বিভাগ: বই পত্র

ভারত-পাকিস্তান : কার কত শক্তি?

71221উপমহাদেশে যুদ্ধের দামামা আবারো বাজছে। ক্রিকেট যুদ্ধের দামামা বাজলে অবশ্যই বাংলাদেশ শরিক হতো সেই যুদ্ধে। কিন্তু পুরোদস্তুর যুদ্ধে অবশ্যই বাংলাদেশ নেই। আছে কেবল ভারত ও পাকিস্তান। এরই মধ্যে তিনবার যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে দেশ দুটি। এখানে একটা বিষয় মনে রাখা দরকার যে, দুটি দেশই পারমাণবিক ক্ষমতার অধিকারী। সুতরাং দেশ দুটির মধ্যে যুদ্ধ লাগলে উপমাদেশের প্রায় ১৪০ কোটি মানুষের জীবনে যে কী হবে তা আল্লাহই কেবল বলতে পারেন।

তাই আমরা আশা করব, যুদ্ধ করতে চাইলে তারা করুক। কিন্তু যুদ্ধ যেন সীমিত থাকে প্রচলিত অস্ত্রের মধ্যে। তবে দেশ দুটোর রাজনীতিক ও কূটনীতিকদের অবশ্যই মনে রাখা দরকার যে, যুদ্ধ কোনো সমাধান নয়। কেবল ধ্বংসই ডেকে আনে। আর লভাবান হয় সন্ত্রাসী ও জঙ্গি গোষ্ঠী, যাদের হাতে কমমূল্য দেয়নি দেশ দুটো।

প্রতিবেশী দেশ হলেও ভারত ও পাকিস্তানের মধ্য সদ্ভাব কোনোকালেই ছিল না। তবে কয়েক বছর ধরে অপেক্ষাকৃত শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রয়েছে দুই দেশের সীমান্তে। সম্প্রতি ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে সেনাবাহিনীর এক ঘাঁটিতে সন্ত্রাসী হামলায় ১৮ সৈন্য নিহত হওয়ার পর ভারত অভিযোগ করে, হামলায় ব্যবহৃত সন্ত্রাসীদের অস্ত্রশস্ত্রে পাকিস্তানের ট্রেডমার্ক আছে।

এর পরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাগ-ক্ষোভ প্রকাশ করেন ভারতীয়রা। সে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং টুইটারে লেখেন, ‘পাকিস্তান একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র এবং দেশটিকে সেভাবে চিহ্নিত করা উচিত।’

ভারতের অনেক টেলিভিশন চ্যানেল যুদ্ধের দামামা বাজিয়েই চলেছে। পাকিস্তানে হামলা চালানোর আহ্বান জানাচ্ছে তারা প্রতিনিয়ত। দেশটির সবচেয়ে জনপ্রিয় টিভি চ্যানেলের উপস্থাক অর্ণব গোস্বামী ফেসবুকে লেখেন, ‘তাদের একেবারে খোঁড়া বানিয়ে ফেলা দরকার।’

এদিকে পাকিস্তানও অভিযোগ করেছে, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার পাঁয়তারা করছে ভারত।

যুদ্ধের এই রকম কথাবার্তা যখন চলছে, ঠিক সেই সময় দেশ দুটোর মধ্যে শক্তির ভারসাম্য খতিয়ে দেখা হলো:

ভারত                                                                              পাকিস্তান
১,৩২৫,০০০                সক্রিয় সৈন্য সংখ্যা                           ৬২০,০০০
২১৪৩,০০০                  রিজার্ভ সৈন্য                                   ৫১৫,০০০
২০৮৬                       বিমান (সব ধরনের)                            ৯২৩
৬৪৬                           হেলিকপ্টার                                     ৩০৬
১৯                             অ্যাটাক হেলিকপ্টার                          ৫২
৬৭৯                            জঙ্গি বিমান                                     ৩০৪
৬৪৬৪                           ট্যাঙ্ক                                            ২,৯২৪
৭৪১৪                           আর্টিলারি                                       ৩২৭৮
২                                 রণতরী                                          ০০
১৪                               সাবমেরিন                                       ৫
১৪                               ফ্রিগেট                                           ১০
১০                               ডেস্ট্রয়ার                                         ০০
১৩৫                             টহল যান                                        ১২

৪০,০০০,০০০,০০০ ডলার    বার্ষিক প্রতিরক্ষা বাজেট                   ৭,০০০,০০০,০০০ ডলার

তথ্য সূত্র : গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার ডটকম – See more at: http://www.sylhetview24.com/news/details/International/71221#sthash.RlSscZEq.dpuf

কবিরা জাতির বিবেক,সময়ের আয়না।দেশ ও জাতি বিনির্মাণে এরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করে থাকে। —-কবি এম. এ জলিল

14364913_1432450926784406_6997681047657758934_n 14368791_1432451003451065_3383779797830210156_n 14445960_1432450863451079_8813063204912167585_nকবিরা জাতির বিবেক,সময়ের আয়না।দেশ ও জাতি বিনির্মাণে এরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করে থাকে।নবীগঞ্জ এর ঐতিহ্যবাহী সাহিত্য সংগঠন “দিগন্ত সাহিত্য পরিষদ” (দিসাপন)এর ঈদ পূন্রমিলনী ও কবিতা পাঠের আসরে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন কবি এম. এ জলিল।প্রধান অতিথির বক্তব্যে “মাসিক গোপলা” সম্পাদক মিজান মোহাম্মদ বলেন- যে লেখা মানুষ ও জাতীর বিবেককে নাড়া দিতে না পারে সে লেখা সার্থক নয়, মনোরঞ্জন মাত্র।লেখা বা লেখক তখনি সফল হয় যখন লেখা সমাজ সংস্কার এ ভূমিকা রাখে।

২৩ সেপ্টেম্বর দিসাপন এর আয়োজনের ঈদ পূন্রমিলনী ও সাহিত্য আড্ডায় সভাপতিত্ব করেন দিসাপন সভাপতি কবি কাজী শাহেদ বিন জাফর। কয়েস আহমদ মাহদীর পরিচালনায় বক্তব্য ও কবিতা পাঠ করেন আহমেদ হোসেন চৌধূরি,মোহাম্মদ আব্দুর রহীম,মোহাম্মদ আলী বাহার,হোসাইন আহমেদ,জামিনুর রহমান জামিল প্রমুখ।

ছিলেন ভিক্ষুক, এখন তাদের তহবিলে দেড় কোটি টাকা

a3 তাদের পেশা ছিল মানুষের দোয়ারে দোয়ারে ভিক্ষা করা। মাথার ওপর ছিল না কোনো ছাউনি। এখন তারা বিভিন্ন সুবিধাভোগী প্রকল্পের আওতায় রূপান্তরিত হয়েছেন কর্মী মানুষে। তারা সবাই এখন স্বাবলম্বীর পথে।

তারা এখন মুখ তুলে বলতে পারেন, ‘মুই আর ক্যানে ভিক্ষা করির যাওয়ং, মুই এখন আর খাবার চিন্তা করং না। চটের বস্তা দিয়ে চালা বানেয়া কী কষ্ট করে আছনু! ঝড়-বৃষ্টি আর শীতোত মোক আর চিন্তা করিবার নাগিবে না।’

‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্পের আওতায় ঘর পেয়ে খুশিতে অশ্রুসিক্ত হয়ে কথাগুলো বলছিলেন নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার গাড়াগ্রাম ইউনিয়নের পুনর্বাসিত ভিক্ষুক বাচ্চনী বেওয়া (৫৫)।  তার মতো পুনর্বাসিত হয়েছেন আরো ৯৮৮ জন। ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্পের আওতায় ৯৫১ জন পুনর্বাসিতকে সদস্য করে বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মমুখী করে গড়ে তোলা হয়। মানুষের দোয়ারে দোয়ারে হাত পেতে জীবন চালানো মানুষগুলো সিদ্ধান্ত নেয় কর্মের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহের।

একটি বাড়ি একটি খামারের ঋণের টাকা দিয়ে গরু, ছাগল পালন ও ব্যবসা করে আজ তারা স্বাবলম্বীর পথে। তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বর্তমানে নিজস্ব সঞ্চয় ৪৬ লাখ ৬৪ হাজার ৮০০ টাকা, কল্যাণ অনুদান ৪৫ লাখ ৬৪ হাজার ৮০০, আবর্তক তহবিল ৪৫ লাখ ৩১ হাজার ৬২৩ টাকাসহ মোট তহবিল দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৩৭ লাখ ৬১ হাজার ২২৩ টাকা।

কিশোরগঞ্জ উপজেলার পুনর্বাসিতদের সাফল্যের কথা শুনে সরেজমিনে দেখার জন্য আসেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ। তিনি পুনর্বাসনের কাহিনী শুনে সন্তোষ প্রকাশ করেন। এদের ঘর নির্মাণের প্রস্তাব পেশ করায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প থেকে প্রথম পর্যায়ে ১০ জন পুনর্বাসিতকে ঘর নির্মাণের জন্য ৬০ হাজার টাকা করে বরাদ্দ দেয়া হয়। পুনর্বাসিত ১০ জনের ঘর নির্মাণকাজের পরিকল্পনা, ডিজাইন ও প্রাক্কলন মোতাবেক ঘর নির্মাণ শেষ হলে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের একটি দল তা পরিদর্শন করেন। পরে ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে তিন দফায় আরো ২৩২ জনের ঘর নির্মাণের জন্য ঘরপ্রতি ৭৫ হাজার টাকা করে বরাদ্দ দেয়া হয়।

বরাদ্দ ও পরিকল্পনা অনুযায়ী উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটি ঘর নির্মাণকাজ শুারু করে। জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটি ঘর নির্মাণ বাস্তবায়ন করে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম মেহেদী হাসান বলেন, উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির মাধ্যমে নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন মনিটরিং করেছে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন। পুনর্বাসিতরা ঘর পাওয়ায় তাদের সামাজিকভাবে মর্যাদা বেড়েছে। সফলভাবে ঘর নির্মাণ সম্পন্ন হওয়ায় আগামী দিনে বাকি পুনর্বাসিতদের ঘরের জন্য বরাদ্দ পাওয়া যাবে বলে আশা করছি।’

সরেজমিনে দেখা যায়, আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের মাধ্যমে ঘর পেয়ে খুবই খুশি পুনর্বাসিতরা।  পেছনের কষ্টের দিন ভুলে তারা এখন নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখছেন।

বাহাগিলী ইউনিয়নের আলেমা বেগম বলেন, ‘ঝড়-বৃষ্টির দিনোত কী যে কষ্ট করি আছনু! ঘর পাওয়ায় আর কষ্ট করির নাগবে না।’

চাঁদখানা ইউনিয়নের আলিজোন বেওয়া বলেন, ‘সরকার থাকি ঘর পাওয়ায় মোক আর কষ্ট করির নাগবে না।ৎ

এত দিনে আল্লাহ তাদের দিকে ফিরে তাকিয়েছে বলে মনে করছেন রনচন্ডী ইউনিয়নের মহিলা। তিনি বলেন, ‘আল্ল¬াহ এবার হামার প্যাকে ঘুরে দেখছে। থাকার একটা ঘর হইছে।’

আলেমা, আলিজোন, মহিলা, বাচ্চানীর মতো ২৪২ জন পুনর্বাসিত ভিক্ষুক ঘর পাওয়ায় তাদের দুঃখ-দুর্দশার দিন শেষ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের অধীনে ৯৮৯ জন পুনর্বাসিতের মধ্যে ২৪২ জনকে ‘যার জমি আছে ঘর নেই তাদের নিজ জমিতে ঘর নির্মাণ’ প্রকল্প থেকে ঘর নির্মাণ করে দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে উপজেলা প্রশাসন সূত্রে।

নীলফামারীর জেলা প্রশাসক জাকীর হোসেন কিশোরগঞ্জকে ভিক্ষুকমুক্ত করার প্রচেষ্টা ব্যতিক্রমী ও সাহসী উদ্যোগ বলে উল্লে¬খ করেন। তিনি বলেন, ‘এ চ্যালেজিং প্রকল্পটি সবার সহযোগিতায় স্বল্প সময়ের মধ্যে সফলতা পেয়েছে। স্থানীয়ভাবে এ মহতী কাজটি যেন সবাই মিলে করি যাতে সারা দেশে ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধ হয়।’ ভিক্ষুক পুনর্বাসনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ও তার কার্যালয়ের সুদৃষ্টি থাকায় অবশিষ্ট পুনর্বাসিতদের ঘর নির্মাণ করে দেয়া সম্ভব হবে বলে আশা করছেন তিনি।

সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমানের উদ্যোগে ২০১৪ সালের ৫ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জকে ভিক্ষুকমুক্ত উপজেলা ঘোষণা করা হয়।

ফ্রীজ ছাড়াই মাংসকে টাটকা রাখুন অনেকটা সময়

a2গরমের এই সময়টাতে ঈদ-উল-আজহা পালিত হওয়ায় বিদ্যুত্ আর অতিরিক্ত মাংসকে নিয়ে অনেকেই পড়ে যাবেন বেশ ঝামেলাময় একটা পরিস্থিতিতে। বিশেষ করে হঠাত্ বিদ্যুত্ অনেকটা সময়ের জন্যে চলে গেলে, ফ্রীজে এত মাংসের জায়গা না হলে কিংবা ঘরে ফ্রীজ না থাকলে আনন্দময় ঈদের দিনটা ভয়াবহ একটা দিনে পরিণত হতে খুব বেশি সময় নেবেনা। তাই চলুন দেখে নিই কী করে এই ঈদে ফ্রীজ ছাড়াই মাংসকে তাজা রাখতে পারবেন আরো অনেকটা সময়ের জন্যে।

১. শুকিয়ে ফেলা
মাংসকে শুকিয়ে ফেলার পদ্ধতিটি আজকের নয়। এ পদ্ধতি যুগ যুগ ধরে ব্যবহার করে আসছে মানুষ। মাংসকে শুকিয়ে ফেললে একটা সময় সেটার ভেতরের ময়েশ্চারাইজার একদম চলে যায়। যেটা কিনা ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়ার হাত থেকে রক্ষা করে মাংসকে। এক্ষেত্রে প্রথমে খুব পাতলা করে কাটা হয় মাংসকে। এরপর তাতে লবণ ও অন্যান্য মশলা দিয়ে শুকিয়ে ফেলা হয়। লবণ এ ব্যাপারে মাংসকে শুষ্ক হতে অনেক বেশি সাহায্য করে।

২. লবনাক্ত করা
মাংসকে শুকিয়ে বেশি সময় সংরক্ষণের জন্যে লবনের ভূমিকার কথা একটু আগেই বলেছি। তবে এবার যে পদ্ধতির কথা বলব সেটার মাধ্যমে কেবল লবণ দিয়েই মাংসকে অনেকদিন টাটকা রাখতে পারবেন আপনি। এক্ষেত্রে, মাংসকে পাতলা করে কেটে প্রচুর লবনের ব্যারেলের ভেতরে রেখে দেওয়া হয়। যাতে করে ময়েশ্চারাইজার হারিয়ে পুরোপুরি ব্যাকটেরিয়ার হাত থেকে সুরক্ষিত হতে পারে মাংস। সাধারণত লবণ দিয়ে টাটকা রাখা এই মাংসগুলো প্রচন্ড শক্ত হয়ে যায়। ফলে খাবার তৈরির আগে সেগুলোকে বারবার আর অনেকক্ষণ ধরে পানিতে ঢুবিয়ে রাখতে হয় নরম করার জন্যে।

৩. প্রেশার ক্যানিং
মাংস সংরক্ষণের সবচাইতে মোক্ষম এই পদ্ধতিটিতে আপনার দরকার পড়বে- একটি প্রেশার ক্যানার ও জার। মাংসগুলোকে কেটে সেগুলোকে জারের ভেতরে ঢুকিয়ে ফেলতে হবে প্রথমে। এরপর খানিকটা লবন দিয়ে প্রচন্ড তাপে জ্বালা দিতে হবে। এ পদ্ধতিতে অনেক বেশি তাপের কারণে মাংসের ভেতরে থাকা মাংস পচিয়ে ফেলতে কাজ করে এমন ব্যাটেরিয়াগুলো মারা যায়। ফলে মাংস টিকে থকে অনেক বেশি সময়।

৪. ব্রাইনিং
অনেকটা লবণাক্ত করার মতনই এই পদ্ধতিটিও। তবে লবণ ছাড়াও এক্ষেত্রে আপনাকে মাংসের ছোট টুকরোর সাথে মেশাতে হবে পরিমাণমতন চিনি আর পানি। এরপর সেটাকে একটি কৌটায় পুরে ফেলতে হবে। খেয়াল রাখুন কৌটার ভেতরে পুরোটা মাংসই যেন তরলের ভেতরে ডুবে থাকে। তবে প্রতি সপ্তাহে একবার করে কৌটার তরলকে নাড়িয়ে দিন। চার সপ্তাহ পর তরল ভারী বলে মনে হলে সেটা বদলেও ফেলতে পারেন।

যেসব শর্তে এখন বাংলাদেশিরা বিয়ে করতে পারবেন সৌদি নারীদের

70405সৌদী আরবে পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা বেশী। সৌদী পুরুষরা একাধিক বিয়ে করলেও অবিবাহিত থেকে যাচ্ছেন অনেক নারী। এমন পরিস্থিতিতে সৌদী কর্তৃপক্ষ প্রবাসীদের জন্য সৌদী নারীদের বিয়ে করার বিধি নিষেধ তুলে নিয়েছে।

অবশ্য এজন্য “স্পেশাল এক্সপ্যাক্ট” সিস্টেমে তাদেরকে আগে থেকেই নিবন্ধন করতে হবে। প্রবাসীরা শুধু সৌদী নারীদের বিয়ে করার সূযোগই পাচ্ছে না, এর সাথে তারা পেনশনসহ বেতন সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।

বিদেশী অভিবাসীদের জন্য সম্প্রতি এমনই সুখবর জানিয়েছে দেশটি। শনিবার আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানানো হয়েছে।

সৌদির ইনস্যুরেন্সভিত্তিক একটি সংস্থার বরাত দিয়ে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদিতে কোনো বিদেশী অভিবাসী যদি দেশটির কোনো নারীকে বিয়ে করেন তবে তিনি মাসিক বেতনসহ পেনশন পাবেন। তবে তাদের বেতন সৌদি ৩ হাজার রিয়াল কিংবা তার চেয়ে কম হতে হবে।

সিলেটে মুসলমান ছেলে ও হিন্দু মেয়ের অদম্য প্রেমকাহিনী…

রং নাম্বারে পরিচয়। এরপর প্রেম। চার মাস মন দেয়া-নেয়া। একজন হিন্দু, অপরজন মুসলিম। দুই ধর্মের দুই জন। তাতে কী?-প্রেম মানে না জাত, ধর্ম। প্রেমের ইতি ঘটাতে তারা ছেড়েছেন বাড়িও। পালিয়ে করেছেন বিয়ে। এরপর পুলিশ আটক করলেও তারা একে অপরকে ছাড়তে নারাজ। পুলিশের শত জেরা আর পরিবারের আকুতিতেও জামিলের হাত ছাড়েনি প্রিয়াংকা ওরফে ফাতেমা। স্বামী জামিলের হাত ধরে তার বাড়িতেই চলে গেছে সে। গত বৃহস্পতিবার রাতে জামিল ও ফাতেমাকে নিয়ে টানা ৪ ঘণ্টা নানান ঘটনা ঘটেছে থানা হাজতেই। দুইজনকে আলাদা করার ফন্দি-ফিকির করা হয়। পুলিশও দেয় ধমক। পরিবারের লোকজন করেন অনুনয়-বিনয়। সবকিছু উতরে কেউ কারো হাত ছাড়লেন না। আর এই প্রেমের ‘বাঁধন’ দেখে হতবাক হয়েছে সবাই।

মেয়ের নাম প্রিয়াংকা রানী দাশ। বয়স ২১ বছর। সার্টিফিকেট অনুযায়ী মেয়েটি প্রাপ্ত বয়স্কা। বিয়ের পর ধর্মান্তরিত হয়েছে প্রিয়াংকা। তার পিতার নাম সদয় রাম দাশ। নতুন নাম ফাতেমা বেগম। তার বাড়ি সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ি ইউনিয়নের দক্ষিণভাগ গ্রামে। ছয় ভাই- বোনের মধ্যে প্রিয়াংকা সবার ছোট। সে সিলেটের মদন মোহন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ ৩য় বর্ষের ছাত্রী।

অন্যদিকে ছেলের পুরো নাম জামিল আহমদ। তার পিতার নাম মৃত কুতুব উদ্দিন। বাড়ি সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার মানিকপুর ইউনিয়নের সিরাজপুর গ্রামে। ছয় ভাই বোনের মধ্যে জামিল চতুর্থ। পেশায় রং ও টাইলস মিস্ত্রি। সিলেটের গোলাপগঞ্জ থানা কম্পাউন্ডে জামিল আহমদ সাংবাদিকদের জানান, প্রায় ৪ মাস আগে রং নাম্বারে ফাতেমার সঙ্গে পরিচয় হয় জামিলের। রং নাম্বারে মোবাইলের একটি কলের সূত্র ধরে তাদের মধ্যে পরিচয় ঘটে। এই পরিচয়ের সূত্র ধরে তাদের মধ্যে মোবাইল ফোনে কথা শুরু হয়। এর পর ধীরে ধীরে শুরু হয় প্রেম। তাদের মধ্যে হয় দেখাদেখিও। জকিগঞ্জ থেকে ছুটে এসে ফাতেমার সঙ্গে দেখা করতেন জামিল।

চার মাসের প্রেমের পর তারা অবশেষে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। ২৮শে আগস্ট প্রিয়াংকা ওরফে ফাতেমা কলেজে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়। আর ফিরেনি। পরে পিতা সদয় দাশ মেয়েকে অনেক স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। কিন্তু কোথাও তাকে খুঁজে পাননি। পরে তিনি ৪ঠা সেপ্টেম্বর গোলাপগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

এদিকে, ২৮শে আগস্ট বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রেমিক জামিলের সঙ্গে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয় প্রিয়াংকা ওরফে ফাতেমা। জামিলের হাত ধরে সে চলে আসে নগরীর টিলাগড়ে। সেখানে জামিলের খালার বাসায় আশ্রয় নেয়। জামিলকে বিয়ে করতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে। পরে ৩০শে আগস্ট সিলেটের আদালতে এফিডেভিটের মাধ্যমে ধর্মান্তরিত হয়। প্রিয়াংকা থেকে নাম ধারণ করে ফাতেমা।

এদিকে, গোলাপগঞ্জ থানা পুলিশ জিডি দায়ের করার পর মোবাইল নাম্বার নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করে। অনুসন্ধানের একপর্যায়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সিলেট নগরীর টিলাগড় থেকে জামিল ও ফাতেমাকে আটক করে গোলাপগঞ্জ থানায় নিয়ে যায়। খবর পেয়ে জামিল ও ফাতেমার পরিবারের লোকজন ছুটে আসে থানায়। এর মধ্যে ফাতেমার পরিবারের লোকজন মেয়েকে আলাদা নিয়ে বারবার বাড়ি যাওয়ার জন্য বুঝায়। কিন্তু তাদের কথায় কোনো কর্ণপাত করেনি। ফাতেমা বারবারই জামিলের সঙ্গে চলে যাওয়ার কথা বলে। কোনো ভাবেই সে পিতার সঙ্গে বাড়ি যাবে না। পুলিশ, সাংবাদিক সবার সামনে সে জামিলকে ছেড়ে দিতে অপারগতা প্রকাশ করে। এমনকি তাকে জোরপূর্বক পিতার সঙ্গে দিলে সে আত্মহত্যারও হুমকি দেয়। ওদিকে, জামিলও ফাতেমাকে ছাড়তে নারাজ। জানায়, তারা একে অপরকে ভালোবেসে বিয়ে করেছে। তারা দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক। নিজেরা নিজেদের সিদ্ধান্ত নিয়ে আদালতের মাধ্যমে বৈধভাবে বিয়ে করেছে।

গোলাপগঞ্জ থানা পুলিশ দুইজনকে আলাদা আলাদাভাবে নিয়েও জিজ্ঞাসাবাদ করে। এবং দুইজন একে অপরকে ছাড়তে নারাজ। এদিকে, জামিল ও ফাতেমার প্রেম ও বিয়ের খবর পেয়ে এলাকার লোকজনও ছুটে যান থানায়। পরে রাত ১টার দিকে পুলিশ জামিলের সঙ্গেই ফাতেমাকে ছেড়ে দেয়। সিলেটের গোলাপগঞ্জ থানার ওসি ফজলুল হক শিবলী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, জামিল ও ফাতেমা দুইজনই প্রাপ্ত বয়স্ক। তারা বৈধভাবে আদালতে বিয়ে করেছে। এবং প্রিয়াংকা ওরফে ফাতেমাকে জোরপূর্বক নেয়া হয়নি। এ কারণে মেয়ের ইচ্ছা অনুযায়ী 70409তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। জামিল ও ফাতেমা জানায়, তারা বুঝে-শুনে মোহরানার মাধ্যমে বিয়ে করেছে। এখন তারা স্বামী-স্ত্রী। আলাদা হওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না বলে জানায় তারা !

প্রবাসী কবি আসমা মতিনের কাব্যগ্রন্থ ‘অমরাবতী’ এর প্রকাশনা অনুষ্ঠান কবিদের অন্তদৃষ্টি থাকে, তারা সাধারণ মানুষের চেয়ে অনেক বেশি দেখেন ——–জেলা প্রশাসক, মৌলভীবাজার

n-01মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান বলেছেন, কবি সাহিত্যিকরা সমাজের দর্পন। লেখনির মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস আগামী প্রজন্মের কাছে পৌছে দিতে হবে। এখন সময় এসেছে কবি সাহিত্যিকরা জঙ্গিবাদ সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বেশি করে লেখালেখি করার। কবি আসমা মতিন তার নান্দনিক কবিতার মাধ্যমে সমাজের চিত্র সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন। কবিদের অন্তদৃষ্টি থাকে। কবিরা সাধারণ মানুষের চেয়ে অনেক বেশি দেখেন।
গত ৪ সেপ্টেম্বর রোববার বিকালে মৌলভীবাজার শহরের এম সাইদুর রহমান রোডের ওয়েস্টার্ণ চাইনিজ রেস্টুরেন্টে যুক্তরাজ্য প্রবাসী কবি আসমা মতিনের কাব্যগ্রন্থ ‘অমরাবতী’ এর প্রকাশনা অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথির বক্তবে এ কথাগুলো বলেন।
প্রবীন সাংবাদিক বকসি ইকবাল আহমদের সভাপতিত্বে ও মাহমুদুর রহমান এর পরিচালনা অনুষ্টানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মৌলভীবাজার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খায়রুল আলম, মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র মো. ফজলুর রহমান, বিশিষ্ট সাহিত্যিক এডভোকেট মুজিবুর রহমান মুজিব, বিশিষ্ট লেখক মায়া ওয়াহেদ, বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক এডভোকেট সৈয়দ জয়নাল আবেদীন, বিশিষ্ট ভারতীয় কবি মুহিত পাল, বাসিয়া প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী গ্রন্থের প্রকাশক গীতিকার মোহাম্মদ নওয়াব আলী।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন খেলাঘর সিলেট জেলাকমিটির সভাপতি সাংবাদিক তাজুল ইসলাম বাঙালি, কবি পুলক কান্তি ধর, সাংবাদিক সালেহ এলাহী কুটি, খেলাঘর সংগঠক শাহদত হোসেন, পাতাকুড়ি সম্পাদক এডভোকেট নুরুল ইসলাম সেপুল, ছড়াকার আবদুল হামিদ মাহবুব, হাফিজা খাতুন উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা  রাশেদা খাতুন, ব্যাংকার এসোসিয়েশনের সভাপতি এডভোকেট আবু তাহের প্রমুখ।
অনুভূতি প্রকাশ করেন কবি আসমা মতিন।
সভাশেষে কবির খালাত্ব ভাইয়ের অকাল মৃত্যুকে শোক প্রকাশ করা হয়।

প্রজন্ম’৭১ যুক্তরাজ্যের উদ্যোগে “বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ ” শীর্ষক আলোচনা ও সংকলন “একাত্তর” এর মোড়ক উন্মোচন

 

IMG_4321
গত ২৯আগস্ট ২০১৬ জাতীয় শোকদিবস উপলক্ষে প্রজন্ম’৭১ যুক্তরাজ্য আয়োজন করে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ শীর্ষক আলোচনা ও শোকাবহ আগস্টকে সামনে রেখে বিশেষ সংকলন একাত্তর এর মোড়ক উন্মোচন।
আহবায়ক বাবুল হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সদস্যসচিব এ কে এম আব্দুল্লাহ’র পরিচালনায় ইস্টলন্ডনের মাইলএন্ড রোডস্থ ব্লুমুন মিডিয়া সেন্টারে অনুষ্ঠিত সভায় কোরআন তেলাওয়াত শেষে বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন যুক্তরাজ্য ওলামা লীগের আহবায়ক মৌলানা কুতুব উদ্দিন। পরে জাতীয় সংগীত পরিবেশন এবং সকল শহীদদের শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে এক মিনিট নিরবতা পালনের মাধ্যমে শুরু হওয়া সভায় স্বাগতিক বক্তব্যে দেন মো:বাবুল হোসেন এর পরই উপস্থিত অতিথিবৃন্দ সংকলন একাত্তর’ এর মোড়ক উন্মোচন করেন। জাতীয় শোকদিবস উপলক্ষে প্রকাশিত বঙ্গবন্ধুকে নিবেদিত সংকলন প্রকাশের জন্য উপস্থিত সকলেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, এই সংকলনটিতে প্রকাশিত নবীন প্রবীণের প্রবন্ধ কবিতা থেকে আমাদের অনেক কিছু জানার আছে। সকলকে তা পড়ার জন্য আহবান জানিয়ে বলেন,বঙ্গবন্ধু শুধু একজন ব্যাক্তি নন, তিনি আমাদের আদর্শ। আদর্শের মৃত্যু নেই। তাই আসুন সকলে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর জীবন  তাঁর রাজনৈতিক ইতিহাস বেশি করে পড়ি এবং আমাদের নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরি এই বিশাল হৃদয়ের মানুষটির কথা। বক্তরা বলেন আজ তাঁরই সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে সফল ভাবে। সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে। সভায় বক্তারা বিদেশে পালিয়ে থাকা – বঙ্গবন্ধুর খুনীদের দেশে ফিরিয়ে নিয়ে দন্ড কার্যকর করার জোর দাবী জানান। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য  রাখেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফ, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সভাপতি আলহাজ্ সামছুদ্দিন খান,
লন্ডনস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রেস মিনস্টার নাদিম কাদির,যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক,যুগ্ম সম্পাদক নইম উদ্দিন রিয়াজ,মুক্তিযুদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযুদ্ধা ফয়জুর রহমান খান,যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক তারিফ আহমদ, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ সুরুক মিয়া,যুক্তরাজ্য ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটির প্রধান সমন্বয়ক আনসার আহমদ উল্লাহ, যুক্তরাজ্য জাসদের সহ সভাপতি মজিবুল হক মণি,লন্ডন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলতাফুর রহমান মুজাহীদ,যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সাবেক কোষাধক্ষ আব্দুল মতলিব, মুক্তি যোদ্ধা কয়ছর সৈয়দ,ওয়েস্টলন্ডন আওয়ামী লীগের যুগ্মআহবায়ক আব্দুল হান্নান,যুক্তরাজ্য মহিলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হোসনে আরা মতিন,অন্যান্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক সাঈম চৌধুরী,প্রজন্ম’৭১ এর সদস্য ও আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল করিম নাজিম, স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি সায়েদ আহমদ,সহ সভাপতি আকিক খান,ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ঝলকপাল, যুক্তরাজ্য বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুশান্ত দাস গুপ্ত,লন্ডন মহানগর আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি মইনুল হক,আন্তর্জাতিক সম্পাদক আমিনুল হক জিলু, সদস্য আশিকুর রহমান আশিক, যুক্তরাজ্য জাতীয় শ্রমিক লীগের আহবায়ক শামিম আহমদ,সদস্যসচিব ইকবাল হোসেন,
যুক্তরাজ্য জাতীয় তাঁতী লীগের আহবায়ক আব্দুস সালাম,সদস্যসচিব শাহ কোরেশী সিপন, যুক্তরাজ্য কৃষক লীগের সদস্যসচিব এম এ আলী,যুক্তরাজ্য যুবলীগের সহ সভাপতি মাহবুব আহমদ,যুগ্ম সম্পাদক মোদাব্বীর হোসেন চুনু,সাংগঠনিক সম্পাদক বাবুল খান, কর্মজীবী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছির, প্রজন্ম’৭১ যুক্তরাজ্যের যুগ্ম আহবায়ক সেলিম হোসেন,সদস্য আমজাদ হোসেন,এম রাহুল রহমান,শাহ শহীদ আলী,আলা উদ্দিন,মন্জুর আহমদ, লন্ডন মহানগর প্রজন্ম’৭১ এর সহ সভাপতি সাইদুর রহমান সাইদ, যুগ্ম সম্পাদক ফুয়াদ আহমদ ফরহাদ, সদস্য কামরুল হাসান মুন্না, যুক্তরাজ্য ছাত্র লীগের সহ সভাপতি সরওয়ার কবির,যুগ্ম সম্পাদক ফখরুল ইসলাম জামাল সহ আরো অনেকে। হল ভর্তি উপস্থিত সবাইকে দীর্ঘ সময় ধৈর্যের সাথে পুরো অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য প্রজন্ম ‘৭১ যুক্তরাজ্য এর পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।

প্রজন্ম’৭১ যুক্তরাজ্য এর জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচানা ও বিশেষসংকলন “একাত্তর” এর মোড়ক উন্মোচন ২৯ আগস্ট

unnamed

 

 

প্রজন্ম’৭১ যুক্তরাজ্য এর জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচানা ও বিশেষসংকলন “একাত্তর” এর মোড়ক উন্মোচন আগামি ২৯ আগস্ট ২০১৬, সোমবার বিকাল সাড়ে ছয়ঘটিকায় ইস্টলন্ডনের ব্লুমুন, ৮২-৮৮ মাইল এন্ড রোড,ই ১ ৪ইউ এন এ  অনুষ্ঠিত হবে।   উক্ত অনুষ্ঠানে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায়বিশ্বাসী সবাইকে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষ ভাবেঅনুরোধ জানিয়েছেন সংগঠনের আহবায়ক মোঃবাবুলহোসেন ও সদস্য সচিব এ কে এম আব্দুল্লাহ।

উল্লেখ্য,জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে প্রকাশিত সংকলন“একাত্তর” এ লিখেছেনঃ সামছুদ্দিন খাঁন,সুলতান মাহমুদ শরীফ, আতাউর রহমান খান,নইম উদ্দিন রিয়াজ,নাদিমকাদির,ডাঃফয়জুল ইসলাম,ইসহাক কাজল,সুজাত মনসুর,সেলিনা হোসেন, কয়ছর সৈয়দ,আমান উদ্দিন, ফরহাদহোসেন টিপু,আব্দুল করিম নাজিম, আমিনুল হক জিলু, ছাইদুর রহমান,ফুয়াদ আহমেদ ফরহাদ, কামরুল হাসান মুন্না, রুহুল এ রহমান,শাহশহীদ আলী, বাবুল হোসেন,এ কে এম আব্দুল্লাহ।

কবিতাঃ শামীম আজাদ,আতাউর রহমান মিলাদ, ফকিরইলিয়াস,আবু  মকসুদ, কাজল রশীদ,আব্দুলহাসিব,মজিবুল হক মণি,দিলু নাসের,ইকবাল হোসেন বুলবুল,জামিল সুলতান,সাগর রহমান,এম মোসাইদ খান,উদয়শংকর দুর্জয়, আব্দুল কাদির চৌধুরী মুরাদ,মোঃ ইকবাল, মুহাম্মদ মুহিদ, ইকবাল বাহার সুহেল,মোঃমঞ্জুর আহমেদ।

গল্পঃ মিল্টন রহমান।

রূপ দিয়েই সবাইকে বশে অানতো সুন্দরী সাদিয়া

full_378898934_1471433433 রাজধানীর উত্তরার ১২ নম্বর সেক্টরের একটি বাসায় অভিযান চালিয়েছে বিমানবন্দর থানা পুলিশ। অভিযান চালিয়ে ওই বাসা থেকে ১০৬ ভরি স্বর্ণালংকার, সাড়ে ২০ লাখেরও বেশি টাকা এবং বৈদেশিক মুদ্রা উদ্ধার করা হয়েছে।

১১ নম্বর রোডের ১৮ নম্বর বাসার দোতলার ওই ফ্ল্যাটটি প্রতারক চক্রের সদস্যরা ভাড়া নিয়েছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ ব্যাপারে বিমানবন্দর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এজাজ শফী জানান, মঙ্গলবার রাত ৯টা থেকে বুধবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ওই ফ্ল্যাটে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে ১০৬ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ ২০ লাখ ৫২ হাজার ৯৯০ টাকা, ২৫টি মোবাইল ফোন সেট, পাকিস্তানি মুদ্রায় পাঁচ হাজার পাঁচ রুপি, ৪ হাজার ৫১০ মার্কিন ডলারসহ কয়েকটি দেশের মুদ্রা পাওয়া যায়। ওই ফ্ল্যাট থেকে প্রচুর মানিব্যাগ, পার্স, সিম ও মেমোরি কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, ৯ আগস্ট রাতে উত্তরা ১ নম্বর সেক্টরের ৩ নম্বর রোডের একটি বাসা থেকে সাদিয়া আকতার (৩০) নামের এক নারীকে আটক করা হয়। আত্মীয় পরিচয়ে ওই বাসায় প্রবেশ করে প্রতারণার মাধ্যমে টাকাপয়সা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টার খবরে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সাদিয়াকে গ্রেফতারের খবর শুনে ভুক্তভোগী একাধিক ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা করে।

এজাজ শফী আরও জানান, পরদিন সাদিয়াকে নিয়ে রাজধানী ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় বিভিন্ন বাসা-বাড়ি থেকে প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেয়া এক লাখ টাকার স্বর্ণালংকার ও ৯২ হাজার টাকা তার হেফাজত থেকে জব্দ করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, সাদিয়ার গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে। নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় বসবাস করতেন তিনি। আত্মীয় পরিচয়ে রাজধানীর বিভিন্ন বাসা-বাড়িতে প্রবেশ করে কৌশলে স্বর্ণালংকার, টাকা ও মূল্যবান জিনিজপত্র হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

পুলিশ আরো জানায়, এরইমধ্যে বিমানবন্দর, উত্তরা পশ্চিম ও পূর্ব থানায় সাদিয়ার বিরুদ্ধে কয়েকটি প্রতারণার মামলা হয়েছে।

Developed by: