাড়ি ভাড়া দিলেও তাদের ভোটার আইটি কার্ড, জন্মনিবন্ধন কিংবা ঢাকায় আত্মীয়-স্বজন থাকলে তাদের সঙ্গে কথা বলেন। এমনকি বাড়ির মালিক দারোয়ানকে বলে দেয় ৫ জনকে ব্যাচেলর হিসেবে একটি ফ্লাট ভাড়া দিয়েছি। এই ৫ জনের বাইরে কাউকে বাড়িতে ঢুকতে দেবেন না।

তিনি বলেন, একজন ব্যাচেলর চাইলেই ব্যাচেলর শব্দটি দূর করতে পারবেন না। বাবা-মা লেখাপড়ার জন্য ঢাকা পাঠিয়েছেন তা শেষ না করে কিভাবে ব্যাচেলর শব্দটি দূর করবে। লেখাপড়া শেষে চাকরি এর পরে পরিবারের কোনো সমস্যা থাকলে তা সমাধান করেই অনেক ব্যাচেলর শব্দটি দূর করে। ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের আগে রাজধানীতে পেট্রলবোমা হামলার ঘটনা দেখা গেছে। সেই বোমা হামলার সঙ্গেও কিছু ব্যাচেলর ছেলে জড়িত ছিল। এরপরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যাচেলরদের মেসে গিয়ে তল্লাশি চালিয়েছে। যখন দেশের পরিস্থিতি শান্ত হল তখন ব্যাচেলরদের বাড়ি ভাড়া নেওয়ার ক্ষেত্রে তেমন কোনো জটিলতা দেখা যায়নি। রাজধানী এবার পর পর দুটি জঙ্গি হামলার ঘটেছে এজন্য ব্যাচেলদের উপর নেতিবাচক প্রভাবও পড়েছে। এই নেতিবাচক প্রভাব দূর হতে কিছুদিন সময় লাগবে। দু-একটা খারাপ ব্যাচেলর ছেলের কারণে তো পুরো ব্যাচেলর সমাজটি কলঙ্কিত হতে পারে না।66834

সাড়ে ৩ কোটি টাকার সোনার গয়না দিয়ে মেয়েকে বিয়ে দিলেন ব্যবসায়ী

b1নয়াদিল্লি, ২২ জুলাই- সন্তান স্নেহ, না কি নিছক বিত্তের প্রদর্শনী! মেয়েকে আপাদমস্তক সোনার গয়নায় মুড়ে বিয়ে দিলেন ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের এক মিষ্টি ব্যবসায়ী। কনের অঙ্গের গয়নার মোট মূল্য প্রায় ৩ কোটি ৫৪ লক্ষ টাকা।

ধনীর মেয়ের বিয়েতে সোনার অভূতপূর্ব প্রদর্শনীর সাক্ষী থাকল অন্ধ্রপ্রদেশের মন্দিরশহর তিরুপতি। স্থানীয় এক মিষ্টান্ন ব্যবসায়ী প্রায় ৩ কোটি ৫৪লক্ষ টাকা মূল্যের সোনার গয়না সহ বিয়ে দিলেন একমাত্র মেয়ের। বিয়ের অনুষ্ঠানে পাত্রীর বাবার সঙ্গেও শোভা পেল কয়েক লক্ষ টাকা মূল্যের সোনার গয়না, যা দেখে উপস্থিত অভ্যাগতর চোখ ছানাবড়া হওয়ার উপক্রম।

মাথা থেকে পা, সর্বাঙ্গ সোনায় মুড়ে স্থানীয় মন্দিরের বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন কনে। তার সঙ্গে ছিলেন কন্যাদায়গ্রস্ত বাবা, যার হাত ও গলাতেও ছিল সোনার গয়নার ছড়াছড়ি। হতদরিদ্র লোকালয়ের মধ্যে দিয়ে স্বর্নালী এই শোভাযাত্রা দেখে তাক লেগে যায় স্থানীয়দের। তবে কনে ও তার বাবার নিরাপত্তা সম্পর্কে সতর্ক ছিল পুলিশ। বিয়ের অনুষ্ঠানে মোতায়েন ছিল বিশাল পুলিশবাহিনী। সূত্র : এই সময়

এফ/০৮:১০/২২জুলাই

মশা কেন আপনার কানের কাছেই ঘুরঘুর করে? জেনে নিন সত্যিটা

a2নিশ্চয়ই আপনার অনেকবার মনে হয়েছে, কেন মশা বারবার আমাদের কানের কাছেই উড়ে বেড়ায়? তাহলে জেনে নিন, জীববিজ্ঞানীরা এই প্রশ্নের উত্তরে কী বলছেন।

এই বিরক্তিকর অভিজ্ঞতা সকলেরই হয়েছে। বসে বা শুয়ে রয়েছেন, আপনমনে কিছু ভাবছেন বা মোবাইলে গেম খেলছেন হয়তো। এমন সময় কানের কাছে শুরু হল— পোঁ পোঁ। কী ব্যাপার, না মশা ঘুর ঘুর করছে কানের কাছে। এরকম মুহূর্তে নিশ্চয়ই আপনার অনেকবার মনে হয়েছে, কেন মশা বারবার আমাদের কানের কাছেই উড়ে বেড়ায়? তাহলে জেনে নিন, জীববিজ্ঞানীরা এই প্রশ্নের উত্তরে কী বলছেন।

মশা মানবদেহকে চিহ্নিত করে শরীরের উষ্ণতা, আর্দ্রতা আর মানবশরীর থেকে নির্গত কার্বন-ডাই-অক্সাইডের মাধ্যমে। আমরা কার্বন-ডাই-অক্সাইড নির্গত করি নিঃশ্বাসের সময়ে নাক ও মুখ দিয়ে। ফলে আমাদের মাথাকে মশারা খুব চট করে চিহ্নিত করতে পারে। সেই কারণেই মশাদের স্বাভাবিক প্রবণতা হল মাথার আশেপাশে ঘুরঘুর করা। কিন্তু বেছে বেছে কানের কাছেই কেন আসে তারা?

জীববিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, কানের প্রতি মশাদের আলাদা কোনও আকর্ষণ নেই। তবে, কানের কাছে যখন কোনও কারণে তারা উড়তে উড়তে চলে আসে তখনই তাদের পাখার পোঁ পোঁ আওয়াজ আমরা শুনতে পাই। শরীরের অন্যান্য অংশের কাছাকাছি যখন তারা ঘোরে তাদের ডানা থেকে একই রকম শব্দ নির্গত হয়, কিন্তু সেই ক্ষীণ আওয়াজ আমরা তখন শুনতে পাই না। কাজেই আপনার কান দুটিকেই আপনি যদি আলাদা করে দুর্ভাগা বলে মনে করেন, তাহলে ভুল করছেন। আমাদের কানের প্রতি মশাদের আলাদা কোনও আকর্ষণ নেই।

কোটিপতি থেকে ভিখারি

a-1দারিদ্র্যকে জয় করে জীবনে সফল হয়েছেন এমন মানুষদের দেখেই সাধারণত আমরা সবাই অনুপ্রেরণা পাই, উৎসাহিত হই। তবে পৃথিবীতে এমন অনেক মানুষ আছে যাদের অতীতে প্রাচুর্য ছিল কিন্তু এখন দু’বেলা খাবারের ব্যবস্থা নেই। এ রকম ব্যক্তিদের জীবন থেকেও আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে।

সম্প্রতি হিউম্যানস অব বম্বে নামে একটি ফেসবুক পেইজে এমন এক ব্যক্তির কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে। যার একসময় প্রচুর অর্থবিত্ত ছিল। কিন্তু তিনি আজ অসহায়। একসময় ওই ব্যক্তি শিশুশিল্পী হিসেবে চলচ্চিত্রে অভিনয় করতেন।

তিনি বলেন, ‘আমি একসময় ধনী ছিলাম। বিশাল এক বাড়িতে থাকতাম। প্রায়ই পার্টি হতো আমাদের ঘরে। ধনী এবং বিখ্যাত ব্যক্তিদের আনাগোনা ছিল আমাদের বাড়িতে। তখন চাইলে আমি প্রতিদিন দশ বার খাবার খেতে পারতাম। কিন্তু আজকে আমি এক বেলাও খাবার খেতে পাই না।’

পেইজটিতে লোকটির নাম প্রকাশ করা হয়নি। তার মা-বাবা মারা যাওয়ার পর ভাই-বোনসহ তার পুরো পরিবারটি কীভাবে রাস্তায় নেমে আসে তিনি সেই কাহিনি এখানে বলেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয় করতাম। বেশ কয়েকজন বিখ্যাত ব্যক্তির সঙ্গে আমার কাজ করার সুযোগ হয়েছিল। তবে নির্মম সত্য হচ্ছে, তোমার পকেটে যখন টাকা থাকবে না তখন প্রতিভারও কেউ মূল্যায়ন করবে না। এমনকী তোমার চেহেরাটাও মানুষ ভুলে যাবে।’

এতকিছুর পরও মুম্বাইয়ের ওই ব্যক্তি ভেঙে পড়েননি, আশা ছাড়েননি। তিনি এখনো ভালো কিছুর স্বপ্ন দেখেন। ভবিষ্যৎ নিয়ে তার ব্যাপক পরিকল্পনা রয়েছে। সুন্দর আগামীর জন্য অপেক্ষা করতে এখনো তিনি ভীত নন।

এখানেই শেষ নয়। পোস্টটির একেবারে শেষের দিকে তিনি যে হৃদয়স্পর্শী কথা বলেছেন তা পড়লে অজান্তে আপনার চোখ অশ্রুসিক্ত হয়ে উঠতে পারে।

তিনি বলেন, ‘আপনাকে অনেক ক্লান্ত দেখাচ্ছে। আমার কাছে যথেষ্ট টাকাপয়সা নেই। কিন্তু আপনাকে কিছু খাওয়াতে চাই।’

আশা এবং উদারতা যদি শিখতে চান তাহলে এই লোকটি জীবন আপনার জন্য বড় উদাহরণ হতে পারে।

আর/১১:১৪/১৯ জুলাই

মানুষের মাথায় শিং

70জামালপুর, ১৭ জুলাই- জামালপুরে শতবর্ষী আয়াত আলী নামে এক শিং ওয়ালা মানুষের সন্ধান পাওয়া গেছে। মাথায় শিং গজানো মানুষটিকে একনজর দেখতে হাসপাতালে ছুটে যাচ্ছেন উৎসুক জনতা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শিং গজানো মানুষ আয়াত আলী শেখের বাড়ী জামালপুর পৌর শহরের লাঙ্গলজোড়া গ্রামে। গত ১৪ জুলাই দুপুরে আয়াত আলী প্রচন্ড ব্যথা নিয়ে ভর্তি হয়েছেন জামালপুর সদর হাসপাতালে। হাসপাতালের তৃতীয় তলার ৬ নং ওয়ার্ডের সার্জিক্যাল বিভাগে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

হাসপাতালের মেডিকেল সার্জন ডাক্তার নুরে আলম জানিয়েছেন, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আয়াত আলী শেখ সেফাসিয়াস র্হন রোগে ভুগছেন। এটি কোনো জটিল রোগ নয়। অপারেশন করলেই সে ভালো হয়ে যাবে।

আয়াত আলী শেখ জানান, প্রায় দেগ বছর আগে তার মাথায় প্রথমে একটি ফোঁড়া বের হয়। এরপর সেটি বড় হতে থাকে। বর্তমানে এটি শিং এর মত দেখতে। ইতিমধ্যে এই শিং এর দৈর্ঘ্য ১২ সেন্টিমিটার।

Developed by: