বিভাগ: বই পত্র

এলো স্মার্টঘড়ি ‘অ্যাপল ওয়াচ’ এবং ‘আইফোন ৬’

17e7dbc279b2101a5274680f7e9f4a3eস্মার্টঘড়ি ‘অ্যাপল ওয়াচ’ এবং আইফোনের বড় আকারের দুটো নতুন মডেল ‘আইফোন ৬’ ও ‘আইফোন ৬ প্লাস’ বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছে অ্যাপল। পাশাপাশি মুঠোফোনে লেনদেনের জন্য ‘অ্যাপল পে’ নামে একটা সেবাও চালু করতে যাচ্ছে অ্যাপল ইনকরপোরেশন।
সৃষ্টিশীলতায় নিজেদের সুনাম ফিরিয়ে আনার প্রত্যয়ে অ্যাপলের বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা টিম কুক জাঁকজমকপূর্ণ এক অনুষ্ঠানে মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের কুপারটিনোতে এই ঘোষণা দেন। খবর রয়টার্স ও বিবিসির।

আইপ্যাড-এর পর স্মার্টঘড়ি ‘অ্যাপল ওয়াচ’-ই বাজারে অ্যপলের প্রথম নতুন পণ্য। অ্যাপলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবসের মৃত্যুর প্রায় তিন বছর পর বাজারে এই স্মার্টঘড়ি ছাড়ার মধ্য দিয়ে কোম্পানিটির নতুন অভিযাত্রা শুরু হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। ‘অ্যাপল ওয়াচ’-এর দাম পড়তে পারে ২৫০ মার্কিন ডলার।

অ্যাপলের স্মার্টঘড়ি ‘অ্যাপল ওয়াচ’ কিছু অত্যাধুনিক অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে স্বাস্থ্য এবং ফিটনেস ট্র্যাকারের কাজ করবে এবং আইফোনের সঙ্গে যুক্ত থাকবে। বাজারে ইতোমধ্যেই বেশ কিছু স্মার্টঘড়ি থাকার পরও অ্যাপল এই স্মার্টঘড়ি বাজারে ছাড়ছে। আর এ নিয়ে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন—অ্যাপলের ইতিহাসই হলো একটা প্রযুক্তির ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে দেরিতে প্রবেশ করে পরবর্তীতে সেই ক্ষেত্রটার গতিপথই পাল্টে দেওয়া।

এদিকে, আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে বাজারে আসছে উন্নততর স্ক্রিন রেজুলেশনসহ আইফোনের বড় আকারের নতুন মডেল ‘আইফোন ৬’ ও ‘আইফোন ৬ প্লাস’। ‘আইফোন ৬’-এর আকার ৪.৭ ইঞ্চি এবং ‘আইফোন ৬ প্লাস’-এর আকার ৫.৫ ইঞ্চি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন অ্যাপ্লিকেশন ও নানা সুযোগ-সুবিধাসহ আইফোনের এই দুটো নতুন মডেল দিয়ে হয়তো অ্যাপল ক্রেতাদের অ্যান্ড্রয়েডের দিকে ঝুঁকে পড়ার প্রবণতা ঠেকাতে পারবে।

অ্যাপলের নতুন সেবা ‘অ্যাপল পে’ সম্পর্কেও অত্যন্ত আশাবাদী কোম্পানিটির সিইও (প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা) টিম কুক। কুপারটিনো শহরের ফ্লিন্ট সেন্টারে নতুন পণ্য সামগ্রীর মোড়ক উন্মোচনে আয়োজিত ওই জাঁকজমকপুর্ণ অনুষ্ঠানে কুক বলেছেন, এটা ক্রেতাদের ‘মানিব্যাগের বিকল্প’ হয়ে উঠবে।

প্রযুক্তি অঙ্গনসহ নানা ক্ষেত্রের তারকা আর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের এক মিলনমেলা হয়ে উঠেছিল কুপারটিনোতে অ্যাপলের এই মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান। প্রযুক্তি বিশ্ব যে অনেক দিন ধরেই অ্যাপলের এসব নতুন পণ্য ছাড়ার অপেক্ষায় ছিল তা যেন টের পাওয়া যাচ্ছিল অনুষ্ঠানজুড়েই। আর দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরও চমকের পর চমকে ভরা ছিল অ্যাপলের এই মহা ধুমধামের আয়োজন। তবে আসল চমকগুলোর জন্য মনে হয় ক্রেতাদের এসব পণ্য ব্যবহারের স্বাদ নেওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প নেই!

দেশে প্রায় ১৩ লাখ শিশু দৃষ্টি সমস্যায় ভুগছে

a2ede62f274c5afc8e880ee125ba7d4f বিশিষ্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, দেশের প্রায় ১৩ লাখ শিশু দৃষ্টিত্রুটিতে ভুগছে এবং ১ লাখ ৫৩ হাজার ৬শ শিশু ক্ষীণদৃষ্টি সমস্যায় আক্রান্ত। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হলে এসব শিশুর মধ্যে ৭৮ হাজার ৩৩৬ জন এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেত।

বর্তমানে দেশে মোট প্রায় ৪৮ হাজার শিশু অন্ধ উল্লেখ করে বিশেষজ্ঞরা বলেন, এদের মধ্যে ১৬ হাজার জনেরই অন্ধত্ব প্রতিরোধ করা যেত।

এছাড়াও প্র্রতি এক হাজার শিশুর মধ্যে দশমিক ৭৫ জন শিশুই অন্ধত্বের শিকার হচ্ছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত ”শিশু অন্ধত্ব” শীর্ষক এক অরিয়েন্টশন কর্মশালায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) বরাত দিয়ে বক্তারা এসব তথ্য তুলে ধরেন।

অরবিস ইন্টারন্যাশনাল এবং নারী সাংবাদিক কেন্দ্র যৌথভাবে এ কর্মশালার আয়োজন করে।

বিশেষঞ্জরা বলেন, প্রতিরোধযোগ্য শিশু অন্ধত্ব এবং দৃষ্টি প্রতিবন্ধিতা বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য ক্ষেত্রে একটি বড় সমস্যা, যা আর্থ-সামাজিক বৈষম্য বৃদ্ধিরও অন্যতম কারণ।

তারা জানান, শিশু অন্ধত্বের ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে অন্ধ ও ক্ষীণদৃষ্টি শিশুরা শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়াসহ সামাজিক বিচ্ছিন্নতা এবং অধিক দারিদ্র্যের কবলে পড়ার ঝুঁকির মধ্যে থাকে।

জাতীয় শিশু অন্ধত্ব কর্মসূচির আওতায় আয়োজিত এ কর্মশালায় প্রধান বক্তা ছিলেন জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক অফথালমোলোজী বিভাগের প্রধান অধ্যাপক এনায়েত হোসেন।

অরবিস ইন্টারন্যাশনালের কান্ট্রি ডিরেক্টর ডা. মুনীর আহমেদ অনুষ্ঠানে বিশেষ বক্তা ছিলেন।

তিনি বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের সচেতনতা, প্রাথমিক পর্যায়ে লক্ষণ নির্ণয়, চিসিৎসা এবং চিকিৎসা-পরবর্তী যত্ন এসব শিশুর দৃষ্টিশক্তি রক্ষা বা পুনরুদ্ধার করতে পারে ।

অন্যান্যের মধ্যে অরবিস ইন্টারন্যাশনালের ডিরেক্টর (প্রোগ্রাম) মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, জাতীয় অন্ধত্ব হ্রাস কর্মসূচির সমন্বয়কারী ডা. নাহীদ ফেরদৌসী, প্রোগ্রাম ব্যবস্থাপক মহসিনা আফরোজ, অরবিস ইন্টারন্যাশনালের দক্ষিণ এশিয়ার স্টাফ অফথালমোলোজী ডা. লুৎফুর হোসেন ও বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক পারভীন সুলতানা ঝুমা কর্মশালায় বক্তৃতা করেন।

স্ত্রী নির্যাতনে দক্ষিন এশিয়ায় বাংলাদেশ শীর্ষে

a2ede62f274c5afc8e880ee125ba7d4f স্ত্রী নিপীড়নের ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান শীর্ষে। বাংলাদেশে প্রতি ৫ জনের ১জন বিবাহিত নারী স্বামীর হাতে যৌন নিপীড়নের শিকার হচ্ছে। আর বিশ্বে প্রতি ১০ জনে একজন মেয়ে ১৯ বছর বয়স পেরোনোর আগেই ধর্ষণ বা যৌন নিপীড়নের শিকার হয়।

গতকাল শুক্রবার প্রকাশিত ‘হিডেন ইন প্লেইন সাইট’ (দৃষ্টির মধ্যেই সুপ্ত) শীর্ষক জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ)-এর একটি রিপোর্ট থেকে এই তথ্য জানা যায়। ১৯০টি দেশ থেকে তথ্য-উপাত্ত নিয়ে এই রিপোর্টটি তৈরি করা হয়।

দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশের পরে রয়েছে ভারত ও নেপালের অবস্থান। ৪২টি দেশের তথ্য নিয়ে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, দক্ষিণ এশিয়ায় প্রতি ১০ জনে ১ জন স্বামীর হাতে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়। বাংলাদেশে স্বামীর হাতে স্ত্রীর যৌন নির্যাতনকে একটি স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

স্বামী বা সঙ্গীর দ্বারা নির্যাতন
সারা বিশ্বে বিবাহিত কিশোরীদের (১৫ থেকে ১৯ বছর) মধ্যে শারীরিক, যৌন বা মানসিক নির্যাতনের শিকার হয় প্রতি তিনজনে একজন। এই হার সবচেয়ে বেশি ইকুয়েটোরিয়াল গিনিতে, ৭৩ শতাংশ। আর সবচেয়ে কম ইউক্রেনে, ২ শতাংশ। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে এই হার সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশে, ৪৭ শতাংশ। ১৯০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান এ ক্ষেত্রে ৭ নম্বরে। এরপর ভারত, পাকিস্তান ও নেপালে এই হার যথাক্রমে ৩৪, ২৮ ও ২৩ শতাংশ।

বিয়ের পর নির্যাতন
প্রতিবেদনে বলা হয়, কম বয়সে বিবাহিত মেয়েরা পরিবারের মধ্যে স্বামী বা অন্য সদস্যদের দ্বারা বেশি নির্যাতনের শিকার হন।

ক্ষণজন্মা নায়ক সালমান শাহ

1409996248অকাল প্রয়াত জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহের ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ ৬ সেপ্টেম্বর। তার জন্মও এ মাসেই। ১৯৭১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সিলেটের জকিগঞ্জে নানাবাড়িতে জন্মেছিলেন তিনি।
চলচ্চিত্র ক্যারিয়ার মাত্র চার বছরের। ঢাকাই সিনেমার মোড় ঘুরিয়ে দেয়া এই ক্ষণজন্মা নায়ককে আজও মনে রেখেছেন দর্শক। দেশের চলচ্চিত্রে নতুন একটি ধারার সূচনা হয়েছিল তার হাত ধরেই। ছবিতে তিনি থাকা মানেই ছিল নিশ্চিত সাফল্য। ছবির ব্যবসায়িক সাফল্য আর জনপ্রিয়তা দুটিই সমান তালে এগিয়ে নিয়ে গেছেন তিনি।
কমর উদ্দিন চৌধুরী ও নীলা চৌধুরীর বড় ছেলে ছিলেন তিনি। তার প্রকৃত নাম শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন। রূপালি পর্দায় তিনি সালমান শাহ নামে পরিচিত হন।
খুলনা কেটেছে স্কুলজীবন। এসএসসি পাশ করেন ঢাকার আরব মিশন স্কুল থেকে। আদমজি ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ড. মালেকা সায়েন্স ইনস্টিটিউট থেকে গ্র্যাজুয়েশন করেন। ১৯৯২ সালে মাত্র ২২ বছর বয়সে তিনি বিয়ে করেন বার্মিজ মেয়ে বিউটি পার্লার ব্যবসায়ী সামিরাকে।
মঈনুল আহসান সাবেরের লেখা ধারাবাহিক ‘পাথর সময়’-এ একটি চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে সালমান শাহ-এর অভিনয় জীবন শুরু হয়। সে সময় ইমন নামে অভিনয় করেছিলেন তিনি। ওই নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্রে তৌকির আহমেদ অভিনয় করলেও ইমনের চরিত্রটি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। হানিফ সংকেতের উপস্থাপনায় একটি ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানে গানের মডেল হন ইমন। কয়েকটি বিজ্ঞাপনেও কাজ করেন।
১৯৯৩ সালে সালমান শাহ নামে আবির্ভূত হন রূপালী পর্দায়। প্রথম ছবি ছিল সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’। আমির খান ও জুহি চাওলা অভিনীত সুপারহিট হিন্দি সিনেমা ‘কেয়ামত সে কেয়ামত তক’-এর রিমেক ছিল সেটি। এ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় সালমান শাহ ও মৌসুমীর। প্রথম আর্বিভাবেই বাজিমাত করেন সালমান। দর্শকরা এই সুদর্শন ও স্মার্ট তরুণকে তাদের হৃদয়ের সিংহাসনে ঠাঁই দেয়। মাত্র ২৫ বছর বয়সেই ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তিনি পৃথিবীর মায়া ছেড়ে চলে গেলেন।

পুতুলের হাসপাতাল

327e3802684bdcd121ab7cc9d9f01d8bকারো হাত নেই, কারো পা, কারো ভেঙে গেছে মাথাটাই। এসব রোগীকেই সুস্থ করে তোলেন ডাক্তাররা। সত্যিকারের সার্জনদের মতো ছুরি-কাঁচি দিয়ে অপারেশন চালান। ১০১ বছরে পুতুলের হাসপাতালে এসে এভাবে সুস্থ হয়েছে লাখ ত্রিশেক রোগী।

২৫ বছর ধরে সিডনির পুতুলের হাসপাতালে রোগীদের সুস্থ করে তুলছেন ডাক্তার কেরি স্টুয়ার্ট

সিডনি, ০৫ সেপ্টেম্বর- মক্কেলকে কাঁদাতে চান না কেউই। তবে এখানে মক্কেলের কান্না দেখেই ডাক্তাররা বুঝতে পারেন, কত ভালোভাবে কাজটি করতে পেরেছেন। আশায় আশায় থাকেন, রোগীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় কখন চোখের পানি ঝরবে। জলেই যে আনন্দ ডাক্তারদের! তবে যেসব রোগীকে সুস্থ করতে পারেন না, সেগুলোকে মৃত ঘোষণা দিয়ে একটি বাক্সে রেখে দেন। সে বাক্সের নাম ‘পুতুলের গোরস্থান’। যেখানে-সেখানে কেনা প্লাস্টিকের পুতুল ঠিকঠাক করে দেওয়ার জন্য অনেক হাসপাতালই দেশে দেশে গড়ে উঠেছিল। তার মাত্র কটিই টিকে আছে। তাদের মধ্যে সিডনির পুতুলের হাসপাতাল দেখতে দেখতে পার করে দিল ১০০ বছর। পারিবারিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি হয়ে গেল অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের ভাঙাচোরা পুতুলকে নতুন করে দেওয়ার ভরসাস্থল। খেটে চলেছেন জনা ১২ ডাক্তার-কর্মী। তাঁদের প্রধান জেফ চ্যাপম্যান। ৬৭ বছরের মানুষটিই হাসপাতালের সর্বেসর্বা, প্রধান সার্জন। তাঁর বাবার তৈরি হাসপাতাল চালাচ্ছেন। কর্মীদের অনেকে আসেন দূর-দূরান্ত থেকে। অনেকে পড়ে আছেন বছরের পর বছর। তাঁদেরই একজন কেরি স্টুয়ার্ট। সিকি শতাব্দী ধরে এ ডাক্তারের রোগী সারাতে সারাতে পেকে গেছে মাথার চুল। তার পরও মাঝেমধ্যে মেজাজ খারাপ হয়ে যায়। সবচেয়ে বিরক্ত লাগে সেলুলয়েডের পুতুল। একেবারে দুবলা, নাড়াচাড়া করাই ঝামেলা। কাঁচামালও খুব পাতলা, টিস্যুর মতো সিনথেটিক প্লাস্টিক। বলতে বলতে মেজাজ চড়ে গেল- ‘সেলুলয়েডের পুতুল ঠিকঠাক করা খুব ঝামেলা। অনেক সময় নেয়। একেকটা পুতুল নিয়ে তিনবারও কাজ করতে হয়েছে। তার পরই কেবল হয়েছে মনেরই মতো।’

হাসপাতালের জন্মও খুব মজার। জেফ চ্যাপম্যানের চাচা হ্যারল্ড চ্যাপম্যানের একটি সাধারণ মুদি দোকান ছিল। একবার জাপান থেকে সেলুলয়েডের পুতুলের একটি চালান আনলেন। তবে আসতে আসতেই ভেঙেচুরে একাকার। ভাইয়ের নির্দেশে সেগুলো ধরে ধরে ঠিক করলেন চ্যাপম্যান। পুতুল সারাই করতে করতেই মাথায় এলো সারাইকেন্দ্র খোলার। খুলেও ফেললেন ‘ডলস হসপিটাল’। দুঁদে ব্যবসায়ী ছিলেন চ্যাপম্যান। দেখতে দেখতে জনপ্রিয় হয়ে উঠল হাসপাতালটা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তো রমরমা সময় পেরিয়েছে। যুদ্ধের ফলে বাইরে খেলা নিষিদ্ধ ছেলেমেয়েদের। ঘরে বসে পুতুল খেলা ছাড়া অন্য বিনোদন নেই। মা-বাবাও খুব উৎসাহ দেন। যাতে বাইরে বেরোতে না হয়। আমদানি নিষেধাজ্ঞায় নতুন পুতুল আসা বন্ধ। পুরনো ছেঁড়াফাড়া পুতুলই ভরসা। তাই ছেলেমেয়েদের সন্তুষ্ট করতে দলে দলে মা-বাবা ভাঙাচোরা পুতুল সারাইয়ের জন্য লাইন দিয়েছিলেন। জেফের বাবার বিষয়বুদ্ধি ছিল প্রখর। স্মৃতি হাতড়ে ছেলে বললেন, ‘বাবারও মনে হয়েছিল যুদ্ধের বছরগুলোই ব্যবসা করার সবচেয়ে ভালো সুযোগ। হাসপাতালেরও সবচেয়ে সুসময় কেটেছে। রোগীর ভিড় সামলাতে ছিলেন ডাক্তার-কর্মী মিলিয়ে ৭০, ছয় ছয়টি রুম।’

মাসে গড়ে শ-দুয়েক পুতুল আর খেলনাকে সুস্থ করে। নিয়মিত পুতুল সারাইয়ের কর্মশালা করে। বলতে বলতে মজার তথ্য দিলেন হাসপাতালের প্রধান সার্জন জেফ- ‘৮০ শতাংশ কাজই আনেন বুড়ো খোকাখুকুরা।’ মাঝবয়সী পুরুষ, বুড়ো হয়ে যাওয়া কোনো নারী রোগী নিয়ে আসেন। নাতি-নাতনিদের খেলতে দেবেন বলে ছেলেবেলার পুতুল বের করেছিলেন বা বুড়োকালে ছেলেবেলার স্মৃতি হাতড়াতে খুঁজে বের করেছেন শখের পুতুল। খেলার সাথিকে দেখেই মন ভেঙে যায়। তখন তো এমন শয়ে শয়ে সুপার মার্কেট ছিল না বলে কিনতেও পারতেন না। একটি পুতুল দিয়েই ছেলেবেলা পার করেছেন অনেকে। প্রিয় পুতুলকে বাঁচাতে হাসপাতালে ছোটেন। নাজুক রোগীর সার্জারিও খুব মনোযোগের সঙ্গে করতে হয় চ্যাপম্যানের দলকে- ‘আমাদের কাছে তেমন রোগীই আসে, যার অবস্থা খুব খারাপ। এমন রোগী কমই পাই, যে সামান্যতেই সেরে যায়।’

কম নয়, হাসপাতালের জন্ম থেকে কমপক্ষে ৩০ লাখ পুতুল, টেডি বিয়ার, কাঠের ওপর চলমান ঘোড়া, খেলনা গাড়ির ওপর সফল অপারেশন চালিয়েছেন সার্জনরা। সুস্থ অবস্থায় সেগুলোকে নিয়ে হাসতে হাসতে ফিরে গেছেন অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডের হাজারও মানুষ। একবার এক মানুষ সমান লম্বা-চওড়া ভাঁড়কেও অপারেশন চালিয়েছেন চ্যাপম্যান। তাঁর কাঁচির নিচে ভদ্রভাবে শুয়ে পড়তে হয়েছে ঠিক ১২ ফুট লম্বা ভয়ংকর কুমিরকেও।

হ্যাঁ, ঠিক ভেবেছেন, মেয়েরাই বেশি আসেন পুতুল নিয়ে। তবে চ্যাপম্যান জানালেন, টেডি বিয়ার নিয়ে বয়স্ক পুরুষরাও আসেন। ফের বললেন, ‘আমরা এমনো মানুষ দেখেছি, যার চোখের জল পড়ছে তো পড়ছেই। পুতুল বের করে অঝোরে কাঁদছেন। তবে রিলিজ ডেটে অবাক হয়ে গেছেন- প্রিয় পুতুল টেডিকে দেখাচ্ছে ঠিক নতুনের মতো।’

এত্ত এত্ত রোগীর বেশির ভাগেরই সমস্যা চোখ আর চুলে। সত্যি হাসপাতালের মতো রিলিজ ডেট দেয় পুতুলের হাসপাতাল। বিশেষজ্ঞ সার্জন কখন সময় দিতে পারবেন ও কত সময় লাগবে তার ওপর নির্ভর করে ডেট দেওয়া হয়। যদি পা, পায়ের পাতা বা আঙুলে সমস্যা থাকে, তাহলে গেইল গ্রেইনঞ্জার ছাড়া উপায় নেই। এসব বিষয়ে তিনি এক্সপার্ট। এ ছাড়া রোগীদের ঠিকঠাক করতে যেসব জিনিসপত্র ব্যবহার করা হয়, সেগুলোর বেশির ভাগই সত্যিকারের সার্জনদের। পার্থক্য একটাই- অন্য হাসপাতালের মতো বিশাল কোনো জায়গায় বিরাট সাইনবোর্ড নেই পুতুলের হাসপাতালের। দক্ষিণ সিডনির ব্যস্ত পাড়া বেক্সলিতে পুতুলের দোকানের পেছনে আছে। ভেতরে সদাব্যস্ত ডাক্তার। কেউ হাত জোড়া লাগাচ্ছেন, কেউ পায়ের আঙুল বা মাথা। কেউ কোটর খুলে বের করে চোখের অবস্থা দেখছেন। তাঁদের রোগীরা যে নানাভাবে আহত। শিশুদের রাগের ফলাফল বা অতি উৎসাহী কুকুরের আক্রমণে বা ভাইবোনের কাড়াকাড়িতে শরীরটা হয়েছে জখম।

সাপ্তাহিক ছুটির দিনটি কীভাবে কাটান পৃথিবী বিখ্যাত সফল মানুষেরা?

সারা সপ্তাহের কাজের দিনগুলো শেষ করে যখন ছুটির একটা বা দুটো দিন দরজায় কড়া নাড়ে, কি ভালোটাই না লাগে! সাপ্তাহিক ছুটির দিনটা নিয়ে কতো রকম পরিকল্পনাই থাকে আমাদের। বেড়াতে যাওয়া, রেস্টুরেন্টে খাওয়া, পরিবারকে সময় দেয়া অথবা সারা সপ্তাহের ক্লান্তি কাটাতে বিশাল একটা ঘুম। কিন্তু পৃথিবীর সফলতম ব্যক্তি যারা, তারা কীভাবে কাটান তাদের ছুটির দিনটি? জানতে ইচ্ছে করছে নিশ্চয়ই!জেনে নিন তাহলে-১। “ঘুম থেকে উঠতে হবে সকাল সকাল”-রবার্ট আইগারঃ
ডিজনির সি ই ও, নিঃসন্দেহে বিশ্বের সফলদের অন্যতম এই ব্যক্তি ছুটির দিনটিতেও ভোর সাড়ে চারটায় ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাসটাকে ধরে রাখেন। তাঁর মতে সফল হতে চাইলে ছুটির দিনেও বেলা ১২ টা পর্যন্ত পড়ে পড়ে ঘুমুবার অভ্যাসটা ত্যাগ করতেই হবে! কোন শর্টকাট নেই!

২। “গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোকে বাছাই করার দিন এটি”-স্টিভ জবসঃ
ছুটির দিনটা হল, সারা সপ্তাহে আপনার ভুলে যাওয়া ছোট ছোট গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোকে মনে করে পরের সপ্তাহের জন্যে সাজিয়ে নেয়ার দিন। এই কাজটাই করতেন তিনি তার ছুটির দিনে। তবে তার মানে এটা নয় যে তিনি ছুটির দিনেও কাজের কথাই কেবল ভাবতেন। কেননা সারা সপ্তাহের না করা কাজের ভেতর পরিবারকে সময় দেয়াটাও আছে। তাই ছুটির দিনে সেটাকেও পূর্ণ মাত্রায় করতেন তিনি।

৩। “শখগুলো চর্চার পারফেক্ট দিন এটি”-ওয়ারেন বাফেটঃ
বিশ শতকের সবচেয়ে সফল এই বিনিয়োগকারী তার ছুটির দিনটি কাটান খেলাধুলা করে। এটিই তার শখ। সফল ব্যক্তিরা সব সময়েই বেশ কৌতুহলোদ্দীপক। শখ দ্বারাও অনেক কিছু করা সম্ভব। কেননা দলীয় খেলার মাধ্যমে যেমন চেনাজানার গন্ডী বড় হয় তেমনি একাকী সৃজনশীল কোন শখ যেমন ছবি আঁকার মাধ্যমেও খুঁজে পাওয়া যায় মানসিক প্রশান্তি!

৪। “স্থির হয়ে বসে থাকার চর্চা” -অপরাহ উইনফ্রেঃ
ছুটির দিনে সকাল বিকাল দুই বেলা কমপক্ষে ২০ মিনিট করে স্থির হয়ে বসে থাকতে পছন্দ করেন ফোর্বস ম্যাগাজনের জরিপে ২০১৩ সালের সেরা এই সেলিব্রিটি। বলা চলে মেডিটেশন। কেননা সারা সপ্তাহের মিডিয়া, সামাজিকতা, কাজ আর যোগাযোগ সব মিলিয়ে নিজেকে ক্লান্তি থেকে উজ্জীবিত রাখার জন্যে ছুটির দিনের এই মেডিটেশন তাকে সামনের দিনগুলোর জন্যে শক্তি যোগায়।

৫। “নিজের ভুলগুলোকে মনে করে শুধরে নেবার দিন”- বিল গেটসঃ
তাঁকে বলা যায় বিশ্বের সফলতম একজন মানুষ। সাফল্যের জোয়ারে ভাসতে থাকা এ মানুষটি প্রতিনিয়ত শিখতে ভালোবাসেন। আর তাই নিজের ছুটির দিনটিকে তিনি পেছনে ফিরে তাকাবার জন্যে নির্ধারিত রাখেন। নিজের ভুলগুলো নিয়ে অনুশোচনা নয়, বরং শিক্ষালাভের জন্যেই ছুটির দিনে নিজের ভুলগুলোকে মনে করা ও শিক্ষালাভের দিন হিসেবে নির্ধারিত রাখেন তিনি।

৬। “আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজত হবার দিন”, রিচার্ড ব্র্যান্সনঃ
এই বিলিওনিয়ার মনে করেন, “দান করলে কেউ গরীব হয়ে যায় না” তাই তিনি চেষ্টা করেন তার ছুটির দিনগুলোতে সমাজের দুস্থ মানুষদের জন্যে কিছু করতে। তিনি ছুটির দিনগুলোতে সমাজসেবামূলক বিভিন্ন কর্মকান্ডে অংশ নেন।

৭। “দৌড়ের উপরেই থাকতে হবে”-এনা উইনট্যুরঃ
বিশ্বখ্যাত “ভোগ”ম্যাগাজিনের এ্ডিটর ইন চিফ প্রতিদিন এক ঘন্টা টেনিস খেলেন। তার মতে, দেহের সচলতা না থাকলে মনের সৃজনশীলতা থাকা কঠিন। তাই ছুটির দিনেও দৌড়ের উপর, অর্থাৎ শারীরিক পরিশ্রম ব্যায়াম বাদ দিয়ে ঘুমোনো যাবে না একদমই!

৮। “দিনটা শুধুই পরিকল্পনার”-জ্যাক ডরসিঃ
সফল মানুষদের গোপণ সূত্র নিহিত থাকে তাদের ছুটির দিনেই। কেননা এই দিনটি পরিকল্পনার। তার মতে, ছুটির দিনে আপনি যত ভালো পরিকল্পনা করবেন, তত ভালোভাবে আগামী সপ্তাহটার কাজ এগিয়ে যাবে। সুতরাং কাজের দিনগুলোকে কাজে লাগাতে হলে ছুটির দিনটায় মাথা ঠান্ডা করে প্ল্যান করতে বসুন

৯। “ছুটির দিন বলে কিছু নেই”- জে জেডঃ
“আপনি যদি সপ্তাহে মাত্র ৫ দিন কাজ করে বিলিওনিয়ার হতে চান এবং সপ্তাহের ছুটির দিনগুলো অতি আরাম আয়েশে কাটাতে চান, তাহলে আপনি কখনোই সফল হতে পারবেন না”। বলেন বিখ্যাত র‍্যাপ গায়ক ও সফল উদ্যোক্তা জে জেড। তার মতে আপনি সফল হতে চাইলে ঘুমুবার সময়েও একটা চোখ খোলা রেখে ঘুমুতে হবে। ছুটির দিন বলে যে কিছু একটা আছে, এটা উনি মানতেই চান না।

বেশ অদ্ভুত লাগছে নিশ্চয়ই! এবার ঠিক করুন, কীভাবে কাটাবেন আপনার ছুটির দিনটাকে!

বিপাশার সঙ্গে ৮০ পুলিশ!

26d49a52b789bdc3fd90d3db1501d7a5-100দীর্ঘদিন পর মুক্তি পেতে যাচ্ছে বলিউডের সেক্সসিম্বল অভিনেত্রী বিপাশা বসু অভিনীত নতুন ছবি ‘ক্রিয়েটর থ্রিডি’। ছবিটি নিয়ে দৌড়ঝাঁপও কম করছেন না এই আলোচিত অভিনেত্রী। সম্প্রতি প্রচারণায় গিয়ে এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়ছেন বিপাশা। ‘ক্রিয়েটর থ্রিডি’ ছবির প্রচারণা করতে গিয়েছিলেন তিনি ছত্রিশগড়ের রায়পুরে। আগে থেকেই বলা হয়েছিল এখানে বিপাশাকে অতিরিক্ত নিরাপত্তা দেয়া হবে। তাই বলে ৮০ জন পুলিশ সদস্য! বিষয়টি অবাক করার মতো হলেও সত্যি। প্রচারণার সময় বিপাশার আশপাশে ৮০ জন পুলিশ মোতায়েন ছিল। তার মধ্যে আবার ১০ জন ছিলেন ক্রাইম ব্রাঞ্চের অফিসার। বিপাশাকে রায়পুরে নেয়ার সময় নিরাপত্তা বাহিনীর বিশাল একটি গাড়ি বহর ছিল। সব মিলিয়ে বিষয়টিকে ফিল্মিই মনে হচ্ছিল। এতো সব আয়োজন দেখে চমকেছেন বিপাশাও। তিনি এর অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, ৮০ জন পুলিশ অফিসার সঙ্গে থাকলে স্বাভাবিকভাবেই নিজেকে অনেক বড় কিছু মনে হয়। আমি তো বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না। ছবিতে এরকম দৃশ্য অনেকবার শুট করেছি। কিন্তু বাস্তব অভিজ্ঞতা এই প্রথম। আমি বেশ উপভোগ করেছি এই সফরটা।

নগ্ন ছবি ফাঁস হওয়ায় খেপেছেন তারকারা

1409754444অনলাইনে নগ্ন ছবি ফাঁস হওয়া ক্ষুব্ধ হয়েছেন হলিউডের ভুক্তভোগী নারী তারকার। এ ঘটনার জন্য তারা আইক্লাউডকেই দায়ি করেছেন। তবে অ্যাপল দাবি করেছে, তাদের নিরাপত্তাজনিত কারণে এই অ্যাকাউন্টগুলো হ্যাক হয়নি। ঘটনাটি কিভাবে ঘটলো তা খতিয়ে দেখছে বলে জানিয়ে তারা।
সোমবার আইক্লাউড অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে শতধিক তারকার নগ্ন ছবি সরিয়েছে বলে দাবি করেছে হ্যাকাররা। তারা এ পর্যন্ত বেশ কয়েকজন তারকার নগ্ন ছবি অনলাইনে ছড়িয়ে দিয়েছে। এই তালিকায় আছেন—জেনিফার লরেন্স, কেইট আপটন, মেরি উইনস্টেড, কিম কারদাশিয়ান, আরিয়ানা গ্র্যান্ডে, ভিক্টোরিয়া জাস্টিস, কারস্টেন ডানস্টসহ অনেকেই।
এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই।

বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে রীতিমত ঝড় উঠেছে। ছবিগুলো আসল না নকল, সেটা নিয়েও বিতর্ক চলছে। ফাঁস হওয়া ছবিগুলো যে তাদেরই, সেটা স্বীকার করে নিয়েছেন কেইট আপটন, কিম কারদাশিয়ান, মেরি উইনস্টেড। অন্যদিকে অভিনেত্রী আরিয়ানা গ্র্যান্ডে এবং ভিক্টোরিয়া জাস্টিস বলেছেন অনলাইনে আসা ছবিগুলো তাদের নয়।

পাগড়ির ওজন ৪৫ কেজি!

untitled-14_83206_0উত্তর ভারতের পাতিয়ালার অবতার সিং মৌনী গর্বিত তার পাগড়ি নিয়ে। গর্বিত না হওয়ার কিছু নেই। তার পাগড়ি তো আর যে সে পাগড়ি নয়। এক পাগড়িরই ওজন প্রায় ৪৫ কেজি! শুধু তা-ই নয়, খুলে ফেলা অবস্থায় পাগড়িটা দুই হাজার ১১৫ ফুট লম্বা। যার মানে, লম্বায় ১৩টি অলিম্পিক সুইমিংপুলের সমান। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস মতে, বর্তমানে সবচেয়ে বড় পাগড়ি আরেক ভারতীয় মেজর সিংয়ের; কিন্তু তার পাগড়ি লম্বায় এক হাজার ১২ ফুট। ৬০ বছর বয়সী অবতার সিংয়ের পাগড়িকেই তাই এখন বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা পাগড়ি বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও অবতার সিং এসব রেকর্ডের তোয়াক্কা করেন না।
এই বিশাল আকৃতির পাগড়ি তিনি বহন করেন ধর্মীয় কারণে আর মূলত শখের বশে। শিখ পুরুষদের কাছে চুল আর পাগড়ির যত্ন নেওয়া একটা আবশ্যক ধর্মীয় আচারের মধ্যেই পড়ে। দিনের প্রায় ?ছয় ঘণ্টা সময় ব্যয় করতে হয় এই বিশাল পাগড়ি মাথায় পরতে। পেল্লাই এ পাগড়ির জন্য অবতার সিং বাসে বা গাড়িতেও চড়তে পারেন না। কেবল মোটরসাইকেলে চড়েই তিনি পতিয়ালার শিখদের মন্দিরে যেতে পারেন।
পাগড়িসহ শিখদের ঐতিহ্যবাহী পোশাকের সঙ্গে তিনি আরও ৮৭ পাউন্ড ওজনের ধর্মীয় অস্ত্রপাতি বহন করেন। নিজের পাগড়ি সম্পর্কে অবতার সিং মৌনী বলেন, ‘আমি এটাকে কোনো বোঝা মনে করি না। এটা মাথায় রাখতেই আমার ভালো লাগে। খুব অল্প সময় যখন আমার মাথায় পাগড়িটা থাকে না, তখন নিজেকে কেমন যেন অসম্পূর্ণ মনে হয়। মনে হয়, আমার কিছু একটা যেন নেই।’ অবতার সিং মৌনী তার পাগড়ির জন্য স্বীকৃতি পেতে চান।
কিন্তু তার পাগড়ি যাতে কেবল ছবি তোলার বস্তুতে পরিণত না হয়, সে ব্যাপারেও তিনি সচেতন। তিনি বলেন, ‘আমি কয়েক ঘণ্টা সময় ব্যয় করে পাগড়িটা পরি, কিন্তু লোকেরা মাত্র দুই সেকেন্ডে এর ছবি তুলে নিয়ে চলে যেতে চায়। এটা তো ঠিক নয়।’ সূত্র: হাফিংটন পোস্ট।

শোয়েন্সটাইগার জার্মানির নতুন অধিনায়ক

a3a80b93f6bb0ae7d901d1fbc825d324বাস্তিয়ান শোয়েন্সটাইগারকে দলের অধিনায়ক হিসেবে নির্বাচিত করেছেন জার্মানির কোচ জোয়াকিম লো। সদ্য আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নেয়া ফিলিপ লামের স্থলাভিষিক্ত হলেন তিনি।

ব্রাজিল বিশ্বকাপে জার্মানিকে বিশ্বকাপ জয়ে নেতৃত্ব দেয়ার পর ফিলিপ লাম আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়েছিলেন। লো মনে করেন, লামের বায়ার্ন সতীর্থ শোয়েন্সটাইগারই হলেন জার্মানিকে নেতৃত্ব দেয়ার জন্য আদর্শ ব্যক্তি।
এক প্রেস কনফারেন্সে লো বলেন, “বাস্তিয়ান একজন আদর্শ নেতা। মাঠে এবং মাঠের বাইরে এর আগেও সে জাতীয় দলের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেছে।”

শোয়াইনির ওপর তার আস্থা আছে জানিয়ে জোয়াকিম লো বলেন, “ তার প্রতি আমার বিশ্বাস ও আস্থা রয়েছে। দলের টেকনিক্যাল স্টাফদেরও তার ওপর পূর্ণ বিশ্বাস রয়েছে। সে দল ও বয়স নির্বিশেষে দলের সকল খেলোয়াড়কে একতাবদ্ধ করেছে। সে-ই দলের জন্য যোগ্য নেতা।

২০০৪ সালে জার্মানির হয়ে অভিষিক্ত হওয়া ৩০ বছর বয়সী শোয়েন্সটাইগার কাইজারদের হয়ে একশ’ ম্যাচেরও বেশি খেলেন।

আগামী বুধবার আর্জেন্টিনার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে জার্মানি ও আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হবে। তবে সেই ম্যাচে ইনজুরির জন্য খেলতে পারবেন না জার্মানির এই নতুন অধিনায়ক। খেলায় দলকে নেতৃত্ব দিবেন জার্মানির বায়ার্ন গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়ার।

Developed by: