বিভাগ: বই পত্র

ইয়ংবেঙ্গল মুভমেন্ট একটি সাংস্কৃতিক বিপ্লব ।। ড. সফিউদ্দিন আহমদ

সফিউদ্দিন আহমদ মৌলিক গবেষক, শিকড়সন্ধানী লেখক, তথ্যনিষ্ঠ ও মননশীল প্রাবন্ধিক এবং একজন সম্মোহক শিক্ষক হিসেবে সুপরিচিত ও নন্দিত। তিনি বিশ্বসাহিত্যে অভিসঞ্চারী, তুলনামূলক সাহিত্যে বিশে−­ষক এবং সমাজমনস্ক ও প্রগতিশীল চিন্তা-চেতনার ঋদ্ধ।
বৃহত্তর ঢাকার নরসিংদী জেলার রায়পুরায় ড. সফিউদ্দিন আহমদ- এর জন্ম ১৯ অক্টোবর, ১৯৪১ সালে। তাঁর বাবা কংগ্রেস নেতা মো. আব্দুছ ছামাদ মোল­−া ও মা সমাজ সেবায় নিবেদিতপ্রাণ দিলবরণ বেগম।
মৌলিক গবেষক ও লেখক হিসেবে সমধিক পরিচিত ড. সফিউদ্দিন আহমদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সাথে বাংলায় অনার্স ও এমএ পাস করেন এবং পিএইচডি করেন।
বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত ১২টি গবেষণাগ্রন্থসহ মোট ৭৫টি গ্রন্থের লেখক তিনি। তাঁর গবেষণাগ্রন্থ ‘বৃত্তাবদ্ধ রবীন্দ্রনাথ’, ‘ডিরোজিও জীবন ও সাহিত্য’ ‘ইয়ংবেঙ্গল মুভমেন্ট ও ডিরোজিও’, ‘প্রগতির পদাতিক’, মার্কসবাদী বিপ্ল−বী সাহিত্যিক সোমেনচন্দ্র’, ‘কোরানের প্রথম অনুবাদক ভাই গিরিশচন্দ্র সেন’, ‘ভাষার সংগ্রাম শিক্ষার সংগ্রাম’, ‘সক্রেটিসের জবানবন্দি’, ‘সক্রেটিসের শেষদিনগুলি’, ও ‘উনিশ শতকের রেনেসাঁ’, খুবই আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। বিশ্বসাহিত্যে তিনি যেমন একজন বিদগ্ধ পণ্ডিত তেমনি তাঁর চিন্তা-ভাবনাও বৈশ্বিক বলয়ে দ্যুতিমান।
উনিশ শতকের রেনেসাঁর গবেষণা ও বিশ্লে−ষণে তিনি সিদ্ধহস্ত।
ড. সফিউদ্দিন আহমদ একজন দক্ষ ও কৃতী অনুবাদক। বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত প্লে−টোর মহৎ গ্রন্থ ‘ঞযব ষধংঃ ফধুং ড়ভ ঝড়পৎধঃবং’, ছাড়াও তাঁর টমাস পেইনের ‘অমব ড়ভ জবধংড়হ, জরমযঃং ড়ভ গধহ’. ডিরোজিও, বোদ্লেয়ার, র্যাঁবো, টি.এস এলিয়ট, পাবলো নেরুদার কবিতা ও ডি. এইচ লরেন্সের লেডিজ চ্যাটার্লিজ লাভার-এর অনুবাদ পণ্ডিতজনের প্রশংসা অর্জন করেছে। অতিথি অধ্যাপক হিসেবে তিনি অক্সফোর্ড, কেমব্রিজ, সাসেক্স, বার্মিংহাম, কভেন্ট্রি, কোলকাতা, যাদবপুর, কল্যাণী, বিশ্বভারতী ও ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তৃতা দিয়েছেন।
লন্ডন অবস্থানকালে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ঊপযড় ড়ভ ঊধংঃ শিরোনামে বক্তৃতা দিয়ে তিনি পণ্ডিতজনের শ্রদ্ধাস্মিত আকর্ষণ করেন।
অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির প্রফেসর জন হিউবার্ট বলেছেন, ‘ড. সফিউদ্দিন আহমদ লন্ডন এসেছেন আদর্শে ও মননে, চিন্তা-চেতনা ও দর্শনে, স্বকীয়তা ও ব্যক্তিত্বে নিজ দেশের মাটির গন্ধ নিয়ে। পোশাকে ও চলনে এবং ঐতিহ্যবোধ ও স্বাতন্ত্র্যবোধ অর্জন করা সহজ নয়। অন্য দেশ থেকে এমন আত্মপ্রত্যয়ী ও স্বতন্ত্র ব্যক্তিত্বের অধিকারী মানুষ আমাদের দেশে খুবই কম আসে।’
অধ্যাপক মেলকম স্মিথ বলেছেন, ‘ড. সফিউদ্দিন আহমদ তার ভাষণে দ্ব›দ্ব-সংঘাতময় যুদ্ধ বিধ্বস্ত ও রক্তক্ষরিত বিশ্বে প্রেম, ভালোবাসা, মানবতা ও বিশ্বশান্তির মঙ্গলদীপ জ্বেলে দিয়ে গেছেন। মনে হচ্ছে বিশ্বশান্তি ও মানবতাবাদী দর্শনের তিনি একজন পুরোহিত।’
ড. সফিউদ্দিন আহমদের লেখায় যেমন রয়েছে ধর্মান্ধতা ও আচারের আগল ভাঙার ইঙ্গিত, তেমনি রয়েছে মুক্তবুদ্ধি, যুক্তিবাদ ও বৈশ্বিক ভাবনা এবং বিজ্ঞান মনস্কতা ও সমাজের পরিবর্তনের অঙ্গীকার। দেশ ও বিদেশের পণ্ডিতেরা তাঁর সাহিত্য গবেষণায় বিমুগ্ধ।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. সুরেশচন্দ্র মৈত্র বলেছেন, ‘লিখতে গিয়ে তুমি বেড়াজাল দিয়ে যেন সবকিছুকে টেনে নিয়ে এসো। অন্যের লেখার সাথে তুলনা করে সবসময় তুমি তোমার বক্তব্য উপস্থাপন করো। তোমার লেখা পড়ে অনেক লেখা ও অনেক বই পড়া হয়ে যায়।’
দার্শনিক সর্দার ফজলুল করিম বলেছেন, ‘আপনার গবেষণামূলক লেখাগুলোতে থাকে একটা বিস্তৃত পটভূমি। তাছাড়াও অনেক তথ্য ও উপকরণ থাকে। অনেক দুর্লভ গ্রন্থের আকরও আপনি তুলে ধরেন। যারা গবেষণা করবেন ও তথ্য খুঁজবেন তারা আপনার বই পড়ে উপকৃত হবেন।’
পাশ্চাত্য জ্ঞান, বিজ্ঞান, জীব বিজ্ঞান ও জীবন মহিমায় বিমুগ্ধ ড. সফিউদ্দিন আহমদ বলেন, আমাদের দৃষ্টি থাকবে আকাশে কিন্তু পা থাকবে দেশের মাটিতে। স্বকীয়তা ও স্বাতন্ত্র্যে আমরা সমুজ্জ্বল। আমরা পাশ্চাত্যের কণ্ঠস্বর বা প্রতিধ্বনি নই।
প্রথম জীবনে তিনি প্রচুর কবিতা ও গল্প লিখেছেন। তাঁর গল্প ‘মানুষ গড়ার কারিগর’, ‘ডাকপিয়ন’, ‘ঘুম ভেঙে গেছে’, ইবনিত কুদ্রত কর্তৃক রুশ ভাষায় এবং সিঁড়ি, উত্তর ও উত্তরণ ও মেরুদণ্ড জাঁ মিরিয়াম ও নোয়েল গার্নিয়ে কর্তৃক ফরাসি ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
শাহ্জালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন অবস্থায় ২০০৫ সালে অবসর গ্রহণ করেন। গভীর পড়াশুনা, জ্ঞান, মনীষা, পাণ্ডিত্য, স্বতন্ত্র ব্যক্তিত্ব, মুক্তবুদ্ধি, গ্রগতিশীল চিন্তা- চেতনা ও আত্মপ্রত্যয়ে তিনি ঋদ্ধ। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিনয়ী, অমায়িক ও সুসংস্কৃত মন-মানসিকতার অধিকারী ও লোকপ্রিয়। তরুণদের কাছে টানার ও আকর্ষণ করার তার একটি সম্মোহক শক্তি আছে। সাহিত্যের আড্ডা ও বৈঠকে তিনি প্রাণখোলা এবং সদাহাস্য ও উচ্চকণ্ঠ।

দক্ষিণ হাওয়া ।। আসমা মতিন

সুতনুর এক চিলতে জোছনা ঝরা পালঙ্কো
দিঘল বারান্দায় গোলাপ রেখে এসেছে
সবুজ খাঁচায় শিশির জমেছে,
ঘরে শীতের
ঘ্রাণ জমেছে, হলুদ পাতা যাচ্ছে ঝরে
হে সপ্ত পারাপার মনের কথা সে তোমাকেই বলে।

রোদের জখম ।। এম মোসাইদ খান

রোদের জখম

একটি মানুষ আঁতুড়ঘরের দিকে তাকিয়ে থাকে
নষ্ট সময় তাকে ফেলে দিল,
ফেলে দিল দূরে অনেক দূরে
নষ্ট পৃথিবীর কষ্টের ডাস্টবিনে।
সময়ের হাতে সোনার কাঁকন পরানো হলো না আর
বাঁধা গেল না সাদা চোখে রঙিন ফিতা।
জন্মের আয়নায় চোখ গুঁজে রেখেছিল একটি প্রাণ
নাকাল সময় থ্যাঁতলে দিল তারে
স্বর্গীয় ফুলের সেবা হলো যে আর ভাড়া করা জীবনে
বাকি রয়ে গেল, ক্ষয়ে গেল সব
ফুরিয়ে গেলো সকল আয়োজন
আজ শুধুই কলমের কালিতে জ্বলে তার দুই চোখ।

সংবিধিবদ্ধ নসিহত ।। মোহাম্মদ ইকবাল

কবিতা থামলেই থেমে যাবে বাংলাদেশ
কবিতা থামলেই রুদ্ধবাক স্বাধীনতা
কবিতা থামলেই বিপন্ন মানবতা
কবিতা থামলেই কোটি মানুষের আহাজারি
কবিতা থামলে মাথা চাড়া দেবে অজস্র অনাচার
কবিতা থামলেই পঙ্গপালের তাড়া
কবিতা থামলেই বিভীষিকা মহামারি
কবিতা থামলেই তোমার ফসল কেটে নেবে দুর্বৃত্ত।

সময়ের দহনে কবিতা চলবেই
কবির কলম গর্ভবতী হবে সময়ের যাতনায়
দ্রোহের তাপে
অতএব, কবিতা থামবে না কখনওই।
কবিতা জন্মাবে সতত দ্রোহে বিদ্রোহে…

মোহাম্মদ ইকবাল

কোয়ান্টাম সাফল্যের অনন্য ভুবনে ।। সীতাব আলী

ধ্যানের সাহায্যে হার্টের অসুখ, উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন, ডায়াবেটিস, হাইপোথাইরয়েডসহ বিভিন্ন এন্ডোক্রাইন গ্লান্ডের অসুখ, ডিসমোনোরিয়া, আমেনোরিয়াসহ মহিলাদের পিরিয়ডের নানা সমস্যা, হাঁপানি, ডিপ্রেশন, পেটের নানা রকম সমস্যা, মাইগ্রেনসহ অন্যান্য মাথাব্যথা ও মাথাঘোরা ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এরকম অজস্র ভুক্তভোগিদের অনেকেই দীর্ঘদিন রোগে ভোগে শেষ পর্যন্ত ধ্যানের মাধ্যমে নিজের রোগ নিরাময় করতে পেরেছেন।
-দৈনিক যুগান্তর
আলোকিত মানুষ গড়ার কারিগর অধ্যাপক আবদুল­াহ আবু সায়ীদ কোর্স করে বলেন, ‘আমার অসুখ হয়ে ছিল, বেশ কড়া অসুখ। আমি ভেঙে যাই, আমি দুর্বল হয়ে যাই, আমি নিস্ক্রিয়তার মধ্যে পড়ে যাই। প্রথমে বুঝতে পারিনি যে কেন এমনটা হচ্ছে। আমার মনে হয়েছে, এটা আমার নিয়তি, এটাই হওয়ার কথা। আমি এর কাছে কিছুটা আÍসর্মপণ করে ছিলাম। কিন্তু আমি যখন কোয়ান্টাম মেথড কোর্সে অংশগ্রহণ করলাম, তখন দেখলাম যে এটা বাধ্যর্কের জন্য হয় নি। আমি বুঝতে পারলাম, এটা হয়েছে আমার আÍশক্তির অভাবের জন্যে, আমার মধ্যে নেতিবাচকতা চলে এসেছে। এই যে ক্লান্তি, অবসন্নতা, অসহায়তা, সব কিছু আমাকে ভেঙে ফেলেছে। তো যখন আমি এই কোর্সটা করলাম, তারমধ্যেই দেখলাম আমার সেই শক্তি ফিরে এলো।’
-আবদুল­াহ আবু সায়িদ
দীর্ঘ তিন বছর যাবত আমি হৃদরোগজনিত সমস্যায় ভুগছিলাম। ২০০০ সালের নভেম্বরে কলকাতার একটি হাসপাতালে আমার এঞ্জিওপ্লাস্টি উইথ স্ট্রান্ট করা হয়। কোয়ান্টাম মেথড কোর্স করে জীবন সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গিটাই পাল্টে গেল। হৃদরোগ নিয়ে এখন আমার অহেতুক ভয়ভীতি দূর হয়েছে। আমি আগের চেয়ে প্রশান্তি অনুভব করছি।
-মোহাম্মদ ফয়জুল হক, ডেপুটি রেজিস্টার (অব.)
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
আমার এমন অবস্থা হয়েছিল যে, আমি উঠে দাঁড়াতে পারতাম না। অনেক প্রাণপণে চেষ্টা করে দশ মিনিট পথ অতিক্রম করতে আমার সময় লেগে যেত পঁয়তালি­শ মিনিট, কখনো বা এক ঘণ্টা। অনেক চিকিৎসা হল সার্জারির স্বনাম ধন্য ডাক্তার বললেন, এ রোগ আর ভালো হবে না। আমি কোয়ান্টাম মেথড কোর্স করলাম। নিয়মিত মেডিটেশনের ফলে আল­াহর রহমতে আমি সুস্থ হয়ে উঠলাম।
-মোসলেহ উদ্দিন বাবুল, কথাশিল্প
কোর্স করার পর আমি নিয়মিত মেডিটেশন করেছি। মেডিটেশন মনছবির একটি বিশেষ টেকনিক আছে অটোসাজেশন একটি বিশেষ কথা আছে, আমি এগুলো নিয়মিত এপ্লাই করেছি। তাতে পড়াশোনা মনোযোগ বেড়ে গেছে। সর্বোপরি, মহান আল­াহর রহমতে আমি পরীক্ষায় সিলেট বোর্ডে ১৬তম স্থান লাভ করতে পেরেছি।
-আলী হায়দার চৌধুরী, কৃতি ছাত্র

গবেষক মোহাম্মদ নওয়াব আলীর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত

02মাজেদুর রহমান শিপন : সিলেট জেলার দক্ষিণ সুরমা উপজেলার নির্বাহী অফিসার জনাব শাহেদ মোস্তফার আমন্ত্রণে ৩১ জুলাই সকালে তাঁর অফিসে দক্ষিণ সুরমার ইতিহাস ও ঐতিহ্য গ্রন্থের প্রণেতা, মাসিক বাসিয়া পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক গীতিকার মোহাম্মদ নওয়াব আলী এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন।
মোহাম্মদ নওয়াব আলী প্রণীত দক্ষিণ সুরমার ইতিহাস ও ঐতিহ্য গ্রন্থটি পড়ে তিনি বইটির প্রশংসা করেন। জনাব শাহেদ মোস্তফা দক্ষিণ সুরমার ইতিহাস-ঐতিহ্য সংরক্ষণ, শিক্ষার প্রসার, সাহিত্য সংস্কৃতির বিকাশ ও উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণের পরিকল্পনার কথা জানান এবং দক্ষিণ সুরমার সচেতন নাগরিকদের সহযোগিতা কামনা করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি)।
জনাব শাহেদ মোস্তফা দক্ষিণ সুরমার ইতিহাস ও ঐতিহ্য গ্রন্থের প্রণেতা মোহাম্মদ নওয়াব আলীকে স্মারক উপহার প্রদান করেন। মোহাম্মদ নওয়াব আলীও তার রচিত গ্রন্থগুলো উপজেলার নির্বাহী অফিসারকে প্রদান করেন। বিজ্ঞপ্তি

জনপ্রতিনিধিরা দেশের জন্য দেশের মানুষের জন্য কাজ করেন মুহাম্মদ ইশফাকুল হোসেন

01শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রার মুহাম্মদ
ইশফাকুল হোসেন বলেন জনপ্রতিনিধিরা দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য কাজ
করেন। তাদের কাজ হবে নান্দনিক। দেশ ও সমাজের কল্যাণে তাদের পদচারণা
প্রতিনিয়ত থাকবে। তাদেরকে অনুসরণ করবে মানুষ। অনুপ্রাণিত হবে জনসাধারণ।
আজকের জনপ্রতিনিধিরা সে রকম কাজ করবেন নিঃসন্দেহে। তারা ইতিহাসে স্বার
রেখে যাবেন সমাজের উন্নয়ন সাধন করে। সাথে সাথে প্রবাসীদের অর্জিত অর্থে
এদেশের উন্নয়ন কর্মকান্ড গতিশীল হয়। প্রবাসীরা দেশের কল্যাণে সব সময় কাজ
করেন। তারা প্রবাসে থাকলেও তাদের মন দেশে থাকে তারা সর্বদা দেশের কথা
ভাবেন।
গত ১৪ মার্চ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সিলেট জেলা পরিষদে মাসিক বাসিয়া
পত্রিকা কর্তৃক জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত সদস্য রোটারিয়ান মতিউর রহমান,
সংরতি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান আমাতুজ জাহুরা রওশন জেবীন ও বাসিয়া
পত্রিকার উপদেষ্ঠা আবদুল বারীকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো
বলেন।
পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক গীতিকার মোহাম্মদ নওয়াব আলীর সভাপতিত্বে
অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শাহজালাল
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ ইশফাকুল
হোসেন। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন দণি সুরমা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ
মো. শামছুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এটিএন বাংলা ইউকের
হেড অব প্রোগ্রাম নাট্যকার আশরাফ মাহমুদ নেসওয়ার, আমেরিকা প্রবাসী ডা.
নাজরা চৌধুরী, বিশিষ্ট ব্যাংকার শামীমা নার্গিস।
মাসিক গোপলা সম্পাদক কবি মিজান মোহাম্মদ ও চন্দবিন্দু সম্পাদক কবি
মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের যৌথ উপস্থাপনায় আলোচনায় অংশ নেন প্রভাষক জ্যোতিষ
মজুমদার, সাবেক সিটি কাউন্সিলর কবি নাজনীন আকতার কণা, কবি ও সাংবাদিক
সাইদুর রহমান সাঈদ, বড়তলা মজরিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা নাজমুল
ইসলাম, এডভোকেট মিজানুল হক, কবি সুব্রত দাশ, কবি কামাল আহমদ, কলামিষ্ট এ
এইচ এম ফিরোজ আলী, উপন্যাসিক শাহ ফারজানা আহমেদ, কবি আবদুস সামাদ, কবি এম
আলী হোসাইন, গীতিকার মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন।
অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শিক মিজানুর রহমান, কবি লুৎফা আহমদ লিলি,
গল্পকার শহিদুল ইসলাম লিটন, কবি ফখরুল আল হাদী, শিক্ক্ষকিা শাখেলী বেগম,
ব্যবসায়ী দুলাল আহমদ, আবদুল কাদির জীবন, বদরুল ইসলাম সোহাগ, ব্যবসায়ী
জমিরুল হক, রাজনীতিবিদ আনোয়ার আলী, কবি আবু জাফর মো. তারেক, প্রবাসী
মদব্বির হোসেন, সাংবাদিক রিয়াজ উদ্দিন, মাজেদুর রহমান শিপন, ফাতেমা আহমদ
তুলি, সজিব আহমদ বিজয়, সুহেল আহমদ, মারুফ আহমদ, আকরাম হোসেন, সুমন দাস
বিজয়, দিলোয়ার হোসেন ও রুনু বৈদ্য প্রমুখ।

অমর একুশে গ্রন্থমেলায় ‘মুক্তিযুদ্ধের ছড়া’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

0101দেশের নবীন প্রবীণ প্রায় দেড় শত ছড়াকারের ছড়া নিয়ে বাসিয়া প্রকাশনী থেকে
প্রকাশিত ‘মুক্তিযুদ্ধের ছড়া’ গ্রন্থটি এবারের বই মেলায় প্রকাশিত হয়েছে।
ছড়াকার এম আর মনজু ও ছড়াকার মোহাম্মদ নওয়াব আলী সম্পাদিক গ্রন্থটি গত ১৯
ফেব্র“য়ারি বাংলা একাডেমির সোহরাওয়াদী উদ্যানে মোড়ক উন্মোচন করেন বিশিষ্ট
কবি কাজী রোজী এমপি। অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গ্রন্থের সম্পাদকদ্বয়
ছড়াকার এম আর মনজু ও ছড়াকার মোহাম্মদ নওয়াব আলী, ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির
ভিসি অধ্যাপক আব্দুল মান্নান, লেখক ড. শহিদুল ইসলাম শহিদ অ্যাডভোকেট,
ছড়াকার ও গীতিকার এস এ শামীম, ছড়াকার হাবিব আল হাসিব, ছড়াকার এস এম শাহাব
উদ্দিন, কবি ও ছড়াকার গোলাম নবী পান্না, কবি নিপা চৌধুরী, কবি সাইদুর
রহমান সাঈদ, গল্পকার কাজী মোতাহার হোসেন শাহীন, কবি শাহানাজ ইয়াসমিন,
ছড়াকার নিরঞ্জন মনি, কবি রওনক আহমদ এনাম প্রমুখ।

অমর একুশে গ্রন্থমেলায় দপ্রবাসী কবিদের নির্বাচিত প্রেমের কবিতা’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

00000000000অর্ধশতাধিক প্রবাসী কবিদের কবিতা নিয়ে সিলেটের বাসিয়া প্রকাশনী থেকে
‘‘প্রবাসী কবিদের নির্বাচিত প্রেমের কবিতা’ গ্রন্থটি অমর একুশে
গ্রন্থমেলায় বেরিয়েছে। গত ২৭ ফেব্র“য়ারি বাংলা একাডেমির সোহরাওয়াদী
উদ্যানের গ্রন্থটির মোড়ক উন্মোচন করেন অনুপ্রাস জাতীয় কবি সংগঠনের সভাপতি
কবি খোশনূর। অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গ্রন্থের সম্পাদক ও প্রকাশক
গীতিকার মোহাম্মদ নওয়াব আলী, ছড়াকার ও গীতিকার এম আর মনজু, অনুপ্রাস
জাতীয় কবি সংগঠনের নির্বাহী সভাপতি কবি শেখ সামসুল হক, কবি শহিদুল্লাহ
ফরায়েজী, কবি হাসিনা মতিন, কবি বাতেন বাহার, কবি নিপা চৌধুরী, কবি শাপলা
ও আবদুল মুকিত অপি।
প্রবাসী লেখকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইংল্যান্ড প্রবাসী কবি আসমা মতিন,
আমেরিকা প্রবাসী কবি শাহীন ইবনে দিলওয়ার ও কবি আলমগীর বাবুল, কানাডা
প্রবাসী কবি রাশিদা আউয়াল।
এম মোসাইদ খান ও মোহাম্মদ নওয়াব আলী সম্পাদিত বইটিতে ৫৩জন প্রবাসী কবির
প্রেমের কবিতা রয়েছে। বইটির প্রচ্ছদ এঁকেছেন ধ্র“ব এষ, ভূমিকা লেখেছেন
কবি নির্মলেন্দু গুণ। ২২৪ পৃষ্ঠার বইটির মূল্য রাখা হয়েছে ৪০০ টাকা
মাত্র।

শাহরুখের সঙ্গে ট্রেনে সারারাত সানি লিওন

79230মুম্বাই থেকে দিল্লি। বোরকা পরে ট্রেনে গিয়ে উঠলেন সানি লিওন। সেই ট্রেনেই আছেন বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খান। রাতভর এক ট্রেনেই কাটিয়ে দিলেন তারা। দিল্লি পৌঁছার আঁধাঘন্টা আগে সানি ট্যুইটারে ছবি পোস্ট করে বিষয়টা জানান দিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

মূলত শাহরুখ দলবল নিয়ে নেমেছেন তার রইস ছবির প্রচারণায়। এ ছবিতে সানি লিওনের ‘লায়লা ম্যায় লায়লা’ গানটি বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। যদিও ‘রইস’ ছবিতে অভিনেত্রী সানি লিওনের উপস্থিতি মাত্র ওই একটি আইটেম গানেই সীমাবদ্ধ। তবে এটাই তার কাছে অনেক বড় পাওয়া বলে মন্তব্য সানিরই। ছবির মূল নায়িকা মাহিরা খান পাকিস্তানি হওয়ায় প্রচারণায় থাকতে পারছেন না। আর এ সুযোগেই ৫১ বছর বয়সী বলিউড বাদশার সঙ্গে ট্রেনে চড়ে বসলেন ৩৪ বছরের সানি। ‘রইস’ মুক্তি পায় বুধবার (২৫ জানুয়ারি)।

সোমবার (২৩ জানুয়ারি) মুম্বাই স্টেশনে এসে ট্রেনে ওঠেন সানি লিওন। কেউ যেন চিনতে না পারে সেজন্য বোরকা পরেন তিনি। সেখান থেকে স্থানীয় সময় বিকেল পাঁচটা ৪০ মিনিটে অগাস্ট ক্রান্তি এক্সপ্রেসে শাহরুখের সঙ্গে ট্রেনে রওনা দেন সানি লিওন। যাত্রীদের মধ্যে ছিলেন সানি লিওনের স্বামী ড্যানিয়েল ওয়েবারও। মঙ্গলবার পৌনে ১১টায় দিল্লির নিজামুদ্দিন স্টেশনে পৌঁছান তারা।

মাঝপথেই জানাজানি হয়— ট্রেনটিতে শাহরুখ, ‘রইস’-এর পরিচালক রাহুল ধোলাকিয়া এবং প্রযোজক রিতেশ সিধওয়ানির পাশাপাশি সানি লিওনও আছেন। হুমড়ি খেয়ে পড়ে ভক্তরা। কিন্তু দেখা মেলেনি। বড়োদরা স্টেশনে ট্রেন থামার পর জানালার পর্দা সরিয়ে উঁকি দিয়ে ভক্তদের উন্মাদনা দেখে চোখ কপালে উঠে যায় সানি লিওনের! অনেকে বগির উপরে উঠে শাহরুখ ও সানি বলে চিৎকার করছেন। তাদেরকে নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে।

ইঞ্জিন বদলানোর জন্য বড়োদরায় দশ মিনিটের জন্য থামতে হয়েছে ট্রেনটিকে। এই সুযোগে ভক্তরা বাঁধভাঙা হয়ে ওঠে। শাহরুখ তাদেরকে হাত নেড়ে জবাব দিয়েছেন। পরে স্থানীয় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

দিল্লি পৌঁছার আধ ঘণ্টা আগে টুইটারে ছবি পোস্ট করে সানি লিওন লিখেছেন, ‘ট্রেন যাত্রা! গন্তব্যের কাছাকাছি চলে এসেছি। সবচেয়ে চমৎকার ভ্রমণ!’

১৯৮০ সালের হিট ছবি ‘কুরবানি’র জনপ্রিয় গান ‘লায়লা ও লায়লা’ নতুন আঙ্গিকে সাজানো হয়েছে ‘রইস’-এর জন্য। ‘লায়লা ম্যায় লায়লা’ শিরোনামের গানটিতে নেচেছেন সানি লিওন। গত সপ্তাহে সালমান খানের সঞ্চালনায় ‘বিগ বস টেন’-এ শাহরুখের সঙ্গে ছবিটির প্রচারণায় অংশ নেন তিনি।

Developed by: