বিভাগ: বই পত্র

শহীদ মিনারে যাচ্ছে না পিয়াসের মরদেহ

বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিবাদের মুখে ‘বিতর্কিত’ টিভি আলোচক পিয়াস করিমের মরদেহ ‘শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য’ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেয়ার পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে তার পরিবার।

অবশ্য এ ব্যাপারে অনুমতি না দেওয়ার বিষয়টি বুধবারই বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানিয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

প্রয়াতের ভাই লোটাস করিম বৃহস্পতিবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিসিশন আমরা জানি না। তবে আমরা পারিবারিকভাবে আর [পিয়াস করিমের মরদেহ শহীদ মিনারে নিতে] চাচ্ছি না।”

বিদ্যমান পরিস্থিতিতে পিয়াস করিমকে নিয়ে যাতে আর ‘আলোচনা-সমালোচনা বা অমর্যাদা’ না হয়, সে জন্যই পারিবারিকভাবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানান তিনি।

“উনাকে মর্যাদা দেওয়ার জন্যেই শহীদ মিনারে নেওয়ার কথা ভেবেছিলাম; কিন্তু মর্যাদা যদি ঠিকভাবে দেওয়া না হয়, সমস্যা- আফটার অল সুবিধার জন্যে আর নিতে চাচ্ছি না। উনার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে কোরআন শরিফ পড়ে দাফন করতে চাচ্ছি।”

তিনি জানান শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে হাসপাতালের হিমঘর থেকে পিয়াসের মরদেহ ধানমন্ডির বাসায় আনা হবে। আত্মীয় স্বজন দেখার পর মরদেহ শ্রদ্ধা জানানোর জন্যে বেলা ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে রাখা হবে ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন প্রাঙ্গণে।

জুমার নামাজের পর বায়তুল মোকাররমে পিয়াস করিমের জানাযা শেষে বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে বলে জানান তার ভাই।

শহীদ মিনারের ‘বিকল্প হিসাবে’ ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনে মরদেহ নেওয়ার সিদ্ধান্ত কিনা জানতে চাইলে লোটাস বলেন, “বিকল্প হিসেবে ঠিক না; শহীদ মিনারটা কখনোই আমাদের পারিবারিকভাবে সিদ্ধান্ত ছিল না, উনার কিছু শুভাকাঙ্খীর অনুরোধে আবেদন করেছিলাম। এ নিয়ে এতো আলোচনা-সমালোচনা হবে বুঝতে পারিনি। পরে যখন দেখলাম এ নিয়ে এতো কথাবার্তা, তখন সরে আসলাম।”

এর আগে বৃহস্পতিবার বিকাল ৩ টায় নিজ কর্মস্থল ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে পিয়াস করিমের শোকসভার আয়োজন করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার রাতের মধ্যে বিদেশে অবস্থানরত স্বজনরা দেশে পৌঁছাবেন বলেই আশা করছেন লোটাস করিম।

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক পিয়াস করিম সোমবার মারা যান। তিনি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবেই বেশি পরিচিত ছিলেন।
গণজাগরণ আন্দোলন এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তার বক্তব্য বিতর্কের সৃষ্টি করে। এজন্য গণজাগরণ আন্দোলনকারীরা ‘যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষের’ ব্যক্তি হিসেবে তার মরদেহ শহীদ মিনারে নেওয়ার বিরোধিতা করে।

পিয়াস করিমের লাশ বুধবার শহীদ মিনারে রাখার কথা বলা হলে সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটগুলোতে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে; বিভিন্ন ছাত্র ও সাংস্কৃতিক সংগঠন তা প্রতিরোধের ঘোষণা দেয়।

এরই মধ্যে মরদেহ শহীদ মিনারে রাখতে প্রয়াতের স্ত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আমেনা মহসীন স্বাক্ষরিত একটি আবেদন মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়।

পিয়াস করিমের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শুক্রবার দিনব্যাপী শোক দিবসের কর্মসূচি ঘোষণা করে বিএনপি, যার মধ্যে সেদিন সকাল সাড়ে ১০টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পিয়াস করিমের প্রতি ‘শেষ শ্রদ্ধা’ জানানোর কথাও বলা হয়।

এদিকে গণজাগরণ মঞ্চসহ বিভিন্ন সংগঠন পিয়াস করিমের মরদেহ শহীদ মিনারে নেওয়া প্রতিহত করার ঘোষণা দেয়। তার কফিন শহীদ মিনারে নেওয়া ঠেকাতে সেখানে ‘পথচিত্র’ অঙ্কন করেন একদল চারুশিল্পী।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর অধ্যাপক আমজাদ আলী বুধবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড নামের একটি সংগঠন বৃহস্পতি ও শুক্রবার শহীদ মিনারে অনুষ্ঠান করার জন্য আগেই অনুমতি চেয়েছিল। কর্তৃপক্ষ তাদেরই অনুমতি দিয়েছে।

পিয়াস করিমের পরিবারের করা আবেদনের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রক্টর বলেন, “আমাদের অনুমোদন না নিয়েই তারা লাশ শহীদ মিনারে আনার কথা মিডিয়ায় জানিয়েছেন। এখানে অনুমোদন দেওয়ারও কিছু নেই, দায়-দায়িত্ব নেওয়ার কিছু নেই।”

শুধু সুন্দরীদের গ্রাম!

1413128394এমন একটি গ্রাম যেখানে শুধু সুন্দরী মহিলারাই বাস করেন। কোনো পুরুষ এই গ্রামের বাসিন্দা নন। এই গ্রামে বাস করতে গেলে অন্যতম শর্ত তাকে সুন্দরী হতে হবে। দক্ষিণ-পূর্ব ব্রাজিলের নোওয়া ডে করডেরিয়ো গ্রাম। যা অন্যতম একটি আলোচনার বিষয়বস্তুতে পরিণত হয়েছে। গ্রামের বাসিন্দা ৬ শতাধিক নারী। এদের মধ্যে যারা বিয়ে করেছেন তাদের অনেকে গ্রাম ছেড়ে যাননি। মাঝে মাঝে স্বামীর বাড়ি গিয়ে তাকে দেখে আসেন। কারণ স্বামীরা এই গ্রামে এসে সংসার করতে পারেন না। সপ্তাহ শেষে ২ দিনের জন্য তাদের স্বামীরা গ্রামে আসতে পারেন। সুন্দরী হলেই এই গ্রামের বাসিন্দা হবার জন্য আবেদন করতে পারেন নারীরা। কীভাবে পত্তন এই গ্রামের? ১৮৯০ সালে এক মেয়েকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে দেয়া হয়। এর পরই শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে এখানে চলে আসেন তিনি। ১৮৯১ সালে এই গ্রামের পত্তন করেন মারিয়া সেনহোরিনা ডে লিমা। এ সময় এই এলাকায় শুধু একটি চার্চ ছিল। অন্য নারীরা এ ব্যাপারে জানতে পারলে, তারাও সেখানে এসে বসবাস করতে শুরু করেন। চার্চের লোকদের সঙ্গে মিলে ঘর-বাড়ি তৈরি করে ফেলেন তারা। অনেক নারী তাদের স্বামীদের ছেড়ে কন্যা সন্তানদের নিয়ে এই গ্রামের বাসিন্দা হয়েছেন।
এখানে মহিলা এবং যুবতীরা মিলে চাষসহ প্রয়োজনীয় সমস্ত কাজই একা হাতে করেন। ৪৯ বছরের রোজালি ফার্নান্ডেজ বলেন, ‘যখনই কোনো সমস্যা হয়, তখন আমরা মিলে আমাদের মতো করে তা মিটিয়ে নিই। আমরা বিরোধের পথে যাই না, বরং ঐকমত্যে আসার চেষ্টা করি। আমরা সবকিছুই শেয়ার করি। এমনকি যে জমিতে চাষ করি তাও। এখানে কেউ কারো সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে না। এখানে সবাই একজনের জন্য এবং একজন সবার জন্য। সমপ্রতি গ্রামের সমস্ত মহিলারা মিলে কমিউনিটি সেন্টারের জন্য ওয়াইড স্ক্রিন টিভি কিনেছি। সেখানে আমরা সবাই মিলে টিভি দেখি, আনন্দ করি। বিশ্বের কাছে এই গ্রামটিকে একটি মডেল হিসেবে তুলে ধরতে চান তারা। অর্থাত্ গ্রামটি হবে পুরোপুরি নারী স্থান। তবে কেবল সুন্দরীরা এই গ্রামের বাসিন্দা হতে পারেন বলে কিছুটা বিতর্ক যে তৈরি হচ্ছে না তাও কিন্তু নয়। সূত্র : ডিপিআই

গুণের বাইপাস সার্জারি সম্পন্ন

1413121891বিশিষ্ট কবি নির্মলেন্দু গুণের বাইপাস সার্জারি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। অপারেশন করতে টানা তিন ঘণ্টা সময় লাগে। সোমবার দুপুর সোয়া ১২টায় অপারেশন শুরু হয়ে সোয়া ৩টায় শেষ হয়। ল্যাব এইড হাসপাতালের চিফ কার্ডিয়াক সার্জন ডা. লুৎফর রহমানের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের একটি মেডিকেল টিম এ সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করেন।
অপারেশন শেষে ডা. লুৎফর রহমান সাংবাদিকদের জানান, অত্যন্ত সফলভাবে কবি নির্মলেন্দু গুণের অস্ত্রোপচার শেষ হয়েছে। তার হৃদপিণ্ডে তিনটি ব্লক ছিল। তবে দ্রুত অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেয়ায় তাকে বিপদ মুক্ত করা সম্ভব হয়েছে।
ডা. লুৎফর জানান, অন্য কোন জটিলতা না থাকলে ৭ দিনের মধ্যে কবি সুস্থ হয়ে উঠবেন।
তিনি আরো বলেন, কবির সফল অপারেশন সম্পন্ন করতে টানা তিন ঘন্টা সময় লেগেছে। সোয়া ১২টায় অপারেশন শুরু হয়ে একটানা চলে সোয়া ৩টা পর্যন্ত।
এক প্রশ্নের জবাবে ডা. জানান, বর্তমানে কবি অপারেশন থিয়েটারেই রয়েছেন। ৩/৪ ঘণ্টা পর তাকে আইসিইউ’তে স্থানান্তর করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে তাঁর বিশেষ সহকারী মাহবুবুল হক শাকিল আজ সকালে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দেশের খ্যাতিমান এ কবিকে দেখতে যান।
এ সময় শাকিল কবিকে জানান, প্রধানমন্ত্রী তার স্বাস্থ্যের খোঁজখবর রাখছেন এবং দ্রুত আরোগ্য কামনা করছেন। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী কর্তব্যরত চিকিৎসকদের কাছ থেকে কবির শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে অবহিত হন।
কবি নির্মলেন্দু গুণ শনিবার দুপুরে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। রোববার দুপুর থেকে অসুস্থতার মাত্রা বেড়ে গিয়ে শ্বাস কষ্ট শুরু হলে তাকে দ্রুত রাজধানীর ঝিগাতলায় জাপান-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তার হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায় এবং বেশ কয়েকটি ব্লকও ধরা পরে। এরপরই বাংলা সাহিত্যের বিশিষ্ট এই কবিকে ল্যাব এইড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

নিজের জিহ্বা সম্পর্কে কতটুকু জানেন? জেনে নিন ৮টি তথ্য

14cd6d4aa7fe35f31ede3db5cf7d6ff8এটি ছাড়া আপনি কথা বলতে পারবেন না, শ্বাস নিতে পারবেন না, এমনকি কথাও বলতে পারবেন না। দেহের এত জরুরি একটি অঙ্গ জিহ্বা। এর সম্পর্কে কতটুকুই বা জানেন আপনি। এখানে জেনে নিন জিহ্বা সম্পর্কে ৮টি চমকপ্রদ তথ্য।

১. মানুষের জিহ্বার গড় দৈর্ঘ্য ১০ সেন্টিমিটার। এই মাপটি একেবারে জিহ্বার ডগা থেকে গলার শেষ সীমা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা জিহ্বার অধিকারী নিক স্টোবেরি। তার জিহ্বার দৈর্ঘ্য ১০.১ সেন্টিমিটার। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, নিকের ঠোঁটের নিচে জিহ্বাটি অস্বাভাবিকভাবে নেমে আসে।

২. জিহ্বায় গড়ে ২ হাজার থেকে ১০ হাজারেরও বেশি সংখ্যক স্বাদগ্রন্থি থাকে। এগুলোকে বলা হয় ‘সুপারটেস্টারস’। প্রতি ১০-১৪ দিন অন্তর অন্তর আপনার স্বাদগ্রন্থি মরে যায় এবং নতুন গ্রন্থি গজিয়ে ওঠে।

৩. নিজেদের জিহ্বার এই স্বাদগ্রন্থিগুলো আমরা দেখতে পারি না। এগুলোকে খালি চোখে দেখা যায় না।

৪. জিহ্বাকে ঘোরানো এবং প্যাঁচানোর ক্ষেত্রে জিনের কোনো প্রভাব নেই। সময়ের সঙ্গে মানুষ জিহ্বাকে ব্যবহারে অভ্যস্ত হয়ে ওঠে। এটা মানুষের সহজাত প্রবণতা থেকে তৈরি হয় বলে জানান ইউনিভার্সিটি অব ডেলাওয়ার এর ডিপার্টমেন্ট অব বায়োলজিক্যাল সায়েন্সেস এর অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর এইচ ম্যাকডোনাল্ড।

৫. জিহ্বা বিস্ময়করভাবে শুধু স্থিতিস্থাপকই নয়, এটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাজে নিয়মিত ব্যবহৃত হয়। কথা বলা, খাওয়া ইত্যাদি কাজ জিহ্বা ছাড়া সম্ভব নয়। জিহ্বা মূলত দেহের শক্তিশালী কোনো পেশি নয়। এটি মাঝারি শক্তির কাজ করতে পারে।

৬. জিহ্বার রং দেখে চিকিৎসক আপনার স্বাস্থ্যগত কিছু তথ্য বলতে পারেন। স্বাস্থ্যকর জিহ্বায় দারুণ গোলাপী আভা থাকবে। তবে রং মেশানো কিছু খাওয়ার পর জিহ্বা রঙিন হয়ে উঠলে ভয়ের কিছু নেই। কিছু অ্যালার্জি এবং সংক্রমণের কারণে জিহ্বা অতিরিক্ত লালচে হয়ে ওঠতে পারে। জিহ্বা এবং মুখের অভ্যন্তরে সাদাটে দাগ ছত্রাক সংক্রমণের কারণে হতে পারে। এ জন্য চিকিৎসক অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধ দিয়ে থাকেন। জিহ্বা স্বাভাবিক অবস্থায় কিছুটা খসখসে হবে। কিন্তু এর চেয়ে বেশি মসৃণ হলে বুঝতে হবে আপনার দেহে আয়রন, ফোলিক এসিড এবং ভিটামিন বি১২ এর অভাব ঘটেছে। এটি স্বাস্থ্যজনিত কোনো সমস্যা না হলেও তা খাবারের সমস্যা বা ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের কারণে হতে পারে।

৭. সম্প্রতি ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভেনিয়ার এক দল গবেষক জানান, স্বাভাবিকের চেয়ে মোটা জিহ্বা যাদের তাদের ঘুমের অভাব থাকতে পারে বলে মনে করেন চিকিৎসকরা। যাদের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে তাদের জিহ্বা স্বাভাবিকের চেয়ে মোটা হতে দেখা গেছে।

৮. আগে ধারণা করা হতো, ভিন্ন ভিন্ন স্বাদ গ্রহণের জন্য ভিন্ন ভিন্ন গ্রন্থি রয়েছে। কিন্তু জিহ্বার গোটা অংশেই সব ধরনের স্বাদ পাওয়া যায়।

ছোট বোনকে পুরুষের কাছে বিক্রি করতে চান যে দেশের নারীরা

b2e208c8c6050d12c7e96029c8362090বছরের পর বছর ধরে চলা গৃহযুদ্ধের কারণে সিরিয়া এখন বিধ্বস্ত এক জনপদের নাম। দেশটির পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর শরণার্থী শিবিরে প্রতিদিন বাড়ছে সিরীয় শরণার্থীর সংখ্যা। শরণার্থীদের এই চাপ সামলাতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে পার্শ্ববর্তী দেশগুলো। একদিকে খাদ্যের সঙ্কট অন্যদিকে যেকোনো মুহূর্তে আবারও ফিরে যেতে হতে পারে যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়াতে এই টানাপড়েনের ভেতর দিয়ে যেতে হচ্ছে প্রতিটি সিরীয় শরণার্থীকে। এমতাবস্থায় শরণার্থী আশ্রয়দাতা দেশগুলোর পরিবারের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়ে অনেকেই নিজেদের বাঁচাতে চাইছেন।তেমনি একজন সামিরা ইসমাইল। তিনি তার ছোট বোনকে এমন এক পুরুষের কাছে বিক্রি করতে চান যে পুরুষ তার বোনকে বিয়ে করবে এবং তার গোটা পরিবারের দেখভাল করবে। সম্প্রতি সামিরা এমন এক পুরুষের দেখা পেয়েছেন যিনি সামিরার ছোট বোনের বিনিময়ে তিন হাজার ডলার প্রদান করবেন। এবং চলতি বছরের শেষার্ধে সামিরার পুরো পরিবারকে দেশে পাকাপাকিভাবে থাকার বন্দোবস্ত করে দেবে।সামিরার পরিবার যদি আজ সিরিয়াতে থাকতো তাহলে হয়তো কোনো এক বসন্তে বিয়ে হতো তার ছোট বোনের। তার কণ্ঠেই অবশ্য ফুটে ওঠে অপারগতার সেই বেদনা, ‘এমন একটা সময় নির্ধারণ করা হতো যখন বেশি গরমও পড়বে না আবার বেশি ঠান্ডাও পড়বে না। পুরো গ্রামবাসীকে দাওয়াত দিতাম আমরা। একই সঙ্গে এটাও নিশ্চিত করতাম যে অতিথিদের যেন তিন পদের মাংস খাওয়াতে পারি। বোনের হাতে এবং গলায় স্বর্ণের গহনা পরিয়ে বিয়ে দেয়া হতো।’কিন্তু সামিরাকে যখন তার পরিবার নিয়ে সিরিয়ার হোমস শহর থেকে চলে আসতে হয় তখন একই সঙ্গে তার স্বপ্নও ফেলে আসতে হয়। হোমসের প্রায় এক লাখ ষাট হাজার মানুষ যুদ্ধের ওই সময়টাতে শরণার্থী হিসেবে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে অবস্থান নিয়েছে। প্রায় আট মাস আগে সামিরা তার পরিবার নিয়ে জাতারি শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় গ্রহন করেন।জর্ডানে সামিরার মতো আরও অনেকেই শরণার্থী আছেন। তাদেরকেও টিকে থাকার তাগিদে বিক্রি করে দিতে হচ্ছে তাদের কন্যা সন্তানদের। তবে এই কাজে সহায়তার জন্য তৈরি হয়েছে একদল দালাল। যারা একটি নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে কনের জন্য বর খুজে বের করেন।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক দালাল বলেন, ‘ছেলেদের চাহিদা মেটানো খুব মুশকিল। কারণ তারা যেমন নীল চোখের মেয়ে চায় তেমনি আবার সবুজ চোখের অধিকারী মেয়েও চায়। তাদের যতই কম বয়েসী মেয়ের সন্ধান দেয়া হোক না কেন তারা আরও কম বয়সী মেয়ের সন্ধান করেন। অনেকগুলো দিক বনিবনা হলেই তবে তারা সিরীয় শরণার্থী মেয়েটিকে বিয়ে করতে চায়। প্রতিদিনই অনেক ফোন আসে আমার কাছে নানান বয়সী মেয়ের সন্ধান জানতে চেয়ে। আমার তৎপরতার কারণে যদি কোনো সিরীয় নারীর এবং তার পরিবারের ভাগ্য বদলে যায় তখন খুব ভালো লাগে।’

তবে ডিমা নামের আরেক দালাল জানান, ‘আপনার মেয়েকে যদি ছেলের পছন্দ হয় তাহলে সে দ্রুত বিয়ে করতে চাইবে। তখন আপনার মেয়েকে ছেলের কাছে পাঠাতে হবে। এসময় মেয়েকে কিছু ভালো পোশাক আর প্রসাধন দিয়ে সাজানো হয়। মেয়েকে নিয়ে চলে যাওয়ার পর ছেলেপক্ষ একটা নির্দিষ্ট সময় মেয়ের পরিবারকে অর্থ প্রেরণ করে। আর এক্ষেত্রে ছেলের বয়স ৪০ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে হয়ে থাকে।’

একটা সময় ছিল যখন সিরীয় কোনো নারীকে বিয়ের জন্য বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হতো ভিনদেশি কোনো পুরুষকে। কিন্তু যুদ্ধ আর সহিংসতা কেড়ে নিয়েছে সিরীয় নারীর সেই অহংকার আর কোমলতা। আজ সিরীয় নারীদের শুধুই শরণার্থী আর পণ্যের মানদণ্ডে মাপা হয়।

দেশের ৩৭টি কারাগারের আশেপাশেও থাকছে না মোবাইল নেটওয়ার্ক

c10037746c4abf920506e12d8801bb40পুরোপুরিভাবে মোবাইল নেটওয়ার্কের বাইরে আনা হচ্ছে দেশের ৩৭টি কারাগারকে। কারাগারের অভ্যন্তরেতো থাকছেই না বরং আশেপাশেও নেটওয়ার্ক বন্ধ রাখার জন্য উদ্যোগ নিয়েছে কারা মহাপরিদপ্তর।

কারাগারে কোনো অবস্থায় যাতে মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকে সেজন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সম্প্রতি কারা মহাপরিদপ্তর থেকে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন বিটিআরসি’র কাছে আবেদন করা হয়েছে।

গত ২৫ সেপ্টেম্বর কারা মহাপরিদপ্তরের পাঠানো এ চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘সাম্প্রতিক সময়ে জেলখানা থেকে টেলিযোগাযোগের মাধ্যমে নানা খবর বেরিয়ে আসছে। এ কারণে কারাগার এবং আশপাশের এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকাই বাঞ্চণীয়।’ এই একই চিঠি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়েও পাঠানো হয়েছে। পরিদপ্তর সূত্র জানায়, মূলত সংবাদপত্রের নানা খবরের প্রেক্ষিতে জেল এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক না রাখতে বিটিআরসিকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, বর্তমানে দেশের ৩৭টি জেলখানায় মোট ৬৭ হাজার কয়েদি রয়েছে। যাদের অনেকেই নানাভাবে মোবাইল প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাইরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। ফলে ঘটছে বিভিন্ন অপ্রীতিকর ঘটনা।

যদিও মোবাইল নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করতে জেলখানা এলাকায় জ্যামার বসানো হয়। কিন্তু জ্যামার ব্যবহারের পরেও পরিস্থিতির তেমন কোনো উন্নতি হয়নি। এ বিষয়ে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর কর্মকর্তারা বলছেন, বিটিআরসি বা সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেয়া হলে তারা তা অবশ্যই কার্যকর করা হবে।

এ প্রসঙ্গে কর্মকর্তারা আরও জানান, একটি এলাকায় নেটওয়ার্ক বন্ধ করে দেওয়া হলে আশাপাশের অনেক এলাকায় এর প্রভাব পড়বে। ফলে কারাগারের পার্শ্ববতী এলাকার লোকেরা দুর্বল নেটওয়ার্কের ভোগান্তিতে পড়তে পারেন। রাজধানীতে কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশের এলাকা বা নাজিমউদ্দিন রোগের আশপাশের লাখো মানুষের বসবাস। এ ক্ষেত্রে এসব এলাকার মানুষকে মোবাইল নেটওয়ার্কের জন্য দুর্ভোগ পোহাতে হতে পারে। একই ভাবে অন্যান্য জেলার ক্ষেত্রেও একইভাবে সমস্যা হতে পারে।

বিটিআরসির কর্মকর্তারা বলেছেন, তারা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছেন। এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

বিরাষ্ট্রীকরণ আর নয়: প্রধানমন্ত্রী

আর কোনো সরকারি কারখানা বেসরকারি খাতে ছাড়া হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেছেন, বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার পর যেসব শিল্প কারখানা এখনো চালু হয়নি- সেগুলো আবার ‘উদ্ধার’ করা হবে।

রোববার বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে এসে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, “আমাদের দেশে যে শিল্পগুলি বা জায়গাগুলি রয়ে গেছে এখনো; এখনো বহু ইন্ডাস্ট্রি বন্ধ। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আমরা আর ইন্ডাস্ট্রি ব্যক্তিমালিকানায় বিক্রির পদক্ষেপ নেব না।

“বরং যেসব শিল্প কলকারখানা যারা ব্যক্তিমালাকানায় কিনে নিয়েছে চালু করবে বলে, কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যারা চালু করে নাই, তাদের হাত থেকে সেগুলো উদ্ধার করতে হবে।”

বিষয়টি বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের ‘মনে রাখার’ নির্দেশ দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “শিল্প মন্ত্রণালয়কেও নির্দেশ দিয়েছি এবং শিল্প মন্ত্রণালয়কে আরো উদ্যোগ নিতে হবে।”

বিশ্ব ব্যাংকের পরামর্শে ১৯৯৩ সাল থেকে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব কারখানাগুলো বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়া শুরু হয়।

ওই বছর বেসরকারিকরণ বোর্ড (পরে বেসরকারিকরণ কমিশন) প্রতিষ্ঠার পর এখন পর‌্যন্ত ৭৪টি রাষ্ট্রায়ত্ব কারখানা বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

এরমধ্যে ৫৪টি কারখানা সম্পূর্ণ বিক্রি করে দেয়া হয়েছে; ২০টি কারখানায় নেওয়া হয়েছে অংশীদার।

চালু করার শর্তে ‘প্রচুর জমিসহ’ এসব কারখানা কিনে নিলেও নতুন মালিকদের অনেকেই তা করেননি। কারখানার জায়গায় আবাসন প্রকল্প গড়ে তোলা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই যে বিরাষ্ট্রীকরণের উদ্যোগ নেয়া; আপনারা জানেন বেসরকারিকরণ বোর্ড করে কারখানাগুলো বিরাষ্ট্রীকরণ করার যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল, এতে আমরা দেখেছি যে, অনেকেই হয়তো শিল্প কিনেছে পানির দামে। কেনার পরে ওর যে কাঁচামাল, কেমিক্যালস, মেশিনারিজ বিক্রি করে, কেনার পয়সাটা উঠে গেলে কেউ আর শিল্প চালু করেনি।”

এ প্রসঙ্গে নাবিস্কো বিক্রির সময়ের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

“আমি নিজে একসময় তেজগাঁও এলাকায় সংসদ সদস্য ছিলাম। নাবিস্কো তখনকার টাকায় চার লাখ টাকায় বিক্রি হয়। ওই কেমিক্যালস আর কাঁচামাল বিক্রি করেই চার লাখ টাকার অনেক বেশি টাকা উঠে যায়। সেটা দিয়ে… তারপর তারা ওই ইন্ডাস্ট্রি আর চালু করেনি।”

একইভাবে তেজগাঁওয়ের আরো কয়েকটি কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা তুলে ধরে সেগুলো চালু করতে নেওয়া উদ্যোগের কথা কর্মকর্তাদের মনে করিয়ে দেন শেখ হাসিনা।

সাংসদ বদি কারাগারে

সম্পদের তথ্য গোপনের মামলায় আত্মসমর্পণের পর কক্সবাজারের সাংসদ আবদুর রহমান বদিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের এই সাংসদ রোববার সকালে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন।

শুনানি শেষে মহানগর হাকিম মো. মারুফ হোসেন জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানের আদেশ দেন।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতা বদির পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন তার আইনজীবী মাহফুজুর রহমান লিখন। দুদকের পক্ষে ছিলেন কবির হোসাইন।

২০০৮ ও ২০১৩ সালে নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা সম্পদের বিবরণে মিথ্যা তথ্য দেয়া এবং জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের উপপরিচালক খায়রুল হুদা গত ২১ অগাস্ট রাজধানীর রমনা থানায় বদির বিরুদ্ধে এ মামলা করেন।

এ মামলায় বদির বিরুদ্ধে সম্পদের হিসাব বিবরণীতে ১০ কোটি ৮৬ লাখ ৮১ হাজার ৬৬৯ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়।

বদি গত ১১ সেপ্টেম্বর এ মামলায় হাই কোর্ট থেকে চার সপ্তাহের জামিন পান। ওই জামিনের মেয়াদ শেষে রোববার নতুন করে জামিন চাইতে মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে আত্মসমর্পণ করেন তিনি।

বদির আইনজীবীরা জামিন চেয়ে শুনানিতে বলেন, সাংসদ নিচু জমি কিনে ভরাট করার পর জমির মূল্য বেড়ে গেছে, তিনি দুর্নীতি করেননি।

ওয়ার্ক পারমিটে ব্রিটেনে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ আসছে!

thওয়ার্ক পারমিটে ব্রিটেনে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ আসছে আবার! আগামী বছর থেকে এ নিয়ম কার্যকর হওয়ার কথা। ওয়ার্কপারমিট ভিসায় যারা ব্রিটেনে স্থায়ী ভাবে বসবাস করতে চান তাদেরকে বার্ষিক ৩৫ হাজার পাউন্ড আয় দেখাতে হবে। শুধু তাই নয়, এখন থেকে ৫ বছর ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় কাজ করার পর স্থায়ীভাবে বসবাসের আবেদনের যোগ্য হবেন।
হোম সেক্রেটারী তেরেসার বরাত দিয়ে বিবিসি জানায় ২০১৬ সালের এপ্রিল থেকে এই নিয়ম চালু হবে। এ নিয়মের ফলে নন ইউরোপিয়ানরা ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় এসে সেটেল্টমেন্টের আবেদন উল্লেখ যোগ্য হারে কমে যাবে।

অতীতে ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় এসে ৫ বছর থাকার পরই স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য আবেদনকরার সুযোগ ছিল। ২০১০ সালে এ সুযোগ কম করে দেওয়া হয়। নতুন করে আবার ২০১৬ সাল থেকে এই নিয়ম চালু করা হচ্ছে।

তবে, এবার ৫ বছর বসবাসের পাশাপাশি বাধ্যতামূলক ভবে বছরে ৩৫ হাজার পাউন্ড আয় দেখাতে হবে। এ নিয়মের পর ওয়ার্কপরমিট ভিসায় ব্রিটেনে যাওয়ার সুযোগ বাড়লেও স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ কমে যাবে।

উল্লেখ্য, ব্রিটিশ কোয়ালিশন সরকার ক্ষমতায় এসেই ঘোষণা দিয়েছিলো, গণহারে অভিবাসী আগমন ঠেকাতে। এ লক্ষ্যে লিবডেম-কনজারভেটিভ জোট সরকার বেশকিছু পদক্ষেপও গ্রহন করে। সরকারের এই পদক্ষেপ ফলপ্রসূ হয়েছে বলে সম্প্রতি দাবী করেছেন, দেশটির হোম সেক্রেটারী থেরেসা মে এমপি। সম্প্রতি এক জরিপে উঠে এসেছে, ব্রিটেনে অভিবাসীদের আসা ও যাওয়ার হার এক তৃতীয়াংশ হ্রাস পেয়েছে।

অফিস ফর ন্যাশনাল স্ট্যাটিসটিক্স (ওএনএস) এ তথ্য জানিয়েছে। ওএনএস এর তথ্য মতে, আগের বছরের ২ লাখ ৪৭ হাজার অভিবাসীদের তুলনায় ২০১৩ সালে নিট মাইগ্রেশন কমে ১ লাখ ৬৩ হাজারে দাঁড়িয়েছে। ব্রিটেনে আগত অভিবাসীদের সংখ্যা আগের বছরের ৫ লাখ ৫৮ হাজারের তুলনায় এ সময় কমে ৫ লাখ ১৫ হাজারে নেমে আসে। একই সঙ্গে ব্রিটেন ত্যাগকারী অভিবাসীদের সংখ্যা আগের বছরের ৩ লাখ ৪২ হাজারের তুলনায় ৩ লাখ ৫২ হাজারে উন্নিত হয়েছে। নিট মাইগ্রেশন ৩৪ শতাংশ কমে যাওয়ার পেছনে এই হিসেব গুলোই মূখ্য ভূমিকা পালন করেছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

শান্তিতে নোবেল পেলেন মালালা-কৈলাশ

1412932958২০১৪ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন পাকিস্তানের মালালা ইউসুফজাই ও ভারতের কৈলাশ সত্যার্থী। শুক্রবার নরওয়ের অসলোতে নরওয়েন নোবেল কমিটির চেয়ারম্যান থর্বজোরন জাগল্যান্ড এই ঘোষণা দেন। সূত্র: সিবিসি নিউজ ও দ্য গার্ডিয়ান।
নারী শিক্ষা আন্দোলন কর্মী পাকিস্তানের মালালা ইউসুফজাই (১৭) এখন পর্যন্ত সবচেয়ে কম বয়সী নোবেল বিজয়ী। ২০১২ সালে তালেবানদের হামলার শিকার হন তিনি।
ভারতের গান্ধীবাদী আন্দোলনের নেতা কৈলাশ সত্যার্থী অনেক শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন। বিশেষ করে শিশু অধিকার বিষয়ে কাজ করেছেন তিনি।
২৭৮ জন নমিনির মধ্য থেকে পুরস্কার জিতলেন মালালা ও কৈলাশ। এবারই শান্তি পুরস্কারের জন্য এতো বেশি ব্যক্তিকে নমিনেশন দেয়া হয়েছে। তালিকায় ৪৭টি প্রতিষ্ঠানও ছিল। এর আগে ২০১৩ সালে নমিনির তালিকায় স্থান পাওয়া ২৫৯ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান রেকর্ড গড়েছিল।
সিরিয়ায় রাসয়নিক অস্ত্র ধ্বংস তদারকির জন্য ২০১৩ সালে শান্তি পুরস্কার লাভ করে আন্তর্জাতিক রাসায়নিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ সংস্থা ওপিসিডব্লিউ।

Developed by: