বিভাগ: বই পত্র

সমাজসেবী আব্দুল মালিক ময়ূরের দাফন সম্পন্ন

8-9বাসিয়া ডেস্ক :  বিশ্বনাথ উপজেলার খাজাঞ্চী ইউনিয়ন রাউতর গাঁও গ্রামের বিশিষ্ট সমাজসেবী ও কামাল বাজার যুব ফোরামের মহাসচিব আলহাজ্ব আব্দুল মালিক ময়ূর (৪৯) বুধবার ভোর ৪টায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লা..রাজিউন)। তিনি মরহুম হাজী ছোয়াব আলী ও মরহুমা শফিকুন নেছার ২য় পুত্র। তিনি মৃত্যুকালে স্ত্রী, ৪ মেয়ে ও ১ ছেলে সন্তানসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন রেছে গেছেন।
বৃহস্পতিবার বেলা ২টায় স্থানীয় পঞ্চগ্রাম ঈদগাহে জানাযার নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন তার দাফন সম্পন্ন করা হয়। জানাযার নামাজের জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ও সামাজিক সংগঠনের নেতবৃন্দসহ বিপুল সংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

আব্দুল মালিক ময়ূর দীর্ঘ দিন ধরে কিডনী, ডায়বেটিকস ও হার্টের রোগে ভোগছিলেন। সম্পতি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে সিলেট শহরের একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে আই.সি.ই’তে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় বুধবার রাতে ঢাকার উদ্দেশ্যে তাকে নিয়ে যাওয়ার পথে ভোর ৪টায় তিনি ইন্তেকাল করেন।

খাজাঞ্চী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন সিদ্দিকীর পরিচালনায় জানাযার নামাজের পূর্বে বক্তব্য রাখেন, সিলেট মহানগর জামায়াতের আমীর এডভোকেট এহছানুল মামহবুব জুবায়ের, জেলা দক্ষিণ জামায়াতের আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান, অলংকারী ইউপি চেয়ারম্যান লিলু মিয়া, সিলেট গোল্ডেন টাওয়ারের এম.ডি নূরুল ইসলাম খান, এলাকার বিশিষ্ট মুরব্বি মাওলানা বুরহান হোসেন, মাওলানা তৈয়বুর রহমান, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রব, কবির আহমদ কুব্বার, প্রবাসী পল্লী’র নেক্সট বিল্ডার্স এর এম.ডি গিয়াস উদ্দিন আহমদ রানা, মরহুমের ছোট ভাই আবুল কালাম।

জানাযার নামাজে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- দক্ষিণ সুরমা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা লোকমান আহমদ, বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান আহমেদ নূর উদ্দিন, রামপাশা ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার খান, লালাবাজার ইউপি চেয়ারম্যান খায়রুল আফিয়ান চৌধুরী, ছাতক উপজেলার ইসলামপুর ইউপি চেয়ারম্যান সুফি আলম সুহেল, সিলেট জেলা উত্তর জামায়াতের আমীর মাওলানা আনোয়ার হোসেন, সেক্রেটারী মাওলানা ইসলাম উদ্দিন, জেলা দক্ষিণ জামায়াত নেতা মাওলানা ফারুক আহমদ, হাসমত উল্লাহ, নাজিম উদ্দিন, বালাগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর আব্দুস সাত্তার, বিশ্বনাথ উপজেলা জামায়াতের আমীর আব্দুল কাইয়ূম।

এ মাসেই ঢাকায় ফিরছেন শাবনূর

Decrease font Enlarge font

8-7চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে দেশে ফিরছেন শাবনূর। ঢাকায় এসেই ‘লাইট, ক্যামেরা, অ্যাকশন’ পরিবেশে ব্যস্ত হয়ে উঠবেন তিনি। এবার একটি নতুন ছবিতে অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালনাও করতে দেখা যাবে তাকে। আগেরবার দেশে থাকাকালেই পরিচালক সমিতির সদস্য হয়েছেন জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী।

শাবনূরের বাবা শাহজাহান চৌধুরী বাংলানিউজকে বলেন, ‘মাঝে বেশ কয়েকবার শাবনূরের দেশে ফেরার কথা ছিল। এমনকি বিমানের টিকিট কেটেও পরে তা বাতিল করা হয়। টিকা দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য চিকিৎসকরা ওকে পরামর্শ দিয়েছিলেন ছয় মাস পর্যন্ত আইজানকে নিয়ে যেন অস্ট্রেলিয়ায় থাকে। তাই দেশে ফিরতে পারেনিও। সেই প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। তাই এখন ওর দেশে ফিরতে চিকিৎসকদের তরফ থেকেও আপত্তি নেই।’
এদিকে শাবনূরের বর অনিক মাহমুদ স্ত্রী ও সন্তানের দেশে ফেরার অপেক্ষায় আছেন। কারণ ব্যবসায়িক ব্যস্ততার কারণে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে আইজনাকে কোলে নেওয়ার সুযোগ পাননি তিনি। শাবনূর ও আইজান চলতি মাসের কত তারিখ ফিরবেন তা অবশ্য গোপনই রাখা হয়েছে।

২০১২ সালের ৬ ডিসেম্বর চুপিসারে অনিককে বিয়ে করেন। ‘বধূ তুমি কার’ ছবিতে কাজ করতে গিয়ে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা গড়ে উঠেছিল। জানা গেছে, শাবনূর ফিরে এলে পারিবারিকভাবে তার ও অনিকের বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন করা হবে। গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর পুত্রসন্তানের মা হন শাবনূর। তার ছেলের নাম রাখা হয় আইজান নেহান।

শাবনূরকে সর্বশেষ বড় পর্দায় দেখা গেছে ‘কিছু আশা কিছু ভালোবাসা’য়। মোস্তাফিজুর রহমান মানিক পরিচালিত এ ছবিতে তার সহশিল্পী ছিলেন ফেরদৌস ও মৌসুমী।

পোষা কুকুরের বিনোদনে দেড়কোটি টাকা!

7-6মার্কিন সংগীত শিল্পী মারিয়া ক্যারি তাঁর পোষা সাত কুকুরের বিনোদনের জন্য খরচ ধরেছেন দেড় কোটি টাকা। কুকুরগুলোকে বিনোদনের ছুটি কাটানোর সুযোগ দিতে আলাদা বিমান ভাড়া করে যুক্তরাজ্যে আনাচ্ছেন তিনি। সেখানে ভালো হোটেলে রেখে তাদেরকে পছন্দের খাবারও খাওয়াবেন তিনি। ইন্দো-এশিয়ান নিউজ সার্ভিসের এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
৪৪ বছর বয়সী সংগীত তারকা মারিয়া ক্যারি তাঁর সাতটি কুকুরকে যুক্তরাজ্যের বিখ্যাত একটি কুকুরের হোটেলে রাখবেন। এ ছাড়াও কুকুরগুলোকে আলাদা বিমান করে আনতে এক কোটি ৩০ লাখ টাকা খরচ হচ্ছে তাঁর।
যুক্তরাজ্যের হোটেলে রাখার পর কুকুরগুলোর জন্য বিশেষ বিনোদনের সুযোগও করে দিচ্ছেন ক্যারি। বিখ্যাত শেফের হাতে নিজস্ব পছন্দের খাবার, ব্যক্তিগত থাকার জায়গা প্রভৃতি সুবিধাও পাচ্ছে ভাগ্যবানরা।
একটি সূত্রের বরাতে কন্ট্যাক্টমিউজিক জানিয়েছে, ‘স্নান করানো, ঠিকমতো সাজানো, বেড়াতে নিয়ে যাওয়াসহ হোটেলে এদের নিজস্ব রুমে ঘুমানোর ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়াও, মারিয়া ক্যারির পাঠানো খাবারের মেনু অনুযায়ী বিশেষ খাবার তৈরি করে খাওয়ানোর জন্য শেফও থাকবে। পাশাপাশি বিশেষ বিমানে ভ্রমণ তো থাকছেই।’

জীবন-মরণে হাতে হাত

7-3প্রথমে প্রেম, তারপর হাতে হাত রেখে সংসার জীবন শুরু। দীর্ঘ ৬২ বছর সুখে-দুঃখে ঘরসংসার করে হাতে হাত রেখেই বিদায় নেন তাঁরা।

দীর্ঘজীবী এই দম্পতি হলেন ৯০ বছরের ডন ও ৮৭ বছরের ম্যাক্সিন সিম্পসন। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দা ছিলেন তাঁরা।

অসুস্থ এই দম্পতি কিছুদিন হাসপাতালে ছিলেন। কিছুটা সুস্থ হওয়ার পর তাঁদের বাড়িতে নিয়ে হয়। পাশাপাশি বিছানায় একে অন্যের হাত ধরে ঘুমিয়েছিলেন ডন ও ম্যাক্সিন। ভয় ছিল একে অন্যকে ছেড়ে যাওয়ার। তাই দুজনে দুজনের হাত ধরেছিলেন শক্ত করে। যেন একে অন্যকে বলেছিলেন, ‘ছেড়ো না এই হাত।’

গতকাল বুধবার খুব ভোরে নাতনি মেলিসা স্লোন ঘরে ঢুকেন। তিনি বুঝতে পারেন দাদি ম্যাক্সিন আর নেই। ধীরে ধীরে তাঁকে ঘরের বাইরে নিয়ে যান। পাশের বিছানায় ডন নীরবে শুয়েছিলেন। স্ত্রীকে সরিয়ে নেওয়ার সময় তিনি তাকে শেষবারের মতো ছুঁয়ে দেখেন। মাত্র চার ঘণ্টা পরে চলে যান ডনও।

বিবিসিতে অনলাইনের খবরে জানানো হয়, কেইআরও টিভিকে দেওয়া সাক্ষাত্কারে মেলিসা বলেন, ‘এই হলো সত্যিকারের ভালোবাসা।’ তিনি বলেন, ১৯৫২ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার বেকারসফিল্ডে দুজনের দেখা হয়। সে বছরেই একে অন্যকে বিয়ে করেন তারা। ডন পেশায় ছিলেন একজন প্রকৌশলী। স্ত্রী ম্যাক্সিন সেবিকা। নিজেদের কাজ শেষে যখন তাঁরা বাড়ি ফিরতেন, বাড়িটা তখন সত্যিই স্বর্গ হয়ে উঠত।

শুরুতে কিছু দিন জার্মানিতে ছিলেন ডন ও ম্যাক্সিন দম্পতি। সেখানে কাছাকাছি এক অনাথ আশ্রম থেকে তাঁরা যমজ শিশুকে দত্তক নেন। পরে আবার তাঁরা বেকারসফিল্ডে ফিরে যান। তাদের এক ছেলে ও পাঁচজন নাতিনাতনি রয়েছে।

গাজায় গণহত্যা ও বিশ্বব্যাপী প্রতিবাদের ভাষা ফকির ইলিয়াস

7-2এটা কোনো যুদ্ধ নয়। এটা স্পষ্টতঃ গণহত্যা। যা হচ্ছে- তা মেনে নেয়ার কথা নয়।
তারপরও বিশ্বের বড় বড় শাসকরা যেন নির্বাক। গণহত্যা চলছেই। প্রতিবাদ যে হচ্ছে না – তা নয়। কিন্তু তাতে তারা কর্ণপাত করছে না, যারা এই যুদ্ধ থামাতে পারে।
সম্প্রতি নিউইয়র্কে আমরা একটি কবিতা পাঠ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলাম।
‘আগ্রাসন বিরোধী কবিতা’।
এই কঠিন সময়ে বিশ্বের অনেক দেশেই শিল্পী, চিকিৎসক, বিজ্ঞানী,শিক্ষক,শ্রমজীবি, পেশাজীবি, কবি, লেখক সকলেই প্রতিবাদী। তাদের চোখে-মুখে তীব্র ক্ষোভ।
নিউইয়র্কেও কবিদের এই প্রতিবাদী পংক্তিমালা আবারও জানিয়ে দিয়েছে, এই বিশ্বে আগ্রাসনের স্থান নেই। এই বিশ্ব হবে আগামী প্রজন্মের জন্য শান্তির নিবাস। ৩১ জুলাই ২০১৪ বৃহস্পতিবার বিকেলে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হয়-‘আগ্রাসন বিরোধী কবিতা’ পাঠ। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে কবি-আবৃত্তিকার’রা অংশ নেন এই অনুষ্ঠানে।
জ্যাকসন হাইটসের ‘মুক্তধারা’য় সন্ধ্যা সাড়ে সাত’টায় শুরু হয় এই আয়োজন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনার দায়িত্ব ছিল আমার উপর। শুরুতেই সদ্য প্রয়াত কবি নবারুণ ভট্টাচার্যের প্রতি সম্মান জানানো হয়। তাঁর লেখা বিখ্যাত কবিতা -‘এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না’- থেকে পংক্তিমালা পাঠ করলাম আমি নিজেই।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই এই কাব্যপাঠ আয়োজনের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করা হয়।
এটা স্বীকৃত বিষয়- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলা কবিতা চর্চার ধারাবাহিকতা অত্যন্ত উজ্জ্বল।
গেল প্রায় তিন দশক সময়ে – এখানের অভিবাসী বাংলা ভাষাভাষি কবিরা ‘স্বৈরাচার
বিরোধী কবিতা’ ,’গণতন্ত্রের পক্ষে কবিতা’, ‘মৌলবাদ বিরোধী কবিতা’, সাম্প্রদায়িক ঐক্যের পক্ষে কবিতা’, ‘ একুশের কবিতা’, ‘বিজয়ের কবিতা’, ‘স্বাধীনতার কবিতা’,
‘মুক্তিযুদ্ধের কবিতা’ ,’গণজাগরণের কবিতা’ – প্রভৃতি অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছেন
এবং কবিতা পড়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায়ই ছিল এই উদ‌্যোগ।
একজন সৃজনশীল মানুষ মানেই তিনি, সকল আগ্রাসনের প্রতিবাদ করেন। সব মানুষেরাই শান্তি-সম্প্রীতি চান। বিশ্বে যারা ক্ষমতাবান, তাদের উচিৎ যুদ্ধ বন্ধে শীঘ্রই উদ‌্যোগ নেয়া। কারণ গাজায় যে গণহত্যা চলছে- তা যুদ্ধাপরাধের শামিল। পাঠপূর্ব আলোচনায় এমন কথাই ব্যক্ত করেন কবিরা। তারা বলেন, আরব মুল্লুকের নেতাদের
এই নীরবতা, শংকা অনেকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
অনুষ্ঠানে স্বরচিত কবিতা পড়েন- কবি সোনিয়া কাদির,কবি মিলি সুলতানা,কবি মাকসুদা আহমেদ, কবি জুলি রহমান, লেখক আদনান সৈয়দ, কবি আহমেদ ছহুল,
কবি লিয়াকত আলী, কবি শাহেদ চৌধুরী, কবি কাজী আতিক, কবি ফকির ইলিয়াস,
কবি শামস আল মমীন, ও কবি তমিজ উদদীন লোদী ।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ থেকে নিজেদের লেখা কবিতা পাঠিয়ে অংশ নেন তরুণ দুই কবি-
সোহরাব সুমন ও মনসুর আজিজ। এছাড়া আহ্বানে সাড়া দিয়ে খুব দ্রুত কবি নাওমী
শিহাব নাঈ এর দুটি কবিতা বাংলাদেশ থেকে অনুবাদ করে পাঠান- অনুবাদক ও কবি
সোহরান সুমন।
যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতিমান আবৃত্তিকারদের পদচারণায় অনুষ্ঠানটি ছিল বেশ প্রাণবন্ত। বিশিষ্ট
আবৃত্তিকার জি এইচ আরজু পড়েন-কবি মাহমুদ দারবিশ ও কবি ফকির ইলিয়াসের
কবিতা। শক্তিমান আবৃত্তিকার মিজানুর রহমান বিপ্লব পড়েন- কবি খলিল জিবরান ও
কবি তমিজ উদদীন লোদী’র কবিতা। সুপরিচিত আবৃত্তিকার মোশাররফ হোসেন পড়েন
কবি মাহমুদ দারবিশের কবিতা।তরুণ প্রতিশ্রুতিশীল আবৃত্তিকার হাসান শাহরিয়ার তৈমুর পড়েন- কবি রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, কবি সুকান্ত ও মার্কিনী কবি নাওমী শিহাব নাঈ এর দুটি কবিতা।নান্দনিক আবৃত্তিকার শুক্লা রায় পড়েন- কবি মাহমুদ দারবিশের কবিতা। সংগঠক খান শওকত পড়েন- কবি নবারুণ ভট্টাচার্যের কবিতা।
তরুণ আবৃত্তিকার এজাজ আলম পড়েন- কবি মাহমুদ দারবিশ ও কবি মনসুর আজিজ এর কবিতা। সৃজনশীল আবৃত্তিকার তাহরীনা পারভীন পড়েন- কবি নাজিম হিকমত ও কবি সোহরাব সুমন এর কবিতা ।
কবিতা পাঠের পূর্বে কবি তমিজ উদদীন লোদী বলেন, এই অসম অস্ত্রমহড়া গোটা বিশ্বের মানবতাবাদীদের জন্য চরম শংকার কারণ। এটা চলতে পারে না। তিনি বলেন,
আজ আরব বিশ্ব যদি ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদে মুখর হতো- তাহলে পরিস্থিতি ভিন্নরূপ
নিতে বাধ্য হতো। কিন্তু বেদনার বিষয় হচ্ছে, তারা তা করছে না। তিনি এই নারী-শিশু হত্যা বন্ধের আহ্বান জানান।
যে কথাগুলো আমি সেদিনও বলেছি, আমরা হাত উঁচু করে আমাদের প্রতিবাদ অব্যাহত রাখবো। আমরা আমাদের জাগ্রত কলমে লিখে যাবো সকল আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আমাদের দ্রোহ। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কবিতার বিকিরণ ছড়িয়ে দিতে চাই। অনুষ্ঠানে অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মাঝে উপস্থিত ছিলেন- সাপ্তাহিক ঠিকানা
সম্পাদক, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও মুক্তিযোদ্ধা লাবলু আনসার, একুশে টিভির প্রতিনিধি ইমরান আনসারী, টাইম টিভি’র প্রতিনিধি, সংগঠক ডাঃ মনসুর আলী, সংগঠক ও ব্লগার তানভীর রাব্বানী, রফিকুল ইসলাম, তরুন কবি স্বপ্ন কুমার প্রমুখ।
আড়াইঘন্টা ব্যাপী অনুষ্ঠানটি স্পনসর করেছিলেন ‘মুক্তধারা’ ও এর কর্ণধার বিশ্বজিত সাহা । মুক্তধারা উত্তর আমেরিকায় সৃজন ও মননশীলতার প্রতীক। তারা আবারও
অভিবাসী কবিদেরকে কৃতজ্ঞতা পাশে আবদ্ধ করেছেন।
॥ দুই ॥
গাজায় এই গণহত্যা বিশ্বকে কোথায় নিয়ে যাবে ? এমন প্রশ্ন অনেকের। একটি খবর আমাদের নজরে পড়ছে। ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসসহ সেখানকার অন্যসব প্রতিরোধ আন্দোলনকে সম্পূর্ণভাবে সমর্থন করতে প্রস্তুত ইরান। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি’র কমান্ডার মেজর জেনারেল মোহাম্মাদ আলী জাফারি এ কথা বলেছেন।
তিনি বলেছেন, “ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ আন্দোলনগুলোকে ইরান বিভিন্ন দিক দিয়ে সহায়তা করতে চায়। মুসলমানদের রক্ষার ক্ষেত্রে তেহরান শিয়া-সুন্নির বিষয়টি কখনো আলাদা করে দেখে না।”
গাজার চলমান সংঘর্ষের কথা উল্লেখ করে ইরানের এ কমান্ডার বলেন, বর্তমান ঘটনাবলী ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ফিলিস্তিনিদের প্রতিরোধ শক্তি সীমাহীন এবং দিন দিন তা বাড়ছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, অবরুদ্ধ গাজা থেকে ইহুদিবাদী ইসরাইলের অভ্যন্তরে যে পরিমাণ রকেট ছোঁড়া হয়েছে এবং ইসরাইলি সেনাদের সঙ্গে হামাস যেভাবে স্থল অভিযানের সময় লড়াই করেছে তাতে প্রতিরোধ আন্দোলনগুলোর শক্তি বেড়ে যাওয়ার সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে।
জেনারেল জাফারি বলেন, গাজা এবং ইরাকের চলমান ঘটনাবলী আমেরিকা ও ইসরাইলের যৌথ প্রকল্প। তবে, শিয়া-সুন্নির ঐক্যের মুখে শিগগিরি দখলদার ইসরাইল সরকারের পতন হবে এবং ইরান সেদিনের জন্য প্রস্তুত।
বিষয়টি ভাবার তো বটেই। কোথায় চলেছে বিশ্ব ? কেন বিশ্বের নীতি নির্ধারকরা
থামাতে চাইছেন না এই রক্তবন্যা ?
জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার রাফা এলাকায় জাতিসংঘের আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত স্কুলে চালানো ইসরায়েলের হামলা অনৈতিক ও অপরাধমূলক বলে মন্তব্য করেছেন।
তিনি বলেছেন, এই ধরনের মানসিক ভারসাম্যহীন কর্মকাণ্ড অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। ইসরায়েলের এই হামলাকে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের শামিল বলেও জানান তিনি।
বান কি মুন বলেন, জাতিসংঘের স্কুলে ইসরায়েলের হামলার ঘটনা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের লঙ্ঘন। তিনি আরো বলেন, স্কুলের অবস্থান সম্পর্কে ইসরায়েলকে নিয়মিত অবহিত করা হয়েছে।
প্রিয় পাঠক-পাঠিকা, আরও কিছু মীনমীনে ভাষার প্রতিবাদ এখানে পড়ুন।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মহিলা মুখপাত্র জেন সাকি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলের এ ধরণের ‘লজ্জাজনক গোলাবর্ষণে’ মর্মাহত। তিনি এ ঘটনার ‘একটি পূর্ণাঙ্গ ও ত্বরিৎ তদন্তের’ আহ্বান জানিয়েছেন।
সাকি বলেন, ইসরায়েলিদের অবশ্যই তাদের মান বজায় রাখতে ও বেসামরিক প্রাণহানি এড়াতে আরো অনেক কিছু করতে হবে।
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলাঁদ বলেছেন, জাতিসংঘের স্কুলে হামলা ‘অগ্রহণযোগ্য’।
তিনি জানিয়েছেন-ইসরায়েল বলেছে, স্কুলে হামলার ঘটনা তদন্ত করা হচ্ছে।
ইসরায়েল প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, বেসামরিক নাগরিকদের ওপর অনিচ্ছাকৃত যে কোন হামলার জন্য তেলআবিব দুঃখিত। তবে তিনি হামাসের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের স্থাপনাগুলোকে ‘সন্ত্রাসী আখড়ায়’ পরিণত করার অভিযোগ করেছেন।
কী এক ভয়ানক পরিস্থিতি মোকাবেলা করছে ফিলিস্তিন আর সে দেশের
সাধারণ মানুষেরা ! জুলুমেরও তো একাট সীমা আছে। ইসরাইলি জালেমেরা আর কত শিশু-নারী-অসহায় মানুষের রক্তে তাদের হাত রাঙাবে ?

চুলের ছাঁট পছন্দ হয়নি ভক্তদের

7-1অন্তত এ দিকটায় তিনি বরাবরই সাদামাটা ছিলেন। চুলের ছাঁট নিয়ে লিওনেল মেসি কখনোই খুব বেশি পরীক্ষায় যাননি। ক্যারিয়ারের শুরুতে মাথাভর্তি সিল্কি চুলেই চেনা যেত তাকে। এরপর বছরদুয়েক আগে চুল ছোট করে ফেলেন আর্জেন্টাইন এ সুপারস্টার। কিন্তু এবার একেবারে ভিন্ন ছাঁট দিয়েছেন মেসি। কাঁধের ওপর থেকে ছোট করে ফেলেছেন তিনি। বিশ্বকাপের পর নতুন এ হেয়ারস্টাইল নিয়েই স্প্যানিশ লীগে হাজির হচ্ছেন মেসি।
তার এই নতুন হেয়ারকাট নিয়ে এরই মধ্যে ঝড় উঠেছে ভক্তকুলে। অনেকেই মনে করছেন, রোনালদোর মতো স্টাইল করতে গিয়েই তিনি এ কাজ করেছেন। কেউ বলছেন, উত্তর কোরিয়ার সরকারপ্রধান কিম জং উনের সঙ্গে মিল রয়েছে। তবে স্যোশাল মিডিয়ায় একেবারেই প্রশংসা পাচ্ছে না মেসির এই নতুন ছাঁট। স্পেন ও ইংল্যান্ডের সংবাদমাধ্যমগুলো রীতিমতো বিশ্লেষণে নেমেছে- কেন মেসি এমন হেয়ারকাট দিলেন?
ব্রিটিশ ট্যাবলয়েডগুলোর ধারণা, রোনালদো-নেইমারদের মতো বিজ্ঞাপনবাজার মাতাতেই মেসি তার চেহারায় কিছুটা পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেছেন। তবে ব্যাপার যাই হোক মেসি কিন্তু এই হেয়ারকাট নিয়ে বেশ হাসিখুশি মেজাজেই রয়েছেন।

বাংলাদেশি মেয়ে বিয়ে করতে পারবেন না সৌদি ছেলেরা

0000বাংলাদেশসহ চারটি দেশের কোনো নারীকে এখন থেকে সৌদি পুরুষেরা বিয়ে করতে পারবেন না। বাকি তিনটি দেশ হলো পাকিস্তান, মিয়ানমার ও আফ্রিকার দেশ চাদ। সম্প্রতি সৌদি পুলিশ এমন নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

মক্কা পুলিশের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আসসাফ আল-কোরেশির বরাত দিয়ে মক্কা ডেইলি পত্রিকার খবরে এ কথা জানানো হয়।আজ বুধবার ডন-এর খবরে বলা হয়, মূলত সৌদি পুরুষদের অন্য দেশের নারীদের বিয়ে করতে নিরুত্সাহিত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বেসরকারি হিসাব অনুযায়ী সৌদি আরবে বর্তমানে এ চারটি দেশের পাঁচ লাখ নারী বাস করছেন।

আসসাফ আল-কোরেশির বরাত দিয়ে খবরে জানানো হয়, সৌদি আরবের কোনো পুরুষ যদি অন্য দেশের (ওই চারটি দেশ ছাড়া) কোনো নারীকে বিয়ে করতে চান, তবে তাঁকে অবশ্যই সরকারের অনুমতি নিতে হবে এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের (অফিশিয়াল চ্যানেল) মাধ্যমে বিয়ের আবেদনের দরখাস্ত পেশ করতে হবে।

আবেদনকারীর বয়স ২৫ বত্সরের বেশি হতে হবে। পরিচয়পত্র জেলার মেয়রের মাধ্যমে সত্যায়িত করে জমা দিতে হবে। এ ছাড়া পরিবারের কার্ডও জমা দিতে হবে।
আসসাফ আল-কোরেশি আরও বলেন, ‘আবেদনকারী যদি আগে থেকে বিবাহিত হন, তবে তাঁকে মেডিকেল রিপোর্ট জমা দিয়ে প্রমাণ করতে হবে যে তাঁর আগের স্ত্রী প্রতিবন্ধী, দুরারোগ্য ব্যাধিতে ভুগছেন কিংবা সন্তান ধারণে অক্ষম। এ ছাড়া বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে এমন পুরুষেরা বিচ্ছেদের অন্তত ছয় মাস পর্যন্ত পুনরায় বিয়ের আবেদন করতে পারবেন না।

‘বিগ বস’-এর আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান তসলিমার

6-02‘বিগ বস’-এর অষ্টম অধ্যায় নিয়ে মানুষের মধ্যে প্রবল কৌতুহল তৈরি হয়েছে। সালমান খানই আবার বিগ বস পরিচালনা করবেন এবং কে কে অতিথি হয়ে আসবেন তা নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে এরই মাঝে নিজের টুইটারে বাংলাদেশের বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন জানিয়েছেন যে, তিনি ‘বিগ বস’-এ অংশ নেবার আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন। তবে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। জানা গেছে, ‘বিগ বস’-এ থাকার জন্য কালার চ্যানেল কর্তৃপক্ষ তার সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রস্তাব দিয়েছি। কিন্তু তসলিমার প্রস্তাবটি ভাল লাগেনি। তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেছেন।
তসলিমা জানিয়েছেন, তিনি ‘বিগ বস’ মাঝে মাঝে দেখেছেন। অনুষ্ঠানটি বিনোদনমূলক হলেও এটি তার কোনও আগ্রহের মধ্যে পড়ে না। তবুও চ্যানেল কর্তৃপক্ষ তাকে বোঝাতে চেয়েছিল। তাকে বড় অঙ্কের পারিশ্রমিকও দিতে চেয়েছিল। এমনকি তিনি তার মত প্রচার করতে পারবেন এমন প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিল। কিন্তু তসলিমা তাতেও রাজি হননি। আর তাই প্রথমে সবিনয়ে এবং পরে বিনয় ছাড়াই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। তসলিমা বর্তমানে দিলি্লতে রয়েছেন। আগামী ১৭ই আগষ্ট তার রেসিডেন্ট পারমিটের মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে। যদিও ভারত সরকার তাকে দুই মাসের টুরিষ্ট ভিসা মঞ্জুর করেছে কিন্তু রেসিডেন্ট পারমিট না দেয়ায় চারিদিকে সমালোচনার ঝড় বয়ে গিয়েছিল। তসলিমা ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী ভিসার জন্য অনুরোধও করেছেন। রাজনাথ তাকে আশ্বস্ত করেছেন যে, রেসিডেন্ট পারমিটই দেয়া হবে।

তৃতীয় বিয়ে করছেন ইমরান খান

6-01ফের বিয়ে করতে যাচ্ছেন পাকিস্থানের সাবেক ক্রিকেট তারকা ও অধিনায়ক ইমরান খান। পরিবারের ইচ্ছাতেই খুব শিগগির বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন ৬১ বছর বয়সী ইমরান খান।

এর আগে ১৯৯৫ সালে ব্রিটেনের নাগরিক জেমিমা গোল্ডস্মিথকে বিয়ে করেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক। কাশিম খান ও সুলাইমান ঈসা খান নামে এই দম্পতির ঘরে দুটি সন্তান রয়েছে।

তবে ২০০৪ সালে জেমিমা ও ইমরানের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটে। এক দশক স্ত্রী ছাড়া নিঃসঙ্গতায় কাটিয়েছেন ইমরান খান। আর নয়, পারিবারিক চাপেই তাকে বিয়ে করতে হচ্ছে।

পাকিস্তানের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ট্রিবিউন পত্রিকায় জানানো হয়েছে, ‘পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) পার্টি প্রধানের পরিবার ইমরানের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রমণ শুনতে শুনতে ক্লান্ত। তাই বিয়ে করানোর জন্য তারা একটি মেয়ে পছন্দও করেছে।’

সবকিছু ঠিক থাকলে খুব দ্রুতই ইমরান খান নতুন সঙ্গী পেয়ে যাবেন। তবে পাত্রীর পরিচয় এখনই প্রকাশ করছে না ইমরানের পরিবার।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: অলটাইম নিউজ::

ঈদেও দর্শকদের মন কাড়লেন বাপ্পি-মাহি

5-13বিনোদন প্রতিবেদক : ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত বাপ্পি-মাহি অভিনীত ‘হানিমুন’ সিনেমাটি ইতিমধ্যে দর্শকদের নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছে। সুন্দর লোকেশন, চমৎকার কিছু গান, বাপ্পি-মাহির সাবলীল অভিনয় এবং ঈদের অন্য সিনেমার গল্পের চেয়ে ভিন্নধর্মী গল্প হওয়ায় এরই মধ্যে সিনেমাটি ব্যবসায়িকভাবেও সফল। রোমান্টিক-পারিবারিক ঘরানার এই সিনেমাটি ঈদের ১ম সপ্তাহ পার করে এখন ২য় সপ্তাহেও সগৌরবে হলগুলোতে চলছে।  মোট ৪২ টি হলে মুক্তি পেয়েছে ‘হানিমুন’। সিনেমাটির ব্যবসায়িক রিপোর্ট সম্পর্কে জানতে চাইলে জাজ মাল্টিমিডিয়ার সেলস অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন ম্যানেজার এনামুল করিম বলেন,‘ সিনেমাটি নিয়ে হল মালিকেরা শতভাগ সন্তুষ্ট। প্রথম সপ্তাহেই ৬৫ভাগ অ্যাভারেজ গেছে। দ্বিতীয় সপ্তাহে এসেও একই রকম সেল আছে। আশা করছি পুরো সপ্তাহজুড়েই এটি অব্যাহত থাকবে। আর একটি ব্যাপার হলো-যে সিনেমা মহিলারা দেখেন সে সিনেমায় সবসময় ব্যবসা সফল হয়। কারণ তারা কাউকে না কাউকে নিয়েই তবে হলে আসেন।  এবার ঈদে এই সিনেমারই মহিলা দর্শক বেশি। যার কারণে  সেলও ভালো যাচ্ছে।’ সাফিউদ্দিন সাফি পরিচালিত এই সিনেমায় বাপ্পি-মাহি ছাড়াও আরো অভিনয় করেছেন হাসান ইমাম, আহমেদ শরীফ, ডি জে সোহেল প্রমুখ।

Developed by: