বিভাগ: খেলাধুলা

বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের কটূক্তি করায় ব্র্যাভোর জরিমানা করেছে আইসিসি

দ্বিতীয় টেস্টের বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের ‘স্লেজিং’ করায় মাত্রা ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন ড্যারেন ব্র্যাভো। এর শাস্তিও পেয়ে গেছেন তিনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই ব্যাটসম্যানের ম্যাচ ফির ৩০ শতাংশ জরিমানা করেছে আইসিসি।

বুধবার রাতে আইসিসিরি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সেন্ট লুসিয়া টেস্টে চতুর্থ দিনে এ ঘটনা ঘটে। আম্পায়াররা বার বার সতর্ক করে দেয়ার পরও ব্র্যাভো বাংলাদেশের কয়েকজন ব্যাটসম্যানকে কটূক্তি করা চালিয়ে যান।

ব্র্যাভোর তার বিরুদ্ধে আনা এই অভিযোগ অস্বীকার করেন। ফলে ম্যাচ রেফারি রোশান মহানামা মাঠের আম্পায়ার স্টিভ ডেভিস ও রিচার্ড ইলিংওয়ার্থ, তৃতীয় আম্পায়ার মারাইস এরাসমাস ও চতুর্থ আম্পায়ার পিটার নিরোর আনা অভিযোগ নিয়ে আনুষ্ঠানিক শুনানি করেন। এতে ব্র্যাভোর দোষ প্রমাণিত হওয়ায় তার ম্যাচ ফির ৩০ শতাংশ জরিমানা করা হয়।

প্রথম টেস্টে বড় পরাজয়ের পর দ্বিতীয় টেস্টে ২৯৬ রানে হারে বাংলাদেশ। এর আগে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ৩-০ ব্যবধানে হেরেছিল অতিথিরা।

শেষ ২ বলে ২ ছক্কায় জয়!

মিচেল মার্শের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে অসাধারণ এক জয় পেয়েছে পার্থ স্করচার্স। ডলফিন্সের বিপক্ষে ম্যাচের শেষ দুই বলে দুটি ছক্কা হাঁকিয়ে দলকে ৬ উইকেটের জয় এনে দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার এই ব্যাটসম্যান।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টি-টোয়েন্টির ‘এ’ গ্রুপের খেলায় জয়ের জন্য শেষ ওভারে ১৬ রান প্রয়োজন ছিল পার্থের।
শনিবার শেষ ওভারে রবি ফ্রাইলিংকের প্রথম চার বলে এক উইকেট হারিয়ে মাত্র চার রান যোগ করে অস্ট্রেলিয়ার দলটি।

শেষ দুই বলে ১২ রান প্রয়োজন ছিল পার্থের। পঞ্চম বলটি ছিল ফুলটস। এগিয়ে এসে মিডউইকেটের ওপর দিয়ে সীমানা পার করে আশা বাঁচিয়ে রাখেন মার্শ।
শেষ বলটিও নিচু ফুলটস। এবার বোলারের মাথার ওপর দিয়ে সীমানা ছাড়া করে দলকে জয় এনে দেন মার্শ। অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট বিগ ব্যাশের ফাইনালে মাত্র ১২ বলে ৩৭ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলা এই ব্যাটসম্যান এবার ২৬ বলে ৪০ রানে অপরাজিত থাকেন।

মোহালির পাঞ্জাব ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৭ উইকেটে ১৬৪ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকার দল ডলফিন্স।
মাত্র ১২ রানে প্রথম তিন ব্যাটসম্যানকে হারানো ডলফিন্স দেড়শ’ পার হয় ঝোন্ডোর সৌজন্যে। ৬৩ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। তার ৫০ বলের ইনিংসটি ৭টি চার সমৃদ্ধ।

পার্থের জেসন বেহরেনডর্ফ ৩ উইকেট নেন ৪৬ রানে।
জবাবে মার্শের ওই ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ৪ উইকেট হারিয়ে শেষ বলে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় পার্থ।
সর্বোচ্চ ৪৮ রান করেন ক্রেইগ সিমন্স। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৫ রান আসে স্যাম হোয়াইটম্যানের ব্যাট থেকে।

সদলবলে ইসলাম গ্রহণ করল ক্যামেরুনের ফুটবল টিম

islam1দুবাই: আফ্রিকার দেশ ক্যামেরুনের একটি তরুণ ফুটবল দলের প্রায় সব সদস্যই ইসলাম গ্রহণ করেছেন। ইসলামে ‘শান্তি ও প্রশান্তি’ খুঁজে পেয়ে তারা ইসলাম গ্রহণ করেছেন বলে জানিয়েছেন।ক্যামেরুনের ২৩ সদস্য বিশিষ্ট ওই টিমটি দু’মাস ধরে  সংযুক্ত আরব আমিরাতে ফুটবল প্রশিক্ষণ নিচ্ছিল। দুবাইয়ের একটি ফুটবল একাডেমি দরিদ্র, গৃহহীন ও অনাথ তরুণদের ফুটলব প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। তারাই এসব তরুণ ফুটবলারদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছিল।দুবাইয়ের ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড চেরিট্যাবল অ্যাকটিভিটিজ বিভাগ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যেই তারা ইসলাম গ্রহণের ঘোষণা দেন।
সংস্থার সিনিয়র ধর্মীয় উপদেষ্টা জাভেদ খতিব বলেন, ‘এটা বিস্ময়কর ব্যাপার যে যখন এই বয়সে বেশিরভাগ লোকই খেলাধূলা আর আমোদফূর্তিতে মেতে থাকে তখন এসব তরুণরা ঈমান ও আলোর সন্ধান করছে।’

জানা গেছে, ইসলাম ধর্মে শান্তি এবং দুবাইয়ে অবস্থানকালে সেখানকার মুসলমানদের মহানুভবতাসহ নানা কারণে টিমের কোচ ও খেলোয়াড়রা ইসলাম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন।
খতিব বলেন, ‘মুসলমানদের আচরণে তারা দারুণভাবে মুগ্ধ হয়েছেন, বিশেষ করে তাদের প্রতি যে মহানুভবতা এবং সম্মান দেখানো হয়েছে। এসব তরুণরা অত্যন্ত দরিদ্র কিন্তু তাদেরকে ভাইয়ের মত গ্রহণ করা হয়েছে।’

খতিব জানান, দুদিনব্যাপী পৃথক দুটি অধিবেশনে ইসলাম সম্পর্কে তাদের সব প্রশ্ন এবং সন্দেহের জবাব দেয়া হয়েছে।
তিনি জানান, ইসলাম সম্পর্কে যেন তারা সম্যক অবিহত হতে পারেন সেটা নিশ্চিত করা হয়েছে। তাদের অনেকে হালাল ও হারাম, মদপান এবং  ঈসা আ. সম্পর্কে মুসলমানদের ধারণা সম্পর্কে জানতে চেয়েছিল।
খতিব জানান, সফররত  এসব খেলোয়াড়দের দুজন বাদে সবাই বৃহস্পতিবার ইসলাম গ্রহণ করেছেন। শনিবার তারা ক্যামেরুন ফিরে যাবেন।
বাকি দুজন জানিয়েছে, তারা আরো ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নেবেন।

সূত্র; দা ন্যাশনাল, ওয়ার্ল্ড বুলেটিন

জ্বলে উঠলো রিয়ালের তারকারা

ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো, গ্যারেথ বেল, হামেস রদ্রিগেসদের নিয়ে গড়া রিয়াল মাদ্রিদের তারকাখচিত দলে হারিয়ে যাওয়া দ্যুতি ফিরেছে। আর দলের সবার এক সঙ্গে জ্বলে ওঠায় দারুণ এক জয় দিয়েই প্রথম দল হিসেবে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা ধরে রাখার অভিযান শুরু করেছে স্পেনের ক্লাবটি।

ইউরোপ সেরার প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী দিনে সুইজারল্যান্ডের বাসেলকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে ১০বারের চ্যাম্পিয়নরা।
লা লিগার টানা দুই ম্যাচে হারার ব্যর্থতা কাটিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্রথম ম্যাচেই ঘুরে দাঁড়ানোর আশা প্রকাশ করেছিলেন রিয়াল মাদ্রিদের কোচ কার্লো আনচেলত্তি। সে লক্ষ্যে নিজেদের মাঠ সান্তিয়াগো বের্নাবেউয়ে প্রতিপক্ষের ভুলে রিয়ালের শুরুটা হয় একেবারে যথার্থ।বাসেলের চেক প্রজাতন্ত্রের ডিফেন্ডার মারেক সুচির আত্মঘাতী গোলে ১৪তম মিনিটেই এগিয়ে যায় বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

ব্যবধান বাড়াতেও দেরি করেনি ইউরোপের সফলতম দলটি। সাত মিনিটে মধ্যে পরপর তিন গোল স্কোর ৪-০ করার পাশাপাশি জয়টাও একরকম নিশ্চিত করে ফেলে স্বাগতিকরা।

ওই তিন গোলের প্রথমটি ওয়েলসের ফরোয়ার্ড বেলের দারুণ নৈপুন্যে। প্রথমে মিডফিল্ডার লুকা মদ্রিচের বাড়ানো বল এগিয়ে আসা গোলরক্ষকের মাথার উপর দিয়ে দারুণভাবে তুলে দেন, তারপর এগিয়ে গিয়ে ফাঁকা জালে বল জড়ান তিনি।

পরের মিনিটে আবারো গোল। এবারের গোলদাতা রোনালদো আর সহকারীর ভূমিকায় বেল। ক্রোয়েশিয়ার মিডফিল্ডার মদরিচের অবদানও আছে। ডি বক্সের বাইরে থেকে মদরিচের দেয়া সোজাসুজি পাস নিয়ন্ত্রনে নিয়ে কিছুটা এগিয়ে গিয়ে ডি বক্সের মধ্যে ঢুঁকে বাঁদিকে আড়াআড়ি বল বাড়ান গত মৌসুমে রিয়ালে যোগ দেয়া বেল। তা থেকেই লক্ষ্যভেদ করেন রোনালদো। বাসেলের দুই জন খেলোয়াড় চেষ্টা করেও বেলের পাস ঠেকাতে পারেনি।

চতুর্থ গোলটি করেন এই মৌসুমেই রিয়ালে যোগ দেয়া রদ্রিগেস। ডান দিক থেকে বল পায়ে ক্ষীপ্র গতিতে ডি বক্সে ঢুঁকে পড়েন রোনালদো, এক জনকে কাটিয়ে পাস দেন ডি বক্সের ঠিক মাঝ বরাবর করিম বেনজেমাকে। গোলমুখে শটও নিয়েছিলেন ফরাসি স্ট্রাইকার বেনজেমা কিন্তু গোলরক্ষক শুয়ে পড়ে ঠেকিয়ে দেন। তবে বিপদমুক্ত করতে পারেননি, ফিরতি বল পেয়ে অনায়াসেই লক্ষ্যভেদ করেন কলম্বিয়ার মিডফিল্ডার রদ্রিগেস।

ব্রাজিল বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার ‘গোল্ডেন বুট’ জেতা রদ্রিগেসের রিয়ালের জার্সিতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এটা প্রথম গোল।

চার গোলে পিছিয়ে পড়ার পরের মিনিটেই একটি গোল শোধ করে অতিথিরা। প্যারাগুয়ের স্ট্রাইকার দেরলিস গনসালেস গোলটি করেন।

দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম ১০ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর তিনবার সুযোগ পায় রিয়াল কিন্তু লক্ষ্যভেদে ব্যর্থ হয় তারা। দুইবার রোনালদো, একবার বেনজেমা লক্ষ্যভ্রষ্ট শট নেন। ৬৫তম মিনিটে বাসেলও একটি সুযোগ নষ্ট করে।

৭২তম মিনিটে আরেকটি সহজ সুযোগ নষ্ট করেন বেল।

নির্ধারিত সময় শেষের ১১ মিনিট বাকি থাকতে আর ভুল করেননি বেনজেমা। রোনালদোর দারুণ চালাকি করে দেয়া পাস নিয়ন্ত্রনে নিয়ে ডি বক্সের মধ্যে থেকে বাঁ পায়ের শটে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি। বল ক্রসবারের ভেতরের দিকের কানায় লেগে জালে জড়ায়।

‘বি’ গ্রুপের অন্য ম্যাচে শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় বুলগেরিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন লুদোগোরেতসকে ২-১ গোলে হারিয়েছে ইংল্যান্ডের লিভারপুল।

রাউলের রেকর্ড ভাঙার দৌড়ে মেসি-রোনালদো

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের এবারের আসরেই ভেঙে যেতে পারে স্পেনের রাউল গনসালেসের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড। সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ তারকাকে ছাড়িয়ে এই রেকর্ডের নতুন মালিক হবেন লিওনেল মেসি কিংবা ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো।

৭১ গোল করে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সর্বোচ্চ গোলতাদাদের তালিকার শীর্ষে আছেন রাউল।

দ্বিতীয় স্থানে থাকা পর্তুগিজ তারকা রোনালদোর গোলসংখ্যা ৬৮টি আর এক গোল কম নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছে মেসি। গত কয়েক মৌসুম ধরে এই দু’জন যেভাবে গোল করে চলেছেন তাতে রাউলের রেকর্ডটা গ্রুপ পর্বেই ভেঙে যেতে পারে।

গত মৌসুমে ১৭ গোল করে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের এক মৌসুমে সবচেয়ে বেশি গোলের রেকর্ড গড়েন রোনালদো। তার দারুণ নৈপুণ্যেই সেবার দশমবারের মতো প্রতিযোগিতার শিরোপা জেতে রিয়াল।

২০১১-১২ মৌসুমে ১৪ গোল করে তখনকার এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ছুয়েছিলেন মেসি।

উইন্ডিজে শেষ টেস্টেও লজ্জার হার বাংলাদেশের

তামিম ইকবাল ও মুমিনুল হকের শতরানের জুটি ম্যাচ বাঁচানোর স্বপ্ন না দেখালেও অন্তত পঞ্চম দিন পর্যন্ত খেলা নিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা জাগিয়েছিল। কিন্তু পারেনি বাংলাদেশ। মাত্র চার দিনেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্ট ২৯৬ রানে হেরেছে অতিথিরা।
তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ৩-০ ব্যবধানে হারের পর দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ২-০ ব্যবধান হেরেছে বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার শিবনারায়ন চন্দরপলের শতকে ভর করে বাংলাদেশকে ৪৮৯ রানের বিশাল লক্ষ্য দিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।অসম্ভব লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে টি-টোয়েন্টি মেজাজে শুরু করেছিলেন শামসুর রহমান। উইকেট পড়তেও দেরি হয়নি; হুক করতে গিয়ে টাইমিংয়ে গড়বড় করে বিদায় নেন। ২৭ বলে ৩৯ রান করেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান।

বছরের প্রথম টেস্ট খেলতে নেমে দুই ইনিংসেই ব্যর্থ এনামুল হক। প্রথম ইনিংসে ৯ রান করলেও এবার ফিরেন শূন্য রানে।

তৃতীয় উইকেটে তামিম-মুমিনুলের ১১০ রানের জুটিতে প্রতিরোধ গড়ে বাংলাদেশ। সুলেমান বেনের বল সুইপ করতে গিয়ে তামিম শ্যানন গ্যাব্রিয়েলের ক্যাচে পরিণত হলে ভাঙে ৪৭.১ ওভার স্থায়ী জুটি।

১৫৮ রানে তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে ফেরার আগে তামিম করেন ৬৪ রান।

তামিমের বিদায়ের পর ৩৪ রান যোগ করতে শেষ ৭ উইকেট হারিয়ে বড় পরাজয় এড়াতে পারেনি বাংলাদেশ।

প্রথম ইনিংসে প্রতিরোধ গড়া মাহমুদুল্লাহ এবার ফেরেন শূন্য রানে। আর অর্ধশতকে পৌঁছানোর পর মুমিনুলের (৫৬) বিদায় বাংলাদেশকে ভীষণ বিপদে ফেলে দেয়।

বড় হার এড়াতে বাংলাদেশ তাকিয়ে ছিল মুশফিকুর রহিম ও নাসির হোসেনের দিকে। কিন্তু তারাও খুব একটা প্রতিরোধ গড়তে পারেননি। মুশফিক দুই অঙ্কে পৌঁছতে পারলেও নাসির বিদায় নেন মাত্র ২ রান করে।

বিশেষজ্ঞ ব্যাটসম্যানদের বিদায়ের পর বাকিরা আর খেলাটা শেষ দিনে নিয়ে যেতে পারেননি।

৭৭ রানে ৫ উইকেট নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেরা বোলার বাঁহাতি স্পিনার বেন।

এর আগে বসেজু স্টেডিয়ামে ৪ উইকেটে ২০৮ রান নিয়ে খেলা শুরু করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। চতুর্থ দিন কোনো উইকেট না হারিয়ে আর ৬১ রান যোগ করে ২৬৯ রানে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে দলটি।

বাংলাদেশের বিপক্ষে আগের দুটি ইনিংসে ৮৫ ও ৮৪ রানে অপরাজিত ছিলেন চন্দরপল। এবার শতকে পেয়েছেন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।

৬৩ রান নিয়ে দিনের খেলা শুরু করা চন্দরপল ৩০তম টেস্ট শতকে পৌঁছানোর পর ইনিংস ঘোষণা করেন দিনেশ রামদিন। ১০১ রানে অপরাজিত থাকা চন্দরপলের ১৩৪ বলের ইনিংসটি ৮টি চার সমৃদ্ধ।

অবিচ্ছিন্ন পঞ্চম উইকেটে চন্দরপলের সঙ্গে ১৬৯ রানের জুটি গড়া জেরেমাইন ব্ল্যাকউড অপরাজিত থাকেন ৬৬ রানে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ৩৮০ (চন্দরপল ৮৪*, জনসন ৬৬, ব্রেথওয়েইট ৬৩; আল-আমিন ৩/৮০) ও ২৬৯/৪ ইনিংস ঘোষণা (ব্রেথওয়েইট ৪৫, জনসন ৪১, এডওয়ার্ডস ২, ব্র্যাভো ৭, চন্দরপল ১০১*, ব্ল্যাকউড ৬৬*; মাহমুদুল্লাহ ২/৬৪, শফিউল ১/৪২, তাইজুল ১/৮১)

বাংলাদেশ: ১৬১ (মাহমুদুল্লাহ ৫৩, তামিম ৪৮; রোচ ৫/৪২) ও ১৯২ (তামিম ৬৪, শামসুর ৩৯, এনামুল ০, মুমিনুল ৫৬, মাহমুদুল্লাহ ০, মুশফিক ১১, নাসির ২, তাইজুল ৪, শফিউল ১৪, রবিউল ০, আল-আমিন ০*; বেন ৫/৭২, টেইলর ৩/৩৯, গ্যাব্রিয়েল ১/২৪, রোচ ১/৪৩)

ম্যাচ সেরা: শিবনারায়ন চন্দরপল।

সিরিজ সেরা: ক্রেইগ ব্রেথওয়েইট।

ফ্রান্স জাতীয় ক্রিকেটলীগে পাকিস্থানকে হারিয়ে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন

10168531_10201774714505454_1225082968_nফ্রান্সে তৃতীয় বিভাগ জাতীয় টি-টুয়েন্টি ক্রিকেট লীগের ফাইনালে শিরোপা জিতল বাংলাদেশ ক্রিকেট ক্লাব,প্যারিস | গত শনিবার বিকেলে প্যারিসের বিনসেন মাঠে অনুষ্ঠিত ফাইনাল খেলায় এর্জেনটাইল ক্রিকেট ক্লাব পাকিস্তান,ফ্রান্সকে ৩৭ রানে হারিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট ক্লাব,প্যারিস চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

আর এ বিজয়ের ফলে নির্ধিদায় ফ্রান্স ২য় বিভাগ জাতীয় টি -টুয়েন্টি ক্রিকেট লীগে অংশ গ্রহণ করার পথ সুগম হলো বাংলাদেশ ক্রিকেট ক্লাব প্যারিসের। ফলে বাংলাদেশী কমিউনিটিতে বইছে আনন্দের বন্যা।

ফ্রান্সের ১৭টি ক্লাবের অংশগ্রহনে অনুষ্ঠিত টি -টুয়েন্টি ক্রিকেট লীগের ফাইনালে বাংলাদেশ দল টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন দলের অধিনায়ক রাশেদ হাসান শাকিল।

দর্শকদের তুমুল করতালি আর বাংলাদেশ বাংলাদেশ স্লোগানের মধ্যে দিয়ে মাঠে প্রবেশ করেন ওপেনিং জুটি শুভ ও জনী। উত্সাহ দিতে থাকেন মাঠের বাইরে অবস্থান নেয়া ফ্রান্সে নিযুক্ত বাংলাদেশের দুতাবাসের কাউন্সিলর হজরত আলী খান ,ইয়ত ক্লাবের সভাপতি শরিফ আল মমিন ,সম্পাদক টিএম রেজা ,শিল্পী আরিফ রানা ,হেনু মিয়া, মিন্টু চৌধুরী ,শুভ্র দাসহ প্যারিসে অবস্থানরত বাংলাদেশের বিভিন্ন সংগঠনের রাজনৈতিক ,সামাজিক, ও মিডিয়া নেতৃবৃন্দ ।

শুভ করেন ৩৬ আর জনি করেন ১৩। এরপর ১৯ ওভার ৪ বল খেলে সব কটি উইকেট হারিয়ে পাকিস্তানি বোলারদের নিয়ন্ত্রিত

বোলিংয়ের বিপরীতে বাংলাদেশের জুলিতে রানের সংখ্যা দাড়ায় ১০১। বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ রান করেন শুভ।

জবাবে বাংলাদেশ দলের অনবদ্য পারফরম্যান্সের ফলে ৩৭ রানে জয়ী হয় বাংলাদেশ ক্রিকেট ক্লাব ফ্রান্স। ফ্রান্সের বুকে রচিত হয় আরেক অধ্যায়ের। বাংলাদেশ দলের বোলিংয়ে এদিন ধারহীন নৈপুণ্য দেখান মোজাহিদ। তিনি নেন দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট।

খেলায় ম্যান অব দ্যা ম্যাচ হন বাংলাদেশ দলের শুভ মল্লিক।

বাংলাদেশ দলের স্কোর শুভ ৩৬,ফয়সাল ২৪,জনি ১৩,আশু ৮,শামস ৭,শাকিল ৬,ও অতিরিক্ত ৭। উইকেট নেন মোজাহিদ ৩,হালিম ২,আশু ১,শামস ২,শাকিল ১ ও রান আউট হয় ১ টা।

বাংলাদেশ দলে খেলোয়ার ছিলেন যতাক্রমে রাশেদ হাসান শাকিল (অধিনায়ক),ওয়াশিউজ্জামান (সহ অধিনায়ক), আজিজুল হক সুমন ,শামসুল আলম শামস ,ফয়সাল খান ,রাহাত খান জনি,আরিফ মোজাহিদ ,আব্দুল হালিম ,মোহাম্মদ জাবেদ , শুভ মল্লিক ,নজিব উল্লাহ পিয়াস ,মুবারক রাকিব ,সুমন মল্লিক ,মামুন খান ,সাগর খান আনোয়ার হোসেন ,মঞ্জুর আহমদ ,আক্তারুজ্জামান রয়েল।

মেসি-নেইমারের জাদুতে বার্সার জয়

লা লিগায় লিওনেল মেসি ও নেইমারের জাদুতে জয় পেয়েছে বার্সেলোনা। শনিবার আথলেতিক বিলবাওয়ের বিপক্ষে  ২-০ ব্যবধানে জয় তুলে নেন তারা। দলের পক্ষে দুইটি গোলই করেন ব্রাজিল তারকা নেইমার। আর এই দুই গোলের  জোগানদাতা আর্জেন্টিনা অধিনায়ক মেসি।
 1410672947
নিজেদের মাঠ নউয়ে ক্যাম্পে বিলবাওয়ের বিপক্ষে নতুন জার্সি পড়ে খেলতে নামে লুইস এনরিকের শিষ্যরা। প্রথমার্ধে মেসির গোলের প্রচেষ্টা থাকলেও শেষ পর্যন্ত গোলের দেখা পাওয়া যায়নি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুর দিকেও আশা জাগিয়ে গোল না পেলেও ৬৩তম মিনিটে মুনিরের বদলি হিসেবে মাঠে নেমে জাদু দেখান নেইমার। মেসি-নেইমার জোট বেধে নির্ধারিত সময়ের ১১ মিনিট বাকি থাকতে প্রথম গোলটি করেন নেইমার। ডি বক্সের বাইরে থেকে দেয়া মেসির পাস পেয়ে বাম পায়ের কোনাকুনি শটে বিলবাওয়ের জালে বল জড়ান তিনি। এর পাঁচ মিনিট পর মেসির এগিয়ে দেয়া বলে দ্বিতীয় গোলটি করেন নেইমার। ডান দিক থেকে বল পায়ে প্রতিপরে দুই খেলোয়াড়কে এড়িয়ে দুর্দান্ত গতিতে ছুটে গিয়ে ডি বক্সের মাঝখানে থাকা নেইমারকে পাস দেন মেসি। আর সেখান থেকে দ্বিতীয় গোলটি করেন তারকা খেলোয়াড় নেইমার।

আল আমীনের বোলিং অ্যাকশন নিয়েও সন্দেহ

1410359424সোহাগ গাজীর পর এবার বোলিং অ্যাকশন নিয়ে আইসিসির সন্দেহের চোখে পড়েছেন বাংলাদেশি তরুণ বোলার আল আমীন হোসেন। ২১ দিনের মধ্যে আইসিসি স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে তার বোলিং অ্যাকশন পরীক্ষা করাতে হবে। তবে পরীক্ষার ফলাফল আসার আগ পর্যন্ত খেলা চালিয়ে যেতে পারবেন তিনি।

সম্প্রতি অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের জন্য সব ফরম্যাটের ক্রিকেট থেকে নিষ্দ্ধি হয়েছেন বিশ্বের অন্যতম সেরা অফ স্পিনার সাঈদ আজমল। বাংলাদেশি অফ স্পিনার সোহাগ গাজীও আছেন আইসিসির সন্দেহের চোখে।

জুলাই থেকে এ পর্যন্ত যে ছয়জন বোলার আইসিসির সন্দেহের কাতারে এসেছেন তাদের মধ্যে একমাত্র আল আমীনই মিডিয়াম ফাস্ট বোলার। বাকিরা সবাই অফ স্পিনার।

১০ উইকেটে হারল বাংলাদেশ

1410288266প্রথম টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ১০ উইকেটে হেরেছে বাংলাদেশ। অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমের শতকের পরও সফরকারীদের লজ্জায় ফেলে স্বাগতিকরা। মঙ্গলবার কিংসটাউনে অনুষ্ঠিত এই টেস্টের পঞ্চম দিন দ্রুত শেষ ৫ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। এর ফলে দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

শনিবার গ্রস আইলেটে শুরু হবে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ৪৮৪/৭ ইনিংস ঘোষণা (ব্রেথওয়েইট ২১২, চন্দরপল ৮৫*, গেইল ৬৪; তাইজুল ৫/১৩৫) ও ১৩/০ (গেইল ৯*, ব্রেথওয়েইট ৪*)
বাংলাদেশ: ১৮২ (মুমিনুল ৫১, মুশফিক ৪৮*; বেন ৫/৩৯, ব্ল্যাকউড ২/১৪) ও ৩১৪ (তামিম ৫৩, শামসুর ৪, ইমরুল ২৫, মুমিনুল ১২, মাহমুদুল্লাহ ৬৬, মুশফিক ১১৬, নাসির ১৯, শুভাগত ০, তাইজুল ০, রুবেল ০, আল-আমিন ০*; রোচ ৪/৬৪, গ্যাব্রিয়েল ২/২৫, বেন ২/৪৪, গেইল ১/৫০)

Developed by: