বিভাগ: বই পত্র

ভারতবর্ষ থেকেই চুম্বনের উৎপত্তি, জানুন ইতিহাস!

bbf754349ecf6288353d3786e9ca207fভারতবর্ষ থেকেই চুম্বনের উৎপত্তি, জানুন ইতিহাস! পশ্চিমা সিনেমা কিংবা চিত্রকলায় প্রকাশ্যে অবলীলায় চুম্বনের দৃশ্য দেখতে আমরা অভ্যস্ত। সে তুলনায় আমাদের নিজেদের দেশে এমনকি বেশিরভাগ এশীয় দেশেই আমরা সর্বসমক্ষে চুম্বন দৃশ্য দেখার কথা আমরা কল্পনাও করতে পারি না। রক্ষণশীল সমাজে এটিকে দেখাও হয় বাঁকা চোখে। অথচ পাশ্চাত্যের সমাজ চুম্বনের ধারনাটি পেয়েছে কোথা থেকে জানেন? আমাদের ভারতবর্ষ থেকেই! এই তথ্যটি উঠে এসেছে টেক্সাস এ অ্যান্ড এম ইউনিভার্সিটির নৃতত্ত্ববিদ্যার অধ্যাপক ভন ব্রায়ান্ট এর রিসার্চ থেকে। তার অধ্যাপনার প্রথম সপ্তাহে তিনি তার ছাত্রদেরকে এমন পাঁচটি সংস্কৃতির উদাহরণ দিতে বলেন সার্বজনীন। তার এক ছাত্র উত্তরে লেখে “সকল সভ্যতার চুম্বনের সংস্কৃতি”। কিন্তু এটি পড়ার পর অধ্যাপক ব্রায়ান্ট চিন্তা করেন, এ বিষয়ে তার আসলে যথেষ্ট জানা নেই। তিনি এ বিষয়ে লাইব্রেরিতেও তেমন কিছু খুঁজে পাননি। এর পরবর্তী ২০ বছর ধরে তিনি খুঁজে বেড়ান চুম্বনের সঠিক ইতিহাস। অনেকেই মনে করেন, আবেগের বশবর্তী হয়ে আমরা যখন প্রিয়জনকে চুম্বন করতে চাই তখন সেই প্রেরণাটি আসে আমাদের সহজাত প্রবৃত্তি থেকে। কিন্তু অধ্যাপক ব্রায়ান্ট এর মতে, এর সাথে প্রবৃত্তির সংযোগ নেই বরং এটি এমন একটি ক্রিয়া যেটি আমরা শিখি আমাদের পরিবেশ থেকে অর্থাৎ এটি একটি Learned Behavior। চুম্বনের উৎপত্তি ও বিস্তার নিয়ে ২০ বছরব্যাপী গবেষণায় তিনি নিশ্চিত হন যে, চুম্বন সার্বজনীন কোন সংস্কৃতি নয়। তার মতে, ১৫০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত চুম্বনের চর্চা সীমাবদ্ধ ছিল মূলত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং ইউরোপে। আমেরিকান, অস্ট্রেলিয়ান, এস্কিমো অথবা আফ্রিকানদের মাঝে এর চর্চা ছিল না। অধ্যাপক ব্রায়ান্ট দাবি করেন, চুম্বনের উৎপত্তি আসলে ভারতে এবং খ্রিস্টপূর্ব ৩২৬ সালের দিকে আলেকজান্ডার দ্যা গ্রেট পাঞ্জাব জয় করার পর এটি বিস্তার লাভ শুরু করে। আলেকজান্ডারের সেনাপতিরা বাড়ি ফিরে যাবার সময় এই চর্চাটিকেও সাথে করে নিয়ে যায়। ব্রায়ান্ট তার গবেষণায় লক্ষ্য করেন, হিন্দু ধর্মের মূল শাস্ত্র, বেদ এর কিছু স্থানে উল্লেখ আছে মুখ দিয়ে “স্পর্শ” করার কথা। কামসুত্রের বেশ কিছু স্থানেও দেখা যায় চুম্বন এবং এর কৌশলের উল্লেখ। এগুলোকে ব্রায়ান্ট বিবেচনা করেন সূত্র হিসেবে যেগুলো প্রমান করে যে চুম্বনের উৎপত্তি ভারতেই হয়। এ ছাড়াও তিনি বলেন, “kiss” শব্দটিই আসলে আরেকটি প্রমান, কারণ তিনি ভাষাতাত্ত্বিক প্রমান পেয়েছেন যে এই শব্দটির উৎসও ভারত। ব্রায়ান্ট তার গবেষণায় ধর্মীয় এবং প্রথাগত ক্ষেত্রে চুম্বনের ইতিহাসও অন্তর্ভুক্ত করেন। যেমন ইহুদিধর্মে ধর্মগ্রন্থ তাওরাত চুম্বনের প্রথা এবং পাশ্চাত্যে মিসেলটো লতার নিচে চুম্বনের চর্চা ইত্যাদি। ১৯২০ সালে জাপানে প্রকাশ্যে চুম্বনের রীতি এতটাই অপরিচিত এবং অস্বাভাবিক মনে করা হত, যে ভাস্কর রডিন এর ভাস্কর্য “The Kiss” প্রদর্শনী করার সময় একে বাঁশের চাটাই দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছিল এবং শুধুমাত্র বিশেষ অনুমোদন পাবার পরই কাউকে এটি দেখতে দেওয়া হত। –

পৃথিবীর বিখ্যাত ১০ টি স্থাপত্য, যেগুলো অবশ্যই একবার দেখা উচিৎ

7ae23ee241acff525fd61419e2df3604রহস্যে ভরা এই পৃথিবী যেমন প্রাকৃতিকভাবে অনেক সুন্দর তেমনি মনুষ্য তৈরি কৃত্রিম অনেক নিদর্শনও সবাইকে প্রতিনিয়তই মুগ্ধ করে চলছে। পৃথিবী বিখ্যাত এমন অনেক স্থাপত্য রয়েছে যেগুলো দেখতে অনেক বেশি সুন্দর এবং মনোরম। আসুন ছবিতে দেখে জেনে নিই এমন ১০ টি বিখ্যাত স্থাপত্যশৈলী। আজ রইলো দ্বিতীয় পর্ব।

১.পেট্রোনাস টুইন টাওয়ার :

ছবিতে দেখুন মনোমুগ্ধকর এই পেট্রোনাস টুইন টাওয়ার মালোয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অবস্থিত। ১৯৯৮ এবং ২০০৮ সালে এই টাওয়ারগুলোই পৃথিবীর সর্বোচ্চ টাওয়ার ছিল। এই সুন্দর টাওয়ারটির ডিজাইন করেছের আর্জেন্টাইন একজন স্থপতি সিজার পেলি। এই উঁচু টাওয়ারটি তৈরির প্রজেক্টটি চালু হয় ১৯৯২ সালে। এর কাজ শুরু হয় ১৯৯৩ সালে এবং শেষ হয় ৭ বছর পরে ২০০০ সালে। টাওয়ারটিতে মোট ৮৮ টি ফ্লোর রয়েছে যেগুলো স্টিল এবং কাঁচ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে।

২.হোয়াইট হাউজ :

আরেকটি মনোরম স্থাপত্য হল এই হোয়াইট হাউজ। এটি ওয়াশিংটন ডিসির উত্তরে ১৬০০ পেনসিলভানিয়া এভিনিউ এর কাছাকাছি অবস্থিত। ১৮০০ সাল থেকে এই হোয়াইট হাউস প্রতিটি ইউএসএ প্রেসিডেন্টের বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এই বিল্ডিংটির ডিজাইন করেন আইরিশ স্থপতি জেমস হবান। এটি ১৭৯২ সাল থেকে ১৮০০ সালের মধ্যে ৮ বছরে নির্মিত হয়। এটি নব্যধ্রুপদীশৈলীর একটি বিশেষ নিদর্শন।

৩.সেন্ট বেসিল এর গীর্জা :

সেন্ট বেসিল গীর্জার অফিসিয়াল নাম হল প্রতিরক্ষার গীর্জা। এতে একটি রাশিয়ান অর্থোডক্স চার্চ রয়েছে। এটি মস্কোর রেড স্কয়ারে অবস্থিত। এই চার্চটি ১৫৫৫ সাল থেকে ১৫৬১ সালের মধ্যে তৈরি করা হয়। এটি মূলত কাজান এবং আস্ত্রখান এর স্মৃতি রক্ষার জন্য তৈরি করা হয়েছে। মস্কোর একেবারে মধ্যবর্তী স্থানে এই স্থাপত্যটি নির্মাণ করা হয় এবং এটি ১৬০০ সালে ইভান গ্রেট বেল তৈরির আগে সর্বোচ্চ বিল্ডিং হিসেবে পরিচিত ছিল। এটির মূল ভবনটি ট্রিনিটি চার্চ যা পরবর্তীতে ট্রিনিটি ক্যাথিড্রাল নামে পরিচিত হয়ে ওঠে। এই সেন্ট বেসিল গীর্জাটি ১৯৯০ সাল পর্যন্ত ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট এর অন্তর্ভূক্ত ছিল।

৪.এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিং :

এই দীর্ঘ স্থাপত্যটি নিউইয়র্কের ম্যানহাটানের মিডটাউনে অবস্থিত। ১০২ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী এই এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিংটির ছাদ ১২৫০ ফুট উঁচু এবং এর মোট উচ্চতা ১৪৫৪ ফুট। নিউইয়র্কের আঞ্চলিক নাম এম্পায়ার স্টেট এর নামেই এই বিল্ডিংটির নামকরণ করা হয়েছে। ১৯৩১ সালে এটি নির্মাণ করা হয় এবং ১৯৭২ সালে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার নির্মাণের আগে এটিই ৪০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বিশ্বের সর্বোচ্চ বিল্ডিং হিসেবে পরিচিত ছিল। বর্তমানে এটি ৩য় সর্বোচ্চ ইমারত।

৫.বুর্জ খলিফা :

বুর্জ খলিফা বুর্জ দুবাই নামেও পরিচিত যেটি বর্তমান বিশ্বের সর্বোচ্চ মনুষ্য তৈরি স্থাপত্য যেটির উচ্চতা ৮২৯.৮ মিটার। এই টাওয়ারটি ইউনাইটেড আরব আমিরাতের দুবাইয়ে অবস্থিত। এটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০০৪ সালে এবং শেষ হয় ২০০৯ সালে। আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিল্ডিংটি খোলা হয় ২০১০ সালে। ২ স্কয়ার কিলোমিটার জুড়ে এটি অবস্থিত যেটিকে দুবাইয়ের ডাউনটাউন বলা হয়ে থাকে। বুর্জ খলিফার ডিজাইনার হলেন স্কিডমোর, প্রধান স্থপতি আড্রিয়ান স্মিথ এবং প্রধান স্ট্রাকচারাল প্রকৌশলী বিল বাকার। ইউএই প্রেসিডেন্ট খালিজ বিন জায়েদ আল নাহয়ান এই টাওয়ারটির নাম বুর্জ খলিফা দিয়েছিলেন।

৬.কোলোসিয়াম :

ইতালিতে অবস্থিত এই কোলোসিয়াম ভবনটি বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর এবং বিখ্যাত একটি ভবন। এর আসল নাম হল অ্যাম্ফিথিয়েট্রাম ফ্ল্যাভিয়াম। বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বড় অ্যাম্ফিথিয়েটার হল এই কোলোসিয়াম বা কোলিসিয়াম। এটি ইতালির একেবারে মধ্যভাগে অবস্থিত। রোমান সা¤্রাজ্যের সময়ে এটি কংক্রিট এবং পাথর দিয়ে নির্মাণ করা হয়। এর আকৃতি মোটামুটিভাবে উপবৃত্তাকার। ৭২ খৃষ্টাব্দে স¤্রাট ভেসপাসিয়ানের সা¤্রাজ্যকালে এটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। স¤্রাট টিটাসের সা¤্রাজ্যকালে ৮০ খ্রিষ্টাব্দে এর নির্মাণকাজ শেষ হয়। ভেসপাসিয়ান এবং টিটাস ফ্ল্যাভিয়া বংশোদ্ভুত ছিলেন। এরই নামানুসারে এই ভবনটির মূল নাম অ্যাম্ফিথিয়েট্রাম ফ্ল্যাভিয়াম রাখা হয়। এই থিয়েটারটিতে ৫০০০০ দর্শক আসন আছে। ক্ল্যাসিকাল বিভিন্ন ধরনের নাটক এখনও এখানে প্রদর্শিত হয়ে থাকে।

৭.তাজমহল :

বিখ্যাত ইতিহাস সমৃদ্ধ সুন্দর ভবন তাজমহল শুধু তাজ নামেও বিশ্বে পরিচিত। ভারতের আগ্রাতে এটি অবস্থিত এবং এতে সাদা মার্বেল পাথর নির্মিত একটি সমাধিস্থলও আছে। সম্রাট শাহজাহান তার তৃতীয় স্ত্রী মমতার উদ্দেশ্যে এই বিখ্যাত ভবনটি নির্মাণ করেন। এটি ভালোবাসার নিদর্শন হিসেবে সমগ্র বিশ্বে পরিচিত। ইমলামিক, পার্সিয়ান, অটোমান, তুর্কি এবং ভারতীয় সকল স্থাপত্যের নিদর্শন এই তাজমহল। এর নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৬৩২ সালে এবং শেষ হয় দীর্ঘ ২০ বছর পরে। তাজমহল ১৯৮৩ সালে ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট এর অন্তর্ভূক্ত হয়।

৮.সিডনি অপেরা হাউজ :

বিশ্বে এখনও এমন কিছু আধুনিক ভবন রয়েছে যেগুলো অদ্ভুৎ সব শিল্পনৈপূণ্যে ভরা। তার মধ্যে একটি হল সিডনি অপেরা হাউজ। এটি অস্ট্রেলিয়ার মধ্যমণি সিডনিতে অবস্থিত। অপেরা সিডনি হাউজকে শিল্প ভবন হিসেবেও অভিহিত করা হয়ে থাকে। এটি নির্মাণের প্রথম ধারণা দেন ড্যানিশ স্থপতি জন উৎজন। এটি প্রথম উদ্বোধন করা হয় ১৯৭৩ সালে এবং এতে অনেকগুলো পারফরমেন্স ভেন্যু রয়েছে। প্রতিবছর এখানে ১৫০০ টিরও বেশি অনুষ্ঠান অনিুষ্ঠিত হয়ে থাকে এবং এটি অস্ট্রেলিয়া দর্শনার্থীদের জন্যও অনেক বেশি বিখ্যাত। প্রতিবছর এতে ৭ মিলিয়ন দর্শনার্থী দেখতে আসে। এটি সিডনি অপেরা হাউজ ট্রাস্ট দ্বারাই পরিচালিত এবং ২০০৭ সালে এটি ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের অন্তর্ভূক্ত হয়।

৯.বাকিংহাম প্যালেস :

পৃথিবীর সুন্দর স্থাপত্যগুলোর মধ্যে অবশ্যই এই বাকিমহাম প্যালেসের কথা বলতেই হবে। এটি মূলত অফিসিয়াল আবাসিক ভবন এবং ব্রিটিশ রাজকীয়দের কর্মস্থল। এটি ওয়েস্টমিনস্টার শহরে অবস্থিত এবং ব্রিটিশদের একটি জাতীয় নিদর্শন হিসেবে পরিচিত। এটি বাকিংহাম হাউজ নামেই বেশি পরিচিত। বাকিংহাম প্যালেসটি দেখতে সত্যিই প্রাসাদের ন্যায় অনেক সুন্দর যেটি মূলত বাকিংহামের ডিউকের জন্যই নির্মাণ করা হয়। এর নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৭০৫ সালে এবং শেষ হয় ১৭৬১ সালে জর্জ ৩য় এর সময়ে। কুইন শার্লট এর ব্যক্তিগত বাসভবন হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়। এজন্য এটি রানীর বাসভবন নামেও পরিচিত।

১০.ফ্ল্যাটিরন ভবন :

পৃথিবীর বিখ্যাত স্থাপত্যগুলোর মধ্যে এই ফ্ল্যাটিরন ভবনটি ফুলার ভবন নামেও পরিচিত। দর্শনীয় আকাশচুম্বী এই ভবনটি নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে অবস্থিত। এই দীর্ঘ ভবনটির নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯০২ সালে এবং এট পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে উঁচু ভবনগুলোর মধ্যে একটি।

গোলাম আজম আইসিইউতে

1409632576যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্রুনালের সাজাপ্রাপ্ত জামায়াতের সাবেক আমির গোলাম আজমকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিইউ-তে ভর্তি করানো হয়েছে। কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, আজ সকাল ১০টার দিকে গোলাম আজমের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে প্রিজম শেল থেকে তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যালের বি ব্লকে অবস্থিত আইসিইউ-তে ভর্তি করানো হয়।

প্রতি ঘন্টায় যার আয় এক হাজার ২০০ কোটি টাকা

31dc4740e16cd8be2da7cec3687bd587বিশ্বে অঢেল অর্থের মালিকের সংখ্যা নেহাত কম নয়। তবে বিপুল বিত্তবৈভব গড়ে তোলার ক্ষেত্রে কারও কারও সাফল্য রীতিমতো ঈর্ষণীয়। তেমনই একজন হলেন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়ারেন বাফেট; যাঁকে ‘বিনিয়োগ গুরু’ বলে ডাকা হয়। ২০১৩ সালেই শুধু তাঁর মোট সম্পদের মূল্য এক হাজার ২৭০ কোটি মার্কিন ডলার বেড়ে ছয় হাজার ৩৩০ কোটি ডলারে উন্নীত হয়েছে। বদৌলতে তিনি এখন বিশ্বের চতুর্থ সেরা ধনী।
বাফেট গত বছর দৈনিক গড়ে তিন কোটি ৭০ লাখ ডলার আয় করেন; যা হলিউডের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া অভিনেত্রী জেনিফার লরেন্সের গোটা বছরের আয়ের সমান। বিশ্বখ্যাত ফোর্বস ম্যাগাজিনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালে জেনিফার মোট আয় করেন তিন কোটি ৪০ লাখ ডলার।
বিস্ময়কর ব্যাপার হলো, বাফেটের এই বিশাল সম্পদের মধ্যে ৯৯ শতাংশ বা ছয় হাজার ২৭০ কোটি ডলারই তিনি আয় করেছেন তাঁর ৫০তম জন্মদিনের পরবর্তী সময়ে। আর ৬০তম জন্মদিনের পরে এই হার দাঁড়ায় ৯৫ শতাংশ; অর্থের হিসাবে যা ছয় হাজার কোটি ডলার।
ফোর্বস ম্যাগাজিনের তৈরি করা বিশ্বসেরা ধনীদের তালিকায় বাফেট ছয় হাজার ৩৩০ কোটি ডলার মূল্যের নিট সম্পদ নিয়ে চলতি বছরে চতুর্থ হয়েছেন; যা আাফ্রিকার ঘানা ও এশিয়ার কম্বোডিয়ার সম্মিলিত জিডিপির (মোট দেশজ উৎপাদন) চেয়েও বেশি। ২০১৩ সালে ঘানা ও কম্বোডিয়ার জিডিপির আকার ছিল যথাক্রমে চার হাজার ৭৯২ কোটি ৮৭ লাখ ১৭ হাজার ৯৪৯ ডলার ও এক হাজার ৫২৪ কোটি ৯৬ লাখ ৮৪ হাজার ৩৯৭ ডলার।
বাফেটের মাত্র এক ঘণ্টার আয় যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিশ্ববিদ্যালয় নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটির ছয়জন ছাত্রের চার বছরের বেতনের সমান। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে একজন ছাত্রের চার বছরে খরচ পড়ে দুই লাখ ৪৭ হাজার ৯০৮ ডলার। অথচ বাফেট ২০১৩ সালে প্রতি ঘণ্টায় আয় করেছেন ১৫ লাখ ডলার; যা বাংলাদেশের প্রায় এক হাজার ২০০ কোটি টাকার সমান।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে (১৯৩৯-৪৫ সাল) ১৯৪১ সালে বাফেট প্রথম শেয়ার ব্যবসায় নামেন। মাত্র ৩৮ ডলার দিয়ে নিজের জন্য তিনটি ও বোনের জন্য তিনটি শেয়ার কেনেন তিনি। এরপর ওই শেয়ারের ৩০ শতাংশ কমে যায়। এতে কিন্তু তাঁর আত্মবিশ্বাস কমেনি। ওই শেয়ারের দাম আবার ঘুরে দাঁড়াল। যখনই শেয়ারের দাম ৪০ ডলারে উঠল, অমনি তিনি তা বিক্রি করে দিলেন। কয়েক মাস পরে অবশ্য ওই শেয়ারের দাম ২০০ ডলার পর্যন্ত ওঠে।
বাফেট এ পর্যন্ত দুই হাজার কোটি ডলার দান করেছেন।
বাফেট এখন নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বাড়িয়ে দ্বিগুণ করতে প্রস্তুত। এই খাতে তিনি ইতিমধ্যে দেড় হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছেন এবং আরও দেড় হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগের জন্য তৈরি হচ্ছেন। এই তিন হাজার কোটি ডলার দিয়ে দুবাইয়ের বুর্জ আল আরবের মতো ৪৬টি বিলাসবহুল হোটেল নির্মাণ করা সম্ভব।
শেয়ারসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ের মাধ্যমেই শুধু আয় করেন না বাফেট। বছরে মধ্যহ্নভোজনের নিলাম ডেকেও প্রচুর অর্থ আয় করতে পারেন তিনি। যেমন—চলতি বছরের নিলামে অংশ নিয়ে সিঙ্গাপুরের এক ব্যবসায়ী ২২ লাখ ডলারের বিনিময়ে বাফেটের সঙ্গে এক বেলা মধ্যাহ্নভোজ ও কথা বলার সুযোগ পান।
সূত্র: ইয়াহু ফিন্যান্স

সুন্দরীর উপত্যকা : পুরুষের জন্য হাহাকার

ea522a9279fdadc1e40a83b8e89491e2একটি দ্বীপে নারী আছে কিন্তু পুরুষ নেই। কথাটি শুনলে সবার কাছে রূপকথার গল্প মনে হতে পারে। কিন্তু এটি মোটেও কোনও গল্প নয়।

শুক্রবার ইনডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ব্রাজিলের নোইকা দো করডেইরো দ্বীপে শুধু নারীদের বসবাস। সেখানে তাদের সঙ্গে কোনও পুরুষ বাস করেন না।

দীর্ঘদিন ধরে এসব নারী চুপ থাকলেও এবার প্রকাশ্যে পুরুষের সন্ধানে নেমেছেন। এখন তারা আর একাকী থাকতে চান না। তারা পুরুষের সান্নিধ্য পেতে ব্যাকুল। পুরুষের কাছ থেকে শারীরিক, মানসিক সুখ নিতে চান।

পুরুষের সান্নিধ্য পেতে ব্যাকুল ব্রাজিলীয় সুন্দরীরা

ব্রাজিলের এই দ্বীপে যে মোটেও পুরুষ নেই সে বিষয়টি বললে ভুল হবে। এই দ্বীপে কিছু পুরুষ আছেন কিন্তু তা উল্লেখ করার মতো নয়। এখানে নারীদের শাসন চলে। ছেলে সন্তানের বয়স ১৮ বছর হলেই ওই এলাকার বাইরে পাঠিয়ে দেয়া হয়। ওই দ্বীপের পুরুষরাও বাইরে থাকেন। তারা এক সপ্তাহের বেশি ওই দ্বীপে অবস্থান করতে পারেন না।

এই দ্বীপে যেসব নারী বসবাস করেন সবাই খুব সুন্দর চেহারার অধিকারী। কিন্তু তা হলে কি হবে তাদের সেই সুন্দর শরীর ছুঁয়ে দেখার মতো কোনও পুরুষ নেই।

ব্রাজিলের বেলো হরিজন্তে থেকে ৬০ মাইল দক্ষিণ-পূর্বের গভীর অরণ্যঘেরা উপত্যকার এ নারীরা পৃথিবীর পুরুষদের কাছে প্রেমের আকুতি জানিয়েছেন।

নিলমা ফার্নান্দেজ (২৩) নামে তাদের একজন তরুণী বলেন, ‘আমি কখনও কোনও পুরুষকে চুমু দিতে পারিনি। আমরা সবাই স্বপ্ন দেখি, প্রেমে করবো, বিয়ে করবো।’

তবে স্বামীর জন্য নিজের এলাকা ছাড়তে চান না নিলমা। তিনি বলেন, ‘আমরা চাই, পুরুষরা আমাদের ভালোবেসে এখানেই সংসার করুক। তবে শর্ত হচ্ছে, তাদের আমাদের নিয়মানুযায়ী চলতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের শহর নারীরা শাসন করেন। পুরুষ শাসিত অনেক শহরের চেয়েও আমরা অনেক সুখী ও সংগঠিত। কোনও সমস্যা হলে আমরা নারীদের কায়দায় সমাধান করি।সংঘর্ষ করি না।’

নারী দলটি সরদার এলিদা দায়সির মতে, পুরুষ নিয়ন্ত্রণ নিলে তাদের স্বাতন্ত্র্যবোধ নষ্ট হয়ে যাবে। সুন্দরীদের এই শহরে গোড়াপত্তন হয়েছিল মারিয়া সেনহোরিনহা নামে এক নারীর মাধ্যমে। ১৮৯১ সালে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অপরাধে দেশটির এক খ্রিস্টান চার্চ মারিয়াকে শাস্তি দিয়ে এই দ্বীপে নির্বাসিত করেছিল। কলঙ্কিনী সেই মারিয়াই আজকের এই ‘সুন্দরী উপত্যকা’র বংশমাতা। বংশানুক্রমিকভাবে পাওয়া চার্চের প্রতি তাদের ঘৃণা এতোটাই প্রবল যে, তারা কেউই চার্চের নামও শুনতে পারেন না।

রোজালি ফার্নান্দেজ (৪৯) বলেন, ‘ঈশ্বর আমাদের হৃদয়ে থাকে। তাই আমরা মনে করি না যে, আমাদের চার্চে যাওয়া দরকার। আমাদের সন্তানদের আমরা খ্রিস্টান বানাতে চাই না।’

– See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/39650#sthash.aNtki1AL.dpuf

দুশ্চিন্তায় যখন চুল ছেঁড়ার উপক্রম

db3a08ec7af6bc6c8007b0b07dc2f0f2দুশ্চিন্তা খুব বেশি হয়ে গেছে- বোঝাতে আমরা চুল ছেঁড়ার কথা বলি। এটা শুধু কথার কথা নয়, আসলেই অনেকে দুশ্চিন্তায় মাথার চুল টানাটানি করেন, ছিঁড়েও ফেলেন কখনো কখনো। কিন্তু কি কারণে আমরা এই কাজটি করি? কেন চুল ছিঁড়ে ফেলি দুশ্চিন্তায়?

খুব প্রাচীন এই মানবিক অভ্যাসটি। এখনো পর্যন্ত মনোবিজ্ঞানীরা একে বোঝার চেষ্টা করেই চলছেন। দুশ্চিন্তা, স্ট্রেস, বিরক্তি এমনকি কখনো কখনো কোনো কারণ ছাড়াই চুল ছিঁড়তে ইচ্ছে হয় আমাদের। খুব সাম্প্রতিক কিছু গবেষণার তথ্য থেকে জানা যায়, আমরা চিন্তিত থাকলে যেমন নখ কামড়াই ঠিক তেমনি একটি কাজ হলো চুল টানা। এই অভ্যাসটির পোশাকি নাম trichotillomania।

চুল টেনে ছিঁড়ে ফেলার অভ্যাসটি ঠিক কতটা স্বাভাবিক?

খুব সহজেই চুল টেনে ছিঁড়ে ফেলার কথা ওঠালেও আসলেই কয়জন চুল ছিঁড়ে ফেলেন? দেখা যায়, মোটামুটি ৫০ জন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মাঝে একজনের রয়েছে এই প্রবণতা। এমনকি প্রাচীন গ্রিক এবং মিশরীয়দের মাঝেও চুল টেনে ছেঁড়ার প্রবণতার কথা জানা যায়। মোটামুটি বয়ঃসন্ধির সময় থেকে এই অভ্যাস দেখা দেয়। পুরুষদের তুলনায় নারীদের মাঝে তা বেশি দেখা যায়। কিন্তু এর পেছনে মূলত কারণ হলো পুরুষের তুলনায় নারীরা নিজেদের চুলের প্রতি যত্নবান হয়ে থাকেন এবং এ সমস্যাটি হলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হন । পুরুষরা এভাবে চুল টেনে ছিঁড়ে কমিয়ে ফেললেও কারণটা প্রকাশ করতে চান না, বরং দাবি করেন যে টাক পড়ে যাচ্ছে।
কেন চুল টেনে ছিঁড়তে ইচ্ছে হয়?

কারো কারো ক্ষেত্রে এটা হলো স্ট্রেস কমানোর একটা উপায়। সারাদিন খেটেখুটে বাজে একটা দিন কাটিয়ে ঘরে ফিরে অনেকেরই চুল ছিঁড়তে ইচ্ছে হয়। অনেকের ক্ষেত্রে এটা স্নায়ু শীতল করতে কাজে লাগে। তবে সবার ক্ষেত্রে ব্যাপারটি এতো সহজ নয়। অনেকে অবচেতনভাবেই চুল টানতে থাকেন। কখনো এটা হয় বংশগতির কারণে, কখনো পরিবেশের প্রভাবে আবার কখনো দুইয়েরই মিশ্রণ।
এর কোনো চিকিৎসা আছে কি?

অনেকে একে অপ্রয়োজনীয় বলে উড়িয়ে দেন, ভাবেন শুধুই তো চুল টানার অভ্যাস, এর চিকিৎসা দিয়ে কি হবে? অভ্যাসটি মোটেই ভালো কিছু নয়। অনেকে না বুঝেই চুল টেনে থাকেন। অভ্যাসগত সমস্যার সমাধান করার জন্য যেসব ট্রেইনিং কাজে আসে সেগুলো এক্ষেত্রেও ব্যবহার করা হয়। চুল টানার এই অবচেতন ইচ্ছেটা যতক্ষণ না চলে যায় ততক্ষণ তাদেরকে হাত গুটিয়ে রাখার চেষ্টা করতে বলা হয়।

যারা জেনে বুঝেই চুল টানেন তাদেরকে বলা হয় কিছু একটা করার মাধ্যমে হাত ব্যস্ত রাখতে। কারো কারো ক্ষেত্রে প্রোজ্যাক বা ফ্লুওজেটিন ধরণের ওষুধ কাজ করে কিন্তু তা সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। বেশিরভাগ সময়েই এই অভ্যাসটির পেছনে থাকে দুশ্চিন্তা বা বিষণ্ণতার মত বড় কোনো জটিলতা। এক্ষেত্রে সে সমস্যার সমাধান করতে হবে আগে।

জীবনে সফল ব্যক্তিরা যে ধরনের বৈশিষ্ট্যের অধিকারী হয়ে থাকেন

41765ddf2e706e9d397b85a718c81a20সফলতা অনেক পরিশ্রমের একটি বিষয়। জীবনে যে কেউ সফল ব্যক্তিতে পরিণত হতে পারেন না। যারা জীবনে সফল হয়েছেন তাদের অনেক কাঠখড়ি পোড়াতে হয়েছে। সাধারণ মানুষদের তুলনায় তারা কিছুটা আলাদা হয়ে থাকেন। জীবন পরিচালনার ক্ষেত্রে তারা কিছুটা ভিন্ন বৈশিষ্ট্যের অধিকারী হয়ে থাকেন।

১.    তাদের একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য থাকে :
লক্ষ্য ছাড়া সফলতা অনিশ্চিত। এই মূলমন্ত্রটি সফল ব্যক্তিদের জানা। এ কারণেই জীবনের পথ চলার শুরু থেকেই তারা এই মূলমন্ত্রকে অনুসরণ করে আসেন। জীবনে একটা নির্দিষ্ট লক্ষ্য ঠিক করে নেন এবং সেই লক্ষ্য অর্জনের জন্য কাজ করে যান। আর ঐ লক্ষ্য অর্জনের নিমিত্তে কঠোর পরিশ্রমই তাদের সফল ব্যক্তিতে পরিণত করে দেয়।

২.    তারা আত্মসচেতন হয়ে থাকেন :
জীবনের সিদ্ধান্তগুলো সঠিক সময়ে সঠিকভাবে নেয়াটা অনেক বড় একটি কাজ। আর এই কাজটি করতে কোনোপ্রকার দ্বিধাবোধ করেন না সফল ব্যক্তিরা। তারা নিজেদের জীবন সম্পর্কে বেশ সচেতন থাকেন। কোন কাজে ভাল হবে কোন কাজে মন্দ হবে এই বিষয়ে সব সময় সচেতন থাকেন। যার ফলে তাদের জীবনে বিফলতা খুব কমই আসে এবং তারা সফল হন।

৩.    উদ্যোগী মনোভাব :
কোনো কাজের জন্য উদ্যোগ নেয়া বিষয়টি একেবারে ছেলেখেলা না। পৃথিবীর সব ব্যক্তিই উদ্যোগী হতে পারেন না। অনেকেই এই বিষয়টিকে খুব ভয় পান। কিন্তু জীবনে সফল ব্যক্তিরা বিষয়টিকে খুব সহজভাবেই নিয়ন্ত্রণ করেন। তারা জীবনের চ্যালেঞ্জ নিতেই বেশি পছন্দ করেন। আর এ জন্য উদ্যোগী মনোভাবেই নিজের কাজে এগিয়ে নিয়ে যান এবং নিজের আত্মবিশ্বাসের কারণে তারা সত্যি সত্যি সফল হন।

৪.    স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসেন :
স্বপ্ন যদিও অনেকেই দেখতে ভালোবাসেন তারপরও সফল ব্যক্তিরা স্বপ্ন দেখেন এবং তা বাস্তায়নের চেষ্টা চালিয়ে যান। তারা কখনই স্বপ্ন দেখে হাত পা গুটিয়ে বসে থাকেন না। স্বপ্ন পূরণের জন্য অগ্রসর হন এবং শেষ পর্যন্ত তাদের কঠোর পরিশ্রম দিয়ে স্বপ্ন পূরণ করেন।

৫.    তারা পরিশ্রমী হয়ে থাকেন :
কথায় আছে পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি। বিষয়টি আসলেও সত্যি। কেননা পরিশ্রম করলে যে কেউ তার ফল পাবেন। শুধুমাত্র পরিশ্রমই মানুষকে তার স্বপ্ন পূরণে সাহায্য করে এবং সফল ব্যক্তিতে পৌঁছিয়ে দেয়।

৬.    নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন :
ছাত্র বয়সেই ক্যারিয়ারে সচেতন হয়ে থাকেন সফল ব্যক্তিরা। আর এই ছাত্র বয়সেই অনেককিছু করতে ইচ্ছা করে, জীবনের প্রকৃত স্বাদ পেতে ইচ্ছা করে। দেখা গেল বন্ধুরা অনেক ধরনের মজা করলেও সফল ব্যক্তিরা কখনই এসব বিষয়ে সময় অপচয় করেন না। তারা এসব ক্ষেত্রে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন।

৭.    তারা কিছুটা স্বার্থপরও হয়ে থাকেন :
শুনতে খারাপ লাগলেও এটা বাস্তব। নিজের লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য তারা যেমন ছোট ছোট স্বার্থ ত্যাগ করতে পারেন তেমনি আবার যেকোনো মূল্যেই নিজের স্বার্থ উদ্ধার করে থাকেন। সবকিছুর মূলে তারা নিজের স্বপ্ন বা লক্ষ্যটিকেই বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকেন এবং সফল ব্যক্তিতে পরিণত হন।

ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নির্বাচনী দৌড়ে এগিয়ে টিউলিপ

1409413073ব্রিটিশ পার্লামেন্টের ২০১৫ সালের নির্বাচনে জয়ের দৌড়ে এগিয়ে আছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাতনি এবং শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক। তিনি লেবার পার্টির প্রার্থী। নির্বাচনে অংশ নেওয়া কনজারভেটিভ দলীয় লর্ড আসক্রফট পরিচালিত ভোটার জরিপে এই তথ্য পাওয়া গেছে। ওই জরিপের ওপর করা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। কয়েক মাস ধরে জরিপ পরিচালনা করা হয়। আগামী বছরের মে মাসে পার্লামেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকার একটি বার্তা সংস্থা আজ শনিবার এ খবর জানিয়েছে।
লর্ড আসক্রফট পরিচালিত জরিপের আওতায় টিউলিপের আসন বৃহত্তর লন্ডনের হ্যামস্টেড ও কিলবার্নও রয়েছে। এক হাজার ভোটারের ওপর পরিচালিত জরিপে টিউলিপ ৪৮ শতাংশ ভোটারের সমর্থন পেয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির প্রার্থী টোরি সায়মন মার্কাস পেয়েছেন ৩২ শতাংশ ভোটারের সমর্থন। অন্য দিকে লিবারেল ডেমোক্র্যাট দলীয় প্রার্থী মাজিদ নেওয়াজ পেয়েছেন ১০ শতাংশ ভোটারের সমর্থন। ২০১০ সালের পার্লামেন্ট নির্বাচনে লেবার দলীয় প্রার্থী গ্লেন্ডা জ্যাকসন মাত্র ৪২ ভোটের ব্যবধানে হ্যামস্টেড ও কিলবার্নের এ আসনে জয়ী হন।
লর্ড আসক্রফটের জরিপ প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত পার্লামেন্ট নির্বাচনে কনজারভেটিভ পার্টির প্রাপ্ত ভোটের ৮ দশমিক ৫ শতাংশ এবার টিউলিপকে সমর্থন দিচ্ছে।

স্বপ্ন সম্পর্কে মজার কিছু অজানা তথ্য

47ad571ae599544885c77b83ca2dcff2মানুষ স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসে, তবে দুঃস্বপ্ন নয়। স্বপ্ন দেখা বা না দেখার বিষয়টি অবশ্য মানুষের নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতার একেবারেই বাইরে। স্বপ্ন দেখার পুরো বিষয়টিই নির্ভর করে মস্তিষ্কের উপর। আর তাই ঘুমিয়ে গেলে কেমন স্বপ্ন দেখবো সেটা আগে থেকে ধারণা করা বা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না। আর তাই চিরকালই স্বপ্ন একটি রহস্যময় বিষয় হিসেবেই মানুষের মাঝে ঘুরপাক খেয়েছে। নানান রকমের কুসংস্কারও তৈরি হয়েছে রহস্যময় এই স্বপ্নকে ঘিরে। স্বপ্ন সম্পর্কে আছে নানান রকমের মজার অজানা তথ্য। জেনে নিন তেমনই কিছু মজার অজানা তথ্য সম্পর্কে।১) শিশুরা স্বপ্ন দেখার ক্ষেত্রে সবচাইতে এগিয়ে আছে। দিনের ৭০% সময় শিশুরা ঘুমিয়েই কাটিয়ে দেয়। আর এই সময়ের ৫০% সময়েই শিশুরা স্বপ্ন দেখে কাটায়। আর এসব স্বপ্ন শিশুদের মস্তিষ্কের বৃদ্ধি জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।২) ১৯৮২ সাল পর্যন্ত সবাই জানতো যে পৃথিবীর সব মানুষই স্বপ্ন দেখে। স্বপ্ন ছাড়া মানুষ হতেই পারে না বলেই ধারণা করতেন সব গবেষকরা। কিন্তু খুব অদ্ভুত একটি বিষয় ঘটে ১৯৮২ তে। ইউভাল নামের এক ব্যক্তি যুদ্ধে মাথায় ব্যাথা পান। এরপর ডাক্তারের কাছে মস্তিষ্ক পরীক্ষা করান। গবেষকরা লক্ষ্য করেন যে ইউভাল ঘুমের সময় স্বপ্ন দেখেন না। এভাবে দিনের পর দিন তার ঘুম পরীক্ষা করে কোনো স্বপ্নের হদিস পান নি গবেষকরা। তখন তারা বলেন যে স্বপ্ন না দেখলে ইউভালের স্মৃতিশক্তির উপর বিরূপ প্রভাব পড়বে এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ব্যাঘাত ঘটবে। কিন্তু তখন থেকে আজ অবধি ইউভাল বেশ ভালোই আছেন। তিনি একজন প্রসিদ্ধ আইনজীবি, একজন চিত্রকর এবং সুখী মানুষ।৩) আমাদের জীবনের তিনভাগের একভাগ সময় আমরা ঘুমিয়ে কাটাই। আর প্রতিদিন এর ঘুমের মাঝে আমরা গড়ে ৫টি স্বপ্ন দেখি। প্রতিদিন ঘুমানোর সময়ে আমরা মোট ৯০ মিনিট স্বপ্ন দেখেই কাটিয়ে দেই।

৪) ঘুমানোর সময়ে আমাদের শরীরের সকল কার্যক্রম ধীর হয়ে যায়। আমাদের মস্তিষ্ক একদমই ধীর গতিতে কাজ করে, মাংসপেশি শিথিল হয়ে বিশ্বাম গ্রহণ করে, শ্বাস প্রশ্বাস ধীর হয়ে যায়। কিন্তু স্বপ্ন দেখার সময়ে শরীরের কার্যপ্রক্রিয়া প্রায় জেগে থাকার মতই সচল থাকে। বিশেষ করে মস্তিষ্ক ও শ্বাসপ্রশ্বাস জেগে থাকার মতোই স্বাভাবিক থাকে স্বপ্ন দেখার সময়।
৫) গবেষকদের মতে স্বপ্ন হলো স্মৃতির সব কিছুকে একটি টেবিলে ওলট পালট করে ঢেলে নতুন করে সাজিয়ে গুছিয়ে রাখার মতো একটি বিষয়। সারাদিন যা কিছু ঘটে তার মাঝে থেকে বিশেষ কিছু স্মৃতিকে গুছিয়ে রাখতে সহায়তা করে স্বপ্ন। আর তাই যারা বেশি স্বপ্ন দেখেন তাদের স্মৃতিশক্তিও অপেক্ষাকৃত ভালো থাকে অন্যদের চাইতে।

৬) পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ যেই স্বপ্নটি সবচাইতে বেশি দেখে থাকেন তা হলো হঠাৎ পড়ে যাওয়ার স্বপ্ন। এমন স্বপ্ন দেখে নিশ্চয়ই আপনিও চমকে ঘুম থেকে উঠে গেছেন অনেকবার? এছাড়াও আরো কিছু সাধারণ স্বপ্ন আছে যেগুলো প্রায় সব মানুষই বিভিন্ন সময় দেখে থাকেন। এক নজরে দেখে নিন তালিকাটি।

  • পরীক্ষায় ফেল করা
  • অনেক মানুষের সামনে নগ্ন থাকা
  • প্লেন ক্র্যাশ করা
  • পানিতে ডুবে যাওয়া
  • বোবায় ধরা
  • কিডন্যাপ হওয়া
  • সেক্সুয়াল এক্সপেরিয়েন্স
  • প্রাকৃতিক দূর্যোগ
  • দাঁত পড়ে যাওয়া
  • সন্ত্রাসের স্বীকার হওয়া
  • বাস, ট্রেন অথবা প্লেন মিস করা
  • কোনো বাড়িতে একটি অপরিচিত রুম আবিষ্কার করা
  • টাকা খুঁজে পাওয়া অথবা টাকা হারিয়ে যাওয়া
  • অতীত বা বর্তমানের কোনো ব্যক্তি
  • গর্ভধারণ বা সন্তানকে দেখা
  • একদমই অপরিচিত কোনো মানুষের অস্তিত্ব

ভবিষ্যতের কার, লিটারে চলবে ১০০ কি.মি

794f8128106ead743a4c42a40a9cc3aaএক লিটার তেলে ১০০ কিলোমিটার চলে, এমন গাড়ির স্বপ্ন অনেকদিনের৷ ওদিকে গাড়িতে নিত্যনতুন আরামের ব্যবস্থা করা হচ্ছে, লাগানো হচ্ছে নতুন প্রযুক্তি৷ ফলে গাড়ির ওজন বাড়ছে, সেই সঙ্গে বাড়ছে তেল-খরচ৷ এই গোলকধাঁধা থেকে বের হয়ে আসার জন্য চাই সম্পূর্ণ নতুন ধরনের গাড়ি, যা হবে শুধুই গাড়ি, শুধুই পথ চলার বাহন, সহজ এবং ওজনে হালকা৷ জার্মানির ট্রিয়ার শহরের একটি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট৷ এখানে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ও তথ্যপ্রযুক্তির ছাত্ররা বিকল্প, কম জ্বালানি খরচের ড্রাইভ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছেন৷ তরুণ গবেষকদের সর্বাধুনিক প্রকল্প হলো: দৈনন্দিন প্রয়োজনে ব্যবহারযোগ্য একটি ইলেকট্রিক কার, যা এক লিটার পেট্রলের সমপরিমাণ জ্বালানি খরচ করে ১০০ কিলোমিটার চলতে পারে৷ সত্যিকারের এক-লিটারে-একশো-কিলোমিটার গাড়ির প্রোটোটাইপ তৈরি করা হয়েছে বটে, কিন্তু ট্রিয়ার অটোমোটিভ ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক হার্টমু্ট সপকে সেই ধরনের একটি গাড়িকে সিরিজ প্রোডাকশনে নিয়ে যেতে চান৷ তিনি বলেন, ‘‘আমাদের পদ্ধতির বিশেষত্ব হলো এই যে, আজকাল সব ধরনের কমফর্ট এবং রোড পারফর্মেন্স যুক্ত যে সব গাড়ি পাওয়া যায়, আমরা তার এক-লিটার সংস্করণ বানানোর চেষ্টা করছি না৷ বরং আমরা একটা সম্পূর্ণ নতুন ধারণা দিয়ে শুরু করেছি: আমরা গাড়িটিকে কোনোরকম…

Developed by: