বিভাগ: বই পত্র

প্রধানমন্ত্রীর মূখ্যসচিব ও সংস্কৃতি সচিবের সাথে বাসিয়া সম্পাদকের সৌজন্য সাাত

05প্রধানমন্ত্রীর মূখ্যসচিব আব্দুস সোবহান শিকদার ও সংস্কৃতি সচিব ড. রনজিত কুমার বিশ্বাস গত ২৫ ডিসেম্বর সিলেট আসলে মাসিক বাসিয়া পত্রিকা ও বাসিয়া টুয়ান্টিফোর ডটকম এর সম্পাদক ও প্রকাশক মোহাম্মদ নওয়াব আলী তাদের সাথে সৌজন্য সাাত করেন। সিলেট সার্কিট হাউসে তিনি সচিবদ্বয়কে তার লেখা ‘দণি সুরমার ইতিহাস ও ঐতিহ্য’ গ্রন্থসহ পত্রিকা ও বাসিয়া প্রকাশনীর কিছু বই উপহার দেন। সচিবদ্বয় সিলেটের আঞ্চলিক ইতিহাস পেয়ে খুব বেশি উৎফুল্ল হন এবং সমৃদ্ধ জাতীয় ইতিহাসের জন্য এ জাতীয় সমৃদ্ধ আঞ্চলিক ইতিহাস খুব বেশি প্রয়োজন মনে মন্তব্য করেন।
এসময় অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার সাজ্জাদুল হাসান, ছড়াকার আসলাম সানী, কবি নাসির আহমদ, আবৃত্তিকার আফরোজা কনা ও মাজেদুর রহমান শিপন।

ব্যক্তিত্বের যে ত্রুটিগুলো ধ্বংস করে দিচ্ছে আপনার জীবন ও ভবিষ্যৎ!

মানতে একটু কষ্ট হলেও এটাই সত্যি যে অন্য কারো চাইতে অনেক বেশি ক্ষতি করি আমরা নিজেই। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আমরা স্বয়ং নিজের জীবন ধ্বংসের জন্য দায়ী হয়ে থাকি। হয়তো সবকিছু ঠিক করছি, কিন্তু কিছুতেই উন্নতি আসছে না জীবনে। কিংবা সব আছে, অথচ মনে নেই শান্তি। এমন অবস্থায় খতিয়ে দেখতে হবে নিজের মাঝে। আজ রইলো মানুষের ব্যক্তিত্বের এমন ৮টি দিক, যেটা যে কারো জীবন ধ্বংস করে দেয়ার জন্য যথেষ্ট। এর মাঝে একটিও যদি আপনার থাকে, জীবনে সুখী ও সফল হয়ে ভীষণ কষ্টের হয়ে দাঁড়াবে।

১) ঈর্ষা ও পরশ্রীকাতরতা
প্রতিযোগী মনোভাব থাকা খারাপ কিছু নয়, কিন্তু সেটা যেন ঈর্ষা না হয়ে যায় কখনোই। ঈর্ষা ও পরশ্রীকাতরতা সেই জিনিস, যা আপনাকে কখনো এখন ভালো মানুষ হয়ে উঠতে দেয় না এবং উদ্বুদ্ধ করে খারাপ কাজ করতে। একজন ঈর্ষাকাতর মানুষ নিজে উন্নতি করে ভালো করার চাইতে অন্যের ক্ষতি করে উন্নতি করাটাকেই শ্রেয় মনে করেন।

২) লোভ
কোনকিছু চাওয়া খারাপ না, খারাপ হচ্ছে যখন সেই চাওয়া মাত্রা ছাড়িয়ে যায়। অতিরিক্ত লোভ মানুষকে অসৎ পথে পা বাড়াতে উদ্বুদ্ধ করে এবং কেড়ে নিয়ে যায় মনের শান্তি।

৩) ঘৃণা ও ক্ষমা করতে না পারা
মানুষ হয়ে জন্ম নিলে ঘৃণার বোধ থাকাটাও খুব স্বাভাবিক। কিন্তু সেই ঘৃণা যখন কিছুতেই কমে না বরং বুকের মাঝে লালন করা হয় ও ঘৃণার বশবর্তী হয়ে অন্যের ক্ষতি করা হয়, সেটা হয়ে ওঠে ভীষণ খারাপ একটা ব্যাপার। জীবনে চলার পথে ঘৃণা ভুলে মাফ করতে পারাটা ভীষণ জরুরী। আর এই গুনটাই আপনাকে করে তোলে সবার চাইতে আলাদা।

৪) তুচ্ছ বিষয়ে সময় নষ্ট করা
সময় নষ্ট করা সেই খারাপ গুণ, যা সফলতার পথে সবচাইতে বড় অন্তরায়। আপনি কখনোই জীবনে সুখী ও সফল হতে পারবেন না যদি তুচ্ছ জিনিস নিয়ে মাথা ঘামিয়ে , তুচ্ছ ঝামেলায় জড়িয়ে সময় নষ্ট করেন। জীবন একটাই, বুঝে শুনে খরচ করুন নিজের সময়।

৫) বিফলতাকে ভয় পাওয়া
বিফলতাকে ভয় পেতে থাকলে মানুষ হারিয়ে ফেলে নিজের উদ্যম ও জীবনে কিছু একটা করে দেখানোর মানসিকতা। জীবনে বিফলতা থাকবেই, সব কিছুতে সফল হওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু তাই বলে বিফলতার ভয়ে কাজ করা বন্ধ করে দিলে চলবে না।

৬) আলস্য
কেবল অলীক স্বপ্ন দেখলে হবে? স্বপ্ন দেখার সাথে সাথে সেটা বাস্তবায়ন করার চেষ্টাও করতে হবে। অলস ভাবে বসে থেকে যদি জীবনের সোনালি সময়টা নষ্ট করেন, শেষ বয়সে গিয়ে হায় হায় করা ছাড়া আর কিছুই করার থাকবে না।

৭) সংকীর্ণ চিন্তার মানুষ হওয়া
পৃথিবী খুব দ্রুত বদলে যাচ্ছে। আর সেই সাথে বদলে যাচ্ছে সমাজের রীতিনীতি ও জীবন যাপনের পদ্ধতি। এই পরিবর্তনের প্রতি সহনশীল হতে হবে। পৃথিবীতে চিরকাল সবকিছু একরকম থাকে না আর কখনো থাকবেও না। তাই চেষ্টা করুন যতটা সম্ভব উন্মুক্ত চিন্তার মানুষ হয়ে উঠতে।

স্ত্রীকে ধার দিয়ে বিপাকে শাহরুখ অতঃপর স্বস্তি পেলেন

বলিউডের বাদশা শাহরুখ খানের উপর থেকে কিছুতেই যেন কালো মেঘের ঘনঘটা কমছিল না। তবে এখন কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলাতে পারছেন এই অভিনেতা। আর শাহরুখের এই দুর্দশার কারণ তারই স্ত্রী গৌরি খান। কি অবাক হচ্ছেন?

বলিউডের বাদশা তার স্ত্রী গৌরি খানকে ফ্ল্যাট কেনার জন্য এক কোটি ৬৫ লাখ টাকা এবং গয়না কেনার জন্য ৬৩ লাখ টাকা ধার দিয়েছিলেন। ফ্ল্যাট ও অলংকার কেনার জন্য বিনা সুদে ঋণ দিয়েছিলেন তার জন্য কর কর্তৃপক্ষ তার ওপর অতিরিক্ত করের বোঝা চাপিয়েছিল তা খারিজ করে দিয়েছেন অ্যাপিলেট ট্রাইবুনাল।

এ জন্য আয়কর কমিশনার ওই দুই কোটি ২৮ লাখ টাকা ২০০৫-০৬ অ্যাসেসমেন্ট বর্ষের জন্য তার সম্পত্তির সঙ্গে যোগ করার নির্দেশ দেন। কারণ তাদের যুক্তি ছিল আয়করদাতা তার স্ত্রীকে ঋণ দিয়ে ঘুরপথে সম্পত্তি হস্তান্তর করছেন।

কিন্তু আয়কর অ্যাপিলেট ট্রাইবুনাল জানিয়েছে, যেহেতু এ রকমভাবে স্ত্রীকে ঋণ দেওয়ার অর্থকে সম্পত্তি কর অনুসারে সম্পদ হিসেবে গণ্য করা যায় না তেমনই এ ক্ষেত্রেও এই ঋণের টাকাকে আয়করের আওতায় আনা যাবে না।

দাম্পত্যে শারীরিক-মানসিক আকর্ষণ ধরে রাখবে যে বিষয়গুলো

যতই তুমুল প্রেম করে বিয়ে করেন না কেন, কিছু বছর পর দাম্পত্যে আকর্ষণ হারাবেই এবং এটা খুবই স্বাভাবিক একটা ব্যাপার। একটি মানুষের সাথে দীর্ঘদিন একসাথে থাকা হলে শারীরিক আকর্ষণটা তো ধীরে ধীরে কমেই যায়, সাথে কম মানসিক আকর্ষণও। এবং এই কারণেই একটা পর্যায়ে গিয়ে দাম্পত্য হয়ে দাঁড়ায় প্রেম ও যৌনতা বিহীন একটা বস্তু। ঝগড়া বাড়তে শুরু করে, সাথে বাড়ে অসুখী হওয়ার মাত্রা। অনেকের ক্ষেত্রেই ব্যাপারটা গড়ায় পরকীয়া কিংবা দ্বিতীয় বিয়ে পর্যন্ত।

অথচ একটু চেষ্টা থাকলেই কিন্তু এই ব্যাপারগুলোকে এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব, দাম্পত্য ধরে রাখা সম্ভব শারীরিক ও মানসিক আকর্ষণ। একটা জিনিস ভুলে গেলে চলবে না যে দাম্পত্য হচ্ছে চর্চা করার একটি বিষয়। কেবল ভালোবাসায় কাজ চলে না, চাই সুন্দর সম্পর্কের চর্চাও।

১) প্রশংসা যেন কখনো বন্ধ না হয়
কেউ আপনার প্রশংসা করলে কেমন লাগে? নিশ্চয়ই খুব ভালো! তাহলে আপনি কেন নিজের জীবনসঙ্গীর প্রশংসা করবেন না? প্রেম আর বিয়ের পার্থক্য এখানেই যে বিয়ের পর সঙ্গীর প্রশংসা করা ছেড়ে দেই আমরা। একটা সামান্য, দরকার হলে মিথ্যা প্রশংসাও যে সঙ্গীকে আপনার প্রতি কতটা দুর্বল করে তুলবে আপনি চিন্তাও করতে পারবেন না। অনেকেই মনে করেন আরেকজনের প্রশংসা করলে আপনি ছোট হয়ে যাবেন। কিন্তু সত্য এটাই যে প্রশংসা কোন ক্ষতি করে না, কেবল সম্পর্ক মজবুত করে।

২) নিজেকে সুন্দর রাখুন
আমাদের দেশে এই ব্যাপারটা খুব বেশি দেখা যায় যে বিয়ের কিছু বছর পরই আর নিজেদের চেহারার দিকে মনযোগ দেইনা আমরা। বেশিরভাগ স্বামী-স্ত্রীই বিয়ের কিছু বছর না যেতে মুটিয়ে যান, স্টাইল কিংবা নিজেকে সুন্দর দেখাবার দিকে মনযোগ দেন না। এটা ভীষণ ভুল একটি কাজ। দেখতে সুন্দর লাগলে নিজের আত্মবিশ্বাস অটুট থাকে, একই সাথে মনও থাকে ভালো। আর অতি অবশ্যই সঙ্গীর চোখেও বজায় থাকে আপনার আকর্ষণ। নিজের জীবন সঙ্গীর চোখে নিজে সুন্দর রাখার চেষ্টা করতে কখনো ত্রুটি করবেন না।

৩) ভালোবাসার প্রকাশ থাকুক সারা জীবন
ছোট্ট উপহার, ভালোবাসি বলা, সবসময় সকল প্রয়োজনে পাশে থাকা ইত্যাদি ভালোবাসার প্রকাশ কিন্তু প্রতিদিন সম্পর্ককে মজবুত করে। তাই কখনো কার্পণ্য করবেন না ভালোবাসার প্রকাশে।

৪) যৌনতায় আসুক বৈচিত্র্য
যৌন জীবন আনন্দময় থাকলে দাম্পত্য সম্পর্ক স্বাভাবিকভাবেই অটুট থাকে। যৌনতা মানে একজনের আনন্দ নয়, বরং দুজনেই সমান সুখী হচ্ছেন না সে ব্যাপারে লক্ষ্য রাখা। নিজেদের পছন্দ-অপছন্দকে গুরুত্ব দিন, বৈচিত্র্য আনার মাধ্যমে দাম্পত্যকে করে তুলুন আনন্দময়।

৫) দুজনের মাঝে অন্য কাউকেই নয়
দাম্পত্য খুব ব্যক্তিগত একটি ব্যাপার, যেটা কেবল নিজেদের অনুভবের বিনিময়ে গড়ে ওঠে। সন্তান হোক বা পরিবারের অন্য কেউ, নিজেদের একান্ত ব্যক্তিগত দুনিয়ায় কাউকে প্রবেশ করতে দেবেন না। কিছু ব্যাপার কেবল নিজেদের মাঝেই রাখুন, সম্পর্ক হয়ে উঠবে সুন্দর।

৬) শুধু তাকে নয়, ভালোবাসুন তার সাথে জড়িত সবাইকে
যখন সঙ্গীর পরিবারের সঙ্গে আপনার ভালো সম্পর্ক থাকবে, দাম্পত্য আপনা আপনি হয়ে উঠবে মজবুত।

৭)নিজের জন্য একটু সময়
ভালোবাসা মানে সবসময় কাছে থাকা নয়, কখনো দূরে থাকাও। নিজের জন্য একটু সময় আলাদা করে রাখুন, তাঁকেও সুযোগ দিন একটু একলা সময় কাটাবার। দাম্পত্য এই একটু খানি দূরত্ব কাছে আসাকে আকর্ষণীয় করে রাখে।

যে ৯টি খাবার বাদ দিলে যৌবন ধরে রাখতে পারবেন দীর্ঘদিন

সারা দিন আপনি কী খাচ্ছেন তার ওপরে আপনার সুস্থতার সিংহভাগ নির্ভরশীল। স্বাস্থ্যকর খাবার যেমন আপনাকে রাখে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল এবং হাসিখুশি, তেমনি কিছু খাবার আপনার স্বাস্থ্যের বারোটা বাজিয়ে আপনাকে অকালেই বুড়িয়ে ফেলতে পারে। চিনে নিন এমন কিছু খাবারকে যেগুলো আপনি রোজ খাচ্ছেন, কিন্তু এগুলো থেকে দূরে থাকলেই আপনার যৌবন ও সৌন্দর্য অটুট থাকবে দীর্ঘদিন। নিজেকে আজীবন সুস্থ ও তারুণ্যে ভরপুর পাবেন।

১) উচ্চ গ্লাইসেমিক ইনডেক্সের খাবার
ময়দার তৈরি সাদা রুটি, পাস্তা, কেক ইত্যাদি হলো এমন সব খাবার যা খাওয়ার সাথে সাথে আপনার শরীরে গ্লুকোজ এবং ইনসুলিন বেড়ে যায়। এ কারণে এসব খাবার খেলে বাড়তে পারে ব্রণের উপদ্রবও। ত্বকের বারোটা বাজিয়ে এরা কম বয়সেই আপনার চেহারায় ফেলে বয়সের ছাপ।

২) চিনি
ত্বকের জন্য সম্ভাব্য সবচাইতে খারাপ খাদ্য হলো চিনি। আমাদের বয়স বাড়াতে এর অবদান সবচাইতে বেশি। এরা কোলাজে এবং ইলাস্টিন ধ্বংস করে ত্বককে করে ফেলে বয়স্ক। এর পাশাপাশি এরা অকালেই আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয় আর বাড়ায় ক্যান্সারের ঝুঁকি। তাই মিষ্টি কিছু খেতে ইচ্ছে হলে চিনিতে ভরপুর ক্যান্ডি বারের বদলে বরং মিষ্টি কোনো ফলের দিকে হাত বাড়ান।

৩) অ্যালকোহল
যে কোনো রকমের অ্যালকোহল আপনার শরীরকে পানিশুন্য করে দেয় আর ত্বককে করে তোলে প্রাণহীন।

৪) ক্যাফেইন
ক্যাফেইন এক ধরণের ডাইইউরেটিক, তাই এটাও আপানাকে পানিশূন্য করে দিতে পারে সহজেই। এটা আপনার শরীরে কর্টিসল উৎপাদনও বাড়ায়, জাকে বলা হয় স্ট্রেস হরমোন। বেশি কর্টিসল মানেই দ্রুত হয়ে ওঠে বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়া।

৫) ভাজাভুজি
তেলে ভাজা খাবার যতই মুখরোচক হোক না কেন, তা আপনার শরীরে ফ্যাট ইনটেক যেমন বাড়ায় তেমনি বাড়ায় অয়েল বিল্ডআপ। এর পাশাপাশি ভাজাভুজি খাবার ফলে শরীরে ব্যাকটেরিয়া আক্রমন করে বেশি, ফলে ত্বকে দেখা যায় ব্রণের উপদ্রব।

৬) প্রক্রিয়াজাত খাবার
প্রক্রিয়াকরণের ফলে খাবারের উপকারিতা কমে যায়। এ ছাড়াও প্রক্রিয়াজাত খাবারে সোডিয়াম এবং চিনির পরিমাণ বেশি থাকে যা বয়স বাড়িয়ে তোলে।

৭) আর্টিফিশিয়াল সুইটেনার এবং রঙ
এদের তো পুষ্টিগত কোনো উপকারিতা নেই-ই, বরং এরা অ্যালার্জির উদ্রেক করতে পারে অনেকের শরীরে। অনেক সময়ে আবার এসব রাসায়নিক আপনার শরীরে জমা হয়ে থাকতে পারে, যার ফলে বার্ধক্য এগিয়ে আসে আরও দ্রুত।

৮) লবণ
বিশেষ করে আয়োডিনযুক্ত লবণ মোটেই ত্বকের জন্য ভালো নয়। লবণ কোষের স্ফীতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। বেশি লবণ খাওয়া তো অবশ্যই অস্বাস্থ্যকর। এ কারণে খাদ্যে লবণের মাত্রা রাখুন পরিমিত।

৯) রেড মিট
রেড মিটে থাকে উচ্চমাত্রার কারনিটিন যা রক্তনালিকার দেয়াল শক্ত করে তোলে, কম বয়সেই বুড়িয়ে তোলে আপনাকে।

ইউলিয়া বিহীন সালমান আবারও একা

বলিউড অভিনেতা সালমান খানের সঙ্গে রোমানীয় টিভি তারকা ইউলিয়া ভেঞ্চুরের প্রেমের সম্পর্ক নতুন দিকে মোড় নিয়েছে। ইউলিয়ার ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে সালমানকে একা করে ইউলিয়া নিজ দেশে ফিরে যান। অবশ্য ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর জন্য সালমান অনেক চেষ্টা করেছিলেন। তবে ইউলিয়া ভিসা বাড়িয়ে আবারও ভারতে ফিরবেন।

সালমানের সঙ্গে বন্ধুত্বের সুবাদে ‘ও তেরি’ ছবির একটি আইটেম গানে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান ইউলিয়া। গত মার্চ মাসে সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছিল। সালমান যেন এবারে ইউলিয়াকে বলিউডে প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব নিয়েছেন। গত নভেম্বরে সালমানের ছোট বোন অর্পিতার বিয়ের অনুষ্ঠানে বেশির ভাগ সময় সালমানের পাশাপাশি ইউলিয়াকে দেখা যায়। সালমানের ভাব দেখেই সবাই বুঝে নেয় ইউলিয়াই সালমানের বর্তমান গার্লফ্রেন্ড।

ইউলিয়ার যেন অর্পিতার বিয়েতে অংশ নিতে কোন সমস্যাই না হয়, সে জন্য সালমান মুম্বাইয়ে তাঁর গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের পাশে একটি পাঁচ তারকা হোটেলে ইউলিয়ার থাকার ব্যবস্থা করেছিলেন।

চার সপ্তাহের আগাম জামিন পেলেন রুবেল

চিত্রনায়িকা হ্যাপির করা ধর্ষণ মামলায় চার সপ্তাহের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের পেসার রুবেল হোসেন।

সোমবার বিকেলে শুনানি শেষে জামিন মঞ্জুর করেন বিচারপতি সৈয়দ এবি মাহমুদুল হক ও বিচারপতি মো. আকরাম হোসেন চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ।

এর আগে সোমবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় আগাম জামিন নিতে হাইকোর্টে আবেদন করেন রুবেল। এসময় বিচারপতি সৈয়দ এবি মাহমুদুল হক ও বিচারপতি আকরাম হোসেন চৌধুরী সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ জামিন দেন। একই সঙ্গে এই সময়ের মধ্যে তাকে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণেরও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, রুবেলের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন অ্যডভোকেট শ ম রেজাউল করিম এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বশির উল্লাহ।

কার্ডিফ মেয়রের সাথে বাসিয়া পরিবারের সাাৎ

n=02মাসিক বাসিয়া পত্রিকা ও বাসিয়া টুয়েন্টিফোর ডট কম সম্পাদক মোহাম্মদ নওয়াব আলী গত ৫ নভেম্বর রাতে সিটি অফ কার্ডিফ এন্ড কান্ট্রি কাউন্সিল এর ডেপুটি লর্ড মেয়র আলী আহমদের সাথে সৌজন্য সাাৎ করেন। দণি সুরমার কৃতি সন্তান আলী আহমদকে তার রচিত ‘দণি সুরমার ইতিহাস ঐতিহ্য’ বইটি উপহার দেন। দণি সুরমার ইতিহাস ঐতিহ্য সংগ্রহের জন্য আলী আহমদ প্রবাসীদের প থেকে তাকে ধন্যবাদ জানান। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক শাহ সোহেল আহমদ, ফটো সাংবাদিক মো. রিয়াজ উদ্দীন, দণি সুরমা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মকসুদ আহমদ প্রমুখ।

সিলেটকে ফ্রি ওয়াইফাই নগরী করার কাজ শুরু

20ac02bbb603e4cd114fa9651bebd1ccদেশের প্রথম ওয়াইফাই নগরী হতে যাচ্ছে সিলেট। সিলেট সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে নগরীর ১০টি পয়েন্টে ওয়াইফাই ইন্টারনেট সংযোগ দেয়া হচ্ছে। নগরবাসী এইসব এলাকায় ফ্রি ওয়াইফাই ইন্টারনেট ব্যবহার করার সুযোগ পাবেন। ওয়াইফাই সংযোগের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।

সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) সূত্র জানায়- তরুণ প্রজন্মের কথা চিন্তা করে সিলেট নগরীকে ওয়াইফাই করার উদ্যোগ নেয়া হয়। গত ১৬ আগস্ট সিলেট নগরীর উন্নয়ন কর্মকান্ড ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বিষয়ক সেমিনারে প্রথম এই ঘোষণা দেয়া হয়। এরপর থেকে সিলেটকে ওয়াইফাই নগরী করার পরিকল্পনা শুরু হয়।

প্রথমে নগরীর চৌহাট্টা, জিন্দাবাজার, বন্দরবাজারসহ ১০টি পয়েন্টে ওয়াইফাই সংযোগ দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়। ওয়াইফাই সংযোগের কাজ পায় নিটল নিলয় গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান এনরিচ নেট প্রাইভেট লিমিটেড। গত ২৭ অক্টোবর থেকে তারা ওয়াইফাই’র কাজ শুরু করেছে। এ কাজ সম্পন্ন হতে আরও মাস দিন সময় লাগতে পারে বলে জানা গেছে।

সিসিক সূত্র জানায়- নগরীর ১০টি পয়েন্টে ফ্রি ওয়াইফাই সংযোগ নগরবাসীর মাঝে সাড়া ফেললে পর্যায়ক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম সকল এলাকায় ওয়াইফাই’র ব্যবস্থা করা হবে। এতে নগরবাসী ফ্রি ইন্টারনেট সেবা গ্রহণ করার সুযোগ পাবেন।

ফ্রি ওয়াইফাই ছাড়াও সিলেট সিটি করপোরেশন ডিজিটাল তথ্য সেবা কেন্দ্র চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। এই সেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রবাসী সিলেটীরাও সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন সেবা দ্রুততম সময়ে গ্রহণ করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিস্টরা।

এ ব্যাপারে সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন- বর্তমান যুগ প্রযুুক্তিনির্ভর। তরুণ সমাজের কথা চিন্তা করে সিলেটকে ওয়াইফাই নগরী করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এটা সম্ভব হলে সিলেট হবে বাংলাদেশের প্রথম ওয়াইফাই নগরী। এতে তরুণ প্রজন্মসহ নগরীর সর্বস্তরের মানুষ বিনামূল্যে নির্ধারিত এলাকায় প্রযুক্তি সেবা পাবেন।

মেয়র আরও বলেন- যুগের সাথে তাল মিলিয়ে সিলেটে সাইবার ভিলেজ স্থাপনেরও পরিকল্পনা রয়েছে। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সাথেও আলোচনা চলছে। উপযুক্ত জায়গা পেলেই সাইবার ভিলেজ স্থাপনের কাজ শুরু হবে।

প্রসঙ্গত, সিলেট সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে আরিফুল হক চৌধুরীর নির্বাচনী অঙ্গিকারের মধ্যে একটি ছিল সিলেটকে সাইবার সিটি হিসেবে গড়ে তোলা। এর অংশ হিসেবে সিলেটকে ফ্রি ওয়াইফাই নগরী হিসেবে গড়ে তোলার কাজ শুরু হয়েছে।

কাঠের বাইসাইকেল, তবু ১৫ লাখ টাকা দাম!

ধরা যাক, একজন বাইসাইকেল কিনতে সাইকেল স্টোরে ঢুকলেন। বেছে বেছে চোখ আটকে গেল একটায়। স্টোরকিপারকে দাম জিজ্ঞেস করলেন। তিনি চেয়ে বসলেন, ১৫ লাখ টাকা। তাহলে কী হতে পারে? তাও আবার যদি সে সাইকেল কাঠ দিয়ে তৈরি হয়?

খুব সম্ভবত ক্রেতা সেখানেই জ্ঞান হারাবেন, নতুবা মাথাগরম রুখতে না পেরে স্টোরকিপারকেই দিয়ে বসতে পারেন উত্তমমধ্যম। কিন্তু বিশ্বাস না হলেও সত্যি, জাপানের সুয়েসিরো স্যানো তার তৈরি বাইসাইকেলের দাম হেঁকেছেন এমন পরিমাণই।

সুয়েসিরো স্যানো ছিলেন নৌকামিস্ত্রী। নৌকা বানাতে বানাতেই তার মাথায় ঝোঁক চাপে কাঠ দিয়ে সাইকেল বানানর। শুরু হয়ে গেল কাজ। শেষ পর্যন্ত তৈরিও করে ফেললেন। মেহেগনি কাঠ দিয়ে তৈরি তার এই অভিনব বাইসাইকেলে প্রায় পুরোটাই কাঠ।

নিজের ‘স্যানো ম্যাজিক’ স্টোরে এই সাইকেলের প্রদর্শনী করছেন এখন সুয়েসিরো স্যানো। তার সাইকেল কেনার জন্য আগ্রহও দেখিয়েছে অগণিত মানুষ। সুয়েসিরো এতদিন নৌকা তৈরীর কাজেই জনপ্রিয় ছিলেন। কিন্তু এখন তিনি সাইকেল প্রেমিকদের কাছে প্রিয় মুখ। কারণ তিনি দারুণ সব ডিজাইন ও রঙের সাইকেল তৈরী করেন। এগুলো অনেকের কাছে ফ্যাশন সামগ্রীও হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ধাতব সাইকেলের মতো সুয়েসিরো স্যানো’র কাঠের সাইকলেও একই গতিতে চালানো যায় কোনো ঝুঁকি ছাড়াই। তবে ঝামেলা একটা জায়গায়ই। স্যানো এই সাইকেলের দাম হেঁকেছেন ২০ হাজার মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৫ লাখ টাকা)।3266a4e9512bfd8a0a85c0ec43ccf699

Developed by: