বিভাগ: বই পত্র

মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ ফুল গ্রহন করেননি

20161026175340তৃতীয়বারের মতো সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজকে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ পক্ষ থেকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয় ।সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন এবং সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে নেতা কর্মীরা ফুল দিয়ে সংবর্ধনা দিতে চাইলে মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ ফুল গ্রহন করেননি। বক্তব্য শেষে থাকে ফুল দিয়ে বরণ করতে চাইলে তিনি বলে ওঠেন ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদদের প্রতি তিনি এই ফুল উৎসর্গ করলেন। তাই ফুলগুলো শহীদ মিনারে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পন করার আহবান জানান পরে নেতা কর্মীরা শহীদ বেদীতে পুস্পস্তবক অর্পন করেন।
তৃতীয়বারের মতো সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজকে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ পক্ষ থেকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয় ।
<ইজ>পরে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে তাকে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নিয়ে আসা হয়। পরে তিনি সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পন করে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন। সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এডভোকেট লুৎফুর রহমান, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান ও সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ,সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দা জেবুন্নেছা হক, সিলেট সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুব্রত পুরকায়স্থ আওয়ামীলীগ নেতা এডভোকেট নাসির উদ্দিন, জগলু চৌধুরী, সুজাত আলী রফিক, ডা. আরমান আহমদ শিপলু সহ দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

বৃহস্পতিবার মিসবাহ সিরাজের বিশাল সংবর্ধনা

20161026175340তৃতীয়বারের মত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মনোনীত হওয়ায় অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজকে সিলেটে বিশাল গনসংবর্ধনা দেয়া হবে। বৃহস্পতিবার (২৭অক্টোবর) দুপুর ১২টায় সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এ সংবর্ধনার আয়োজন করেছে সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ। দলীয় সূত্র জানায়, তৃতীয়বারের মত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হয়ে অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বিমানযোগে সিলেট ফিরছেন। এ উপলক্ষ্যে সিলেট মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তাকে জানানো হবে ফুলেল গন-সংবর্ধনা। সংবর্ধনা সফল ও স্বার্থক করে তুলতে আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিকলীগসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন নেতৃবৃন্দ সর্বস্তরের নেতা-কর্মী ও জনতার প্রতি আহবান জানিয়েছেন। প্রেসবিজ্ঞপিত-

বাংলা একাডেমী সংস্কারসহ ৪দফা দাবী জানিয়েছে অনলাইন সাহিত্য গ্রুপ”বৃষ্টি ভেজা গোধুলির রঙ সাহিত্যাঙ্গণ”

মিজান মোহাম্মদঃ দেশের জনপ্রিয় অনলাইন সাহিত্য গ্রুপ”বৃষ্টি ভেজা গোধুলির রঙ সাহিত্যাঙ্গণ” দেশের সমস্ত লেখক ও পাঠকদের পক্ষে, বাংলাদেশ সরকারের কাছে বাংলা একাডেমি সংস্করণসহ চার দফা দাবি জানিয়ে এক (বিবৃতি) দিয়েছেনঃ
গ্রুপের পক্ষে সভাপতি তনুলতা মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে,যে উদ্যোগ হাতে নিয়েছেন তার সাথে আমাদের “বৃষ্টি ভেজা গোধূলির রঙ-সাহিত্যাঙ্গন” একাত্মতা পোষণ করে বাংলা সাহিত্যের ধারাকে আধুনিক থেকে আধুনিকতর করার দাবীতে,বাংলাদেশ সরকারের কাছে কিছু যুক্তিসঙ্গত দাবী উপস্থাপন করছিঃ
দেশের সীমিত সম্পদের প্রতি বিশেষ বিবেচনা করে আমাদের এই প্রস্তাবনা,যা সহজেই বাস্তবায়ন সম্ভব।কারণ এই প্রস্তাব বাস্তবায়নে সরকারের নতুন করে অর্থ বরাদ্ধের প্রয়োজন নেই।কোন স্থাপনা তৈরীর প্রয়োজন হবেনা।শুধু সরকারের সদিচ্ছাই যথেষ্ট।
ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা সরকারের আমরা শুধু ডিজিটাল ক্ষেত্রকে নির্দেশ করেছি।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় আগামী বছর (২০১৬) থেকে ষষ্ঠ শ্রেণির সব শিক্ষার্থীকে(৩০ লক্ষ) ট্যাবলেট দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে, যা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে সরকার। মাধ্যমিকে ‘এক শিক্ষার্থী এক ট্যাব’ নীতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ওই শ্রেণিতে প্রতিবছরই ট্যাব দেওয়া হবে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১২ সালের ২০ মে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম উদ্বোধন করেন। শিক্ষকদের অনেকেই এখন ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করছেন। যা দিয়ে ট্যাব পাওয়া শিক্ষার্থীরা বিশেষভাবে উপকৃত হবে।
রূপকল্প-২০২১ অনুযায়ী ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ার কর্মসূচির অংশ হিসাবে ‘ইনফো সরকার-২’ নামের একটি প্রকল্প চালু করা হয়েছে,যা সর্বক্ষেত্রে ডিজিটাল পদ্ধতি বাস্তবায়ন সম্পন্ন করবে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ডিজিটাল পদ্ধতির সুফল আমাদের দেখাতে শুরু করেছেন। আর তাই আমরা নতুন প্রজন্ম ডিজিটাল পরিকল্পনা হাতে নেওয়ার উদ্যোগ নিতে চাই।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় অঙ্গিকার আমাদের নতুন প্রজন্মকে বাস্তব সম্মত চিন্তা করার খোরাক যুগিয়েছে।
আমরা ভাবতে শিখছি সেই দিন আর বেশী দূরে নয় যে, কবি ও সাহিত্যিক গণ তাদের সাহিত্যকর্ম প্রকাশের জন্য সংবাদপত্র ও প্রকাশনী সংস্থা গুলোর পিছনে ছুটাছুটি করা বন্ধ করবেন।
আমরা বিশ্বাস করি খুব অচিরেই সাহিত্য কর্ম আর বই হিসাবে থাকবেনা। সেগুলো ডিজিটাল রূপ সিডি ও মেমোরী কার্ডের মাধ্যমে প্রকাশ পাবে।
উল্লেখ্য সংবাদ পত্র গুলো ইতিমধ্যেই ডিজিটাল কার্যক্রম চালু করেছে। দেশের উন্মুক্ত চিন্তা চেতনার ধারক বাহক দেশের কবি সাহিত্যিক। আর তাই তাদের লেখার স্বাধীনতা ও তা প্রকাশের স্বাধীনতা সবার আগে জরুরী। যদি তা দিতে পারে একমাত্র ডিজিটাল মাধ্যম। সে কথা মাথায় রেখে আমরা কিছু দাবীর কথা তুলে ধরেছি।যা বাস্তবায়িত হলে কবি সাহিত্যিকদের কারো দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হবেনা।
ডিজিটাল পদ্ধতিতে বাংলা সাহিত্যের অগ্রযাত্রা প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে,নিম্নে আমরা আমাদের দাবী সমূহ তুলে ধরলামঃ
আমাদের দাবী সমূহঃ
১// বাংলা একাডেমির আমূল সংস্কার করে স্বায়ত্তশাসন, ডিজিটাল পদ্ধতি চালু, সারা দেশে শাখা খুলে সম্প্রসারণ (নতুন কোন ভবন নয়, সারাদেশের পাবলিক লাইব্রেরি গুলোতে শাখা হিসাবে ঘোষণা)
এবং দেশের বরেণ্য কবি সাহিত্যিক দ্বারা সেন্ডিকেট এর মাধ্যমে পরিচালনা করা।
২// অনলাইন সাহিত্য গ্রুপ গুলোকে নীতিমালার মাধ্যমে সংস্কারিত বাংলা একাডেমীর নিয়ন্ত্রণে এনে সমস্ত কবি সাহিত্যিক যেনো একই প্লাটফর্মে লিখতে পারে তার ব্যবস্থা নেওয়া।
৩// ইন্টারনেট সেলের মাধ্যমে সকল সাহিত্যকর্ম পর্যবেক্ষণ ও সাহিত্য চোরদেরকে আইনের আওতায় এনে শাস্তির বিধান করা।
৪// প্রতি মাসে তৃনমূল থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায়ে কবি সাহিত্যিকদের স্বীকৃতির ব্যবস্থা করা।

হাসিনা-ওবায়দুলকে ফখরুলের অভিনন্দন

fokhrulপ্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুনরায় আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং ওবায়দুল কাদের দলটির নতুন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় তাঁদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তবে তিনি বলেছেন, বিএনপি আশা করে গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দিতে আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কাজ করবেন।
রোববার বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় কচিকাঁচা ভবন মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে যোগ দেন মির্জা ফখরুল। এ সময় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আওয়ামী লীগের ২০ তম জাতীয় সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে দলের সভাপতি হিসেবে শেখ হাসিনা ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ওবায়দুল কাদেরের নাম ঘোষণা করা হয়। এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে মির্জা ফখরুল তাঁদের অভিনন্দন জানান।
রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের এ সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যাওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছিল বিএনপি। আমন্ত্রণপত্র পাওয়ার পর ফখরুল সাংবাদিকদের বলেছিলেন, একে অন্যের আমন্ত্রণ রক্ষা করার মধ্য দিয়ে ‘ইতিবাচক রাজনীতি’র ধারা শক্তিশালী হবে। তবে আওয়ামী লীগের সম্মেলনে যায়নি বিএনপি। দলটির দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে, সম্মেলনে যাওয়ার ব্যাপারে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সম্মতি দেননি।

সভাপতি শেখ হাসিনা, সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের

hasina-quader-300x141বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দুই দিনব্যাপী ২০তম জাতীয় সম্মেলন শেষে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছে। দ্বিতীয় দিন গতকাল বিকেলে কাউন্সিলরদের বিপুল সমর্থন নিয়ে ফের সভাপতি হলেন শেখ হাসিনা আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ওবায়দুল কাদের। এই নিয়ে ৮ম বারের মতো জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতি হলেন।

আরও যারা আ. লীগে পদ পেলেন: আওয়ামী লীগের ৮৩ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির মধ্যে ২৩ জনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। দলের সভাপতি পদে শেখ হাসিনা পুননির্বাচিত হয়েছেন। প্রথমবারের মতো আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ওবায়দুল কাদের।

বিগত কমিটির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে সভাপতিমন্ডলীর সদস্য করা হয়েছে। এর আগের কমিটিতে পদাধিকার বলে তিনি সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ছিলেন।

কমিটির ১৯ সদস্যের সভাপতিমন্ডলীর সদস্যের মধ্যে ১৬ জনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদাধিকার বলে সভাপতিমন্ডলীর সদস্য। ওবায়দুল কাদের আগের কমিটির সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ছিলেন। সভাপতিমন্ডলীর বাকি ১৪ জনের মধ্যে আটজন পুরোনো সদস্য। এঁরা হলেন সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মোহাম্মদ নাসিম, কাজী জাফরউল্লাহ, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, সাহারা খাতুন, মোশাররফ হোসেন। নতুন ছয় সদস্য হলেন নুরুল ইসলাম নাহিদ, আবদুর রাজ্জাক, ফারুক খান, আবদুল মান্নান খান, রমেশ চন্দ্র সেন ও পীযুষ ভট্টাচার্য। বাকি ৩টি পদ ফাঁকা রাখা হয়েছে।
নতুন করে সভাপতিমন্ডলীর পদে যুক্ত হয়েছেন ছয়জন। বিগত কমিটির সভাপতিমন্ডলী থেকে বাদ পড়েছেন নূহ আলম লেনিন। চারটি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদের তিনটিতে পুরোনোরাই বহাল আছেন। এঁরা হলেন মাহবুব উল আলম হানিফ, দীপু মনি ও জাহাঙ্গীর কবির নানক। এর সঙ্গে নতুন করে যুক্ত হয়েছে আবদুর রহমান। কোষাধ্যক্ষ পদে আগের এইচ এন আশিকুর রহমানই বহাল আছেন। সম্মেলন থেকে জানানো হয়েছে, বাকি ৬০ পদ সভাপতি শেখ হাসিনা সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতিমন্ডলীর সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করবেন।

বিশ্বরেকর্ড গড়ল চট্টগ্রাম টেস্ট!

72635নানা কারনে এবার আলোচনায় এসেছে ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফর। ওয়ানডে সিরিজের পর এখন এই দুই দলের মধ্যে চলছে টেস্ট ম্যাচ। ইংল্যান্ড-বাংলাদেশের মধ্যকার চলমান প্রথম টেস্ট ম্যাচটি একটি অনন্য বিশ্ব রেকর্ড গড়তে সক্ষম হয়েছে। তবে এই রেকর্ড কোন ব্যাট-বল দ্বারা হয়নি। বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড এই টেস্ট ম্যাচটি রেকর্ড গড়েছে রিভিউ নেওয়ার ক্ষেত্রে। এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ১০ বার রিভিউ নিয়ে বিশ্বরেকর্ডের খাতায় নাম লেখালেন মুশফিকুর রহিম-অ্যালিস্টার কুকের দল।  এই ঘটনা ঘটেছে টেস্টের ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে।

বৃহস্পতিবার ম্যাচের প্রথম দিন মঈন আলী সবমিলিয়ে পাঁচবার বেঁচে গেছেন। আর এই রিভিউয়ের কারণেই মঈন আলী পাঁচবার প্রাণ ফিরে পান। প্রথম দিনে নেওয়া সাতটি রিভিউয়ের পাঁচটিই ছিল মঈনের। দ্বিতীয় দিন শুক্রবার সকালে আরো তিনটি রিভিউ নেওয়া হয়। তবে দূর্ভাগ্য বলতে হবে বাংলাদেশেরেই। কেননা মোট দশটি রিভিউয়ের মাত্র দুটি বাংলাদেশের পক্ষে গেছে।

আজ ম্যাচের তৃতীয় দিন চলছে। তৃতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশন পর্যন্ত ১৬টি রিভিউ নেওয়া হয়েছে। যা ক্রিকেট ইতিহাসে বিশ্বরেকর্ডের মর্জাদা পেয়েছে।

আশরাফের বক্তব্যে কাঁদলেন শেখ হাসিনা

72654‘আওয়ামী লীগ শুধু একটি রাজনৈতিক দলই নয়, হাজার হাজার নেতাকর্মী, জাতির পিতা ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের রক্তের অনুভূতি। বঙ্গবন্ধু কণ্যা পিতৃহারা। আমিও হারিয়েছে আমার পিতাকে। কোনো ষড়যন্ত্র এই দলকে ধ্বংস করতে পারবেনা।’

আবেগঘন কন্ঠে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক যখন বঙ্গবন্ধু হত্যা, জাতীয় চার নেতা হত্যাসহ আওয়ামী লীগের সংক্ষিপ্ত রাজনৈতিক ইতহিাস বলছিলেন, সম্মেলন স্থলে তখন নিস্তব্ধতা এসে যায়। শেখ হাসিনাসহ মঞ্চে উপস্থিত সবার চোখ ছলছল। পিতৃহারা নেতৃত্ব আওয়ামী লীগকে আরো সামনে নিয়ে যাবে বললেন সৈয়দ আশরাফ। নিজে কাঁদলেন সবাইকে কাঁদালেন। মুহুর্তে সবাই যেন ফিরে গেলো ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট আর ৩রা নভেম্বরে।

আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদকের প্রতিবেদন পেশকালে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ কথা বলেন সৈয়দ আশরাফ। আওয়ামী লীগকে বিভিন্ন সময় ধ্বংসের চেষ্টা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হয়েছে, জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। তাও এই দলকে দমানো যায়নি। ধ্বংস করা যায়নি। দিন দিন আরও শক্তিশালীই হয়েছে আওয়ামী লীগ’।

‘ভাষা আন্দোলন থেকে এ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের কর্মীরা যে পরিমাণ রক্ত দিয়েছেন, পৃথিবীর আর কোনো দল এমন রক্ত দেয়নি ও এতো ত্যাগ স্বীকার করেনি’।

তবে সাধারণ সম্পাদকের প্রতিবেদনটি অনেক বড় হওয়ায় সেটি পাঠ না করে কাউন্সিলরদের প্রতি পুরো প্রতিবেদনটি নিয়ে পড়ার আহ্বান জানান আশরাফ। তিনি বলেন, ‘এ প্রতিবেদন পড়তে অনেক সময় লাগবে। তাই আপনারা এটি সঙ্গে করে নিয়ে যাবেন’।

সৈয়দ আশরাফ বলেন, এই সম্মেলন একটি ঐতিহাসিক সম্মেলন। আগামী দিনের দল পরিচালনা ও দেশের উন্নয়নের যুগান্তকারী উদ্যোগ ও পরিকল্পনা নেওয়া হবে এখান থেকেই।

সাহিত্য নীড়ের বিশেষ লেখাপাঠের আসর ও অভিনন্দন সভা

14642202_579843738869281_5802361404738024381_n14716329_579843675535954_6457958141581252267_n14671122_579843782202610_4718308713097422680_nপাঠকপ্রিয় অনলাইন সাহিত্য গ্রুপ “সাহিত্য নীড়’-এর উদ্যোগে বিশেষ লেখা পাঠের আসর ও গ্রুপের সক্রিয় এডমিন কবি ফারজানা হক বৃস্টি এর জন্মদিনে অভিনন্দন সভা আজ ২১ অক্টোবর শুক্রবার বিকেল ৪ টায় সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অনুস্টিত হয়।
গীতিকবি হরিপদ চন্দের সভাপতিত্বে ও কবি মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের পরিচালনায় আসরে প্রথমেই “সাহিত্য নীড়” গ্রুপের লক্ষ উদ্দেশ্য বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন গ্রুপের এডমিন কবি মিজান মোহাম্মদ।
আলোচনা ও লেখাপাঠ করেন কবি আকতার হোসেন তাহির, সেলিনা আক্তার, কবি সৈয়দ মুক্তদা হামিদ, তানভীর হাসান রানা প্রমুখ। আসরে ফারজানা হক বৃস্টিকে জন্মদিন উপলক্ষে অভিনন্দন শুভেচ্ছা জানানো হয়। অনুভূতি ব্যক্ত করে বক্তব্য ও স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন কবি ফারজানা হক বৃস্টি।

বড়লেখায় একমাসে পাঁচটি লোমহর্ষক হত্যা: আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতি

18619মৌলভীবাজারের বড়লেখায় গত একমাসে পাঁচটি লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। একের পর এক নৃশংস খুনের ঘটনায় সাধারণ মানুষদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। একটি খুনের রেশ কাটতে না কাটতেই ঘটছে আরও একটি খুনের ঘটনা। আওয়ামীলীগ নেত ও প্যানেল চেয়ারম্যান, ব্রিটিশ নারী খুন হওয়ার পর সর্বশেষ গত ১৪ অক্টোবর পূর্ব বিরোধের জের ধরে আপন ভাতিজার দা’র কোপে খুন হন আসুক উদ্দিন (৩৮) নামের অটোরিক্সাচালক। এসব ঘটনায় সাধারণ মানুষজন আইন-শৃক্সক্ষলা সরাসরি বাহিনীকে দায়ী করছেন। পাশাপাশি এসব খুনের ঘটনায় সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয়ও জড়িত রয়েছে। এসব হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এ পর্যন্ত ৪জনকে এলাকাবাসীর সহায়তায় গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। অন্য ঘাতকদের গ্রেফতার করতে পুলিশ তৎপর রয়েছে বলে জানিয়েছেন তদন্তে সংশ্লিষ্টরা।

হত্যাকাণ্ডের পাশাপাশি সীমান্তবর্তী এ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে চুরি, ডাকাতি, জায়গা দখল, অপহরণ, সন্ত্রাসী হামলাসহ নানা অপরাধ কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পেয়েছে। ওসি সহিদুর রহমানের যোগদানের পর থেকে প্যানেল চেয়ারম্যান আলম, ব্রিটিশ নারী, অটোরিক্সাচালক আসুক হত্যাসহ গত এক মাসে ৫টি হত্যাকাÐের ঘটনা ঘটে। এছাড়া অন্যান্য অপরাধ কর্মকাণ্ডসহ নানা অপরাধ পাল্লা দিয়ে বেড়েই চলেছে। আইন-শৃক্সক্ষলার এমন অবনতিতে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের চরম ব্যর্থতাকেই দায়ী করছেন সাধারণ জনগণ।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত ১৪ অক্টোবর সদর ইউনিয়নের কেছরীগুল গ্রামে দুপুর সাড়ে ১২টায় জমি-জমা সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জের ধরে আপন ভাতিজার দা’র কোপে আসুক আহমদ (৩৮) নির্মমভাবে খুন হন।  নিহত আসুক পেশায় সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক ও কেছরীগুল গ্রামের মঈন উদ্দিন মনাই’র ছেলে। ঘটনার পর পরই ভাতিজা সুমন আহমদ (২৮) পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা রুজু হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, হত্যাকারী সুমনকে গ্রেফতারের জোর চেষ্টা চলছে।

এদিকে গত ০৬ অক্টোবর সকাল ১০টায় উপজেলার দাসেরবাজার ইউপি’র পশ্চিম গুলুয়া গ্রামের মৃত ললিত মোহন দাসের স্ত্রী মায়া রাণী দাসকে (৫৫) নিজকক্ষে ঢুকে কাঁচি  দিয়ে কুপিয়ে খুন করে ভাসুরপুত্র নৃপেশ দাস সুনাই (২৫)। ঘটনার পর পরই এলাকাবাসী অভিযুক্ত নৃপেশকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। পরে আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় ওই ঘাতক। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জাহাঙ্গীর আলম জানান, জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে চাচী মায়া রাণীকে কুপিয়ে হত্যা করে সুনাই। আদালতে সে চাচী হত্যার দায় স্বীকার করেছে।

অপরদিকে গত ২৯ সেপ্টেম্বর সকাল পৌনে ১১টায় প্রকাশ্য দিবালোকে পূর্ব বিরোধের জেরে উপজেলার উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও ইউপি আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন আলমকে (৩৮) দা দিয়ে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করে কাজল মিয়া (৪৭)। নিহত আলম সায়পুর গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে। এই ঘটনায় আলমের বাবা খলিলুর রহমান ওইদিন রাতেই কাজল মিয়াকে প্রধান আসামী করে আরওা ৪/৫জনকে অজ্ঞাতনামা রেখে থানায় হত্যা মামলা রুজু করেন। ঘটনার পরদিন ৩০ সেপ্টেম্বর ভোরে খুনি কাজল ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়দের হাতে আটক হয়। পরে তাকে থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। কাজল আদালতে এ হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছে। তবে এ হত্যাকাÐে ব্যবহৃত সেই দা এখনও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। নিহতদের পরিবার ও স্থানীয়দের দাবি, রাজনৈতিক জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে পরিকল্পিতভাবে কাজলকে ব্যবহারের মাধ্যমে দু’বারের মেম্বার আলমকে খুন করানো হয়েছে। এ ঘটনার পর মূল হোতাদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ফাঁসির দাবিতে এলাকায় বিক্ষোভ-সমাবেশ অব্যাহত রয়েছে।

এছাড়া গত ১৩ সেপ্টেম্বর ভোররাতে উপজেলার চান্দগ্রামে নিজ বাড়িতে খুন হন বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত ব্রিটিশ নাগরিক ফাতির আলীর স্ত্রী মায়ারুন নেছা (৬৬)। পুত্রবধূর পরকীয়ার জেরেই খুন হন তিনি। এ ঘটনায় নিহতের দেবর হারিছ আলী বাদী হয়ে দু’জনের নামোল্লেখ ও আরও কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা  রেখে থানায় মামলা করেন। এ ঘটনায় জড়িত পুত্রবধূ ফাহিমা (২৮) ও ফাহাদ আহমদ সবুজ (২২) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। ফাহিমা ও সবুজ পৃথকভাবে বড়লেখা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হাসান জামানের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই অমিতাভ দাস তালুকদার জানান, গৃহবধূূ ফাহিমা তার স্বামীর অবর্তমানে জনৈক ব্যক্তির সাথে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। ঘটনার রাতে শ্বাশুড়ী বিষয়টি টের পাওয়ায় তাকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়। তিনি আরও জানান, এই ঘটনার মূল আসামীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

একই দিন ১৩ সেপ্টেম্বও কোরবানির মাংস বণ্টন নিয়ে প্রতিপক্ষের দা’র কোপে কুতুব আলী নামের এক ব্যক্তি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ ঘটনার পর পরই এলাকাবাসী হত্যাকারী আব্দুল জলিলকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে ঘাতক।

এ বিষয়ে বড়লেখা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সহিদুর রহমান জানান, উপজেলার আইন-শৃক্সক্ষলা পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আছে। সাম্প্রতিককালে যে কয়টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে,  সেগুলোর প্রায় সবগুলোরই রহস্য উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। পৃথক এসব ঘটনার সাথে জড়িত চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসব হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্যদেরও দ্রুত গ্রেফতার করা হবে।

জেএ/এমওআর

বাংলাদেশের টেস্ট দল ; চমকের আরেকনাম

18479বছরের শুরুর দিকে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে। টুর্নামেন্টে প্রথম ম্যাচটি যেখানে খেলেছিল বাংলাদেশ, নয় মাস পর সেই চট্টগ্রামেই মেহেদী হাসান মিরাজ পেয়ে যেতে পারেন স্বপ্নের টেস্ট ক্যাপ! বাংলাদেশের সবশেষ যুব দলের অধিনায়ক ডাক পেয়েছেন টেস্ট দলে।

শুধু মিরাজই নয়, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের বাংলাদেশ দলে চমক আর বদলের ছড়াছড়ি। সীমিত ওভারের নিয়মিত মুখ সাব্বির রহমান এবার সুযোগ পেলেন টেস্ট দলে। কার্যকর একটি পেস আক্রমণ গড়ার নিয়ত চেষ্টায় এবার ডাকা হয়েছে পেসার কামরুল ইসলাম রাব্বিকে। ফিরেছেন আরেক পেসার শফিউল ইসলাম। ফিরেছেন অফস্পিনিং অলরাউন্ডার শুভাগত হোমও। সুযোগ পেয়েছেন উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান নুরুল হাসান।

সব মিলিয়ে গত বছরের জুলাই-অগাস্টে বাংলাদেশের সবশেষ টেস্ট স্কোয়াড থেকে পরিবর্তন ছয়টি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সেই দল থেকে এবার নেই মুস্তাফিজুর রহমান, জুবায়ের হোসেন, লিটন দাস, মোহাম্মদ শহীদ, নাসির হোসেন ও রুবেল হোসেন।

১৪ সদস্যের দলে পেসার মাত্র দুজন। একাদশে তিন স্পিনার খেলানোর ইঙ্গিত দিয়ে রাখলেন নির্বাচকরা।

জেনুইন অলরাউন্ডার হলেও মিরাজকে নেওয়া হয়েছে মূলত বোলিং সামর্থ্যের কারণে। সাকিব আল হাসান ও তাইজুল থাকায় তৃতীয় আর কোনো বাঁহাতি স্পিনার চাননি নির্বাচকেরা।

লেগ স্পিনার জুবায়ের হোসেন হারিয়েছেন নির্বাচক ও টিম ম্যানেজমেন্টের ভরসা। নির্বাচকরা বেছে নিয়েছেন অফ স্পিনার মিরাজ ও শুভাগতকে।

১২টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচে ৪১ উইকেট নিয়েছেন মিরাজ। এর মধ্যে গত জাতীয় লিগেই ৫ ম্যাচে নিয়েছিলেন ৩০ উইকেট। ব্যাট হাতে ১৪ ইনিংসে গড় ৪০.৩০, অর্ধশত ৫টি।

শুভাগতকে ফেরানোর পেছনেও নির্বাচকরা জানালেন তার স্পিন সামর্থ্যের কথা। ইংল্যান্ডের বেশ কজন ব্যাটসম্যান বাঁহাতি বলে দুজন অফ স্পিনার রেখেছেন নির্বাচকরা।

কামরুল দেশের ক্রিকেটে খেলছেন বেশ কবছর ধরেই। মোটামুটি পারফর্মও করেছেন। জাতীয় দলের দরজায় কড়া নাড়ছিলেন বেশ কিছু দিন ধরেই। গত বছর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজের দলে থাকলেও আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়নি রাব্বির। ৪৭টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচে তার উইকেট ১০৩টি।

শফিউল সবশেষ টেস্ট খেলেছেন ২০১৪ সালের নভেম্বরে, চট্টগ্রামেই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। ২০১০ সালে এই চট্টগ্রামেই অভিষেক। ৮ টেস্ট খেলে নিয়েছেন ১৫ উইকেট। আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ দিয়ে ফিরেছিলেন ওয়ানডেতে। ফেরার চক্র পূরণ করলেন টেস্ট দলে জায়গা পেয়ে।

গত মৌসুমের শেষ তিন টেস্টে কিপিং গ্লাভস ছেড়ে শুধু ব্যাটসম্যান হিসেবেই খেলেছেন মুশফিকুর রহিম। কিপিং সামলেছেন লিটন; উইকেটের সামনে-পেছনে খারাপ ছিল না পারফরম্যান্স। কিন্তু জাতীয় লিগের ম্যাচে কাঁধে চোট পাওয়াটাই কাল হলো লিটনের। চোট সারলেও ম্যাচ খেলার মত ফিট নন এখনও। সুযোগ পেলেন নুরুল হাসান।

অনেক দিন থেকেই নুরুলকে মনে করা হচ্ছে দেশের সেরা উইকেটকিপার। জাতীয় দলের বিবেচনায় এর আগে মূলত টি-টোয়েন্টি স্পেশালিস্ট হিসেবেই ভাবা হয়েছে তাকে। ৬টি টি-টোয়েন্টি খেলে জায়গা হারিয়েছেন দলে। তবে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটেও রেকর্ড তার যথেষ্টই উজ্জ্বল। ৪৯টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচে করেছেন ৫টি সেঞ্চুরি, ব্যাটিং গড় ৪১.৮১। সপ্তাহখানেক আগেই জাতীয় লিগে করেছেন দারুণ এক সেঞ্চুরি।

ঘরোয়া ক্রিকেটে রানের বন্যা বইয়ে দেওয়ার পর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচেও রান পেয়েছিলেন শাহরিয়ার নাফীস। তবু খুলতে পারেননি ফেরার দরজা। সাম্প্রতিক ফর্ম নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও টিকে গেছেন সৌম্য সরকার।

আগামী বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে প্রথম টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড।

প্রথম টেস্টের বাংলাদেশ দল: মুশফিকুর রহিম (অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, ইমরুল কায়েস, মুমিনুল হক, মাহমুদউল্লাহ, সাকিব আল হাসান, মেহেদী হাসান মিরাজ, সাব্বির রহমান, সৌম্য সরকার, তাইজুল ইসলাম, শুভাগত হোম চৌধুরী, শফিউল ইসলাম, কামরুল ইসলাম রাব্বি, নুরুল হাসান।

Developed by: