বিভাগ: বিনোদন

সালমান ভক্তদের আশার বাণী শোনালেন আইনজীবী

ক্ষণজন্মা চলচ্চিত্র তারকা সালমান শাহ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান। সে সময় এ বিষয়ে অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছিলেন তার বাবা প্রয়াত কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী। পরে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করে মামলাটিকে হত্যা মামলায় রূপান্তরিত করার আবেদন জানান তিনি। এরপর মারা যান সালমান শাহর বাবা কমরউদ্দিন।

পরে ২০১৬ সালে এর মামলার দায়িত্ব পান অ্যাডভোকেট ফারুক আহমেদ। নায়কের প্রয়াণ দিবসে (৬ সেপ্টেম্বর) মামলার অগ্রগতি বিষয়ে অ্যাডভোকেট ফারুক জানান, দেরি হলেও ন্যায় বিচার পাওয়ার আশা রাখি আমরা। সব ঠিকঠাক থাকলে মামলাটি আগামী ৩০ অক্টোবর শুনানি হবে। তবে করোনার কারণে এর আগের বেশ কয়েকটি নির্ধারিত শুনানির তারিখ পিছিয়েছে বলে জানান তিনি।

ফারুক আহমেদ বলেন, সালমান শাহ মৃত্যুর পর নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে এই মামলার সঙ্গে ২০১৬ সালে সম্পৃক্ত হই। সর্বশেষ পিবিআই যে রিপোর্টটি দিয়েছে সেটি আমাদের বিপক্ষে যায়। আমরা এর বিপক্ষে নারাজি দাখিল করবো।

তিনি জানান, মামলার শুনানি করতে হলে সালমান শাহের মা নীলা চৌধুরীকেও উপস্থিত থাকতে হবে। ওনাকে আদালতের কাছে স্ট্যাটমেন্ট দিতে হবে। এ কারণে মামলাটির নতুন তারিখ নিতে হয়েছে।

মামলার বিষয়ে অ্যাড. ফারুক আহমেদ আরও বলেন, এই মামলার জন্য আমাদের লেগে থাকতে হবে। অনেক বিচারকই তো আসবেন। কারণ, জুডিশিয়ালি তদন্ত হওয়ার পর র‌্যাব থেকে তদন্তভার পিবিআইতে পাঠানো হয়েছে; যা আমাদের জন্য ভালো হয়েছে। এখন এই মামলা নিম্ন আদালতে আছে। পরপর জজকোর্ট, হাইকোর্ট, সুপ্রিমকোর্ট, ও রিভিউকোর্ট পর্যন্ত যাওয়ার সুযোগ আছে। কেউ যদি মনে করেন বাবা-মা মারা গেলে মামলা শেষ হয়ে যায়। সেটা ভুল। ক্রিমিনাল মামলা কখনো মরে না।

সালমান ভক্তদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা দোয়া করুন ও ধৈর্য ধরুন। বিচার আমরা পাবো। সত্যের বিচার একসময় হবেই।

প্রসঙ্গত, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার (ইমন) ওরফে সালমান শাহ। সে সময় এ বিষয়ে অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছিলেন তার বাবা প্রয়াত কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী।

পরে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করে মামলাটিকে হত্যা মামলায় রূপান্তরিত করার আবেদন জানান তিনি। অপমৃত্যু মামলার সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের বিষয়টি একসঙ্গে তদন্ত করতে সিআইডিকে নির্দেশ দেন আদালত।

গত ৩ নভেম্বর ১৯৯৭ সালে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় সিআইডি। চূড়ান্ত প্রতিবেদনে সালমান শাহের মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করা হয়। ২৫ নভেম্বর ঢাকার সিএমএম আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন গৃহীত হয়। সিআইডি’র প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে তার বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী রিভিশন মামলা দায়ের করেন।

২০০৩ সালের ১৯ মে মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তে পাঠায় আদালত। এরপর প্রায় ১৫ বছর মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তে ছিল।

২০১৪ সালের ৩ আগস্ট ঢাকার সিএমএম আদালতের বিচারক বিকাশ কুমার সাহার কাছে বিচার বিভাগীয় তদন্তের প্রতিবেদন দাখিল করেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইমদাদুল হক। এ প্রতিবেদনে সালমান শাহের মৃত্যুকে অপমৃত্যু হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

২০১৪ সালের ২১ ডিসেম্বর সালমান শাহের মা নীলা চৌধুরী ছেলের মৃত্যুতে বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান এবং ওই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি দেবেন বলে আবেদন করেন।

২০১৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি নীলা চৌধুরী ঢাকা মহানগর হাকিম জাহাঙ্গীর হোসেনের আদালতে বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদনের বিষয়ে নারাজির আবেদন দাখিল করেন। নারাজি আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ ১১ জন তার ছেলে সালমান শাহের হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারেন।

মামলাটি এরপর র‍্যাব তদন্ত করে। তবে র‍্যাবের দ্বারা তদন্তের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ গত বছরের ১৯ এপ্রিল মহানগর দায়রা জজ আদালতে একটি রিভিশন মামলা করে। ২০১৬ সালের ২১ আগস্ট ঢাকার বিশেষ জজ ৬-এর বিচারক ইমরুল কায়েস রাষ্ট্রপক্ষের রিভিশনটি মঞ্জুর করেন এবং র‍্যাবকে মামলাটি আর না তদন্ত করার আদেশ দেন। তখন থেকে মামলাটি তদন্তের দায়িত্বে আছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

‘সন্ধ্যার পর মেয়েদের ঘর থেকে বের হওয়া বিপজ্জনক’

সিনিয়র অভিনেত্রী অঞ্জনা বলেছেন, ‘পৃথিবীতে যে অবস্থা চলছে তাতে সন্ধ্যার পর মেয়েদের ঘর থেকে বের হওয়েই তো বিপজ্জনক। শুধু পরীমণির নয়, গোটা সমাজের নারীদের এটা মনে রাখা উচিত।’

শনিবার বিকেল ৫টায় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনে (এফডিসি) চিত্রনায়িকা পরীমণি-একা ইস্যুতে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এদিন চিত্রনায়িকা পরীমণি ও একার সদস্যপদ সাময়িকভাবে স্থগিত ঘোষণা দেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর।

পরীমণি প্রসঙ্গে শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য অঞ্জনা বলেন, পরীমণি তো বাচ্ছা না। সে প্রায় ৭ বছর আমাদের ইন্ডস্ট্রিতে আছে। তার ব্যক্তিগত বিষয় আমাদের দেখার দরকার নেই। সে ঘরের ভেতর কি করছে সে আমাদের দেখার বিষয় না। কিন্তু তার ব্যক্তিগত কোনো অপরাধ বা কর্মকাণ্ড যদি জনসম্মুখে চলে আসে তখনই শিল্পী সমিতির দেখার বিষয়।

এর আগে পরীমণি যখন ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ করেছিলেন তখন তিনি বলেছিলেন, শিল্পী সমিতি আমার পাশে নেই। পরীমণির এ অভিযোগ সম্পর্কেও কথা বলেছেন অঞ্জনা।

‘সন্ধ্যার পর মেয়েদের ঘর থেকে বের হওয়া বিপজ্জনক’

অঞ্জনার কথায়, পরীমণির এই অভিযোগ ভুল। লাইভে আসার আগে শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান তাকে বলেছিলো, আমাদের সমিতিতে একটা চিঠি দিতে। কিন্তু সেটা পরীমণি মানেন নি। সমিতির কথা না মেনে তিনি প্রথমেই সংবাদ সম্মেলন করেছেন। সেই সম্মেলনে তিনি কতোটা ভুল তথ্য দিয়েছেন সেটা সবাই জানেন। এই পরিপ্রেক্ষিতে আমার অনুরোধ- ভবিষ্যতে আমাদের কোন শিল্পী এমন ভুল পদোক্ষেপ না নেন।

স্মৃতি থেকে যেভাবে হলেন পরীমণি

২০১১ সালে বিনোদন জগতে কাজের স্বপ্ন নিয়ে রাজধানীতে আসেন সাতক্ষীরার তরুণী শামসুন্নাহার স্মৃতি। শুরুতে মডেলিং দিয়ে শুরু হয়েছিল তার পথচলা। এরপর আসে নামের পরিবর্তন। নাম হয় পরীমণি। এরপর বেশকিছু টিভি অনুষ্ঠান ও নাটকে কাজ করেন। তবে একের পর এক সিনেমায় যুক্ত হয়ে ঝড়ের মতো মুহূর্তেই তিনি আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসেন।

২০১৫ সালে মুক্তি পায় পরীমণি অভিনীত প্রথম সিনেমা ‘ভালোবাসা সীমাহীন’। আশ্চর্যের বিষয় হলো- ওই সিনেমা মুক্তির আগেই তিনি প্রায় ২৩টি সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন! যেকোনো সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির নায়িকাদের ক্ষেত্রেই বিরল। যদিও সবগুলো সিনেমা শেষ পর্যন্ত মুক্তির আলো দেখেনি।

স্মৃতি থেকে যেভাবে হলেন পরীমণি

‘ভালোবাসা সীমাহীন’ দিয়ে যাত্রা শুরু হলেও পরীমণি আলোচনায় আসেন ‘রানা প্লাজা’ সিনেমার মাধ্যমে। কেবল ২০১৫ সালেই তার এক ডজন সিনেমা মুক্তি পেয়েছিল। রাতারাতি ঢালিউডের তারকা বনে যান তিনি। সেই সঙ্গে তার হাতে আসতে থাকে নতুন নতুন সিনেমার কাজ আর কাড়ি কাড়ি অর্থ। শুরু হয় তার বিলাসবহুল জীবন।

রাজধানীর অভিজাত এলাকা বনানীতে ফ্ল্যাট নেন পরীমণি। লেকের ধারে তার সেই রাজকীয় বাসার অন্দরমহল বিভিন্ন সময় ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে। এছাড়া একাধিক গাড়িও রয়েছে এই অভিনেত্রীর।

স্মৃতি থেকে যেভাবে হলেন পরীমণি

কিছুদিন আগে এক দুর্ঘটনায় তার আগের গাড়িটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সবাইকে অবাক করে দিয়ে মাত্র এক দিন পরেই নতুন আরেকটি বিলাসবহুল গাড়ি কিনে ফেলেন পরী। তখন অবশ্য অনেকে তার এত অর্থের উৎস নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

সিনেমায় পরীমণির জনপ্রিয়তা বাড়ে ২০১৬ সালে। ওই বছর মুক্তি পায় জাজ মাল্টিমিডিয়া প্রযোজিত সিনেমা ‘রক্ত’। সেখানে বেশ সাহসী চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক আলোচিত হন তিনি। এর পরের বছর ‘অন্তর জ্বালা’ সিনেমায় কাজ করেও প্রশংসিত হয়েছিলেন এ নায়িকা।

স্মৃতি থেকে যেভাবে হলেন পরীমণি

তবে পরীমণির ক্যারিয়ারে এ পর্যন্ত সবচেয়ে প্রশংসিত সিনেমা ‘স্বপ্নজাল’। যেটি নির্মাণ করেছেন ‘মনপুরা’ খ্যাত গিয়াসউদ্দিন সেলিম। এটি মুক্তি পেয়েছিল ২০১৮ সালে। এরপর তার অভিনীত কোনো সিনেমাই খুব একটা দর্শকপ্রিয়তা পায়নি। তিনি মূলত ব্যক্তিগত নানা কর্মকাণ্ডেই পরিচিতি পেয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় খোলামেলা রূপে হাজির হওয়া এবং বিভিন্ন সময়ে বিতর্কিত কাজ ও মন্তব্য করে চর্চার বিষয়ে পরিণত হয়েছেন তিনি।

সম্প্রতি পরীমণির ঝলমলে ক্যারিয়ারে লেগেছে দাগ। গত জুন মাসে উত্তরা বোট ক্লাবে তার সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনায় তিনিই হয়েছেন বিতর্কিত। সেই ঘটনার রেশ কাটিয়ে কিছুটা স্বাভাবিক হয়ে উঠেছিলেন পরী।

তবে বুধবার (৪ আগস্ট) বিকেলে তাকে আটক করেছে র‍্যাব। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তার বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। এ সময় তার বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়।

২০১৫ সালে বিদ্যুতের মতো যে পথচলা শুরু করেছিলেন পরীমণি, সেটা যেন ২০২১-এ এসে ধ্বংসের মুখে পড়ে গেল। যেমন রাতারাতি তার উত্থান হয়েছিল, তেমন রাতারাতিই যেন পতনের খাতায় নাম লেখালেন ঢালিউডের এই গ্ল্যামারগার্ল।

র‌্যাব সদরদপ্তরে নেওয়া হচ্ছে পরীমনিকে

আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনিকে তার বনানীর বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ ও মাদকসহ আটক করেছে র‌্যাব।তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র‌্যাবের সদরদপ্তরে নেওয়া হচ্ছে।তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ রয়েছে সে ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে সেখানে।

বুধবার রাত ৮টার দিকে এ চিত্রনায়িকাকে তার বাসা থেকে বের করে একটি সাদা মাইক্রোবাসে করে র‌্যাব সদরদপ্তরের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়।

এর আগে বিকেল ৪টায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে এ আলোচিত নায়িকার বাসায় অভিযান শুরু করেন র‌্যাবের গোয়েন্দা দলের সদস্যরা। সন্ধ্যার কিছুক্ষণ আগে বাসা তাকে আটক করা হয়।

র‌্যাবের গোয়েন্দা দলের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, পরীমনির বাসায় বিপুল পরিমাণ মাদক-ইয়াবা-সোনার বার পাওয়া গেছে, তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাকে র‌্যাবের সদরদপ্তরে নিয়ে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করা হবে।

আবারও বিয়ের ইঙ্গিত দিলেন ন্যানসি!

২৮ জুলাই দুপুরে ন্যান্সী তার ফেসবুক ভেরিফায়েড পেজে স্বামীর সঙ্গে ডিভোর্স প্রসঙ্গে স্ট্যাটাস দেন। সেখানে তিনি লেখেন— ‘সংসার জীবনে বিচ্ছেদ মানেই মানসিক নিপীড়ন, পরিবারের দূর সম্পর্কের আত্মীয়দের টিপ্পনি, সমাজের নোংরা কথা… ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু নিজের ওপর ভরসা থাকলে এই কঠিন সময়টাও সহজ হয়ে যায়। আমার বেলায় তাই হয়েছে। দুটো মানুষ একে অপরের বিরক্তির কারণ না হয়ে বরং সম্মানের সঙ্গে আলাদা হয়ে যাওয়াই শ্রেয়। নতুন পথে যাত্রা শুরু করলাম। তাই বলি— বিচ্ছেদ কখনও মধুরও হয়।’

সংসার ভাঙা নিয়ে ন্যান্সী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমার যা বলার তা ফেসবুক স্ট্যাটাসেই রয়েছে। আমি দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছি যে, আমি একটু একা থাকতে চাই। সেই কাজটিই আসলে সম্পন্ন করলাম। আমি কখনও কোনো কিছুই লুকাই না। তাই ফেসবুকের মাধ্যমে সবাইকে জানিয়েছি। অনেক বছর পর একা হলাম। এ এক নতুন অভিজ্ঞতা। কিছু দিন এভাবেই থাকতে চাই। আবারও বিয়ে করতে চাই, তবে তা কখন হবে তা বলতে চাচ্ছি না। তবে যা-ই করি না কেন, সবাই তা জানতে পারবেন। বিয়ের খবর লুকানোর বিষয় নয়। এটি একটি সুন্দর বিষয়। আপাতত এর বেশি কিছু বলতে চাচ্ছি না।’

‘নয়া দামান’ গানের শিল্পী সিলেটের তসিবা এবার ইত্যাদির মঞ্চ মাতাবেন

জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদি’র এবারের পর্বে থাকছেন সিলেটের শিল্পী তসিবা বেগম। ‘নয়া দামান’ গান গেয়ে যিনি দেশজুড়ে খ্যাতি পেয়েছেন।

ইত্যাদি’র এবারের পর্বে সেই গানটির প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরার পাশাপাশি মঞ্চে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে সেই চিকিৎসকদের, যাদের নৃত্যে গানটি আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

সংগৃহিত কথা ও সুরে ইত্যাদি’র এবারের পর্বে তসিবার জন্য একটি গান নতুনভাবে রেকর্ড করা হয়। গানটির র‌্যাপ অংশ গেয়েছেন মাহমুদুল হাসান। সংগীতায়োজন করেছেন তরুণ সংগীত পরিচালক নাভেদ পারভেজ। গানটির সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করেছেন ইত্যাদি’র নিয়মিত নৃত্যশিল্পীরা।

ইত্যাদি’র এবারের পর্ব ধারণ করা হয়েছে ঢাকার উত্তরায় দিয়াবাড়িতে অবস্থিত মেট্রোরেল লাইন-৬ এর ডিপোতে।

বাংলার মানুষের প্রিয় অনুষ্ঠান ইত্যাদি’র এই পর্বটি একযোগে বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে প্রচার হবে আগামী ৩০ জুলাই, শুক্রবার-রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর।

গীতিকবি সুরকার ও কণ্ঠশিল্পীদের নিয়ে গঠিত হলো সংগীত ঐক্য বাংলাদেশ

গত ৫০ বছর ধরে গীতিকবি, সুরস্রষ্টা ও কণ্ঠশিল্পীরা নানা অনিয়ম, অবহেলা আর প্রাপ্য সম্মান ও সম্মানী থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছেন। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে গীতিকবি, সুরকার ও কণ্ঠশিল্পীরা এবার এক ছাতার নিচে এলেন। গঠন করেছেন, ‘সংগীত ঐক্য বাংলাদেশ’। গত শনিবার সংগঠনটির আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ ঘটে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে। ওয়েবনিয়রের মাধ্যমে আয়োজিত এই সম্মেলনে ঘোষণা করা হয় সংগঠনটির প্রথম কার্যনির্বাহী কমিটি। সিঙ্গার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-এর সাধারণ সম্পাদক কুমার বিশ্বজিৎ এই কমিটি ঘোষণা করেন। সংগীত ঐক্য বাংলাদেশ-এর প্রথম কমিটির সভাপতি রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, মহাসচিব (৩ জন) শহীদ মাহমুদ জঙ্গী, নকীব খান ও কুমার বিশ্বজিৎ, অর্থ ও দফতর সচিব আসিফ ইকবাল, তথ্যপ্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক সচিব হাসান আবিদুর রেজা জুয়েল, সাংস্কৃতিক সচিব বাপ্পা মজুমদার, প্রচার ও প্রকাশনা সচিব জুলফিকার রাসেল এবং নির্বাহী সদস্য মানাম আহমেদ, কবির বকুল, শওকত আলী ইমন ও জয় শাহরিয়ার। গীতিকবি সংঘের সাংগঠনিক সম্পাদক জুলফিকার রাসেলের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিঙ্গার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-এর সভাপতি রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা। তিনি বলেন, এই মুহূর্তটি আমাদের সকলের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান। কিছুদিন আগে সিঙ্গার্স অ্যাসোসিয়েশন করেছি। বিগত দিনের অভিজ্ঞতায় শিখেছি এখন আমাদের এক হয়ে কাজ করার বিকল্প নেই। যেকোনও বিপদে ও সংকটে পরস্পরের পাশে দাঁড়ানোর বিকল্প নেই। আমাদের আরও দুটি সংগঠন হয়েছে। তিনটি আলাদা সংগঠন হলেও এক হয়ে এরমধ্যে অনেক কাজ করেছি আমরা। আজকে এই সংবাদ সম্মেলনের কারণ সেই এক হয়ে কাজ করার বিষয়টি সাংগঠনিকভাবে তুলে ধরা হয়েছে। সংগীত ঐক্য বাংলাদেশ গঠনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে মিউজিক কমপোজার্স সোসাইটির সভাপতি নকীব খান বলেন, সার্বিক সংগীতের মান উন্নয়ন, সম্মান ও সম্মানীর জন্য আমরা একসঙ্গে লড়াই করার প্রত্যয় নিয়েই এই প্ল্যাটফর্ম গঠন। এটা অরাজনৈতিক ও অলাভজনক সংগঠন। সংগীতের সকল পক্ষকে আস্থায় নিয়ে কাজ করে যাওয়ার জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ নিশ্চিত করার চেষ্টা করবো আমরা। আমাদের স্বপ্ন সংগীতের পাশাপাশি দেশের প্রয়োজনে জনগণের জন্যেও কাজ করার। সংগীত ঐক্য বাংলাদেশ-এর গঠন প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে গীতিকবি সংঘের সভাপতি শহীদ মাহমুদ জঙ্গী বলেন, গত বছর এই সময়টাতেই আমাদের তিনটি সংগঠন সৃষ্টি হয়েছে। আমরা লক্ষ্য করেছি, নিজ নিজ দাবির মধ্যে কিছু অভিন্ন দাবি আছে। আমরা ১৭ দফা তৈরি করি। এরপর সবাই মিলে মন্ত্রণালয়ে বৈঠক করি। চিন্তা করলাম, কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে এক জায়গায় আসতে হবে আমাদের। সম্পর্ক উন্নয়ন করতে হবে গীতিকবি, সুরকার ও কণ্ঠশিল্পীদের মধ্যে। তাই তিনটি সংগঠন রেখেই একটি ফেডারেল সংগঠন করার পরিকল্পনা করি সবাই। যেটার নাম হলো সংগীত ঐক্য, বাংলাদেশ। তিনটি সমিতি থেকে ৪ জন করে প্রতিনিধি নিয়েছি। একটা নির্বাহী কমিটি করেছি। আমাদের ইচ্ছা বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় সংগীতের প্রতিটি মানুষের মাঝে একটা যোগসূত্র তৈরি হোক। উল্লেখ্য, গত বছর ৩ জুলাই দেশে প্রথমবারের মতো গঠিত হয় গীতিকবি সংঘ বাংলাদেশ। এই সংগঠনের সূত্র ধরেই সৃষ্টি হয় রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার নেতৃত্বে সিঙ্গার্স অ্যাসোসিয়েশন এবং নকীব খানের নেতৃত্বে মিউজিক কমপোজার্স সোসাইটি। গত এক বছর এই তিনটি সংগঠন নিজস্ব সাংগঠনিক কাজের বাইরে যৌথভাবে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও কপিরাইট বোর্ডের সঙ্গে বসে। মূলত তারই সাংগঠনিক রূপ সংগীত ঐক্য বাংলাদেশ।

‘সব কিছু সাদা-কালোর মতো সহজ নয়’, নতুন পোস্টে কীসের ইঙ্গিত শ্রাবন্তীর

রোশন সিংয়ের সঙ্গে সম্পর্ক ফিকে হওয়ার পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা সময়ে নানারকম পোস্ট করে থাকেন শ্রাবন্তী। সম্পর্ক নিয়ে স্পষ্ট কিছু না বলে বরং আকারে ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দেন তার সম্পর্ক নিয়ে অবস্থান। বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক স্ট্যাটাসে হয়তো এরকম ইঙ্গিতই দিলেন এই অভিনেত্রী।

শ্রাবন্তী সোশ্যাল মিডিয়ায় সাদা-কালো একটি ছবি পোস্ট করেছেন । সেই ছবি পোস্ট করে শ্রাবন্তী লিখলেন, ‘সব কিছু সাদা কালোর মতো সহজ হয় না!’
তার এই নতুন পোস্ট দেখে অনেকেই মনে করছেন, ভালবাসা, সম্পর্ক নিয়েই এই জটিল পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী। হয়তো বারবার প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়াকে সাদা-কালো রঙে রাঙাতে চান তিনি। জীবনের বাদ বাকি রংকে আপাতত তিনি নিজের কাছে গোপন রেখেছেন।

টলিপাড়ায় গুঞ্জন ব্যবসায়ী অভিরূপ নাগ চৌধুরীর সঙ্গেই নাকি প্রেমে মত্ত শ্রাবন্তী। কয়েকদিন আগে অভিরূপের জন্মদিনে শ্রাবন্তীর ছবিও ভাইরাল হয়েছিল নেটপাড়ায়। তারপর থেকেই যেন রোশনের সঙ্গে সম্পর্কটা আরও তিক্ত হয়ে পড়ে। রোশন-শ্রাবন্তী দুই তরফেই সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে শুরু হয় পোস্ট যুদ্ধ । তবে আপাতত সম্পর্ক নিয়ে ইঙ্গিতবাহী পোস্ট দিলেও, মুখে কিন্তু একেবারেই কুলুপ এঁটেছেন শ্রাবন্তী ও রোশন দুজনেই।

 

বাবার বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে যা বললেন মেয়ে ইরা

দীর্ঘ ১৫ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টেনেছেন বলিউড অভিনেতা আমির খান ও তার স্ত্রী কিরণ রাও। গত শনিবার তারা বিবাহবিচ্ছেদের ঘোষণা দেন

আমির-কিরণের বিচ্ছেদ নিয়ে চুপ অভিনেতার প্রথম স্ত্রী রিনা দত্ত। তবে রবিবার ইনস্টাগ্রামের দেওয়ালে ইরা খানের পোস্ট ঘিরে হইচই পড়ে যায়। আমির খানের প্রথম সন্তান এদিন বেশ তির্যক মন্তব্য করেছিলেন ইনস্টা স্টোরিতে। সেই পোস্ট দেখে অনেকেই মনে করেছিলেন বাবার বিচ্ছেদ নিয়েই এমন মন্তব্য করেছেন ইরা খান।

একটিতে লিখেছিলেন, ‘আগামীকালের পর্যালোচনা কী?’, সঙ্গে লেখেন-‘এটা কি হতে যাচ্ছে?’ সঙ্গে জুড়ে দেন একটি পেস্ট্রির ছবি। যা দেখেও নানা মুনির নানা মত! বাবার বিচ্ছেদ উপভোগ করতেই এমন কাণ্ড ঘটালেন ইরা? এমনও মন্তব্য ভেসে এসেছে। যদিও একথা কারুরই অজানা নয়, ইরা খান একজন ফুড ব্লগার। আর সেই মতোই সোমবার ইরার পোস্ট প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানে তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করে চিজ কেক খেতে দেখা গেল আমির কন্যাকে। আর ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজল বিটেলসের সুপারহিট গান ‘হেলপ’।

রবিবার নিজেদের ডিভোর্স প্রসঙ্গে এক ভিডিও বার্তায় মুখ খোলেন আমির-কিরণ। ফ্যানেদের উদ্দেশে আমিরের বার্তা, আমি জানি আপনারা যখন এই খবরটা শুনেছেন আপনাদের খারাপ লেগেছে, দুঃখ পেয়েছেন। চমকে গেছেন। আমরা শুধু এইটুকুই বলতে চাই আমরা খুব খুশি। আমাদের সম্পর্কটা বদলে গেছে, কিন্তু আমরা একই পরিবারের অংশ। সম্পর্কে পরিবর্তন এলেও আমরা একসঙ্গেই আছি। আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করুন, প্রার্থনা করুন। এইটুকুই বলবো।

ঐশ্বরিয়া আমার চেয়ে বেশি টাকা পায় : অভিষেক

বলিউডে নারী-পুরুষের পারিশ্রমিক-বৈষম্য নিয়ে কম আলোচনা-সমালোচনা হয় না। বছরের পর বছর অনেক অভিনয়শিল্পীই এ ইস্যুতে মুখ খুলেছেন। অনেক নারীর মত, একই কাজ করেও পুরুষের চেয়ে তাঁরা কম পারিশ্রমিক পান।

আবার কিছু অভিনয়শিল্পী তাঁদের এই অভিযোগ উড়িয়ে দেন। এবার একটু পেছনে ফেরা যাক। ২০১৮ সালে অভিষেক বচ্চন বলেছিলেন, স্ত্রী ঐশ্বরিয়া রাইয়ের সঙ্গে করা নয়টি সিনেমার আটটিতেই তাঁর চেয়ে কম পারিশ্রমিক পেয়েছেন অভিষেক।

২০১৮ সালে এক অনুষ্ঠানে চলচ্চিত্র নির্মাতা সুজিত সিরকারের সঙ্গে আলাপচারিতায় ওই কথা প্রকাশ করেছিলেন অভিষেক বচ্চন।

অভিষেকের ভাষ্য, ‘চলচ্চিত্র ব্যবসায়ে লিঙ্গবৈষম্য নিয়ে প্রচুর তর্ক হয় এবং অন্য অঙ্গনেও হয়। আমি আমার স্ত্রীর সঙ্গে নয়টি সিনেমায় কাজ করেছি এবং এর মধ্যে আটটিতেই সে আমার চেয়ে বেশি অর্থ পেয়েছে। পিকু সিনেমায় সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পেয়েছে দীপিকা (পাড়ুকোন)। এটা ব্যবসা এবং আপনি যদি বিক্রয়যোগ্য অভিনেতা হন, তবে অবশ্যই ভালো পারিশ্রমিক পাবেন। আপনি যদি নবাগত অভিনেত্রী হন এবং শাহরুখ খানের মতো পারিশ্রমিক চান, তাহলে তো হবে না।’

‘কুছ না কাহো’, ‘গুরু’, ‘রাবণ’, ‘ধুম টু’, ‘ধাই অক্ষর প্রেম কে’, ‘সরকার রাজ’, ‘উমরাও জান’ ও ‘বান্টি অউর বাবলি’ সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করেছেন অভিষেক ও ঐশ্বরিয়া। ১৯৯৭ সালে তামিল সিনেমা ‘ইরুভার’ দিয়ে সিনে-অঙ্গনে অভিষেক হয় ঐশ্বরিয়ার। আর এর তিন বছর পর ২০০০ সালে জে পি দত্তের ‘রিফুজি’ দিয়ে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে প্রবেশ করেন অভিষেক।

২০০৭ সালে রাজকীয় আয়োজনে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন অভিষেক ও ঐশ্বরিয়া। ২০১১ সালে তাঁদের কন্যা আরাধ্যার জন্ম হয়।

এন এইচ, ২৭ জুন

Developed by: