বিভাগ: খেলাধুলা

মুস্তাফিজুরের মজার ও বিস্ময়কর সব গল্প!

03আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আবির্ভাবের পর থেকেই মুস্তাফিজুর রহমান যেন ব্যাটসম্যানদের জন্য এক অদ্ভুত বিস্ময়। তার বোলিংয়ের রহস্য উন্মোচনে ব্যর্থ বিশ্বের বাঘা বাঘা সব ব্যাটসম্যান। এবার নিজের সম্পর্কে মজার ও বিস্ময়কর সব ঘটনা জানালেন তিনি নিজের মুখেই।

ইয়র্কারঃ
‘অনুর্ধ্ব-১৯ দলে থাকাকালীন এক ওভারে ৫টি ইয়র্কার দিতে পারতাম। সেটা নতুন বল, পুরনো বল দুটিতেই। এতে বল দ্রুত নষ্ট হয়ে যেত বলে ইমরান স্যার আমাকে বকা দিতেন। তবে, যেকোন নতুন ব্যাটসম্যান ক্রিজে আসলেই আমি একটা ইয়র্কার মারতাম!’

গ্রামে অনুশীলনঃ
‘গ্রামে আমাদের স্কুলের ফুটবল মাঠের এক পাশে আমি ভারতীয় ৫০০-৬০০ টাকার বল দিয়ে নিজে নিজে প্রাকটিস করতাম। পিচের উপর গুড লেন্থ ও ইয়র্কার এর জায়গাদুটি চিহ্নিত করে নিয়ে টানা বোলিং করে যেতাম।’

কাটারের বৈচিত্র্যঃ
‘আমি দুধরণের কাটার করতে পারি। একটা ফাস্ট একটা স্লো। ফাস্ট কাটারটা আমি শিখেছিলাম জাতীয় দলে ঢোকার আগে নেটে বিজয় ভাইয়ের বিরুদ্ধে বোলিং করার সময়। আর স্লো কাটারটা শিখেছি ভারতের সাথে প্রথম ওয়ানডের পর। দ্বিতীয় ম্যাচের আগে দুদিন গ্যাপ ছিল। ঐ সময় সাকিব ভাই আর সৌম্যের বিপক্ষে বোলিং করে করে এটা রপ্ত করি! এরপর দ্বিতীয় ওয়ানডেতেই প্রথম এটা করি।

টি-টোয়েন্টি অভিষেকঃ
‘অভিষেক টি-টোয়েন্টিতে ভয়ের চোটে আমি মাঠেই ঢুকতে পারছিলাম না। আবুল হাসান রাজু ভাইকে বলার পর উনি আমাকে সাহস দেন। বোলিং শুরু করার আগে দর্শকদের গর্জন শুনে আমি আরো ঘাবড়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু প্রথম বলটা করার পরই যখন তারা আমার জন্যে চিতকার করা শুরু করে আমার সব ভয় দূর হয়ে যায়।’

ভাল ব্যাটসম্যানঃ
‘আমার সব সময় ভাল ব্যাটসম্যানদের বিরুদ্ধে বল করতে ভাল লাগে। অনুশীলনেও আমি সাব্বির ভাই, বিজয় ভাইদের সামনে পেলে খুশী হয়ে যাই। এ কারণে ক্রিস গেইলের বিপক্ষে বল করার খুব ইচ্ছে আছে আমার।’

টেস্ট অভিষেকঃ
‘পাকিস্তান সিরিজের সময়েই নেটে আমাকে বল করতে দেখে হাতুরু জানতে চেয়েছিলেন আমি টেস্ট খেলতে প্রস্তুত কি না। তখন বলেছিলাম যে আমার আরো সময় দরকার। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের পর ঈদে বাড়ি যাবার জন্য টিকেটও কেটে ফেলেছিলাম। সৌম্য বাড়ি যেতে পারবে না বলে তাকে টিকেট দেখিয়ে মজাও নিচ্ছিলাম। এরপর তো আমি নিজেও টেস্ট দলে ঢুকে গেলাম, বাড়ি যাওয়া হলো না!’

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এসে একের পর ইতিহাস গড়েছেন মুস্তাফিজুর। তবে এতো কিছুর পরও নিজেকে খুব সাধারণ কেউ মনে করেন মুস্তাফিজুর। থাকতে চান আগের সেই সরল সহজ অতি সাধারণ মুস্তাফিজুরই! মাশরাফি বিন মুর্তজার মতো বড় ‘ভাই’ যার নেতা, তার কাছ থেকেতো এমন আচরণই স্বাভাবিক!
সূত্রঃ দ্য ডেইলি স্টার

বাংলাদেশে আসছেন রোনালদো!

004২০১১ সালেই আর্জেন্টিনা-নাইজেরিয়া প্রীতি ম্যাচ খেলতে ঢাকায় এসেছিলেন আর্জেন্টাইন গোলমেশিন ও বার্সা তারকা লিওনেল মেসি। ফুটবলের ক্ষুদে যাদুকর মেসির পর এবার পর্তুগাল ও রিয়াল তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ঢাকায় আসছেন বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।

তবে এর জন্য বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে গুনতে হবে অন্তত ২৫ কোটি টাকা। বিপুল অংকের টাকার এই শর্ত ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা পূরণ হলে আগামী নভেম্বরে পর্তুগালের সঙ্গে আফ্রিকার একটি দলের প্রীতি ম্যাচের ভেন্যু হতে পারে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম।

এই ম্যাচ আয়োজনের প্রস্তাবে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) কি সিদ্ধান্ত নিচ্ছে জানতে চাইলে বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন বলেন, ‘এজেন্ট প্রস্তাব দিয়েছে। তবে টাকার অংকটা অনেক বেশি। ১০ থেকে ১২ কোটি হলে হয়তো ভালো করে চেষ্টা করা যেতো। তারপরও দুই-একটা স্পনসরের সঙ্গে কথা বলা যেতে পারে।’

এর আগে, আর্জেন্টিনা-নাইজেরিয়ার প্রীতি ম্যাচটিতে বাফুফেকে ৩০ কোটি টাকারও বেশি খরচ করতে হয়েছিল। এই প্রীতি ম্যাচের সফল আয়োজনের পর রিয়াল মাদ্রিদ, বার্সেলোনার মতো দলকে ঢাকায় আনার প্রস্তাব দিয়েছিল এজেন্ট। তবে আর্থিক কারণে কোনো প্রস্তাবই গৃহীত হয়নি।
– See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/54747#sthash.SQntrSLM.dpuf

অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ভালো সিরিজের প্রত্যাশা মুশফিকের

7492afe871603c848b530c36a527e70aবিশ্বকাপের পর ঘরের মাঠে গত তিনটি সিরিজে দুর্দান্ত পারফর্ম করেছে বাংলাদেশ দল। পাকিস্তান, ভারত এবং দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জেতার পর এবার অপেক্ষা অস্ট্রেলিয়া সিরিজের। ২৮ সেপ্টেম্বর দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে আসবে অস্ট্রেলিয়া।

গত তিনটি সিরিজে ভালো করায় অজিদের বিপক্ষেও সেই ধারবাহিকতা বাংলাদেশ দল ধরে রাখতে পারবে বলে জানিয়েছেন মুশফিকুর রহিম। বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে দেশের অন্যতম ই-রিটেইল ব্র্যান্ড দারাজডটকমডটবিডি’র শুভেচ্ছা দূত অনুষ্ঠানে এই প্রত্যাশার কথা জানান বাংলাদেশ টেস্ট অধিনায়ক ।

টেস্ট র‌্যাঙ্কিয়ের এক নাম্বার দল দক্ষিণ আফ্রিকা। তারপর র‌্যাঙ্কিয়ের দুইয়ে আছে অস্ট্রেলিয়া। অস্ট্রেলিয়া সব সময় যেকোনো কন্ডিশনে শক্তিশালী হলেও তাদের সঙ্গে ভালো খেলার ব্যাপারে বেশ আশাবাদী মুশফিকুর রহিম।

মুশফিক বলেন, ‘দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়া দুটো দুই ধরনের দল। অস্ট্রেলিয়া এখন (অ্যাশেজে) যতই খারাপ খেলুক না কেন, যে কোনো কন্ডিশনেই ওরা নিজেদের মানিয়ে নিতে পারে। এজন্য বেশিরভাগ সময়ই টপ র‌্যাঙ্কিংয়ে থাকে ওরা। তাই ঐ সিরিজটি আমাদের জন্য অনেক কঠিন হবে। কিন্তু আমার একটা বিশ্বাস আছে, আমরা যে ধারাবাহিক ক্রিকেট খেলছি, এটা যদি বজায় থাকে, ইন-শা-আল্লাহ, অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ‍খুব ভালো একটা সিরিজ হবে বাংলাদেশ দলের।’

দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের পর ১৭ দিনের ছুটি পেয়েছেন ক্রিকেটাররা। ছুটি কাটিয়ে আবার ফিরতে হবে প্রস্তুতি ক্যাম্পে। ব্যস্ত হয়ে যেতে হবে ব্যাট-বলের লড়াইয়ে। তাইতো এই ছুটিটা নিজ এলাকা বগুড়ায় গিয়েই কাটাতে চাইছেন মুশফিক। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে এবং টেস্ট সিরিজের জন্য ক্রিকেটাররা নিজ বাড়িতে গিয়ে ঈদ করতে পারেননি। ঐ সময় ক্রিকেটাররা চট্টগ্রামে ছিলেন প্রথম টেস্ট ম্যাচের জন্য।

এ বিষয়ে মুশফিক বলেন, ‘আশা করবো এ সময়গুলোতে আমরা যা অর্জন করতে পেরেছি সেটা যেন আমরা উপভোগ করতে পারি। আপনারা জানেন, এখানে পরিবারের অনেক ত্যাগ আছে। (দক্ষিণ আফ্রিকা) সিরিজের জন্য আমরা তাদের সঙ্গে ঈদ করতে পারি নাই। আমাদের বেশির ভাগ সময়ই পরিবারের বাইরে থাকতে হয়। চেষ্টা করবো, বাবা-মা-ভাই-বোন সবার সঙ্গে সময় কাটাতে। তারপর আবার পরবর্তী চ্যালেজ্ঞের জন্য নামতে পারবো।’

ভারতকে সোনা এনে দিল বিস্ময় বালক রণবীর

06অটিজমে আক্রান্ত চোদ্দ বছরের এক কিশোরের এক স্বপ্নের সাফল্য। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস এঞ্জেলসে অনুষ্ঠিত স্পেশাল অলিম্পিক গেমস থেকে প্রথম ভারতীয় হিসেবে গলফে সোনা জয়ের কৃতিত্ব নিয়ে রণবীর সিংহ সাইনি এখন সারা দেশের চোখের মণি। আর সমস্ত স্পেশাল চাইল্ডদের জন্য গল্ফারের গর্বিত বাবার উক্তি, ‘‘হাল ছেড়ো না তোমরা।’’

মাত্র দু’বছর বয়সে স্নায়ুঘটিত অসুখ অটিজমের শিকার হয়েছিল ছোট্ট রণবীর। কার্যত ভেঙে পড়েছিলেন বাবা-মা। কিন্তু হাল ছাড়েননি। আর সেই দাঁতে দাঁত চাপা লড়াইয়েরই যেন এই অনন্য স্বীকৃতি। সব কিছু থেকে নিজেকে পুরোপুরি গুটিয়ে সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়াই ছিল ছোট্ট রণবীরের মূল সমস্যা। অনেক হাসি-কান্নার মধ্যেই বাবা-মায়ের সিদ্ধান্ত ছিল ছেলেকে খেলার জগতে নিয়ে আসার। জীবনের মূল স্রোতে ছেলেকে ফিরিয়ে আনতে ন’ বছর বয়সেই তাই গলফে হাতেখড়ি করিয়েছিলেন। যদিও দীর্ঘ ওই সাত বছরের পথ পেরনো মোটেও সহজ ছিল না। সিদ্ধান্ত যে ভুল ছিল না তা আরও এক বার প্রমাণ করল রণবীর। দু’ বছর আগেও প্রথম ভারতীয় হিসেবে এশিয়া প্যাসিফিক ওয়ার্ল্ড গেমসের আসর থেকেও জোড়া সোনা এনে দিয়েছিল এই গল্ফার।

শুক্রবার ‘জি এফ গল্ফ লেভেল ২ অল্টারনেট শট টিম’ বিভাগে জয়ী হয় সে। দ্বিতীয় স্থানে যুগ্মভাবে থাকা হংকং এবং নিপ্পনকে ‘নাইন ক্লিয়ার শট’ দিয়ে এই জয় আনে রণবীর।

অবসরে রান্না করতে আর পিয়ানো বাজাতে ভালবাসে। যদিও গলফের সবুজ মখমলেই বেশি স্বাচ্ছন্দ। দিনের বেশিরভাগ সময়টাই কেটে যায় স্টিক আর বল নাড়াচাড়ায়। আর এই ভালবাসাই বিশেষ পরিচিতি এনে দিয়েছে খুদে গল্ফারকে। লিমকা বুক অব রেকর্ডসেও উঠে এসেছে তার সাফল্য। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সব থেকে উচ্ছ্বসিত রণবীর।

ছেলের এই জয়ের পরে বাবা-মায়েদের জন্য আশ্বাস, ‘‘স্পেশাল চাইল্ডরা নিজেদের লড়াই নিজেরাই করতে সমর্থ। তাই আশা ছাড়বেন না।’’

আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন শ্রীশান্ত!

ম্যাচ পাতানোর অভিযোগ থেকে এই তো কিছু দিন আগেই মুক্তি পেয়েছেন ভারতীয় পেসার শান্তাকুমারন শ্রীশান্ত। যথোপযুক্ত প্রমাণ না মেলায় আদালত তাঁকে মুক্তি দিয়েছে ঠিকই, কিন্তু ব্যাপারটা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। শ্রীশান্তের ব্যাপারটা অন্য, যেভাবেই হোক অভিযোগ থেকে মুক্তি মিলেছে, তিনি এখন ফিরতে চান মাঠে। কিন্তু দু’বছর আগের স্পট ফিক্সিং কাণ্ডে গ্রেপ্তার হওয়ার সময়টা মন থেকে মুছে ফেলতে পারছেন না কিছুতেই। গ্রেপ্তার হয়ে তিহার জেলে থাকার দুঃস্বপ্নমাখা সেই অনুভূতি নাকি তাঁকে অনেকবারই আত্মহত্যায় প্ররোচিত করেছিল।
আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে খেলার সময় ২০১৩ সালে তাঁর বিরুদ্ধে স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগ ওঠে। গ্রেপ্তার হয়ে ক্রিকেট দুনিয়ায় আলোড়ন তুলেছিলেন তখন। তিহার জেলের সেই দুঃসহ মুহূর্তগুলো এতটাই গুমোট আর সম্মানহীন ছিল যে ওই সময়টা তিনি নিজেকে শেষ করে দিতে চেয়েছিলেন। ভারতীয় একটি গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপচারিতায় তিনি জানিয়েছেন সেই অনুভূতির কথা, ‘ওই সময় আমি কয়েকবারই আত্মহত্যার কথা ভেবেছি। কিন্তু পরিবারের সমর্থন আর আমার প্রভু “এতুমানুরাপনে”র প্রতি ভক্তিই আমার মাথা থেকে ওই চিন্তা দূর করেছিল।’
শ্রীশান্ত অবশ্য জীবনের এই অধ্যায়কে পার করে এসেছেন। ক্রিকেটেও ফিরতে চাচ্ছেন খুব শিগগিরই। কিন্তু তাঁর ক্রিকেটে ফেরার পথে বাঁধা হয়ে আছে ভারতীয় বোর্ডের দেওয়া নিষেধাজ্ঞা। আদালতের রায়ে মুক্ত হলেও শ্রীশান্তের ওপর আরোপিত ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের নিষেধাজ্ঞা এখনো বহাল রয়েছে। বিসিসিআই সচিব অনুরাগ ঠাকুরের কাছে এই ব্যাপারে আবেদন করতে যাচ্ছেন তিনি। তবে এই ব্যাপারে আদালতের দ্বারস্থ হবেন না বলেই জানিয়েছেন, ‘আমি অপেক্ষা করতে রাজি। আমি শুধু ক্রিকেট খেলতেই চাই, কারও সঙ্গে ঝামেলায় যাওয়ার ইচ্ছে নেই।’
আদালতের হ্যাপা আর নেওয়ার ইচ্ছা নেই। তবে তাঁর অনুরোধ ভারতীয় বোর্ড রাখবে বলেই বিশ্বাস করেন তিনি, ‘আদালতের এই রায়ের পর বিসিসিআই আমার অনুরোধ রাখবে বলেই বিশ্বাস আমার। আমি এখন অনুরাগ ঠাকুরের ফোনের অপেক্ষায় আছি। আশা করি এ ব্যাপারে সিদ্ধান্তটা দ্রুতই নিয়ে নেবে বোর্ড।’ সূত্র:অনলাইন।

আমাদের সিলেট ডট কম

সিলেটেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে অনূর্ধ্ব-১৬ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের তৃতীয় আসর। আগামি ৯ আগস্ট থেকে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে বল গড়াবে দক্ষিণ এশিয়ার যুবাদের অন্যতম বৃহৎ এই আসরের।
সিলেট ডিস্ট্রিক্ট ফুটবল এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাহি উদ্দিন আহমদ সেলিম জানান, ৯ আগস্ট থেকে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে শুরু হবে সাফ অনূর্ধ্ব-১৬ চ্যাম্পিয়নশিপ। চলবে ১৮ আগস্ট পর্যন্ত।
তিনি জানান, কক্সবাজার স্টেডিয়ামে ফ্লাড লাইটের সুবিধা না থাকায় এবং ইতোপূর্বে সিলেটে নেপাল ও বাংলাদেশের মধ্যকার প্রীতিম্যাচ আয়োজন ও বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের মতো বড় টুর্নামেন্ট সিলেটে সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারায় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ভেন্যু হিসেবে সিলেটকে বেছে নিয়েছে। ইতোমধ্যে মাঠ প্রস্তুতের কাজ শুরু হয়েছে। গত সোমবার বাফুফের গ্রাউন্ড ডিপার্টমেন্টের ফজলুর রহমান বাবুল সিলেট জেলা স্টেডিয়াম পরিদর্শন করেছেন। মাঠের সার্বিক অবস্থায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
বয়স ভিত্তিক এই টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছে মোট ৭টি দল। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলংঙ্কা, মালদ্বীপ ও আফগানিস্তান। তবে সাফ থেকে বেরিয়ে গেলেও অনূর্ধ্ব-১৬ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিচ্ছে আফগানিস্তান। আর সাফের অপর সদস্য ভূটান এ আসরে অংশ নিচ্ছে না।
এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো এই টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর আগে দু’বারের আয়োজক ছিল হিমালয়ের দেশ নেপাল। ২০১১ সালে প্রথম আসরে বাংলাদেশ চতুর্থ হয়েছিল। সেবার ৬টি দল অংশ নিয়েছিল। আর ২০১৩ সালের দ্বিতীয় আসরে ৭ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ তৃতীয় স্থান অর্জন করে।

‘স্টেইনের ধার আরও বাড়বে’

বৃষ্টি বাগড়া না দিলে চট্টগ্রাম টেস্টেই হয়তো ছুঁয়ে ফেলতেন ৪০০ উইকেটের মাইলফলক। মিরপুরে একটি উইকেট পেলেই ডেল স্টেইন ঢুকে যাবেন ওই অভিজাত তালিকায়। সেই অর্জনের অপেক্ষায় ক্ষণ গুনছেন তাঁর পেস বোলিং সতীর্থ মরনে মরকেল-ও
ডেল অবিশ্বাস্য! বেশ কয়েক বছর ধরেই সে আমাদের বোলিং আক্রমণের নেতা। অনেক দিন ধরে টেস্টের ১ নম্বর বোলারও। সে অনেক পরিশ্রম করে এবং সব সময়ই চায় নিজের খেলায় আরও উন্নতি করতে। ও হচ্ছে পুরোনো ওয়াইনের মতো, বয়সের সঙ্গে সঙ্গে ধার আরও বাড়বে। ৪০০ উইকেট পাওয়ার দিনটা নিশ্চয়ই ওর জন্য বিশেষ কিছু হবে। তবে ওর আরও অনেক দূর যাওয়ার ক্ষমতা আছে। সবাই তো চায়, এই ধরনের অভিজাত তালিকায় নিজের নামটা দেখতে। দলও তাঁকে সব রকম সমর্থন দেবে, যাতে সে ওই মুহূর্তটা উপভোগ করতে পারে।
কাল মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে

শেষ ম্যাচে লঙ্কান আধিপত্য

সিরিজ নিষ্পত্তি হয়ে গেছে চতুর্থ ম্যাচেই। নয় বছর পর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার মাটিতে ওয়ানডে সিরিজ জিতেছে পাকিস্তান। কাল হাম্বানটোটার পঞ্চম ওয়ানডেটা ছিল শুধুই আনুষ্ঠানিকতার। আনুষ্ঠানিকতার সেই ম্যাচটাকেই হৃত সম্মান পুনরুদ্ধারের উপলক্ষ বানাল শ্রীলঙ্কা। ওপেনার কুশল পেরেরার অসাধারণ এক সেঞ্চুরিকে ভিত বানিয়ে লঙ্কানরা গড়েছে রানের পাহাড়। টস জিতে ব্যাট নিয়ে মাত্র ৪ উইকেট হারিয়েই শ্রীলঙ্কা করেছে ৩৬৮ রান। এরপর পাকিস্তানকে ২০৩ রানে অলআউট করে ১৬৫ রানের বিশাল জয় পেয়েছে স্বাগতিকেরা। পাঁচ ম্যাচ সিরিজটা পাকিস্তান জিতল ৩-২-এ।
শ্রীলঙ্কার ইনিংসের মেরুদণ্ড কুশল পেরেরা-তিলকরত্নে দিলশানের জুটি। দিলশানের রানআউটে ভেঙেছে ১৬৪ রানের উদ্বোধনী জুটি। ৭০ বলে ৬২ রান করার পথেই একাদশ ব্যাটসম্যান হিসেবে ওয়ানডের ১০ হাজারি ক্লাবে ঢুকেছেন দিলশান। রানআউট হয়েছেন কুশলও। তবে তার আগেই ক্যারিয়ারে দ্বিতীয় ওয়ানডে সেঞ্চুরি পেয়ে গেছেন এই বাঁহাতি। ১০৯ বলে ৯ চার ও ৪ ছয়ে ১১৬ রান করে ম্যাচসেরাও কুশল।
৩৪তম ওভারে দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে কুশলের বিদায়ের পর শেষ ৯৭ বলে লঙ্কানরা তুলেছে ১৫৬ রান। এর ৬৯ রান আবার এসেছে শেষ পাঁচ ওভারে। শেষের ঝড়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস। ৪০ বলে ৮ চার ২ ছয়ে ৭০ রান লঙ্কান দলপতির। ম্যাথুসের সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন পঞ্চম উইকেটে ৫৫ বলে ১১৪ রান যোগ করা মিলিন্দা সিরিবর্দনা ২৬ বলেই ৪ চার ও ৩ ছক্কায় করেছেন ৫২।
পাকিস্তানের ইনিংসে সর্বোচ্চ ৩৭ রান মোহাম্মদ হাফিজের। ৩৯ রানে ৩ উইকেট, শ্রীলঙ্কার সেরা বোলার অফ স্পিনার সাচিত্রা সেনানায়েকে। টেন ক্রিকেট, ক্রিকইনফো।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
শ্রীলঙ্কা: ৫০ ওভারে ৩৬৮/৪ (কুশল ১১৬, ম্যাথুস ৭০*, দিলশান ৬২, সিরিবর্দনা ৫২*, থিরিমান্নে ৩০; রাহাত ২/৭৪)। পাকিস্তান: ৩৭.২ ওভারে ২০৩ (হাফিজ ৩৭, আজহার ৩৫, রিজওয়ান ২৯; সেনানায়েকে ৩/৩৯, থিসারা ২/৩৮)।
ফল: শ্রীলঙ্কা ১৬৫ রানে জয়ী।
সিরিজ: ৫-ম্যাচ সিরিজে পাকিস্তান ৩-২-এ জয়ী।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: কুশল পেরেরা।
ম্যান অব দ্য সিরিজ: মোহাম্মদ হাফিজ।

ওয়ানডের দশ হাজারি ক্লাব
ম্যাচ রান সেরা গড় ১০০/৫০
শচীন টেন্ডুলকার (ভারত) ৪৬৩ ১৮৪২৬ ২০০* ৪৪.৮৩ ৪৯/৯৬
কুমার সাঙ্গাকারা (শ্রীলঙ্কা) ৪০৪ ১৪২৩৪ ১৬৯ ৪১.৯৮ ২৫/৯৩
রিকি পন্টিং (অস্ট্রেলিয়া) ৩৭৫ ১৩৭০৪ ১৬৪ ৪২.০৩ ৩০/৮২
সনাৎ জয়াসুরিয়া (শ্রীলঙ্কা) ৪৪৫ ১৩৪৩০ ১৮৯ ৩২.৩৬ ২৮/৬৮
মাহেলা জয়াবর্ধনে (শ্রীলঙ্কা) ৪৪৮ ১২৬৫০ ১৪৪ ৩৩.৩৭ ১৯/৭৭
ইনজামাম-উল-হক (পাকিস্তান) ৩৭৮ ১১৭৩৯ ১৩৭* ৩৯.৫২ ১০/৮৩
জ্যাক ক্যালিস (দ. আফ্রিকা) ৩২৮ ১১৫৭৯ ১৩৯ ৪৪.৩৬ ১৭/৮৬
সৌরভ গাঙ্গুলী (ভারত) ৩১১ ১১৩৬৩ ১৮৩ ৪১.০২ ২২/৭২
রাহুল দ্রাবিড় (ভারত) ৩৪৪ ১০৮৮৯ ১৫৩ ৩৯.১৬ ১২/৮৩
ব্রায়ান লারা (ও. ইন্ডিজ) ২৯৯ ১০৪০৫ ১৬৯ ৪০.৪৮ ১৯/৬৩
তিলকরত্নে দিলশান (শ্রীলঙ্কা) ৩১৯ ১০০০৭ ১৬১* ৩৯.৭১ ২২/৪৫

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ম্যাচসেরা

ওয়ানডে অভিষেকে ম্যান অব দ্য ম্যাচ। ম্যাচসেরা টেস্ট অভিষেকেও। ক্রিকেটের দুই সংস্করণেই শুরুর লগ্নটাকে স্মরণীয় করে মুস্তাফিজুর রহমান ঢুকে গেছেন ইতিহাসে। টেস্ট ও ওয়ানডে দুই ক্রিকেটেই অভিষেকে ম্যাচসেরার একমাত্র কীর্তি বাংলাদেশের এই বাঁহাতি পেসারের। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের তিন সংস্করণের দুটিতেই অভিষেকে ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার জেতা খেলোয়াড় আছেন আর মাত্র একজন। তিনিও বাংলাদেশের—ইলিয়াস সানি। এই বাঁহাতি স্পিনার অবশ্য ম্যাচসেরা তাঁর অভিষেক টেস্ট ও টি-টোয়েন্টিতে। এক দিনের ক্রিকেটের শুরু ১৯৭১ সালের ৫ জানুয়ারি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ম্যান অব দ্য ম্যাচের প্রচলনও ওই দিন থেকে। মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অস্ট্রেলিয়ার কাছে দল হারলেও ৮২ রান করে ম্যাচসেরা ইংলিশ ওপেনার জন এডরিচ। টেস্ট ক্রিকেটে ম্যান অব দ্য ম্যাচের প্রবর্তন আরও চার বছর পরে। ১৯৭৫ সালে ব্রিসবেন টেস্টে জোড়া সেঞ্চুরি করে টেস্টের প্রথম ম্যান অব দ্য ম্যাচ অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক গ্রেগ চ্যাপেল। টেস্টে অবশ্য নিয়মিত ম্যাচসেরা পুরস্কার দেওয়ার শুরু ১৯৮০-এর দশকের মাঝামাঝি থেকে। ২০০৫ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির সূচনা ম্যাচের ম্যান অব দ্য ম্যাচ অস্ট্রেলিয়ার রিকি পন্টিং। ১৯৭১ থেকে এ পর্যন্ত ৯৪৭ জন খেলোয়াড় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ম্যাচসেরা হয়েছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ম্যাচসেরাদের নিয়েই এই আয়োজন।

.অভিষেকেই ম্যাচসেরা
১৩০
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকেই ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েছেন ১৩০ ক্রিকেটার। টেস্ট অভিষেকে ৪০, ওয়ানডে অভিষেকে ৬১ ও টি-টোয়েন্টি অভিষেকে ৩১ জন।

ইলিয়াস সানি: একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে টেস্ট ও টি–টোয়েন্টি অভিষেকে ম্যাচসেরা
মুস্তাফিজুর রহমান: একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে ওয়ানডে ও টেস্ট অভিষেকে ম্যাচসেরা

টেস্টে জাভেদ ওমর, মোহাম্মদ আশরাফুল, ইলিয়াস সানি ও মুস্তাফিজুর রহমান, ওয়ানডেতে সোহাগ গাজী, তাইজুল ইসলাম ও মুস্তাফিজুর রহমান, টি-টোয়েন্টিতে মাশরাফি বিন মুর্তজা, নাজিমউদ্দিন, জুনায়েদ সিদ্দিক ও ইলিয়াস সানি—অভিষেকে ম্যাচসেরা বাংলাদেশের এই নয় ক্রিকেটার।
২০
অভিষেকে সবচেয়ে বেশি ২০ বার ম্যাচসেরা হয়েছে ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়েরা। টেস্টে ৬ বার, ওয়ানডেতে ১৩ বার ও টি-টোয়েন্টিতে ১ বার।
২১
বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২১ বার ম্যাচসেরা সাকিব আল হাসান
কম বয়সে–বেশি বয়সে
১৬ বছর ২১৭ দিন
সবচেয়ে কম বয়সী ম্যান অব দ্য ম্যাচ শহীদ আফ্রিদি। ১৯৯৬ সালে নাইরোবিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডেতে ৩৭ বলে সেঞ্চুরি করার দিন পাকিস্তানি অলরাউন্ডারের বয়স ছিল ১৬ বছর ২১৭ দিন।
৪৩ বছর ১৬২ দিন
সবচেয়ে বেশি বয়সে ম্যাচসেরা সংযুক্ত আরব আমিরাতের খুররম খান। ২০১৪ সালে দুবাইয়ে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডেতে অপরাজিত ১৩২ রান করে ম্যাচসেরা খুররম
৭৬
ক্রিকেটের তিন সংস্করণের মিলিয়ে সবচেয়ে বেশি ৭৬ বার ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েছেন ভারতের শচীন টেন্ডুলকার।
ম্যাচসেরা : কে কতবার
টেস্ট
ম্যাচ ম্যাচসেরা
জ্যাক ক্যালিস ১৬৬ ২৩
মুত্তিয়া মুরালিধরন ১৩৩ ১৯
ওয়াসিম আকরাম ১০৪ ১৭
শেন ওয়ার্ন ১৪৫ ১৭
কুমার সাঙ্গাকারা ১৩২ ১৬
রিকি পন্টিং ১৬৮ ১৬
ওয়ানডে
ম্যাচ ম্যাচসেরা
শচীন টেন্ডুলকার ৪৬৩ ৬২
সনাৎ জয়াসুরিয়া ৪৪৫ ৪৮
জ্যাক ক্যালিস ৩২৮ ৩২
রিকি পন্টিং ৩৭৫ ৩২
শহীদ আফ্রিদি ৩৯৮ ৩২
টি-টোয়েন্টি
ম্যাচ ম্যাচসেরা
শহীদ আফ্রিদি ৮০ ৯
ক্রিস গেইল ৪৫ ৮
শেন ওয়াটসন ৪৮ ৮
মোহাম্মদ হাফিজ ৬২ ৮
মোহাম্মদ শেহজাদ ৩১ ৭

ম্যানচেস্টার কাছে ৩-১ হারলো বার্সেলোনা

শনিবার প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতিমূলক টুর্নামেন্ট ইন্টারন্যাশনাল চ্যাম্পিয়ন্স কাপে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড কাছে ৩-১ গোলে হেরে গেছে বার্সেলোনা।

তিন বছর পর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মুখোমুখি হয়েছিল বার্সা। তবে লিওনেল মেসি, নেইমার ছিলেন না এই ম্যাচে। তাতেই মাশুল গুনতে হলো স্প্যানিশরা।

প্রাক-মৌসুমে গত সপ্তাহে নিজেদের প্রথম ম্যাচে এলএ গ্যালাক্সির বিপক্ষে জিতেছিল বার্সা। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে এসেই পরাজয়ের তিক্ততা পেল লুইস এনরিকের দল। আর মৌসুমে টানা তৃতীয় ম্যাচ জিতল লুইস ফন গালের ম্যানইউ।

ক্যালিফোর্নিয়ার লেভিস স্টেডিয়ামে শনিবার বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় শুরু হয় ম্যাচটি। মেসি বা নেইমার না থাকলেও ছিলেন আরেক তারকা লুইস সুয়ারেজ। উরুগুয়ের এই স্ট্রাইকারের নৈপূণ্যেই ম্যাচের তৃতীয় মিনিটে এগিয়ে যেতে পারতো বার্সা। কিন্তু বার্সার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় গোলপোস্ট। বক্সের সামনে থেকে সুয়ারেজের ফ্রি-কিক পোস্টে লেগে ফিরে আসে।

পঞ্চম মিনিটে আরেকটি সুযোগ পেয়েছিল বার্সেলোনা। সুয়ারেজের পাস থেকে ফাঁকায় বল পেয়েও ম্যানইউ গোলরক্ষক ডেভিড ডি গিয়াকে পরাস্ত করতে পারেননি সার্জিও রবার্তো। উল্টো অষ্টম মিনিটে ম্যানইউই ১-০ গোলে এগিয়ে যায়। অ্যাশলে ইয়ংয়ের কর্নার কিক থেকে হেডে বার্সার জালে বল জড়ান ম্যানইউ অধিনায়ক ওয়েইন রুনি।

বিরতির আগে ১-০ গোলে এগিয়ে যায় ম্যানইউ। বিরতির পর ম্যাচের ৬৫ মিনিটে ম্যানইউকে ২-০ গোলে এগিয়ে দেন জেসে লিনগার্ড।

বার্সেলোনার পক্ষে রাফিনহা একটি গোল করতে সক্ষম হন। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। অতিরিক্ত সময়ে অ্যাডাম জানুজাজের গোলে সমাপ্তি টানে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ৩-১ ব্যবধানের জয় পায় তারা।

Developed by: