বিভাগ: বই পত্র

যেসব কারণে রাতজাগা মানুষেরা সবার চাইতে আলাদা ও বুদ্ধিমান

5-12চাঁদের আলো যুগ যুগ ধরে মানুষকে দিয়ে আসছে এমন অনুপ্রেরণা, যা সূর্যের আলোয় যায় উবে। শিল্পী-সাহিত্যিকের কল্পনায় তা রঙ চড়ায়। তখন মানুষ করতে পারে এমন কিছু, চোখ ধাঁধানো দিনের আলোয় যা মনে হয় নিতান্তই অবাস্তব। এমন সব কারণে রাত্রে জেগে থাকার মত কাজ করেন তারাই, যারা রাত্রির মহিমা বোঝেন। রাতের বেলায় কাজ করার সুবিধাকে নিজের মত করে ব্যবহার করেন তারা। তাদের আই কিউও হয়ে থাকে অন্যদের চাইতে বেশি। গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের আইকিউ বেশি তারা কম আইকিউ-এর মানুষের চাইতে রাত জাগেনও বেশি। এর কারণ কী? কারণ হলো সাধারণ মানুষের মস্তিষ্ক রাতের বেলা ঘুমাতে অভ্যস্ত থাকে, তাদের মস্তিষ্ক তৈরিও হয় এমনভাবে যাতে রাতের ঘুম তাদের প্রয়োজন হয়। কিন্তু স্বাভাবিকের চাইতে বেশি বুদ্ধিমত্তার মানুষ এই নিয়মের শৃঙ্খলে আটকা থাকেন না বরং নিজের সুবিধামত সময়টার সদ্ব্যবহার করে থাকেন। প্রচলিত নিয়ম ভাঙার একটা অবচেতন ইচ্ছে থেকেও তাদের রাত জাগার প্রবণতা দেখা যায়। এই গবেষণায় ২০ এর কোঠায় থাকা মানুষের আইকিউ বনাম ঘুমাতে যাওয়া এবং ঘুম থেকে ওঠার সময় হলো এমন : কম বুদ্ধিমত্তা (IQ < 75) কর্মদিবস রাত ১১.৪১টা থেকে সকাল ৭.২০টা ছুটির দিন রাত ১২.৩৫টা থেকে সকাল ১০.০৯টা সাধারণ বুদ্ধিমত্তা (90< IQ < 110) কর্মদিবস রাত ১২.১০টা থেকে সকাল ৭.৩২টা ছুটির দিন রাত ১.১৩টা থেকে সকাল ১০.১৪টা বেশি বুদ্ধিমত্তা (IQ > 125) কর্মদিবস

ডায়াবেটিসে উপকারি পাঁচ ফল

5-3ডায়াবেটিস এই অসুখটা কম বেশি প্রতিটি ঘরেই দেখা যায়। এই অসুখটি বিভিন্ন ধরনের রোগকে ডেকে আনে এবং এখনও পর্যন্ত এই অসুখের কোন ওষুধ আবিষ্কার করা যায় নি। ডায়াবেটিস রোগটির জন্য বহু খাবার খাওয়া যায় না। কিন্তু কিছু ফল আছে যা খেলে ডায়াবেটিস রুগীদের শরীরে পুষ্টি বৃদ্ধি পায় এবং শরীরের কোনো ক্ষতি হয় না।এই ফলগুলি একদম চিন্তা ভাবনা ছাড়া খেতে পারেন, শরীর সুস্থ থাকবে পেটও ভরে যাবে।

১. কিউয়ি: এই ফলটি ডায়াবেটিস রুগীদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো। এই ফলটি রক্তে চিনির মাত্রা কমাতে সাহায্য করে এবং শরীরকে সুস্থ রাখে।

২. কালোজাম: নির্দিদ্ধায় একজন সুগার রুগী এই ফলটি খেতে পারেন। কালোজাম সুগার রুগীর রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রনে রাখতে সাহায্য করে। মূলত কালোজামের বীজকে গুঁড়ো করে দিনে একবার যদি হাফ চামচ খাওয়া যায় সেটি এই রুগীদের জন্য স্বাস্থ্যকর।

৩. পেয়ারা: সুগারে খাওয়ার জন্য অন্যতম একটি উপকারী হলোল পেয়ারা। পেয়ারার মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ এবং ভিটামিন ‘এ’ আছে, যা সুগার রুগীদের স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই উপকারী।

৪. পেঁপে: পাকা পেঁপে ডায়াবেটিস রুগীদের জন্য খুবই উপকারী। এই ফলটিতেও বেশ ভালো পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ থাকে।

৫. কাঁঠাল: এতদিন সবাই জানত কাঁঠাল একেবারেই নিষিদ্ধ ডায়াবেটিস রুগীদের জন্য। কিন্তু সম্প্রতি ডাক্তাররা জানিয়েছেন কাঁঠাল সুগার রুগীদের জন্য বেশ উপকারী। এই ফলটির মধ্যে ভিটামিন ‘সি’, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, নিয়াসিন এই উপকারী উপাদানগুলি থাকে যা এই রুগীদের পুষ্টির সহায়ক।

নিষিদ্ধ প্রেম নিয়ে সিমলা

5-9ম্যাডাম ফুলি’খ্যাত চিত্রনায়িকা সিমলা এ মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে নতুন একটি ছবির শুটিং শুরু করতে যাচ্ছেন। এর শিরোনাম ‘নিষিদ্ধ প্রেমের গল্প’। সম্প্রতি এতে চুক্তিদ্ধ হয়েছেন তিনি। অসম প্রেমের কহিনী নিয়ে ছবিটি নির্মাণ করছেন রুবেল সিদ্দিকী। ঢাকার বিভিন্ন লোকেশনে এর শুটিং হবে। এ প্রসঙ্গে সিমলা বিনোদনকে বলেন, ‘আগামী সপ্তাহেই এ ছবির শুটিং শুরু হচ্ছে। ছবিটির গল্প আমার দারুণ পছন্দ হয়েছে। আমার কথা মাথায় রেখেই মূলত এর কাহিনী লেখা হয়েছে। তাই গভীর মনোযোগ দিয়েই ছবিটিতে অভিনয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছি। আশা করি, আমি আমার চরিত্রটি যথাযথভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারবো।’ বয়ঃসন্ধিকালে এক ছেলের সঙ্গে শিক্ষিকার প্রেম কাহিনী নিয়ে ‘নিষিদ্ধ প্রেমের গল্প’ ছবির প্রেক্ষাপট গড়ে উঠেছে। এতে সিমলা ওই শিক্ষিকার ভূমিকায় অভিনয় করবেন বলে জানিয়েছেন। সিদ্দিুর রহমানের প্রযোজনায় চলচ্চিত্রটির চিত্রগ্রহণ করবেন বিকাশ সাহা। এ ছবির প্রতিটি গান লিখেছেন নির্মাতা নিজেই। তবে গানের সুর ও সঙ্গীত পরিচালনায় রয়েছেন আবিদ রনি। এরই মধ্যে ছবির দুটি গানের রেকর্ডিং সম্পন্ন হয়েছে। কিছুদিনের মধ্যেই বাকী তিনটি গানের রেকর্ডি করা হবে। জানা গেছে, গত সপ্তাহেই এ ছবির শুটিং শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ঈদের কথা ভেবে তারিখ পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। সিমলা বলেন, ‘ঈদ উদযাপন করতে আমি গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলাম। তাই মনটা বেশ ফুরফুরে রয়েছে। এবার টানা শুটিং করে ছবিটির কাজ শেষ করে ফেলবে।’ বর্তমানে চলচ্চিত্রে কম অভিনয়ের কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে সিমলা বলেন, ‘ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই আমি দেখেশুনে অভিনয় করে আসছি। তাই আমার ছবির সংখ্যাও খুব বেশি নয়। তবে যেগুলোতে আমি অভিনয় করছি, তার প্রতিটিই দর্শকপ্রশংসা অর্জন করেছে।’ সর্বশেষ সিমলা অভিনীত ‘নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ’ ছবিটি মুক্তি পেয়েছে। সরকারী অনুদানে নির্মিত এ ছবিটি নির্মাণ করেন মাসুদ পথিক। এতে তিনি ফাতেমা চরিত্রে রূপদান করেছেন।

নাপিত কিন্তু ১০৫টি গাড়ির মালিক!

5-7৫ আগষ্ট- ব্যবসা সূত্রে রমেশ বছরে শত কোটি টাকার লেনদেন করেন। তিনি ১০৫টি গাড়ির মালিক। রমেশের সংগ্রহে রয়েছে বিএমডব্লু ও রোলস রয়েস-এর মতো বিশ্বখ্যাত বিলাসবহুল গাড়িও। রমেশ পেশায় একজন নাপিত।বেঙ্গালুরুর ‘কোটিপতি নাপিত’ হিসেবে পরিচিত ‘রমেশ বাবু’র জীবন উপন্যাসের উপাদানে ঠাসা।ছোটবেলা থেকে বেশ কষ্টে বড় হয়েছেন রমেশ। ১৯৭৯ সালে মাত্র সাত বছর বয়সে বাবাকে হারান রমেশ। সংসার খরচ জোগাতে সম্বল ছিল মায়ের পরিচারিকার চাকরির বেতন আর উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া চুল কাটার সেলুন থেকে মাসে পাঁচ টাকা খোরাকি।

রমেশের বাবা পেশায় একজন নাপিত ছিলেন। তার মৃত্যুর পর দোকানের হাল ধরেন ছোট ভাই। কিন্তু মাসে মাত্র ৫ টাকা বড়ই কম। নব্বইয়ের দশকে কাকার সঙ্গে মায়ের বচসার ফলে সেটাও বন্ধ হয়ে যায়। মায়ের মতের বিরুদ্ধে গিয়ে তাই শেষ পর্যন্ত চুল কাটায় হাত পাকান রমেশ। সেই সঙ্গে ভর্তি হন সান্ধ্য কলেজে পিইউসি পড়তে।

তার কাকা একটি ছোট গাড়ি কিনে তাক লাগিয়ে দেন। তাকে টেক্কা দিতে নিজের সঞ্চয় ও ব্যাঙ্কের ঋণের সাহায্যে ১৯৯৩ সালে একটি পুরনো মারুতি ভ্যান কিনে ফেলেন রমেশও। কিন্তু সুদের মাসিক কিস্তি মেটাতে হাঁসফাঁস অবস্থা হয়। সেই সময় তার মা যাঁর বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করতেন, সেই মহিলা গাড়ি ভাড়া খাটানোর বুদ্ধি দেন তাকে। শুধু তাই নয়, ব্যবসার প্রাথমিক খুঁটিনাটি বিষয়ও রমেশকে শিখিয়ে দেন তিনিই। এছাড়া তার সাহায্যেই এক সংস্থায় গাড়ি ভাড়া খাটাতে শুরু করেন রমেশ।

আস্তে আস্তে ব্যবসার বহর বাড়তে শুরু করেন রমেশ। ২০০৪ সালে তার মালিকানায় যুক্ত হয় ৬টি গাড়ি। পাশাপাশি সেলুনের ব্যবসাও চলতে থাকে। এই সময় বিলাসবহুল গাড়ি কেনার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বীরা সকলেই চোট মাপের গাড়ি ভাড়া দিতেন। সবাইকে টেক্কা দিতে এবং ব্যবসা বাড়াতে ৪০ লাখ টাকা খরচ করে প্রথম দামি গাড়ি কেনেন রমেশ। সকলে অবশ্য তাঁকে বারণ করেছিল সেই সময়। তবু ঝুঁকি নিয়েছিলেন তিনি। কিছু দিনের মধ্যেই মোটা টাকায় ভাড়া খাটতে শুরু করে সেই গাড়ি।

কার রেন্টাল ব্যবসায় এ ভাবেই একদিন বেঙ্গালুরুতে শীর্ষ স্থান দখল করে নেন রমেশ বাবু। বর্তমানে তার গ্যারাজে রয়েছে ১৫০টি গাড়ি, যার মধ্যে রয়েছে একাধিক মার্সিডিজ বেঞ্জ, বিএমডব্লিউ মায় রোলস রয়েজ। এই ব্যবসায় বছরে ১০০ কোটি টাকা রোজগার করেন তিনি। কিন্তু নিজের অতীত সম্পর্কে আজও ভীষণ ভাবে সজাগ রমেশ বাবু। বিত্তের জাঁক নয়, সহজাত বিনম্রতাই তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য।

নিজের চেহারা নিয়ে হীনমন্যতায় ভুগছেন?

5-6‘আগে দর্শনধারী পরে গুনবিচারী’- এই নীতিতে বিশ্বাসী আমাদের সমাজে বসবাসরত বেশিরভাগ মানুষ নিজের বাহ্যিক সৌন্দর্যের জন্য হীনমন্যতায় ভোগেন। নিজেকে আয়নায় দেখে অন্যের সাথে তুলনা করে অন্যের মত ভাবা শুরু করেন আপনিও। হয়তো প্রকাশ করেন না কিন্তু মনে মনে সব সময় এই নিয়ে কষ্ট পান, ভাবতে থাকেন আর একটু সুন্দর চেহারা হলে কি এমন ক্ষতি হতো।

‘আগে দর্শনধারী পরে গুনবিচারী’- এই নীতিতে বিশ্বাসী আমাদের সমাজে বসবাসরত বেশিরভাগ মানুষ নিজের বাহ্যিক সৌন্দর্যের জন্য হীনমন্যতায় ভোগেন। নিজেকে আয়নায় দেখে অন্যের সাথে তুলনা করে অন্যের মত ভাবা শুরু করেন আপনিও। হয়তো প্রকাশ করেন না কিন্তু মনে মনে সব সময় এই নিয়ে কষ্ট পান, ভাবতে থাকেন আর একটু সুন্দর চেহারা হলে কি এমন ক্ষতি হতো। কিন্তু ভেবে দেখেছেন কি এই চেহারা এই সৌন্দর্য কতদিনের? যত সুন্দর মানুষই হোক, সময়ের সাথে সাথে তার সৌন্দর্য মলিন হবেই। মলিন হবেনা শুধুমাত্র তার ভেতরের মানসিক সৌন্দর্য। একজন সুন্দর মনের মানুষ সর্বদাই সুন্দর মনের অধিকারী থাকবেন তা তার চেহারা যেমনই হোক না কেন। তাই নিজের চেহারা নিয়ে বিষণ্ণতা, হীনমন্যতা মুছে ফেলার উপায়গুলো দেখে নিন এবং মনের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করুন।
অন্য কারো সাথে নিজের তুলনা করবেন না
আপনি যা, তাই হিসেবে নিজেকে গ্রহন করার চেষ্টা করুন। অন্য কারো সাথে নিজের তুলনা করবেন না। সৃষ্টিকর্তা আপনাকে আপনার মত করেই তৈরি করেছেন। আপনি যেমনটি হলে আপনার জন্য মঙ্গলজনক ঠিক তেমনভাবেই সৃষ্টি করেছেন। অন্য কারো মত করে তৈরি করেন নি। অন্য কারো মত হতে গিয়ে নিজের ভেতরের সৌন্দর্যকে হারিয়ে ফেলবেন না। অনেক সময় অন্যের সাথে নিজেকে তুলনা করতে গিয়ে আপনি নিজের সত্ত্বা হারিয়ে ফেলতে পারেন। তাই এই ভুলটি কখনো করতে যাবেন না। অনেক সময় হয়তো আশেপাশের মানুষ আপনাকে অপর একজনের সাথে তুলনা করে কথা বললে আপনার খারাপ লাগতে পারে। কিন্তু ভেবে দেখুন, যে মানুষটি শুধুমাত্র আপনার বাইরের সৌন্দর্যের প্রেক্ষিতে আপনাকে কথা শোনাচ্ছে তার মানসিকতা কতোখানি কুৎসিত। সুতরাং সব ভুলে গিয়ে নিজের মানসিক সৌন্দর্য বাড়ান।

আত্মবিশ্বাসী হন

নিজেকে ভালবাসুন। নিজের মনকে পরিপূর্ণভাবে বিকশিত করুন। আত্মবিশ্বাস বাড়ান। অন্যের কথা কান দিয়ে নিজেকে ছোট করবেন না। নিজের উপর বিশ্বাস রাখুন। মন থেকে সকল হীনমন্যতা ঝেড়ে ফেলে নতুন করে সব কিছু শুরু করুন। আত্মবিশ্বাসী হয়ে নিজের পায়ে দাড়াতে শিখুন। হীনমন্যতা নিয়ে বসে থাকলে কোন কাজেই সফলতা পাবেন না। নিজেকে সফল ব্যক্তিদের কাতারে দাঁড় করাতে শিখুন। যে আপনাকে পছন্দ করবে সে আপনার সব কিছুকেই পছন্দ করবে এইরকম ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করুন।
সৃজনশীল কাজে মনোনিবেশ করুন
গঠনমূলক কাজে যোগ দিন। যেসব কাজে আপনার দক্ষতা আছে সেসব কাজ করুন। গান, নাচ, ছবি আঁকা, বই লেখা ইত্যাদি কাজে নিজেকে নিয়োজিত করতে পারেন। নিজের পরিচয় গঠন করুন। মনে রাখবেন, মানুষ চেহারা দিয়ে মানুষকে মনে রাখে না। বরং তার কাজে মনে রাখে। সুন্দরের পিছনে লুকিয়ে থাকা ধ্বংসাত্মক কাজের চেয়ে, অসুন্দরের ভেতরে থাকা গঠনমূলক কাজের মূল্য বেশি। আপনি আপনার চেহারা নিয়ে হীনমন্যতায় ভুগে আপনার ভেতরকার সৃজনশীল ও উন্নত মনকে সব কিছু থেকে গুতিয়ে রাখবেন না। নিজেকে সফল মানুষ হিসেবে পরিচিতি পেতে দেখলে আপনা আপনিই আত্মবিশ্বাস বাড়বে।

নিজেকে সময় দিন

নিজেকে বোঝার সময় দিন। নিজেকে কিভাবে সফলতা উপহার দিতে পারবেন সে কথা ভাবুন। সব সময় নিজেকে অন্যের সাথে তুলনা করে হীনমন্যতায় পরে থাকবেন না। আপনি নিজে যেমন সমাজে ঠিক তেমন ভাবে নিজেকে উপস্থাপন করুন। প্রথমে নিজেকে সম্মান করতে শিখুন। নিজের ব্যক্তিত্বকে ভালবাসতে শিখুন। কারো প্রশংসা কুড়ানোর জন্য তার কথা মত নিজেকে তৈরি করবেন না। আপনার ভেতরের আলোকিত সৌন্দর্য কাউকে বোঝাতে যাবার কোন প্রয়োজন নেই। মনে রাখবেন, যে আপনাকে বোঝে তাকে আপনি কী তা নতুন করে বোঝানোর প্রয়োজন নেই, আর যে আপনাকে বোঝে না তাকে বোঝাতে যাওয়ারও কোন প্রয়োজনীয়তা নেই। তাই এইসবে সময় নষ্ট না করে নিজেকে সময় দিন।
ব্যস্ত থাকুন
নিজেকে একটি ছকে বেঁধে ফেলুন। জীবনে ব্যস্ততা বাড়ান। কারন অলস ভাবে বসে থাকলেই নানান অপ্রাসঙ্গিক চিন্তা মাথায় ঘোরে ফলশ্রুতিতে আপনি নিজেকে নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করে হতাশ হয়ে পড়েন। নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকুন। সফলতার লক্ষ্যে নিজেকে এগিয়ে নিয়ে যান। নিজের কাজে ব্যস্ত থাকুন। অন্যের কথায় কান দেয়ার মত সময়ই পাবেন না। আশেপাশের মানুষ আপনার বাহ্যিক সৌন্দর্য নিয়ে কী বলল তা নিয়ে চিন্তা করার দরকার নেই। যে মানুষগুলি বর্তমানে আপনার চেহারা নিয়ে কথা বলছেন ভবিষ্যতে আপনার সফলতার কথা বলবেন।

আপনার মনের বয়স কত? জেনে নিন

5-5বয়স বাড়ে। দেহে আসে বার্ধক্যজনিত দুর্বলতা। কিন্তু মন কি বুড়িয়ে যায়? বয়স যতই হোক না কেন মানুষের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য পুরোপুরি মনের ওপর নির্ভর করে। সেজন্যই মাঝে মাঝে আশি বছর বয়সী মানুষকে বাচ্চাদের মতো বায়না ধরতে দেখা যায়। আবার অল্প বয়সী অনেকের মধ্যে গাম্ভীর্যও লক্ষ্য করা যায়। আমাদের দেহ বাহ্যিক ভাবে যত বয়সই প্রকাশ করুক না কেন, আমরা কোন ধরনের মানুষ এবং আমাদের চিন্তা ভাবনা কীভাবে কাজ করে তা শুধুমাত্র মানসিক বয়স প্রকাশ করে থাকে।

আচ্ছা,আপনার বয়স কত? ২০,৩০,৪০… নাকি ৫০ কিংবা তারও বেশি? শরীরের বয়স যাই হোক না কেন,প্রত্যেকটা মানুষের একেবারে নিজস্ব একটা মানসিক বয়স থাকে। আর এই জন্যই কিছু মানুষ চিরকাল তরুণ, আবার কোনো শিশু শৈশবেই গম্ভীর। আপনি কি জানেন আপনার মনের বয়স কত? কিংবা আপনি কেমন বয়সী মানুষের মত আচরণ করে থাকেন? দেয়া হলো একটি মজার কুইজ! এবার জেনে নিন নিজের সত্যিকারের বয়সটি!

১. ছুটির দিনে আপনি সাধারনত কি করে থাকেন?
ক) ঘুম। ছুটি তো ঘুমানোর জন্যই
খ) পুরো সপ্তাহের অনেক কাজ জমে থাকে। সেগুলোই করা হয়
গ) বন্ধুদের আড্ডা, ঘুরাঘুরি, পার্টি !!!
ঘ) পরিবারকে সময় দিই

২. আপনার জন্মদিন কিভাবে পালন করে থাকেন?
ক) কলিগ/বন্ধুরা কেক কাটাকাটি করে
খ) অনেক বড় পার্টি দিয়ে করি।
গ) এখন কি আর জন্মদিন পালন করার বয়স আছে?
ঘ) ঘরে কিছু বন্ধু বান্ধব কে দাওয়াত দিয়ে

৩. রবীন্দ্রনাথের লেখা কেমন লাগে?
ক) অসাধারণ, রোমান্টিক উপন্যাস ভালোই লাগে।
খ) বেশ ভালো, সামাজিক সমস্যা তুলে ধরেছেন তিনি।
গ) কে? পড়ি নি তার কোনো বই
ঘ) মোটামুটি, অনেক কিছুই বোঝা কঠিন।

৪. আপনি ড্রাগসের বিরুদ্ধে, কিন্তু আপনার অনেক আপন কেউ আপনাকে ড্রাগস নিতে বললে কি করবেন?
ক) যত আপনই হোক না কেন নেব না
খ) একটু নিয়ে দেখলে তো দোষের কিছুই নেই
গ) কখনোই নেব না, তাকে বোঝাবো যাতে সেও ছেড়ে দেন
ঘ) পুলিশকে জানিয়ে দেব

৫. ধরুন কোন যেমন খুশি তেমন সাজো অনুষ্ঠানে কিংবা কোন হ্যালোউইন পার্টিতে আপনাকে ডাকা হল, আপনি কি করবেন?
ক) সাধারণ পোশাকে গিয়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকব
খ) ধুর… কিসের অনুষ্ঠান। এর থেকে বাসায় থাকা ভালো
গ) অবশ্যই যাব। পার্টি অনুযায়ী পোশাক তো অবশ্যই পরবো।
ঘ) বন্ধুরা গেলে যেতে পারি।

৬. আপনার প্রেমিক/প্রেমিকা হঠাৎ আপনাকে ডেটে আসতে বললেন। একসাথে কোনো সিনেমা দেখবেন। আপনার হাতে মাত্র ৩০ মিনিট সময় আছে। আপনি কি করবেন?
ক) যত তাড়াতাড়ি সম্ভব যাবো।
খ) ৩০ মিনিটে তৈরি হওয়া যায়। বাদ দেয়া যায় না?
গ) আর একটু আগে বললে ভালো মত তৈরি হতে পারতাম
ঘ) ১৫ মিনিটের মধ্যে হাজির থাকবো।

ফলাফলঃ
১ এর ক-১৫, খ-২০, গ-৫, ঘ-১০
২ এর ক-১৫, খ-৫, গ-২০, ঘ-১০
৩ এর ক-১৫, খ-২০, গ-৫, ঘ-১০
৪ এর ক-১০, খ-৫, গ-২০, ঘ-১৫
৫ এর ক-১৫, খ-২০, গ-৫, ঘ-১০
৬ এর ক-১০, খ-২০, গ-১৫, ঘ-৫

৩০ থেকে ৫০ এর জন্যঃ
আপনার মানসিক বয়স ১৩ থেকে ১৮ বছরের কিশোরকিশোরীর মত। আপনি আপনার সকল চিন্তা দূরে রেখে কিশোর বয়সের মতো জীবনে যা আছে তা নিয়ে সুখী থাকেন। নিজের মত করে সুখী থাকা অনেক মানুষই পারে না। কিন্তু কিছু কিছু ব্যাপারে আপনি অনেক বেশী ছেলেমানুষি করে থাকেন। এইসব প্রভাব ফেলে আপনার কর্মজীবন ও ব্যক্তিগত সম্পর্কের উপরেও। তাই একটু সামলে!

৫১ থেকে ৭০ এর জন্যঃ
আপনার মানসিক বয়স ১৯ থেকে ২৪ বছর বয়সী তরুণদের মতো। আপনি অনেক কিছু চিন্তা করে পা ফেলার চেষ্টা করেন। কিন্তু তারপরও নিজেকে এখনো কিশোর মনোভাব থেকে বিরত রাখতে পারেন নি। বিরত রাখতে হবে না। কিছুটা ছেলেমানুষি মজা জীবনে দরকার আছে।তবে খেয়াল রাখবেন, এসবে যেন আর্থিক ক্ষতি না হয়ে যায়।

৭১ থেকে ১০০ এর জন্যঃ
আপনার মানসিক বয়স ২৫ থেকে ৩৫ বছর বয়সী পূর্ণ বয়স্ক মানুষের মত। জীবনে সব কিছু বুঝে শুনে কাজ করার ক্ষমতা রাখেন আপনি। যখন যেখানে যেভাবে থাকতে হবে সেভাবেই নিজেকে মানিয়ে নেয়ার অপূর্ব ক্ষমতা রয়েছে আপনার।

১০১ থেকে ১২০ এর জন্যঃ
আপনার মানসিক বয়স ৩৫ থেকে এর উপরে। আপনি অনেক বেশী গাম্ভীর্য নিয়ে চলা ফেরা করেন। জীবনের ব্যস্ততা ও বাস্তবতা আপনাকে কোন আনন্দময় কাজের অবসর দেয় না। এর অর্থ আপনি নিজেই আনন্দময় কোন কাজে নিজেকে সামিল করেন না। এতোটা গাম্ভীর্য ঠিক নয়। জীবনকে আনন্দময় করার চেষ্টা করুন।

বিমান সন্ধানে ৩০ লাখ মানুষ

5-4মালয়েশিয়ার নিখোঁজ যাত্রীবাহী বিমান অনুসন্ধানে স্যাটেলাইট পরিচালনাকারী একটি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে প্রায় ৩০ লাখ মানুষ যোগ দিয়েছে।

মঙ্গলবার বার্তা সংস্থা এএফপির প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, ডিজিটাল গ্লোব নামের স্যাটেলাইট পরিচালনাকারী একটি প্রতিষ্ঠান এ উদ্যোগ নিয়েছে। এ ধরনের অনুসন্ধান ‘ক্রাউড সোর্সিং’ নামে পরিচিত। এ ধরনের অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে এটাই সবচেয়ে বড় বলে দাবি করা হচ্ছে।প্রতিষ্ঠানটি সোমবার দাবি করেছে, তাদের অনুসন্ধান এলাকার পরিসর এখন ২৪ হাজার বর্গকিলোমিটার। অনুসন্ধান প্রচেষ্টায় প্রতিদিনই নতুন নতুন ছবি যুক্ত হচ্ছে। এর মধ্যে ভারত মহাসাগরও রয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির দাবি, ১১ মার্চ থেকে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে বিমান অনুসন্ধানের কাজ শুরু করেছে তারা। উচ্চ প্রযুক্তির পাঁচটি স্যাটেলাইট থেকে পাওয়া ছবি পরীক্ষার জন্য তারা জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানায়। এতে ব্যাপক সাড়া পাওয়া যায়। ৩০ লাখেরও বেশি স্বেচ্ছাসেবক এই প্রকল্পে অংশ নিয়েছেন।
এদিকে মার্কিন নৌবাহিনীর একটি জাহাজ অনুসন্ধান কার্যক্রম থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হচ্ছে। পেন্টাগনের কর্মকর্তারা গতকাল এ তথ্য জানিয়েছেন।১০ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে মালয়েশিয়া এয়ারলাইনসের যাত্রীবাহী একটি বিমান। এমএইচ৩৭০ ফ্লাইটটি ২৩৯ জন আরোহী নিয়ে ৭ মার্চ রাতে নিখোঁজ হয়। কুয়ালালামপুর থেকে যাত্রার এক ঘণ্টা পর এটি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
বিমানটিকে খুঁজে বের করতে চিরুনি অভিযান চলছে। এতে সর্বশেষ ২৬টি দেশ অংশ নিচ্ছে বলে মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষ বলেছে। স্থল, নৌ ও আকাশপথে চালানো হচ্ছে এ অভিযান।

 

2-28

সিলাম

2-06হজরত শাহজালাল ইয়ামানি (র.) ও তাঁর সফরসঙ্গী ৩৬০ আউলিয়া যাত্রাপথে বর্মা দানবের সঙ্গে লড়াইয়ে লিপ্ত হন। বর্মা ছিল গৌড়গোবিন্দের একটি সাধনকৃত দানবের নাম। বর্মা দানব গৌড়গোবিন্দের হুকুমে শাহজালাল (র.) এর যাত্রাপথে বাধা সৃষ্টি করে।  সে বিশাল বিশাল আকৃতির শীলাখণ্ড এমনভাবে পথে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখে তা ডিঙ্গিয়ে তাদেরকে আসতে হচ্ছিল। এক সময় বর্মা দানবের আক্রমণের সম্মুখীন হলেন ওলিকুলের শিরোমণি সুফি দরবেশ সম্রাট হজরত শাহজালাল ইয়ামানি (র.) এর পবিত্র মুখ থেকে উচ্চারিত হয় ‘শীল লাম’ যার অর্থ দাঁড়ায় পাথর নিচের দিকে যাও বা নামো। সেই ‘শীল লাম’ শব্দ থেকে ‘শীলাম’ নামের উৎপত্তি যা আজ মানুষের মুখে মুখে বিকৃত হতে হতে ‘সিলাম’ নামে রূপদান করে। প্রাচীন কোনও দলিলপত্র বাইতিহাস খুঁজলে দেখা যায় ‘শ’ দ্বারা (শীলাম) সিলাম লিখিত হত। কারণ শীল থেকে সিলাম নামের রূপ ধারণ করেছে। সিলাম এর শীলা দেশের সর্বস্থানে পরিচিত ছিল।

জালালপুর

2-08সাধক পুরুষ হজরত শাহজালাল (র.) এর নামানুসারেই জালালপুরের নামকরণ করা হয়। এক সময় এ জালালপুর হিন্দুপ্রধান ছিল। শাহজালাল (র.) এর পদধুলির স্পর্শে জালালপুর মুসলমান অধ্যুষিত এলাকা হিসেবে সবার কাছে পরিচিতি লাভ করে। শাহজালালের সিলেট বিজয়ের সময় তাঁর শেষ ছাউনি জালালপুরে ছিল। এই স্থানের নাম মোকামদোয়ার বা বড় মোকাম। এখানে তাঁর সঙ্গী শাহ কামাল ওরফে শাহ পহলোয়ানের মাজার আছে। জালালপুরে হজরত শাহজালাল (র.) একদিন একরাত যাপন করেন। এখানে তাঁর হাতের লাঠি বা যষ্টি মাটিতে পুঁতা অবস্থায় গাছে পরিণত হয় যা আশার গাছ নামে সর্বজন পরিচিত।

Developed by: