বিভাগ: বিনোদন

নেইমারের বাসায় বাজছে বাংলাদেশের জুনায়েদ ইভানের গান

বাসিয়া ডেস্ক:: ব্যান্ড সংগীতপ্রেমীরা হয়তো ভালোই চেনেন জুনায়েদ ইভানকে—বাংলাদেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড অ্যাশেজ–এর ভোকাল। আজ (১৫ আগস্ট) ইভানের জন্মদিন। আর জন্মদিনেই পেলেন এক অসাধারণ উপহার—তার গাওয়া গান বাজছে ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার নেইমারের বাসায়।

বিশ্বাস করা কঠিন হলেও খবরটি একেবারেই সত্য। নেইমারের রিও ডি জেনেইরোর বাসায় অ্যাশেজের গান বাজিয়েছেন কিশোরগঞ্জের রবিন মিয়া—যিনি নেইমার ও তার পরিবারের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত।

কাতার বিশ্বকাপের সময় নেইমারের প্রচারণার দায়িত্বে ছিলেন রবিন মিয়া। সেই সুবাদে ব্রাজিলিয়ান তারকার সঙ্গে তার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। শুক্রবার নেইমারের বাড়িতে আয়োজিত এক আয়োজনে বাংলাদেশি ব্যান্ড অ্যাশেজের একটি গান চালান রবিন।

রবিন সেই মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেন। ভিডিওতে দেখা যায়, সুইমিং পুলঘেরা বাংলো স্টাইলে সাজানো বাড়ির একটি বড় পর্দায় ভেসে উঠছে ইভানের গাওয়া গানের লিরিকস।

জওয়ান ছবির জন্য সেরা অভিনেতা হিসেবে প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেলেন শাহরুখ খান

বাসিয়া ডেক্স :দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এক মাইলফলক মুহূর্তে, শাহরুখ খান তার ৩০ বছরের ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো সেরা অভিনেতার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। ভারতীয় চলচ্চিত্রের প্রাচীনতম এবং সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারগুলির মধ্যে একটি, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, ১৯৫৪ সাল থেকে চলচ্চিত্রের শ্রেষ্ঠত্বকে স্বীকৃতি দিয়ে আসছে। ১৯৬৭ সাল থেকে প্রতি বছর সেরা অভিনেতা বিভাগটি প্রদান করা হয়ে আসছে।

৫৯ বছর বয়সী এই মেগাস্টার বিক্রান্ত ম্যাসির সাথে এই সম্মান ভাগাভাগি করে নিচ্ছেন।

ভারতীয় চলচ্চিত্রের সবচেয়ে প্রিয় এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বদের একজন, খান, তিন দশক ধরে ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করার পর তার প্রথম জাতীয় পুরস্কার পাচ্ছেন, যা ভক্তদের মধ্যে আনন্দ এবং প্রতিফলন উভয়ই জাগিয়ে তুলেছে। কিন্তু তিনি একটি হৃদয়গ্রাহী ভিডিও বার্তায় স্পষ্ট করে বলেছেন, যাত্রা এখনও শেষ হয়নি।

শুক্রবার নয়াদিল্লিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করেছে ভারতের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।

অন্যদিকে বিক্রান্ত ম্যাসিও প্রথমবারের মতো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাচ্ছেন। এছাড়া তার ‘টুয়েলভথ ফেল’ সিনেমা পাচ্ছে সেরা সিনেমার পুরস্কার।

মেট্রোরেলের নিরাপত্তায় নামছে এমআরটি পুলিশ

 মেট্রোরেলের নিরাপত্তায় আগামী মাসেই নামছে এমআরটি (ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট) পুলিশ। ২৮ ডিসেম্বর মেট্রোরেলের উত্তরা উত্তর অংশ থেকে আগারগাঁও অংশ উদ্বোধনের পর থেকে এর নিরাপত্তা দিচ্ছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। সামনের মাসেই আগারগাঁও থেকে মতিঝিল অংশ উদ্বোধনের সম্ভাবনা রয়েছে। এরপরই শুরু হবে এমআরটি পুলিশের অপারেশনাল কার্যক্রম। দায়িত্ব পালনের জন্য ইতোমধ্যে প্রশিক্ষণ শুরু করেছেন এমআরটি পুলিশ সদস্যরা। ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) ট্রেনিং সেন্টার এবং উত্তরা দিয়াবাড়ী ডিএমপি পুলিশ লাইন্সে মৌলিক প্রশিক্ষণ চলছে। এই প্রশিক্ষণের আওতায় প্রতি ব্যাচে ৪০ জন যুক্ত থাকছেন। সাত দিন মেয়াদি এ প্রশিক্ষণ শিগগিরই সম্পন্ন হবে। এমআরটি পুলিশের সংশ্লিষ্ট সূত্র এসব তথ্য জানিয়েছে।

সূত্র জানায়, বর্তমানে মেট্রোরেলের নিরাপত্তায় ডিএমপির প্রায় সাড়ে পাঁচশ সদস্য কাজ করছেন। বিশেষায়িত ইউনিট হিসাবে এমআরটি পুলিশ দায়িত্ব নেওয়ার পর ডিএমপি তাদের কার্যক্রম গুটিয়ে নেবে। ২১ মে এমআরটি পুলিশের জন্য একজন ডিআইজির নেতৃত্বে বিভিন্ন পদবির ২৩১ জনবল মঞ্জুর করে সরকার। ইতোমধ্যে ডিআইজি জিহাদুল কবিরের নেতৃত্বে এই বাহিনীর প্রশাসনিক ও অবকাঠামোগত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট থেকে বাছাই করে যোগ্যতাসম্পন্ন পুলিশ সদস্যদের এমআরটি পুলিশে পদায়ন করা হয়েছে। তবে যে জনবল মঞ্জুর করা হয়েছে, তা মেট্রোরেলের নিরাপত্তায় পর্যাপ্ত না। তাই নতুন এই ইউনিটে আরও জনবল পদায়নের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

জানা যায়, এ মুহূর্তে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এমআরটি পুলিশের কার্যক্রম চলছে। শিগগিরই এমআরটি পুলিশের প্রধান কার্যালয় স্থানান্তর হবে উত্তরার দিয়াবাড়ীতে। ডিএমটিসিএল ডিপো রোলিং স্টক ভবনে হবে এ কার্যালয়।

পুলিশের অতিরিক্ত আইজি (প্রশাসন) কামরুল আহসান বলেন, অনুমোদিত ২৩১ জনের জনবল দিয়ে যাত্রী, লাইন, স্টেশনসহ মেট্রোরেলের সবকিছুর নিরাপত্তা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। এ মুহূর্তে আংশিকভাবে মেট্রোরেল চলছে। এ অবস্থায়ই ডিএমপির পাঁচ শতাধিক পুলিশ দায়িত্ব পালন করছেন। উত্তরা থেকে মতিঝিল পুরোদমে চালু হলে ১৭টি স্টেশনে নিরাপত্তা দেখভাল করতে হবে। রূপগঞ্জসহ অন্যান্য স্থান থেকে মেট্রোরেল চালু হলে স্টেশনের সংখ্যা আরও বাড়বে। এসব বিষয় মাথায় রেখেই জনবল বাড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

এমআরটি পুলিশের প্রধান ডিআইজি জিহাদুল কবির বলেন, মেট্রোরেল, মেট্রোরেলের যাত্রী, এমআরটি স্থাপনা, স্টেশন, ডিপোসহ অধিভুক্ত এলাকার নিরাপত্তা দিতে আমাদের প্রস্তুতি চলছে। প্রাথমিকভাবে আমরা কেবল অপারেশনাল কার্যক্রম চালাব। কোনো ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দেব। আপাতত থানা পুলিশই তদন্ত করবে। তিনি বলেন, এমআরটি পুলিশের বিধিমালা তৈরির কাজ চলমান।

বিধিমালা পাশ হওয়ার পর তদন্ত কার্যক্রমে যুক্ত হবে এমআরটি পুলিশ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আদলে মেট্রোরেলের নিরাপত্তাব্যবস্থা সাজানো হচ্ছে।

এমআরটি পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, আমাদের ব্যারাক বা থাকার বিষয়ে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। দিয়াবাড়ীতে এমআরটি পুলিশের ব্যারাক তৈরির বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। যেহেতু এটি একটি নতুন ইউনিট, তাই নিজস্ব পোশাক নিয়ে উচ্চপর্যায়ে আলোচনা চলছে। নিরাপত্তা প্রস্তুতির বিষয়ে জানতে চাইলে ওই কর্মকর্তা বলেন, মেট্রোরেলের প্রতিটি স্টেশন কেপিআই (কি পয়েন্ট ইনস্টলেশন)-এর অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া মেট্রোরেল একটি অত্যাধুনিক গণপরিবহণ। তাই নিরাপত্তাব্যবস্থা মনিটরিংয়ের জন্য প্রতিটি স্টেশনে এমআরটি পুলিশের একটি কক্ষ থাকবে। সেখান থেকে নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের কার্যক্রম মনিটরিং করা হবে। কেন্দ্রীয়ভাবে সিসিটিভির মাধ্যমে সবকিছু মনিটরিং করা হবে

শুক্রবার মুক্তি পাচ্ছে ঢালিউডের সবচেয়ে ব্যয়বহুল সিনেমা এম আর–৯

আগামীকাল ২৫ আগস্ট (শুক্রবার) বাংলাদেশে মুক্তি পাচ্ছে ঢালিউডের সবচেয়ে ব্যয়বহুল সিনেমা ‘এম আর – ৯’। বাংলাদেশের পাশাপাশি কানাডা ও আমেরিকায়ও একযোগে মুক্তি পাচ্ছে চলচিত্রটি।

কাজী আনোয়ার হোসেনের সৃষ্ট গোয়েন্দা চরিত্র মাসুদ রানা, যা নিয়ে প্রকাশ হয়েছে অসংখ্য বই এবং প্রতিটি সিরিজই পাঠকপ্রিয় হয়েছে। তারই একটি  ‘ধ্বংস পাহাড়’ যা অবলম্বনে তৈরি হয়েছে বাংলাদেশ ও আমেরিকার যৌথ প্রযোজনায় MR-9 DO OR DIE ছবিটি।

এই মুভিতে হলিউড বলিউড এবং ঢালিউডের একঝাঁক তারকা অভিনয় করেছেন। আগামীকাল দেশে ও দেশের বাহিরে একযোগে মুক্তি পাচ্ছে। ছবিটি পরিচালনা করেছেন আসিফ আকবর। আগামীকাল থেকে প্রতিদিন সিলেট এর দর্শকরা গ্র্যান্ড সিলেট মুভি থিয়েটারে ছবিটি  উপভোগ করতে পারবেন।

জামাল এখন আর্জেন্টিনার সোল দে মায়োর

নিজ থেকেই আর্জেন্টিনা তৃতীয় বিভাগের ক্লাবে যোগ দেওয়ার খবর জানান জামাল ভূঁইয়া। শুক্রবার রাতে সোল দা মায়োর সঙ্গে দেড় মৌসুমের চুক্তি সম্পন্ন করেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। নিজের ফেসবুক পেজে এদিন রাতে এক লাইভেই চুক্তির আনুষ্ঠানিকতা সারেন এ মিডফিল্ডার। একদিন আগেই অবশ্য তিনি নতুন ক্লাবের হয়ে মেডিকেল পরীক্ষা করানোর ভিডিও পোস্ট করেছিলেন।

আগের দিন ফেসবুক স্ট্যাটাসে জামাল লিখেছিলেন, ‘আর্জেন্টিনায় বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করার এটাই সময়। আমাকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশনকে ধন্যবাদ।’

চুক্তির অনুষ্ঠানে নতুন লক্ষ্য নিয়ে বাংলায় জামাল বলেন, ‘ভালো লাগতেছে। এখানে শীতকাল চলছে। ঠাণ্ডা লাগছে। সবাই আমাকে খুবই…আমি কৃতজ্ঞ। (বাংলাদেশি সমর্থকদের উদ্দেশে) আমি এখানে আসছি, বেশিদিন নয়, আজকে চুক্তিতে সাইন করব। আপনারা আমাকে অনুসরণ করবেন। আমার জার্নি ফলো করবেন। সম্ভাব্য সেরা উপায়ে আমি বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করব।’

নিজের লক্ষ্য নিয়ে জামাল বলেন, ‘আমি বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করি। আমি জানি, অনেক মানুষ আমার উপর নির্ভর করে। অনুসরণ করে। প্রথমত বাংলাদেশি হিসেবে আমি খুবই গর্বিত। আমি নিজের পারফরম্যান্স এখানে দেখাতে চাই। যদি আমি ভালো করি, তাহলে আরও বাংলাদেশি এখানে আসবে। আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা আমার আছে, সেই অভিজ্ঞতা (এই ক্লাবে) দিতে পারি, নতুন এনার্জি দিতে পারি। আশা করি, সোল দে মাইয়োকে আরেকটা লেভেল উঁচুতে তুলতে পারব।’

এরপর জামাল জার্সি তুলে ধরেন, ৬ নম্বর জার্সি। জার্সি পরে বাংলাদেশের পতাকা উঁচিয়ে ধরেন জামাল। সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

আমি এই ইন্ডাস্ট্রির শেষ মোঘল: আশা ভোঁসলে

আগামী ৮ সেপ্টেম্বর ৯০-এ পা দিতে চলেছেন আশা ভোঁসলে। জন্মদিন উপলক্ষে দুবাইয়ে এক লাইভ কনসার্টে অংশ নেবেন এই কিংবদন্তি গায়িকা। কনসার্ট সামনে রেখে গত মঙ্গলবার মুম্বাইয়ের একটি পাঁচতারা হোটেলে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছিল। এতে কনসার্টসহ নানা বিষয়ে কথা বলেন তিনি।

শুরুতেই দুবাইয়ে অনুষ্ঠেয় আশা নাইনটি লাইভ ইন কনসার্ট নিয়ে আশা ভোঁসলে বলেন, ‘শুধু কনসার্ট স্টাইলে এই শো হবে না, হবে ব্রডওয়ে স্টাইলে। আমার জীবনের কিছু বিশেষ ঘটনা এই শোয়ে তুলে ধরা হবে। তাই এই অনুষ্ঠানে বিশেষ কিছু হবে। এই বয়সেও সংগীতের সেবা করছি, এ জন্য নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি। আমি আগামী দিনেও একইভাবে সংগীতের সেবা করতে চাই। জীবন যেন আমাকে সেই সুযোগ দেয়।’

নতুন প্রজন্মের উদ্দেশে আশা বলেন, ‘প্রত্যেক মানুষের খুঁজে বের করা উচিত, তার মধ্যে কী প্রতিভা আছে। সেই প্রতিভা বিকশিত করার প্রয়োজন আছে। আমি কখনোই ভাবিনি যে প্লেব্যাক গায়িকা হব। কিন্তু নিজেকে আরও সমৃদ্ধ করার সুযোগ হাতছাড়া করিনি। তাই প্রায় রোজই রেওয়াজ করি। আমার রেওয়াজের কোনো নির্দিষ্ট সময় নেই। সাধারণত সকাল সাতটা থেকে নয়টা পর্যন্ত রেওয়াজ করি। কখনো আবার ভোর পাঁচটা বা দুপুরবেলায়ও করি। ঘুম না এলে মধ্যরাতেও তানপুরা নিয়ে রেওয়াজ করতে বসে যাই। তবে কারও যাতে ঘুম নষ্ট না হয়, সে জন্য তানপুরার আওয়াজ কমিয়ে দিই। রেওয়াজে বসার আগে এককাপ চা বানিয়ে নিই।’

চড়াই-উতরাইয়ের জীবন আশার। নিজের জীবনকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার জীবনের কথা বলতে হলে সঠিক গানটি হলো, “জিন্দেগি ক্যায়সি হ্যায় প্যাহেলি হায় কাভি তো হাসায়, কাভি ইয়ে রুলায়।”এই জায়গায় পৌঁছাতে আমাকে অনেক সংগ্রাম করতে হয়েছে। বাচ্চাদের বড় করেছি। তাদের বিয়ে দিয়েছি। নাতি-নাতনিদের দেখভাল করেছি।’

আশা ভোঁসলের গায়কির জাদুতে সারা বিশ্ব বারবার মুগ্ধ হয়েছে। তিনি হাসতে হাসতে বলেন, ‘সারা দুনিয়া ঘুরে আমি গান গেয়েছি। লন্ডন, প্যারিস—সব জায়গার মানুষ আমার গাওয়া হিন্দি, মারাঠি গান সমান উপভোগ করেছেন। আমার মনে হয়, সুর আর অর্থ সবাই বোঝেন।

সম্প্রতি ‘রকি অউর রানি কি প্রেমকাহানি’ ছবিতে আশার গাওয়া জনপ্রিয় গান ‘ঝুমকা গিরা রে’র রিমিক্স করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে এই সংগীতশিল্পী বলেন, ‘এখন দুনিয়া বদলে গেছে। মুঠোফোন, ল্যাপটপে প্রায় রোজই নতুন নতুন প্রযুক্তির জন্ম হচ্ছে। পুরোনো গানের কলির মধ্যে এখন “হাই”, “হুই” ঢুকিয়ে কিছু একটা বানানো হচ্ছে। সত্যি বলতে, আমার খারাপ লাগে। কিন্তু জানি যে এটাই হওয়ার কথা।’

নিজে কেমন গান শুনতে পছন্দ করেন? আশা বলেন, ‘সব ধরনের গান শুনতে পছন্দ করি। হিন্দি, দক্ষিণি, পশ্চিমা সংগীত—সবই শুনতে পছন্দ করি। তবে নিজের গান শুনি না।’

পান্না কায়সারের মরদেহ শহীদ মিনারে নেওয়া হবে রবিবার

লেখক, সংগঠক ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক পান্না কায়সার মারা গেছেন। তিনি শহীদ বুদ্ধিজীবী শহীদুল্লাহ কায়সারের স্ত্রী ও অভিনেত্রী শমী কায়সারের মা। তাঁর আরেক সন্তানের নাম অমিতাভ কায়সার। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর| মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণা, গল্প-উপন্যাস মিলিয়ে বেশ কয়েকটি সাড়া জাগানো গ্রন্থের রচয়িতা তিনি।

শমী কায়সার কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, ডায়বেটিস ছাড়া তাঁর মায়ের তেমন গুরুতর কোনো অসুখ ছিল না। শুক্রবার সকালে হঠাৎ অসুস্থবোধ করলে তাঁকে ১০টা নাগাদ রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সোয়া এগারোটার দিকে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে পান্না কায়সারের মৃত্যুতে পৃথকভাবে শোক জানিয়েছেন দেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। শুক্রবার এক শোক বার্তায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে শহীদ বুদ্ধিজীবী পরিবারের সদস্য হিসেবে পান্না কায়সারের অবদান জাতি চিরদিন স্মরণ করবে। পৃথক শোক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তি ও সংগঠনও তাঁর মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন।

পান্না কায়সার ১৯৫০ সালের ২৫ মে কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলার পয়ালগাছা চৌধুরী বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর আরেক নাম সাইফুন্নাহার চৌধুরী। ১৯৬৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি শহীদুল্লাহ কায়সারের সাথে তাঁর বিয়ে হয়। সেদিন ঢাকা শহরে কারফিউ ছিল। পুরো দেশ তখন গণআন্দোলনে উত্তাল। ১৯৭১-এর ১৪ ডিসেম্বর বিজয়ের মাত্র দুদিন আগে আলবদর বাহিনীর সদস্যরা শহীদুল্লাহ কায়সারকে তাঁর বাসা থেকে ধরে নিয়ে যায়। তারপর তিনি আর ফেরেননি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের স্নাতকোত্তর এই শহীদজায়া পেশাজীবনে শিক্ষকতা করেছেন বেগম বদরুন্নেসা কলেজে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় লালিত শিশু-কিশোর সংগঠন ‘খেলাঘর’ এর সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হন ১৯৭৩ সালে। ১৯৯০-তে তিনি এই সংগঠনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। উদীচীর সভাপতির দায়িত্বও সামলেছেন তিনি। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সালের জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন পান্না কায়সার।

ঔপন্যাসিক ও গবেষক পান্না কায়সারের লেখালেখির জগতে প্রবেশ ১৯৯১ সালে। তাঁর লেখা প্রথম গ্রন্থ ‘মুক্তিযুদ্ধ আগে ও পরে’ বহুল আলোচিত ও প্রশংসিত। এরপর প্রকাশিত হয়েছে মুক্তি, নীলিমায় নীল, হৃদয়ে একাত্তর ও কাব্যগ্রন্থ বৃষ্টির শব্দ না এলে কান্না আসে নাসহ কয়েকটি গ্রন্থ। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণায় অবদান রাখায় ২০২১ সালের বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত হন তিনি।

আসছে নতুন এক ‘ভাইরাস’

’আসছে নতুন একধরনের ভাইরাস…আপনি কি আক্রান্ত?’ এ রকম একটা ক্যাপশন দিয়ে গত রোববার সন্ধ্যায় নিজেদের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে একটি পোস্টার প্রকাশ করে চরকি। রাত থেকেই পোস্টারটি নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন অনেক দর্শক। এটি চরকির অরিজিনাল সিরিজ ‘ভাইরাস’-এর পোস্টার।

সিরিজটি নির্মাণ করেছেন ‘দেবী’, ‘দুই দিনের দুনিয়া’র পরিচালক অনম বিশ্বাস। শিগগিরই ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মটিতে সিরিজটি মুক্তি পাবে।

প্রকাশিত পোস্টারে দেখা যাচ্ছে, শ্যামল মাওলা চাদর দিয়ে মুখের অর্ধেকটা ঢেকে রেখেছেন। বাকি অর্ধেকটা ভাইরাসে আক্রান্ত। এই সিরিজে নিজের চরিত্র নিয়ে শ্যামল বলেন, ‘“ভাইরাস”–এ কাজ করার মূলে হলো অনম বিশ্বাস। তাঁর সঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা ছিল। এখানে আমার চরিত্রটাও একদম ভিন্ন। দর্শক দেখলেই বুঝতে পারবেন যে গল্পটা একটু অন্য রকম। যাঁরা ভিন্নতা পছন্দ করেন, তাঁদের ভালো লাগবে আশা করছি।’

পোস্টারে আরও আছেন তারিক আনাম খান। নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘“ভাইরাস” এই সময়ের গল্পের অন্য রকম এক উপস্থাপন। এ রকম এনার্জেটিক পরিচালক ও টিমের সঙ্গে কাজ করে বেশ ভালো লেগেছে। দর্শকের জন্য কনটেন্টটা উপভোগ্য হবে।’

‘ভাইরাস’ সিরিজে আরও অভিনয় করেছেন শরীফ সিরাজ, রাশেদ মামুন অপু, গোলাম ফরিদা ছন্দা, ক্রিস্টানো তন্ময়, মারশিয়া শাওন, টুপুরসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের বেশ কিছু শিক্ষার্থী।

ব্যক্তিগত সহকারীর সঙ্গে রেখার ‘সম্পর্কের’ অজানা অধ্যায় জীবনীতে

বলিউড অভিনেত্রী রেখা চলচ্চিত্রকে আনুষ্ঠানিক বিদায় না জানালেও নিজের অভিনয় জীবনকে নিয়ে গেছেন অন্তরালে। সম্প্রতি সামনে এসেছে রেখার জীবনের অজানা কিছু ঘটনা। রেখার জীবন নিয়ে ভারতীয় সাংবাদিক ইয়াসির উসমানের লেখা ‘রেখা: দ্য আনটোল্ড স্টোরি’ বইতে প্রকাশ্যে এসেছে এই অভিনেত্রীর জীবনের সেই অজানা অধ্যায়।

বলা হচ্ছে, ব্যক্তিগত সহকারীর সঙ্গে এক ধরনের সম্পর্কে আছেন রেখা, আর সেটা তার স্বামীর মৃত্যুর একটি কারণ। পরিবারকে বাঁচাতে কিশোরী রেখার চলচ্চিত্রে যাত্রা, শুরুতেই ‘নিগ্রহের’ শিকার হওয়া, টিকে থাকার সংগ্রাম, প্রেম, দুই বিয়ে, বিচ্ছেদ, স্বামীর মৃত্যু এবং তুমুল আলোচ্য বিষয় হল মেগাস্টার অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে তার সম্পর্ক- সব অকপটে বলেছেন রেখা। বইটি প্রকাশ করেছে ভারতের জাগারনাট প্রকাশনা সংস্থা।

বইটি থেকে কিছু অজানা তথ্য তুলে ধরেছে টাইমস অব ইন্ডিয়া। তার মধ্যে একটি হল ব্যক্তিগত সহকারী ফারজানার সঙ্গে ‘লিভ ইনে’ রয়েছেন ৬৯ বছর বয়সী রেখা। ফারজানার বেশ ভালো প্রভাব রয়েছে রেখার ওপর। ফারজানা বহু বছর ধরে রেখার সঙ্গে আছেন, যাকে রেখা বরাবর ‘নিজের বোন’ বলে এসেছেন। ফারজানাই একমাত্র ব্যক্তি. যার রেখার শয়নকক্ষে ঢোকার এখতিয়ার আছে। অভিনেত্রীর বাড়ির খুঁটিনাটি থেকে তার পেশাজীবনের অনেক সিদ্ধান্তও ফারজানাই নিতেন।

বইটিতে আরও বলা হয়েছে রেখার জীবনের অনেক কিছুই নিয়ন্ত্রণ করেন ফারজানা। রেখার সঙ্গে দেখা করতে চাওয়া পরিবারের ঘনিষ্ঠজনদের আসা-যাওয়া তার সিদ্ধান্তে হয়। এমনকি রেখার ফোন কলের তালিকাতেও ফারজানার নজরদারি আছে। মোট কথা, রেখার যাপিত জীবন ফারজানাই দেখভাল করছেন। শিল্পপতি মুকেশ আগরওয়ালকে রেখার বিয়ের প্রসঙ্গ কয়েকবার এসেছে বইতে। ‘প্রেম’ করে বিয়ে করার এক বছর পরই ১৯৯০ সালে রেখা যখন লন্ডনে, তখন আত্মহত্যা করেন তার দ্বিতীয় স্বামী দিল্লির ব্যবসায়ী মুকেশ আগরওয়াল।

বইয়ে রেখা বলেছেন, মুকেশের আত্মহত্যার পেছনের কারণ হিসেবেও ফারজানাকে দায়ী করেছেন রেখা। তবে মুকেশের মৃত্যুর সঙ্গে ফারজানা কীভাবে জড়িয়ে আছেন সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু লেখেনি টাইমস অব ইন্ডিয়া।

আইএ/ ২৩ জুলাই ২০২৩

নিশোর কটাক্ষে সরব হলেন নিরব

বড় পর্দায় অভিষেক হওয়ার পর থেকে একের পর এক বিতর্কতা মূলক আলোচনায় জড়িয়ে যাচ্ছেন আফরান নিশো। শাকিব খানের পর এবার নিরব হোসাইনের সঙ্গে বিতর্কে জড়ালেন তিনি। গত ঈদে নিজের প্রথম সিনেমা ‘সুড়ঙ্গ’ মুক্তির পর নিশো বলেছিলেন, তিনি এমন হিরো হতে চান না যে বিয়ের কথা, সন্তানের কথা লুকিয়ে রাখবেন। কারও নাম উল্লেখ না করলেও শাকিব-ভক্তরা ধরেই নিয়েছিলেন নিশোর মন্তব্যটি ছিল শাকিব খানকে নিয়ে। এ নিয়ে তুমুল সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়। শুক্রবার (২১ জুলাই) কলকাতার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে সুড়ঙ্গ। প্রচারণার জন্য এখন সেখানে আছেন নিশো। সেখানে একই বিষয়ে গণমাধ্যমকে নিশো বলেছেন, ‘ব্যক্তিজীবনকে লুকিয়ে রাখায় বিশ্বাসী নই আমি। আমার বন্ধু নিরব, ইমন ব্যক্তিজীবনকে অন্তরালে রেখেছেন। সেটা তাদের ক্যারিয়ারে যে খুব সাহায্য করেছে, এমনটা নয়।’

নিশোর মন্তব্যের কড়া জবাব দিয়ে ফেসবুকে নিরব লিখেছেন, ‘আমার ব্যক্তিজীবনের প্রায় প্রতিটি বিশেষ ঘটনা সংবাদকর্মীরা দেশের মানুষের কাছে তুলে ধরেছেন। আমার বিয়ে, স্ত্রী ও দুই কন্যাসন্তানের সব খবর সম্পর্কে সবাই অবগত। আপনারা কি জানেন নিশো কবে বিয়ে করেছেন বা তার স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে কবে প্রকাশ্যে এসেছেন? বন্ধু হয়ে আমি তো কখনো দেখিনি! তাহলে ব্যক্তিগত জীবন অন্তরালে কে রেখেছেন, আমি নাকি নিশো?’

নিশোর এমন মন্তব্য একদম পছন্দ হয়নি বলে জানান নিরব। কারও সম্পর্কে কিছু বলার আগে জেনে তারপর বলার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। নিরব লেখেন, ‘বন্ধু হিসেবে নিশোকে বলতে চাই, এই ধরনের খোঁচা মারা মন্তব্য একদমই পছন্দ হয়নি। তুই অন্যকে নিয়ে যেসব কথাবার্তা বলছিস, জেনে-বুঝে বল। তুই তোর ফিলোসফি নিয়ে থাক, সেখানে অন্যকে আঘাত করতে যাস কেন? আশা রাখছি, ভবিষ্যতে ভুল শুধরে নিবি।’

 এছাড়া একই সাক্ষাৎকারে নিশোর আরেকটি মন্তব্য নিয়েও তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। নিশোর মতে, দর্শক টাকা খরচ করে নাটকের অভিনেতাদের বড় পর্দায় দেখতে আসেন না। সেই মিথ তিনি ভেঙে দিয়েছেন। তবে তার সঙ্গে একমত হতে পারেননি অনেকে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, তাহলে ছোট পর্দা থেকে আসা হুমায়ুন ফরীদি, চঞ্চল চৌধুরী, সিয়াম আহমেদের সব সিনেমাই কি ফ্লপ?

বিয়ে-সন্তান নিয়ে প্রথমবার করা মন্তব্যের কারণে সমালোচনার মুখে পড়ে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছিলেন নিশো। জানিয়েছিলেন কাউকে ইঙ্গিত করে নয়, নিজের দর্শনের কথা বলেছিলেন তিনি। তবে এবার এখনো পর্যন্ত তিনি কোন কথা বলেননি।

Developed by: