বিভাগ: বই পত্র

ইবোলা ভাইরাসের আক্রমণে ‘জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা

12-6ইবোলা ভাইরাসের আক্রমণের কারণে সিয়েরা লিওন সরকার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করছে। দেমটির রাজপথ এখন প্রায় শূন্য। রাস্তায় মানুষ বা গাড়ির দেখা মেলা ভার।

সিয়েরা লিওনসহ তিনটি দেশে ইতোমধ্যে ১ হাজার ৭শ’র মতো মানুষ আক্রান্ত হয়েছে ইবোলা ভাইরাসে। এখন নাইজেরিয়াতেও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এ ভাইরাস। আক্রান্তদের ৯০ ভাগেরই নিহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এরই মাঝে ৯শ’ ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে এ ভাইরাসের আক্রমণে সৃষ্ট জ্বরে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে ইতোমধ্যে। এই মহামারীকে ‘বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর মহামারী’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে সংস্থাটি।

এর আগে ২০০২ এবং ২০০৩ সালের মাঝে কঙ্গোতে একবার ইবোলা ভাইরাসের আক্রমণ হয়। সেবারও আক্রান্তদের ৯০ ভাগই মৃত্যুমুখে পতিত হয় বলে জানান মেসাচুসেটস প্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের জৈবপরিসংখ্যানবিদ মাইমুনা মজুমদার।

তিনি জানান, ১৯৭৬ সালের পর এপর্যন্ত ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে নিহতের পরিমাণ শতকরা ৬০ থেকে ৬৫ ভাগ।

তবে বর্তমানে তা ৫৪ শতাংশ বলে জানান মাইমুনা। সাথে তিনি উল্লেখ করেন, এই হার অঞ্চল ভেদে ভিন্ন। গিনিতে মৃত্যুর হার ৭৩ শতাংশ, যেখানে লাইবেরিয়াতে ৫৫ শতাংশ, সিয়েরা লিওনে ৪১ শতাংশ এবং নাইজেরিয়াতে ১১ শতাংশ।

র‌্যাম্পে গাউন ফেটে লজ্জায় নার্গিস

12-4শরীর সম্বল করে বলিউডে যায়গা করে নেয়া নার্গিস ফাকরি মাঝে মধ্যেই সংবাদের শিরোনামে চলে আসেন। সেই নার্গিস ফাকরি এবার র‌্যাম্পে হাঁটতে গিয়ে গাউন ফাটিয়ে ফেললেন।

হলভর্তি দর্শক আর ক্যামেরার সামনে হঠাৎ গাউন ফেটে গেলে তিনি বেসামাল হয়ে পড়েন এবং কোনোরকমে কাপড় সামলে মুচকি হেসে দৌড়ে গ্রিন রুমে চলে যান।

শনিবার রাতে ইন্ডিয়া ফ্যাশন উইকে কালো রঙের গাউন পরে আজবা ব্রান্ডের হয়ে আধুনিক ব্রাইডাল গাউন ও গয়নার প্রদর্শন করছিলেন ফাকরি।

এ বিষয়ে নার্গিস বলেন, ‘র‍্যাম্পে হাঁটার সময় কেউ ভুল করে আমার গাউনে পা রেখে দেয়। আর এতেই আমার ভীষণ জোরে হাসি পায় যা থামতেই চাইছিল না। আমার এত হাসি তখনই পায়, যখন আমি নার্ভাস হয়ে যাই।’

তবে সমালোচকরা বলছেন, সংবাদের শিরোনাম হওয়ার জন্যই পরিকল্পিতভাবে নার্গিস এটা করেছেন। কারণ অনেকদিন হলো তাকে নিয়ে কোনো আলোচনা নেই।

বলিউড অভিনেতা উদয় চোপড়ার সঙ্গে প্রেম রোমান্স নিয়ে বিতর্ক কাটিয়ে উঠেছেন নার্গিস। এরপর ‘কিক’ ছবিতে আইটেম ডান্স করেই সালমান প্রিয়া হয়ে উঠেছেন তিনি।

সঠিকভাবে বেড়ে ওঠার জন্য শিশুদের যে ৫ টি জিনিস অত্যন্ত জরুরি

11-04একটি শিশুর জন্ম একটি পরিবারের কাছে সবচাইতে সুখের একটি বিষয়। সকলের আনন্দের কারণ হয়ে দাড়ায় একটি শিশু সন্তানের আগমন। একটি শিশু যখন কোনো পরিবারে জন্ম নেয় তখন শুধু শিশুটির অভিভাবকই নয় সেই শিশুর সাথে রক্তের সম্পর্কে সম্পর্কিত এবং অন্যান্য সকল সম্পর্কের মানুষজন সকলেরই সেই শিশুটির সঠিকভাবে বেড়ে ওঠার কাজের সাথে সংযুক্ত হয়ে যান। প্রত্যেকেই একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকেন শিশুর বিকাশে। তাই শিশু যাতে সঠিকভাবে বেড়ে উঠতে পারে এবং সে নৈতিক ভাবে বিচার করার বুদ্ধি নিয়ে বেড়ে উঠতে পারে সে জন্য সকলেরই সতর্ক থাকা উচিৎ। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক শিশুর বেড়ে ওঠার জন্য যে জিনিসগুলো সব চাইতে বেশি জরুরি।

পারিবারিক শান্তি বজায় রাখা উচিৎ
যে পরিবারে প্রতিদিন কোনো না কোনো কারণে পারিবারিক কলহ লেগেই থাকে সে পরিবারে বেড়ে ওঠা শিশুর মানসিক বিকাশ সঠিকভাবে হয় না। সে যা দেখবে তাই শিখে নেবে। পরিবারের বড়দের ঝগড়া করতে দেখলে তাই সে সঠিক ভেবে নিয়ে সেও সেই মানসিকতা নিয়ে বড় হতে থাকবে। তাই শিশুদের সামনে ঝগড়া কলহ করা একেবারেই উচিৎ নয়। অন্তত শিশুটির সামনে পারিবারিক শান্তি বজায় রাখুন।

মায়া মমতা ও ভালোবাসা
বাচ্চারা একটু জেদি প্রকৃতির হয়েই থাকে। তারা কোনো কিছুর জন্য আবদার ধরতেই পারে। অথবা সে কোনো ভুল করেই থাকতে পারে। কিন্তু এইরকম পরিস্থিতিতে রতার সাথে রাগ করে, বাচ্চাটির সাথে জেদ দেখিয়ে কিংবা তাকে শারীরিক নির্যাতন করে কখনোই সঠিকভাবে বড় করতে পারবেন না। শিশুদের ঠাণ্ডা মাথায় মায়া-মমতা এবং ভালোবাসার সাথে বড় করতে হয়। তাদের জেদের পরিবর্তে তাকে বুঝিয়ে শান্ত করে নিতে হয়।

নিরাপদ আবাসস্থল
একটি শিশুর জন্মের সাথে সাথেই এই পদক্ষেপ নিয়ে ফেলা উচিৎ পরিবারের সদস্যদের। শিশুটি যে ঘরে বা বাসায় বড় হবে সেই বাসাটিকে যতোটা সম্ভব নিরাপদ করার ব্যবস্থা নিতে হবে। শিশুর জন্য ক্ষতিকর এমন কোনো কিছুই শিশুর হাতের নাগালে রাখা যাবে না।

আত্মবিশ্বাসী হয়ে গড়ে ওঠার সাপোর্ট
একটি শিশু আত্মবিশ্বাসী হয়ে বেড়ে উঠবে কি উঠবে না তা পুরোটাই নির্ভর করে পরিবারের লোকজনের ওপর। কারণ তাকে যদি ছোটবেলা থেকেই মানসিকভাবে সাপোর্ট না দিয়ে, সব সময় তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে, তাকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে বড় করেন তবে তার আত্মবিশ্বাসের অভাব হবে। এবং ছোটবেলা থেকেই অন্যের সিদ্ধান্তে নির্ভরশীলতা বড় হয়েও ছাড়তে পারবে না। তাই তাকে মানসিকভাবে সাপোর্ট দিয়ে আত্মবিশ্বাসী হয়ে গড়ে উঠতে সহায়তা করুন।

অভিভাবকের বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ
বাচ্চারা একটু বড় হয়ে উঠে বন্ধু তৈরি করে থাকে। বন্ধুত্ব অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি সম্পর্ক। বাচ্চারা এমন অনেক কথাই আছে যা অভিভাবকের সাথে শেয়ার না করলেও বন্ধুবান্ধবের সাথে ঠিকই শেয়ার করে। এবং বাচ্চাটি যখন টিনএজ বয়সে যায় তখন অভিভাবকের সাথে দূরত্ব সৃষ্টি হয়ে যায়। ফলে ভুল পথে পা বাড়ালে অভিভাবক বুঝতে পারেন না। তাই ছোটবেলা থেকেই অভিভাবকের উচিৎ নিজের সন্তানের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করে বন্ধুত্ব তৈরি করতে। এতে নির্দ্বিধায় আপনার সন্তানটি তার সব কিছু আপনার সাথে শেয়ার করতে পারবে। এবং আপনি তাকে ভালো মন্দের পথ বুঝিয়ে দিতে পারবেন।

গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর

11-03গাজায় ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে ৭২ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। যুদ্ধবিরতি কার্যকরের প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যে ইসরাইল বা হামাসের পক্ষ থেকে কোনো হামলা-পাল্টা হামলার খবর পাওয়া যায়নি।
রবিবার স্থানীয় সময় রাত ১০টা থেকে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে বলে বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, সর্বশেষ দফার এই যুদ্ধবিরতি গাজায় দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠায় মধ্যস্থতাকারীদের সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এর আগে ফিলিস্তিনিরা হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, মিসরের মধ্যস্থতায় কায়রোয় চলা আলোচনায় ইসরাইল রবিবারের মধ্যে না ফিরলে তারা এ স্থান ছেড়ে চলে যাবেন।

ইসরাইলও বলেছিল, গাজা থেকে রকেট ছোড়া বন্ধ না হলে তাদের প্রতিনিধিরা আলোচনায় ফিরবেন না। পরে উভয়পক্ষ আকস্মিকভাবে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়।

মধ্যস্থতাকারী দেশ মিসর বলেছে, যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার বিষয়ে উভয়পক্ষের কাছ থেকে যুগপৎ সম্মতি পাওয়া গেছে।

ইসরাইলের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ৭২ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে মিসরের দেয়া প্রস্তাবটি তারা গ্রহণ করেছেন।

ইসরাইলের কর্মকর্তারা জানান, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে সোমবার তারা কায়রোতে মধ্যস্থতাকারী পাঠাবেন।

এদিকে শুক্রবার সর্বশেষ যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার পর ইসরাইলি হামলায় নতুন করে ২০ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

গত ৮ জুলাই থেকে এক মাসে ইসরাইলি হামলায় গাজায় ১ হাজার ৯০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। অন্যদিকে ৩ জন বেসামরিক নাগরিকসহ মোট ৬৭ জন ইসরাইলি প্রাণ হারিয়েছে।

অশালীন বক্তব্যের জন্য সাংবাদিকদের কাছে সমাজকল্যাণমন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ

 10-5সাংবাদিকদের কাছে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী সৈয়দ মহসীন আলী এমপি।

শনিবার সিলেটে সমাজকল্যাণমন্ত্রীর বক্তৃতায় সাংবাদিকদের প্রতি কটূক্তির প্রেক্ষাপটে রোববার মন্ত্রী এ দুঃখ প্রকাশ করেন।

এক বিবৃতিতে মন্ত্রী বলেন, ‘শনিবার সিলেট জেলা পরিষদ মিলনায়তনে আদিবাসী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে দেয়া আমার বক্তৃতায় সাংবাদিকদের প্রতি বিরাগভাজনের যে কথাগুলি বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রকাশ পেয়েছে তা আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আমি কথাগুলি সকল সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলিনি। আমি বিশ্বাস করি সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা। এ পেশায় জড়িত মানুষজন সৎ ও নির্ভীক জীবন যাপন করেন। এই পেশায় সংশ্লিষ্ট অনেক দেশবরণ্য সাংবাদিক আমার অত্যন্ত ঘনিষ্ট বন্ধু।’

তিনি বলেন, ‘আমার দেয়া বক্তব্যের শুরুতে মঞ্চে যাবার সময় সামনে উপবিষ্ট কতিপয় সাংবাদিক প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীকে নিয়ে টিটকিরি করছিলেন। আমি ঐসব কথা শুনে সইতে না পেরে হঠাৎ কিছুটা রেগে যাই এবং স্থানীয় কতিপয় সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা রাগত অবস্থায় বলি। আমার বলা কথাগুলো বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে প্রচার করা হয়। যা দেখে আমি কষ্টবোধ করছি।’

মন্ত্রী বলেন, ‘মূলত আমার বলা কথাগুলো ছিল কেবল দুই একজন স্থানীয় কতিপয় সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে। যারা গত কয়েকদিন ধরে আমার বক্তব্যকে বিকৃত করে প্রকাশ করছিলেন। কিন্তু আমার বলা কথাগুলো থেকে দেশের সাংবাদিকগণ আহত হয়েছেন দেখে আমি ভীষণভাবে ব্যথিত ও কষ্ট পেয়েছি। অনিচ্ছাকৃতভাবে  বলা আমার কথাগুলো থেকে যদি সাংবাদিকগণ দুঃখ পেয়ে থাকেন তবে আমি তার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।’

তিনি বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা। এ পেশার প্রতি আমি শ্রদ্ধাশীল ছিলাম, আছি এবং থাকব।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আমার দেয়া এই বিবৃতিটি থেকে সকলের সাথে ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’

মেয়েদের মন বোঝার ১০টি লক্ষণ

10-10মেয়েদের মন বোঝা নাকি পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কাজ। বেশিরভাগ ছেলেই এ ধরনের সমস্যায় ভোগেন। তাহলে কি কোনো উপায় নেই মেয়েদের মন বুঝার?
অবশ্যই আছে। দশটি লক্ষণ তোমাকে বলে দেবে একটি মেয়ে তোমার প্রেমে পড়েছে কি না! এ ছাড়া আরও কিছু বিষয় তো থাকে-যা শুধু তোমার মন জানতে পারবে। তাহলে চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক সেই ১০টি লক্ষণে-
তোমাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিবে : মেয়েটি তোমাকে সবসময় গুরুত্ব দিচ্ছে। বিন্দুমাত্র দেরি না করে তোমার মেসেজ, টুইট কিংবা ইমেইলের উত্তর দিচ্ছে। তোমার ফোন কল কখনই মিস করছে না, এমন কি মিস করলেও একটা বড় ‘সরি’ বলছে।
বারবার তোমার কথাই বলছে : হতে পারে মনে মনে সে যে মি. পারফেক্টকে খুঁজছে, তুমি তারই প্রতিচ্ছবি। এতদিন সে তোমার মতই কারো অপেক্ষায় ছিল। তাই বার বার তোমার কথাই বলছে। যে কোনো সুন্দর কিছুর প্রসঙ্গ এলে তার সঙ্গে তোমাকে জুড়ে দেবে।
তার বন্ধুরা এখন তোমারও বন্ধু : যদি সে তোমাকে পছন্দ করে তাহলে অবশ্যই তার বন্ধুদের জানাবে। তারপর তার বন্ধুরাও তোমার সঙ্গে দেখা করতে চাইবে এবং তোমার সঙ্গে বন্ধুত্ব করবে।
তোমার হাতের ছোঁয়া চাইবে : কোনো রেস্টুরেন্টে বসা কিংবা রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় সে তোমার অনেক কাছে ঘেঁষবে এবং তোমার হাতের সঙ্গে তার হাত মিলাবে। গাড়িতে তোমার হাত জড়িয়ে ধরবে।
সর্বদাই তোমার পাশে দাঁড়াবে : মধ্যদুপুর হোক কিংবা মধ্যরাত, তুমি কল করলে তাকে ফোন ধরতেই হবে। তাকে হয়ত ঘুমোতে হবে- আগামীকাল কোনো বড় অনুষ্ঠানে সুন্দর লুক দেওয়ার জন্য। কিন্তু তা জানা সত্বেও সে তোমার সঙ্গে রাতভর কথা বলবে।
তোমার সাবেক প্রেমিকার খুঁটিনাটি জানবে : সে তোমার সাবেক প্রেমিকার সম্পর্কে খুঁটিনাটি যাবতীয় সকল তথ্য জানবে। যাতে করে সে তোমার পছন্দ ও অপছন্দ বুঝতে পারে।
তোমার খুশিতেই তার খুশি : হোক তোমার জন্মদিন কিংবা তোমার বাবা-মায়ের বিবাহ বার্ষিকী অথবা তোমার প্রমোশন, সে সবকিছু মনে রাখবে এবং তোমার থেকেও বেশি খুশি হবে। সে জানাবে, তোমার খুশিতেই তার খুশি।
তোমার মুখে হাসি ফোটাতে চাইবে : যখন সে জানবে তোমার দিনটি মোটেও ভাল কাটেনি তখন সে তোমার মুখে হাসি ফুটানোর জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করবে। সে ততক্ষণ পর্যন্ত বিশ্রাম নেবে না যতক্ষণ না তুমি আবার স্বাভাবিক হতে পারছ।
ঈর্ষার মুহূর্ত : যদি তার সামনে অন্য কোনো সুন্দর মেয়ের প্রশংসা করে, তাহলে দেখবে তার স্বরে কেমন পরিবর্তন আসে। এরপর সে তোমাকে ওই মেয়ের সম্পর্কে এক ঘণ্টার একটা লেকচার দেবে।

মা-বাবাকে টুকরো করে রান্না করলো ছেলে

10-9হংকংয়ের চীনা তরুণ চাও হোই-লিয়াং মা-বাবার প্রিয় সন্তান। তার সব চাওয়াই পূরণ করেছেন তারা। কিন্তু একটা সময় লিয়াংয়ের বিলাসী চাওয়া পূরণ করতে অপারগতা প্রকাশ করলেন তারা। ছেলেকে বললেন, উপার্জনের পথ খুঁজতে। আর এটাই কাল হয়ে দাঁড়ায় তাদের জন্য। ত্রিশ বছর বয়সী হোই-লিয়াং তার মা-বাবাকে হত্যা করলো নিদারূণ পৈশাচিকতায়।

লিয়াং তার মা-বাবাকে টুকরো টুকরো করে কাটে। তারপর সেগুলো চালের সঙ্গে খিচুড়ির মতো রান্নাও করে। তবে মাথা দু’টি ফ্রিজে রেখে দেয়। পিতা-মাতা হত্যার দায়ে লিয়াংয়ের বিচার চলছে আদালতে। তার ফাঁসির দাবি করা হয়েছে।

এদিকে, লিয়াং দাবি করেছে, তার নৃশংস কর্মকাণ্ডের জন্য মা-বাবাই দায়ী। তারা তাকে সঠিকমতো গড়ে তোলেননি। কিন্তু তার বন্ধুরা জানিয়েছে, তার মা-বাবা তাকে সবকিছু দিয়েছেন। তাদের দেওয়া টাকায় আলাদা ফ্ল্যাটে বিলাসবহুল জীবনযাপন করছিল লিয়াং। এক পর্যায়ে ছেলেদের চাহিদার টাকা দিতে অপারগ হওয়ায় তাকে চাকরি খুঁজতে বলেছিলেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে বাবা চাও উইং-কি (৬৫) ও মা সিন ইউয়েত-ইয়েকে (৬২) হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেয় সে। তার এই দুষ্কর্মে সহায়তা করে তার এক বন্ধু।

বৃদ্ধ দম্পতি নিখোঁজ হওয়ার পর পুলিশ অনুসন্ধানে নামে। অনেক খোঁজাখুঁজির পর জানা যায়, নিজেদের সন্তানই তাদের হত্যা করেছে।

সেপ্টেম্বরে শুরু এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ

10-7আগামী সেপ্টেম্বরে শুরু হচ্ছে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে বাস্তবায়ন হবে বহুল আলোচিত এই প্রকল্প। প্রায় তিন বছর ধরে নানা প্রক্রিয়ায় আটকে থাকার পর এর নির্মাণ কাজ শুরু হচ্ছে। এ জন্য ফান্ড ও জমি ইতিমধ্যেই বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ইতালিয়ান থাই ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) মাধ্যমে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এরই মধ্যে প্রকল্প এলাকায় অফিস নির্মাণের কাজ শুরু করেছে। নির্মাণ যন্ত্রপাতিও দেশে আনার কাজ চলছে।
প্রকল্প বাস্তবায়ন সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর তথ্য মতে, ২০১১ সালের ৩০ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিমানবন্দর সড়ক থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। জুলাইয়ে কাজ শুরুর কথা থাকলেও নানা জটিলতায় তা আর হয়নি। নকশা ও চুক্তি সংশোধনের পর নির্মাণকাজ শুরুর জন্য জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হয়। রেলওয়ের ১২৮ দশমিক ৩০ একর জমি এরই মধ্যে সেতু বিভাগকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। যার বাজারমূল্য প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা। অবশ্য এর পুরোটিই বিনামূল্যে দিচ্ছে রেলওয়ে। পাশাপাশি বেসরকারি জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে ১২৮ কোটি টাকা জেলা প্রশাসক বরাবর জমা দেওয়া হয়েছে।
সূত্র জানায়, এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের জন্য রেলওয়ের কাছ থেকে নেওয়া হচ্ছে প্রায় ১২৮ একর জমি।  তৈরি করা হয়েছে বিশেষ তহবিল ভায়াবিলিটি গ্যাপ ফান্ডের (ভিজিএফ)। এতে সরকারের পক্ষ থেকে ২৭ শতাংশ অর্থায়ন করা হচ্ছে। বাকি ৭৩ শতাংশ সরবরাহের কথা রয়েছে ইতালিয়ান থাই ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির। জানা গেছে, বাংলাদেশের জন্য নতুন ধারণা ‘পিপিপি’। এ ধরনের প্রকল্পের বিনিয়োগ ঝুঁকি হ্রাস করতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ‘ভিজিএফ’ ফান্ড গঠন করা হয়ে থাকে। বাংলাদেশেও তেমনই করা হচ্ছে।
সেতু বিভাগের তথ্যমতে, ইতালিয়ান থাই ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি ৮ হাজার ৯৪০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে। আর ভিজিএফ হিসেবে ২ হাজার ৪১৪ কোটি টাকা দেবে সরকার। এ ছাড়া জমি অধিগ্রহণ, পুনর্বাসন ও পরিসেবা সংযোগ লাইন স্থানান্তরে ব্যয় হবে ২ হাজার ৪৬৫ কোটি টাকা। এটিও বহন করবে সরকার। সব মিলিয়ে ৩২ কিলোমিটার দীর্ঘ এক্সপ্রেসওয়েটির নির্মাণ ব্যয় দাঁড়াচ্ছে প্রায় ১৩ হাজার ৮১৯ কোটি টাকা। চুক্তি অনুযায়ী, নির্মাণ ব্যয়ে ২৭ শতাংশ অর্থ ভিজিএফ হিসেবে ছয় কিস্তিতে দেওয়া হবে।
নির্মাণ শুরুর দ্বিতীয় বছর থেকে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানকে নগদে এ অর্থ প্রদান করবে সরকার। প্রকল্প বাস্তবায়নের অন্তত ৫০ শতাংশ সামগ্রী বাংলাদেশের স্থানীয় বাজার থেকে সংগ্রহ করতে হবে। এক্ষেত্রে ভিজিএফের অর্থ ব্যবহার করতে পারবে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান। চুক্তি অনুসারে, এক্সপ্রেসওয়েতে টোল ধরা হয়েছে মোটর গাড়িতে ১২৫ টাকা, যাত্রীবাহী বাসে ২৫০, ছয় চাকার ট্রাকে ৫০০ এবং ছয় চাকার বেশি ট্রাকের জন্য টোল পড়বে ৬২৫ টাকা। ২৫ বছর পর্যন্ত টোল আদায় করবে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি। তিন বছর পর পর টোলের হার সমন্বয় করা হবে। এক্ষেত্রে এক্সপ্রেসওয়েতে দৈনিক ন্যূনতম ১৩ হাজার ৫০০ যানবাহন চলাচল করতে হবে। তা না হলে ক্ষতিপূরণ হিসেবে চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হবে।

10-1বিতর্কিত ‘প্লেয়ার বাই চয়েস’ পদ্ধতি এবার আর নেই। আজ শুরু হওয়া ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগের দলবদল হবে পুরোনো পদ্ধতিতেই। খেলোয়াড়দের নিয়ে ক্লাব কর্মকর্তারা ঢাকঢোল পিটিয়ে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের সিসিডিএম কার্যালয়ে আসবেন। উৎসব-উত্তেজনায় মিশে থাকবে কৌতূহল—কে কোন দলে যাচ্ছেন? কে কোন দল ছাড়ছেন?
তবে আজ দলবদল শুরু হয়ে আপাতত সেটি শেষ হয়ে যাবে কালই। এই দুই দিন হবে পুলভুক্ত ২৩ ক্রিকেটারের দলবদল। আগামী ২৭ ও ২৮ আগস্ট পুলের বাইরের বাকি ক্রিকেটারদের। দু-তিনজনকে নিয়ে একটু অনিশ্চয়তা থাকলেও পুলের কোন খেলোয়াড় কোন দলে নাম লেখাচ্ছেন, তা মোটামুটি ঠিকই হয়ে আছে। কাল পর্যন্ত ক্লাব নিশ্চিত হয়নি একমাত্র সোহাগ গাজীর। এ ছাড়া ইমরুল কায়েস বা এনামুল হকের (বিজয়) মধ্যে একজনকেও ক্লাব পাওয়ার জন্য অপেক্ষায় থাকতে হবে দলবদল শেষ হওয়া পর্যন্ত।ক্রিকেট খেলায় ছয় মাসের নিষেধাজ্ঞা থাকায় পুলে রাখা হয়নি সাকিব আল হাসানকে। যদিও শোনা যাচ্ছে, বোর্ডের আসন্ন সভায় তাঁকে ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হতে পারে। সে ক্ষেত্রে সাকিবের দলবদলের প্রক্রিয়াটা কীভাবে হবে, সেটাও তখনই জানা যাবে। তবে তাঁর খেলার সম্ভাবনা গাজী ট্যাংকেই (লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ) বেশি।‘প্লেয়ার বাই চয়েস’ পদ্ধতিতে খেলোয়াড়দের ক্লাবের সঙ্গে দরদামের সুযোগ ছিল না। একজন খেলোয়াড়ের মূল্য সর্বোচ্চ কত হবে, সেটা বেঁধে দিয়েছিল বিসিবি। ২৫ লাখ টাকার ওপরে পাননি কোনো ক্রিকেটারই। সেই টাকাও আবার ক্লাবগুলো দিয়েছিল কে কয়টা ম্যাচ খেলেছে সেটা হিসাব করে। পুলের ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রে ম্যাচ ধরে ধরে টাকা দেওয়ার নিয়মটা এবারও চালু থাকছে। তবে মূল্যসীমার নিয়ম উঠে যাওয়ায় ক্রিকেটারেরা যে যাঁর মতো টাকা দাবি করতে পারছেন। যত দূর জানা গেছে, এবারের দলবদলে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ দাম উঠেছে মুশফিকুর রহিমের। শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব থেকে জাতীয় দলের অধিনায়ক নাকি ৫০ লাখ টাকায় চলে যাচ্ছেন প্রাইম দোলেশ্বরে।

গতবারের তিন নম্বর দল প্রাইম দোলেশ্বর মুশফিকের সঙ্গে নিচ্ছে মুমিনুল হক আর শফিউল ইসলামকেও। গতবারের চ্যাম্পিয়ন গাজী ট্যাংক নিচ্ছে তামিম ইকবাল, রুবেল হোসেন আর সাব্বির আহমেদকে। আবাহনী আল-আমিন আর জিয়াউর রহমানকে নিশ্চিত করলেও পুলের তৃতীয় ক্রিকেটারের ব্যাপারে কাল পর্যন্তও সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছিল। তবে তা ইমরুল কায়েস অথবা এনামুল হকের (বিজয়) মধ্যে কেউ একজন হবেন বলেই নিশ্চিত করেছে ক্লাব সূত্র।

নাঈম ইসলাম ও মোহাম্মদ মিঠুনের সঙ্গে মোহামেডান গতবারের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজাকেও ধরে রাখতে চায় বলে খবর। যদিও মাশরাফির দিকে দৃষ্টি আছে কলাবাগান ক্রিকেট একাডেমিরও। কলাবাগানের এ ক্লাবটি কাল পর্যন্ত নাসির হোসেন আর আরাফাত সানিকে নিশ্চিত করলেও পুলের খেলোয়াড়দের তৃতীয় জায়গাটি খালি রেখেছে। তবে কলাবাগানের আরেক দল কলাবাগান ক্রীড়াচক্র মার্শাল আইয়ুব, শামসুর রহমান ও রবিউল ইসলামকে নিশ্চিত করে ফেলেছে। এ ছাড়া প্রাইম ব্যাংক নিয়েছে মাহমুদউল্লাহ, ফরহাদ রেজা ও তরুণ পেসার তাসকিন আহমেদকে। আর গতবারের রানার্সআপ শেখ জামাল এখন পর্যন্ত নিশ্চিত করেছে শুধুই আবদুর রাজ্জাককে।

গতবার বঞ্চিত হওয়ার কারণেই কি না এবার ​তারকা ক্রিকেটাররা চড়া দাম হাঁকাচ্ছেন। জাতীয় দলের মধ্যম সারির ক্রিকেটারদের দাবির অঙ্কও ছুঁয়ে ফেলছে ৩০-৩৫ লাখ টাকা।

সাংবাদিকরা বদমাইশ, চরিত্রহীন, লম্পট : সমাজকল্যাণমন্ত্রী

9-4আদিবাসী দিবস উপলক্ষে সিলেট জেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় সাংবাদিকদের চৌদ্দ গোষ্ঠী উদ্ধার করলেন সমাজকল্যানমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলী। অনুষ্ঠানের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তিনি ছিলেন সাংবাদিকদের উপর ক্ষিপ্ত। মঞ্চে ওঠেই তিনি মাইক নিয়ে সাংবাদিকদের অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগের নির্দেশ দেন। কিন্তু পেশাগত দায়িত্ব পালনে সাংবাদিকরা সেখানে থেকে গেলে বক্তৃতার সময় তিনি অকথ্য ভাষায় ক্ষোভ ঝাড়েন।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন- ‘সাংবাদিকদের ঠিক করতে নীতিমালা হয়েছে। ওই দিন কেবিনেট মিটিংয়ে আমি থাকলে সাংবাদিকদের …. (অকথ্য শব্দ) দিয়ে বাঁশ ঢুকাতাম। সাংবাদিকদের এখন এমনভাবে ঠিক করা হবে যাতে নিজের স্ত্রীকে পাশে নিয়েও শান্তিতে ঘুমাতে পারবে না। সাংবাদিকরা বদমাইশ, চরিত্রহীন, লম্পট।’

বক্তব্য চলাকালে সমাজকল্যাণমন্ত্রীর শিষ্টাচার বর্হিভূত এমন বক্তব্যের প্রতিবাদ করেন উপস্থিত সাংবাদিকরা। এসময় অনুষ্ঠানস্থলে হট্টগোল শুরু হলে মহিলা সাংসদ কেয়া চৌধুরী ও সাবেক সাংসদ শফিকুর রহমান চৌধুরী সাংবাদিকদের কাছে করজোড়ে মাফ চান। কিন্তু সমাজকল্যানমন্ত্রী তার অশ্লীল বক্তব্য চালিয়ে গেলে সাংবাদিকরা অনুষ্ঠান বয়কট করে চলে আসেন।

বক্তব্যের শুরুতে সাংবাদিকদের ছবি তুলে অনুষ্ঠানস্থল থেকে চলে যেতে বলে সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন- যতদিন দুনিয়া থাকবে ততোদিন ফজরের নামাজের পর মসজিদে কোরআন শরীফ পাঠ হবে। মাদরাসা শিক্ষায় আরবীর পাশাপাশি বাংলা-ইংরেজি শিক্ষা না দিলে তারা পিছিয়ে পড়বে। মন্ত্রী বলেন- আমি একটি অনুষ্ঠানে এরকম কথা বলেছিলাম, কিন্তু সাংবাদিকরা আমার বক্তব্য বিকৃত করে প্রকাশ করেছে।

একটি জাতীয় দৈনিকের নাম উল্লেখ করে তিনি বলেন- আজ ওই পত্রিকা লিখেছে তারা আমাকে লাল পানি খাওয়াবে। ওই পত্রিকা আমাদের গর্ব অর্থমন্ত্রী সম্পর্কেও আজেবাজে লিখেছে।

মন্ত্রী বলেন- শেখ হাসিনা আমাকে ডেকে বলেছেন হাসানুল হক ইনু ১৪ দলের নেতা, আর তুমি আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতা। সাংবাদিকরা যা ইচ্ছে লেখুক, তাতে কিছু যায় আসে না। তুমি চালিয়ে যাও।

মন্ত্রীত্বের পরোয়া করেন না -এমন দম্ভোক্তি করে মহসিন আলী বলেন- মন্ত্রীত্ব থাকলেই কী, আর না থাকলে কী? জনগণ আমাকে ভালোবাসে, আমিও জনগণের ভালোবাসা নিয়ে বাঁচতে চাই।

সাংবাদিকরা অল্পশিক্ষিত উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন- আমার মেয়ে সাংবাদিকতায় মাস্টার্স। আর যারা পত্রিকায় আমার বিরুদ্ধে লেখালেখি করে তারা দু’এক কলম পড়ালেখা করেছে। আমি বলি একটা, তারা লিখে আরেকটা। দুই টাকা খেয়ে তারা আমার … (অকথ্য শব্দ) দিয়ে বাঁশ ঢুকাতে চায়। আমার শ্বশুর বাড়ি সিলেটে। সাংবাদিকদের পেছনে সিলেটের মানুষ লেলিয়ে দিতে আমার সময় লাগবে না। সাংবাদিকরা আমার … (অকথ্য শব্দ) ছিঁড়তে পারবে না।

আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উপলক্ষে শনিবার সন্ধ্যায় সিলেট বিভাগীয় আদিবাসী দিবস উদযাপন কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

আদিবাসী নেতা গৌরাঙ্গ পাত্রের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সাবেক সাংসদ ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, নারী সাংসদ কেয়া চৌধুরী, সিলেট সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ, আদিবাসী নেতা একে শেরাম প্রমুখ।

Developed by: