বিভাগ: বই পত্র

প্রিয় লোকদের পশুর নামে ডাকে জার্মানরা!

কালিদাস নাম রেখেছি মেঘদূত লিখবো বলে। এই যে এতো এতো ই-মেইল আসে প্রতিদিন ইনবক্সে, শিরোনাম খুঁজতে খুঁজতে যক্ষ হয়ে যাই। প্রিয়া ও ভাসমান মেঘ প্রতিদিন তার অভিমানে জমা হয় নিঃসঙ্গ মানপত্র। যে পুতুল হারিয়ে গেছে ছেলেবেলার স্কুলে, তার কপালে চুমু খেয়ে রৌদ্দুর হই। ছায়ারা ঝরে পড়লে দেহের সঙ্গে প্রেম করে করে নতুন দিনের আষাঢ় বানাই, হাটুঁভাঙ্গা মেঘ নিয়ে।

নাম খুঁজতে খুঁজতে কবি তার প্রিয়তমাকে অনেকগুলো উপমা দিয়ে মনের কথাটা বুঝিয়ে দিয়েছেন। প্রিয়তমার জন্য বাঙালি প্রেমিকদের কবি হওয়াটাও যেন স্বভাবসূলভ। কিন্তু জার্মানরা এটা কী করে? প্রিয় মানুষগুলোর জন্য তারা কেন কবি হয় না? আর কবি হলে তো প্রিয় মানুষগুলোকে পশুর নামে না ডেকে নিশ্চয়ই কোনো ভালো নামে ডাকতো!

প্রিয় মানুষদের জার্মানরা যেসব নামে ডাকে তার কয়েকটি তুলে ধরা হলো-

মাউস (ইঁদুর)
জার্মান পুরুষরা প্রায়ই তাদের বান্ধবী বা স্ত্রীকে আদর করে ‘মাউস’ অর্থাৎ ইঁদুর বলে ডাকেন। কখনো কখনো আবার ছোটদেরও এ নামে ডাকা হয়।

হাজে (খরগোশ)
প্রিয় মানুষদের জার্মানরা হাজে (খরগোশ) নামেও ডাকে। তবে পুরুষদের চেয়ে নারীদেরই এই নামে বেশি ডাকা হয়। অবশ্য ইঁদুরের থেকে কিছুটা হলেও খরগোশ ডাকটা তুলনামূলক ভালো!

বেয়ার-শেন (ছোট ভাল্লুক)
যে পুরুষদের পেট মোটা, জার্মানিতে তাদের আদর করে ‘বেয়ার-শেন’ বা ছোট ভাল্লুক নামে ডাকা হয়। অবশ্য কাউকে যদি শুধু ‘বেয়ার’ বা ভাল্লুক বলে ডাকা হয়, তবে তিনি অনেকেই চটে যান।

ময়সেবেয়ার (ইঁদুর ভাল্লুক)
হাতি আর মানুষ কিংবা হুনুমান ও মানুষকে এক সঙ্গে কল্পনা করতে আপনাকে কোনো সমস্যায় পড়তে হবে না। কারণ এ দু’টুর সংমিশ্রণেই সৃষ্টি হিন্দুদের দেবতা গণেশ ও হুনুমান। তবে আপনি ইঁদুর আর ভাল্লুককে একসঙ্গে কল্পনা করুন তো। নিশ্চয়ই কল্পনায় আসছে না। তবে জার্মানরা কিন্তু সেটা করে ফেলেছেন। অনেক সময় তারা প্রিয়জনদের ‘ময়সেবেয়ার’ বা ইঁদুর ভাল্লুক নামে ডাকে।

শ্নেকে (শামুক)
কেউ যদি আপনাকে শামুক বলে ডাকে তখন কেমন লাগবে? নিশ্চয়ই চটে যাবেন। কিন্তু জার্মানরা তাদের প্রিয় মানুষকে এ নামেই ডাকে। অবশ্য এ নামের একটি বিশেষ মানেও আছে। কাউকে এ নামে ডাকা হলে জার্মানরা বুঝে যায় সে হয়তো কাছে আসতে চায়, মানে সংস্পর্শ চায়।

বিশ্বের বিপদজনক দশ সন্ত্রাসী

7f1b095575d92ac5dfd5887b27095be8সন্ত্রাসীদের কোন দল বা রাষ্ট্র নেই। বিশ্বব্যাপী তারা বিচ্ছিন্নভাবে হামলা করেই চলছে। বিশেষ করে আল কায়েদার নেতৃত্বেই বিশ্বে ভয়াবহ হামলা চালিয়ে থাকে। বর্তমান বিশ্বে পাকিস্তান, আফগানিস্তান, ইয়েমেন ও সোমালিয়া সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। সম্প্রতি মার্কিন বার্তা সংস্থা সিএনএন এর  এক প্রকাশিত প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের চোখে বিশ্বের বিপদজনক দশ সন্ত্রাসীর নামে ফুটে উঠেছে।

আয়মান আল জাওয়াহিরি: ২০১১ সালে মার্কিন এক বিশেষ অভিযানে আল কায়েদার শীর্ষ নেতা ওসামা বিন লাদেন নিহত হয়। এরপর সন্ত্রাসী সংগঠনটির মূল দায়িত্বে আসেন ৬২ বছর বয়স্ক আয়মান আল জাওয়াহিরি। বিশ্বব্যাপী তার নেতৃত্বেই আবার আল কায়েদাকে সুসংগঠিত করেন। যুক্তরাষ্ট্র সরকার তাকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেন।

নাসির আলউয়াশি: আফগানিস্তানে ওসামা বিন লাদেনের ব্যক্তিগত সচিব ছিলেন নাসির আল উয়াশি (৩৬)। তিনি সন্ত্রাস বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তার দেশ ইয়েমেনে ও আল কায়েদা প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করেন। ইয়েমেনে মার্কিন দূতাবাস, নিরাপত্তা সংস্থা ও বিদেশি পর্যটকদের ওপর হামলা চালায় নাসির আল উয়াশি।

ইব্রাহিম আল আসিরি: যুক্তরাষ্ট্রের চোখে দশ ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসীর একজন হচ্ছে ইব্রাহিম আল আসিরি (৩১)। তিনি সৌদি আরবের নাগরিক। তার বিশেষ যোগ্যতা হচ্ছে বোমা তৈরিতে তিনি দক্ষ। সৌদি আরবের সন্ত্রাস বিরোধী বিভাগের প্রধানকে হত্যার চেষ্টায় নিয়োজিত ছিলেন  আসিরি।

আহমেদ আবদি গৌড়নে: আহমেদ আবদি গেৌড়নে (৩৬) একজন সোমালিয়ান। তিনি সোমালিয়ার সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আল সাবাবের প্রধান কর্ণধার। তার অনুসারীরা গত বছর ২১ সেপ্টেম্বর কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবির একটি শপিংমলে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চালায়। ওই হামলায় অন্তত ৬৭ জনের প্রাণহানী ঘটে। আবদির সন্ধানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সাত মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পুরস্কার ঘোষণা করে।

মোকতার বেলমোকতার: বিশ্বের ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসীদের মধ্যে মোকতার বেলমোকতার অন্যতম। তিনি আলজেরিয়ার নাগরিক। বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাস বিস্তারে রয়েছে তার যথেষ্ট ভূমিকা। সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে রয়েছে তার নিবিড় যোগাযোগ। যুক্তরাষ্ট্র সরকার মোকতারের সন্ধানে পাঁচ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে।

আবু মোহাম্মদ আল জুলানি: বিপদজনক দশ সন্ত্রাসীর তালিকায় নাম রয়েছে কুখ্যাত সন্ত্রাসী আবু মোহাম্মদ আল জুলানির। ২০১২ সালে জুলানি আল নুসরাহ নামে একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী কায়েম করেন। যার সদস্য সংখ্যা রয়েছে দশ হাজার। এই গোষ্ঠীটি আল কায়েদার সঙ্গেও যোগাযোগ রয়েছে। আত্মঘাতী বোমা তৈরিতে তারা সক্ষম।পশ্চিমা দেশগুলোতে হামলাই তাদের লক্ষ্য।

আবু বকর আল বাগদাদি: ইরাক ও সিরিয়ার সন্ত্রাসী কার্যকলাপের সঙ্গে নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন আবু বকর আল বাগদাদি। ইরাকে শিয়াদের ওপর হত্যাযজ্ঞ চালায় বাগদাদির ইন্ধনেই। এছাড়া আত্মঘাতি বোমা হামলার সঙ্গে বাগদাদি নেতৃত্ব দিয়ে থাকে। যুক্তরাষ্ট্র সরকার এ কুখ্যাত সন্ত্রাসীর সন্ধানে দশ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পুরস্কার ঘোষণা করে।

সিরাজ উদ্দিন হক্কানি: আফগানিস্তান এবং পাকিস্তান সীমান্ত অঞ্চলে সাধারণত হক্কানি নেটওয়ার্ক সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে থাকে। কাবুলে সাম্প্রতিক হামলাগুলোতে হক্কানি জড়িত। হোটেলে হামলা এবং সাধারণ মানুষের ওপর আক্রমণই তাদের লক্ষ্য। আলকায়েদা ও তালেবানের সঙ্গ রয়েছে এদের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ। ২০১২ সালে ওবামা প্রশাসন হক্কানিকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত করে। যুক্তরাষ্ট্র সরকার হক্কানির খোঁজে পাঁচ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে।

আবু বকর সেকু: গত চার বছর ধরে নাইজেরিয়ায় বোকো হারামের নেতৃত্ব দিয়েছে আবুবকর সেকু। পশ্চিম আফ্রিকার এই গোষ্ঠীটি সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালায়। ২০১০ সালে আবুজায় জাতিসংঘ অফিস লক্ষ্য করে এক আত্মঘাতী হামলা চালায় বোকো হারাম। এতে অন্তত ২৩ ব্যক্তির প্রাণহানী ঘটে। ২০১২ সালের জুন মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে এটিকে চিহ্নিত করে। যুক্তরাষ্ট্র সরকার সেকুর খোঁজে সাত মিলিয়ন মার্কিন ডলার পুরস্কার ঘোষণা করে।

দোকু উমারুব: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ২০১০ সালে দোকু উমারুবকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী হিসেবে ঘোষণা করে। তিনি চেচনিয়ার নাগরিক। উমারুব তার অনুসারীদেরকে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল, রাশিয়া এবং যুক্তরাজ্যে সহিংসতা চালানোর জন্য প্রেরণা যুগাতেন। এরি ধারাবাহিকতায়  উমারুবের অনুসারীরা ২০১১ সালের জানুয়ারি মাসে মস্কোর ডেমোডেডোবে বিমান বন্দরে বোমা হামলা চালায়। এতে অন্তত ৩৬ জন নিহত হয়। যুক্তরাষ্ট্র সরকার কুখ্যাত এ সন্ত্রাসীর সন্ধানে পাঁচ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পুরস্কার ঘোষণা করে।

২৬৮ বাসে যৌন হামলা চালিয়ে শ্রীঘরে

27-07২৬৮টি বাসে যৌন হামলা চালানোর অপরাধে শ্রীঘরে পাঠানো হয়েছে ব্রিটেনের ওয়েস্ট ইয়র্কশায়ারের এক যুবককে। ২৫ আগস্ট তার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়েছে।

গত ২২ আগস্ট অঞ্জন শাহজাদ নামের ৩৩ বছর বয়সী ওই যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তাকে সনাক্ত করা হয়েছে। সর্বশেষ গত ৩০ জুলাই এবং ১৯ আগস্ট তিনি বাসে ১৮ বছরের এক তরুণীর ওপর যৌন হামলা চালান। (বিবিসি)

ইঁদুরের বিষ্ঠায় সিগারেট!

27-03আপনি টাকা দিয়ে যে সিগারেট খাচ্ছেন তাতে কী আছে জানেন? নিশ্চয়ই জানেন, তামাক পাতা সুন্দর করে কেটে পরিশোধন করার পর তার সঙ্গে আনুষঙ্গিক কয়েকটি উপাদান মিশিয়ে কাগজে মোড়ানো সিলিন্ডারের ভেতর পুড়ে সিগারেট তৈরি করা হয়। কিন্তু না অনেক সিগারেটের ভেতরে থাকে ইঁদুরের বিষ্ঠা! এমনটিই জানিয়েছে একটি গবেষণা প্রাতিষ্ঠান। যেসব সিগারেট বাজারে সস্তায় পাওয়া যায় সেগুলোর ভেতরের উপাদান পরীক্ষা করে দেখা গেছে এর মধ্যে রয়েছে ইঁদুরের বিষ্ঠা।

আবার ইউনিভার্সিটি অব সিডনির প্রফেসর সিমন চ্যাপম্যান দিয়েছেন আরো ভয়ঙ্কর তথ্য। তিনি বলেছেন, সিগারেটের ফিল্টারে ব্যবহার করা হয় শূকরের রক্ত। নেদারল্যান্ডসের এক গবেষণাকে উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, ওই গবেষণায় দেখা গেছে- ১৮৫টি সিগারেট উৎপাদনকারী কারখানায় ব্যবহার করা হয় শূকরের রক্ত। কারণ সিগারেটের ফিল্টারে রক্তের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিমোগ্লোবিন ব্যবহার করা হয়।

সিমন চ্যাপম্যান আরো বলেছেন, সিগারেট উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলো কি কি উপাদান ব্যবহার করছে তা গোপন রাখায় এ বক্তব্যের বিষয়টি নিয়ে বেশি জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। তারা বলে, এটা তাদের ব্যবসা এবং তারা ব্যবসার গোমর ফাঁস করবে না।

তিনি বলেছেন, নেদারল্যান্ডসের ওই গবেষণায় বলা হয়েছে- শূকরের রক্ত থেকে হিমোগ্লোবিন নিয়ে তা সিগারেটের ফিল্টারে ব্যবহার করা হয়। গ্রিসের একটি সিগারেট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান শূকরের হিমোগ্লোবিন ব্যবহারের বিষয়টি স্বীকারও করেছে।

তারও আগে জানা গিয়েছিল, সস্তা সিগারেটের মধ্যে অ্যাসবেস্টস এবং মৃত মাছিও থাকে। এখন নিজেই ভেবে দেখুন টাকা দিয়ে মনের সুখে কী টানছেন।

ঘাম থেকে বিদ্যুৎ

c3e9488ee22f767694c422fd742f858dমার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রসায়নবিদ ও গবেষকরা এক ধরনের ‘ট্যাটুর স্টিক’ তৈরি করেছেন যা দিয়ে শারীরিক পরিশ্রম বা ট্রেনিং-এর মাত্রা পরিমাপ করা যায়। শুধু তাই নয়, তার পাশাপাশি তৈরি করা যায় বিদ্যুৎ।
আপনি ‘জগার’ হিসাবে দৌড়াচ্ছেন। সেই সাথে শুনছেন এমপিথ্রি প্লেয়ারে সংগীত। আর এ জন্য যে বিদ্যুৎশক্তির প্রয়োজন, তা প্রস্তুত করছেন আপনি নিজেই। শুনে অবাক লাগছে? কথাটা কিন্তু সঠিক। শুধু ঘামের মাধ্যমেই তৈরি হয় বিদ্যুৎ। ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া, সান ডিয়েগোর একদল গবেষক এই মজার আইডিয়াটা বাস্তবায়িত করেন। তারা এর নাম দিয়েছেন ‘ট্যাটু বায়োব্যাটারি’। ‘ঘামের মতো শরীর থেকে নির্গত তরল পদার্থ দ্বারা যে শক্তি উৎপাদন করা যায় তার একটা দৃষ্টান্ত এটা।’

ল্যাকটেট মাপা হয়
ঘামের ল্যাকটেট মাপা হয় একটি সেন্সর দিয়ে। ল্যাকটেট হলো এক প্রকার অণু, যা গ্লুকোজ থেকে মেটাবলিজমের মাধ্যমে প্রস্তুত হয়। শারীরিক পরিশ্রমের সময় কোষে ল্যাকটেট-এর ঘনত্ব দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
ট্রেনিংয়ের সময় শারীরিক অবস্থা কেমন হয় সেটা মাপা যায় ল্যাকটেট-এর পরিমাণ দেখে। বলেন ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া, সান ডিয়েগোর ডক্টরেটের গবেষক ভেনঝাউ জিয়া।
অতিরিক্ত ল্যাকটেট তৈরি হলে দেহে চাপ পড়ে। এতদিন চিকিৎসকরা খেলোয়াড়দের দেহে ল্যাকটেট-এর পরিমাণ মাপার জন্য রক্ত পরীক্ষা করতেন। এখন তো বেশ সহজ পদ্ধতি বের হলো। ত্বকের ওপর ঘামেও থাকে ল্যাকটেট-এর অণু। একটি নতুন সেন্সর দিয়ে এটি মাপা যায়।
‘এটা বলতে পারে, কখন শ্রমসাধ্য ট্রেনিংটা থামানো উচিত।’ বলেন গবেষক জিয়া। অন্যান্য আধুনিক যন্ত্রপাতির চেয়ে এটা বিশদভাবে ফিটনেসের মাত্রা পরিমাপ করতে পারে।

শর্করা মাপার মতো
এই সেন্সর ডাইবেটিস রোগীদের রক্তের শর্করা মাপার মতো কাজ করে। এটি ‘এনজাইম’ বা এক ধরনের প্রোটিন, যা ল্যাকটেটকে পাইরুভিক বা পিরুভিক অ্যাসিড-এ রূপান্তর করে। এর ফলে দু’টি ইলেকট্রন উন্মুক্ত হয়। ইলেকট্রন অর্থ চার্জ, যা থেকে বৈদ্যুতিক শক্তি উৎপন্ন হয়।
ঘামে যত বেশি ল্যাকটেট থাকে, তত বেশি বৈদ্যুতিক শক্তি উৎপন্ন হয়। একটি যন্ত্রের সাহায্যে এই বিদ্যুৎ মাপা যায়। তা থেকে ঘামে ল্যাকটেট-এর ঘনত্বও বোঝা যায়।
পাতলা সেন্সরটি স্টিকারে ঢুকিয়ে ত্বকের ওপরে লাগিয়ে দেয়া যায়। ল্যাকটেট থেকে পাওয়া বিদ্যুৎ দিয়ে ছোট ছোট ইলেকট্রনিক যন্ত্রও চালানো যায়। যেমন হার্টরেট মনিটর, স্মার্ট ফোন ইত্যাদি।

আরামপ্রিয়রা এগিয়ে
তবে সেন্সরটি খুব ছোট বলে চার মাইক্রোওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ পাওয়া যায় না। একটি ঘড়ি চালাতে কমপক্ষে ১০ মাইক্রোওয়াট বিদ্যুৎ প্রয়োজন। এই প্রসঙ্গে জিয়া বলেন, ‘উৎপাদিত বিদ্যুতের পরিমাণ খুব বেশি নয়। আমরা তা বাড়াতে কাজ করে যাচ্ছি।’
গবেষকরা জানান, সব মানুষ সমান বিদ্যুৎ উৎপন্ন করেন না। যারা সপ্তাহে তিন দিন খেলাধুলা করেন তাদের চেয়ে যারা সপ্তাহে একদিনেরও কম খেলাধুলা করেন তারা বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করেন।
গবেষকদের ধারণা, অল্প ট্রেনিং নেয়া মানুষ দ্রুত কান্ত হয়ে যায়, ঘামও ঝরে বেশি। ফলে ল্যাকটেট উৎপাদনের পরিমাণও বাড়ে। অন্যদিকে কর্মক্ষম মানুষরা যদি জগিংয়ের সময় এমপিথ্রি প্লেয়ার চালাতে চান, ঘরকুনোদের চেয়ে অনেক বেশি ঘাম ঝরাতে হবে তাদের। তবে ঘরকুনোরা হয়ত জগিং করতে যাবেনই না।

বিরলতম সুন্দরী হাঁস

f383961db79999e77b7965d512d1a446বিরল দর্শন পরিযায়ী পাখি। বোধ করি হাঁস প্রজাতির মধ্যে সবচেয়ে সুন্দরতম পাখি। প্রজাতির রূপের বর্ণনা বোঝানোর মতো নয়, বিধায় পাখি বিশারদরা সোজাসাপ্টা নামকরণ করেছেন ‘সুন্দরী হাঁস’। বলা যায় যথার্থ নামকরণ এটি। দেশে কেবলমাত্র আগমন ঘটে শীত মৌসুমে, তবে প্রতি মৌসুমেই পালা করে আগমন ঘটে না। কালেভদ্রে সিলেটের হাওরাঞ্চলে দেখা মেলে। দেখা যেত এক সময়ে সুন্দর বনাঞ্চলেও। বাংলাদেশ ছাড়া ভারত, নেপাল, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, মঙ্গোলিয়া ও ভিয়েতনামে অনিয়মিত দেখা যায়। খানিকটা বেশি দেখা যায় চীন, জাপান ও কোরিয়াতে।

সুন্দরী হাঁস অন্য প্রজাতির সঙ্গে মিলেমিশে চলাফেরা করলেও নিজ প্রজাতির পুরুষদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে প্রায়ই। এদের বেশিরভাগ বিচরণক্ষেত্র জঙ্গলাবৃত জলাশয়ে। ঊষা এবং গোধূলিলগ্নে নিয়ম করে শিকারে বের হয়। সাঁতারে দক্ষ হলেও ডুব দিতে তেমন পারদর্শী নয়। উড়তে পারে ভালো। পুরুষ হাঁস উড়তে উড়তে ডাকে ‘হোয়েক..হোয়েক’ অপরদিকে স্ত্রী হাঁস ডাকে গ্যাগ-অ্যাগ-অ্যাগ-অ্যাগ..’ সুরে। আইইউসিএন প্রজাতিটিকে ন্যূনতম বিপন্মুক্ত হিসেবে ঘোষণা করেছে। তবে বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী আইনে প্রজাতিটি সংরক্ষিত নয়। এদের মাংস তত সুস্বাদু নয় বিধায় শিকারির হাতে নির্যাতনের খবর পাওয়া যায় না খুব একটা। তথাপিও দেশে খুব বেশি আগমন ঘটছে না, তার প্রধান কারণই হচ্ছে অবাধে বৃক্ষ নিধন। বসবাসের জন্য পর্যাপ্ত জঙ্গলাবৃত জলাশয় সংকটের ফলে সুন্দরী হাঁস বিরলতম হয়ে উঠছে আমাদের দেশে।

পাখির বাংলা নাম: ‘সুন্দরী হাঁস’, ইংরেজি নাম: ‘মান্ডারিন ডাক’, (Mandarin Duck), বৈজ্ঞানিক নাম: অরী galericulata পরিযায়ী ।  এরা ‘মান্ডারিন হাঁস’ নামেও পরিচিত।

লম্বায় ৪৪ সেন্টিমিটার। ওজন ৪২৮-৬৯৩ গ্রাম। স্ত্রী-পুরুষ পাখির চেহারা ভিন্ন। পুরুষ পাখির গোল মাথাটা বাদামি রঙের। চোখ বাদামি। চোখের ওপরে চওড়া সাদা টান, যা ঘাড় অবধি ঠেকেছে। চিবুক থেকে কমলা রঙের কেশর সাদৃশ্য পালক ঘাড়ে ঠেকেছে। প্রজনন মৌসুমে পুরুষ পাখির ডানায় কমলা রং ধারণ করে। তখন দু’পাশের ডানার পালক খাড়া থাকে নৌকার পালের মতো। প্রজনন ঋতুর বাইরে ডানা লালচে। দেহতল সাদা। ঠোঁট লাল, অগ্রভাগ সাদাটে। পা কমলা-পীতাভ। স্ত্রী পাখির রং নিষ্প্রভ। পিঠ জলপাই-বাদামি। দেহতল সাদা। বুকে সাদা ডোরা।

প্রধান খাবার জলজকীট, ছোট কাঁকড়া, চিড়িং, জলজ উদ্ভিদের কচিডগা।
প্রজনন মৌসুম মে-আগস্ট। জলাশয়ের কাছাকাছি মাটির গুহায় অথবা গাছের প্রাকৃতিক কোটরে ঘাস লতা বিছিয়ে বাসা বাঁধে। ডিম পাড়ে ৯-১২টি। ডিম ফুটতে সময় লাগে ২৮-৩০ দিন।

রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পাচ্ছে ধাত্রীপেশা

e5a44cf5f4b761884dccf5b1a26f0ad5নার্সিং পেশার পাশাপাশি ধাত্রীপেশাকেও স্বীকৃতি দিতে একটি আইনের খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সেমাবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিল আইন, ২০১৪’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা সাংবাদিকদের বলেন, ‘নার্সেস অ্যাক্ট-১৯৩৪’ এবং ‘নার্সিং কাউন্সিল অ্যাক্ট-১৯৫২’ রহিত করে ‘বাংলাদেশ নার্সিং কাউন্সিল অর্ডিনেন্স-১৯৮৩’ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, যেহেতু সামরিক শাসনামলের অর্ডিনেন্স পর্যালোচনা ও হালনাগাদ করে বাংলায় করার জন্য মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত ছিল, এজন্য ১৯৮৩ সালের অর্ডিনেন্স রহিত করে আইনটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

চিকিৎসক ও আইনজীবীদের মত মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল এবং বার কাউন্সিলে পেশাগত স্বীকৃতির প্রয়োজন হয়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, এই কাউন্সিল কোন সনদ বা ডিপ্লোমা ডিগ্রি দেবে না। যে সমস্ত প্রতিষ্ঠান ডিগ্রি দেবে সেগুলো কোন না কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত। ডিগ্রি ব্যবহারের জন্য এ কাউসিলের প্রয়োজন হবে। আগেও এ আইন ছিল।

তবে আগে শুধু নার্সিংয়ের জন্য ছিল জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এখন মিডওয়াইফারি একটি গুরুত্বপূর্ণ পেশা হিসেবে স্বাস্থ্যখাতে অবদান রাখছে, এজন্য মিডওয়াইফারি অন্তর্ভূক্ত করা হলো।

আগের আইনে ডিগ্রি স্বীকৃতির বিষয়টি না থাকলেও এখন আছে। স্বীকৃতির বিষয় কাউন্সিলের কার্যপরিধির মধ্যে নিয়ে আসা হয়েছে।

স্বাস্থ্যসচিবকে সভাপতি করে এই কাউন্সিল গঠন করা হবে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বিভিন্ন অধিদপ্তর, পরিদপ্তরের প্রধান, শিক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিরা এতে যুক্ত থাকবেন।

তবে কাউন্সিল অনেক বড় তাই স্বাস্থ্যসচিবের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হবে।

আইনে নতুন তফসিলে বর্তমানে কোন কোন প্রতিষ্ঠান নার্সিং, মিডওয়াইফারি সনদ, ডিপ্লোমা ডিগ্রি দিয়ে থাকে, তারা কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের বা সমজাতীয় প্রতিষ্ঠানে অধিভূক্ত তার তালিকা আছে। শুধু তালিকাভূক্তদের ডিগ্রি কাউন্সিলে বিবেচিত হবে।

নতুন কোন প্রতিষ্ঠান বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রি দেওয়ার জন্য প্রস্তুত বা আগ্রহী হলে আইনের সংশোধনের প্রয়োজন হবে না, কাউন্সিলে এ সংক্রান্ত ধারা আছে।

আইনে সরকারকে বিধি প্রণয়ন করার পাশাপাশি কাউন্সিলকে প্রবিধান তৈরী করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছিলেন যেসব জনপ্রিয় নারী তারকারা

21-3আত্মহত্যার প্রবণতা যেন দিন দিন বেড়েই চলছে। মিতা নূর, মম, রবিন উইলিয়ামসের পর এবার ন্যান্সির আত্মহত্যার খবরে মুখরিত পুরো দেশ। আর এই ঘটনাটি নতুন কিছু নয়। আলোয় ঝিলমিল বিনোদন জগতের আর একটি দিক যে রয়েছে তা আমরা ভুলে যাই প্রতিনিয়ত। তবে চলুন একঝলক দেখে নেই হলিউড,বলিউড এবং ঢালিউদের তারকাদের সেই তালিকা,যাদের গভীর কষ্ট ও বিষণ্ণতা ঠেলে দিয়েছে আত্মহননের পথে।

বাংলাদেশের বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ন্যান্সিও বেছে নিয়েছেন এই পথ। স্বামী ময়মনসিংহ পৌরসভার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নাজিমুজ্জামান জায়েদের সঙ্গে মান-অভিমান অন্যতম। অভিমানের সূত্র ধরেই আত্মঘাতী এ সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকতে পারেন তিনি।

স্বামীর সঙ্গে দ্বন্দ্বের জের ধরে ঘুমের ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন ন্যান্সি। তবে এই অভিনেত্রীও ব্যর্থ হন। বর্তমানে তিনি ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।

স্বামী ডেভিড জাস্টিসের সাথে বিচ্ছেদের পর অস্কার জয়ী এই তারকা যাকে কিনা হলিউডের নারী শক্তির অন্যতম উদাহরণ মনে করা হয়, সেই হ্যালি বেরি আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। তবে সেই চেষ্টায় ব্যর্থ হওয়ার পর তিনি সিদ্ধান্ত নেন জীবনে দ্বিতীয়বার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হবেন না।

হাজারো পুরুষের হৃদয়ের রানী সুন্দরের প্রতীক অপ্সরা প্রিন্সেস ডায়নার বায়োগ্রাফি,যা ১৯৯২ সালে প্রকাশ পায়, সেখানে উল্লেখ রয়েছে ডায়না তার ছোট জীবনে না হলেও কমপক্ষে ৫ বার আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

বাংলাদেশের জনপ্রিয় তারকা এবং প্রিয়দর্শিনী অভিনেত্রী জাকিয়া বারি মম রয়েছেন এই তালিকায়।প্রেম করেই নির্মাতা এজাজা মুন্নাকে বিয়ে করেছিলেন মম। কিন্তু তার সাথেও বেশ কয়েক মাস যাবৎ তার সম্পর্ক ঠিক নেই। আর নির্মাতা শিহাব শাহীনের সঙ্গে তার সর্ম্পকের বিষয়টা মিডিয়ার অনেকেরই জানা। কেউ কেউ বলছেন এজাজ মুন্না ও মমর ডিভোর্স হয়েছে এরই মাঝে। তবে কোন এক অজানা কারণেই আত্মহত্যার পথ বেছে নেন তিনি। ৩ সেপ্টেম্বর তার আত্মহত্যার খবরে পুরো মিডিয়া মহলে আলোচনায় চলে আসেন এই তারকা। তবে পরবর্তীতে এই আত্মহত্যাকে ডেঙ্গুজ্বরের নাম দেয়ার চেষ্টা করলেও এখনো পুরোপুরি অস্পস্ট মম কি আদৌ আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেছিলেন কিনা।

অ্যামেরিকান পপ তারকা ব্রিটনি স্পিয়ারসও বিবাহ বিচ্ছেদ মেনে নিতে না পেরে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। এক দশক ধরে পপ সঙ্গীতের রাজ্য যার হাতের মুঠোয় সেই সঙ্গীতশিল্পী স্বামীর সাথে বিচ্ছেদের কষ্ট সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যার চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন।

তবে বাদ পড়বেন মিতা নূর! অন্যান্য তারকারা আত্মহত্যার চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন কিন্তু এই অভিনেত্রীর এই চেষ্টাটি সফল হয়েছিল। রাজধানীর গুলশানে নিজের ফ্ল্যাট থেকে অভিনেত্রী মিতা নূরের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে গুলশান থানা পুলিশ। ড্রইং রুমে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে এই অভিনেত্রীর ঝুলন্ত লাশ পাওয়া যায়। তার গলায় ওড়না প্যাঁচানো ছিল।

 

বলিউডের সবচেয়ে বহুল আলোচিত ২৫ বছর বয়সী তারকা জিয়া খান আত্মহত্যা করেন। মুম্বাইয়ের জুহু বিচে তার নিজ বাসভবনে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। জিয়া খানের মা রাত ১১টার দিকে তার মরদেহ প্রথম দেখতে পান। আত্মহত্যার কারণ হিসেবে তিনি কোনোকিছু লিখে যাননি। পরবর্তীতে এই আত্মহত্যাকে খুনের নাম দেয়া হলেও এখন পর্যন্ত মামলাধীন রয়েছেন।

দেশ এখন ঘুষের রাজ্য : এরশাদ

20-06জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, দেশে আজ আইনের শাসন নেই। দেশে এখন চলছে দলীয়করণ, ঘুষ ও দুর্নীতি বাণিজ্য। ঘুষ দিয়ে চাকরি নিতে হয়। ঘুষ ছাড়া কোনো কাজ হয় না। বাংলাদেশ এখন ঘুষরাজ্যে পরিণত হয়েছে।

বুধবার বিকালে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয় পার্টি ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নবনির্বাচিত আহ্বায়ক সৈয়দ আবুল হোসেন বাবলা ও সদস্য সচিব জহিরুল ইসলাম রুবেলের গণসংবর্ধনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

এরশাদ বলেন, বর্তমানে দেশে জনগণের জানমালের কোন নিরাপত্তা নেই। মানুষের মৌলিক অধিকার দেশ থেকে বিদায় নিয়েছে। মানুষ টাকা-পয়সা নিয়ে রাস্তায় চলাফেরা করতে পারছে না। সরকার মানুষের জানমালের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।

তিনি সমাজকল্যাণ মন্ত্রীকে সিগারেটমন্ত্রী উল্লেখ করে তার কঠোর সমালোচনা করেন।

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সাইফ উদ্দিন আহমেদ মিলনের সভাপতিত্বে অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পার্টির মহাসচিব জিয়া উদ্দিন আহমেদ বাবলু ও পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ প্রমুখ।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় অ্যাকোয়ারিয়ামের কথা

19-1গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসেও স্থান করে নেয়া বিশ্বের সবচেয়ে বড় অ্যাকোয়ারিয়ামটি অবস্থিত চীনের হেংকিন দ্বীপে। অ্যাকোয়ারিয়ামটিতে পানি রয়েছে প্রায় ৫০ হাজার টন। আছে নানা ধরনের মাছ। অ্যাকোয়ারিয়ামে আছে নীল সেইলফিশ, হাঙর ইত্যাদি। এ বছরের মার্চেই এটি জনসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হয়। এর প্রবেশ মূল্য ৫০ ডলার।

হেংকিন চীনের অন্যতম সমৃদ্ধশালী একটি নগরী। হেংকিন একসময় জেলেদের গ্রাম হিসেবেই সুপরিচিত ছিল। বর্তমানে এটি অর্থনৈতিক শক্তিশালী একটি এলাকা হিসেবে গড়ে উঠেছে। তৈরি হয়েছে বহুতল ভবন, শিল্প কারখানা। পর্যটনের জন্য চীনের মধ্যবিত্তদের কাছে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এলাকাটি।

Developed by: