বিভাগ: বই পত্র

কানাডা সরকারের ‘ফেডারেল স্কিলড ওয়ার্কার’ ভিসা

9f52c148068d297f034f4fb8d3255708কানাডা সরকারের ‘ফেডারেল স্কিলড ওয়ার্কার’ কর্মসূচির সংশোধিত পদ্ধতিতে আবেদনপত্র গ্রহণ শুরু হয়েছে মে ২০১৪ থেকে। ফলে দ্বার খুলছে ইমিগ্রেশন প্রত্যাশীদের। ৫০ ধরনের পেশাজীবি এই ভিসার জন্যে আবেদন করতে পারবেন (৫০টি ক্যাটাগরিতে স্কিল্ড ওয়ার্কার নেয়া হবে)মোট লোক নেয়া হবে ২৫ হাজার।

সিলেকশন ক্রাইটেরিয়া আগের মতই রয়েছে। পয়েন্ট সিস্টেমও আগের মতই। সর্বনিম্ন ৬৭ পয়েন্ট অর্জন করতে হবে একাডেমিক অর্জন, অভিজ্ঞতা, বয়স, ইংলিশ ও ফরাসী ভাষায় দক্ষতা, জব অফার এবং এডাপটিবিলিটি (কানাডায় বসবাসকারী ফার্স্ট ব্লাড কিংবা জব অফার) থেকে।

নুন্যতম স্নাতক, সে সাথে বেশ কিছু কাজের অভিজ্ঞতা এবং আই.ই.এল.টি.স স্কোর ভালো করলে ফেডারেল স্কিলড ভিসা পাওয়া খুব সহজ হয়ে গিয়েছে। আগে যেখানে ১-২ বছর লেগে যেত ভিসা পেতে, এখন সেখানে ৬-৯ মাসের মধ্যে ভিসা পেয়ে যাচ্ছে।

বছরে ৫১৭ কোটি টাকা বেতন মাইক্রোসফট সিইওর

1a874a3d89f2b292e088a8af1795b56bমাইক্রোসফট সিইও সত্য নাদেলাকে তার কোম্পানি এবছর ব্যাপক অফার দিয়েছে৷ ভারতীয় বংশোদ্ভূত সত্য নাদেলাকে ২০১৩-১৪য়ের জন্য মোট ৮ কোটি ৪৩ লক্ষ ডলার অর্থাৎ প্রায় ৫১৬ কোটি ৫৭ লক্ষ টাকা বেতন হিসেবে দেওয়া হয়েছে৷

এই বিপুরল পরিমাণ টাকার অঙ্কে তিনি নয় লক্ষ ১৯ হাজার ডলার বেতন হিসেবে পেয়েছেন৷ ৩৬ লক্ষ ডলার পেয়েছন বোনাস হিসেবে৷ এছাড়াও ৭ কোটি ৯৮ লক্ষ ডলারের স্টক পয়েছেন৷ যদিও এই স্টক গুলি তিনি ২০১৯ সলারে আগে বিক্রি করতে পারবেন না৷

সম্প্রতি মহিলা কর্মচারীদের প্রতি নাদেলার মন্তব্য নিয়ে সারা বিশ্বেই আলোচনা শুরু হয়৷ তিনি বলেছিলেন, নারীদের বেতন বাড়ানোর জন্য কথা বলার প্রয়োজন নেই, বরং ভালো বেতন পেতে প্রচলিত পদ্ধতির ওপর বিশ্বাস রাখলেই চলবে। যদিও এর পরে কোম্পানির মহিলা কর্মচারীদের কাছে ক্ষমাও চেয়ে নেন সত্য৷

গোলাম আযম মারা গেছেন

51ff61db5533c-golam--azamগোলাম আযমমানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ৯০ বছর কারাদণ্ডাদেশ পাওয়া জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির গোলাম আযম মারা গেছেন। আজ বৃহস্পতিবার রাতে ১০টা ১০ মিনিটের দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিত্সাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
এর আগে আবদুল মজিদ ভূঁইয়া বলেছিলেন, গোলাম আযমের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে কৃত্রিমভাবে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছিল। তিনি জানিয়েছিলেন, বিকেল থেকে গোলাম আযমের শারীরিক অবস্থার কিছুটা অবনতি হয়।
একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে গত বছরের ১৫ জুলাই গোলাম আযমকে ৯০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। তাঁর অপরাধ মৃত্যুদণ্ড পাওয়ার যোগ্য হলেও বয়স ও শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় তাঁকে এই দণ্ড দেওয়া হয়। এই রায়ের বিরুদ্ধেও খালাস চেয়ে ওই বছরের ৫ আগস্ট আপিল করেন গোলাম আযম। আর সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়ে গত বছরের ১২ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করে।
এদিকে সুপ্রিম কোর্টে দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে করা গোলাম আযমের আপিলের বিষয়ে শুনানি আগামী ২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।

হাকালুকি হাওরে ট্যুরিস্টদের বিনোদনের নতুন তীর্থস্থান

Hakaluki-1111বাংলাদেশ ও এশিয়ার সর্ববৃহৎ হাকালুকি হাওর ইকো ট্যুরিস্টদের জন্য হতে পারে তীর্থস্থান। হাওরের সৌন্দর্য্যের পাশাপাশি সৌন্দর্য্য পিপাসুদের জন্য নির্মিত ওয়াচ টাওয়ার এবং বন্যপ্রাণী বিভাগের অফিস নজর কাড়বে যে কারো।
বন্যপ্রাণী বিভাগ সুত্রে জানাযায়, হাকালুকি হাওরের জাল্লা বিলের পাড়ে ৫৮ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে হাকালুকি হাওরে আসা সৌন্দর্য্য পিপাসুদের জন্য একটি ওয়াচ টাওয়ার এবং বন্য প্রাণী বিভাগের একটি অফিস নির্মাণ করা হচ্ছে। ওয়াচ টাওয়ার থেকে সৌন্দর্য্য পিপাসুরা হাওরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য দেখতে পাবেন। বিশেষ করে শীতকালে বিকালের নরম রোদে হাওরে আসা অতিথি পাখিদের কলকাকলি উপভোগ করতে পারবেন। তাছাড়া হাওরের প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বনবিভাগের একটি বিট অফিস ও স্টাফ ডরমেটরি নির্মাণ করা হচ্ছে। এই বিট অফিসে একজন বিট অফিসার, বাগান মালি ও কয়েকজন ফরেস্ট গার্ড থাকবেন। বন মন্ত্রণালয়ের অধীনে এই প্রকল্পের কাজ চলতি অর্থ বছরে শেষ হবে বলে জানাযায়।
স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, হাকালুকি হাওর হতে পারে সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলার সবচেয়ে আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র। কেননা বর্ষা মৌসুমে হাওরটি পরিণত হয় বিশাল সাগরে। বর্ষা মৌসুমে ট্যুরিস্ট বোটে করে বিশাল হাওর দর্শণ এবং হিজল করচের বাগান পর্যটকদের আকৃষ্ট করবে সবচেয়ে বেশি। তাছাড়া শুষ্ক মৌসুমে হাওরে দেখা মিলবে অতিথি পাখিদের মিলন-মেলা। হিজল করচের বনে হারিয়ে যাওয়ার মজাই আলাদা। মাছ আহরণ, গরু মহিষের বাথান, সেই সাথে প্রাকৃতিক জীব বৈচিত্র্য প্রকৃতি প্রেমীদের আকৃষ্ট না করে উপায় নেই।
বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রাকৃতিক সংরক্ষণ বিভাগ সিলেটের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুর রহমান জানান, এই প্রকল্পের কাজ শেষ হলে পর্যায়ক্রমে এখানে একটি গেস্ট হাউজ নির্মাণ করা হবে। তাছাড়া এতে বর্ষাকালে যাতায়াতের জন্য ইঞ্জিন নৌকা থাকবে। তবে এর পাশাপাশি একটি ট্যুরিস্ট বোট চালু করা হবে। যার ব্যবস্থাপনায় থাকবে স্থানীয় লোকজন। তবে কোনভাবে পরিবেশ বিপর্যয় যাতে না হয়, সে ব্যাপারে লক্ষ্য রাখা হবে।

সমুদ্রে মিলনরত দম্পতি একসঙ্গে জোড়া লেগে যাওয়ায় হাসপাতালে

af6636b3751f0c3fee56bd083e8ce29cএক ইটালিয়ান তরুণ দম্পতি পোর্তো সান জর্জিও-তে অবকাশ যাপন করছিলেন। একসময় তারা সিদ্ধান্ত নেন যে সমুদ্রের পানিতে তারা রতিসুখ উপভোগ করবেন।

কিন্তু তারা যেটাকে দুঃসাহসী ও রোমান্টিক উদ্যম বলে ভেবেছিলেন তা পরিণত হয় এক অস্বস্তিকর ঘটনায়। লোকটি বুঝতে পারেন যে তিনি তার সঙ্গিনীর শরীর থেকে আলাদা হতে পারছেন না। তারা আটকে গেছেন একসাথে। তারা ওই অবস্থাতেই অনেক কষ্ট করে তীরে আসার চেষ্টা করতে থাকেন। এমনসময় সমুদ্রতীরে থাকা এক ভদ্রমহিলার নজরে পড়েন তারা। তিনি একটি তোয়ালে ছুঁড়ে দেন এবং তাতে দম্পতির মান-ইজ্জতের যতটুকু অবশিষ্ট ছিল রক্ষা পায়।

এরপর একজন ডাক্তার ডাকা হয় এবং দম্পতিকে নিকটস্থ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে নারী সঙ্গীটিকে প্রসবের সময় গর্ভাশয় প্রসারণের জন্য যে ইঞ্জেকশন তা দেয়া হয়।

পুরুষের খেলা দেখায় জেলে ইরানের যুবতী

abc745e6e0d3a9cd5bc49d3417830নিজে পুরুষদের ভলিবল ম্যাচ দেখেছেন, তাঁর মতোই অন্য মহিলারাও যাতে পুরুষদের খেলা দেখার অধিকার পান, সেজন্য মুখ খুলেছেন। তিনি স্রেফ এজন্য গ্রেপ্তার করে তেহরানের কুখ্যাত এভিন জেলে পুরে দেওয়া হয়েছে ঘঞ্চেহ গাভামি নামে ব্রিটিশ-ইরানি এক মহিলাকে! তাঁর হয়ে সোস্যাল মিডিয়ায় জনমত, সমর্থন সংগ্রহে একটি পিটিশন পোস্ট করেছে অ্যামেনেস্ট ইন্টারন্যাশনালের ব্রিটেন শাখা। তাঁর মুক্তির সমর্থন সই সংগ্রহ চলছে পিটিশন সামনে রেখে।

ওই পিটিশনে অভিযোগ করা হয়েছে, কোনও যুক্তিগ্রাহ্য, বৈধ অভিযোগ ছাড়াই তাঁকে জেলের নির্জন কুঠুরিতে ফেলে রাখা হয়েছে। তাঁর হয়ে মামলা লড়তে কোনও আইনজীবীর সঙ্গেও কথা বলতে দেওয়া হচ্ছে না ঘঞ্চেহকে।প্রতিবাদে অনশন শুরু করেছেন তিনি।যদিও দি টেলিগ্রাফ পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লন্ডন স্কুল অব ওরিয়েন্টাল অ্যান্ড আফ্রিকান স্টাডিজ-এর ২৫ বছর বয়সি এই আইনের স্নাতকের বিচারের দিন স্থির হয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁর এক আইনজীবী।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার গোষ্ঠীটির পিটিশন থেকে জানা গিয়েছে, ইরান-ইতালি পুরুষদের ভলিবল ম্যাচ দেখতে তেহরানের আজাদি স্টেডিয়ামে ঢুকেছিলেন ঘঞ্চেহ। ইরানে ইসলামের কড়া অনুশাসন বহাল রয়েছে। সেখানকার বিধি অনুসারে মহিলারা খেলার মাঠে পুরুষদের সঙ্গে থাকতে পারেন না, তা নিষিদ্ধ।

বিধি ভেঙে সমাজপতিদের রোষে পড়ে ইতিমধ্যেই ১০৩ দিন জেলে কাটানো হয়ে গিয়েছে। কবে মুক্তির আলো দেখবেন তিনি?

৩৯ জনকে হত্যা করে গিনেস বুকে যুবক

a392c69ccdfcba11eda0eeda547f221aথিয়াগো রেনরিক গোমেজ দ্য রোচা। ২৬ বছর বয়সী এই ব্রাজিলিয়ান তরুণ বিশ্বের একজন কুখ্যাত সিরিয়াল কিলার।

নিরাপত্তারক্ষী থিয়াগো একে একে খুন করেছেন ৩৯ জনকে। আদালতের কাছে অকপটে স্বীকারও করেছেন সে খুনের কথা। নারী, শিশু কেউ বাদ যায়নি তার হিংস্রতার ছোবল থেকে।

থিয়াগোর এই নৃশংসতা তাকে পৌঁছে দিয়েছে ওয়ার্ল্ড গিনেস বুকে। পরিণত করেছে বিশ্বের কুখ্যাত সিরিয়াল কিলার হিসেবে।

তার শুরুটা হয়েছিল একজন মোটরবাইক চালক খুন করার মধ্যদিয়ে। ট্রিগারে চাপ দেয়ার আগে সে চিৎকার করে বলতো ‘ডাকাত ডাকাত’। চিৎকারে লোকজন জমায়েত হতো। আর এর মধ্যেই ফাঁক বুঝে সে হাওয়া হয়ে যেতো।

নিহতদের মধ্যে ১৬ জন নারী। দেশটির গোয়ানিয়া শহরে বিপরীত লিঙ্গের পোশাকে অভ্যস্ত এসব মহিলার অনেকেই ছিল বাস্তুহারা।

গোয়ানিয়া রাজ্যের রাজধানী গোইয়াসে মায়ের সঙ্গেই থাকতো এই সিরিয়াল কিলার।

তার খুনের তালিকায় সর্ব কনিষ্ঠ বালিকার বয়স ১৪। একটি পার্কে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয় গত জানুয়ারিতে।

একের পর এক হত্যার ঘটনায় থিয়াগোকে ধরতে গঠন করা হয় পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স। মঙ্গলবার তাদের হাতে আটক হয় এ দুর্ধর্ষ কিলার। অবশ্য পুলিশ যখন তাকে আটক করে তখন তার বিচার চলছিল থালা চুরির অপরাধে।

ঠাণ্ডা মাথার এই খুনির হাতে আগ্নেয়াস্ত্র ছাড়াও থাকতো ছুরি ও হাতুড়ি।

প্রশ্ন হচ্ছে, কেন এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড? শুনুন থিয়াগোর কথায়। প্রচণ্ড ক্রোধ থেকেই সে ঘটিয়েছে এসব হত্যাকাণ্ড। সবকিছুর প্রতিই তার ঘৃণা ও বিরক্তি রয়েছে।

তবে শুক্রবার দিনের শুরুতে এই সিরিয়াল কিলার কব্জি কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়।
আটকের পর তাকে নেয়া হয়েছে রিমান্ডে। এখন পুলিশ হেফাজতে রয়েছে সে।

রেলমন্ত্রী ৫০০ বরযাত্রী নিয়ে শ্বশুরবাড়ি যাচ্ছেন বউ আনতে

6d0b9d932a212cdb3f5817d3a40abf6fকুমিল্লার চান্দিনায় বরবেশে কনেবাড়ি যাচ্ছেন রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক মুজিব। তার সঙ্গে যাবেন পাঁচ শতাধিক বরযাত্রী। ইতোমধ্যে গায়ে হলুদ ও বৌভাত অনুষ্ঠানের তারিখও নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর মন্ত্রীর গায়ে হলুদ ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। শেষ পর্যায়ে রয়েছে কনের বাড়ির সড়ক সংস্কার কাজ। রেলমন্ত্রীর বিয়ের আয়োজন নিয়ে উৎফুল্ল কুমিল্লার আওয়ামী লীগসহ অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। কনের গ্রামের বাড়ি চান্দিনা উপজেলার মীরাখোলা গ্রামে বিয়ে উপলক্ষে বাড়ি সাজানোর প্রস্তুতি চলছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কনের এক নিকটাত্মীয় উত্তর জেলা জাতীয় পার্টির এক নেতা জানান, মন্ত্রী, সচিবসহ উচ্চপদস্থ ২০০ রাষ্ট্রীয় অতিথি এবং বরের নিজ নির্বাচনী এলাকা চৌদ্দগ্রাম এবং নিজ জেলা কুমিল্লার মিলিয়ে সর্বমোট পাঁচ শতাধিক বরযাত্রী চান্দিনায় আসার সম্ভাবনা রয়েছে। অতিথি আপ্যায়নে গ্রামের দেড়শ’ মানুষ কাজ করবে। ২২ অক্টোবর ডেকোরেশন, আলোকসজ্জার কাজ শুরু হবে বলে তিনি জানান। ঢাকা এবং কুমিল্লার দক্ষ টেকনেশিয়ানরা এসব কাজ করবেন। কুমিল্লা ক্লাবের প্রধান বাবুর্চি মিল্টন রোজারিও তার সহযোগীদের নিয়ে ২৯ তারিখ রাতে কনের পিত্রালয় মিরাখোলা গ্রামে পৌঁছবেন। ওই রাত থেকেই তারা রান্নার প্রস্তুতি নেবেন। মেন্যু সম্পর্কে জানতে চাইলে মিল্টন রোজারিও কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। আরেকটি সূত্র জানায়, বিয়েতে মেন্যু হিসেবে কাচ্চি, রোস্ট, জালি কাবাব, জর্দা ও চাটনি রয়েছে। কনের বাড়িতে উভয় দিকে ১২শ’ মানুষের খাবারের আয়োজন করা হয়েছে। এদিকে কনের বাড়িতে যাওয়ার রাস্তাঘাট নির্মাণ কাজ আগামী ২৫ অক্টোবর এর মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার আশা প্রকাশ করেন। আগামী ১৪ নভেম্বর বৌভাত অনুষ্ঠিত হবে। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জাতীয় সংসদ ভবন চত্বরের ২ নম্বর এলডি হলে সন্ধ্যা ৭টা থেকে বৌভাত অনুষ্ঠিত হবে। সংসদ ভবনের হলে সাড়ে তিন হাজার এবং চৌদ্দগ্রামের অনুষ্ঠানে ৩০ হাজার মানুষকে দাওয়াত দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আয়োজনের সমন্বয়ক করা হয়েছে রেলমন্ত্রীর নিজের ইউনিয়ন শ্রীপুরের চেয়ারম্যান শাহজালাল মজুমদারকে। এ জন্য ৬০ সদস্যের একটি অনুষ্ঠান আয়োজক কমিটি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে বৌভাতের কার্ড বিতরণ শুরু করেছে মন্ত্রীর পরিবার, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ। কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আ ফ ম আহসান উদ্দিন টুটুল জানান, রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক একজন মাটির মানুষ। সারা জীবন মানুষ আর নেতা-কর্মী নিয়ে ব্যস্ত থেকেছেন। তার বিয়ের সিদ্ধান্তে আমরা আনন্দিত। তার দাম্পত্য জীবনের অগ্রিম সফলতা কামনা করছি। চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বশুয়ারার এক ধার্মিক বংশে রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক মুজিব জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মৃত রজ্জব আলী, মাতা মৃত সোনাবান বিবি। আট ভাই ও এক বোনের মধ্যে মুজিবুল হক সবার ছোট। কনে হনুফা আক্তার রিক্তা বাবা মরহুম হাবিব উল্লাহ মুন্সী ও মা গৃহিণী জোসনা বেগমের পাঁচ মেয়ে, দুই ছেলের মধ্যে সবার ছোট।

থাইল্যান্ডে ১৩০ বাংলাদেশি ‘ক্রীতদাস’ উদ্ধার

14136061551413606155থাইল্যান্ডের বিভিন্ন খামারে বা মাছ ধরার ব্যবসায় ‘ক্রীতদাসের’ মতো কাজ করানো ১৩০ জন বাংলাদেশিকে উদ্ধার করেছে সেখানকার কতৃপক্ষ। গত এক সপ্তাহে তাদের উদ্ধার করা হয়েছে বলে শনিবার বিবিসির অনলাইনে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিবিসির দণি এশিয়া বিষয়ক সংবাদদাতা জোনাথন হেড থাইল্যান্ডে এমন একটি জায়গা ঘুরে দেখেছেন, যেখানে অন্তত ১৩০ জন বাংলাদেশি পুরুষকে উন্নত চাকরির লোভ দেখিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে। এরা সবাই মানব পাচারের শিকার।
বাংলাদেশ ছাড়ার পর তাদেরকে ওষুধ খাইয়ে, হাত-পা বেঁধে নৌকায় করে থাইল্যোন্ড নিয়ে যাওয়া হয়। ঐ নৌকায় প্রায় ৩০০ বন্দি ছিল। এরপর তাদেরকে থাইল্যান্ডের উপকূলে জঙ্গলের মধ্যে লুকানো কিছু ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয় এবং ক্রীতদাস হিসেবে বিক্রি করে দেয়া হয়।

উদ্ধার পাবার পর আবদুর রহিম নামের একজন বাংলাদেশি বলছিলেন, তাদের জঙ্গলে নিয়ে রাখা হয়েছিল, কোন খাবার দেয়া হয়নি। ১০ দিন তারা শুধু পাতা খেয়ে বেঁচে ছিলেন। তিনি বলেন, থাই দালালরা তাকে এমন মারধর করেছে যে এখনো তিনি খুঁড়িয়ে হাঁটেন।
সম্ভবত এদের তে-খামারে বা মাছধরার নৌকায় কাজ দাসশ্রমিক হিসেবে করানো হয়।
তিন সপ্তাহ বন্দি থাকার পর একজন স্থানীয় জেলা প্রশাসন কর্মকর্তা-যিনি মানবপাচার রোধের জন্য কাজ করছেন ,তাদের উদ্ধার করেন। তবে অন্য আরো ৬০ জন এখন নিখোঁজ রয়েছেন এবং তাদের বিক্রি করে দেয়া হয়েছে বলে হচ্ছে।
থাইল্যান্ডে দীর্ঘদিন ধরেই মানবপাচার একটি বড় সমস্যা। মাছ ধরার নৌকাগুলোতে দাস শ্রমিক দিয়ে কাজ করানোর অভিযোগ ওঠায় ইউরোপে সি-ফুড জাতীয় খাদ্যের বাজার হারাচ্ছে থাইল্যান্ড।
এ ব্যাপারে যথেষ্ট ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না বলে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগের পরিপ্রেেিত এই বছরই মানবপাচারকারীদের নিয়ন্ত্রণে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল থাই সরকার। কিন্তু পাচার হওয়া বাংলাদেশি উদ্ধারের ঘটনার পর ধারণা করা হচ্ছে যে, দেশটিতে সংঘবদ্ধ মানব পাচারকারী চক্র সক্রিয় রয়েছে।

এইসব দিনরাত্রির সেই টুনি’র আত্মহত্যা!

1413543533_1আবারও মিডিয়ায় আত্মহত্যার মতো আরেক দুঃসংবাদ। হুমায়ূন আহমেদের বিখ্যাত টিভি সিরিজ এইসব দিনরাত্রি’র সেই টুনি আত্মহত্যা করেছেন। পুরো নাম নায়ার রহমান লোপা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকেই নিজের বেডরুমেই এই ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়। শুক্রবার বিকেলে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তার লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গেই ছিল।
পরিবারের পক্ষ থেকে এই ঘটনার কারণ কিছুই জানাচ্ছেন না তারা। বিমর্ষ পরিবারের সদস্যদের বিক্ষিপ্তভাবে হাসপাতাল চত্ত্বরে ছোটাছুটি করতে দেখা যাচ্ছে। মিডিয়ার লোকজনকে দেখলেই তারা এড়িয়ে যাচ্ছেন।
তবে লোপার বন্ধুবান্ধবেরা ধারণা করে বলছেন, সাংসারিক কলহের জের ধরেই এই ঘটনা ঘটতে পারে। লোপার সংসার জীবনে দুই সন্তান। দীর্ঘদিন মিডিয়া থেকে বিরতি নিয়ে বছর কয়েক ধরে বিচ্ছিন্নভাবে নাটকে কাজ করছিলেন তিনি।

Developed by: