বিভাগ: খেলাধুলা

বিগ ব্যাশে বিগ কাণ্ড ঘটিয়েছেন ক্রিস গেইল

বাসিয়া ডেস্ক ঃ অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতা বিগ ব্যাশে ভীষণ এক কাণ্ড ঘটিয়েছেন ক্রিস গেইল।

টুর্নামেন্টে সোমবার রাতে হোবার্ট হারিকেন্সের মুখোমুখি হয়েছিল গেইলের দল মেলবোর্ন রেনেগেডস। হারিকেন্সের দেওয়া ১৪১ রানের জবাবে রেনেগেডসের হয়ে ১৫ বলে ৪১ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে কেবল ডাগ আউটে এসেছেন গেইল। ওই সময় গেইলের সাক্ষাৎকার নিতে আসেন বিগ ব্যাশ সম্প্রচার সংস্থা চ্যানেল টেনের নারী সাংবাদিক মেলানি ম্যাকলাফলিন।

সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে ম্যাকলাফলিনকে গেইল বলেন, ‘আমি তোমাকে সাক্ষাৎকার দেব বলেই আউট হয়ে এসেছি। প্রথম দেখাতেই তোমার চোখদুটো আমার দারুণ লেগেছে। আশা করি আমরা ম্যাচটা জিততে পারব। চল না ম্যাচ শেষে কোথাও একটু বসি।’

গেইল অবশ্য হাসতে হাসতেই কথাগুলো বলছিলেন। কিন্তু ব্যাপারটা ক্ষুব্ধ করেছে ওই নারী সাংবাদিককে, সম্প্রচার সংস্থা চ্যানেল টেনসহ বিগ ব্যাশ কর্তৃপক্ষকে। ব্যাপারটাকে ভালোভাবেই নেয়নি কেউই। বিগ ব্যাশ কর্তৃপক্ষ গেইলের মন্তব্যকে ‘অনভিপ্রেত’ ও ‘অগ্রহণযোগ্য’ হিসেবে অভিহিত করেছে। ব্যাপারটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তুমুল সমালোচনা চলছে।

ব্যাপারটা নিয়ে বিগ ব্যাশের প্রধান অ্যান্থনি এভারার্ড এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আমি গেইলের মন্তব্য শুনেছি। তার এমন মন্তব্য সত্যিই অসম্মানজনক ও অগ্রহণযোগ্য। কারণ এই লিগটা নারীরাসহ অপ্রাপ্ত বয়স্ক অনেকেই দেখছে। আমরা ব্যাপারটা নিয়ে ওর এবং রেনেগেডসের সঙ্গে কথা বলব।’

গেইল অবশ্য বুঝতে পারেননি ব্যাপারটা এতদূর গড়াবে। নিজের ‘কৃতকর্মে’র জন্য ক্ষমাও চেয়েছেন এই ক্যারিবিয়ান। মঙ্গলবার মেলবোর্ন বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে গেইল বলেন, ‘আমার মন্তব্যে সাংবাদিক ম্যাকলাফলিন যদি অসম্মানবোধ করেন তাহলে আমি তার কাছে ক্ষমা প্রার্থী। আমি যে মন্তব্য করেছি, তা সম্পূর্ণ মজা করে করা। তাকে অসম্মান করার কোনো উদ্দেশ্য আমার ছিল না।’
তথ্যসূত্র : ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া।

ইনজুরিতে রুবেল হোসেনের কপাল পুড়লো !

বাসিয়া ডেস্ক : বাংলাদেশ ক্রিকেটে নিউজিল্যান্ড বধ বা ইংল্যান্ড বধের কথা বলতে গেলে রুবেল হোসেনের নাম সবার আগে চলে আসে। রুবেলের গতির কাছে বিশ্বের অনেক বাঘা বাঘা ব্যাটসম্যান নিজেদের সপে দিয়েছেন। তবে এখন রুবেল ব্যাটসম্যানদের আক্রমণ করছেন না বরং নিজেই আক্রান্ত ইনজুরিতে। বলা যায়, ভারত সফরই কাল হয়েছে। ‘এ’ দলের সঙ্গে ভারত সফরে গিয়ে ইনজুরি নিয়ে দেশে ফেরেন পেসার রুবেল হোসেন।

ভারতের বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে ‘এ’ দলের চার দিনের ম্যাচে বল করতে গিয়ে চোট পান বাঁ পায়ের পেশিতে। সফর অসমাপ্ত রেখে ফিরে আসতে হয় দেশে। মাঝে সিলেট সুপার স্টার্সের হয়ে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) ছয়টি ম্যাচ খেললেও এই পেসার আসলে পুরোপুরি সুস্থ ছিলেন না তখনো। বিপিএলের পর ফিটনেস ট্রেনিং করতে গিয়ে পায়ের বেশির ব্যথাটা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে আবারও।

সোমবার (২১ ডিসেম্বর) রুবেলের বাম পায়ের পেশিতে আলট্রাসাউন্ড স্ক্যান করানো হয়। স্ক্যান করার পর দেখা যায়, রুবেলের মাংস পেশী এখনো পুরোপুরি জোড়া লাগেনি। ফলশ্রুতিতে অ্যাপোলো হাসপাতাল এবং বিসিবির ফিজিও-চিকিৎসকেরা এবার তাই এক মাসের পূর্ণ বিশ্রাম দিয়েছেন রুবেলকে।

এই একমাস রুবেল হাঁটা ছাড়া আর কোনো কিছুই যেমন জগিং, দৌড়ানো এগুলো কিছুই করতে পারবেন না। তবে জাতীয় দলের ফিজিও বায়েজিদুল ইসলাম মনে করেন, এক মাসের বিশ্রামের পর পুনর্বাসন, ফিটনেস ও অনুশীলনের পর মাঠে ফিরতে রুবেলের সময় লাগবে প্রায় দুই থেকে আড়াই মাস।

রুবেলের ইনজুরি প্রসঙ্গে জাতীয় দলের ফিজিও বায়েজিদুল ইসলাম বললেন, ‘ছিঁড়ে যাওয়া পেশি জোড়া লাগাতে হলে আগামী চার থেকে ছয় সপ্তাহ পায়ের ওপর হাঁটা ছাড়া আর কোনো ভর দিতে পারবে না ও। দৌড়ানো, জগিং কিছুই করতে পারবে না। তবে শরীরের ওপরের অংশের ব্যায়ামগুলো করতে পারবে।’

সামনেই ক্রিকেটের ব্যস্ত সূচি। এশিয়া কাপ, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ কত কিছু। কিন্তু এমন সময়েই প্রায় আড়াই মাসের জন্য মাঠের বাইরে চলে যেতে হচ্ছে পেসার হান্ট দিয়ে উঠে আসা এই পেসারকে। তিনি নিজেও এটাকে দুর্ভাগ্য হিসেবে মানছেন। দেশের শীর্ষ দৈনিককে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানালেন রুবেল।

বললেন, ‘আমার দুর্ভাগ্য…এটাকে মেনে নেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই! আমার এখন একটাই চ্যালেঞ্জ—সুস্থ হয়ে মাঠে ফেরা। কী কী টুর্নামেন্ট আসছে, কী কী খেলতে পারব না, সেগুলো নিয়ে ভাবছি না। চোট নিয়ে খেললে তো আরও বড় ক্ষতি হবে।’

ভারত সফর থেকে ইনজুরি নিয়ে ফেরার পর আবার নিজেকে ফিরে পাওয়ার চেষ্টায় ছিলেন রুবেল। খেলেছেন বিপিএলের ছয়টি ম্যাচ। বিপিএলের পর পরই সেই পুরোনো চোট মাথাচাড়া দিয়ে উঠলো। তবে কি বিপিএলে চোট নিয়েই খেলেছেন? এমন প্রশ্নের উওরে রুবেল অবশ্য বললেন, ‘সে রকম কিছু নয়। বিপিএলের সময় ব্যথা হলে তো আমি খেলতেই পারতাম না।’

ফিজিও বায়েজিদ ইসলামও জানালেন রুবেল ফিট ছিলেন বিধায়ই খেলতে দেয়া হয়েছে। তবে কেন সেই পুরোনো চোট আবারো ফিরে এলো সেই প্রশ্নের উত্তর ছিলো না তার কাছে।

বিপিএল শেষে প্রায় সব ক্রিকেটাররাই ছুটিতে। কেউ দেশে আবার কেউ বা দেশের বাইরে। অন্যদের মত রুবেলও যাচ্ছেন নিজের গ্রামের বাড়িতে। ফিজিওর বেঁধে দেয়া এক মাসের বিশ্রাম কাটাতেই যে তার সেখানে যাওয়া ।

গাপটিলের তাণ্ডবে বিধ্বস্ত শ্রীলঙ্কা

স্পোর্টস ডেস্ক : ম্যটি হেনরি, মিচেল ম্যাকক্লেনাগানের দারুণ বোলিংয়ে শ্রীলঙ্কার ইনিংস শেষেই নিউ জিল্যান্ডের জয় এক রকম নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। এরপর মার্টিন গাপটিলের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে অতিথিদের ১০ উইকেটে হারিয়েছে ব্রেন্ডন ম্যাককালামের দল।

এই জয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে নিউজিল্যান্ড।

সোমবার হ্যাগলি ওভালে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ২৭ ওভার ৪ বলে ১১৭ রানে অলআউট হয়ে যায় শ্রীলঙ্কা। নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে এটি তাদের তৃতীয় সর্বনিম্ন রান। মাত্র ৮ ওভার ৪ বলে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় নিউ জিল্যান্ড।

ছোটো লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে রীতিমত খুনে মেজাজে ছিলেন গাপটিল। টম ল্যাথামের সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন ১১৮ রানের জুটিতে প্রায় শতকই পেয়ে যাচ্ছিলেন। মাত্র ৩০ বলে অপরাজিত ৯৩ রানের বিধ্বংসী এক ইনিংসে অতিথিদের চোখের জল নাকের জল এক করে ছেড়েছেন তিনি।

৯টি চার ও ৮ ছক্কায় সাজানো এই ইনিংস খেলার পথে ওয়ানডে ইতিহাসের দ্বিতীয় দ্রুততম অর্ধশতকে পৌঁছনোর রেকর্ড গড়েন গাপটিল।

১৭ বলে অর্ধশতক করেন গাপটিল। এক সময় ১২ বলে ৪৬ ছিল তার! এবি ডি ভিলিয়ার্সের বিশ্ব রেকর্ড (১৬ বলে অর্ধশতক) ভাঙার সুযোগটা তাই হারিয়েছেন বলা যায়। তবে ম্যাককালামকে (১৮) পেছনে ফেলে নিউ জিল্যান্ডের দ্রুততম অর্ধশতকের রেকর্ড ঠিকই গড়েছেন তিনি।

১৭ রানে অপরাজিত থাকেন অন্য উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ল্যাথাম।

২৫০ বল হাতে রেখে জেতে নিউ জিল্যান্ড। বল অব্যবহৃত রাখার দিক থেকে এটি ওয়ানডেতে সপ্তম বড় জয়। প্রথম দল হিসেবে নিউ জিল্যান্ড তিন বার ২৫০ বা তার বেশি বল হাতে রেখে জিতল। আর এর প্রতিবারই তারা জেতে ১০ উইকেটে।

গাপটিল ঝড়ে ওভার প্রতি ১৪.১৬ করে রান তোলে নিউ জিল্যান্ড। ওয়ানডেতে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান রেট। ওয়ানডের সর্বোচ্চ চারটি রান রেটই কিউইদের দখলে।

এর আগে হেনরি, ম্যাকক্লেনাগানের মারাত্মক বোলিংয়ে শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেটে হারানো শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ কোনোমতে একশ’ পার হয়। ২০ রানে উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পর প্রতিরোধ গড়তে পারেননি কেউই। পাঁচ ব্যাটসম্যান দুই অঙ্ক ছুলেও তার কেউ ২০ পর্যন্ত যেতে পারেননি।

সর্বোচ্চ ১৯ রান আসে নুয়ান কুলাসেকারার ব্যাট থেকে।

৩৩ রানে ৪ উইকেট নিয়ে নিউজিল্যান্ডের সেরা বোলার হেনরি। ম্যাকক্লেনাগান ৩ উইকেট নেন ৩২ রানে।

ক্রিকেট টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রাথমিক দলে থাকতে পারে নতুন মুখ

ক্রীড়া প্রতিবেদকঃ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রাথমিক দলে পুরনো কয়েক জনকে ফেরানোর পাশাপাশি নতুন মুখও রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রধান নির্বাচক ফারুক আহমেদ।

শনিবার ফারুক সাংবাদিকদের জানান, শিগগিরই ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) ২৫/২৭ জনের একটি প্রাথমিক দল জমা দেবেন নির্বাচকরা।

“আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে শুরু হবে জাতীয় দলের ক্যাম্প। প্রথমে হবে কন্ডিশনিং ক্যাম্প। এরপর স্কিল অনুশীলন শুরু হবে। দুই-এক দিনের মধ্যেই দলটা ঘোষণা হয়ে যাবে।”

কিছু দিন আগেই হয়ে যাওয়া বিপিএলে খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স নির্বাচকদের বিবেচনায় ছিল। তবে এটার ওপর পুরোপুরি নির্ভর করা হয়নি বলেও জানান ফারুক।

“আমরা সব সময় চেষ্টা করি, বাংলাদেশের সম্ভাব্য সেরা একটি দল খুঁজে বের করতে। কেউ হয়তো সাম্প্রতিক অতীতে বাংলাদেশ দলে খেলেনি। কিন্তু খুব ভালো পারফরম্যান্স করেছে। সুযোগ দিলে হয়তো সে আরও ভালো কিছু করতে পারে। এসব কিছুই বিবেচনায় ছিল।”

১৮২ রান করেও বাদ মার্শ

বাসিয়া ডেস্ক : ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে হোবার্ট টেস্টে ক্যারিয়ার সেরা ব্যাটিংয়ের পরও একাদশে জায়গা হারিয়েছেন শন মার্শ। চোট কাটিয়ে ফেরা উসমান খাওয়াজাকে মেলবোর্ন টেস্টে জায়গা দিতে এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যানকে বাদ দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

হোবার্টে ১৮২ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলার পথে অ্যাডাম ভোজেসের সঙ্গে ৪৪৯ রানের বিশাল এক জুটি গড়েন মার্শ। টেস্টের ইতিহাসে চতুর্থ উইকেটে এটাই সর্বোচ্চ রানের জুটি।

অন্য দিকে, হ্যামস্ট্রিং চোটের জন্য এক মাস মাঠের বাইরে থাকা খাওয়াজাও আছেন দারুণ ছন্দে। চোটে পড়ার আগে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে টানা দুটি টেস্টে শতক করেন তিনি। মাঠে ফেরার পর বিগ ব্যাশে খেলা একমাত্র ম্যাচেও ছুয়েছেন তিন অঙ্ক।

খাওয়াজা ফেরায় একাদশ থেকে একজনকে বাদ দিতেই হবে অস্ট্রেলিয়াকে। বাদ পড়ার সম্ভাবনা ছিল উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান জো বার্নসের। নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে গ্যাবা টেস্টে নিজের প্রথম শতকে পৌঁছনোর পর থেকে আর অর্ধশতকেও যেতে পারছিলেন না তিনি। কিন্তু ডেভিড ওয়ার্নারের সঙ্গে তার দারুণ জুটি এ যাত্রায় বাঁচিয়ে দিয়েছে তাকে।

নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ার্নারের সঙ্গে টানা তিনটি শতরানের জুটি গড়েন বার্নস।

খাওয়াজা ফেরায় চার নম্বরে ফিরে যেতে পারবেন শেষ কয়েক টেস্টে তিনে ব্যাট করা অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ।

শনিবার বড়দিনের উৎসবের আমেজে মেলবোর্নে শুরু হবে দ্বিতীয় টেস্ট। প্রথম টেস্ট ইনিংস ও ২১২ রানে জিতে তিন ম্যাচের সিরিজে এগিয়ে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

মাশরাফিদের ধর্মশালায় ক্যাম্প হচ্ছে না

বাসিয়া ডেস্ক : বিশ্বকাপের ‘ফর্মুলা’ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অনুসরণ করা হচ্ছে না বাংলাদেশের। বাংলাদেশের প্রথম রাউন্ডের ম্যাচগুলোর ভেন্যু ধর্মশালায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ক্যাম্প আয়োজন করা সম্ভব নয় বলে মনে করছে বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা কমিটির প্রধান নাইমুর রহমান।

ওয়ানডে বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনে দুই সপ্তাহের একটি প্রস্তুতি ক্যাম্প করেছিল বাংলাদেশ। বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো কোয়ার্টার-ফাইনালে পৌঁছানোতে ওই ক্যাম্প কাজে লেগেছে।

আগামী বছর ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূল পর্ব সুপার টেনে যেতে হলে আগে প্রথম রাউন্ডের বাধা পার হতে হবে বাংলাদেশকে। এই পর্বে তাদের সব ম্যাচ হবে ধর্মশালায়।

বাংলাদেশের কোচ চন্দিকা হাথুরুসিংহে ধর্মশালায় একটি ক্যাম্প করার ব্যাপারে সুপারিশ করেছিলেন। খোঁজ খবর নিয়ে প্রতিকূল আবহওয়ার জন্য তা সম্ভব হবে না বলে জানিয়েছে ক্রিকেট পরিচালনা কমিটি।

বুধবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নাইমুর রহমান প্রস্তাবিত ক্যাম্প সম্পর্কে বলেন, “আমি কোচের সুপারিশটা দেখেছি। এটা নিয়ে আমাদের সিইও (নিজাম উদ্দিন চৌধুরী) খোঁজ নিয়েছেন। কিন্তু আবহাওয়ার জন্য ব্যাপারটা সম্ভব হবে না।”

ধর্মশালায় এখন তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ হবে গ্রীষ্মের শুরুতে। তখন সেখানে তাপমাত্রা থাকবে ১৪ থেকে ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এখনকার কন্ডিশন বিশ্বকাপের মতো নয় বলে আগে পাঠিয়ে কোনো লাভও দেখছেন না নাইমুর।

“গেলে এশিয়া কাপের আগে যেতে হবে। সে সময় আবহাওয়া এতটাই প্রতিকূল থাকবে যে, গিয়ে লাভ হবে না। এশিয়া কাপ শেষ হলে তো বিশ্বকাপই শুরু হবে। আমাদের যত দ্রুত সম্ভব কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে।”

কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে যথেষ্ট সময় নাও পেতে পারেন মাশরাফিরা। ২৪ ফেব্রুয়ারি শুরু হতে যাওয়া এশিয়া কাপের ফাইনাল হবে ৬ মার্চ। ফাইনালে উঠলে ৪ ও ৬ মার্চের বিশ্বকাপের দুটি প্রস্তুতি ম্যাচে খেলা হবে না বাংলাদেশের। ৯ মার্চ নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে মাশরাফিদের সুপার টেনে যাওয়ার অভিযান।

পিএসএলে শেখার তাড়না মুস্তাফিজের

ক্রীড়া প্রতিবেদক : আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের বছরেই দেশের বাইরের লিগে খেলার সুযোগ মেলায় খুশি মুস্তাফিজুর রহমান। পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) খেলে নিজেকে আরও শাণিত করতে চান এই তরুণ বাঁহাতি পেসার।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বুধবার মুস্তাফিজ জানান, প্রথম দিনই পিএসএলে দল পেয়ে দারুণ খুশি তিনি। নিজের অভিজ্ঞতা বাড়ানোর এই সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগাতে চান তিনি।

পিএসএলের খেলোয়াড় বাছাইয়ের ‘গোল্ড ক্যাটেগরি’ থেকে বিশ্ব ক্রিকেটের নতুন সেনসেশন মুস্তাফিজকে দলে নেয় লাহোর কালান্দার্স। এই দলের আইকন খেলোয়াড় হলেন ক্রিস গেইল। কদিন আগেই বিপিএলের এক ম্যাচে তাকে দারুণ এক কাটারে বোল্ড করেছিলেন মুস্তাফিজ।

বিশ্ব জুড়ে টি-টোয়েন্টির সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন গেইল। তার সঙ্গে এবার খেলার সুযোগ পেয়ে রোমাঞ্চিত মুস্তাফিজ।

আপাতত কোনো টেস্ট-ওয়ানডে নেই বাংলাদেশের। সামনে আছে টি-টোয়েন্টির বড় দুই টুর্নামেন্ট এশিয়া কাপ ও বিশ্বকাপ। তারই প্রস্তুতিতে মগ্ন হবেন ক্রিকেটাররা। পিএসএলে খেলার সুযোগ সেই প্রস্তুতিতে বাড়তি সুবিধা এনে দেবে বলে মনে করেন মুস্তাফিজ।

আন্তর্জাতিক ম্যাচ দিয়ে টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক হওয়া মুস্তাফিজ এই সংস্করণে খুব বেশি খেলার সুযোগ পাননি। তাই টি-টোয়েন্টির অলিগলি চিনতে যত বেশি সম্ভব ম্যাচ খেলতে চান বলে জানালেন ২০ বছর বয়সী এই পেসার।

“আমি যত বেশি সম্ভব খেলতে চাই। আমি জানি, শেখার কোনো শেষ নাই। যত বেশি খেলব, তত বেশি শিখব। আমি এই সুযোগ কাজে লাগাতে চাই।”

এখনও লাহোরের পুরো দল দেখা হয়ে উঠেনি মুস্তাফিজের। তবে দলে বিপিএলে ঢাকা ডায়নাইমাইট সতীর্থ ইয়াসির শাহ, চিটাগং ভাইকিংসের কামরান আকমল, বরিশাল বুলসের গেইল-কেভন কুপারের উপস্থিতিতে তার কাছে আবহটা চেনাই মনে হচ্ছে।

এ পর্যন্ত ১৫টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন মুস্তাফিজ। ১৬.৩০ গড়ে ২০ উইকেট নেওয়া এই পেসার ওভার প্রতি রান দিয়েছেন ৫.৭১ করে।

গেইলের লাহোরে মুস্তাফিজ, আফ্রিদির পেশাওয়ারে তামিম

ক্রীড়া প্রতিবেদক :
পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) টি-টোয়েন্টিতে মুস্তাফিজুর রহমানকে দলে নিয়েছে লাহোর কালান্দার্স। আর তামিম ইকবালকে নিয়েছে পেশাওয়ার জালমি। পিএসএলে সাকিবকে নিল করাচি কিংস লাহোরের দলটির আইকন ক্রিকেটার ক্রিস গেইল, পেশাওয়ারের শহীদ আফ্রিদি।

কদিন আগে বিপিএলে মুখোমুখি হয়েছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিস্ফোরক ব্যাটসম্যান গেইল ও বিশ্ব ক্রিকেটের নতুন সেনসেশন মুস্তাফিজ। দুজনের প্রথম দেখায় দারুণ এক কাটারে গেইলকে প্রথম বলেই বোল্ড করেছিলেন মুস্তাফিজ।

এর আগে পিএসএলের সবচেয়ে দামি ক্যাটেগরি, ‘প্লাটিনাম’ থেকে সাকিব আল হাসানকে দলে নিয়েছিল করাচি কিংস। মুস্তাফিজ আর তামিম ছিলেন ‘গোল্ড’ ক্যাটেগরিতে।

এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সিপিএল, শ্রীলঙ্কার এসএলপিএল, ইংল্যান্ড ও নিউ জিল্যান্ডের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টিতে খেলেছেন তামিম। আইপিএলে দলে থাকলেও খেলা হয়নি। আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখার বছরেই দেশের বাইরের লিগে খেলার সুযোগ পেয়ে গেলেন মুস্তাফিজ।

‘প্লাটিনাম’ ক্যাটেগরিতে পারিশ্রামিক ১ লাখ ৪০ হাজার ডলার হলেও পাঁচ দলের পাঁচ ‘আইকন’ ক্রিকেটার, আফ্রিদি, মালিক, গেইল, পিটারসেন ও ওয়াটসন পাবেন ২ লাখ ডলার করে।

‘গোল্ড’ ক্যাটেগরির ক্রিকেটারদের পারিশ্রামিক ৫০ হাজার ডলার; ‘সিলভার’ ক্যাটেগরিতে ২৫ হাজার।

৫টি ক্যাটেগরিতে ১৩৮ জন পাকিস্তানি ক্রিকেটারসহ মোট ৩১০ জন ক্রিকেটার আছেন পিএসএলের প্লেয়ার্স ড্রাফটে। তবে সুযোগ পাবেন সর্বোচ্চ ১০০ জন ক্রিকেটার।

সোমবার ড্রাফটের প্রথম দিনে ৫ দল নিয়েছে ৯ জন করে ক্রিকেটার। মঙ্গলবার দ্বিতীয় দিনে ‘সিলভার’ ক্যাটেগরি থেকে ৫ জন করে এবং উঠতি ক্রিকেটার ক্যাটেগরি থেকে ২ জন করে ক্রিকেটার নিতে হবে সব দলকেই। এরপর বাড়তি নেওয়া যাবে আর ৪ জন করে। অর্থাৎ, সব দলকেই অন্তত ১৬ জন ক্রিকেটার নিতে হবে। আর সর্বোচ্চ নেওয়া যাবে ২০ জন। ১৬ জনের বাইরে অতিরিক্তি ৪ জনের মধ্যে বিদেশি থাকতে পারবে ১ জনই।

ড্রাফটে ‘গোল্ড’ ক্যাটেগরিতে বাংলাদেশের আরও আছেন মুশফিকুর রহিম, সৌম্য সরকার ও শাহরিয়ার নাফিস। ‘সিলভার’ ক্যাটেগরিতে আছেন মাহমুদউল্লাহ, এনামুল হক, মুমিনুল হক ও ইমরুল কায়েস।

বেশ কয়েক বছর ধরে পরিকল্পনার পর অবশেষে আগামী বছর শুরু হতে যাচ্ছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক এই টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট। আগামী ৪ থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতে হবে এই টুর্নামেন্ট।

ওই সময় বাংলাদেশের কোনো খেলা নেই। পুরো টুর্নামেন্টই তাই খেলতে পারবেন সাকিব-মুস্তাফিজ-তামিম। এশিয়া কাপ ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে ম্যাচ অনুশীলনটাও হয়ে যাবে ভালোমতো।

প্রথম দিন শেষে কে কোন দলে:

ইসলামাবাদ ইউনাইটেড: শেন ওয়াটসন, আন্দ্রে রাসেল, মিবাহ-উল-হক, স্যামুয়েল বদ্রি, মোহাম্মদ ইরফান, ব্র্যাড হাডিন, শার্জিল খান, মোহাম্মদ সামি, খালিদ লতিফ।

করাচি কিংস: শোয়েব মালিক, সাকিব আল হাসান, সোহেল তানভির, ইমাদ ওয়াসিম, রবি বোপারা, লেন্ডল সিমন্স, মোহাম্মদ আমির, বিলাওয়াল ভাট্টি, জেমস ভিন্স।

পেশাওয়ার জালমি: শহীদ আফ্রিদি, ওয়াহাব রিয়াজ, ড্যারেন স্যামি, কামরান আকমল, মোহাম্মদ হাফিজ, ক্রিস জর্ডান, তামিম ইকবাল, জুনাইদ খান, জিম অ্যালেনবাই।

কোয়েটা কালান্দার্স: কেভিন পিটারসেন, সরফরাজ আহমেদ, আহমেদ শেহজাদ, আনোয়ার আলি, জেসন হোল্ডার, লুক রাইট, জুলফিকার বাবর, উমর গুল, এল্টন চিগুম্বুরা।

লাহোর কালান্দার্স: ক্রিস গেইল, ডোয়াইন ব্রাভো, উমর আকমল, মোহাম্মদ রিজওয়ান, ইয়াসির শাহ, সোহেব মাকসুদ, মুস্তাফিজুর রহমান, কেভন কুপার, ক্যামেরন ডেলপোর্ট।

লিড পাওয়ার পথে শ্রীলঙ্কা

দুশমন্থ চামিরার ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে হ্যামিল্টন টেস্টে লিড পাওয়ার পথে রয়েছে শ্রীলঙ্কা।

দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে নিউ জিল্যান্ডের সংগ্রহ ৯ উইকেটে ২৩২ রান। ডগ ব্রেসওয়েল ৩০ রানে ব্যাট করছেন। তৃতীয় দিন তার সঙ্গে ব্যাটিংয়ে নামবেন ১১ নম্বর ব্যাটসম্যান ট্রেন্ট বোল্ট।

এক উইকেট হাতে নিয়ে ৬০ রানে পিছিয়ে রয়েছে নিউ জিল্যান্ড।

গতির ঝড় তোলার আর সুইংয়ে ব্যাটসম্যানদের কাঁপিয়ে দেওয়ার সব উপকরণ আছে সেডন পার্কের পিচে। প্রথম দিন সেই সুবিধা নিতে পারেননি নিউ জিল্যান্ডের পেসাররা। দ্বিতীয় দিন পেরেছেন দুই দলের বোলাররা।

টম ল্যাথামের সঙ্গে ৮১ রানের জুটিতে শুরুটা ভালো হয়েছিল নিউ জিল্যান্ডের। তবে ল্যাথামকে ফিরিয়ে চামিরা ২২.৫ ওভার স্থায়ী উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পর আর পেছনে তাকাতে হয়নি অতিথিদের।

চলতি বছরটা দারুণ কাটানো কেন উইলিয়ামসন (১) ও অভিজ্ঞ রস টেইলরকে (শূন্য) দ্রুত বিদায় করে নিউ জিল্যান্ডকে চাপে ফেলেন চামিরা।

অর্ধশতক করা মার্টিন গাপটিল (৫০) আর অভিষেক থেকে টানা ৯৯ টেস্ট খেলে রেকর্ড গড়া ব্রেন্ডন ম্যাককালামকে (১৮) ফিরিয়ে স্বাগতিকদের চাপ আরও বাড়ান রঙ্গনা হেরাথ।

১২৮ রানে প্রথম পাঁচ ব্যাটসম্যানকে হরানো নিউ জিল্যান্ড বড় বিপদের হাত থেকে বাঁচান মিচেল স্যান্টনার (৩৮), বিজে ওয়াটলিং (২৮) ও নেইল ওয়াগার (১৭)।

৪৭ রানে ৫ উইকেট নিয়ে শ্রীলঙ্কার সেরা বোলার পেসার চামিরা। ক্যারিয়ার এই প্রথম পাঁচ উইকেটে পেলেন তিনি।

এর আগে শনিবার ৭ উইকেটে ২৬৪ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে শ্রীলঙ্কা। আগের দিন শেষ বেলায় উইকেট দ্রুত উইকেট হারানো অতিথিরা এই দিনও খুব একটা ভালো করতে পারেনি। দ্রুত শেষ তিন উইকেট হারিয়ে তিনশ’ রানও করতে পারেনি পারেনি তারা।

২৮ রান যোগ করতেই শেষ তিন উইকেট হারানো শ্রীলঙ্কা অলআউট হয় ২৯২ রানে।

শুরুতেই অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসকে (৭৭) ফিরিয়ে শ্রীলঙ্কাকে বড় একটা ধাক্কা দেন টিম সাউদি। অধিনায়কের বিদায়ের পর বেশি দূর এগোয়নি অতিথিদের ইনিংস।

নিউ জিল্যান্ডের সাউদি ৬৩ রানে নেন ৩ উইকেট।

অধিনায়ক মাশরাফি ‘দশে শূন্য’!

নিজের নেতৃত্বগুণ নিয়ে একদমই উচ্ছ্বাস নেই মাশরাফি বিন মুর্তজার। অধিনায়ক হিসেবে নিজেকে দিচ্ছেন দশে শূন্য!

বাংলাদেশের ক্রিকেটকে ইতিহাসের সেরা সাফল্য এনে দিয়েছেন মাশরাফি এই বছর। এর পর বিপিএলেও দেখালেন তার নেতৃত্ব জাদু। কাগজে-কলমে শক্তিতে অনেক পিছিয়ে থাকা ও চোট-জর্জর একটি দলকে নেতৃত্ব দিলেন শিরোপা জয়ে। তিন বিপিএলের প্রতিটিতেই চ্যাম্পিয়ন অধিনায়ক মাশরাফি।

প্রতিদিনই যেন তার নেতৃত্ব স্পর্শ করছে নতুন উচ্চতা। বিপিএল ফাইনাল শেষে সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন হলো মাশরাফি নিজে অধিনায়ক হিসেবে নিজেকে কতটা নম্বর দেবেন? হাসিমুখে মাশরাফির উত্তর, “দশে শূন্য!”

সম্পূরক পাল্টা প্রশ্নটাও উঠল, কেন? ব্যখ্যা কি?

এবার নির্লিপ্ত কণ্ঠে মাশরাফির জবাব, “এটা নিয়ে আসলে আমার কোনো অনুভূতিই নেই!”

মাশরাফির উত্তরে অবশ্য খুব বিস্ময়ের কিছু নেই। বরাবরই নিজেকে নিয়ে বাড়াবাড়িতে খুবই সতর্ক বাংলাদেশ অধিনায়ক। তার নেতৃত্ব নিয়ে উচ্ছ্বাস এখন আকাশ ছুঁতে চাইছে বাংলাদেশের ক্রিকেটে। কিন্তু যথারীতি মাশরাফির পা বাস্তবতার জমিনে।

“অধিনায়ক হওয়ার পর এখনও বাজে সময় আসেনি। এজন্য সবাই প্রশংসা করছে। কিন্তু একটা দল সফল হলে পুরো দলেরই অবদান থাকে। দলের পরিকল্পনা থাকে, সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করাটা গুরুত্বপূর্ণ। কোচের অবদান থাকে। বাংলাদেশের কথা বলতে গেলে সবার আগে আমি চন্দিকা হাথুরুসিংহের কথা বলি। কুমিল্লার সাফল্যেও কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের অনেক অবদান।”

Developed by: